ইউজার লগইন
ব্লগ
কিশোরী, তরুনী ও নারীদের বলছি- সতর্কতা ১
হ্যা মানবী, আপনাকেই বলছি। আপনার কিছু সহজাত প্রবৃত্তি আছে যা জানা থাকলে আপনি নিজের সুরক্ষার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে পারবেন। সুরক্ষা মানসিক পার্থিব বা উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করছি অযথা সমস্যা/বিপদ এড়াতে তথ্যগুলি আপনাকে সাহায্য করব।
প্রশংসা- আপনি না চাইলেও যা আপনার মন স্পর্শ করে তা হচ্ছে প্রশংসা। সচেতন অবচেতন দুইভাবেই প্রশংসা আপনাকে প্রভাবিত করে। রেগে গেলেও ভেতরের অপর মন আপনাকে প্রশংসাকারীকে ভালো লাগাতে শেখায়।
যদি দেখেন কোন সদ্য পরিচিত বা অল্প পরিচিত মানব নিয়মিতভাবে বা প্রায়ই আপনার প্রশংসা করে যাচ্ছে (রূপ, যোগ্যতা, মেধা ইত্যাদি), সেই ব্যাক্তির সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া সবচেয়ে ভালো সিন্ধান্ত । কেননা খুব দ্রুতই সে আপনার মনে প্রভাব ফেলতে সক্ষম হবে, আপনার মানসিক বা অন্য কোনো ধরণের ক্ষতি করার সুযোগ তার তৈরী হয়ে যাবে।
অনেক ক্ষেত্রেই নারীরা প্রশংসাকারীর উপর মানসিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। খুব কম নারীই পাওয়া যাবে যারা রূপের প্রশংসায় মনে মনে খুশী হয়না, যার আধিক্য বিপদও ডেকে আনে।
এবি'র জন্মদিনে বিউগল রেষ্টুরেন্টে সুবেদার আলী
সুবেদার আলীর শরীরটা থরথর করে কাঁপছে। শরীর বললে ভুল হবে। কাঁপছে তার দুই গ্যালন সাইজ ভুড়িটা।
জীবনে এই প্রথম তার এরকম কোন জায়গায় আসা। তার নিজের কখনো সুযোগ হতো না যদি হাতেম তাকে এই সুযোগ না দিত। হাতেম তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী। একই মেস ঘরে থাকে দুজনে। বিউগল রেষ্টুরেন্টে কাজ করে হাতেম। ভালোমন্দ খাবার সুযোগ হলেও হাতেমের দিন কাটে হয় মুলার ঝোল নয় শশার ঝোলের তরকারি আর বড়জোর একটা ডিম। সুবেদার মেট্রিক পাশ। হাতেমের চেয়ে শিক্ষিত। কিন্তু খাবার দাবারে দরিদ্র। কারণ সে একটা গুদামে বস্তা গুনার কাজ করে। হাতেমের কাছ থেকে খাবার দাবারের গল্প শুনতে শুনতে অবিশ্বাস্য লাগে তার। কোন কোন বেলায় নাকি দুইশো পদের খাবারও সাজানো থাকে ওখানে। তার নাম বুফে। এত খায় কেমনে? এমনকি তার দুই গ্যালনের পেটের মধ্যেও বড়জোর বিশ পদ ঢুকানো যাবে ঠেসেঠুশে।
ধূসর গোধূলিঃ দুরন্তপনা
ভোরের প্রথম আলোর ছোঁয়ায় প্রকৃতি জেগে উঠছে নতুন করে। আশপাশের গাছপালা তার সবুজ রঙ ছড়াতে শুরু করেছে মাত্র। সকালের চমৎকার এই ঠান্ডা আবহাওয়ায় প্রাণটা জুড়িয়ে যায়। সূর্য্য ওঠার আগের এই সময়টাতে বেড়াতে ভীষণ ভাল লাগে বকুলের। শ্রাবণের আকাশের মত মেঘের ঘনঘটা আর দিনভর ঝুম ঝুম বৃষ্টি এখন আর দেখা যায়না, তবে শেষরাতে যে হালকা বৃষ্টি হয়ে গেছে প্রকৃতিতে তার রেশ রয়ে গেছে এখনও। আশেপাশের গাছপালা আর ঝোপঝাড়গুলো এখনও ভেজা, অনেকটা সদ্য স্নান শেষে গ্রাম্য কিশোরীর ভেজা চুলের মত। প্রতিদিনের মত আজও খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠেই মন ভাল হয়ে গেল ওর। এই নির্মল ঠাণ্ডা বাতাসে রোজই বেড়ানো হয় তবুও সবসময়ই যেন নতুন করে অনুভব করে এই স্নিগ্ধ সকালটাকে, কখনোই পুরনো লাগে না। ঘর থেকে বেরিয়ে উঠানে এসে দাঁড়াল বকুল। বড় রাস্তার দিকে দৃষ্টি পড়তেই দেখতে পেল অনেকগুলো চাই হাতে মন্টুমামা ভিতর বাড়ির দিকে এগিয়ে আসছে। বকুল পুকুরের ঘাটে গিয়ে বসল, মন্টুমামা কাছাকাছি আসতেই দেখল প্রতিটা চাইয়েই ভাল পরিমাণ মাছ আটকা পড়েছে। বকুলকে দেখে মন্টু বলে উঠলো,
-কি ছোডো বুড়ি, উইঠা পড়ছ?
-হুম, আইজ অনেক মাছ উঠছে তো মন্টু মামা!
-আইজ কয়ডা বেশী মাছ পাইলামরে মা
কথা-দুই
সমুদ্র যতো বিশাল হোক অন্ধকারে তাকে দেখা যায় না
তুমি সমুদ্র নও, সমুদ্রের মতও নও, তবু তুমি
দৃশ্য হয়ে থাকো অন্ধকারেও!
তোমাকে বলেছিলাম সে কথা- তুমি ক্রিষ্টাল মূর্তির মতো
দাঁড়িয়েছিলে আর সমুদ্র পাড়ের বাতাস কথাগুলো
উড়িয়ে নিয়ে গেলো। তোমার শোনা হলো না!
সময়ে সময়ও যায় বদলে
বদলে গেছে চুলের রঙ, ঠোঁটের আকার
কথা শোনার ধরণটাও,
বদলে গেছে কোন কথার কোন মানে
বদলে গেছে তোমার ঠিকানাটাও!
পৃথিবীর সকল ডাকঘর ঘুরে কথাগুলো ফিরে এলো,
কোন কথা তাই পৌছাতে পারেনা তোমার কাছে,
নিঃসঙ্গতার মতো করে জড়িয়ে থাকা অন্ধকারে
কথাগুলো বুকের ভেতর পায়চারি করে!
তখন একটি দীর্ঘশ্বাস উড়ে গিয়ে শুকনো পাতার মতো
পড়ে থাকে গাছের নিচে!
তুমিই জানলে না, গাছ কি আর জানবে;
একটি দীর্ঘশ্বাসের মধ্যে অনেক না-বলা কথা থাকে!
একাত্তরের অশ্রু, এক
আমাদের স্বীকার করতেই হবে, আমরা মাঝখানে একটা দীর্ঘ সময় পার করে এসেছি, যে সময়টাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনার চর্চা অনেকটা সংকুচিত ছিল, একটি নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে ছিল। পুরো ব্যাপারটাতে চলে এসেছিল ট্যাবুভাব; যেন অন্যায় কিছু করছি, সবকিছুতে ছিল লুকোচুরি।
'একাত্তরের অশ্রু' মূলত বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার ও গবেষণা কেন্দ্রের একটি প্রকল্প। মুক্তিযুদ্ধের নানান কষ্টের ঘটনা, বীরত্বের ঘটনা, ইতিহাসের নানান ঘটনা সংক্ষিপ্ত আকারে কিশোর-কিশোরীদের জন্য উপস্থাপনই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
পাঠক মাত্রেই প্রশ্ন করতে পারেন, সংক্ষিপ্ত আকারে কেন? উত্তরটা এভাবে দেবো, ব্যস্ত জীবনের নানান জটিলতার ভীড়ে মানুষ দীর্ঘ রচনা পড়তে ক্লান্ত বোধ করে। আর পাঠক যদি হন কিশোর বয়সের কেউ, তাহলে তো কথায় নেই...দীর্ঘ রচনা, কঠিন আবেগী শব্দ কিশোরদের স্পর্শ করে কম।
সবশেষে এটুকুই বলব, এই ক্ষুদ্র প্রয়াসের একমাত্র লক্ষ্য কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা চর্চার আলো পৌঁছে দেয়া।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা চর্চার আলো বাঙলার সব ঘরে ছড়িয়ে পড়ুক।
জীবন থেকে নেয়া (চোর নিয়ে মেঘাডেট)
আজকে “আমরাবন্ধু”র জন্মদিন। বিগত যৌবনা এই ব্লগটাতে পারতে কেউ আজকাল আর উঁকি দেয় না। শুধু যারা মায়া কাটাতে পারে নাই তারা মাটি কামড়ে পড়ে আছে। হ্যাপি বার্থডে এবি, অনেক অনেক হাসি খেলার – আলোর বেলা কেটেছে এখানে। ভাল না থাকো, টিকে অন্তত থাকো।
প্রথমে সেদিন চোর এলো আমাদের বাড়িতে তারপর পুলিশ। ঘটনাটা এরকম, বুধবারে বাবা মেয়ে বাড়ি ফিরেছে এবং যথারীতি একজন টিভি আর একজন ল্যাপটপের মধ্যে ঢুকে গেছে। আমি বাড়ি ফিরে খুব তাড়াহুড়া সব গোছাচ্ছি আবার বেরোতে হবে, আমাদের খুব কাছের বন্ধু একবছর আগে মারা গিয়েছেন, তার সেদিন মৃত্যুবার্ষিকী। মেঘকে ওপরে পাঠিয়েছি রেডী হতে। বাগানের দরজার নবটা দেখি অর্ধচন্দ্র। মুচড়ে আছে ঠিক অর্ধেক মাপে।
মেয়ের বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি বাইরে গিয়েছিলে, বললো না।
আমি বললাম তাহলে এমন হলো কি করে লক?
তিনি বললেন, মেঘ হয়তো বাইরে গিয়েছিলো।
মেঘ নীচে আসতে আমি জিজ্ঞেস করলাম, সে বললো, নাতো মা, আমি যাইনি।
আমি বললাম তাহলে কি চোর এলো নাকি।
বললেও ভাবার সময় নেই এখন প্রায় সাতটা বাজে, বেরোতে হবে। কেউ গা করলো না।
“আমরা বন্ধু আর শখের ফটোগ্রাফী”
আজকে “আমরাবন্ধু”র জন্মদিন।
আমরাবন্ধু - একটা শব্দ, একটা একাত্মতা! যারাই এর সাথে কিবা পাশেই আছেন/থাকেন মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেন এই আত্মীকতা। এর সাথে জড়িয়ে দূরে-কাছে, নিরবে কিবা সরবে থাকা সবাই যে যা তাই আছেন। আদিখ্যেতা, ‘আমি কি হনু রে’ একে অন্যের সাথে দুই’মুখতা, পিঠচাপড়ানো – এইগুলো এখন অব্দি নেই বলেই মানুষগুলোকে জানাচেনার গন্ডিতে নিয়ে আসা যায় সহজেই।
আমরাবন্ধু গ্রুপ হিসেবে আন্তর্জালে অনেক আগে থেকে রইলেও ব্লগের জগতে “আমরাবন্ধু” সেই প্রথমদিককার ব্লগ নয়। কিন্তু এতে জড়িয়ে থাকা মানুষগুলো ব্লগজগতের শুরুর দিকের নিকের আড়ালে রইলেও ‘এবি’তে এসে আর তা থাকেন নি, হয়ে উঠেছেন একে অপরের আদতেই বন্ধু। তাই নির্দ্বিধায় আলাপ-আলোচনা, রাগ-ভরসা করা চলে এই বন্ধুদের ওপরই।
কতদিন টিকে থাকবে দৈনিক পত্রিকা
কথাটা এরকম-প্রিন্ট মিডিয়া সূর্যের মতো, এটি সবসময়ই পূর্বে উঠে আর পশ্চিমে অস্ত যায়। বিশ্বাস করুণ কথাটা সত্য। পশ্চিমে প্রিন্ট মিডিয়া বা দৈনিক পত্রিকার বড়ই দুরাবস্থা। বিক্রি কমেছে, বিজ্ঞাপনও কমছে। মানুষ দৈনিক পত্রিকা কম পড়ছে। ফলে এখন বড় প্রশ্ন হচ্ছে দৈনিক পত্রিকা আর কতদিন টিকে থাকবে?
অনেক বছর পর লন্ডনে গিয়ে প্রিন্ট মিডিয়ার দুরাবস্থা খানিকটা নিজেই দেখলাম। সকালে আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশনে যাওয়ার পথে বিনামূল্যে পাওয়া যায় মেট্রো, আর সন্ধ্যায় ইভিনিং স্টান্ডার্ড। কারণ এখন আর অনেকেই কিনে দৈনিক পত্রিকা পড়তে চান না। বিজ্ঞাপনই ভরসা। দৈকি পত্রিকার বড়ই দুর্দশা পশ্চিমে।
অথচ দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিকদের রিপোর্টের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে নিক্সন সরকারের পতন ঘটেছিল। ওয়াশিংটন পোস্ট সেই রিপোর্ট করে প্রিন্ট মিডিয়াকে অন্য এক উ”চতায় নিয়ে গিয়েছিল। এর পরে এবং আগেও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার কারণে সারা বিশ্বে অনেক ওলট পালট হয়েছে, পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছুর। প্রশ্ন উঠেছে, সব কিছুই কী বন্ধ হয়ে যাবে।
বৃষ্টি অথবা যৌনতায় হাটা
তারাগুলি জোনাকি হয়ে গন্ধরাজের কাছে আসে, তখন ফুল গুলি নদী হয়ে সাপের মত চলে যায়
ফুল গুলি নদী হয়ে গেলে, জ্বলন্ত সিগারেট থেকে দুই ক্যান ধোঁয়া ছুটে যায় অনির্দিষ্ট গন্তব্যে...
ধেয়ে আসে কার্লসবাগের ফেনা যেন স্বপ্নীল কোন কংক্রীট
পানপাত্রে চেনা অচেনা সুন্দরীদের কন্ঠ জমে, আরো জমে থাকে স্মৃতি...
রঙিন সুর নিভে যায় সাদা দেয়ালের ছন্দে বাজে বিসুভিয়াসের কান্না
লাভার রাস্তা ধরে রিকশা মগ্ন রাত ভেসে যায় গভীর থেকে আরো গভীরের দিকে...
এবং মিশে যেতে থাকে নীলিমার আধারে, খুবই চেনা তরুনীদ্বয় অমৃত পরিবেশন করে
মুহুর্তের ব্যবধানে পরিচয় ঘুচে যায়, বেঁচে থাকে সোনালী তরলে টুংটাং সুর তোলা বরফের চাঁই আর অলঙ্ঘনীয় পাঁচিলের বাধা...
শহরের প্রাচীন দালানেরা ভীড় করে চারপাশে, শুয়ে থাকে ধৌরিতকের মত। তখন ভালোবাসারা আসে স্বপ্নের কাছে
স্বপ্নেরা দলে পিষে যায় বাস্তবতার ঘোরটোপে ঢাকা ফিটন গাড়িতে, চাবুক হাঁকে বেপরোয়া সহিস...
ঘোর ভাঙে নৈশব্দের ডাকে, সাকী বাজায় পাখোয়াজ
ভৈরবীর রক্ত ঝরে আকাশের বুকে আর এপারে রাতজাগা কেউ প্রতিদিন খুন হয়ে যায়...
হাঁসফাঁস শহরে নিশ্বাস , বিশ্বাস সব বেদনায় কাটা হতে থাকে
শুভ জন্মদিন এবি...
আজ এবি'র জন্মদিন... ধুলায় মলীন কত স্মৃতী... আহা সেই সোনালী দিন... কত আড্ডা... হৈচৈ... খুনোসুটি... জীবন আসলেই রঙীন হয়ে শুরু হয়... তারপর... তারপর ধীরে ধীরে মলিন হতে হতে জীর্ণশীর্ণ হতে থাকে... আর আমি...
"অক্লান্ত আমায় ক্লান্ত কর, ভুল করে হে ভুলে যাওয়া
অফুরন্ত সময় নেই এক জীবনে
না হয় সময় দিলাম কিছুটা তোমায়।।"
সময়ের পেছনে দৌড়াতে দৌড়াতে দেখি...
"ছেঁড়া গেঞ্জি, ফেলে দেওয়া একপাটি জুতো, রঙজ্বলা নাইলনের মশারি,
দেয়ালের কোনে ঝুল, দেখে শুনে বিষণ্ণ পায়ে -
চলে যাচ্ছে সময়।
দুঃখের রোদে কিংবা সুখের আমেজে
সিগারেটে শেষ টান.... দিতে দিতে
উড়ে যাচ্ছে সময়"
হায়! সময়... উড়েই যাচ্ছে... জ্যামে বসে বসে শুধুই ভাবনা... কীবোর্ডবাজী... বিরহ... উদাস... কত কাজ এখনো করা হয়ে উঠলো না... কত কাজ করার কথা ছিলো... না পাওয়া...
শুভ জন্মদিন এবি... অনেক ভালবাসার এই জায়গাটা আজীবন থাকবে... আজীন থাকুক...
গ্ল্যাডিয়েটর
আমাকে যদি ধরতে চাও
এসো যেথা সাফারির বন
আকাশ পাতাল ঘুড়ে বেড়াই
শুন্যে যে মোর আসন।
অশোক হয়ে ফুটি আমি
সাথে হাজার সাথি
বাঘ ভাল্লুক সিংহ মামা
আছে নানান জাতের পাখি।
ভ্যাম্পায়ার ও শকুনেরাও
বন্ধু আমায় মানে
মুগ্ধ আমি তৃপ্ত আমি
তাদের সুর ও তানে
ভুজঙ্গ আমায় আদর করে
সর্ব অংগ দিয়ে
যতই বলি ছাড় আমায়
ততই থাকে জড়িয়ে।
লতা পাতা গুল্ম যত
থাকে পাহাড়ায়
কেউ যদি ধরতে আসে
তাড়ায় হিংস্র ইশারায়।
হেথায় আমি চরম সুখী
নেই তো প্রাণের ভয়।
সভ্য নামের সমাজ টাতেই
আমার প্রাণ সংশয়।
অবনির হেথায় থাকি বন্ধু
প্রাণে বড় ডর।
এখানে আমায় ধরতে হলে
তোমাকে হতে হবে গ্ল্যাডিয়েটর।
তাই ধরতে হলে চলে এসো
এই সাফারি বনে
বল সাত সমুদ্দুর পারি দিয়ে
আসবে কত ক্ষনে।
সিরাজগঞ্জ
অক্টোবর,২৭,২০১৩খ্রীঃ 
টাপুর টুপুর
টাপুর টুপুর সকাল দুপুর,
পায়ে যেনো খেলছে নূপুর,
কালো আকাশ গোমড়া মুখ
প্রেয়সীর মনের কিছু দুখ।
দুঃখ সব ঝরিয়ে দেবো,
পথে ঘাটে প্রান্তরে
, চোখের সব পানি দিয়ে,
ঠাঁই নেবো ঐ অন্তরে।
শীত শীত ঠান্ডা বাতাস,
একটুখানি ওম,
মনে মনে ঝড় ওঠেছে,
কাঁপছে বুধের সোম।
টাপুর টুপুর সকাল দুপুর,
পায়ে যেনো খেলছে নূপুর,
কালো আকাশ গোমড়া মুখ
প্রেয়সীর মনের কিছু দুখ।
দুঃখ সব ঝরিয়ে দেবো,
পথে ঘাটে প্রান্তরে
, চোখের সব পানি দিয়ে,
ঠাঁই নেবো ঐ অন্তরে।
শীত শীত ঠান্ডা বাতাস,
একটুখানি ওম,
মনে মনে ঝড় ওঠেছে,
কাঁপছে বুধের সোম।
৫০ শব্দ চায়।আমি দিমু কই থাইকা।আর তো মাথায় আসে না। কি করি,আমি কি করি
:
দেখিবার মতন যদিও কিছুই নাই, তাও দেখিতে হয় ঈদে টেলিভিশন!
আমার বয়সী লোকেরা আর টিভি দেখে না, আমি কেন দেখি? কারন ভালো লাগে তাই। যে কারনে লোকজন বাংলা সিনেমা দেখে হলে বসে, সেই কারনে আমি টিভি দেখি। ছোটবেলা থেকেই টিভির পোকা ছিলাম সেই পোকাটা বুড়ো হয়ে গেলেও এখনো মাথায় বিদ্যমান। তাই দেখতে হয় টিভি কারন ভালো পাই। যদিও গত ১ বছর ধরে বাসায় টিভিকার্ড আছে ডিসের লাইন নাই তাই দেখতে পারি না কিছুই। তবুও বাড়ীতে গেলে টিভি দেখতেই হয় চাই বা না চাই! কারন বাড়ীতে আমার তেমন কোন কাজ নাই যে অন্য কিছু করবো। তাও দেখা যায় ডিস থাকে না, কারেন্ট থাকে না কত ধরনের প্রতিকূল অবস্থা। আর এবার নানু বাড়ী ছিলাম আড়াই দিন তাতেও ঠিকঠাক টিভি দেখি নাই। যদিও নানু বাড়ীতে টিভি দেখার খুবই সুব্যাবস্থা। আমি ঘরে ঢূকলেই সবাই চলে যায়। রিমোটের নিয়ন্ত্রন আমার হাতেই থাকে। তাও ভালো লাগে না। নিজের ঘর, নিজের প্রাইভেসী, নিজের আরাম মতো মায়ের হাতের অসাধারণ রান্না খেতে খেতে টিভি দেখার মজাই আলাদা!
যে
১.
দুপুরের দিকে মিডিয়াগুলোই নাটক পুরো জমিয়ে তুলেছিলো। একেকটা খবরের যা শিরোনাম, দেখলেই বার বার পিলে চমকাচ্ছিলো।
রাজধানী থমথমে, মানুষের মনে চাপা উতকণ্ঠা
মহানগরীর রাস্তা যেন ধু ধু মরুভূমি
নগরবাসী ভয়ে কাঁথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে খাটের কোণায়
রকমারী শিরোনাম। একেকটা রিপোর্টের ক্রেডিট লাইন চার-পাঁচজন করে রিপোর্টারের নাম। ভয় না লাগার কোনো রাস্তাই খোলা রাখে নি বাংলাদেশের মিডিয়াগুলো। সাধারণ মানুষের জানের পানি এখন যায় কি তখন যায়। এমন অবস্থা!
এত শিরোনামের ভিড়ে আমার চোখে পড়লো দক্ষিণাঞ্চলের কোনো এক জেলায় এক জামাত নেতা মিছিলের সময় হার্ট এ্যাটাকে মারা গেছে। একটা শুয়োরের বাচ্চা মরেছে বলে প্রায় চিৎকারই দিয়ে দিতে হলো। কেননা নিজেকে নিয়ন্ত্রণ আমি খুব কম সময়ই করতে পারি এবং আজকের মতো টেনসড্ সিচুয়েশনেই তো নয়ই।
পালাই পালাই
অস্থির, উদ্দাম, সিদ্ধান্তহীনতা, নিজেকে নিজের অপছন্দ, মনের বিরুদ্ধে পড়ালেখা সব মিলিয়ে ১৯৯৯ সালটা আমার জন্যে অদ্ভূত একটা সময়। ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে হবে এই সংকল্প আমাকে এমন এক বিষয় পড়তে বাধ্য করলো যা পড়তে ভালো লাগে কিন্তু পরীক্ষার খাতায় আমার জন্যে আশানুরূপ নাম্বার যোগ বয়ে আনে না- সেই বিষয়ের নাম দর্শন।আমার মুখস্থ বিদ্যা বরাবরই শূন্যের কোঠায়। বন্ধুদের দেখেছি পাটীগণিত পর্যন্ত না বুঝলে মুখস্থ করে ফেলতে। আমি ব্যর্থ। না বুঝলে এক কলমও এগোতে পারি না। দর্শন পড়ি, ভালো লাগে পড়তে কিন্তু পরীক্ষার খাতায় আমি ২০ পৃষ্ঠা মুখস্থ উগড়ে আসতে পারি না। ফার্স্ট ইয়ারে আমার রেজাল্ট বলে দিচ্ছে আমি থার্ড ক্লাস নম্বর পেতে যাচ্ছি চলমান চার বছরে।সেই সম্ভাবনা পরবর্তীতে উৎপাটন করলেও ৯৯ সালে আমি আতংকে অস্থির।