ইউজার লগইন

ভাস্কর'এর ব্লগ

একুশে ফেব্রুয়ারী নিয়া কিছু স্মৃতিকাতরতা আর নায়কোচিত তিরিশ মিনিটের কাহন...

তখন স্ট্যান্ডার্ড টুতে পড়ি...ভোরে ঘুম থেইকা উঠতে হইবো এই চিন্তায় সারা রাইত নির্ঘুম...আমার প্রথম প্রভাত ফেরী...বাপ আর মায়ের কেনী আঙুল ধইরা আমরা তিন ভাই-বোন ধানমন্ডি থেইকা খালি পায়ে গেছিলাম শহীদ মিনারে...লাখে লাখে মানুষের আগমন...সেইদিন আমরা নাস্তা করছিলাম চীনাবাদাম দিয়া, এইটুক মনে আছে...তয় কেন যে আর কয় বছরের মধ্যেই শহীদ মিনারে যাওনের আগ্রহটা বাপ আর মা হারাইয়া ফেলছিলো, তা বুঝি নাই বহুকাল...ধীরে ধীরে

ডাইরী ৫৩

জল ছাড়া কি বাঁচেগো মীন, ডুবলে কি ভাসে মরা...
                                             ----- শাহ আব্দুল করিম

এক.

ডাইরী ৫২

শৈশবে একবার লায়ন সার্কাসের শো দেখতে গিয়া ভাবছিলাম এই জীবনে ক্লাউন হওয়াটাই আরাধ্য, তার চাইতে সুখী মানুষ কে আছে এই পৃথিবীতে!

এক.

ডাইরী ৫১

এক.
আবেগের বেগুনী নৌকায় ভেসে আর কতোদূর যাওয়া যায়...তবুতো চেয়েছি ভেসে যেতে অনিশ্চিত ভ্রমণের জলে। এই স্রোত কোনখানে নিয়ে যায়, মানুষ কখনো জানে নাই তার খোঁজ। তবু রোজ...আমি অপেক্ষায় থেকেছি তাহার। মুঠো ভরে বালুকনা তুলে নিয়ে সাজিয়েছি মরুভূমি। নিজেরে ভেবেছি বেদুঈন...যার প্রতীক্ষা কেবলি মরুদ্যানের।

দুই.

ডাইরী ৫০

এক.

বৃষ্টি বিষয়ক কিছু ভাবনা...

১.
যখন স্মৃতিরা ঝরে গেছে...কোথাও তাহারা চিহ্ন রেখে যায় নাই। আর আমি অবুঝ বৃষ্টির ঝরে যাওয়াতে চিহ্ণ খুঁজে ফিরি। বৃষ্টির চাইতে জোরালো বৃদ্ধের পদছাপ দেখে দেখে আমি বয়সের কাছাকাছি চলে গেছি...সেইখানে কোন কালো মেঘ নাই! শূন্যতায় কালো মেঘ থাকে না কখনো।

২.

ডাইরী ৪৮

এক.

আসল ইডিয়টের সন্ধানে...

মুন্না ভাই এমবিবিএস কিংবা লাগে রাহো মুন্না ভাইয়ের মতো জনপ্রিয় ব্যঙ্গাত্মক হাসির সিনেমা নির্মাণের মধ্য দিয়ে রাজকুমার হিরানী উপমহাদেশীয় ছবির জগতে উল্লেখযোগ্য চিত্র পরিচালক হিসাবে আগেই নজর কেড়েছিলেন। থ্রি ইডিয়ট্স নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছিলো ছবির মহরত অনুষ্ঠানের ঘোষণা থেকেই। ভারতের অভিনয় জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র আমির খানের উপস্থিতি এসব আলোচনার প্রধান হয়ে উঠেছিলো। তার শেষদিককার একটি ছবি তারে জমিন পার আসলে দ

ডাইরী ৪৭

এক.
ফাগুনের মাতাল হাওয়া মন উতলা করে দেয়।
উতলা আমি রঙের সরোবরে ভেসে যাই...
কিন্তু কেরম প্লাস্টিক মানব-মানবীদের স্রোতে
ফিরে আসি তীরে...নাক ঢেকে মাটির ঘেরান নেই,
আহা! আমার প্লাস্টিক গন্ধী ভোর।

দুই.
তেলে আর জলে যেরম মিশেছে এইবেলা
আমিও তেমন রয়েছি...আল্ট্রা ওয়াইড দৃষ্টিতে
তাদের বড়ো দূরের মানবী ঠেকে।

ডাইরী ৪২

১.
অর্থহীনতা বেদম বাঁজো তুমি...অর্থহীনতা এই প্রহরে শোনাও তবে গান...আহা! অর্থহীনতায় তবে সপে দেবো আমার পরান...

২.
আমার মতোই তুমিও কী তবে
অর্থহীনতায় আছো...আহা, আমার প্রবেশ দ্বার
তবে কেবল তোমার জন্য দিবারাত্র খোলা...

৩.
আমার শহর শূন্য করে কোন শহরে বেজেছো
তবে তুমি?
আমার শহর তাই দেখি আজ নীরব থেকেছে,
মরুভূমি?

ডঃ স্ট্রেঞ্জলাভ একটি যুদ্ধবাজী বিরোধী সিনেমা।

স্ট্যানলি কুবরিক তখন মার্কিনী চলচ্চিত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে শুরু করেছেন। তার সিনেমাটিক পরিভাষা তৎকালীন আমেরিকান গড়পড়তা ছবির বাইরে দর্শকদের নতুন করে ভাবনার উদ্রেক করছিলো। কেবল তার সিনেমার কাহিনী চিত্রনাট্য নয় প্রযুক্তির ব্যবহারেও তিনি অনেক এক্সপেরিমেন্টের মধ্যদিয়ে গিয়েছেন তার প্রারম্ভিক সময়ে। কিন্তু ৫০ দশকের সময় থেকেই কুবরিক তার সিনেমায় যুদ্ধবিরোধী বক্তব্য এবং প্রযুক্তির ব্যবহারে পরিমিতি নিয়ে

একটা হার্ড রক প্যাটার্নের গানের লিরিক লিখলাম গতোকালকের ফেইসবুক স্টেটাস মাথায় নিয়া...

ইদানিং গান শুনতে গেলে টের পাই বয়স কতোটা বাড়ছে। ৬ গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড বিওন্স নোয়েল্সরে মনে হয় এইসব কেমনে মানুষের পছন্দ হইতে পারে! জনপ্রিয় ব্রায়ান অ্যাডাম্স কিম্বা রিচার্ড মার্ক্স শুনলে উপলব্ধ হয় এইসব পুতুপুতু প্রেমের গানে কেমনে মানুষ এইরম ভালোবাসা দ্যায়!

ডাইরী ৪০

কালকের রাতটা আমার কেরম উদ্ভট গেছে। বহুবছর বাদে কোন স্বপ্ন দেইখা আমি
এক্কেরে আক্ষরিক অর্থে ভয় পাইছি। কেরম অদ্ভুত সব মুখোশ পরা ভুতের মতোন
চরিত্র গুলি আসছে আর ভয় দেখাইছে। আর যারা বন্ধুবৎ ছিলো তারাও কেরম আচরণ
করতেছিলো...আমি টের পাইতেছিলাম স্বপ্নের গতিধারা কোন পথে
প্রবাহিত...কিন্তু কিছুতেই পাল্টাইতে পারতেছিলাম না। আর অনিশ্চয়তার দিকে
যাইতেছিলো সকল আকার। মুখোশগুলিও পাল্টাইতেছিলো ক্ষণেক্ষণে।

ডাইরী ৩৯

চোখের ডাক্তার দেখাইয়া বিপদেই পড়লাম। নতুন চশমা দিছে। বাল্যকালের সকল সমস্যা নাকি আবার ফিরা আসছে। এক্সিসে সমস্যা। মাইওপিয়া হইছে দ্বিগুণের বেশী। চশমার সিলিন্ড্রিক্যাল কাঁচের অনভ্যস্ততায় পড়ছি। তয় চশমার দোকানে গিয়া ছোটকালের সেই শিয়াল পন্ডিত ফ্রেমটা কিনতে ইচ্ছা করতেছিলো বহুত। কিন্তু কি ভাইবা জানি কিনি নাই।

ডাইরী ৩৮

তিনি চাইলেন আকাশটারে ছুঁয়ে কাটাবেন বাকীটা জীবন
আর উনি আকাশের চাইতে ভালোবাসেন সবুজ বন
অথবা পাহাড়।
তিনি পায়ে হাটা পথটারে চান মসৃণতার নির্মাণ,
আর উনি খানিকটা এলোমেলো ছন্দবিহীন চলেন
তাঁর দায়িত্ববোধে সচেতনা
উনি স্বপ্নে থাকেন বিলাসী...

ফারাকগুলো চোখের 'পরে লাগে
ফারাকগুলো ভীষণ যন্ত্রণাতে বাঁজে
তবু
যে কীসের অনুরাগে আছেন তাহারা পরস্পরে...

তবু আমি সময়টারে উপভোগেই থাকি