ইউজার লগইন
ব্লগ
প্রতারণার গল্প
১.
সেবার মৎস্যকন্যা আর আমি পুরো দক্ষিণ উপকূলটা চষেছিলাম একসাথে। মৎস্যকন্যা আমাকে ৭ দিন পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা করে সময় দিয়েছিলো। আমরা সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে সবচে' বেশি ঘুরেছিলাম। পানি ছেড়ে ডাঙায় উঠলে মেয়েটি দিব্যি আমাদের মতো মানুষ হয়ে যেতো। ওর পুরো শরীর রঙিন মখমলের পোশাকে ঢাকা থাকতো। আর গরম ধোঁয়া ওঠা চাএর ফ্লাস্ক মাঝে মাঝে আমাদের আনন্দ হাজার গুণ বাড়িয়ে দিতো। আমরা দু'জন অরণ্যের নিশ্ছিদ্র টুপ-টাপ শব্দের মধ্যে বসে ধূম্রশলাকা সহযোগে চা পান করতাম। ফেরার দিন অর্ধমানবী সাগরে হারিয়ে যাওয়ার আগে আমায় বলেছিলো, আবার নাকি দেখা হবে!
২.
কিন্তু মহানগরীর প্রতি প্রেম ধীরে ধীরে বাড়ছিলো আমার। কোনোদিন যদি আর মৎস্যকন্যার সঙ্গে দেখা নাও হয়, তাহলে কি হবে জানতাম না কিন্তু নিশ্চিত জানতাম যে, মহানগরীর সঙ্গে দেখা না হলে খুব-ভীষণ মন খারাপ হবে। তাই পাহাড়ের নির্লিপ্ততম কোণের নির্জন কুটির ছেড়ে ছুটে এসেছিলাম দূষিত শব্দের সাথে দূষিত পানি দিয়ে দূষিত বাতাস মেশাতে। ওই কুটিরের দিকে তর্জনী রেখে মৎস্যকন্যা জানতে চেয়েছিলো, থাকবে আমার সাথে এখানে?
৩.
ইবলিশ
মাঝে মাঝে ইবলিশের মতো অহঙ্কার হয় আমার
মাঝে মাঝে কাউকে নিয়ে যেতে ইচ্ছে করে ধ্বংসের দিকে
যখন যে যেভাবে পারে পালায় চারদিক
তখন আমার অসভ্য অহঙ্কার সুরঙ্গ খোঁড়ে
আমি হামাগুঁড়ি দিয়ে এগুই সাপের মতো....
লকলকে নরকের মতো...
হীম অন্ধকার রাতের মতো...
অথবা... আগাগোড়া অলক্ষ্য অক্টোপাশ
যে খুবলে নেবে, খামচে নেবে, কামড়ে নেবে
পঙ্কিল তবু পবিত্র এই প্রাণ........
(২৭.০৭.১৩/কৃতজ্ঞতা: সায়িদ জুবেরী)
রাজনীতি, পেটনীতি , পেশীনীতি ও বড়লোকের নীতি!
শিরোনাম দেখে টেনশন নিয়েন না কেউ, এইটা অতি সাধারণ দিনলিপি ঘরনারই পোষ্ট। রাজনীতি নিয়ে তথ্যভিত্তিক জ্ঞানগর্ভ পোষ্ট লেখার বিদ্যে আমার ছিল না কোন কালেই। রাজনীতি ও ইতিহাস নিয়ে পড়তে ভালো লাগে তা নিয়ে সর্বোচ্চ চায়ের দোকানেই আলাপ করি এর বাইরে আমার রাজনীতি করার কোনো চেষ্টা নাই। মাঝে মধ্যে প্রেস ক্লাবে বা শাহবাগে মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছি, মিছিলের আগে বাম নেতাদের বক্তব্য শুনেছি এতটুকুই আমার রাজনৈতিক অংশগ্রহন বলা চলে। এর বাইরে মোহাম্মদপুরের এক চিপায় দিনের পর দিন বসে বসে আড্ডা পিটানোর কারনে সেখানকার রাজনীতির হাওয়া বাতাস সমন্ধে জানি। আর পত্রিকার পাতায় দেশ নিয়ে দুঃসংবাদ পড়ে টেনশন নেই নিজে নিজে তারপর ভুলে যাই এই করেই চলছে। তাও আমি আজ লিখতে বসলাম ইদানিংকালের নিজের চোখে দেখা পাড়া মহল্লা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে!
ছড়া - ১
হে মেয়েরা, চুপ কর !
চুলাচুলি বন্ধ্ কর ।
কুত্তাগুলো সামাল দিয়ে,
শান্তির ভিৎ গড় !
কথা বড় বেশি ক’স,
ফেরেস্তাতো কেউ ন’স,
দাঁতে নখে খুন মেখে,
ঊপদেশ কারে দ’স !
তুইও ভালা, হে ও ভালা,
এই হইলো বড় জ্বালা,
দুইজন তো্রা চইলা গেলে,
হেইটা হবে আরো ভালা !
দু’জনেই নাকি ভালা চাস,
কার ভালা আল্লা জানে,
দেশের যদি ভালা চাস,
চলে যানা জানে মানে !
দেশ থাকুক শান্তিতে
মানুষ থাকুক ভালো,
ঊপড়ে গিয়ে তোদের নাহয়
একটু আধটু কষ্ট হলো !
সবতো দিলি তো্রা দু’জন,
বাপ-ভাই-স্বামী, আর কি দিবি !
এবার নাহয় শেষ ঘরে যাই,
জন্মের মতো থিতু হবি !
যোগাযোগ
জনাব যোগাযোগ মন্ত্রী,
আমাদের ফেসবুক জীবন আগের মতো হলে বা আমরা ব্যবহারকারীরা যা ভেবে ফেসবুকিং করি সেরম হলে এই চিঠির কোন মুল্য থাকত না, এই চিঠি আমি লিখতাম ও না। এখন ফেসবুকের প্রতিটি শব্দ অনেক মূল্যবান, অনেক প্রতিক্রিয়াশীল। তাই আমি আশা করব এই চিঠি আপনার নজরে পড়বে এবং আপনি একটু ভেবে দেখবেন। যদিও এই চিঠির কথা গুলো আমার কিন্তু আমি হ্লফ করে বলতে পারি, এর প্রতিটি শব্দ আরও হাজারো ঢাকাবাসীর কণ্ঠস্বর।
তৃতীয় শক্তি উত্থিত হয় রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যর্থতা, অসহযোগিতা ও অদূরদর্শিতার জন্য : রতনতনু ঘোষ
রতনতনু ঘোষ―প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট ও সমাজচিন্তক। তিনি ত্রিশ বছর ধরে দৈনিক পত্রিকায় নিয়মিত লিখছেন রাজনীতি, সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে। তাঁর প্রকাশিত প্রবন্ধের সংখ্যা সাত শতাধিক এবং প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা ৪৩টি। মানুষের স্বরূপ, স্বদেশ সমাজ সাহিত্য, রাজনীতিহীন রাজনীতি, মুক্তচিন্তা, বিশ্বায়নের রাজনীতি, ভাষা-আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ। তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ- নোবেল বিজয়ীদের নির্বাচিত প্রবন্ধ, উত্তরাধুনিকতা, বহুমাত্রিক বিশ্বায়ন, পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র : স্বরূপ সংকট সম্ভাবনা, ৩৪ নোবেল বিজয়ীর সাক্ষাৎকার। পেশাগত জীবনে অধ্যাপনা করছেন। সম্প্রতি বিভিন্ন বিষয়ে রতনতনু ঘোষ-এর সঙ্গে কথা বলেছেন―শফিক হাসান
আপনি দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি করছেন। দৈনিক পত্রিকায় সমকালীন সমস্যা বিশেষত রাজনীতি নিয়ে ইত্তেফাক, ভোরের কাগজ, যায়যায়দিনসহ বিভিন্ন সাপ্তাহিকে লিখে চলেছেন। তাতে কি বাংলাদেশের রাজনীতির কোনো গুণগত পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন?
স্মৃতির পাতায় ১৩ই সেপ্টেম্বর
আজ সেপ্টেম্বরের ১৩ তারিখ।
এই দিনটার অনেক গুরুত্ব আছে আমার কাছে। সেটা পরে বলছি।
নিউয়র্কের সংক্ষিপ্ত গরমকাল প্রায় শেষ বলা যায়। এখন আর শুধু টি শার্ট পরে বাইরে বের হওয়া যায়না। দিনের বেলায় নরম রোদ, আরামদায়ক উষ্ণতা। বেলা পড়তে শুরু করলেই শীত অনুভব করা যায়। আরো বুঝতে পারি যখন দেখি হাত পা শুকনা আর খস্ খসে লাগে, লোশন মাখাতে হয়। রাতের বেলায় আর এ,সি চালাতে হয়না। ফ্যান না হলেও ঘুমানো যায়। বারো মাস লেপ গায়ে দিয়ে ঘুমা্নোর অভ্যাস আমার। শীতে তো দিতেই হয় আর গরমকালে এ,সি / ফ্যানের ঠান্ডা বাতাসে লেপ মুড়ি দিয়ে ঘুমানোর মজাই আলাদা।
আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন
একটি গল্প দিয়ে শুরু করি।গ্রীক পুরাণের খুব বিখ্যাত এক গল্প।ইকো ও নার্সিসাস এর গল্প...
“অনেক অনেক দিন আগে নার্সিসাস নামে এক যুবক ছিল।সে ছিল এক দেবতার পুত্র।রূপ মাধুর্যে সে ছিল অতুলনীয়।তার রূপে মুগ্ধ হয়ে অনেক নারী তার প্রেমে পড়ে গিয়েছিল।কিন্তু সে কাউকেই প্রেমের আহবানে সাড়া দেয়নি।
একদিন নার্সিসাস তার বন্ধুদের সাথে বনের মাঝে শিকার করতে বের হয়।একটি হরিনের পেছনে ছুটতে ছুটতে সে একটি জলাধারের কাছে এসে থামে। সে খুব তৃষ্ণার্ত ছিল তাই সেই জলাধারের পানি পান করার জন্য নিচু হয়।সে তখন জলাধারের স্বচ্ছ পানিতে প্রথমবার নিজের অপরূপ প্রতিবিম্ব দেখে সব কিছু ভুলে অপলক নয়নে চেয়ে থাকে।
এদিকে ঐ জলাধারে ইকো নামে এক জলপরী বাস করত দেবতার অভিশাপে যে নিজ থেকে কিছু বলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিল।সে শুধু যা শুনত তাই বলতে পারত।অর্থাৎ প্রতিধ্বনি করতে পারত।
জলপরী ইকো রূপবান নার্সিসাসকে দেখে ভালবেসে ফেলে।কিন্তু সে অভিশাপের কারণে কথা বলে তার ভালবাসা প্রকাশ করতে পারে না।সে তার ভালবাসা প্রকাশের অনেক চেষ্টা করেছিল।কিন্তু নার্সিসাস নিজেতে এত বেশি মগ্ন ছিল যে সে সেদিকে ভ্রুক্ষেপও করেনি।
কোলাহলের দিনরাত্রী!
জানি না লিখতে পারবো কিনা তাও চেষ্টা যদি লিখে ফেলতে পারি।।। মনিটর নষ্ট একদম তাই নতুন ল্যাপটপে লিখছি নানাবিধ টুকটাক সমস্যা তো লেগেই আছে, তার ভিতরে লেখার জন্য এই চেষ্টাটা করছি। লিখতে আসলে আমার খুব ভালো লাগে, ভালো লিখতে না জানলেও।। অল্প বিদ্যে যেমন ভয়ংকরী তেমনি আমার এই টুকটাক ব্লগ লেখার জন্য চেষ্টা আরো ভয়ংকরী। সেই কবে শেষ লিখেছিলাম তারপর আর লেখাই হলো ্না। কতদিন মোবাইল দিয়ে লেখার চেষ্টা করছি কিন্তু এক প্যারা লিখে আর ইচ্ছা করে নি কারন মোবাইলটার বয়স হয়ে গেছে সন্দিহান ছিলাম লেখা শেষ করতে পারবো কিনা! আর এখন আর সেই আগের মতো বেগার খাটতে ইচ্ছা করে না। যা লিখতে চাই তাই লিখতে না পারলে লেখার কোনও মানে হয় না। সাইবার ক্যাফেতেও একদিন বসছিলাম কিন্তু শ্যালকদের অভ্র নাই তাই আমারও লেখার মন উঠে গেল। অবশ্য বাড়ী থেকে এসে সেমিস্টার ফাইনাল নিয়ে ছিলাম তারপর বন্ধু নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম কিন্তু প্রতিটা দিনের শেষে মনে পড়তো লেখার কথা।। গরীবের ঘোড়া রোগ আর কি! আজ পাওয়া গেল যোগার যন্ত্র রাতে বসে গেলাম লিখতে এ যেন ঈদের খুশী!
সংগ্রামের ঐতিহ্যয়ের ১৭ই সেপ্টেম্বর, মহান শিক্ষা দিবস।
১৭ই সেপ্টেম্বর ১৯৬২ সাল, পাকিস্তানি শাসন, শোষণ, শিক্ষা সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে লরাই করতে গিয়ে শহীদ হন মোস্তফা, ওয়াজিউল্লা, বাবুলসহ নাম না জানা অনেকেই। তাই আমরা তাদের স্মরণে পালন করি "শিক্ষা দিবস"
অবদমন
"এমন সুন্দর মেয়েটাকে এইভাবে কেউ মারে" কান্না শুনে পাশের মসজিদ থেকে হেঁটে এসে মৌলভিসাহেব বললেন : বাবা, কাউকে মুখে মারতে হয় না, মুখটা আল্লাহ নিজের হাতে তৈরি করেন।" ঘাড়গোঁজ করে দাঁড়িয়ে থাকা পুরুষের রোষ তখনও কাটে নি, হাতের কঞ্চি এলোমেলো পাশের পুঁইলতার উপর চালিয়ে মাথানিচু করে ঘরের দাওয়ায় গিয়ে বসে।
মৃতপ্রায় দিগন্তজোড়া
বলা হতো যখন দিগন্ত ঢেকে যেতো তীব্র শীতের সাদা বরফে, তখন রাতের আধারে নেমে আসতো বর্বরতার দেবতা। লুটে নিতো লুটেরা, হত্যা করতো গ্রামের পর গ্রাম, তরুনী কিশোরী নির্বিশেষে হতো ধর্ষিত নিজের আপনজনের সামনে। এভাবে যখন প্রতিটা শীতে একের পর এক গ্রাম জ্বলে ন গরীর লোকালয়ে পা রাখে তখন ছোট রাজকন্যা বিমর্ষ রাজার কানে একটা বুদ্ধি এটে দেয়। বলে এমন একটা দূর্গ বানাতে যার মধ্যে ঢুকলে শত্রুরা পথ হারিয়ে ফেলবে, হীতাহীত জ্ঞান হারিয়ে যুদ্ধ করার সমর্থ খোয়াবে। পাহাড়ের ওপর বিশাল এক গোলকধাঁধার দূর্গ।
এভাবেই শতকের পর শতক প্রাগের দূর্গ সুরক্ষিত করে আপন লোকালয়, জনমনে এনে দেয় স্বস্তি। প্রবল শীত গুটিগুটি পায়ে এগুচ্ছে আমার জানালার শার্ষিতে আর আমি ঢুলুঢুলু চোখে আকিবুকি করি কুয়াশা ঢাকা কাচে। অবিচ্ছন্ন অবসর আমার, তাই বাসায় ফোন করবার ভুলটি করে বসি।
: সকালে খেয়েছিস?
: হ্যা।
: ঠান্ডা কেমন পড়েছে?
: এখনও তেমন না।
: হাতে টাকা পয়সা আছে? ভালো জ্যাকেট?
এমন যদি হত
ঊনিশ তলার উপর থেকে কোন কিছুই স্পষ্ট দেখা সম্ভব না, অথচ আমি ওকে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। রিক্সা থেকে নেমে রাস্তা পার হচ্ছে,ওর এক হাতে সিগারেট আর অন্য হাতে কাঁধে ঝোলানো ব্যাগের বেল্টটা ধরা।আজ ও হলুদ টি-শার্ট টা পরে এসেছে,সাথে ওই সবুজ প্যান্টটাও।এই পোশাকে অনিকে দেখলেই তো হাসি পায়।সেদিন লাইব্রেরী রুমে পড়ছিলাম আমি,অনি,রোমেল আর নিশা।এদের মধ্যে পড়ার মত পড়ছিল শুধু নিশাই।বাকি তিনজন ছিলাম হুমায়ূন আহমেদের টি-মাস্টার হয়ে।এই নামটা আমার দেয়া না,নিশার দেয়া।প্রায় প্রতিদিনই আমরা একসাথে পড়তে বসি,নিশা পড়ে আর আমরা যথারীতি ফাইজলামি করি যার ফলস্বরূপ আমাদের এই নাম দেয়া হয়েছে।জীবনে কিছু করতে না পারলেও হুমায়ূন আহমেদ স্যার এর তিনটা চরিত্র তো হতে পেরেছি!
ওইদিন অনি বেশ ফানি মুডে ছিল আর বলির বাখড়া ছিলাম আমি।টপিক টা না হয় বাদই দিলাম!সেদিন ও কেন এত এক্সাইটেড ছিল সেটা বোঝা যাচ্ছিলনা।হঠাৎ রোমেল বলে উঠল, “অনি তোমার ঘাড়ে কিসের দাগ?”বলা বাহুল্য রোমেল ছেলেটা কথাবার্তা কম বলে,নীরবে উপভোগ করাটাই বোধ হয় ওর নীতি।সবাই ওকে তুই করে বললেও রোমেল সবাইকে ‘তুমি’ সম্বোধন করে।
ভাঙ্গা মন নিয়ে তুমি, আর কেঁদোনা
তুমি কখনো পুর্নিমার রাতে বৃষ্টিতে ভিজেছো? ছাদে দাঁড়িয়েতো বৃষ্টিতে ভিজেছো, তাই না? তখন কি রাত ছিলো? খোলা আকাশের নীচে, পূর্নিমা বা অমাবস্যায়? হয়তো লোডশেডিং ছিলো। অথবা ছাদে নও, খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজেছো। তোমার চুল বেয়ে পানি মিশে গিয়েছিলো ধরনীতে। আচ্ছা, সেদিন কি তোমার মনে খুব কষ্ট ছিলো? তোমার বুকের ভেতর কিছু কি পাক খেয়ে উঠছিলো? আচ্ছা, তুমি কি সেদিন কাঁদছিলে?
"আমার গল্প শুনে কারো চোখে করুনা জল যদি আসে
ভীষন দুঃখ পাবো, আমিতো রয়েছি সুখে এক বুক বেদনা নিয়ে"
- তপন চৌধুরী
তুমি কি আঙ্গুলের ফাঁকে আঙ্গুল গুঁজে দেয়ার মানে জানো? তুমি কতখানি গুনতে পারো? কখনি কি চেষ্টা করেছো জলপ্রপাত হয়ে ভেসে যেতে? পড়ন্ত বিকেলে কি বাঁশির সুর তোমায় পাগল করে? অথৈ জোছনা না জোনাকিপোকা? রাত গভীর হলে কার ছায়া খুঁজো তুমি?
নিঝুম রাতের আধারে, জোনাকিরা মিটিমিটি জ্বলে
তুমি নেই আজ, আমি শুধু আছি, একা বেঁচে আছি
- অবসকিউর
