ভাস্কর'এর ব্লগ
ডাইরী ৬২
এক.
সে আমাকে ডেকে নিয়ে যায়। আমিও সকল সংসারে আগুন জ্বেলে দিতে সাথে সাথে সাড়া দেই। তবে তার আগে খেয়ে নেয়া যাক চকোলেট চিপ বিছানো নতুন ফ্র্যাপে...
যার হিম বরফে আমার প্রতিহিংসার আগুন নিভে গেলো, দপ করে। আহা কফি ওয়ার্ল্ড, কেনো যে আসি নাই এতোদিন আমি তোমার নিগরে। অতঃপর আমি তারে সোজা না বলেছি, বলেছি চিকিৎসক রমনীরা সুখেই থাকুক...
ডাইরী ৬১
এক.
উকি মারা বিদ্যায় আমার তেমন দক্ষতা ছিলো না কখনো। ঘাপটি মেরে গোপনেরে দেখি নাই এমন না, কিন্তু কখনোই ভাবি নাই গোপনের বিনিময়ে চেয়ে নিবো কিছু। বেশতো ছিলাম...অথচ সে আমি পাগলের মতো খুঁজে ফিরি সব গোপনীয়তারে। সে আমি ভেঙে ফেলি সকল আড়াল। যদিও তাহার আড়ালের বেড়া বেশ নাজুক মাজুল ছিলো।
রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (পাঁচ)
ঈদের দিন সকাল ১০টায় ঘুম ভাঙনের পর কেরম অস্বস্তি লাগতেছিলো...বহুকাল পর এই উৎসবের সকালে বিছানা ছাড়লাম এতো সকালে!
ডাইরী ৬০
এক.
অন্তর্জাল কিম্বা আন্তঃজাল যা'ই বলা হোক, সেই জালে আটকা পড়েছি আমরা সকল জলজ পরান। পথভ্রান্ত হয়ে জানি না চলেছি কোনখানে, ভুলেছি কোথায় গন্তব্য রয়েছে...বাস্তব জগতের পরাধীনতা থেকে এই জালের স্বাধীনতায় বিশ্বাস বেড়েছে তবু। আহা জাল সে যে ঘিরে আছে অদৃশ্যমানতা নিয়ে।
ডাইরী ৫৯
Life is elsewhere...
এক.
হয়তো সত্যিই জীবন অন্যত্র রয়েছে। আলসেমিতে কখনো খুঁজি নাই অন্যত্রে যাওয়ার পথ বরং ভেবেছি নিজের চারপাশে তুমুল আন্দোলনে একদিন পাল্টে যাবে সব, এইখানেই পেয়ে যাবো জীবনের দিশা। তবু দেখি অন্যত্রের পথ অন্বেষণে চলেছে অনেকেই...
ডাইরী ৫৮
এক.
মার্চ মাসেই এবার সূর্য্য তাপ বেড়ে, পোড়াবে পীচের আস্তরণ আমি জানতাম। মার্চ মাসে আমি তপ্ত শরীরে শয্যার সন্নিকটে কাটাবো চব্বিশ ঘন্টা, জানা ছিলো। এবারের মার্চে অস্থির হবার সম্ভাবনা রাখি জেনেই যেনো বা, পুড়ে যায় আমার হৃৎপিন্ড, জঠর, প্লীহা...ভুল করে আমার কপাল ছুঁয়ে ফেলায় পুড়েছে মায়ের আঙুল।
রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (চার)
পেডা টিং টিং মানে পেট ভরা ভরা...তিন পাহাড়ি রাজনৈতিক নেতা যারা দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলি প্রতিনিধিত্ব করেন, তারা পয়সা খাটাইছেন পর্যটন ব্যবসায়...পাহাড়ের আমেজটারে হয়তো তারা বুঝেন, তাই তাগো স্থাপনায় পাহাড়ের প্রাকৃতিক আমেজ পুরা পাওন যায়। কিন্তু লোভনীয় খাদ্য তালিকার মূল্য দেখলেই খাওনের শখ উইবা যায়...তাওতো একবেলা ওয়াইল্ডারনেস'এর মধ্যে খাওয়া। কিন্তু অর্ডার করনের পর ঘন্টা দেড়েক লাগবো শুইনা আমরা পিছুটান দিলা
ডাইরী ৫৭
গুলিবিদ্ধ পাখি গোত্তা খেয়ে কোথাও পড়েছে। আমি তারে খুঁজতে খুঁজতে বন, পাহাড়, মাতাল সমতল উল্টে পাল্টে বেড়াই। গুলিবিদ্ধ পাখি কোথাও বেদনাহত পড়ে আছে...
এক.
রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (তিন)
কেবল কৈশোরত্তীর্ন তরুন হিসাবে ৯০ দশকের শুরুতে যখন সুবলঙ আসতাম, তার রূপে মোহিত হইয়া একটা পুরা দিন চইলা যাইতো...পাহাড়ী ঝর্ণার অবারিত জলে শরীরের প্রতিটি কনায় শিউরে ওঠা অনুভূতি...চুয়ানির আচ্ছন্নতায় ঠান্ডা জলের বৈপরীত্যে আমরা সন্ধ্যাতক একদম নিজের জগতে থাকতাম। সেই সুবলঙে যাওনের লেইগা ইঞ্জিন চালিত ছাউনি দেওয়া ট্রলার ভাড়া কইরা পারিবারিক(?) আবহে যাত্রা...এক্কেরেই নতুন অভিজ্ঞতা আমার জন্য। কিন্তু ঈষিতা কটেজে
রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (দুই)
এইবার পরিকল্পনা ছিলো রাঙ্গামাটি জেলার প্রত্যন্ত কিছু থানায় যামু। আগে মাইন্যামুখ পর্যন্ত যাওনের অভিজ্ঞতা থেইকা জানি প্রকৃতির ধারেকাছে থাকা মানুষেরা সংগ্রামী হয়। এইবার আরেকটু দূরে মারিশ্যায় যাওনের খায়েশ তৈরী হইছিলো একবন্ধুর বর্ণনা শুইনা। হ্রদের পাড়ে নাকি গুচ্ছগ্রামের শহর গইড়া উঠনের প্রক্রিয়ায় আছে বেশ কয়েক বছর ধইরাই। কিন্তু বিধিবাম...পর্যটন মোটেলে পৌছাইয়া দেখি কর্মকর্তা-কর্মচারী সব নিরাশার চেহারা নিয়
রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (এক)
(এই লেখাটা পুরানা। তবু এর প্রাসঙ্গিকতা আমার নিজের কাছে তৈরী থাকে আজীবন। অনিশ্চয়তার ভ্রমণপ্রিয় আমি আজীবন হয়তো মনে রাখবো এই ভ্রমণাভিজ্ঞতা...আজীবন মনে রাখবো বিজয় কেতন চাঙমার সান্নিধ্য, আর তাই পছন্দের পাঠকদের জন্য আবারো তুলে দেই বহু বছরের পুরানা মদ। মদ পুরানা হইলে কদর বাড়ে। এই লেখার কদর আপনাদের কাছে কিরম হইবো তা জানার প্রত্যাশায় থাকলাম...)