ইউজার লগইন
ব্লগ
ধারাবাহিক উপন্যাসঃ কাক-জ্যোৎস্নায় কাক-ভোর (পর্ব-২)
ধারাবাহিক উপন্যাসঃ কাক-জ্যোৎস্নায় কাক-ভোর (পর্ব-২)
--শাশ্বত স্বপন
ঈশ্বরের চেতনা
আসবাবপত্রহীন ঘর অনেকটা সদ্য জন্ম নেয়া শিশুর মতই। যখন সে ঘুমিয়ে থাকে তখন যে কারো মনেই বয়ে যায় প্রশান্তির হাওয়া। এক অজানা সুখ মুখে ছোট্ট হাসি এনে দেয়, সারা শরীরে বয়ে চলে এক অদ্ভুত আদুরে অনুভূতি। এই ছোয়াচে আদরের সংক্রমন উপেক্ষা করা কঠিন, তেমনি কঠিন হয়ে যায় ৩ দিন পর নিজ রুমে এসে বিছানায় গা এলিয়ে দেয়া, শার্সিতে গড়িয়ে পড়া বৃষ্টির ফোটা দেখতে থাকা।
অদ্ভুত আলস্যে দিন গুলো কেটে যায়। ৮ টা ঘন্টা টানা পরিশ্রমের পর বসে থাকি, কথা বলি। খেতে থাকি যতক্ষন না উদর পূর্তি হয় অথবা চেতনা গুলো হারিয়ে যায় রঙ্গিন পানির নেশায়। কখনো সে নেশার আতুরতা সেটে যায় নগ্ন শরীরের অলিগলিতে। হরমোনের প্রবল স্রোতে ককেশীয় চামড়ার সোদা গন্ধে নিজের সচেতনাকে মেরে ফেলার অদম্য চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হয়তোবা সার্থকও হয়। চিন্তা করতে চাই না এহেন অনুশোচনার।স্বপ্নে তলিয়ে যাক আমার প্রতিটা সেকেন্ড।
ইক্ষু চোর
সূর্যি মামা তার বোন
ভূ-বোনের বাড়ী থেকে
আধ ঘণ্টা আগে বিদায়
নিয়েছেন।
৭-৮ বছরের দুটি কিশোর
এবং তাদের চেয়ে এক দু
বছরের বড় দুটি কিশোরী
এক সাথে সরকারি ইক্ষু খামারে
আক্রমণ চালালো।
কড় কড় মড় মড় শব্দ।
তড়িত কাজ সমাধা করতে হবে।
তাই পাল্লা দিয়ে
একেক জনের
কড় কড় মড় মড় শব্দ,
গুলো যেন উচ্চ নিনাদে
প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
কে রে কে ?
কে কুশার ভাঙ্গে।
শব্দ গুলো কানে এসেছে
কি আসে নাই।
সাক্ষাত যম সম ওয়াচ ম্যানের
হাত আমার গর্দানে।
পাশ ফিরে দেখি
অভিজ্ঞ সঙ্গীরা সবাই পগার পার।
বাড়ী কোথায়?
বাবার নাম কি?
কে শুনে কার কথা।
কান্নার বাহানায় চিৎকার,
প্রশ্ন যত বাড়ে চিৎকারের জোর ও
তত বাড়ে।
হাটুরেরা হাট থেকে ফিরছে,
তাদের মধ্যে ভারত থেকে আগত
রিফিউজি আমাদের জমির বর্গা চাষি।
চিৎকার শুনে কাছে এসেই আমাকে
চিনতে পারে। বাবার নাম বলার সাথে সাথে
ওয়াচ ম্যান চিনতে পেরে ছেড়ে দিল।
না শুধু ছেড়েই দিল না
বাড়িতে পৌঁছে দিতে চাইল।
বড় ভাই শুনলে মারের চোটে
পিঠের চামড়া কোথায় যাবে,
নিজেও চিন্তা করতে পারছিলাম না।
তাই ওয়াচ ম্যানকে বললাম।
না বাড়ী যাব না।
বেহায়া শৈশব
শৈশবের কাঁটাচামচ চাদরে আটকে আছে শীত
তাই আমি প্রাণপনে জড়িয়েছি বড় হওয়ার এই ওম কাঁথা
রোদ পোহাবো, মন পোহাবো, মুখ ঘষবো সোঁদা সোঁদা আবেগে
দোলনা দুলেছে সেই কতকাল আগে...
ঘাসের ডগায় শিশির বিন্দু মনে নেই, মনে নেই
মনে নেই, ফেলে আসা মাটি, উপড়ে ফেলা শিকড়
মায়ের ঘাম গন্ধ, বাবার আঙুল খেলা
এখন আমার কেবল মনে আছে
ফাঁকফোকড়, ভোঁ ঘুড্ডি মুখ থ্যাঁতলানো হাসি
ও শৈশব, যেদিন ছেড়ে গেছি তোমায়
সেদিনই লেগেছে তারুণ্যের তপ্ত রোদ
তবু আজ এই মরা গধূলীতে দাঁড়িয়ে
আমি কেবল ভুলতে চাইছি ছেলেবেলা
তবু যায় না....বেহায়া শৈশব..
আমার মুখে লেগে থাকা দুধেল গন্ধ যায় না।।
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-১৪)
জ্যোতি বসু

কমরেড জ্যোতি বসু শুধু ভারতে নয় এই উপমহাদেশের একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র। ভারতের মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টির এই নেতা ১৯১৪ সালের ৮ই জুলাই কলকাতার হ্যারিসন রোডের একটি শিক্ষিত উচ্চবিত্ত পরিবারে জন্ম জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা নিশিকান্ত বসু ছিলেন একজন চিকিৎসক। ইংরেজী সাহিত্যে অনার্স শেষে বিলাত থেকে ব্যরিস্টার হয়ে দেশে ফিরে ব্যরিস্টারী না করে যোগ দিলেন কমিউনিস্ট পার্টিতে। মানুষের প্রতি তাঁর কর্তব্যবোধ, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও বর্নাঢ্য কর্মজীবন তাঁকে এক অনন্য স্থানে অধিষ্ঠিত করেছে।
………………মা……………….
কোন আকাশে, কোন সমুদ্দুর
কোন তেপান্তরের পারে
কোথায় আছ কেমন আছ
জানতে ইচ্ছা করে
মাগো-
জানতে ইচ্ছা করে।।
তোমায় যখন কবরে রাখি
কি করে বলি আমি
ঐশী রূপে সেজেছিল
কেউ তো দেখেনি
মাগো-
কেউ তো দেখেনি।
উত্তর শিয়ান পশ্চিম কাতে
যখন শোয়াই তোমাকে
এ কোন রূপে দেখলাম মাগো
সদাই মনে পড়ে,
কোন আকাশে, কোন সমুদ্দুর
কোন তেপান্তরের পারে
কোথায় আছ কেমন আছ
জানতে ইচ্ছা করে
মাগো-
জানতে ইচ্ছা করে।।
যত হুকুম করেছেন খোদা
পালন করতে চেয়েছ তুমি
গভীর রাতে ঘুম ভাংলে দেখতাম
নামজ নয়ত কোরান পড়ছ তুমি
যার ধ্যানে, যার আহবানে
সকলকে গেলে ছাড়ি
কেমন আছ তাঁর কাছে
জানতে ইচ্ছা করে
মাগো
জানতে ইচ্ছা করে
কোন আকাশে, কোন সমুদ্দুর
কোন তেপান্তরের পারে
কোথায় আছ কেমন আছ
জানতে ইচ্ছা করে
মাগো-
জানতে ইচ্ছা করে।।
সেপ্টেম্বর,২৯,২০১৩
সিরাজগঞ্জ
যে কথাটা ওই পক্ষের জানা থাকা দরকার
জামাত-শিবিরের ভক্ত-অনুসারী-সমর্থকরা ছড়িয়ে আছে চারপাশে। বিশেষ করে দেশের গণমাধ্যমগুলোতে এদের সংখ্যা অনেক বেশি। যে কারণে গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে গণমাধ্যমে কাজ করার বিষয়টা কঠিন হয়ে উঠছে ধীরে ধীরে। এরা প্রথম থেকেই কাদের মোল্লা ফাঁসির দাবিতে গড়ে ওঠা গণআন্দোলনের সংবাদ যাতে গণমাধ্যমে খুব বেশি গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ না হয়, সে ব্যপারে সচেষ্ট ছিলো। কোনো কোনো পর্যায়ে সফল হয়েছে। সে সময় গণজাগরণ মঞ্চের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত সাংবাদিকদের কাজ করাটা কঠিন করে তুলতে এ গোষ্ঠী খুব চেষ্টা করেছে। পরবর্তীতে এরা হেফাজতের পক্ষ নিয়ে গণমাধ্যমে গরম গরম প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এসব ঘটনাক্রমের মধ্য দিয়ে অধিকাংশ গণমাধ্যমে স্বাধীনতার পক্ষে-বিপক্ষে এক ধরনের মেরুকরণও হয়ে গেছে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র: আন্তর্জাতিক দায় ও দায়িত্ব
সুন্দরবন যেমন ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ তেমনি এটি একটি রামসার সাইট। তাই বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ এই বনকে রক্ষা করা যেমন দেশের প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব তেমনি এর প্রতি দায় রয়েছে বিশ্বের সকল সচেতন মানুষের। তবু এই বন উজাড় ও পরিবেশ দূষণের হুমকি উপেক্ষা করে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে সুন্দরবন এলাকায় প্রস্তাবিত কয়লাভিত্তিক রামপাল তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
অথচ ইআইএ () প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রস্তাবিত রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পটি সুন্দরবন থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যদিও সরকার নির্ধারিত সুন্দরবনের চারপাশের ১০ কিলোমিটার পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ (ইসিএ) থেকে চার কিলোমিটার বাইরে বলে নিরাপদ হিসেবে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু জিআইএস সফটওয়্যার দিয়ে মেপে দেখা যায়, এই দূরত্ব সর্বনিম্ন ৯ কিলোমিটার হতে সর্বোচ্চ ১৩ কিলোমিটার।
আবছায়া বিকেলে
শেষ বিকেলের আলো-আঁধারের কাঁধে মাথা রাখবে বলে
ঝুঁকছে রাতের দিকে।
কেউ বাঁধছে খোঁপা, কেউ জুতোর ফিতে
ছুটির দিনের উৎসবে যোগ দেবে বলে;
মগ্ন নিদ্রায় কি বিনোদনের খোঁজে সবাই ব্যস্ত
শুধু আমার কোন কাজ নেই-
ঝলসে ওঠা আড্ডার সলতে নেই;
তোমাদের মন খারাপে আমি উপশম
তোমাদের যে কোন বিপদে আমি বন্ধু পরম,
আমারও মনের পর্দা ছিঁড়ে যায়,
আমারও কখনো কখনো অশ্রুজল্ ই সহায়,
আমাকে খই-রঙা সকাল কি সর্ষে বিকেল
উপহার দেবার কেউ নেই - আমার আশ্রয়
আজ আধফোটা বোলের একমাত্র আত্মজাই।
২৭.০৯.১৩ [৫:৫৫ বিকেল, শুক্রবার]
নীল উইপোকাদের বাস্তবতা কিংবা কল্পনায় গন্তব্য খোঁজার চেষ্টা
একটি সমবায়ী পিঁপড়া তার নিজের চেয়ে অনেকবড় আকারের কিছু একটা দাঁতে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। আমি ঘরের কালো অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে কথাটা ভাবছিলাম। হতেই হবে এমন কোনো কথা নেই, আবার হলেও খুব বেশি সুবিধা নেই। বাংলাদেশে ২০১৩ সালে বেঁচে থাকা একজন ছাপোষা কেরানী না হয়ে যদি ষাটের দশকের একজন বিটনিক হতাম, তাহলে কি ক্ষতি হতো?
কোনো এক প্রেম হাওয়ায় পেয়ে হাওয়ায় হারানোর পর চন্দ্রবিন্দুর অনিন্দ্য খুব সুন্দর একটি গান গেয়েছে। শিরোনাম হচ্ছে মন। শুনছি গানটা। আর কিছুই করা হচ্ছে না। মন আলেয়া পোড়ালো খালি হাত, মন জাগে না জাগে না সারারাত। রাত যত গভীর হচ্ছে, সুরটা তত মধুর হয়ে কানে প্রবেশ করছে। টেট্রা হাইড্রো ক্যানাবিনল মেশানো একটি সিগারেটের অভাবে ফুসফুস হাঁপিয়ে উঠছে। আধেক শোয়া অবস্থা ছেড়ে উঠে একটু কষ্ট স্বীকার করলেই নির্বাণলাভ সম্ভব। অথচ ইচ্ছে করছে না। মনে হচ্ছে এভাবে বুকের ভেতর একটা ক্লান্ত ফুসফুস নিয়ে শুয়ে থাকি অনন্তকাল। আর স্পিকারে বাজতে থাকুক, নাহয় পকেটে খুচরো পাথর রাখলাম।
আমাদের না লেখা ইতিহাস
বাংলাদেশের ইতিহাসের ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ খুব সচেতন ভাবেই অনুচ্চারিত রয়ে গেছে, যারা প্রত্যক্ষদর্শী, রাজনীতিতে নিমজ্জিত ছিলেন তারাও এই সময়কালের রাজনীতি বিষয়ে খুব বেশী আলোচনা করতে অনাগ্রহী, একটি স্বাধীন দেশের সূচনার সাড়ে তিন বছর যেনো হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে, আমাদের সচেতন বুদ্ধিজীবীগণ এই হারানো সময়ের রাজনৈতিক আবর্তে প্রতিনিয়ত ঘুরপাক খা্চ্ছেন, বিভিন্ন ধরণের তথ্য উপস্থাপন করছেন, রাজনৈতিক বিরাগ থেকে কিংবা রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের লোভে তারা যেসব তথ্য উপস্থাপন করছেন সেখান থেকে বাস্তবতা অনুধাবন করা দুরহ।
আমার ব্যক্তিগত স্মৃতি নেই, সুতরাং অপরাপর ব্যক্তিদের স্মৃতিচারণ সম্বল করে এই সময়ের অস্পষ্ট একটা ছবি নিজের ভেতরে তৈরি হয়েছে। রওনক জাহানের বাংলাদেশ পলিটিক্স প্রবলেমস এন্ড প্রমিজেস কিংবা তালুকদার মনিরুজ্জামানের রেভ্যুলেশোন এন্ড আফটারম্যাথের একাডেমিক বিশ্লেষণের সাথে সে সময়ের বিভিন্ন ব্যক্তির স্মৃতিচারণ কিংবা দিনলিপি এক ধরণের সহায়তা করেছে।
যেভাবে হেঁটে চলছি এই শহরে!
আবার লিখতে বসলাম। কি লিখবো কিছুই ভাবি নাই এখনো। তাও লিখতে বসা অযথাই। শুয়ে শুয়ে বই পড়ছিলাম। আজ তেমন গরম নেই, নেই শরীরে কোনো ক্লান্তি তাই বই পড়ছিলাম। কিন্তু আমার মতো গরীব মানুষের সুখ কারোই সহ্য হয় না। তাই কারেন্ট চলে গেল। শুয়ে শুয়ে মশার কামড় খাবার চেয়ে বসে বসে মশার কামড় খাওয়া ভালো। তাই আবার যথারীতি অন্ধকারে বসে লেখা শুরু করলাম। ব্লগে লেখতে হলে ইচ্ছাই যথেষ্ট। তাই ইচ্ছে হলেই লেখতে বসি। তবে লেখার আগে ভেবে লেখতে বসা উচিত, কিন্তু আমার চিন্তা ভাবনার কোনো বালাই নাই। মনে কিছু কথা আসে তাই না সাজিয়ে গুছিয়ে লিখে দেই। আমার মামা বলে 'তোমার লেখা ওতো পড়ি না আর, খালি কমেন্ট দেখি লোকজনের।' আমি জিগেষ করলাম কেন? মামা বলে একই ধরনের কথাই ইনিয়ে বিনিয়ে বারবার বলো, তা আর পড়ার কি?' আমি মনে মনে ভাবি আহারে কত বড় অপমান। নান্নু মামা থাকলে বলতো 'সবার সামনে অপমান/ মৃত্যুর সমান'।
কবে যাব বন্ধুর বাড়ি
বন্ধুর বাড়িত ঢোলক বাজে
বন্ধুর বোনের বিয়া
আমার বিয়া কবে হবে
যাব টিকলি মাথায় দিয়া।
বন্ধু টিকলি মাথায় দিয়া।
রং বেরংগের গেট সাজাইছে
খাবার নাকছে ধুম
উচা স্বরে গান বাজাইচ্ছে
কাইরা নিছে ঘূম,
হায়রে কাইরা নিছে ঘূম।
বন্ধু আমার মন কাড়িছে
কি জনি কি কি দিয়া।
কবে যাব বন্ধুর বাড়ী
টিকলি মাথায় দিয়া।
বন্ধু হামার কলেজ যায় গো
সাইকেলত চড়িয়া
আমিও স্কুলে যাই গো
রিক্সা ভ্যান করিয়া
হায়রে রিক্সা ভ্যান করিয়া
সাই সাই করি সাইকেল খানা
যায় যে ভ্যানক ছাড়ি।
কেন জানি বন্ধু আবার
আইসে বার বার ঘুড়ি
হায়রে, আইসে বার বার ঘুড়ি
এইনা দেইখ্যা হজ্ঞলে মোক
খেপায় খোটা দিয়া
কবে যাব বন্ধুর বাড়ি
টিকলি মাথায় দিয়া।
বন্ধু টিকলি মাথায় দিয়া।
২৪/০৯/২০১৩
সিরাজগঞ্জ

যেভাবে যাচ্ছে দিন, যা দেখছি।
মন মেজাজের হাল সুবিধার না বিশেষ। সারাদিন বেহুদা দোড় ঝাপ করলাম তাতে আরো বেশী টায়ার্ড লাগছে। অন্য কেউ হলে শুয়ে থাকতো। কিন্তু আমি তো অনন্ত জলিলের ফ্যান তাই অসম্ভবকে সম্ভব করাই আমার কাজ না হলেও তাঁর কাছাকাছি কিছু করা তো যায়ই। তাই প্রচন্ড ক্লান্ত শরীর নিয়ে পোষ্টটা লিখছি অন্ধকারে। আজ কারেন্ট কত শত বার গেছে তার হিসেব জানা নেই। জানি না কতদুর লিখতে পারি। বাবাখোরদের শুনছিলাম নাকি তাদের এমন দশা হয়ে যায় আসক্তিতে যে খাবারে টেবিলেই ঘুমিয়ে পড়ে ঠাস করে। আমি বাবা না খেয়েই পিসিতে ঘুমিয়ে পড়তে পারি যেকোনো সময় এই ব্লগ লিখতে লিখতে। তবে শরীর থেকে কম চে কম দুই তিন লিটার খালি ঘামলাম সারাদিনে। তাই ঘুমানোর আশা দুরাশা!
