ইউজার লগইন
ব্লগ
'' এমন দিনে তারে বলা যায় , এমন ঘনঘোর বরিষায়।''
১
সারাদিন এক অদ্ভুদ শব্দের মাঝে আছি। রাতের অন্ধকারেও মনে হয় সেই আওয়াজ শুনছি। অনেকটা প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের ''পোকা'' গল্পের মতো। ঘটনা খুলেই বলি। সামারে এখানে এক অদ্ভুদ পোকা এমন আওয়াজ করে কান ঝালাপালা করে দেয়। উইকিপিডিয়াতে দেখি আবার এদের নিয়ে বিরাট আর্টিকেল দিয়ে রেখেছে। পড়তে গিয়েও ধৈর্য্য হলো না। বদজাত পোকা কোহানকার।
এই টাইপের আরেক ধরনের পোকা ইদানিং মাথা খারাপ করে দিচ্ছে তা হচ্ছে এই ব্লগের লোকজন। ব্লগে কেন লিখি না। পোস্ট দিতে কী হয় এই সব বলে। শান্ত আগে পোস্ট নিয়ে আফসোস করতো এখন কমেন্ট নিয়েও আফসোস শুরু করেছে। তাই ভাবলাম একটা পোস্ট দেই। আবার কবে দেই না দেই তার ঠিক নাই 
ডুবে যেতে থাকা স্বপ্নেরা
লেখালেখির সাথে প্রায় আড়িই হয়ে গেছে ইদানীং, কেন জানিনা। তারপরেও হঠাত হঠাত মাথার পোকাগুলো নড়েচড়ে ওঠে। একটা দু'টো শব্দ একটা দু'টো লাইন মাথার ভিতর খেলা করে।
এরকমই কিছু লাইন সাজিয়ে ফেললাম অনেক অনেক দিন পর। সেটাকে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছিনা...
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
শালিকের চোখের কাজল মরে এলে;
পাখিগুলো সব ফুল হয়ে যায়।
কোমল শরীর নিয়ে ফুটে ওঠে অদ্ভুত সন্ধ্যায়,
বৃষ্টির ঘ্রাণ আর ভেজা ঠোঁটের ঘ্রাণ একাকার হয়ে যায়।
হাতের তালুতে আঁকা ভাগ্যরেখায় কাটাকুটি খেলার সাথী হয় অব্যক্ত যন্ত্রণা,
ডাইলিউটেড চোখের মণিতে ডুবে যেতে যেতে স্বপ্নেরা দপ করে জ্বলে ওঠে,
খুঁজে ফেরে খড়কুটো আর একটি নিশ্চিন্ত কাঁধ,
যেখানে অশ্রুরা নদী হয় পাহাড়ের কোল ঘেঁষে নামা ঝর্ণার ছায়া মেখে...
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
"অগনন কুসুমের দেশে, নীল বা নীলাভ গোলাপের অভাবের মতন তোমার অভাব অনুভব করি!"
ঢাকা শহরে সাধ-সাধ্যের মাঝে শান্তি মতোন বাড়ি খুজেঁ পাওয়াই তো দুষ্কর। দক্ষিনা বারান্দা থাকে তো, রান্নাঘরের জানালা রইবে ঘুপচি মতোন, কিবা কমন স্পেস নয়তো শোবার ঘরের মাঝেই ইয়া চওড়া এক পিলার! তবে সাধ্যের মাঝে এই ছোট্ট ফ্ল্যাটটা বেশ ভালোই বলা চলে, হাওয়া-বাতাস চলাচল করে বেশ। সবচেয়ে ভালো কথা হলো একটা পাশে এখনো দালানকোঠা ওঠেনি তাই পুরোটাই ফাকাঁ বলতে গেলে। ঘরগুছানো রিমি’র পছন্দের কাজগুলোর একটা, কর্তব্যের খাতিরে নয়, ছোট্টবেলা থেকে পুতুলের ঘর-ঘর খেলার মতোই যেন আদর নিয়ে সংসারের খুটিনাটি কাজ করে ফেলে, এই করতে করতে আগামীকালের অফিস-ঘর দুইয়েই কাজের প্ল্যান সাজিয়ে ফেলে মনে মনে, কিবা কল্পনাপ্রবন মন পরতে পরতে করে নেয় স্বপ্নে্র বুনন। রান্নাঘরের গ্রীলের আগল গলে শরীর জুড়ানো বাতাস আসছে, ক্লান্তি দূর করে দেয়ার মতোই। কিন্তু আজকের সারাদিনের ধকলের কারনে কিচ্ছুতেই কিছু হচ্ছে না। ঘরদোর পরিষ্কার করে, কখন রান্নাটা শেষ করে সব গুছিয়ে তুলবে তবেই শান্তি। বুয়া সকালে কুটে বেছে না রেখে গেলে আজ রান্নাও বসাতো না, এখন সপ্তাহের রান্না করে তা ভাগে ভাগে ফ্রিজে তুলে সব গুছিয়ে তুলবে তবেই শান্তি।
আত্মজা
বিড়ালটা আসে। একে তুলতুলে বিড়াল বলা যায় যতটুকু, তার চেয়ে বেশি আদুরে। হাঁ, হৃদয়টাতে আঁচড় ফেলতে পারে সে। তার নখের আঁচড় কখনোই আমার উপলব্ধিতে ছিল না। সে কোলেও আসে না। গুটি গুটি ছুটে বেড়ায়। আমার দিকে যে তার মনোযোগ, সেটা বুঝে উঠি বলে, এক পরাবাস্তব বোধে আমি আচ্ছাদিত হই। সে আমাকে ছুঁয়েও ছোঁয় না। যেন মিটিমিটি হেসে উঠছে। আর দিনকে দিন এক প্রিয়তা এসে আমাকে মোহাচ্ছন্ন করছে। সে আমার হৃদয়ে দড়ি পেঁচিয়েছে।
একদিন বসেছিলাম বারান্দার আড়ালে। তখনো সাঁঝ সাঁঝ নামেনি। একটা চটুল জিজ্ঞাসায় তার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। মনে মনে বললাম, কে গো তুমি। সে হাঁটু তুলে বসেছে যে! আমাকে খুনসুটি করতে দিতে নারাজ। কি হচ্ছে, তার নাকে-মুখে-চোখে? সে একটুও উত্তেজিত হতে দিতে চায় না কাউকে। মোহাচ্ছন্নতা কাটুক, আমিও কি তা চাই? বিস্ময় কেটে যায় আমার। আরে, এতো দেখি আমারই আত্মজা!
শ্রদ্ধার্ঘ্য!
আজ আটাশে জুলাই। নিঃসন্দেহে গুরুত্বপুর্ন দিন। কারন আজ চারু মজুমদারকে হত্যা করার দিন, ছফার অকস্মাৎ প্রয়ান দিবস, বিখ্যাত সাংবাদিক শাহাদাত চৌধুরীর জন্মদিন। আরো হয়তো কিছু থাকতে পারে, যা আমার জানা নাই। জীবিত লোকদের আমার কেন জানি ভালো লাগে কম। মরে যাবার পরেই তার সমগ্রতাটুকু আমার চোখে ধরা পড়ে বেশি। এই যেমন ধরেন শামসুর রাহমানের কবিতা আগে আমার খুব বেশী ভালো লাগে নাই। কিন্তু যেদিন উনি মারা গেলেন, আমার প্রচন্ড মন খারাপ হলো। উনার বাসা যেহেতু কাছেই, যাওয়া যায় কি না ভাবছিলাম। কিন্তু আর যাওয়া হয় নি। বন্ধুর কাছ থেকে সংগ্রহ করলাম শামসুর রাহমানের শ্রেষ্ঠ কবিতা নামে এক বই। তাই পড়ে গেলাম খুব মন দিয়ে। খুব বেশি কাব্য রস আস্বাদন- আমার মেধাতে নাই। তাও এক দুর্নিবার আকর্ষন অনুভব করলাম পাঠে। আমার এখনও মনে আছে পরের দিন সম্ভবত ছিলো শুক্রবার। চ্যানেল আইতে গোলাম মর্তুজার উপস্থাপনায় সকালের অনুষ্ঠানে আব্দুল মান্নান সৈয়দ ছিলো। লোকজন কতো বড় আবাল! অনেকেই লাইভ অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করা শুরু করলেন কবি কি ইসলামে বিশ্বাস করতেন?
আবারও কুড়ি বছর পরে
ঢের ছিল সেইসব সুদিন।
রোদ মাখা ভোর শেষে
দুপুরের ক্লাস ফেলে তোমার চুলের ঘ্রাণ,
হাসি মুখ মেখে
চির চেনা বিকেলের দেশ
সন্ধ্যার চায়ের কাপে ছিল মিশে।
ঢের ছিল তবু,
আমার গল্পটি ফুরল,
নটে গাছটি মুড়ল!
বলল সে, থাক সে কথা।
বিগত দশক জানে তার জীবনের ঋণ।
চিরহরিৎ অরণ্যও জানে
সকল মুগ্ধতার অবসর হয় এক দিন।
আমার প্রথম প্রেম
ক্লাস এইটে তখন আমি, সন ২০০০ইং। দুষ্টামি কানায় কানায় ভর্তি, তারপরও আমি ভদ্র হিসেবেই পরিচিত ছিলাম। ক্লাসে কেউ প্রেম-ট্রেম করত না, আমিই প্রথম করলাম আরকি।
ঘটনাটা এক প্রকার এইরুপ>>>
আয় আরেকটিবার আয়...
অনেক দিন ধরেই স্কুল নিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হলো স্কুল নিয়ে লিখতে গেলে পাতার পর পাতা যদি লিখে ফেলি তবুও শেষ হবে না। অল্প পরিসরে স্কুল নিয়ে কিছু লেখা শুধু কষ্টকরই না, অসাধ্যও।
স্কুলে ভর্তি হওয়া নিয়ে আমার একটা কাহিনী আছে। প্লে গ্রুপে ভর্তি করানোর জন্যে আম্মু আমাকে নিয়ে গেলো সুরবাণী সংসদে। সেখানে আমাকে আমার নাম লিখতে বলা হলো। বাসা থেকে খুব করে নাম লেখা শিখে গেছিলাম। কিন্তু ওখানে গিয়ে কনফিউজড হয়ে গেলাম। “দ” এর হাঁটুটা ভাঙ্গবে কোনদিকে? ডানদিকে না বামদিকে। “দ” যদি ডানদিকে ভেঙ্গে লিখতে হয় তাহলে “ন” নিশ্চয়ই বাম দিকে ভাঁজ দিয়ে লিখতে হবে। কি লিখবো না লিখবো ভাবতে ভাবতে নিজের নাম “আনন্দ” না লিখে লিখলাম “আদদ্ন”। আমাকে আর সুরবাণী সংসদ ভর্তি নিলো না। মোটকথা আমি আমার জীবনের প্রথম এডমিশান টেস্টে কৃতিত্বের সাথে ফেল করলাম। আমার এডমিশান টেস্ট ফাঁড়া জীবনের পরবর্তী পর্যায়েও খেল দেখিয়েছে। সে কথা এখন না হয় থাক।
আমরা যখন নাস্তিক
প্রশ্নঃনাস্তিক অর্থ কি?
উত্তরঃAtheist.
উত্তর ভুল,নাস্তিক অর্থ Blogger
বিভ্রান্ত??সেটাই স্বাভাবিক।
হৈ হৈ..রৈ রৈ.কোথায় গেলি সব... আমায় ফেলে।।
হৈ হৈ..রৈ রৈ.কোথায় গেলি সব... আমায় ফেলে।।
বাহিরেতে উতাল পাতাল(২) হাওয়ায় সবই দোলে
ডার্লিং আমায় ফোন করেছে
ভাল বাসবে বলে।
সে যে ভালবাসবে বলে।
কোথায় যাব কি করিব (২) কি যে জবাব দিব
সামনে গেলে শরমে বুঝি মরেই আমি যাব।
হায় হায় মরেই আমি যাব।
কোথায় গেলি সখি তোরা
কোথায় গেলি সখি তোরা
যাস না আমায় ফেলে।
ডার্লিং আমায় ফোন করেছে
ভাল বাসবে বলে।
সে যে ভালবাসবে বলে।
সমুদ্রেতে ভাটা ছিল জোয়ার এসেছে
মাঝি মাল্লা মনের সুখে গান ধরেছে।
হায় হায় গান ধরেছে,
সেই জোয়ারে আমায় বুঝি কাবু করেছে
বুকের ভিতর ঠান্ডা গরম জ্বর এসেছে
হায় হায় জ্বর এসেছে।
কোথায় গেলি সখি তোরা
কোথায় গেলি সখি তোরা
যাস না আমায় ফেলে।
ডার্লিং আমায় ফোন করেছে
ভাল বাসবে বলে।
সে যে ভালবাসবে বলে।
২৬/০৭/২০১৩ খ্রীঃ
উত্তরা

কামাল ভাইয়ের ইফতার পার্টি এবং আরাফাত শান্তর মন কষ্ট
REOSA এর ইফতার পার্টিতে যোগদান করেছিলাম ২০ জুলাই ২০১৩ তারিখে পাবলিক হেলথ অডিটরিয়ামে। পাবলিক হেলথ অডিটোরিয়াম থেকে উত্তরায় ফেরার পথের ট্রাফিক জ্যামের কথা মনে করে সিদ্ধান্ত নিলাম না আর এতদুরে কোন ইফতার পার্টিতে আসা যাবে না। তারই প্রতিফলন ঘটলো ২৪ তারিখের আই ই বির (IEB) ইফতার পার্টিতে যোগদান না করা। সত্যি কথা হল IEB তে যেতে আসতে যে সময় লাগে সে সময়ে আমি দিনাজপুর চলে যেতে পারি। এ নিয়ে আমার দেশী ও RUET এর বন্ধু প্রিন্সের সাথে কয়েক দিন আগে অনেক হাসা হাসি হল। ওর মেয়ের দল জাতীয় স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম হল অথচ তাকে ইউস করতে যাওয়া হল না। কারন একটাই ওর বাসা আজিমপুর আর আমার উত্তরা। কি আর করা ফোনেই ইউস করলাম। অথচ এমন একটা সময় ছিল RUET ছুটি থাকলে একদিনও আমাদের দেখা হয়নি মনে করতে পারি না। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটা ইফতার পার্টিতে যোগদান করা হয়নি শুধু জ্যামের কষ্টের জন্য।
Those were the Days
সেই কৈশোরে গ্রাম থেকে চলে এসেছি। আজও গ্রামে গেলে ফেলে আসা দিনগুলি স্মৃতিকাতর করে তোলে। পুরনো বন্ধুদের সাথে কাটানো সময়গুলো পিছু ডাকে বার বার। সময় চলে যায় নিজস্ব নিয়মে কিন্তু কিছু কিছু মূহুর্ত, স্থান কখনও মন থেকে হারিয়ে যায়না। তেমনি কিছু কবিতা, গান নিমিষেই নিয়ে যায় অন্য ভুবনে, নস্টালজিক করে দেয়। এরকম একটি গান Those were the days.
গানটির কৃতিত্ব ‘জেনে রাস্কিন’ এর যিনি রাশিয়ান কবি Konstantin Podrevskii কবিতা থেকে তৈরি একটি রোম্যান্টিক গান Dorogoi dlinnoyu কে ইংরেজিতে রুপ দেন। সর্ব প্রথম ১৯২৫ সালে রাশিয়ান গায়ক Alexander Vertinsky এবং জর্জিয়ান গায়ক Tamara Tsereteli গানটির রেকর্ডিং বের করেন। কিন্তু ইংরেজী ভাষাভাষীদের মধ্যে গানটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে মূলত ১৯৬৮ সালে Mary Hopkins কণ্ঠে, যা দীর্ঘদিন ইউএস এং ইউকে সহ বিভিন্ন দেশের টপ চার্টে ছিল। গানটি তৎকালীন সময়ে এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে পরবর্তীতে Mary Hopkins আরও চারটি ভাষায় গানটি রেকর্ড করেছিলেন। স্প্যানিশ (Que Tiempo Tan Feliz), জার্মান (An jenem Tag), ইতালিয়ান (Quelli Erano Giorni), ফ্রেঞ্চ (Le temps des fleurs)
মারুফ প্রতীক ভাইয়ার দুই টাকা
মারফ ভাইয়া আপনার দুই টাকা গল্পটা আমাকে এত বেশী নাড়া দিয়েছে যে আমি বাধ্য হলাম কিছু লিখতে। আপনি আপনার অসাধারন লেখার স্টাইলে যেভাবে একটি অসহায় ক্ষুধার্থ কিশোরকে দু টাকার একটি ছেড়া নোট প্রদান করার চিত্র তুলে ধরেছেন। তা আমাদের সমাজের তথাকথিত কিছু বিত্তবানের বাস্তব চরিত্রের বাস্তবতাই ফুটিয়ে তুলেছেন। আপনি নিজেই লেখেছেন এটা বাস্তব গল্প।
প্রথমে টাকা দুটি পেয়ে ছেলেটি যে ভাবে আকাশ ছোয়া আনন্দে আত্ন হারা হয়েছিল। সে রকম আকাশ ছোয়া আনন্দ হঠকারী দান কারিটিও হতে পারত, মহান রাব্বুল আলামিনের দানের বদৌলতে। কোরআন হাদীসের বহু হায়গায় দানের ফজিলতের কথা বলা আছে।যা আমরা মুসলিম মাত্র সবাই জা্নি। তাই ওই দিকে আমি যাব না।
দান করা একজন মুসলিমের জন্য ফরজ বা অবশ্য করনীয় যাহা আমরা জাকাত হিসেব জানি। তবে যাকাত প্রদান কারার কিছু সর্ত আছে। অসহায় দরিদ্রকে সাহায়্য করার ব্যপারে কোন সর্ত নেই। যে কেউ তা করতে পারে।
বাস্তবিক কিছু চাহিদা .……
এটা আমার
বাস্তবতাকে কেন্দ্র
করে লিখা।
প্রাণভুমি
আমি চিনি। এই শহরকে।
এর মানুষকে।পড়ন্ত
সূর্যের আলোয়
হেঁটে চলা এক মানুষের
ছায়া যতদূর যায় ঠিক
ততদুর আমি এ
শহরটা চিনি। শহর
আমাকে গল্প দেয়।
প্রতিদিন। রাস্তায়
হাঁটতে হাঁটতে অথবা সা
দেখে অবাক হই,খুশি,ভয়ও
পাই কোনওসময়। শহর
আমাকে চরিত্র চেনায়
হাতধরে। ছেলেবেলায়
মায়ের হাত
ধরে হাঁটতাম
অথবা বাবার। এখন
শহরের হাত ধরে হাঁটি।
হাঁটতে হাঁটতে তাদের
চিনি যারা আমার মতই
হাত
ধরে হাঁটছে শহরের।
তাদেরও
দেখি যারা হাত
ছেড়ে দিচ্ছে অবলীলায়।
ভাবি,
ভবিষ্যতে কি শহরের
আয়নায়
দেখা যাবে এদের?
বা এদের মনের আয়নায়
এই শহরটাকে? উত্তর
নেই। হয়তো এই প্রশ্নের
উত্তর হয়ও না।
আমরা বড্ড বড়
হয়ে যাচ্ছি প্রতিদিন।
মনের দিক থেকে।
চারপাশের দৌড়
দেখে তাই তাদের
টপকানোর জন্য
লোকেরা ছোটে। আমিও
ছুটতে যাই।
তখনি অবনীর বাড়ির
জানলায় আমার চোখ
পড়ে। থমকে যাই।
অবনীর পা নেই। বাড়ির
একমাত্র জানলা আর
অগাধ বইপত্তর ওর
সম্পদ। মাঠের পাশের
বটগাছে আটকানো ঘুড়ি আ
অনেকখানি আকাশে ও
নিঃশ্বাস নেয়।একদিন
ও আমাকে বলেছিল
কিভাবে ওর সূচীপত্রের
তালিকার ভিড়ে অনেক
মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন!
ইচ্ছা ছিলো আজ পোষ্ট লিখবো না। তাও লিখছি। কারন অনেকেই আজ আশায় আছে আমি পোষ্ট লিখবো। খাওয়া দাওয়া আড্ডাবাজি কেমন হলো তার গল্প জানাবো। এসব লিখতে এখন আর আমার ভালো লাগে না। কারন রাত জেগে পোস্ট লিখে ১ টি মন্তব্য যখন প্রথম পাতায় ঝুলে তখন তীব্র মেজাজ খারাপ ছাড়া আর কি হয়! মনে হয় কার জন্য এসব অযথা পোষ্ট নিরন্তর লিখে চলা? আমি কখনো শত সহস্র কমেন্টের জন্য লিখি না। লিখি মুলত নিজের কথা গুলো বলতে। আশাবাদ থাকে গোটা পাচ দশ কমেন্ট পাবো! তিন চারটা কমেন্টেও যখন লেখা নিয়া উৎসাহ, ভালোলাগা মন্দ লাগা জানতে পাই তাও ভালো লাগে। কিন্তু একটা দিনলিপি লিখে ১টি মন্তব্য প্রাপ্তি তা দেখে আজ আমার আসলেই মেজাজটা বিগড়ে গেলো। এখন বলতে পারেন তুমি কোন লেখা লিখো যে পড়ে কমেন্ট করতে হবে বাপু? ভালো কথা তাহলে আপনারা লিখেন! এই ব্লগে দিনের পর দিন পোস্ট আসে না তাই নিতান্তই ছাগলামী করে প্রতিদিন অযথা লিখে যাই। তার কারনে এখন প্রথম পাতায় আমারই গোটা চারেক পোষ্ট ঝুলে। আর লেখার ২০ ঘন্টা পরে যখন দেখি ১ টি মন্তব্য নিয়ে পোষ্ট ঝুলে তখন নিজেকেই অভিসম্পাত দেই কেন প্রতিদিন লিখে যাচ্ছি?