ইউজার লগইন
ব্লগ
বন্ধু আমার
আজ আমি আমার এক বন্ধুর গল্প বলবো। এইচএসসি পরীক্ষার এক মাস আগে তার ইতালীতে ভিসা হয়ে যায়। সেটা ২০০২ এর ঘটনা। ওর বাড়িতে গিয়েছিলাম তার আগের দিন, ব্যাগ গুছাচ্ছিলো সেদিন। আন্কেল কলেজের শিক্ষক, আমাদেরকে দেখে জিজ্ঞেস করছিলেন প্রস্তুতি কেমন। ওনার কন্ঠে উত্তর পাবার আকুতি ছিলো না, আকুতি ছিলো আমাদের মাঝে নিজের সন্তানের ছায়াকে।
সুমিত ছিলো ওর নাম। তখন ৮ লাখ টাকা জোগাড় করতে গিয়ে নিজেদের বাসাটা বিক্রি করে দেন ওর বাবা। ভাড়া বাসায় থেকেছিলো ওরা। বন্ধুটি আমাদের জড়িয়ে ধরে অঝোর ধারায় কেদেছিলো। আমরা কি বলবো বুঝতে পারছিলাম না, তবে এটা বুঝেছিলাম যে পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন ওকে নিয়ে ঘোরা হবে না, ওদের বাসায় মিস্টি খাওয়া হবে না।
ইতালীতে বহুদিন ছিলো, অনেক চড়াই উৎরাই পার করে ওরা। ওর বাবা অবসর নেন, ছেলের টাকায় মেয়ের বিবাহ দেন। আমরা অনেক আনন্দ করি ওকে ছাড়াই। বিয়ের আগে ফোন দিয়ে বলেছিলো,"আমার বোনটা যেন সুখী হয় তোরা দেখিস!"
বন্ধু তোকে মনে পড়ে
১৬.১০.১৩
নিবিড় সন্ধ্যায় পাখিদের সংকীর্তণ
গুচ্ছ আঁধার জমে থাকা
বৃক্ষরাজির শির্ করে রাতের আবাহণ
মিথ্যে হয়ে যায় নাগরিক জীবন
কী-বোর্ডের ঠক্ঠক্ মুছতে পারে না
প্রাচীন জলের ঐকতান
দায়বদ্ধ চরণে বাঁধা শেকল
মন চায় উপড়ে ফেলতে শেকড়
যেখানে আছে পোঁতা যাবজ্জীবন কারাবন্দী যুগল।
-------
শ্লোক এবং শোক
একে অপরের
ভুল সেখানেই
বৈরাগীকে বানানো ঘরের!
-----
মৃত মাছের সাথে ভেসে ওঠে
প্রাণহীন বন্ধুর মুখ
ভুলতে পারি না
জলে ডুবে তোর চলে যাওয়া
তোকে হারানোর দুখ্!
-------
ঘেরাটোপ চারদেয়ালের
পেরেক ঠুকে বিসর্জন সব খেয়ালের
নবান্নে বিদ্রোহী হবার সাধ জাগে
লোভ নেই আর দ্রব হবার
কারো অনুরাগে।
প্রেম!!!প্রেম!!!
আমার এক বন্ধু এক মেয়েকে ভালবাসতো ,মেয়েটিও তাকে ভালবাসত কিন্তু সামনে আসলে খুব বিরক্ত এমন একটা ভাব নিতো। ঐ ঘটনা মনে করে লিখা.।.।.।.।.।
চোখ পাকিয়ে ঠোঁট ফুলিয়ে,
এড়িয়ে ঠিকই যাচ্ছিস,
এড়িয়ে যাওয়ার ছলেও কি তুই,
এড়িয়ে যেতে পারছিস?
সামনে এসে দাড়াই যখন,
দেখিস না চোখ মেলে,
বইয়ের পাতায় রোদ খেলে যায়,
আমার দেখা পেলে।
চোখের পাতায় চোখ মেলে না,
মনের পাতায় মন,
এই অভিনয়,বল তুই আর চালাবি কতক্ষণ?
চলে আয় তুই,বলে দে সব,
না বলা যতো কথা,
ভালবাসার গল্প দিয়ে
লিখে যা গল্পগাথা।
আপনজন
১৭বার ফোন দেয়ার পরও রিসিভ না করার পর মেসেজ দিলো রবি।
"তমা, একটু ফোনটা রিসিভ করো।শুধুমাত্র ভয়েসটা শুনবো,তারপর কেটে দিও।"
তমা বড় বেশি বাস্তববাদী।স্বার্থপরতা তার রক্তে রক্তে।বাস্তবতাকে খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করে পারে ও।একই ভার্সিটিতে পড়ে ওরা কিন্তু ডিপার্টমেন্ট আলাদা।আলাদা ডিপার্টমেন্ট হওয়া সত্ত্বেও ফেসবুক,স্কাইপিরএই যুগে বন্ধুত্ব তৈরি হতে সময় লাগেনি।
ফেসবুকে ঘন্টার পর ঘন্টা চ্যাট করার পর মোবাইল নাম্বার আদান প্রদান হতেও দেরি হয়নি দুজনের।বেশ কয়েকদিন কথা বলার পর হঠাৎই রবি টের পায় তমার প্রতি তার নিজস্ব কিছু অনুভূতি আছে।তমার সাথে কথা বলতে বড় বেশি ভালো লাগে ওর।মোবাইলে কথা বলাতে তমার চরম বিরক্তি থাকা সত্ত্বেও রবির অনুরোধে কথা চালিয়ে যায় ও।
মজার ছড়া
বিকেলবেলা দুই বন্ধুতে
যাচ্ছিনু বৌবাজার,
উদ্দেশ্য আর কিছুই না,
নাশতা,পান-আহার।
হাঁটতে হাঁটতে একটু দূরে,
গিয়েই চমকে ওঠি,
চোখে পড়লো কথা বলছে,
নরনারীর এক জুটি।
প্রথমে ভাবলাম ঈভ টিজিং,
কিছু করা দরকার,
বন্ধু বলে,বাদ দে,
এসব দেখতে আছে সরকার।
আমি এখন তারুণ্যে ঠাসা,
মনেতে বারুদ গুলি,
আমাকে কি আটকাতে পারে,
বন্ধুর ও ক'টা বুলি।
বীরদর্পে যেই না আমি,
এগিয়ে গেলাম কাছে,
দেখিলাম নর ধরে আছে হাত,
নারী যদি হারায় পাছে।
বুঝতে পারলাম ভিজছে দুজন
শীতল প্রেমের জলে,
আমি তখন সটকে আসি,
কোন কথা না বলে।
একার রূপকথা
১৯.
সুন্দর মাত্রই আমার আরাধ্য
মননে ও মেধায়
হোক সে নারী অথবা পুরুষ,
অন্তরে থাকুক মোহাম্মদ কৃষ্ণ
বুদ্ধ বা যীশুর ক্রুশ।
১২.১০.১৩
সুরে সুরে মাতোয়ারা কত না দিন
সেইসব সময় আমাদের
দু বন্ধুতে কেটেছে কি যে উচ্ছ্বল বর্ণিল!
ধোঁয়ায় ধোঁয়ায় কাটকাটি
হ্রস্ব তরল নেশা ভুলিয়েছে
ব্যক্তিগত-পেশাগত হতাশা।
ঐ সব আকাশ পৃথিবী ছোঁয়া আড্ডা
ফিরে আসে না আর
আমরা এখন করি শুধু সংসার!
পূর্ণিমা বর্ষা কেমন করে পার হয়ে যায়,
রিকশাগুলো একাকী ঘোরে
বামপাশ পড়ে থাকে ফাঁকায়।
যায় দিন যায়-মাস-বছর যায়
কত মোবাইল নেট চ্যাট
সাগর পেরোনো কথা উড়ায়,
আমার অপক্ষো তোমার আশায় আশায়
চোখ মুছিয়ে কেউ দেয় না
এন্টিসেপ্টিক হাগ্,
কেউ বলে না যত সমস্যা আসে আসুক
আমরা তুমুল বাঁচব বন্ধু
মরণকে বালাই ষাট্।
ইনবক্স খালি, মেসেজে নেই তোমার
ভালোবাসার বিলোড়ন,
আমার একাকী সময় ক্ষয়ে যাচ্ছে
শুভ মন-বোধন।
হিংসুক মনের ভাবনা!
অতিথি পাখির ডানায় মায়া বাঁধা থাকে
মুঠোফোনে ছুঁড়ে দেয়া শব্দে
প্রবাসী আপনজনের উদ্বিগ্নতা
কখনো কখনো ভালোই লাগে।
তিথি- শুধুই একটি গল্প
সারাদিন অনেক ধকল গেছে আজ তিথির।সেই ভোরবেলা ওঠে নাশতা তৈরি করে বাচ্চাটাকে স্কুলে আর স্বামীকে অফিসে পাঠিয়ে ঘরদোর গোছগাছ করতে করতেই পুরো সকালটা শেষ ওর।আজকে আবার ব্যাংকে গিয়েছিলো টাকা তুলতে।ব্যাংকের ক্যাশিয়ার পরিচিত থাকায় টাকা তুলতে বিশেষ বেগ পোহাতে হয়নি।তারপরও বাসায় আসতে আসতে অনেক দেরি হয়ে গেছে ওর।দুপুরের রান্নাবান্না শেষ হতে হতেই বাচ্চাটা স্কুল থেকে এসে পড়ে।ওকে গোসল করিয়ে,খাইয়ে ঘুম পাড়ানোর সময় নিজেও একটু ঘুমিয়ে নেয়।
সারাদিন কাজ করতে করতে নিজের জন্য একটুও সময় বের করতে পারে না ও।তাই বলে কি ও অসুখী?না বেশ সুখেই আছে ও।তিনজন মিলে বেশ ছিমছাম,গোছানো সংসার।এটাই কি চেয়েছিলো ও?হয়তোবা হ্যা,হয়তোবা না।স্বামীর ভালোবাসা পাচ্ছে,নিজের সংসার নিজের মতো চালাচ্ছে এইতো বেশ ভালো আছে ও।একটা মেয়ে জীবনে এর থেকে আর বেশি কি চায়?তিথিও আর কিছু চায় না।
তবুও মাঝে মাঝে একটু খচখচানি লাগে মনে।একটা শ্যামলা মুখ,আর দশটা সাধারণ মুখের মতই একটা মুখ যা সবসময় হাসিতে উদ্ভাসিত থাকতো।মাঝে মাঝে রাতের বেলা ঐ মুখটার কথা ভেবেই বুকটা খচ করে ওঠে ওর।কেমন আছে ও?এখন কোথায়?
আমি একজন খাঁটি বেকার।তাই বেকারদের নিয়ে একটা ছড়া পোস্ট দিলাম
উস্কোখুস্কো চুলের বাহার,
কপালের ঘাম মুখেতে,
ছিড়ছে জুতার শুকতলি,
আর পয়সা নাই যে পকেটে।
ঘরে ঢুকলে আব্বার কের্ত্তন,
আম্মার লাই দেয়া হাসি,
সমাজের আর সকলের কাছে,
আমি খোদার খাসি।
কি করছেন?কিছুই না।
উত্তর দিবো কতো,
বেকার টাইটেল নিয়ে আজ,
ঘুরছি অবিরত।
বেকার পোলার মত বালাই,
এই দুনিয়ায় নাই,
সাধ করে কি আমরা সব,
বেকার থাকতে চাই?
চাকরির আশায় পার করি দিন,
ঘুরে ঘুরে হতাশ,
চাকরি করা দোস্ত দেখলে,
অপমান লাগে চটাস।
সকালে যাই রাতে ফিরি,
শান্তি নাই কপালে,
ঘরের সকল কাজে থাকি,
হয়ে সাক্ষী গোপালে।
কোরবানী
কোরবানী হোক লোক দেখানোর দায়,
কোরবানী হোক মিথ্যেটুকুর সায়,
কোরবানী হোক অহম জেদ আর ক্রোধ,
কোরবানী হোক অ-সমতার বোধ,
কোরবানী হোক হামলে নেয়া দ্যুতি,
কোরবানী হোক মিথ্যে প্রতিশ্রুতি,
কোরবানী হোক অনড় ইগোর চাওয়া,
কোরবানী হোক দুর্নীতিতে পাওয়া,
কোরবানী হোক দেখায় বিভেদ যত,
কোরবানী হোক কোরবানীরই মত,
কোরবানী হোক 'অসত্য' আর 'দামী',
কোরবানী হোক আস্ফালনের 'আমি',
কোরবানী হোক 'অনাচারের সাধ',
কোরবানী দিক কোরবানীরই স্বাদ!!
ঈদ মুবারক!!!
ধর্মের আলোকে(!!!) স্বাধীনতার বিরোধিতা, যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন ও ধর্মীয় জঙ্গিপনাঃ
তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে স্বাধীনতার বিরোধিতা, যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন ও ধর্মীয় জঙ্গি-পনা তিনটি একেবারেই আলাদা বিষয়। এই বিষয়গুলির উদ্দেশ্য সময়কাল ভেদে পার্থক্য হলেও রাজনৈতিক বিচারের এক। বিশেষ করে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিষয় তিনটির আন্ত-সম্পর্ক দ্রুততার সহিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। যদিও সাধারণ জনগণের মননে এই তিনটি বিষয়ের আন্ত-সম্পর্কটি এখনো তেমন জায়গা করে নেয়নি, তবে বিষয় তিনটির অতি উচ্চমাত্রার আন্ত-প্রতিক্রিয়াশীলতা দেশের রাজনীতিতে ক্ষমতায় পালা বদলের হাতিয়ার হয়ে উঠছে। অন্যান্য সামাজিক সমস্যা গুলিকে ছাপিয়ে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হিসাবে স্থান করে নিয়েছে। আর রাজনৈতিক ক্ষমতা কেন্দ্রিক এই ইস্যুগুলির বাণিজ্যিক নিউক্লিয়াস হিসাবে ব্যবহ্রত হচ্ছে ধর্ম।
ইশকুলে
লাল ইটে গাঁথা গেট- তার দুই ধারে,
আমাদের আমরা দেখি বারে বারে,
ঐপারে স্কুল আর দালানের পারে,
ঐ পিটি চলে আর ঐ দেখি কারে-
আমাদের স্কুল, আমাদের সময় গাঁথা,
স্মৃতি অন্নদা, শত স্মৃতি বাঁধা-
সাদা আর নীলে, বুকে স্কুলের ছাপটা,
ক্লাশে পড়া করা নয় ঝড় আর ঝাপটা,
লেইজারে হাওয়া- নয় ছোট পাপটা,
পেছনের ওয়ালে- আর শেষের ধাপটা,
আমাদের স্কুল, আমাদের সময় গাঁথা,
স্মৃতি অন্নদা, শত স্মৃতি বাঁধা-
সালাম ভাইয়ের সেই ছুটির ঘন্টায়,
রমজান ভাই গেটে, খুশি মনটায়,
ক্লাশে হাসাহাসি কত বোঝার ক্ষণটায়,
এল টি’র পেছনের সিগারেট-লনটায়,
আমাদের স্কুল, আমাদের সময় গাঁথা,
স্মৃতি অন্নদা, শত স্মৃতি বাঁধা-
নিঃস্বার্থ সেই দিনের শেষে,
যেতে যেতে পথে কত ভালবেসে,
যত দূরে থাকি, ফের ফিরে এসে,
বন্ধুরা যত, সেই আগের বেশে,
আমাদের স্কুল, আমাদের সময় গাঁথা,
স্মৃতি অন্নদা, শত স্মৃতি বাঁধা।।
[ব্রাহ্মণবাড়িয়া'র অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়- স্কুলটির জন্ম ১৮৭৫-এ এবং বাংলাদেশের প্রাচীনতম বিদ্যাপিঠসমূহের একটি। ১৩৮ বছর বয়সী স্কুলটিতে এককালে পড়েছি, পড়েছে আমার মত আরো অনেকে-
স্মৃতিকাতরতা - ০৩
যে দিকে দেখিবেন - সেদিকেই ক্যামেরা । মোবাইলে ক্যামেরা , ডিজিটাল ক্যামেরা, সিসিটিভি'র ক্যামেরা , ওয়েব ক্যাম ইত্যাদি ইত্যাদি ক্যামেরায় সয়লাব । হরদম ছবি তুলিতেছে সবাই। সেই ছবি কত ভাবেই না দেখিতে পাইতেছে সকলে ।
এ যুগের ছোকড়ারা জানেই না আসল ছবি তুলিবার মজা কী। তাহারা হাতের কাছে যাহা কিছু পাক না কেন , খটাস করিয়া ছবি তুলিবে তাহা দিয়া। শুনিয়াছি কেহ কেহ নাকি শৌচাগারের গিয়াও ত্রিশ খানেক ছবি তুলিয়া আসে।
১১.১০.১৩- মন খারাপের একদিন
১.
ও কি আমার মতো লিখতে পারে কবিতা
ছুঁতে পারে তোমার মন!
জানে কি তোমার ভালো লাগা মন্দ লাগা
কিংবা ছন্দপতন!
তবু ও জিতে যায় সামাজিক নিয়মে,
এলে না তুমি, রাখতাম বুকের ভেতর
পদ্যের ওমে।।
২.
ঐ রোদ ঐ বরফ সব তোমাকে ছোঁয়
ঐ জল ঐ হাওয়া সব তোমাকে ছোঁয়
কার্নিশে বসা পাখিটাও তোমার কথা
ঠোটেঁ তুলে কয়;
তুমি শুধু আমাকেই করলে অচ্ছুৎ
বুঝেও বুঝলে না আমার মানুষী ভালোবাসার
অমানবিক ক্ষয়
৩.
তুমি সাগর জলে
তুমি মধুচন্দ্রিমায়
তুমি করছো স্নান
বিস্ময় ঝর্ণায়
আমি ডুবে যাই
অগাধ বেদনায়
৪.
মিথ্যা মদিরা মিথ্যা ধোঁয়ার চুম্বন
যতক্ষণ চোখে দেখা ততোক্ষণই
আনন্দের আলোড়ন
৫.
অনবদ্য ভ্রান্তি সাথে সান্দ্র দুচোখের পাতা
পুজিঁবাদ করে যায় নিনাদ
কাজ এবং কাজ, অলখে রয়ে যায়
ব্যক্তিজীবন রং ছাড়া সাদা।
ছয়দিন নেই সাতদিন নেই
ঘুরছে পুজিঁর চাকা
প্রথম বিশ্ব বাঁধা চল্লিশ ঘণ্টার শ্রমে
তৃতীয় বিশ্ব সেসব মানে না
চলে সপ্তাহে বাহাত্তর ঘণ্টা
আহা দেহ তো পঁয়ত্রিশেই জেরবার
অজান্তে অক্বা পায় মন টা।
কড়ির কাছে বিক্রি হয়ে গেছি সেই কবে
কবি মন বয়ে চলে দহন
সামনে নিয়ে অমানুষিক ভীড়ভাট্টা
ভাবে একটাই জীবন
নত শিরে
আমার ভালবাসার মাত্রা
আর কটটুকু হলে
তোমার ভালবাসাকে ছুতে পারব।
আর কত নদীর জল সমুদ্রে প্রবাহিত হলে
তোমায় ভালবাসায় সিক্ত করতে পারব।
আর কত ফুল বাগানে ফুটলে
তোমার ভালবাসার মালা গাথা হবে।
আর কতটি বিনিদ্র রজনী অপেক্ষার পর
ভোরের সূর্যের উদয় হবে।
সে ভোর শরত হেমন্ত, শীত, বসন্ত
বর্ষা, গ্রীষ্ম যাই হউক না কেন?
তাতে কি আসে যায়?
যদি শুনি তোমার ভালবাসা
আমার দ্বারপ্রান্তে,
তখন, তখন যে
সব কিছু ফিকে হয়ে
তা যে হবে ঐশ্বরীয়।
কি বললে! তোমার ভালবাসায়
কি এমন লাভ?
হা!হা! হা!......
কি পাগল হয়ে গেলে নাকি?
এমন কথা শুনলে কে না পাগল হয়?
ভালবাসা কি কেউ কখনো লাভ ক্ষতি
ভেবে করে।
আমি তোমাকে ভালবাসি
তোমাকে ভাল লাগে এটাই শুধু জানি।
বিশ্বাস কর এটাই শুধু জানি।
তাতে
আমার নিজের উপর আমার কোন
নিয়ন্ত্রন নেই। আমি কে? আমি কি?
আমার.........।
বিশ্বাস হয় না?
তোমার অনুমতিতে,
রক্ত হয়ে
যখন তোমার শিরা উপশিরায়
বয়ে বেড়াব, তুমি বুঝবে?
অক্সিজেন হয়ে
তোমার নিশ্বাসের সাথে মিশে
তনু তনু সঞ্চালিত হব, তুমি বুঝবে।
বাতাস হয়ে তোমার শরীর নামক
অবয়ব খানির শাখা প্রশাখা
ইতিহাসের ধারায় দূর্গা পূজা

বাংলাদেশ, পাকিস্থান, ভারত তথা ভারতবর্ষ অথবা পৃথিবীতে দূর্গোৎসবের কালক্রমিক ইতিহাস নির্মাণ করা এখনো সম্ভব হয়নি। এ কাজের উপযোগী সুস্পষ্ট ও অনুপুঙ্খ ধারাবাহিক তথ্য-উপাত্তও পাওয়া যায়নি। কোনো ইতিহাসবিদ বা সমাজবিজ্ঞানী ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীতে দূর্গোৎসবের উদ্ভবের ইতিহাস ও আনুষঙ্গিক ঘটনাপঞ্জি নির্ভরযোগ্য দলিলপত্র ঘেঁটে পরিপূর্ণভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হননি। ফলে কখন, কীভাবে দূর্গোৎসব শুরু হলো--তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে পূরাণ, মহাভারত, রামায়ন, ধর্মীয় কাব্য, নানা ঐতিহাসিক গ্রন্থ ও সূত্র থেকে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়।
