ইউজার লগইন
ব্লগ
এবং আমরা পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছি
অকুপাই ওয়ালস্ট্রীট আন্দোলনটা খুব দ্রুতই সারা বিশ্বে ছড়িয়ে গেলো, পূঁজিবাদী ব্যবস্থার আভ্যন্তরীণ দুর্বলতায় ভোক্তা-ব্যবসায়ী-রাষ্ট্র- আইন এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনে সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের মাণ অক্ষুন্ন রাখার ন্যুনতম নিশ্চয়তা নেই, অর্থের পরিমাপে মানুষের মূল্য নির্ধারিত হলে, প্রয়োজনীয় সেবাগুলোর প্রাপ্যতা এবং মাণ অর্থে নির্ধারিত হলে শুধুমাত্র গুটিকয়েক মানুষ সকল ধরণের সুযোগ সুবিধা কিনে ফেলতে পারে এবং গণমাধ্যম অশ্লীল ভাবে সেগুলোকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রচার করে সবার ভেতরে তেমন জীবনযাপনের স্বপ্ন তৈরি করতে পারলেও সে পথে সবার সহজ গতায়ত নেই। অর্থনীতি এবং প্রোডাক্টিভিটির ইঁদুর দৌড়ে শুধুমাত্র কয়েকজন সফল হবে, বাকীরা সেই সাফল্যের আশায় পূঁজিবাদী অর্থনীতের যাতাকলে পিষ্ট হবে। তবে অকুপাই ওয়ালস্ট্রীট আন্দোলনটা এই সহজ প্রতিযোগিতামূলক বাস্তবতার বিরুদ্ধে ছিলো না বরং বিদ্যমান ব্যবস্থায় ন্যায্যতার অভাবে আন্দোলনটা শুরু হয়েছিলো।
স্বপ্নালু অশ্রু
সেদিন বিশাল পার্টি ছিলো গ্রান্ড হোটেলে। প্রচুর লোক, ব্লন্ড চুলের অপরুপ সুন্দরী, কমপ্লিট স্যুটের কর্পোরেট, রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বের ছড়াছড়ি। ওয়াইন সার্ভ করার দায়িত্ব আমার ওপর পড়েছে আর আমার সাথে সিন্থিয়া আর জোবিহা। জোবিহা ইসরাইলের। প্রথম যেদিন দেখা হলো বেশ ভড়কে গিয়েছিলাম। শেভ করা ছিলাম না, চোখ দুটো লাল। ভোর বেলা আধ ঘুমে ড্রেস রুমে জামা চেন্জ্ঞ করে যখন টেবিলের বিশাল বিশাল সাদা কাপড় লন্ড্রিতে নিয়ে যাচ্ছিলাম তখন হঠাৎ পেছন থেকে আমাকে একটা মেয়ে ডাকলো।
পেছনে তাকিয়ে দেখি অপরুপ সুন্দর কালো চুলও মেয়ে। মেয়েটির চেহারার সবচেয়ে আকর্ষনীয় হলো চোখ আর তার মোটা ভ্রু। বিশাল বিশাল চোখে চোখা চোয়াল আর নাকের সাথে অদ্ভুত ভাবে মিলিয়ে গেছে। ডোরা কাটা সুন্দরী যাকে বলা যায়।
: (সুইডীশে) তুমি কি এখানে নতুন?
: এই তো কিছুদিন।
: যাই হোক, ওয়াইনের বোতল গুলো কার দায়িত্বে? একটাও সাজানো নেই। ফ্রেন্ঞ্চ ওয়াইনের সাথে লেবানীজ। হোয়াইটের সাথে রেড। কাল কি নতুন কেউ কাজ করেছে এখানে?
: তা তো বলতে পারবো না। তবে কোথায় এরকম হয়েছে বলতে পারো?
দুঃখী বেহালা

দূরে বহুদূরে একাকী পথিক
ঘুমহীন খা খা রোদ্দুরে
আনমনে হেঁটে যাওয়া
ধূলি ধুসরিত শহরের পথে।
ব্যস্ত সড়কে অবিরাম ছুটেচলা
যান্ত্রিক শব্দের ভিড়ে
রঙিন কাঁচের আড়ালে
হতাশ জীবনের জলচ্ছবি।
জানালার কার্ণিশে তৃষ্ণার্ত কাক
অপেক্ষায় বৃষ্টিমুখর ক্ষণের,
ধূসর আকাশ; মেঘহীন, স্তব্ধ
দূরে কাঁদে জারুল, সোনাঝুরি।
সড়কদ্বীপে একা ল্যাম্পপোষ্ট
রোদেপোড়া ক্লান্ত পথচারী
দীর্ঘ পথচলায়, অপেক্ষার প্রহরে
বিরহী দুঃখী বেহালা।
পাশাপাশি জীবনের অদেখা ভূবনে
নীরব রাতের স্বপ্নবিহীন চাওয়া পাওয়া
মাঝরাতে তুমুল বৃষ্টি, তপ্ত নিঃশ্বাস
নিঃসঙ্গতার আড়ালে সুখের চাষবাস।
অক্টোবরের সিনেমা দেখা দেখি!
সিনেমা দেখতে আমার খারাপ লাগে না এখন আর। আগে অবশ্য কখনোই এত ভালো লাগতো না, কারন টিভিতে কত অপশন রিমোটের ঘুরে ঘুরে কত কিছুতে চোখ বুলানোর সুবিধা। সেই তুলনায় সিনেমা দেখতে হলে পিসি খুলে বসে থাকো। টানা দেখে যাও। তাই দীর্ঘ দিন আমার সিনেমা দেখার জায়গা টেলিভিশনে। টেলিভিশনে সিনেমা দেখার কথা শুনলেই পাবলিক হাসে, বলে উঠে টিভি কি সিনেমা দেখার একটা জায়গা হলো?
ত্রুটিহীন দুঃসময়
ভাবনার কার্নিশে ডাহুকেরা ঝিমিয়ে আছে কিছুক্ষন। মেঘলা দুপুরে সান্ধ্যআইন মেনে চলা ন গরীর পথগুলো শান্তিতে ঘুমিয়ে। বৃষ্টির ফোটাগুলো আমার লোমশ হাতে দৌড়ঝাপ দিয়ে যায়। বাতাসের শীষে কিছুগান খুব পরিচিত লাগে। দুঃখ পাবার বিলাসী সময় কাটছে এখন। দীর্ঘস্হায়ী নয় জেনেও "যাক না সময় যাক না চলে" মুডে চোখ বুলাই সবুজ বনানীর পানে।
রক্তাক্ত কারাগার, ৩ নভেম্বর'৭৫
সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে সংঘটিত হয়ে গেলো ২/৩ নভেম্বর রাতে রক্তাক্ত এক কুখ্যাত জেলহত্যাকান্ড। মুজিব খুনি মেজর ফারুকের বিশ্বস্ত রিসালাদার মোসলেমউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দলকে তারা(ফারুক,রশিদ,মোশতাক) পাঠান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে। দলবল নিয়ে গভীর রাতে জেলে পৌছে আওয়ামীলীগ নেতাদের হত্যা করতে চাইলে জেলের আইজি, ডিআইজি এবং জেলার হতবম্ব হয়ে পড়েন। জেলে এই সময় ফোন আসে বঙ্গভবন থেকে। আরেক খুনি মেজর রশিদ এর আগেই আইজি প্রিজন নুরুজ্জামানকে জানিয়েছিলেন মোসলেমউদ্দিনের জেলে আসবার কথা।
ফোন করে মেজর রশিদ জিজ্ঞাসা করেনঃ- মোসলেমউদ্দিন কি পৌঁছেছে?
নুরুজ্জামান বলেন, জী পৌঁছেছেন কিন্তু আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।
রশিদঃ আপনি প্রেসিডেন্টের(মোশতাক) সাথে কথা বলেন ।
মোশতাক ফোন ধরলে নুরুজ্জামান বলেন স্যার মোসলেমউদ্দিন সাহেব তো বন্দিদের গুলি করার কথা বলছেন।
মোশতাকঃ সে যা বলছে তাই হবে। ....এই বলে মোশতাক ফোন রেখে দেন।
তোমার রহমান নাম,যে গেঁথেছি অন্তরে।
তোমার কোন কোন দানকে
করিব অস্বীকার,
অধম, গোলাম, না চাহিতেই
যেথা দিয়েছ ঢেলে অপার।
তুমি অসীম দয়াবান
তাই শিখিয়েছ কোরআন।
সৃজিলে মানবেরে
শুকনা মাটি দিয়ে
জ্বীনকে বানালে কোন সে লীলায়
অগ্নি শিখা দিয়ে।
জবান দিলে তুমি সকল সংযোগের
বাহন করে।
জমিনকে বানালে আবার
সৃষ্ট জীবের আহার্য্যের আঁধারে।
ফলমূল, শস্যাদি, খেজুর
কত শত আহার্য,
রয়েছে সুগন্ধি ফুল,
ভাষাহীন তার সৌন্দর্য।
নদী ও মহোদধি
বয়ে চলে নিরবধি,
কেউ কারও সীমা
কভূ করে না লংগন,
নদীর পানি হয় যে মিঠা
সমুদ্রের পানিতে হায়! কত যে লবণ।
শুধু কি তাই!
নদী ও সাগরে
কত যে মনি মুক্তা রাজি ঝড়ে,
নৌকা ও জাহাজে চড়ে যাই
দেশ হতে দেশান্তরে।
সমুন্নত আকাশ বানিয়ে তুমি
শিখিয়েছ ভারসাম্য,
মানবেরে করেছ আদেশ
রাখিতে হিসেবে সাম্য।
নক্ষত্র বৃক্ষরাজি
সর্বদা অনুগত
চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র চলে
নিখুত হিসেব মত।
জ্বীন ও মানবেরে
দিয়েছ চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে
পার যদি নাও অবকাশ,
ছেড়ে গিয়ে আমার জমিন ও আকাশ।
উভয়ের কি সাধ্য বল
নড়িতে এক তিল
তব অনুমতি নাহি যেথা
যার ভিসা মিলিবে যথা
সে যাবে হেথা
একেকদিন
একেকদিন খুচরো পয়সা, অজান্তে খরচ হয়ে যায়
একেকদিন খুব সুস্থ থেকেও মন অসুস্থতার গান গায়
এক এক দিন করে বছর চলে যায়
হাহাকারগুলো বিদ্রুপের ছায়াতলে
তোমার বিছানার সাইড টেবলে
অবহেলে পড়ে রয়
কেন যে এমন হয়!
তোমাকে কাছে পাবার তৃষ্ণা
জাগ্রত বিগ্রহ দেহ
সটান নগ্নতায়
একেকদিন একেকদিন বিরহ
সব কিছুর দখল পায়
তোমাকে ডাকা অনেক নাম
তোমাকে বলা না বলা অনেক কথা
নীরবতায় ছেয়ে যায়
একেকদিন নিজেকে লাগে
বড্ড অসহায়
কিশোরী, তরুণী ও নারীকে বলছি- সতর্কতা ২
যারা পর্ব ১ পড়েন নি, তারা সেটা পড়ে এসে তারপর এই পর্ব পড়লে আপনার সুবিধা হবে। বাইরের বিপদ জানার সাথে সাথে নিজের অভ্যন্তরের বিপদ জানাটা সমান গুরুত্বপূর্ণ।
আজকে সামাজিক কারণে কিছু সমস্যা/ বিপদগুলো নিয়ে বলবো। আশা করছি তথ্যগুলো সাহায্যকর হবে।
বিয়ের পাত্রের খোজখবর- বিষয়টা বিস্ময়কর হলেও সত্যি যে অনেক সময় পাত্র বা তার পরিবারের প্রদর্শিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে, পাত্র সম্পর্কে ঠিকঠাক খোজখবর না নিয়েই পিতা-মাতা মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেন। ফলাফল স্বরূপ বিয়ের পর জানা যায়-
-পাত্র মাদকাসত্ত
-পাত্র একজন বিশিষ্ট বেকার এবং এখন যৌতুক চায় নিজে দাঁড়ানোর জন্য
-পাত্রের কোন বিশেষ শারীরিক রোগ আছে যা সন্তান ধারণে বাধা স্বরূপ
-পাত্র মানসিক রোগী
-পাত্রের প্রথম স্ত্রী আছে, যার সাথে এখনো তালাক হয়নি
-পাত্র মানবী-বাণিজ্যের সাথে যুক্ত (বিয়ে করে রংমহলে বিক্রি করে দেওয়া)
-পাত্র অন্যান্য মারাত্বক অপরাধ চক্রের সাথে যুক্ত
একজন ধর্ষিতা বনাম Two-finger Test
একজন ধর্ষিত নারী ধর্ষণের ফলে শারীরিক ও মানসিকভাবে যখন সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়ে, ঠিক তখনই আদালতে তাকে ‘Two-finger Test’ নামক অপমানজনক পরীক্ষা দিতে হয় নগ্ন হয়ে কতোগুলো পুরুষ চিকিৎসকদের সামনে।
আমাদের দেশে একজন ধর্ষিত নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা তা যাচাই করার জন্য আদালতে ‘Two-finger Test’ করানো হয়। এই টেস্ট করানোর জন্য কি দেশে নারী চিকিৎসক নেই, তাদের দ্বারা কি এই টেস্ট করানো যায়না? কেন পুরুষ চিকিৎসকদের সামনেই একজন নারীকে নগ্ন করতে হবে?
আশাবাদের চাষাবাদ!
সুশীল ভাষায় এই সময়টাকে বলে ক্রান্তিকাল। তবে শুধু ক্রান্তিকাল বললে এই সময়টার ঠিকঠাক নাম দেয়া হয় না। আমার মাথাতে খালি আসে দুটো শব্দই 'চরম দুঃসময় ' সেটা সব দিক থেকেই। রাজনীতি, অর্থনীতি এবং সমাজ, রাষ্ট্র সব খানেই ঘোরতর অনিশ্চয়তা, অস্থিরতা, অস্বস্তিতে দিন কাটছে সবার। যেখানেই যাই, যে কথাই বলি ঘুরে ফিরে আসে পলিটিক্যাল ক্রান্তিকালের এই কথাগুলাই। এখন তো নান্নুর চায়ের দোকান নাই তাই অনেক জায়গাতেই মাঝে সাজে বসা হয়। নানান লোকের কথা শুনি, সবাই খুব টেনশনে। আমাদের এক বন্ধু আছে নাম মুহিত। বাপের বিশাল বড় বাড়ী, জাবি থেকে মাস্টার্স করছে এখনো শেষ হয় নাই। ওর বাপ হুট করেই খুব হন্তদন্ত হয়ে ইউরোপের কোনো দেশে আরেকটা মাস্টার্সের জন্য পাঠাতে চায়, অথচ এত বছরের জীবনে তার বিদেশে যাবার কোন প্ল্যানই ছিল না। সেও দোড়ঝাপ শুরু করছে। এখন বলতে পারেন- এইসব ব্যাপার স্যাপার তো আগে থেকেই ছিল, কিন্তু আগের সাথে এখন ডিফারেন্সটা হলো আগে সামর্থ্যবান মানুষদের ভিতরে অনেকের ইচ্ছা থাকতো বিদেশে যেন একটা ঠিকানা থাকে। এখন সবাই তা বাধ্যতামুলক ভাবে করছে। এমন একটা ভাব যেন দেশে আশু সিভিলওয়্যার হচ্ছে। আরেক লোকের কথা বলি তার নাম ধাম পেশা কি জ
ভাঙচুরের ব্যবসা
হুমায়ুন আহমেদের নান্দাইলের ইউনুসের গল্পটা নিছক গল্প না বরং বঞ্চিত মানুষের আভ্যন্তরীণ ক্রোধের মাত্রাবোধহীনতার রূপায়ন। অবশ্য নান্দাইলের ইউনুসের উপখ্যান আমাদের জানতে হয় না, আমরা চলতি পথে বিচারের আড়ালে এমন অমানবিক নৃশংসতার উদাহরণ নিয়মিতই দেখতে পাই।
একটা সময়ে রাস্তায় ছিনতাইকারী কিংবা চাঁদাবাজ ধরা পরলে উত্তেজিত জনতা তাদের পিটিয়ে হত্যা করেছে, পকেটমার শিশু-কিশোরদের আঙ্গুল কেটেছে, আগুণে পুড়িয়ে মেরেছে, গণমাধ্যম নিয়মিতই এসব সংবাদ প্রকাশ করেছে কিন্তু এই অহেতুক বর্বরতার বিপক্ষে জনমত গড়ে তুলতে পারে নি।
সমষ্টির ভেতরে অনেক ক্ষুব্ধ-ক্রুদ্ধ মানুষ থাকে, যারা জীবনে কোনো না কোনো সময় ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে, যাদের বাজারের টাকা পকেটমার হয়েছে, যাদের ছোটো প্রতিষ্ঠান প্রাণের আতংকে চাঁদাবাজদের দাবিকৃত অর্থ পরিশোধে বাধ্য হয়েছে। অসংখ্য মানুষ যারা মূলত আইনী সুরক্ষা চেয়েছে, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা চেয়েছে কিন্তু রাষ্ট্র আইনী সুরক্ষা কিংবা নিরাপত্তা প্রদাবে ব্যর্থ। এইসব ক্ষুব্ধ ক্রুদ্ধ মানুষেরা ভীড়ের আড়ালে ভয়ংকর নৃশংসতায় অমানবিক ভাবে নিজের ক্রোধের উপশম খুঁজে পায়।
কিশোরী, তরুনী ও নারীদের বলছি- সতর্কতা ১
হ্যা মানবী, আপনাকেই বলছি। আপনার কিছু সহজাত প্রবৃত্তি আছে যা জানা থাকলে আপনি নিজের সুরক্ষার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে পারবেন। সুরক্ষা মানসিক পার্থিব বা উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করছি অযথা সমস্যা/বিপদ এড়াতে তথ্যগুলি আপনাকে সাহায্য করব।
প্রশংসা- আপনি না চাইলেও যা আপনার মন স্পর্শ করে তা হচ্ছে প্রশংসা। সচেতন অবচেতন দুইভাবেই প্রশংসা আপনাকে প্রভাবিত করে। রেগে গেলেও ভেতরের অপর মন আপনাকে প্রশংসাকারীকে ভালো লাগাতে শেখায়।
যদি দেখেন কোন সদ্য পরিচিত বা অল্প পরিচিত মানব নিয়মিতভাবে বা প্রায়ই আপনার প্রশংসা করে যাচ্ছে (রূপ, যোগ্যতা, মেধা ইত্যাদি), সেই ব্যাক্তির সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া সবচেয়ে ভালো সিন্ধান্ত । কেননা খুব দ্রুতই সে আপনার মনে প্রভাব ফেলতে সক্ষম হবে, আপনার মানসিক বা অন্য কোনো ধরণের ক্ষতি করার সুযোগ তার তৈরী হয়ে যাবে।
অনেক ক্ষেত্রেই নারীরা প্রশংসাকারীর উপর মানসিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। খুব কম নারীই পাওয়া যাবে যারা রূপের প্রশংসায় মনে মনে খুশী হয়না, যার আধিক্য বিপদও ডেকে আনে।
এবি'র জন্মদিনে বিউগল রেষ্টুরেন্টে সুবেদার আলী
সুবেদার আলীর শরীরটা থরথর করে কাঁপছে। শরীর বললে ভুল হবে। কাঁপছে তার দুই গ্যালন সাইজ ভুড়িটা।
জীবনে এই প্রথম তার এরকম কোন জায়গায় আসা। তার নিজের কখনো সুযোগ হতো না যদি হাতেম তাকে এই সুযোগ না দিত। হাতেম তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী। একই মেস ঘরে থাকে দুজনে। বিউগল রেষ্টুরেন্টে কাজ করে হাতেম। ভালোমন্দ খাবার সুযোগ হলেও হাতেমের দিন কাটে হয় মুলার ঝোল নয় শশার ঝোলের তরকারি আর বড়জোর একটা ডিম। সুবেদার মেট্রিক পাশ। হাতেমের চেয়ে শিক্ষিত। কিন্তু খাবার দাবারে দরিদ্র। কারণ সে একটা গুদামে বস্তা গুনার কাজ করে। হাতেমের কাছ থেকে খাবার দাবারের গল্প শুনতে শুনতে অবিশ্বাস্য লাগে তার। কোন কোন বেলায় নাকি দুইশো পদের খাবারও সাজানো থাকে ওখানে। তার নাম বুফে। এত খায় কেমনে? এমনকি তার দুই গ্যালনের পেটের মধ্যেও বড়জোর বিশ পদ ঢুকানো যাবে ঠেসেঠুশে।
ধূসর গোধূলিঃ দুরন্তপনা
ভোরের প্রথম আলোর ছোঁয়ায় প্রকৃতি জেগে উঠছে নতুন করে। আশপাশের গাছপালা তার সবুজ রঙ ছড়াতে শুরু করেছে মাত্র। সকালের চমৎকার এই ঠান্ডা আবহাওয়ায় প্রাণটা জুড়িয়ে যায়। সূর্য্য ওঠার আগের এই সময়টাতে বেড়াতে ভীষণ ভাল লাগে বকুলের। শ্রাবণের আকাশের মত মেঘের ঘনঘটা আর দিনভর ঝুম ঝুম বৃষ্টি এখন আর দেখা যায়না, তবে শেষরাতে যে হালকা বৃষ্টি হয়ে গেছে প্রকৃতিতে তার রেশ রয়ে গেছে এখনও। আশেপাশের গাছপালা আর ঝোপঝাড়গুলো এখনও ভেজা, অনেকটা সদ্য স্নান শেষে গ্রাম্য কিশোরীর ভেজা চুলের মত। প্রতিদিনের মত আজও খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠেই মন ভাল হয়ে গেল ওর। এই নির্মল ঠাণ্ডা বাতাসে রোজই বেড়ানো হয় তবুও সবসময়ই যেন নতুন করে অনুভব করে এই স্নিগ্ধ সকালটাকে, কখনোই পুরনো লাগে না। ঘর থেকে বেরিয়ে উঠানে এসে দাঁড়াল বকুল। বড় রাস্তার দিকে দৃষ্টি পড়তেই দেখতে পেল অনেকগুলো চাই হাতে মন্টুমামা ভিতর বাড়ির দিকে এগিয়ে আসছে। বকুল পুকুরের ঘাটে গিয়ে বসল, মন্টুমামা কাছাকাছি আসতেই দেখল প্রতিটা চাইয়েই ভাল পরিমাণ মাছ আটকা পড়েছে। বকুলকে দেখে মন্টু বলে উঠলো,
-কি ছোডো বুড়ি, উইঠা পড়ছ?
-হুম, আইজ অনেক মাছ উঠছে তো মন্টু মামা!
-আইজ কয়ডা বেশী মাছ পাইলামরে মা