ইউজার লগইন
ব্লগ
গ্ল্যাডিয়েটর
আমাকে যদি ধরতে চাও
এসো যেথা সাফারির বন
আকাশ পাতাল ঘুড়ে বেড়াই
শুন্যে যে মোর আসন।
অশোক হয়ে ফুটি আমি
সাথে হাজার সাথি
বাঘ ভাল্লুক সিংহ মামা
আছে নানান জাতের পাখি।
ভ্যাম্পায়ার ও শকুনেরাও
বন্ধু আমায় মানে
মুগ্ধ আমি তৃপ্ত আমি
তাদের সুর ও তানে
ভুজঙ্গ আমায় আদর করে
সর্ব অংগ দিয়ে
যতই বলি ছাড় আমায়
ততই থাকে জড়িয়ে।
লতা পাতা গুল্ম যত
থাকে পাহাড়ায়
কেউ যদি ধরতে আসে
তাড়ায় হিংস্র ইশারায়।
হেথায় আমি চরম সুখী
নেই তো প্রাণের ভয়।
সভ্য নামের সমাজ টাতেই
আমার প্রাণ সংশয়।
অবনির হেথায় থাকি বন্ধু
প্রাণে বড় ডর।
এখানে আমায় ধরতে হলে
তোমাকে হতে হবে গ্ল্যাডিয়েটর।
তাই ধরতে হলে চলে এসো
এই সাফারি বনে
বল সাত সমুদ্দুর পারি দিয়ে
আসবে কত ক্ষনে।
সিরাজগঞ্জ
অক্টোবর,২৭,২০১৩খ্রীঃ 
টাপুর টুপুর
টাপুর টুপুর সকাল দুপুর,
পায়ে যেনো খেলছে নূপুর,
কালো আকাশ গোমড়া মুখ
প্রেয়সীর মনের কিছু দুখ।
দুঃখ সব ঝরিয়ে দেবো,
পথে ঘাটে প্রান্তরে
, চোখের সব পানি দিয়ে,
ঠাঁই নেবো ঐ অন্তরে।
শীত শীত ঠান্ডা বাতাস,
একটুখানি ওম,
মনে মনে ঝড় ওঠেছে,
কাঁপছে বুধের সোম।
টাপুর টুপুর সকাল দুপুর,
পায়ে যেনো খেলছে নূপুর,
কালো আকাশ গোমড়া মুখ
প্রেয়সীর মনের কিছু দুখ।
দুঃখ সব ঝরিয়ে দেবো,
পথে ঘাটে প্রান্তরে
, চোখের সব পানি দিয়ে,
ঠাঁই নেবো ঐ অন্তরে।
শীত শীত ঠান্ডা বাতাস,
একটুখানি ওম,
মনে মনে ঝড় ওঠেছে,
কাঁপছে বুধের সোম।
৫০ শব্দ চায়।আমি দিমু কই থাইকা।আর তো মাথায় আসে না। কি করি,আমি কি করি
:
দেখিবার মতন যদিও কিছুই নাই, তাও দেখিতে হয় ঈদে টেলিভিশন!
আমার বয়সী লোকেরা আর টিভি দেখে না, আমি কেন দেখি? কারন ভালো লাগে তাই। যে কারনে লোকজন বাংলা সিনেমা দেখে হলে বসে, সেই কারনে আমি টিভি দেখি। ছোটবেলা থেকেই টিভির পোকা ছিলাম সেই পোকাটা বুড়ো হয়ে গেলেও এখনো মাথায় বিদ্যমান। তাই দেখতে হয় টিভি কারন ভালো পাই। যদিও গত ১ বছর ধরে বাসায় টিভিকার্ড আছে ডিসের লাইন নাই তাই দেখতে পারি না কিছুই। তবুও বাড়ীতে গেলে টিভি দেখতেই হয় চাই বা না চাই! কারন বাড়ীতে আমার তেমন কোন কাজ নাই যে অন্য কিছু করবো। তাও দেখা যায় ডিস থাকে না, কারেন্ট থাকে না কত ধরনের প্রতিকূল অবস্থা। আর এবার নানু বাড়ী ছিলাম আড়াই দিন তাতেও ঠিকঠাক টিভি দেখি নাই। যদিও নানু বাড়ীতে টিভি দেখার খুবই সুব্যাবস্থা। আমি ঘরে ঢূকলেই সবাই চলে যায়। রিমোটের নিয়ন্ত্রন আমার হাতেই থাকে। তাও ভালো লাগে না। নিজের ঘর, নিজের প্রাইভেসী, নিজের আরাম মতো মায়ের হাতের অসাধারণ রান্না খেতে খেতে টিভি দেখার মজাই আলাদা!
যে
১.
দুপুরের দিকে মিডিয়াগুলোই নাটক পুরো জমিয়ে তুলেছিলো। একেকটা খবরের যা শিরোনাম, দেখলেই বার বার পিলে চমকাচ্ছিলো।
রাজধানী থমথমে, মানুষের মনে চাপা উতকণ্ঠা
মহানগরীর রাস্তা যেন ধু ধু মরুভূমি
নগরবাসী ভয়ে কাঁথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে খাটের কোণায়
রকমারী শিরোনাম। একেকটা রিপোর্টের ক্রেডিট লাইন চার-পাঁচজন করে রিপোর্টারের নাম। ভয় না লাগার কোনো রাস্তাই খোলা রাখে নি বাংলাদেশের মিডিয়াগুলো। সাধারণ মানুষের জানের পানি এখন যায় কি তখন যায়। এমন অবস্থা!
এত শিরোনামের ভিড়ে আমার চোখে পড়লো দক্ষিণাঞ্চলের কোনো এক জেলায় এক জামাত নেতা মিছিলের সময় হার্ট এ্যাটাকে মারা গেছে। একটা শুয়োরের বাচ্চা মরেছে বলে প্রায় চিৎকারই দিয়ে দিতে হলো। কেননা নিজেকে নিয়ন্ত্রণ আমি খুব কম সময়ই করতে পারি এবং আজকের মতো টেনসড্ সিচুয়েশনেই তো নয়ই।
পালাই পালাই
অস্থির, উদ্দাম, সিদ্ধান্তহীনতা, নিজেকে নিজের অপছন্দ, মনের বিরুদ্ধে পড়ালেখা সব মিলিয়ে ১৯৯৯ সালটা আমার জন্যে অদ্ভূত একটা সময়। ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে হবে এই সংকল্প আমাকে এমন এক বিষয় পড়তে বাধ্য করলো যা পড়তে ভালো লাগে কিন্তু পরীক্ষার খাতায় আমার জন্যে আশানুরূপ নাম্বার যোগ বয়ে আনে না- সেই বিষয়ের নাম দর্শন।আমার মুখস্থ বিদ্যা বরাবরই শূন্যের কোঠায়। বন্ধুদের দেখেছি পাটীগণিত পর্যন্ত না বুঝলে মুখস্থ করে ফেলতে। আমি ব্যর্থ। না বুঝলে এক কলমও এগোতে পারি না। দর্শন পড়ি, ভালো লাগে পড়তে কিন্তু পরীক্ষার খাতায় আমি ২০ পৃষ্ঠা মুখস্থ উগড়ে আসতে পারি না। ফার্স্ট ইয়ারে আমার রেজাল্ট বলে দিচ্ছে আমি থার্ড ক্লাস নম্বর পেতে যাচ্ছি চলমান চার বছরে।সেই সম্ভাবনা পরবর্তীতে উৎপাটন করলেও ৯৯ সালে আমি আতংকে অস্থির।
ঝড়ের পর ধুলি মুক্ত নির্মল আকাশ চাই না
এমনি ঈদের পর এখন পর্যন্ত সকল শ্রমিক কাজে যোগদান করেনি। বিশেষ করে কোরবানির ঈদের পর আমাদের দেশে শ্রমিকরা কম পক্ষে ১০-১৫ দিন দেরি করে কাজে আসে। বিশেষ করে নির্মাণ শ্রমিকরা। আমার এক বস এ প্রসঙ্গে বলেছিলেন, আমাদের দেশের শ্রমিকরা প্রথমে কোরবানি গোস্ত খায়, তারপর হাড় খায়, তারপর পায়ের খোড়া খায়, সর্বশেষ পকেটের টাকা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাজে আসে না। আজ আমি হাড়ে হাড়ে তা টের পাচ্ছি।
পিরামিড প্রাচীনতা
২৫.১০.২০১৩
প্রগাঢ় স্বপ্নে তোমার অধরে এঁকে দিতে গিয়ে
একটি উষ্ণ চুস্বন,
আমি দ্বিধায় কুঁকড়ে উঠি যখন-
ভেসে উঠে একটি হাহাশ্বাস-হায় জীবন!
লঘু জোনাকী অথবা নির্ভীক নারী
নক্ষত্রের ছায়াতলে নিবিড় করে
না পাওয়ার বেদনায় জ্বলে,
ডেকে নিয়ে সমূহ পতন-
বলে যায় মূঢ়তার সময়
বেড়াল ফাঁদে, মন যদি কাঁদে জানি
ভালোবাসাহীনতাই জীবন।
স্বাধীনতা মানে অনিঃশেষ নিঃসঙ্গতা
মরাল গ্রীবায়,
সর্পিণী সহোদরার প্রেমহীনতায়
খোঁজা জীবনের মানে
শীতরাতে ডুবে যাওয়া
পিরামিড প্রাচীনতায়...
মান্না দে
গানের মানুষ মাটিতে তোমায় মানায় না
তবু যেতে হচ্ছে
সবাই যে পথ দিয়ে যায়
যাওয়াটাই সত্য, গানের মতো।
সুর দিয়ে পুড়িয়েছো বুকের জ্বালা
আগুন তোমাকে পুড়াবে কি করে।
কতো আগুন নিভিয়েছো তুমি
গানে আর সুরে।
যে আগুন পোড়াবে তোমায়
সে আগুনও প্রণাম করে নেবে আগে!
আগুন তোমায় পুড়াতে পারবে
আগুন পারবে না তোমার গান পুড়াতে!
আগুন ফুরিয়ে যাবে
তোমার গান ছড়িয়ে আছে হৃদয়ে হৃদয়ে
তোমার গান ফুরাবে না কখনও,
তোমার গান পোড়ানোর আগুন সৃষ্টি হয়নি
পৃথিবীতে এখনও!
ঘুরে ফিরে আসার গল্প!
অনেক দিনের পর লিখছি। এত লম্বা বিরতিতে আমার লিখতে মোটেও ভালো লাগে না। তাও উপায় ছিল না। কারন প্রথমত, প্রিয় মোবাইল সেটটা নষ্ট আগে যে মোবাইলে লিখতাম তা বন্ধ এবার। দ্বিতীয়ত ল্যাপটপ নিয়ে গিয়েছিলাম তাতে লেখা যেত, কিন্তু বিধি বাম মামা এক্টার্নাল ইউএসবি কিবোর্ড নিয়ে যায় নি আর আমি ল্যাপটপের কীবোর্ডে লিখতেই পারি না। চেষ্টা করলাম বাড়ীতে কত- হয় না, বারবার এফএন টিপে লেখা আমার কম্ম নয়। তাই ল্যাপটপ দিয়ে খালি চার পাঁচটা সিনেমাই দেখলাম। ভেবেছিলাম এন্ড্রয়েড সেট দিয়ে লিখবো- কিছু দূর লিখে মনে হলো এর চেয়ে মাটি কাটার কাজে কম পরিশ্রম, তাই আর লেখা হলো না। ব্লগে নতুন দুয়েকজন ব্লগার দেখলাম। দেখে ভালো লাগলো। কিন্তু এবির যা সমস্যা তাই থেকে যায়- পোষ্ট পড়ার লোক নাই। যখনই দেখছি বারবার- লোকজন নাই তখনই মন চায় একটা পোষ্ট লিখে ফেলি যা ইচ্ছে তাই। কিন্তু নিরুপায় তাই শুয়ে বসে দেখা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। তাই ঢাকায় বিকেলে নেমেই রাতের বেলা এই পোষ্ট লিখছি, নিজের ঘুরাঘুরির ফিরিস্তি জানাতে!
ধূসর গোধূলিঃ মায়া
সুবল বাড়িতে ঢুকে মাকে খুঁজতে লাগলো। বড় ঘর, পাকের ঘর, ঠাকুর ঘর, কোথাও মাকে খুঁজে না পেয়ে শেষমেশ গোয়ালঘরের পাশে এসে পেল। ওখানে দাঁড়িয়ে ভাসানির মা’র গোবর দিয়ে ঘুটে বানানো তদারকি করছে।
-তুমি এইহানে? তোমারে কত জায়গায় খোঁজ করলাম!
-ক্যান বাবা, কি অইছে? একবেলা মা’রে দেখতে না পাইয়াই এত অস্থির হইলি, আমি না থাকলে কি করবি?
-দূর, তুমি কি যে কও না! তুমি আবার কই যাবা? মা ক্ষিদা লাগছে, খাইবার দাও।
-একটু দাঁড়া বাবা, এই ঘুইটে কয়ডা বানানো শ্যাষ হউক।
সুবল ডানদিকে তাকিয়ে দেখল গোয়ালঘরের পাশের বড় নালাটার মধ্যকার কচুরীপানা আর নল খাগড়ার ঝোপের মাঝ দিয়ে কাকু গরুর জন্য ঘাসভর্তি ডোঙ্গাটা বাড়ির কিনারে ভিড়াচ্ছে। শুকনো মৌসুমে পানি শুকিয়ে গেলে এই নালায় অনেক মাছ পাওয়া যায় আর এখন বর্ষার সময়ে পাশের জমিগুলোর সাথে মিলেমিশে কেমন একাকার হয়ে আছে! সুবল ছুটে গিয়ে পাড়ে দাঁড়ালো।
-কিরে ব্যাডা, খালি বাড়ি বইয়া থাকলে অইব? কাম করন লাগব না? হাসতে হাসতে বলে তারাপদ
-আমি তো এহন স্কুল থেইক্যা আইলাম আর আমি কি এইগুলান পারি? বড় হইয়া নেই, দেইখো তোমার মতন সব পারুম।
নন্সেন্স গল্প
ননসেন্স গল্প
by oviking on 12:36 PM, 20-Oct-13
প্ থিবীর সবচেয়ে ছোট,সুখী হওয়ার গল্প।
একদেশে ছিলো এক ছেলে আরেক মেয়ে।ছেলেটি একদিন মেয়েটিকে বললো,তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?মেয়েটি বললো,না।
অতঃপর ছেলেটি সুখে শান্তিতে দিন কাটাতে লাগালো।
ইংরেজিতে কিছু ছড়া আছে যেগুলোকে ননসেন্স রাইম বলে।হাম্পটি ডাম্পটি,ব্যা ব্যা ব্ল্যাক শিপ এই টাইপ আর কি!আমাদের বাংলাতেও ননসেন্স রাইম আছে।হাট্টি মা টিম টিম এই টাইপের একটা ছড়া।
ননসেন্স রাইমের মতো ননসেন্স গল্প কি লেখা যায় না?যেগুলো পড়লে কোন টেনশন বা বিরক্তি বা রাগ কিছুই থাকবে না।নির্মল আনন্দই যার উপাদান।
উপরের গল্পটা একটা ননসেন্স গল্প।হাসি না আসলে করার কিছু নাই।
নন্সেন্স গল্পএর ধারণাটা আসে হুমায়ুন আহমেদ এর একটা বই পড়ার সময়। ঐ বইটাতে নন্সেন্স রাইম সম্পর্কে বলা হয়েছিলো । রম্য গল্পগুলোর সাথে নন্সেন্স গল্পের একটা তফাত আছে। রম্য গল্পগুলোতে হাসি মশকরার মাধ্যমে একটা মেসেজ দেয়ার চেষ্টা থাকে।কিন্তু নন্সেন্স গল্প গুলো পুরোপুরি নন্সেন্স। এর কোন সাহিত্য মূল্য নেই। শুধু নির্মল আনন্দের উপাদান থাকবে এতে।
জানোয়ার !!!!!
বাইরে বেশ জোরেশোরেই ব্ ষ্টি পড়ছে।কোন কুক্ষণে যে আজকে বের হতে গিয়েছিলো শোয়েব।সব দোষ নিশাতের।সকাল থেকেই গুড়ি গুড়ি ব্ ষ্টি পড়ছে।তার উপর দুপুরের দিকে কালো মেঘের গুড়ুম গুড়ুম বেড়ে গিয়েছিলো।ভেবেছিলো আপার খালি বাসাটাতে সারাটাদিন ঘুমিয়ে আর সিনেমা দেখেই কাটিয়ে দিবে ও।না!তা আর হলো কই?
দুপুরের খাবার পর একটা মুভি চালিয়ে মাত্র বিছানায় পিঠটা ছোয়ালো এমন সময়ই ফোনটা বেজে ওঠলো।ডিসপ্লেতে নিশাতের নাম দেখে তাড়াতাড়ি রিসিভ করলো শোয়েব।
এই শোন,বিকেলবেলা কি তোর কোন কাজ আছে?
না,নেই।আর থাকলেও তোর জ্বালায় কি আর কাজ করা সম্ভব।এখন বল কি করতে হবে?
রিকশায় ঘুরতে ইচ্ছা করছে খুব।বিকেলে একটা রিকশা নিয়ে আমার বাসার সামনে এসে পড়িস।
আমি রিকশা আনতে পারবো না।টাকা নাই।রিকশা ভাড়া তুই দিলে আনতে পারি।
এহ।এমনভাবে বললি যেনো আমি রিকশাভাড়া দেই না।ক্যাম্পাস থেকে তোর বাসায় যাওয়ার ভাড়া কে দেয়?
আচ্ছা আচ্ছা ।ঠিক আছে।এখন অফ যা।বিকেল কয়টায় আসতে হবে?
চারটা সাড়ে চারটার দিকে এসে পড়িস।
ওকে।আসবো।
একাই গেলো
আগুনরঙা গোধূলি শেষে সন্ধ্যার ভেতর যে এতো হাহাকার থাকে
সে তো বোঝাই হতো না, যদি তুমি পৃষ্ঠা পাল্টানোর মতো করে না পাল্টাতে!
চুলের ছায়ায় ছায়ায় সন্ধ্যা আসতো, এসে ভোরে পৌছে যেতো কখন,
টের পেতাম না! এখন সবই টের পাই, সময়ের মাঝে গভীর একটি শূন্যতা,
বাতাসে বাতাসে দোলে দীর্ঘশ্বাসে দীর্ঘ রাত্রি!
কি কারণে চলে যেতে হলো, কি ভেবে কোন দিকে চলে গেলে পথ,
কিছুই জানা হলো না বিস্তারিত। কি নাম রেখে গিয়েছিলো মনে পড়ছে না তাও!
শুধু শরীরে লেগে থাকা শরীরের ঘ্রাণ রয়ে গেছে, ঘ্রাণটুকু ধুবো কোন পুকুরে বলে গেলো না!
যাবেই যখন একা কেনো? তবু,
একলা গেলো, একাই গেলো, আমাকে নিলো না!
একটি পাঞ্জাবীর আত্মকাহিনী
‘জন্মই যার আজন্ম পাপ’
কথাটা কে বলেছেন জানিনা,তবে এই কথা আমার প্রায়ই মনে হয় যখন পকেটে রান্নাঘর থেকে চুরি করা দিয়াশলাই কিংবা সিগারেটের প্যাকেটের আশ্রয় হয় খুবই যত্ন সহকারে।সেটা লাইটারের স্থান হলে তো বেশ ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়।অবশ্য এগুলো শারীরিক চাপ।মানসিক চাপ টা এর চেয়ে অনেক বেশী ভয়ংকর।পূজার দিনে আমাকে উদ্দেশ্য করে অনেক কথাই বলা হয় যখন আমার মালিক মুসলিম।আবার ঈদের দিন একই ঘটনা ঘটে সত্ত্বাধিকারী সনাতন ধর্মাবলম্বী বলে।অথচ জন্মের সময়ত কেউ আমার ধর্ম বিবেচনা করেনি।আমার জন্মদানে অবদান তো সবারই আছে।যিনি ডিজাইন করেছেন তিনি হয়ত খ্রিস্টান,শরীরটা যিনি তৈরী করেছেন তিনি মুসলিম, আবার আমার আকার দানকারী হিন্দু।আমি জানিনা কে কোন ধর্মের,তবে সবাই আমার জন্মদাতা-জন্মদাত্রী।
শিরোনাম পাই নাই গল্পের...কেউ একজন একটা নাম দিবেন প্লিজ ।
রাস্তায় বের হয়ে হন্তদন্ত করে হাটছি।হল থেকে বেরোনোর পর সামনে অন্যদিনের চেয়ে বেশি বন্ধুদের দেখা পাচ্ছি।আজ যেনো সব শালা একসাথে বাইরে বেড়িয়েছে।তড়িঘড়ি করে হাটার কারণ জিজ্ঞেস করছে সবাই আর উত্তর দিতে দিতে আমার অবস্থা খারাপ।সবাইকে, "দোস্ত পরে কথা বলতাছি।একটু দৌড়ের উপর আছি"এই কথা বলতে বলতে ছুট লাগাচ্ছি।সামনে কোন খালি রিকশাও পাচ্ছি না।ধুরর!!!
এতো হন্তদন্ত হয়ে ছোটার কারণ আর কিছু না,একটা ফোনকল।তানির ফোন!!!এই ফোনকল প্রধানমন্ত্রীর ফোনের থেকেও বেশী জরুরি আমার কাছে।ফোন রিসিভ করতেই ও বললো তাড়াতাড়ি চলে আয়?আমি বললাম কৈ আসমু?ওপাশ থেকে উত্তর আরে গাধা ক্যাম্পাসে আয়।
সামনে একটা খালি রিকশা!লাফ দিয়ে রিকশায় চড়েই বললাম,মামু চলেন!রিকশাওয়ালাও বেশ উৎসাহের সাথে সাথে পেডেল মারতে লাগলেন।ক্যাম্পাসের মেইন গেটের কাছে আসতেই তানিও ঐ রিকশায় চড়ে বসলো।রিকশাওয়ালার প্রতি নির্দেশ ,ঐ রিকশা কাজী অফিস চলো।
আরে একটু আগে এই লোকটারে মামু ডাকছি।একটু সম্মান দেখা লোকটার প্রতি।
তোর মামু,সম্মান তুই দেখা গাধা।
তা কাজী অফিসে যামু কেন?
বিয়ের জন্য।
কি কস।এতো তাড়াতাড়ি বিয়া করার দরকার কী?আমার তো এখনো চাকরি হয় নাই।