ইউজার লগইন
ব্লগ
ঝড়ের পর ধুলি মুক্ত নির্মল আকাশ চাই না
এমনি ঈদের পর এখন পর্যন্ত সকল শ্রমিক কাজে যোগদান করেনি। বিশেষ করে কোরবানির ঈদের পর আমাদের দেশে শ্রমিকরা কম পক্ষে ১০-১৫ দিন দেরি করে কাজে আসে। বিশেষ করে নির্মাণ শ্রমিকরা। আমার এক বস এ প্রসঙ্গে বলেছিলেন, আমাদের দেশের শ্রমিকরা প্রথমে কোরবানি গোস্ত খায়, তারপর হাড় খায়, তারপর পায়ের খোড়া খায়, সর্বশেষ পকেটের টাকা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাজে আসে না। আজ আমি হাড়ে হাড়ে তা টের পাচ্ছি।
পিরামিড প্রাচীনতা
২৫.১০.২০১৩
প্রগাঢ় স্বপ্নে তোমার অধরে এঁকে দিতে গিয়ে
একটি উষ্ণ চুস্বন,
আমি দ্বিধায় কুঁকড়ে উঠি যখন-
ভেসে উঠে একটি হাহাশ্বাস-হায় জীবন!
লঘু জোনাকী অথবা নির্ভীক নারী
নক্ষত্রের ছায়াতলে নিবিড় করে
না পাওয়ার বেদনায় জ্বলে,
ডেকে নিয়ে সমূহ পতন-
বলে যায় মূঢ়তার সময়
বেড়াল ফাঁদে, মন যদি কাঁদে জানি
ভালোবাসাহীনতাই জীবন।
স্বাধীনতা মানে অনিঃশেষ নিঃসঙ্গতা
মরাল গ্রীবায়,
সর্পিণী সহোদরার প্রেমহীনতায়
খোঁজা জীবনের মানে
শীতরাতে ডুবে যাওয়া
পিরামিড প্রাচীনতায়...
মান্না দে
গানের মানুষ মাটিতে তোমায় মানায় না
তবু যেতে হচ্ছে
সবাই যে পথ দিয়ে যায়
যাওয়াটাই সত্য, গানের মতো।
সুর দিয়ে পুড়িয়েছো বুকের জ্বালা
আগুন তোমাকে পুড়াবে কি করে।
কতো আগুন নিভিয়েছো তুমি
গানে আর সুরে।
যে আগুন পোড়াবে তোমায়
সে আগুনও প্রণাম করে নেবে আগে!
আগুন তোমায় পুড়াতে পারবে
আগুন পারবে না তোমার গান পুড়াতে!
আগুন ফুরিয়ে যাবে
তোমার গান ছড়িয়ে আছে হৃদয়ে হৃদয়ে
তোমার গান ফুরাবে না কখনও,
তোমার গান পোড়ানোর আগুন সৃষ্টি হয়নি
পৃথিবীতে এখনও!
ঘুরে ফিরে আসার গল্প!
অনেক দিনের পর লিখছি। এত লম্বা বিরতিতে আমার লিখতে মোটেও ভালো লাগে না। তাও উপায় ছিল না। কারন প্রথমত, প্রিয় মোবাইল সেটটা নষ্ট আগে যে মোবাইলে লিখতাম তা বন্ধ এবার। দ্বিতীয়ত ল্যাপটপ নিয়ে গিয়েছিলাম তাতে লেখা যেত, কিন্তু বিধি বাম মামা এক্টার্নাল ইউএসবি কিবোর্ড নিয়ে যায় নি আর আমি ল্যাপটপের কীবোর্ডে লিখতেই পারি না। চেষ্টা করলাম বাড়ীতে কত- হয় না, বারবার এফএন টিপে লেখা আমার কম্ম নয়। তাই ল্যাপটপ দিয়ে খালি চার পাঁচটা সিনেমাই দেখলাম। ভেবেছিলাম এন্ড্রয়েড সেট দিয়ে লিখবো- কিছু দূর লিখে মনে হলো এর চেয়ে মাটি কাটার কাজে কম পরিশ্রম, তাই আর লেখা হলো না। ব্লগে নতুন দুয়েকজন ব্লগার দেখলাম। দেখে ভালো লাগলো। কিন্তু এবির যা সমস্যা তাই থেকে যায়- পোষ্ট পড়ার লোক নাই। যখনই দেখছি বারবার- লোকজন নাই তখনই মন চায় একটা পোষ্ট লিখে ফেলি যা ইচ্ছে তাই। কিন্তু নিরুপায় তাই শুয়ে বসে দেখা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। তাই ঢাকায় বিকেলে নেমেই রাতের বেলা এই পোষ্ট লিখছি, নিজের ঘুরাঘুরির ফিরিস্তি জানাতে!
ধূসর গোধূলিঃ মায়া
সুবল বাড়িতে ঢুকে মাকে খুঁজতে লাগলো। বড় ঘর, পাকের ঘর, ঠাকুর ঘর, কোথাও মাকে খুঁজে না পেয়ে শেষমেশ গোয়ালঘরের পাশে এসে পেল। ওখানে দাঁড়িয়ে ভাসানির মা’র গোবর দিয়ে ঘুটে বানানো তদারকি করছে।
-তুমি এইহানে? তোমারে কত জায়গায় খোঁজ করলাম!
-ক্যান বাবা, কি অইছে? একবেলা মা’রে দেখতে না পাইয়াই এত অস্থির হইলি, আমি না থাকলে কি করবি?
-দূর, তুমি কি যে কও না! তুমি আবার কই যাবা? মা ক্ষিদা লাগছে, খাইবার দাও।
-একটু দাঁড়া বাবা, এই ঘুইটে কয়ডা বানানো শ্যাষ হউক।
সুবল ডানদিকে তাকিয়ে দেখল গোয়ালঘরের পাশের বড় নালাটার মধ্যকার কচুরীপানা আর নল খাগড়ার ঝোপের মাঝ দিয়ে কাকু গরুর জন্য ঘাসভর্তি ডোঙ্গাটা বাড়ির কিনারে ভিড়াচ্ছে। শুকনো মৌসুমে পানি শুকিয়ে গেলে এই নালায় অনেক মাছ পাওয়া যায় আর এখন বর্ষার সময়ে পাশের জমিগুলোর সাথে মিলেমিশে কেমন একাকার হয়ে আছে! সুবল ছুটে গিয়ে পাড়ে দাঁড়ালো।
-কিরে ব্যাডা, খালি বাড়ি বইয়া থাকলে অইব? কাম করন লাগব না? হাসতে হাসতে বলে তারাপদ
-আমি তো এহন স্কুল থেইক্যা আইলাম আর আমি কি এইগুলান পারি? বড় হইয়া নেই, দেইখো তোমার মতন সব পারুম।
নন্সেন্স গল্প
ননসেন্স গল্প
by oviking on 12:36 PM, 20-Oct-13
প্ থিবীর সবচেয়ে ছোট,সুখী হওয়ার গল্প।
একদেশে ছিলো এক ছেলে আরেক মেয়ে।ছেলেটি একদিন মেয়েটিকে বললো,তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?মেয়েটি বললো,না।
অতঃপর ছেলেটি সুখে শান্তিতে দিন কাটাতে লাগালো।
ইংরেজিতে কিছু ছড়া আছে যেগুলোকে ননসেন্স রাইম বলে।হাম্পটি ডাম্পটি,ব্যা ব্যা ব্ল্যাক শিপ এই টাইপ আর কি!আমাদের বাংলাতেও ননসেন্স রাইম আছে।হাট্টি মা টিম টিম এই টাইপের একটা ছড়া।
ননসেন্স রাইমের মতো ননসেন্স গল্প কি লেখা যায় না?যেগুলো পড়লে কোন টেনশন বা বিরক্তি বা রাগ কিছুই থাকবে না।নির্মল আনন্দই যার উপাদান।
উপরের গল্পটা একটা ননসেন্স গল্প।হাসি না আসলে করার কিছু নাই।
নন্সেন্স গল্পএর ধারণাটা আসে হুমায়ুন আহমেদ এর একটা বই পড়ার সময়। ঐ বইটাতে নন্সেন্স রাইম সম্পর্কে বলা হয়েছিলো । রম্য গল্পগুলোর সাথে নন্সেন্স গল্পের একটা তফাত আছে। রম্য গল্পগুলোতে হাসি মশকরার মাধ্যমে একটা মেসেজ দেয়ার চেষ্টা থাকে।কিন্তু নন্সেন্স গল্প গুলো পুরোপুরি নন্সেন্স। এর কোন সাহিত্য মূল্য নেই। শুধু নির্মল আনন্দের উপাদান থাকবে এতে।
জানোয়ার !!!!!
বাইরে বেশ জোরেশোরেই ব্ ষ্টি পড়ছে।কোন কুক্ষণে যে আজকে বের হতে গিয়েছিলো শোয়েব।সব দোষ নিশাতের।সকাল থেকেই গুড়ি গুড়ি ব্ ষ্টি পড়ছে।তার উপর দুপুরের দিকে কালো মেঘের গুড়ুম গুড়ুম বেড়ে গিয়েছিলো।ভেবেছিলো আপার খালি বাসাটাতে সারাটাদিন ঘুমিয়ে আর সিনেমা দেখেই কাটিয়ে দিবে ও।না!তা আর হলো কই?
দুপুরের খাবার পর একটা মুভি চালিয়ে মাত্র বিছানায় পিঠটা ছোয়ালো এমন সময়ই ফোনটা বেজে ওঠলো।ডিসপ্লেতে নিশাতের নাম দেখে তাড়াতাড়ি রিসিভ করলো শোয়েব।
এই শোন,বিকেলবেলা কি তোর কোন কাজ আছে?
না,নেই।আর থাকলেও তোর জ্বালায় কি আর কাজ করা সম্ভব।এখন বল কি করতে হবে?
রিকশায় ঘুরতে ইচ্ছা করছে খুব।বিকেলে একটা রিকশা নিয়ে আমার বাসার সামনে এসে পড়িস।
আমি রিকশা আনতে পারবো না।টাকা নাই।রিকশা ভাড়া তুই দিলে আনতে পারি।
এহ।এমনভাবে বললি যেনো আমি রিকশাভাড়া দেই না।ক্যাম্পাস থেকে তোর বাসায় যাওয়ার ভাড়া কে দেয়?
আচ্ছা আচ্ছা ।ঠিক আছে।এখন অফ যা।বিকেল কয়টায় আসতে হবে?
চারটা সাড়ে চারটার দিকে এসে পড়িস।
ওকে।আসবো।
একাই গেলো
আগুনরঙা গোধূলি শেষে সন্ধ্যার ভেতর যে এতো হাহাকার থাকে
সে তো বোঝাই হতো না, যদি তুমি পৃষ্ঠা পাল্টানোর মতো করে না পাল্টাতে!
চুলের ছায়ায় ছায়ায় সন্ধ্যা আসতো, এসে ভোরে পৌছে যেতো কখন,
টের পেতাম না! এখন সবই টের পাই, সময়ের মাঝে গভীর একটি শূন্যতা,
বাতাসে বাতাসে দোলে দীর্ঘশ্বাসে দীর্ঘ রাত্রি!
কি কারণে চলে যেতে হলো, কি ভেবে কোন দিকে চলে গেলে পথ,
কিছুই জানা হলো না বিস্তারিত। কি নাম রেখে গিয়েছিলো মনে পড়ছে না তাও!
শুধু শরীরে লেগে থাকা শরীরের ঘ্রাণ রয়ে গেছে, ঘ্রাণটুকু ধুবো কোন পুকুরে বলে গেলো না!
যাবেই যখন একা কেনো? তবু,
একলা গেলো, একাই গেলো, আমাকে নিলো না!
একটি পাঞ্জাবীর আত্মকাহিনী
‘জন্মই যার আজন্ম পাপ’
কথাটা কে বলেছেন জানিনা,তবে এই কথা আমার প্রায়ই মনে হয় যখন পকেটে রান্নাঘর থেকে চুরি করা দিয়াশলাই কিংবা সিগারেটের প্যাকেটের আশ্রয় হয় খুবই যত্ন সহকারে।সেটা লাইটারের স্থান হলে তো বেশ ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়।অবশ্য এগুলো শারীরিক চাপ।মানসিক চাপ টা এর চেয়ে অনেক বেশী ভয়ংকর।পূজার দিনে আমাকে উদ্দেশ্য করে অনেক কথাই বলা হয় যখন আমার মালিক মুসলিম।আবার ঈদের দিন একই ঘটনা ঘটে সত্ত্বাধিকারী সনাতন ধর্মাবলম্বী বলে।অথচ জন্মের সময়ত কেউ আমার ধর্ম বিবেচনা করেনি।আমার জন্মদানে অবদান তো সবারই আছে।যিনি ডিজাইন করেছেন তিনি হয়ত খ্রিস্টান,শরীরটা যিনি তৈরী করেছেন তিনি মুসলিম, আবার আমার আকার দানকারী হিন্দু।আমি জানিনা কে কোন ধর্মের,তবে সবাই আমার জন্মদাতা-জন্মদাত্রী।
শিরোনাম পাই নাই গল্পের...কেউ একজন একটা নাম দিবেন প্লিজ ।
রাস্তায় বের হয়ে হন্তদন্ত করে হাটছি।হল থেকে বেরোনোর পর সামনে অন্যদিনের চেয়ে বেশি বন্ধুদের দেখা পাচ্ছি।আজ যেনো সব শালা একসাথে বাইরে বেড়িয়েছে।তড়িঘড়ি করে হাটার কারণ জিজ্ঞেস করছে সবাই আর উত্তর দিতে দিতে আমার অবস্থা খারাপ।সবাইকে, "দোস্ত পরে কথা বলতাছি।একটু দৌড়ের উপর আছি"এই কথা বলতে বলতে ছুট লাগাচ্ছি।সামনে কোন খালি রিকশাও পাচ্ছি না।ধুরর!!!
এতো হন্তদন্ত হয়ে ছোটার কারণ আর কিছু না,একটা ফোনকল।তানির ফোন!!!এই ফোনকল প্রধানমন্ত্রীর ফোনের থেকেও বেশী জরুরি আমার কাছে।ফোন রিসিভ করতেই ও বললো তাড়াতাড়ি চলে আয়?আমি বললাম কৈ আসমু?ওপাশ থেকে উত্তর আরে গাধা ক্যাম্পাসে আয়।
সামনে একটা খালি রিকশা!লাফ দিয়ে রিকশায় চড়েই বললাম,মামু চলেন!রিকশাওয়ালাও বেশ উৎসাহের সাথে সাথে পেডেল মারতে লাগলেন।ক্যাম্পাসের মেইন গেটের কাছে আসতেই তানিও ঐ রিকশায় চড়ে বসলো।রিকশাওয়ালার প্রতি নির্দেশ ,ঐ রিকশা কাজী অফিস চলো।
আরে একটু আগে এই লোকটারে মামু ডাকছি।একটু সম্মান দেখা লোকটার প্রতি।
তোর মামু,সম্মান তুই দেখা গাধা।
তা কাজী অফিসে যামু কেন?
বিয়ের জন্য।
কি কস।এতো তাড়াতাড়ি বিয়া করার দরকার কী?আমার তো এখনো চাকরি হয় নাই।
ধূসর গোধূলিঃ কোটাখালীর বাঁকে
স্কুলে যাওয়া শুরু করার পর থেকে অয়নের ছোট্ট জীবনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। এতদিনের চেনাজানা ক্ষুদ্র গন্ডিটা বড় হতে শুরু করেছে ডালপালা ছড়িয়ে। ওর পরিচিত মানুষের তালিকায় যোগ হচ্ছে অনেক নতুন মুখ। স্কুলে বন্ধুদের সংস্পর্শে এসে এই সময়টুকু কখন যে শেষ হয়ে যায় টেরই পায়না! বড় ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রীরা ওকে নিয়ে আড়ালে নিজেদের মধ্যে বলাবলি করে, ও ঠিকই শুনতে পায়। তখন মা’র কথা খুব মনে হয়। মনে আছে ও যেদিন প্রথম স্কুলে এলো, মা ওকে কাজল পরিয়ে দিয়েছিলেন। ছোটদির একটা কাজলদানি আছে, পিতলের। দুইদিক দিয়ে চাপদিয়ে ওটা খোলা ও বন্ধ করা যায়। মা কাজল পরিয়ে দিতে দিতে বলেছিলেন- ‘আমার বাছার যেন কারো নজর না লাগে’! সেদিন খুব সকালে উঠে ওর জন্য খেজুরের রসের পায়েস করেছিলেন, সেই পায়েস খেয়ে বাবার হাত ধরে স্কুলে এসেছিল ও।
ত্রিকালদর্শী, দুর্গতী নাশিণী মা
গতকাল ১৪ই অক্টোবর ২০১৩ খ্রীঃ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঢাকা থেকে দিনাজপুর এলাম ঈদের ছুটিতে। দুই ঈদে ঢাকা থেকে দেশের যে কোন যায়গায় যাওয়া যে কত কষ্টকর তা তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আজ ১৫ই অক্টোবর কখনও বৃষ্টি থেমেছে বলে মনে হয় না। অঝোর ও অবিরাম বৃষ্টি থামার কোন লক্ষণই দেখতে পাচ্ছি না।অনেকের বাড়ীর উঠোন এরই মাঝে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। সবকিছুকে উপেক্ষা করে মা দূর্গাকে বিদায় দিচ্ছে ভক্তরা।মা তুমি কখন কোন বাহনে ধরাধামে তোমার চরণ রাখ আমি জানিনে তবে যতটুকু জানি তুমি সর্ব সময় অবনী-ভক্তের কাছে আস হাসি মুখে। কিন্তু ত্রিকাল দর্শী মা যাবার সময় ভক্তদের ভবিষ্যত সুখ দর্শণে হাস, দুঃখ দর্শণে কাঁদ। মাগো, তোমার বিদায়ে তোমার ভক্তরা অশ্রুসিক্ত হবে এটাই তো স্বাভাবিক, কিন্তু এবার ভক্তদের চেয়ে তোমার কান্না এত বেশি কেন মা? তবে কি ত্রিকালদর্শী মা তোমার ভক্তদের ভবিষ্যত অমঙ্গল দর্শণে অশ্রুসিক্ত হয়েছ ?
তাই যদি হয় তবে মাগো তোমার অশ্রু জলে ভেসে যাক সকল অকল্যাণ। ত্রিকালদর্শী, দুর্গতী নাশিণী মা তুমি তো জান কোন কর্মে বা কিভাবে সকল অশুভ দূর হয়, আর তাই তুমি করাও তোমার ভক্তদের দ্বারা।
ঘুম অথবা ঘুমহীনতায়
কষ্টগুলো সোনালী র্যাপিংপেপারে মুড়ে রাখি সুস্বাদু চকোলেটের মতো।
রাত পুড়ছে জোনাকধরা হাতের মুঠোয় ।ঘরময় এই শীতলতা----- এক পশলা বৃষ্টির পরে।
দীর্ঘশ্বাসের দাগগুলো ধারাজলে মুছে গেলে চারপাশ ঘিরে থাকে নিঃসীম স্থবিরতা।স্থবিরতা?
নাকি মুমূর্ষার গন্ধ ভেসে আসে মাঝরাতের বেহালার মতো ক্লান্ত; বিধ্বস্ত !
নীলঅন্ধকারের বুক জুড়ে 'কুব', 'কুব' করে খুব ডেকে যায় নাম না জানা রাতজাগা পাখী।কে জানে কি যে ব্যাথার বৃষ্টি ঝরে তার পাখসাটে!স্রোতে ভেসে যায় তার কয়টা পালক
কি আশ্চর্য সমাসঙ্গ পাখী ও মানুষের!যেখানেসেখানে অগোচরে মায়ার পালক ছড়ানো
ধু-ধু তেপান্তরের মাঠে টগবগটগবগ সাদা ঘোড়া
পালিয়ে যাচ্ছে রূপকথার গল্প-কাহিনী।আর কোন ঠাকুরমার ঝুলি নেই।জিয়ন-কাঠি?নেই।
জীবন গুটিয়ে আছে কেন্নোর মতো; কুন্ঠিত।ম্রিয়মাণ।
কেন যে আধোঘুমের ভেতরে আচমকা ফালিজ্যোৎস্নার মতো এক চিলতে স্বপ্ন ঢুকে পড়ে
প্রথম প্রেমে মরে যাওয়ার গান - চিরকুট
গানটা এতই ভালো লেগেছে যে লিরিক্সটা শুনে শুনে লিখেই ফেললাম
গানঃ প্রথম প্রেমে মরে যাওয়ার গান
কথাঃ সুমি
ব্যান্ডঃ চিরকুট
একটু তোমায় নিলাম আমি
এক চিমটি মেঘে থামি
জলের ছিটেয় নিলেম পাগলামি
একটু তুমি বুকের ভিতর
বেপরোয়া শ্রাবণ ভাদর
ভাসাও ডোবাও তোমার-ই আমি।
মরে যাবো রে মরে যাবো,
কি অসহায় আমি, একবার ভাবো।
তোমাকে ছেড়ে যাবো কোথায়?
তোমাকে ছেড়ে কি বাঁচা যায় ?
মেঘের-ই ওই নীলে তুমি জীবন দিলে,
এ বড় সুন্দর জ্বালায় আমায়
মেঘের-ই ওই নীলে তুমি জীবন দিলে,
এ বড় নির্মম পোড়ায় আমায়!
একটু রাত ডুবে আসে
একটু আলো নীভে আসে
তুমি দূরে একা লাগে
মধুর ওই চাঁদটাকে
অ্যালুমিনিয়াম লাগে
হাঁটি আমি চাঁদ ও হাঁটে।
মরে যাবো রে মরে যাবো,
কি অসহায় আমি, একবার ভাবো।
ভালো লাগে না, লাগে না রে
বাঁচাবে আজ বলো কে আমারে?
বুঝিনা, জানিনা মেনেও মানিনা,
সে ছাড়া নেই আমি ঘোর আঁধারে,
এপারে ওপারে খুঁজি যে তাহারে
সে ছাড়া নেই আমি, চাই তাহারে।
একটু তোমায় নিলাম আমি
এক চিমটি মেঘে থামি
জলের ছিটেয় নিলেম পাগলামি
একটু তুমি বুকের ভিতর
বেপরোয়া শ্রাবণ ভাদর
ভাসাও ডোবাও তোমার-ই আমি।
স্বাধীনতার খোঁজ
স্বাধীনতাতেই জীবনের স্পন্দন অনুভব করা যায়।স্বাধীনতাতেই উন্নতি।নির্মল শুদ্ধ বাতাসকে কোন জায়গায় আবদ্ধ করে রাখলে তা দূষিত হতে বাধ্য।স্বচ্ছ বয়ে চলা পানিকে আটকে ফেলুন পানি দূর্গন্ধযুক্ত হয়ে যাবে।যারা যতো স্বাধীন তারা তত উন্নত।কারো স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা উচিত না।তাকে নিজের মতো বেড়ে উঠতে উৎসাহিত করুন।
যারা শৈশব বা বাল্যকালে ভালবাসা কম পায় তারা বড় হয়ে ভীতু ও পরাজিত মানসিকতার হয়।বাল্যকালে স্নেহ ভালবাসা পেলে মানুষ মানুষকে বিশ্বাস করতে শেখে।যে সব পরিবারের পিতা মাতারা নিজেদের সন্তানকে নিজের পথ চিনে নিতে বলে ,নিজের খেয়ালখুশি মতো গড়ে ওঠতে প্রেরণা দেন,প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি করতে সাহায্য করেন সে সব ছেলে মেয়েরা বড় হয়ে অনেক কিছু জয় করতে শেখে।এডিসনকে তার অভিভাবকরা জোর করে স্কুলে পাঠাতে চাইলেন কিন্তু এডিসন অন্য কাজে ব্যস্ত রইলেন।নিজের স্বাধীন ইচ্ছায় কাজ করতে থাকলেন।অভিভাবকের পীড়াপীড়িতে তিনি যদি স্কুলে যেতেন তাহলে হয়তোবা বড় একজন ডক্টরেট হতেন কিন্তু বড় বৈজ্ঞানিক হতে পারতেন না।