ইউজার লগইন
ব্লগ
মস্তিষ্কে বাসা বাঁধছে ঘূণপোকা
বুকে হাত দিয়ে বলো সূর্যের আলো রুখিতে কি পারে কেউ? আমাদের ধরে ঠেকানো যাবে না গণজোয়ারের ঢেউ। ডাকসুর দেয়ালে ঝুলে থাকা কালো হয়ে আসা চিকাটা মলয়দা'র। আর কয়দিন টিকবে কে জানে। যে রাতে মলয়দা' চিকাটা লিখেছিলেন সে রাতে আমি উপস্থিত ছিলাম না কিন্তু পরদিন ক্যাম্পাসে গিয়ে চিকাটা দেখে সারা দিন এক অজানা উচ্ছ্বাসে অকারণে বার বার কেঁপেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বা দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলাম তখন। আমরা নিয়ম করে রাতের বেলা ক্যাম্পাসের দেয়ালে চিকা মারতাম। ভালো চিকা দেখতে খুব ভালো লাগতো। বিশেষ করে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কথাটা যত ভালোভাবে লিখতে পারতাম, তত বেশি সুখ পেতাম। সে সময় গ্রাফিতির চল ঘটে নি সেভাবে। এখন ক্যাম্পাসে অনেক সুন্দর সুন্দর গ্রাফিতি দেখা যায়। আইএমএল-এর দেয়ালে একটা চমৎকার গ্রাফিতি সেদিন দেখেছি। আমাদের ঘাঁটিটায় একটা বড় গ্রাফিতি আঁকবার শখ জেগেছে সেটা দেখে। আর আফসোস জেগেছে যখন আমার সময় ছিলো, তখন এ বিষয়ে কেন কোনো জ্ঞান ছিলো না ভেবে।
ধান্ধাবাজির অারেক নাম রিচ অ্যান্ড ফেমাস
রিচ অ্যান্ড ফেমাস নামের আড়ালে দেশের রিচ অ্যান্ড ফেমাস ব্যক্তিদের নিয়ে বাণিজ্য চালাচ্ছে পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক মনজুর সাদেক খোশনবিশ। যিনি শেয়ার বিজ্ করচা নামে একটি পত্রিকারও প্রতিষ্ঠাতা প্রধান সম্পাদক।
সরকারি কোনো অনুমোদন (ডিক্লিয়ারেশন নম্বর) ছাড়াই গত ৩-৪ বছর ধরে প্রকাশিত হয়ে আসছে রিচ অ্যান্ড ফেমাস। এর নেই কোনো সরকারি নিবন্ধন বা ডিএ নম্বর, নেই কোনো ডেটলাইন বা প্রকাশনার দিন-তারিখ। অথচ বাহারি প্রিন্টার্স লাইনে রয়েছে অসাংবাদিকদের প্রাধান্য। প্রতিষ্ঠাতা প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশকের নামের পাশাপাশি বেশকিছু নামের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেলেও বাস্তবে এ পত্রিকায় কোনো লোকবল নেই। উপ-সম্পাদক হিসেবে যে নামটি (হাসিনা সাদেক) উল্লেখ আছে, তিনি প্রধান সম্পাদকের স্ত্রী। এস এম জাহিদ-নির্বাহী সম্পাদক পদধারী ব্যক্তি শেয়ার বিজ করচার কম্পিউটার সেকশনে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে উল্লিখিত তানিয়া আফরোজ প্রধান সম্পাদকের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ)।
রাজনীতিবিদ বিশুদ্ধকরণ প্রকল্প
অবশেষে নোমান মামা দিব্যজ্ঞান লাভ করলেন। জ্ঞানলাভের জন্য বনে-বাদাড়ে ঘুরতে হয়নি, বিশেষ গাছের নিচেও বসতে হয়নি_ দেশপ্রেমের দীক্ষাটুকুই যথেষ্ট। দিব্যজ্ঞানালোকের সঠিক প্রয়োগে সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন_দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাজনীতি নয়, রাজনীতিবিদদেরই সংস্কার আবশ্যক! রাজনীতিবিদ পরিশুদ্ধ হলে আপনাআপনি রাজনীতিও মূলধারায় ফিরবে!
রাজনীতিবিদ বিশুদ্ধকরণ প্রকল্প হাতে নিয়ে কোমরে গামছা বেঁধে নামলেন মামা। প্রথমে দড়িই বাঁধতে চেয়েছেন। গামছায় রাজনীতির গন্ধ আছে।
দড়ি না পাওয়ায় আক্ষরিক অর্থেই গামছা বাঁধলেন! জনসেবামূলক কাজে মেরুদণ্ড সোজা রাখা জরুরি। মেরুদণ্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কোমরের!
নিজ এলাকায় পরিপূর্ণ সংস্কারের পরই বাংলাদেশের সব অঞ্চলে নজর দিতে হবে। প্রথমে তিনি সাক্ষাতের চেষ্টা করলেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় এমপির সঙ্গে। এমপি দুরস্ত, তার পিয়নের নাগাল পেতে গলদঘর্ম হতে হয়েছে টানা ৪ মাস! অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ১১ মাস পর পাওয়া গেল এমপি সাহেবকে। যারপরনাই বিরক্ত তিনি_'কী ব্যাপার, অসময়ে ডিসটার্ব করছেন কেন?'
মামা হাসিমুখে বললেন, 'স্যার, সময়মতোই এসেছিলাম। আপনার দেখা না পাওয়ায় ...!'
নষ্ট ভালবাসা
এ কি বাস্তবতা
নাকি
দুঃস্বপ্নের পাশাখেলা।
কতদিন তোমাকে দেখি না
কতদিন দেখতে পাব না
জানিনা।
আজ ভিন্ন ছাদের নিচে তুমি
পেতেছ তোমার কল্পিত স্বপ্নের
বাস্তব চাদর,
আমিও তথৈবচ।
এমনটি কি হবার কথা ছিল।
মনে পড়ে
সেদিন গুলোর কথা।
অশোক পাপড়ি ভেবে ,
তব
লিপিষ্টক বিহীন রক্তাব অধরের
সুগন্ধে।
ভ্রমরকে হার মানিয়ে তোমাকে
নিষ্পেষণ করার কথা।
ফুলের গন্ধের বিলীনতা
বা সৌন্দর্যের সমাপ্তি
আমি দেখেছি
কিন্তু তোমার ভেজা ঠোটের
রূপ রস গন্ধের কমতি
কি যে বলব,
বেড়েছে বই
কল্পনাতেও ফুরোয় নি।
তাই তো আমার পাগলামো বল
বা তোমার রগে রগে
মম বিচরণের স্মৃতিকাতরতা বল
আজও বেড়েছে বই
কমেনি,
কখনো বাইসাইকেল,
কখনো মটর সাইকেল,
কখনও মার্সিডিসের গতিতে
আবার কখনও হাওয়াই জাহাজ
বা কখনও মহাশুন্য যানের গতিকেও
হাড় মানিয়ে
পাহাড়, নদী, জল
এমনকি কত শত
তারা, নীহারিকাকে ভ্রুকুটি করে
উর্ধশ্বাসে হয়েছে মম বিচরণ।
কতদিন,
বিধাতার দেয়া পা দুটোতে না চলে
চলেছি,
তোমার রক্তে আমি,
আমার রক্তে তুমি,
তোমার কি রক্ত চলাচলের
শিরা উপশিরা গুলোর
কথা মনে পড়ে
নাকি ঢাকা শহরের
আমার পুলাপান বেলা ২.২
আমরা যখন নিচের দিকের ক্লাসে পড়তাম সাইফুদ্দিন স্যারকে দেখতাম শুধু বড়দের ক্লাস নিতো। সেই ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি স্যারকে। ছোটখাট রুগ্ন শরীর, ফর্সা চামড়া তার নিচে নীল নীল রগ দেখা যেত। স্যার পাঞ্জাবী, পায়জামা, নেহেরু টুপি পড়তেন সাথে কালো চামড়ার স্যান্ডেল। টুপি পড়া অবস্থায় কেউ বুঝতেও পারবে না সেই টুপির নিচে যে মস্ত টাক। স্যার যখন অজু করতেন তখন মাথা মাসেহ করার সময় সেই টাক দেখা যেত। বড় ভাইদের দেখতাম সেই ছোটখাট মানুষটাকে বেশ সমিহ করে চলতো, যদিও সাইফুদ্দিন স্যারকে কখনো বেত হাতে দেখি নাই।
এক সময় আমরা উপরের ক্লাসে উঠলাম এবং সাইফুদ্দিন স্যারকে পেলাম। সেই রুগ্ন শরীর সেই চামড়ার ভাঁজ সেই নীল রগ সব আগের মতই। স্যারের ক্লাসগুলো ছিলো বেশ মজার, মাঝে মাঝেই স্যার পড়া থামিয়ে গল্প জুড়ে দিতেন। এত মজার করে গল্প বলতেন যে ক্লাসের সবচাইতে দুষ্টু ছেলেরাও চুপ করে শুনতো। স্যারের একটা গল্প এই মুহূর্তে মনে পড়ছে -
kkkkkk
বনগ্রাম বাজারে সাম্প্রদায়িক হামলার দুই সপ্তাহ পরেও হামলার দাগ মুছে যায় নি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ত্রানের টিনের দেয়ালের পাশে এখনও হামলায় ভেঙে চুড়ে যাওয়া টিনের দেয়াল সাক্ষ্য দিচ্ছে কালীপূজার দিনে সংঘবদ্ধ আক্রমণে কিভাবে আক্রান্ত হয়েছিলো বনগ্রাম বাজারের সামান্য দুরের এই বসতি।
পুড়ে যাওয়া মন্দিরের অগ্নিদগ্ধ মুর্তি , পূজার প্রসাদ আর ফুল পায়ে মারিয়ে যারা প্রায় ৩ ঘন্টা নারকীয় উল্লাসে বনগ্রমের এইসব মানুষদের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ভ্রান্তি ভাঙালো, তারা একই সাথে সরস্বতি মুর্তি, হারমোনিয়াম, মাদল ভেঙেছে। আলাদা করে দেখলে তেমন কিছুই নয় কিন্তু আমাদের দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক উপাদানে শিক্ষা-সৈন্দর্য্য -প্রেম ও ভক্তির এসব উপকরণ ভেঙে আমাদের সাংস্কৃতিক দীনতাটুকুই প্রকাশ করলো এইসব দুবৃত্তরা।
ধূসর গোধূলিঃ চেনা পথের গল্প...

ব্রিজ থেকে নেমে তিন ভাইবোনে হরিপদর বাড়ির দিকে এগোতে থাকে। মূল ফটক দিয়ে বাড়িতে ঢুকতেই শিউলি দেখতে পায় বিজয়া কাকী বাড়ির উঠানে নানান ধরনের আচার শুকাতে ব্যস্ত। ওকে দেখে কাকী অবাক হয়ে অনেকক্ষণ ধরে ওর দিকে তাকিয়ে থাকে, মুখে চিরচেনা সেই স্বভাবসুলভ হাসি। কাছাকাছি যেতেই ওকে উদ্দেশ্য করে বলে,
-আরে, এ কারে দ্যখতাছি! নতুন মানুষ আমগো বাড়ি?
-আমি নতুন মানুষ কাকী? আমারে এতো তাড়াতাড়ি পর কইরা দিলা?
-আমরা পর করুম ক্যান? বিয়ার পর মাইয়ারা আর নিজেগো থাহে না রে মা! শ্বশুরবাড়িই তার আপন হইয়া ওডে। এই দ্যাখ, আমি তো বাপের বাড়ির কতা ভুইলাই গ্যাছি। একটা সত্যি কতা কমু?
-কও! শিউলি হাসতে হাসতে বলে
-তুই আগের চাইতে অনেক সুন্দর অইয়া গ্যাছোস
শিউলি যেন কিছুটা লজ্জা পেল। বিজয়া এগিয়ে এসে কানে কানে কিছু একটা বলতেই শিউলীর গাল দু’টো ক্রমশ লাল হয়ে উঠলো। কিছুটা কপট রাগের ছলে হাসতে হাসতে বলে, যাও কাকী, তুমি যে কি না! তারপর চারদিকে তাকিয়ে বলল, আইচ্ছা মালতি কই?
আমার রাজকন্যার গল্প
আজ ১৪ নভেম্বর।আমার রাজকন্যার বয়স তিন মাস পূর্ণ হলো।সময় কত দ্রুত যায়! এই তো সেদিন ১৪ আগষ্ট,২০১৩ বুধবার দুপুর ২টা ৪০মিনিটে গগনবিদারী চিৎকার করে আমার রাজকন্যা এলো এই কঠিন পৃথিবীতে।এরপর থেকে এই তিন মাস সময় যেন চোখের অলক্ষ্যেই কেটে গেছে।রাতের ঠিক নেই,দিনের ঠিক নেই।রাত-দিন যেন মিলেমিশে একাকার।
রাতে ঘুমানোর আয়োজন করছে সবাই,অথচ আমার রাজকন্যা কেঁদে অস্থির।সারাটা রাত থেমে থেমে কান্না দিয়েই শেষ করেছে প্রথম এক মাস।
দ্বিতীয় মাসে রাজকন্যা একটু বড় হলো।তাই দ্বিতীয় মাসের রাতগুলো সে কাটিয়েছে বিরামহীন কান্নায়।তার কান্নায় পাড়া প্রতিবেশীর ঘুমের বারটা বেজে যেত।আর তাই সকালবেলা রাজকন্যার নানুমনিকে মুখোমুখি হতে হতো একগাদা প্রশ্নের,নাতনী এত কাঁদে কেন?ডাক্তার দেখান।হুজুরের কাছ থেকে তাবিজ আনুন। মনে হয় কারো নজর লেগেছে।এরকম হাবিজাবি আরও অনেক কথা।
তৃতীয় মাসে রাজকন্যা তার দাদাভাইয়ার বাসা থেকে বেড়িয়ে এসে বেশ লক্ষীটি হয়ে গেছে।এখন সে মাঝে মাঝে রাতে জেগে থাকে।তবে আমার রাজকন্যা একা রাত জাগতে পছন্দ করে না বলে ইদানীং তার মার পাশাপাশি তার বাবাকেও রাতটা জেগেই পার করতে হয়।
থ্যালাসেমিয়াঃ ভয় নয়, প্রয়োজন সচেতনতা, পর্যাপ্ত প্রচারণা। (শেষ পর্ব)
হিমোগ্লোবিন-ই ডিসঅর্ডারঃ
বিটা থ্যালাসেমিয়ার মত হিমোগ্লোবিন-ই ও আমাদের দেশে বেশ দেখা যায়। এটাও এক ধরনের হিমোগ্লোবিন ডিসঅর্ডার এবং বংশগত রোগ। এই হিমোগ্লোবিন-ই ডিসঅর্ডার দুই ধরনের হয়ে থাকে। ১. হিমোগ্লোবিন-ই ট্রেইট ২. হিমোগ্লোবিন-ই ডিজিজ। যে সন্তানের পিতা-মাতার যে কোন একজন থেকে হিমোগ্লোবিন-ই এর জিন পায়, তাদেরকে হিমোগ্লোবিন-ই এর বাহক (Hemoglobin E-Trait) বলা হয় আর যারা বাবা-মা দু’জনের কাছ থেকেই উত্তরাধিকারসূত্রে এই জিন পায় তারা হিমোগ্লোবিন-ই ডিজিজে আক্রান্ত হয়।
হিমোগ্লোবিন-ই ট্রেইট কিংবা হিমোগ্লোবিন-ই ডিজিজে আক্রান্ত ব্যক্তি যদিও হিমোগ্লোবিন-ই জিন সারাজীবনের জন্য বহন করে, তবুও এদের ক্ষেত্রে তেমন কোন উপসর্গ দেখা দেয় না। এরা অনেকটা বিটা থ্যালাসেমিয়ার বাহকের মতই, সামান্য রক্তশূন্যতায় ভুগতে পারে। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে যদি এদের কারো সাথে বিটা থ্যালাসেমিয়ার বাহকের সাথে বিবাহ হয়, তবে তাদের শিশুর হিমোগ্লোবিন-ই বিটা থ্যালাসেমিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

গল্প: এক শীতে হারানো সুখের গল্প
আবার শীতকাল চলে এসেছে। অথচ এখনো চলছে কার্তিক মাস। তারপরও বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিনাজপুরে।
শীতকালটা আমার খুব বেশি প্রিয় ঋতু না। আবার অপ্রিয়ও না। শীতের ভোরে ঘুম থেকে উঠতে ভালো লাগে। বারান্দায় দাঁড়িয়ে কুয়াশার উড়ে বেড়ানো দেখতে ভালো লাগে। জিন্স-জ্যাকেট-কেডস্ ইত্যাদিতে নিজেকে আগাগোড়া মুড়িয়ে ধূমায়িত চায়ের কাপে চুমুক দিতে ভালো লাগে। এরকম কয়েকটা বিষয় আছে যেগুলো ভালো না লাগার কোনো কারণ নেই। তবে খারাপ যেটা লাগে সেটা হচ্ছে- অসহ্য ঠান্ডার কারণে পানিতে হাত দিতে না পারা। যেসব কাজে পানির সংস্পর্শে যেতে হয়, সেসব কাজ করতে না পারা। বরফের মতো ঠান্ডা শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে সাইকেল চালিয়ে গভীর রাতে বাড়ি ফেরা। এ কাজগুলো শীতকালে করতে খুব বিরক্ত লাগে কিন্তু না করলেও চলে না। সব মিলিয়ে এ ঋতুটি একটি মিশ্র ঋতু।
থ্যালাসেমিয়াঃ ভয় নয়, প্রয়োজন সচেতনতা, পর্যাপ্ত প্রচারণা। (প্রথম পর্ব)

এইচআইভি কিংবা হেপাটাইটিস নিয়ে মানুষের মাঝে যতটা সচেতনতা আছে থ্যালাসেমিয়া নিয়ে তেমনটা এখনও গড়ে ওঠেনি। একমাত্র যারা ভুক্তভোগী তারাই এই রোগ সম্পর্কে জানেন। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার হারটা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। একটি পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় দেশে আনুমানিক ৫০ হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী প্রতিনিয়ত মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ারের সংখ্যা এক কোটি ২০ লাখ এবং বছরে প্রায় ছয় হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার হয়ে জন্মগ্রহণ করছে। থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসার তুলনায় প্রতিরোধই শ্রেয়। আর এই রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজন মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা।
শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার অপ্রকাশিত ফোনালাপ
দেশের সর্বত্রই বর্তমানে একটাই আলোচনা- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার ফোনালাপ। সাধারণ, অসাধারণ সব মানুষের আগ্রহ, কৌতূহলের পরিধি এতটাই ব্যাপক- সূর্য পশ্চিমে উঠলেও আরো কম ‘পাত্তা’ পেতো। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া ফোনালাপটি গুরুত্বের সাথে প্রচার প্রকাশ করেছে। কিন্তু তা খণ্ডিত, ভগ্নাংশমাত্র। শুধু ৩৭ মিনিট নয়, তারা আলাপ করেছেন আরো বেশি সময় ধরে। মিডিয়ার অগোচরে। কথোপকথনের বাদ পড়া অংশটুকু স্বপ্নলোক থেকে জানাচ্ছেন কল্পলোকের বাসিন্দা শফিক হাসান
শেখ হাসিনা : হ্যালো! কেমন আছেন?
খালেদা জিয়া : আবার হেলানোর ফন্দি! হেলাতে হেলাতে আমার পীঠ দেয়ালে ঠেকিয়ে দিলেন। আর কত হেলাবেন?
শেখ হাসিনা : ছি ছি, এভাবে বলছেন কেন? হাজার হলেও আপনি আমার বন্ধু মানুষ।
খালেদা জিয়া : বন্ধুত্বের দরজায় আপনি খিল লাগিয়ে রেখেছেন। নইলে এডিসিকে দিয়ে ফোন করাতেন না। নিজেই করতেন!
শেখ হাসিনা : এডিসি আপনার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের ফোনে...।
বিস্রস্ত জর্নাল থেকে কিছু জার্নাল- শেষ পর্ব
কিছু লিখতে ইচ্ছা করছে, সপ্তাহ খানেক ধরে লিখি না কিছুই। মামার বিয়ে কিংবা দিনলিপি বা হরতাল নিয়ে পোষ্ট লেখা যেত কিন্তু মাথা খাটাতে ইচ্ছা করছে না। পুরানো এক পোষ্ট খুজতে গিয়ে হঠাৎ এই সিরিজটার কথা মনে পড়ে গেল। ভাবলাম আরো কিছু লেখা যায় বিস্রস্ত জর্নাল বই থেকে। কিন্তু সমস্যা হলো বই পাচ্ছিলাম না। বইয়ের হজবরল অবস্থা দেখে মামা সব বই কার্টুন বন্দি করেছে আমার এবসেন্সেই। তাই জমিয়ে রাখা বই ছাড়া সব গুলাই বাক্সবন্ধি। তবে কিভাবে জানি এই বইটা খুজে পেলাম বিনা পেরেশানীতেই, তাই লিখতে বসলাম আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বিস্রস্ত জর্নাল থেকে টুকে নেয়া কিছু লাইন!
২২৭। আমার কোনো এক বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে একজন বক্তা সহৃদয় আক্ষেপের সঙ্গে বলেছিলেন, টেলিভিশনে গিয়ে আমি আমার জীবনের মুল্যবান সময়ের অপব্যায় করেছি।
আমি তাঁর সঙ্গে একমত নই।
আন্তরিক ভাবে মানুষ যা করে তা কোনোকিছুই নষ্ট হয় নয়।
কেন অপচয় বলব? শরীর নির্ভর শিল্প পৃথিবী থেকে মরে যায় এই জন্যে? শিল্পমুল্য ছোট তাই?
কিন্তু আমি কি করতে পারি। আমার ভেতরে আছে যে ব্যাপারটা। সাহিত্যের বা সামাজিক বেদনার মতো এইরকম অত্যাচারীভাবেই যে আছে!







