ইউজার লগইন
ব্লগ
সব শেষ করেছ তুমি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে
এক ফোটা পানিও কি রেখেছ চোখে
আবার কাঁদবো কি তবে হৃদয় জ্বালায়ে
হৃদয় সে তো মরুভূমি হয়েছে কবে
সব শেষ করেছ তুমি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে।।
দ্বিচক্র যান খানি পংখীরাজের মত
শহরের এ প্রান্থ থেকে ও প্রান্তে যেত।
লতার মত জড়িয়ে পথের দিশা দিতে যখন
মহাবীর মহনায়ক ছিলাম তখন।
সেই সে আমি আজ কোথায় গেলাম হারিয়ে।
সব শেষ করেছ তুমি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে।।
হঠাত তুমি কোথায় গেলে হারিয়ে
দিন ক্ষন মাস গেল পথ চেয়ে চেয়ে
মোবাইলের রিং সহসা বাজিত যখন
উচাটন হৃদয় নাচিত ময়ূরী নাচন
ভুল যখন ভাঙ্গল, সে তো তুমি নয়।
মহাকাশ সম শুন্যতা এল হৃদয় জড়িয়ে
সব শেষ করেছ তুমি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে।।
২৭/০৭/২০১৩ খ্রীঃ
বনানী
'আহমদ ছফার সময়' বই থেকে নেয়া কিছু অংশ! (প্রথম পর্ব)
নাসির আলী মামুন সেলিব্রেটি মানুষ। সম্ভবত কোন বিখ্যাত কবি উনার নাম দিয়েছিলেন ক্যামেরার কবি। আল মাহমুদ থেকে শুরু করে ডক্টর ইউনুস, এস এম সুলতান থেকে শুরু করে শামসুর রাহমান, ছফা থেকে আব্দুল কাইয়্যুম সবার সাথেই উনার ব্যাপক দহরম মহরম। বাংলাদেশের জীবিত মৃত যত বিখ্যাত শিল্প সাহিত্য অর্থনীতি রাজনীতির মানুষ আছে তাদের বেশীর ভাগেরই কথামালা, ঘনিষ্টতা ও ছবির আর্কাইভ একমাত্র উনি। আহমদ ছফাও তার বাইরে না। বলা যায় ছফা ও সুলতানের সাথে তার ভাই সুলভ সম্পর্ক। তাই নাসির আলী মামুনের ব্যাবসা সফল ইন্টারভিউয়ের বই 'আহমদ ছফার সময়' গ্রন্থতেও সেই অন্তরঙ্গ আলাপের গন্ধ ও অন্য ধরনের প্রশ্নমালার ছড়াছড়ি। যদিও আহমদ ছফার সাক্ষাৎকার সমগ্র নামে একটা বই আছে। সেইটাও খুব ইন্টারেস্টিং। কিন্তু পাবলিক ভালো খাইছে নাসির আলী মামুনের বইটাই। তাই এই ২০১৩ র বই মেলায় বইটার ফোর্থ এডিশন বাজারে আসলো। যদিও বাজারে আহমদ ছফার সমগ্রর কাটতি ওতো ভালো না। তবে সন্দেশ ও খান বাদার্স মিলিয়ে বললে ব্যাবসাটা খারাপ না। সামনের মেলায় হয়তো খান ব্রাদার্স তার সেকেন্ড এডিশনে আরো কিছু যুক্ত করে আনবে বাজারে। নাসির আলী মামুনের বইটা শ্রাবন থেকে বের হওয়া। বইটার পে
বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি ১০
অনেকেই ছোট বেলায় অনেক কিছু হতে চায়। সব নামকরা ব্যক্তিগণ দেখা যায় ছোট বেলায় হতে চেয়েছিলেন খেলোয়াড়, বড় হয়ে হলেন বৈজ্ঞানিক । আমি নামকরা কেউ নই তাই এরকম কোন ঝামেলাও নাই। আসলে ছোট বেলায় কী যে হতে চেয়েছিলাম, তাও জানিনা। তবে নেভি অফিসার দের সাদা ড্রেস দেখে ৭ম শ্রেনীতে থাকতে নেভি তে যোগ দেবার ইচ্ছা হয়েছিল একবার। কী ধব ধবে সাদা !!!
কোন ইচ্ছা বা লক্ষ্য না থাকলেও স্কুলে থাকা অবস্থায় খাতা ভরে ফেলতাম আঁকা ঝোকা করে । গ্রাম, নদী, গাছপালা , আকাশ - এগুলোই ছিলো আঁকার বিষয়বস্তু। বরাবরই এই প্রকৃতি আমারে টানে । প্রাণহীন এই ইট কাঠের খাঁচায় দম বন্ধ হয়ে আসে ।
এইস এস সি পরীক্ষার পর চারুকলায় ভর্তির জন্য ভেবেছিলাম । কিন্তু হয়ে উঠেনি। তুমুল স্ট্রাগল করছি, জানিনা সামনে কী - সেই সময়ে বাসা থেকে আপত্তি জানানো হল । বলা হল চারুকলায় পড়লে না খেয়ে মরতে হবে । তাই চারুকলায় পড়ার চিন্তা বাদ দিয়ে ভর্তি হলাম কমার্সে। বি কম। টাকা রোজগারে নামতে হবে । ২০ বছর বয়স থেকেই কামলাগিরি শুরু করলাম।
গাছে তেঁতুল জিবে জল
ন্যাড়ার বেলতলায় যাওয়া মানা থাকলেও তেঁতুলতলায় মোটেও বাধা নেই। তেঁতুল অনেক উদার, অসময়ে ঝরে পড়ে ন্যাড়ার মাথা ফাটিয়েছে_ অপবাদ দিতে পারবে না কেউই! তারপরও অধিকাংশ ন্যাড়া বেলতলার দিকেই ছোটে! শক্তের ভক্ত হিসেবেই বোধহয়! ব্যতিক্রম পাওয়া গেল নোমান মামাকে। এক মাওলানার ওয়াজ শুনে আজকাল তিনি তেঁতুলতলায় ঘোরাঘুরি শুরু করেছেন। এদ্দিন শুনতাম_ গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল; মামার হাব ভাবে মনে হয়_ গাছে তেঁতুল জিবে জল!
মহল্লার সামাদ সাহেবের বেশ কয়েকটি তেঁতুলগাছ আছে। তেঁতুলগাছের পাশাপাশি আছে মেয়ে মহুয়াও। মেয়েটি কারও সঙ্গে মেশে না; শুধু তেঁতুলের সিজনে তেঁতুলতলায় ঘোরাঘুরি করে। কখনও দু-একটা বিচি মুখে পোড়ে, বাকি সময় উপভোগ করে ঝুলন্ত তেঁতুলের সৌন্দর্য! বাড়িতে মানুষজন বলতে সামাদ সাহেব ও তার স্ত্রী, মহুয়া একাই ঘোরে ফেরে।
বেড়ানো: সিলেট
এ মাসের শুরুতে (জুলাই ২০১৩) একটা ঘুরাঘুরি.com গ্রুপের মাধ্যমে চক্কর দিয়ে আসলাম সিলেট থেকে। লালাখাল, পাংথুমায় প্রথম দিন ঘুরলাম। পরের দিন লোভাছড়া এবং শেষের দিন ঘুরলাম ছাতক
... এবারের ঘুরন্তিসটা সিরাম হইছে।
কিছু ছবি দেই পাংথুমায়, গোয়ানঘাট, সিলেটের।
০১:

০২:

০৩:

০৪:

০৫:
প্রিয় প্লে-লিস্টের গভীর থেকে উঠে আসা একটি উপলব্ধি
আজকাল বা পরশু যদি সে এসে দাঁড়ায়
ছায়ার মতো আমার ছায়ায়
ছায়ারো ছায়াতে সে অন্যজন
ভরদুপুরে একলা রাতে অন্য মন...
গানটা মনে পড়ে গেলো যখন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের সামনে দিয়ে পার্কে ঢুকছিলাম তখন। কানে হেডফোন গোঁজার জন্য খানিক যাত্রাবিরতি নিতে হলো। তারপর মনে হলো পার্কে ঢুকে কি লাভ? এমন না যে, নীলা ভেতরে কোথাও আমার জন্য অপেক্ষা করে আছে। ও অনেকদিন আমার জন্য কোথাও গিয়ে বসে অপেক্ষা করে না।
একটা সময় দিনের বেশিরভাগ সময় সে লাইব্রেরীতে বা কমন রুমে বসে আমার জন্য অপেক্ষা করতো। সে সময়গুলোতে স্মার্টফোনও বাজারে নামে নি। ছিলো না ফ্রুট নিনজার মতো কোনো গেম। সে কিভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা আমার জন্য বসে থাকতো আমি বুঝতাম না। মাঝে মাঝে ওর কাছে জানতে চাইতাম, কিভাবে পারো তুমি? ও কিছু বলতো না এবং শুধু নিঃশব্দে হাসতো।
আমি এখন বুঝতে পারি, ও সেটা কিভাবে পারতো। কারণ ও ভালোবাসতো। ভালোবেসে ঘন্টার পর ঘন্টা কারো জন্য কোথাও বসে থাকা অসম্ভব না। বিশেষ করে ভালোবাসার প্রথম দিককার দিনগুলোতে তো একেবারেই না। যেকোন ভালবাসারই প্রথম দিককার দিনগুলো একেবারে ইউনিক। আমার অসাধারণ লাগে!
যে ঝড় তুলেছ তুমি
যে ঝড় তুলেছ তুমি হৃদয়ও কাননে
তুমি চাইলে চলে এসো
কোন এক ফাগুনে।
তুমি চাইলে চলে এসো..।।।
ফাগুনের আগুন ঝড়া ফুলও বনে
সাজাব তোমায় আমি যতনে যতনে
বঁইচি না কথার মালা পড়াবে গলে
ঝড়নার জল জল ছল ছল দুল পড়াব কানে।
তুমি চাইলে চলে এসো...।।
বন্ধু তুমি আমার বন্ধু হলে
খোপায় জড়াব তোমায় ফুলে ফুলে
প্রভুর নামের মালায় সাজাব তোমায় নিরজনে,নিরজনে।
তুমি চাইলে চলে এসো...।
বন্ধু কাঁদে শুধু বন্ধুর তরে
যতদিন আকাশে চাঁদ তারা নিহারিকা রবে
তুমি কি সেজেছ কভু সমীরনও সাজে
কিযে সুখ তাতে জানাব তোমায় নিরজনে নিরজনে।
তুমি চাইলে চলে এসো...।
তব বিহনে এ দিল মরু সম,
চাতক পখির মত চেয়ে থাকি তব পথ পানে
এ তৃষ্ণা কি কভু মিটিবে প্রিয় তব বিহনে,এ ত্রিভূবনে।
তুমি চাইলে চলে এস.।।।
২৩/০৭/২০১৩ খ্রীঃ
বনানী।
কখুগ
১৯৭২ সালের ৪ঠা জুন নগর দর্পনের পাদটিকায় আহমেদ হুমায়ুন লিখেছিলেন
ঘুর্ণিঝুড়ের পরে শোনা দুজন বিষন্ন মৌলবীর সংলাপঃ
১ম ব্যক্তিঃ হইব না, পথেঘাটে বেপর্দা, বেহায়া আওরত।
অশালীন পোশাকের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ অভিযান যে কোন মুহূর্তে নারী লাঞ্ছনার উপলক্ষ্যে পরিণত হওয়ার সম্ভবনা। এককালে আমাদের সমাজে বোরখার কালো মোড়ক ছিল শালীনতার অক্ষয় মোড়ক। ১৯৪৮ সালে রিকশায় পর্দা জড়িয়ে পথ না চলার দায়ে লাঞ্ছিত হয়েছিলেন জনৈকা বোরখা-বিহীন তরুণী। আবার এই ঢাকা শহরেই ষাটের দশকে চোঙ্গা ট্রাউজার পরা আধুনিক তরুণ স্টেডিয়ামের কাছে জনতার ধাওয়া খেয়েছিলেন, কেন না উপস্থিত জনগণের কাছে চোঙা প্যান্ট অশালীন মনে হয়েছিলো।
সেই ঢাকা শহরে এখন পোশাক বিপ্লব ঘটেছে, দৈনিক পত্রিকার ফ্যাশন সাপ্লিমেন্টে হঠাৎ গজিয়ে ওঠা সৈন্দর্য বিশারদ আর ট্রেন্ড সেটারদের বানী পাওয়া যায়। এবারের বৈশাখের রঙ, ফাল্গুনের রঙ, ভ্যালেন্টাইন ডে'র রঙ নিয়ে তারা আলোচনা করে। পূঁজিবাদী ব্যবস্থায় অনেক ধরণের মোহ চারপাশে ছড়িয়ে রাখতে হয় যেনো মানুষ নিজেকে নিয়েই ব্যতিব্যস্ত থাকে আর সামাজিক অন্ধকারগুলো তাদের চোখ এড়িয়ে যায়।
গরম-গরমির কাব্য
১
দুর্দান্ত কিছু সৌন্দর্য নিয়ে ঘেরা থাকে দুপুরের রোদ
তখনও ঘামাতে থাকে অফিস পাড়ার অট্টালিকাগুলো
গাল-মন্দ শোনা যায় দূর রাস্তার পাশের হকারগুলোর
তারা নগর কর্তৃপক্ষের শাপ-শাপান্ত করছে
কেউ কেউ আবার ভাজা চিঁড়া গিলে খাচ্ছে
এমন সময় রাস্তায় গাড়িগুলোয় সপাটে আঘাত শোনা যাচ্ছে
ঝনাৎ ঝনঝন ভাঙ্গে কাঁচ
কে যেন ছুটে এসে ছুঁড়ে তরল
আর দেয় আগুন তাতে
রাস্তা ঝিমিয়ে পড়ে
ঝিমিয়ে পড়ে অট্টালিকাগুলো
গভীর রাত হলে বমিতে বমিতে সয়লাব ফাঁকা রাজধানীর রাস্তা।।
২
ভ্যাপসা গরম, ঘুমানো কি যায়?
বাতাস কিনবো বলে বাসা থেকে বেরিয়েছি
কোথাও মিললো না একটু বাতাস।
শুনছি চাষাবাদ হবে এবার।
বাসা বাড়ির আশে-পাশে।
মাটি থেকে বাতাস জন্মাবে
বাতাসের রুপ কতই দেখিতে চাহিয়াছি আমি...
শুধুই গন্ধ আসে
বাতাস বাতাসা নয়।
একটা দিন চলে যায়, শুধু দিন কাটিয়ে দেয়ায়!
আজ শরীরটা কেন জানি ভালো নাই। বুঝতেছি না এর কারন কি? হয়তো ঘুমের ঘাটতিতেই। আজ প্রথম রোজার দিন - যেদিন আমি সকাল নটায় ঘুম থেকে উঠছি। উঠেই দেখি চোখ লাল টকটকে। মাথা ঝিম ঝিম করে এই হুট করে উঠার কারনে। তাও জোর করে হলেও উঠলাম। আর কত কাল ঘুমিয়ে কাটাবো? বের হলাম কাজ ছিলো ধানমন্ডীতে। ব্যাগ নিয়ে বের হয়ে দেখি রাস্তা জুড়ে অগনিত ফাকা রিকশা। এতো ফাকা রিকশা কেনো ঢাকা শহরে? আধা ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে তার হিসাব মেলাতে থাকি কেনো এতো রিকশা! হিসাব পানির মতো সহজ। ঈদের কারনে। বাকি ৬৩ জেলা থেকে মানুষ প্রতিদিন ঢুকছে তো ঢুকছেই। তাই ফাকা ও রাস্তা চেনে না এরকম রিকশাওয়ালার সংখ্যা এখন খুব বেশি। এদের দাবী একটাই চিনায়া নিয়া যান, যা ভাড়া তাই দিবেন। আমি এরকম চুক্তি পছন্দ করি না। কারন দেখা যায় গন্তব্যে আসার পরে এরা আবদার জানায় বলে মামা কম হয়ে গেলো না? আমি বলি তুমি তো রাস্তাই চিনো না, তাহলে কম বেশীর কি বুঝলা?
হয়তো সে জীবনটা আমার ছিলো না
১.
মস্তিষ্ক খুব দ্রুতগতিতে জঞ্জালে রূপান্তরিত হচ্ছে। আজকাল আর খুব বেশি কিছু মনে থাকে না। অথচ আগে শ'খানেক পরিচিতের মোবাইল নাম্বার মুখস্ত ছিলো আমার। অনেক দিন পর্যন্তই ছিলো। ইদানীং খুব অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, মানুষের নামটা পর্যন্ত মনে থাকে না খুব কসরত না করলে। শহরটারও আমার মস্তিষ্কের মতোই অবস্থা। আগে আমার বাসার জানালা দিয়ে তাকালে দেখা যেতো, আকাশটা কোথায় গিয়ে দিগন্তের কালো রেখার সঙ্গে মিলেছে। এখন জানালা দিয়ে তাকালে নির্মাণাধীণ ভবন দেখতে পাই। কিছুদিন পর হয়তো ভবনটির গায়ে সুন্দর রং করা হবে। কিন্তু সে রং আকাশের মতো হবে না।
২.
আমার দিন যাপন
আমি এমনিতেই ফাঁকিবাজ , আর এখন রোযার মাস তাই আরো ঢিলেঢালা দিন কাটাই। মাত্রাহীন গরমে অতিষ্ঠ। ঢাকার গরমকেও হার মানায়। ঠান্ডা ঘর ছাইরা বাইর হইলেই ভ্যাপ্সা গরমে চশমার কাঁচ ঘোলা হয়ে যায়। আর ঠান্ডা ঘরে সারাদিন কাটাইলে শীতে কাঁপি আর কাশি হয়। বেসম্ভব সমস্যা।
আগের দিন বন্ধুর বাসায় ইফতার এর দাওয়াত ছিল। ঢাকা থেকে এক বান্ধবি এসেছে। সেজন্য আড্ডা'র আয়োজন। আলমের বাসায় আলম ,সুইটি, অশ্রু, আমি আর ঢাকা থেকে আসা সুশ্মি পুরান দিনের গল্প করে রাত চারটায় সেহেরি খেয়ে বাসায় ফিরসি। গল্প হচ্ছিল আগের দিনে বাসের ভিতর হকার'রা খুব চমক দেয়া ভাষায় কেমন করে ধবজভংগ রোগের অষুদ বিক্রি করতো।
অশ্রুর জামাই এমন ভাবে বর্নণা দিচ্ছিল যেন উনি নিজেই সেই অষুদের বিক্রেতা ছিল। একটা লাইন ছিল এমন " এই অষুদ খাইলে আপনার হারানো যৌবন ফিরা আইবো, সকালে উপরে উঠবেন, আর বিকালে নাম্বেন। আপনি নামতে চাইবেন না, আত্মীয় স্বজন আপনেরে টাইন্না নামাইবো।" এত হাসা হাসি করসি যে পেট ব্যথা হয়ে গেসে, খাবারো হজম হয়ে গেসে।
ঘুমিয়ে থাকাই ভালো!
রোজা উপলক্ষে ব্যাপক ঘুমাচ্ছি। বন্ধু আদনান আমার এই ঘুমের ফর্ম দেখে ইর্ষা করে বলে 'আছ তো মিয়া সুখে। সকাল আটটায় অফিসে যেতে হয় না। মোহাম্মদপুর থেকে বাড্ডা গেলে বুঝতা ঠেলা কারে কয়।' আমিও জবাব দিতে ভুলি না। 'মাস শেষে যে পচিশ ত্রিশের মতো বেতন পান সেই টাকা তো আর আমি পাই না। আমি তো ঘুমাবোই- বেকার ভাতায় চালাই মাস'। তবে আমি মোটেও ঘুম ভালোবাসি না। প্রয়োজনের চেয়েও কম ঘুমিয়ে দিন কাটাতেই ভালো লাগে। কাজ না থাকলে ঘুমের চেয়ে জেগে থাকাই আমার কাছে ভালো। বসে থাকতেও ভালো লাগে চুপচাপ। কিন্তু রোজা এসে সব ভন্ডুল করে দিলো। সেহেরীর পর ঘুম আসে না, ঘুম আসে পাচটায় উঠি ১টা-২টায়। দশটা পর্যন্ত গভীর ঘুম, তারপর ক্রমাগত ঝিমাতে থাকি। অর্ধ জাগ্রত অবস্থায় অনেক ভাবনা মাথায় আসে সাথে হালকা স্বপ্ন টপ্ন। স্বপ্ন গুলোও দিনলিপির মতোই সাধারণ। ওতো ভয়াবহ স্বপ্ন বা খুব সুখের স্বপ্ন কেন জানি দেখাই হয় না অনেকদিন। তবে ঘুমিয়েই চলছি। রোজা বলে এরকম একেকটা দিন শুধু ঘুমিয়ে কাটাতে কি অসস্তি লাগে তা উঠার পরে বুঝি। কেমন জানি পিঠে ব্যাথা ব্যাথা করে। ঘুমানোটাও তো কম পরিশ্রমের কাজ না । ছোটোবেলায় ঘুম থেকে উঠলেই আমার খিদে পেতো প্রচন্ড। এখনো সেই অভ্যাস