ভাস্কর'এর ব্লগ
meghna guha thakurta
ল্যান্ড কমিশন বিষয়ে:
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (নবম কিস্তি)
সে আসলে কি বোঝাতে চেয়েছিলো, সেটা বলা দুষ্কর; তবে এটা নিশ্চিত যে সে অপাংক্তেয় আগাছার মতোন কষ্টকর অহেতুকতা বা অহেতুক কষ্টজীবীতার কথা বলতে চায়নি, সে বরং একটা অষ্পষ্ট প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত দিতে চেয়ে থাকতে পারে, জীবনের ধারাবাহিকতা নিয়ে, যখন সব শেষ বলে ধরে নেয়া হয় তখনো জীবন অনর্থক আর দুঃখের রেশে মাখামাখি থাকে। যদিও সে যা বলতে চায়নি তা বলে ফেলেছিলো, কিন্তু তার কথার প্রতিক্রিয়া রীতিমতো সাড়া ফেলে দিলো; মা আর্দ্
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (সপ্তম কিস্তি)
দূর্ভাগ্যবশতঃ, নিজের শরীরের প্রতি তার ভালোবাসার জন্য বহুকিছুই সে এড়িয়ে যেতে শুরু করেছিলো, একদিন সে হঠাৎ আবিষ্কার করলো ইতোমধ্যেই তার পেটের ত্বকে ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে, সাদা সাদা দাঁগ পড়েছে মধ্যভাগ জুড়ে, চামড়ার টান টান ভাবটা চলে গিয়ে কেমন আলগোছে বাঁধা প্যাকেটের মতোন ঝুলে পড়েছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এসব নিয়ে তার আদৌ কোনো ভাবনা তৈরী হলো না। ভাঁজ পড়া পেট নিয়েই মা এবং তার শরীরের সুখ অব্যাহত রইলো কার
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (ষষ্ঠ কিস্তি)
আর এর বাইরে যা ঘটছিলো: আগে নগ্ন শরীরে প্রেমিকের ছোঁয়ায় তার লজ্জাবোধ হতো; তাদের কাছাকাছি আসার অর্থ ছিলো ভিন্ন কোনো দেয়াল টপকে আসার মতোন, আর হঠাৎ জড়িয়ে ধরার বিষয়টা ছিলো রীতিমতোন বিব্রতকর কারণ এটা আসলে হঠাৎ'ই ঘটে যেতো। লজ্জার বিষয়টা যদিও তাকে নিরস্ত করতো না একেবারেই, উল্টো সঙ্গমের প্রবণতা বাড়তো, কিন্তু এ সময়ে তার সজাগ দৃষ্টি থাকতো নিজের শরীরের প্রতি, যেনো সঙ্গমের টানে শরীরটা আবার হারিয়ে না যায়। আর ন
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (পঞ্চম কিস্তি)
শেষ পর্যন্ত কি সে সুখী হয়েছিলো? একদম না: বরং সংশয় আর আত্মবিশ্বাসের টানাপোড়েনে পড়ে গিয়েছিলো সে; আয়নার সামনে পোষাক খুলে দাঁড়িয়ে, নিজেকে চোখ মেলে দেখতে গিয়ে সে প্রায়শঃই উত্তেজনা টের পেতো, আবার মাঝে মাঝে নিজেকে মনে হতো সারাশব্দহীন মরা মাছের মতোন । এরপর অন্যকোনো চোখের পরিসরে ছেড়ে দিতেই শরীরময় ছড়িয়ে পড়তো অনিশ্চয়তার স্রোত।
স্বীকারোক্তি...
বয়স অনেক হইলো। যতোই চল্লিশের দুয়ারে গিয়া পৌছাইতেছি, ততোই মনে হইতেছে কি জানি হারাইতেছি। সেই শৈশব থেইকাই এই হারানোর ভয় আমার পিছে লাইগা আছে। বাপের বাড়িতে একটা সুন্দর উঠান ছিলো। কিছুদিনের মধ্যেই সেই উঠানের উপর বাপে একটা বিশাল বাড়ি তুইলা ফেললো। যেই অসমাপ্ত বাড়ির তিনতলার কনস্ট্রাকশনের ফাঁকে ফাকে আমার সমব্রানিয়ার শত্রু-মিত্ররা স্থির দাঁড়াইয়া থাকতো। আমার সেই সমব্রানিয়া হঠাৎ একদিন লোপাট হইলো বাপের দেউলিয়া
shudhashindhu khisa
ভূমি সংস্কার আইন: