ইউজার লগইন
ব্লগ
গোলাম আযমের রায়... এবং বাংলাদেশের গালে একটি চপোটাঘাত
১ রাষ্ট্র পক্ষের গাফিলতি:
"
বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীর বলেন, ‘রায় দিতে তিন মাস লেগেছে বলে অনেকে আমাদের সমালোচনা করেছেন। সমালোচনা করতেই পারেন, কিন্তু আমাদের কিছু সমষ্টিগত সমস্যা আছে। আমাদের ট্রাইব্যুনালে এক সেট স্বাধীনতাযুদ্ধের দলিলপত্র ছাড়া আর কোনো আইনের বই নেই, সেটাও দুই ট্রাইব্যুনাল শেয়ার করে পড়তে হয়। গত ৪০ বছরে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে শত শত বই লেখা হয়েছে, কিন্তু সেগুলো রাষ্ট্রপক্ষ আমাদের দেয়নি, আমরাও পাইনি। বিভিন্ন জায়গা থেকে রেফারেন্স সংগ্রহ করে আমরা রায় সমৃদ্ধিশালী করার চেষ্টা করেছি। তার পরও আমরা সন্তুষ্ট হতে পারিনি। এ জন্য রায় দিতে বিলম্ব হয়েছে।
"
এ দায় কার? এটা তো সরাসরি সরকারের ব্যর্থতার কথা। তারা সঠিক ভাবে ট্রাইবুনাল এবং এর সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয়াদি সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থতার বয়ান শুনলাম।
২. বিচার কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করে যে বিষয়গুলো
এলো কি অসময়!
ভালো লাগছে না কিছুই। সাদামাটা বাঙ্গালী, ধর্মে মুসলমান, বেকুব কিসিমের মানুষ আমি। একটা দরিদ্রপ্রবন দেশে সাধারণ জীবন আমার। তাও মনের ভেতরে কিছু আশা ভরসা থাকে, স্বপ্ন থাকে তাই নিয়ে বসবাস। সেই স্বপ্নের যখন টুকরো টূকরো হতে দেখি তখন খুবই মন খারাপ হয় সবার মতো করেই। নিজের জীবন যাপন ক্যারিয়ার নিয়ে আমার তেমন বিশাল চাওয়া পাওয়া নাই। বেঁচে বর্তে গেলেই হলো। জীবনে অভাবের অন্ধকারে না পড়লেই হলো। কিন্তু দেশ নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন, অনেক আশাবাদ। সেই আশাবাদ থেকে আমি কখনোই পিছু হটি নাই। সবাই যখন দেশ নিয়ে ভাবনা করা ছেড়ে দেয় আমি তাও আমি ভেবে যাই। কিছুই তো করার হলো না জীবনে, না দেশের জন্য না নিজের জন্য তাই অত্যন্ত দেশ কে নিয়ে ভাবি। ভাবনা ছাড়া আমার মতো ইন্টোভার্ট বেক্কেলদের কিছুই আর করার নাই! এতো ভেবেও মনে সামান্য আশাবাদ ছিলো যে আজ ফাসীর রায় শুনবো। কিন্তু কিসের কি!
গোলাম আজমের মৃত্যুদণ্ড চাই
বাংলাদেশের ইতিহাসের কুৎসিততম দিনটি পার করছে গোটা জাতি। গোলাম আযমের বিরূদ্ধে আজকে প্রকাশিত হওয়া রায়ের সংবাদ জানেন না এমন কোনো বাংলাদেশীর অস্তিত্ব থাকবার কথা নয়। এই অপমানজনক রায়ে স্তম্ভিত নন, স্বাধীনতার সপক্ষ শক্তির এমন কেউও আছেন বলে আমরা মনে করি না। যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের দাবিতে বাংলাদেশের জনসাধারণ, মানবতার পক্ষশক্তি ও বাংলা ব্লগস্ফিয়ারের যে দীর্ঘ সংগ্রাম, ব্লগারদের যে ব্যক্তিগত ত্যাগ ও প্রচেষ্টা, তার সবকিছুর মুখে এই রায় একটি নোংরা চপেটাঘাত।
আর কতকাল তুমি বেদনায় নীল হয়ে সব ব্যথা যাবে সয়ে
আধারের বুক চিরে শ্যামলী ব-দ্বীপ ঘিরে প্রত্যয়ী সূর্য ওঠে
শিশির কনার হাসি ফুটে ওঠে রাশি রাশি ঐ দেখ সোনার মাঠে
আর কতকাল তুমি বেদনায় নীল হয়ে সব ব্যথা যাবে সয়ে
জেগে ওঠো বাংলাদেশ আগুনের ফুল হয়ে
বেজে ওঠো বাংলাদেশ দীপ্ত শপথ লয়ে
মানুষের এই শোক যাতনায় ভাঙ্গা বুক বারবার দেখেছ তুমি
বেদনার মেঘমালা বৃষ্টি হওয়ার পালা হে আমার জন্মভুমি
আর কতকাল তুমি দুখের দহন সয়ে তিলে তিলে যাবে ক্ষয়ে
জেগে ওঠো বাংলাদেশ আগুনের ফুল হয়ে
বেজে ওঠো বাংলাদেশ দীপ্ত শপথ লয়ে
মানুষের ভেজা চোখে উষ্ণ সতেজ বুকে মুক্তির সেই বারতা
মুক্ত বাঁধনহারা সংগ্রামী জনতারা হে আমার স্বাধীনতা
আর কতকাল তুমি কাঁদবে একাকী একা সোনালী স্মৃতি বয়ে
জেগে ওঠো বাংলাদেশ আগুনের ফুল হয়ে
বেজে ওঠো বাংলাদেশ দীপ্ত শপথ লয়ে
আমার মাথার পরে মমতার ডালা ভরে হাত রাখো হে জননী
কোন এক কাক-ভোরে রাখালি বাঁশির সুরে বেজে ওঠো বঙ্গভুমি
লাল-সবুজের এই পতাকাটা উড়বেই এভারেস্ট চূড়া ছুঁয়ে
জেগে ওঠো বাংলাদেশ আগুনের ফুল হয়ে
বেজে ওঠো বাংলাদেশ দীপ্ত শপথ লয়ে
দায়শোধ- পর্ব ৫
এমনি করে প্রহসনের খেলা
না হলেও কাটত সবার বেলা
না হলেও ঘুরক ঘড়ির কাঁটা
আর বাঙ্গালীর থাকত কপাল ফাটা
ঘুরত ঠিকই রাজনীতিকের কল
থাকত বেঁচে শাষক শোষক দল
থাকত যত নর্দমা আর কীট
কিছু লোকের থাকত মাথার ছিট
থাকত মানুষ রক্ত ভেজা হাতে
স্বপ্ন কিছু মরত প্রতি রাতে
প্রহসনই করতে যদি হবে
আর কিছুতে পড়লো না চোখ কারো!
বিচার করে আমরা খুনীর পায়ে
সালাম কুটি! বেশ মেরেছো! মারো!
প্রাণের স্বদেশ, যাঁদের প্রানে কেনা
এই অপমান, না হলে কী হত!
আর কতকাল? আর কতকাল খেলা?
আর কতকাল চলবে অবিরত!?!
অফুরন্ত অবসর
দেশে বিদেশে বন্ধু বান্ধব, আত্মীয়স্বজন , ভাই বোন যারেই ফোন দেই, সবাই মহা ব্যস্থতা দেখায়। এক্সপ্রেস ট্রেনের মত ছুটছে সবাই। কারো কোন সময় নাই থেমে একটু বাতচিত করার। আমার কেন জানি কোন ব্যস্থতা নাই। তাই বলে মনে কইরেন না যে আমি বেকার , অলস কোন চাল কুমড়া। আমার প্রতিদিনের যত কাজ আমি ঠিক করে ফেলি, তারপর ও দেখি আমার হাতে অনেক সময়।
তানবীরা আপুর সারপ্রাইজ বার্থডের দিনে!
মনটা ভালো। ভালো থাকার অনেক কারন আছে একে একে বলি। প্রথম কারন বিসিএস সংশোধিত পাইকারী লিস্টেও নিজের রেজিস্ট্রেশন নাম্বার জ্বলজ্বল করতে দেখে, এশেজের এতো দারুন জমজমাট শুরু দেখে, অনাহুতের মতো তানবীরাআপুর বাসায় গিয়ে জন্মদিনের কেক ভক্ষণ ও আড্ডাবাজি, জ্যোতি আপুর সাথে রিকশায় দারুন আড্ডা, শেষে চায়ের দোকানে এসে এহতেশাম পুলক আমার মজার আড্ডা, বাসায় ঢূকেই তাজ্জব বনে যাওয়া মামার একদিন আগে ঢাকায় ফেরা, সব মিলিয়ে বাম্পার একটা দিন কাটলো। কালকেও বাম্পার দিন যাবার সম্ভাবনা আছে, যদি গোলাম আজমকে ফাসি দেয়। আমার মনের ভেতরে কিছুটা সন্দেহ, তাও আশা করছি আল মাহবুবের কাচ্চি খেয়েই রাতের খাবার হিসাবে উদযাপন করবো। দেখা যাক কী হয়! আগের মতো সেই খুশী খুশী ভাব নাই। কারন কাদের মোল্লার ফাসীর আপিলের খবর নাই, সাঈদীর রায় কার্যকর হবার খবর নাই, এখনো ঢিলে তালে চলতেছে অনান্য কার্যক্রম তাতে সন্দেহ অবিশ্বাস হবেই। আর নির্বাচন পরের বছরেই, তাই পলিটিক্যাল কারসাজি মুলক আপোষের ব্যাপার স্যাপার তো থাকেই। দেখা যাক কী হয়, ফেসবুকের ভাষায় বলি ফিলিং হোপফুল!
সোনার হরিন
নিঠুর বনে ঘুরে ঘুরে সোনার হরিন খুঁজে মরে
প্রান জুড়াতে চাও কী শীতল পাটি
সোনার খাঁচা একদিন হবে মাটি
দুখ পাখিটার নয়ন জলে সময় নদী বয়ে চলে
কোন সুখেতে নাড়ো কলকাঠি
সোনার খাঁচা একদিন হবে মাটি
আশায় আশায় জনম যাবে দেহঘড়ি দম ফুরাবে
পাবে তুমি পরপারের চিঠি
সোনার খাঁচা একদিন হবে মাটি
শোক যাতনা সকল ভুলে সাজবে জগত ফুলে ফলে
তোমার তখন চিরকালের ছুটি
সোনার খাঁচা একদিন হবে মাটি
রোযার মাসের হাল চাল
নিয়মিত নামায না পড়লেও ছোটবেলা থেকেই কেন জানিনা আমার রোযা রাখার অভ্যাস হয়ে গেসে। আর সেই অভ্যাস দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকেও বাদ যায় নাই। দেশে থাকার সময়ে ঘটা করে সেহরি খাওয়ার ব্যাপার ছিল। কিন্তু এখন আর সেহরি খেতে পারিনা। সন্ধ্যা রাতেই যা খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি । আর ভোর রাতে উঠা হয়না।
বাচ্চাদের স্কুল সামারের দীর্ঘ বন্ধ। ওরা সবাই দেশে চলে গেসে রো্যার শুরুতেই। আমি মনে মনে প্ল্যান করসিলাম, থাক খাওয়া দাওয়ার কষ্ট হবে, তাই এবার আর রোযা করবো না। আর এমন ভেবে প্রথম দুই রোযা রাখি নাই। আমি কোন বিশাল ধার্মিক মানুষ নই, বরং ওসব পালনের বেলায় চরম অলস। কিন্তু রোযার মাসে রোযা না রাখলে এত খারাপ কেন লাগে আমি বুঝি না। নিজেকে খুব অপরাধি মনে হয়।
বন্ধুরা / ভাবীরা ফোন করে ইফতারের দাওয়াত দেয়। কিন্তু ইফতার খেতে কারো বাসায় যেতে আমার মহা আপত্তি । কাজের যায়গায় প্রথম দুই দিন রোযা না রাখাতে লাঞ্চ কিনতে যেতে হোলো। কিনে ফেরার সময় রাস্তা'র আফ্রিকান মুসলমান হকার যে কিনা আমাকে দেখলেই প্রতিদিন হাত তুলে বিশাল হাসি দিয়ে বলে "হাও আর ইউ মাই ব্রাদার।
বিস্রস্ত জর্নাল থেকে কিছু জার্নাল!
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ লিখিত সব বই পড়া না হলেও মোটামুটি ভালোই পড়া। উনার লেখা পড়লে কেমন জানি শান্তি লাগে। সেই শান্তির উৎস খুজতে গেলে প্রথমেই পাই তার বর্নাঢ্য টেলিভিশন উপস্থাপনার কারনে চেনাজানার ইতিহাস। আমার এক বন্ধু ছিলো নাম নাসরীন। সে থাকতো আমাদের বাসার উপরের তালা। মেয়েটা অসাধারণ পরিশ্রমী ছিলো। কাক ডাকা ভোরে উঠতো তখন থেকেই এই ক্লাস নাইন টেনের বই গিলে খেতো। আমার আম্মু তার চেয়ারের আওয়াজ শুনে চিন্তায় পড়ে যেতো যে মেয়েটা কতো ভোরে উঠে আর তুই ঘুমাস। আমাকেও উঠিয়ে দিতো। কলোনীতে উপর নিচে বাসা থাকার কারনে যাতায়াত ছিলো না চাইতেই। ফেসবুকের কল্যানে কিছুদিন আগে দেখলাম এক প্রাইভেট ভার্সিটিতে জয়েন করছে লেকচারার হিসেবে। বিয়েও করছে। বন্ধুদের সফল জীবন দেখলে কেমন কেমন জানি লাগে। যাই হোক ও আমার কাছ থেকে প্রচুর বই নিতো। আমার বাসা তখন হুমায়ুন, মানিক, শরতের বইয়ের ফ্যাক্টরী। ধার দিতাম অকাতরে। আমাদের এক টিচার ছিলো নাম ভুলে গেছি। চেহারা ছিলো পুরো নায়ক আলেকজেন্ডার বো এর মতো। সেই নামেই ডাকতাম স্যারকে। প্রাইভেটে নাসরীন সব সময় ফার্স্ট হতো, আর পেতো বই। একবার পেলো আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের আমার উপস্থাপক জীবন। স্যারের কাছ থেকে
দেয়াল ঘেরা পাথর
আমার কান্নার অবশিষ্ট গুলো জল হয়ে আস্তে আস্তে তোমার কংক্রিটের মনের দেয়ালে আঘাত করে। সেই আঘাতে ক্রমেই নরম হয়ে যায় দেয়ালের পলেস্তারাগুলো, ক্রমেই ছুটে যেতে চায় দেয়াল থেকে, ক্রমেই দূরত্ব বাড়তে থাকে মনের সাথে। এই ছুটে যাওয়া, দূরত্ব বাড়তে থাকার নাম-ই হয়তো বিচ্ছেদ...
বিচ্ছেদ সইতে পারেনা কেউ কোনোদিন। তা আমি বুঝি...তাই তো মনের দেয়াল জুড়ে জমে থাকা পলেস্তারাগুলো আজকাল বড্ড শব্দ করে কাঁদে। সেই কান্না আমার চোখ বেয়ে মিশে যায় তোমার বুকের সমতলে।
কখনও কখনও সেই কান্না বয়ে বেড়ায় সময়। কিন্তু সময় সময়ের নিয়ম ভাঙ্গেনা। সময়ের পরিবর্তনে বিমূঢ় হয় স্থবিরতা, আর চঞ্চলতার শেষ ঠাঁই হয় প্রয়াণে, নয়তো মহাকালের অ্যালবামে।
আমি বিশ্বাস করি, তুমি তোমার মনটারে কংক্রিট দিয়ে বানাওনি। বানিয়েছে এই সময়, সমাজ, বাস্তবতা... এই মনটা এক সময় অবুঝ ছিলো, খুউব অবুঝ। সেই অবুঝতাই কাল হয়েছে কালের বিবর্তনে, সমাজ আর বাস্তবতার রুক্ষতায়। একজন মানুষ নামের প্রাণীর কারণে।
তাই তো বুঝ না তুমি আমাকে... আমার গুমট কান্নাকে...আমার ভালবাসা কে।
রমজানের নিয়মিত উৎপাত
সদাপরিবর্তনশীল পলিবিধৌত এই ব-দ্বীপাঞ্চল কখনও আর্যাবর্তের অংশভুক্ত ছিলো না। শাস্ত্রার্থে এই ব-দ্বীপাঞ্চল ছিলো নাস্তিক অধ্যুষিত, এ অঞ্চলের অধিবাসীরা বেদে বিশ্বাসী ছিলো না। আর্যের রথ নদীর পরিবর্তনশীল তীরে এসে থেমে গিয়েছিলো, প্রকৃতি ধর্মানুসারী এই অঞ্চলের মানুষকে গৌরবর্ণ আর্যেরা কখনও বিশ্বাস করতে পারে নি, এদের ভাষাকে শ্রদ্ধা করতে শিখে নি। বেদ উপনিষদ বর্ণাশ্রম এ অঞ্চলের মানুষের সম্পর্কের ভেতরে বাধা হয়ে উঠতে পারে নি।
বন্ধু বাৎসল্যের এই দিন রাত্রিতে!
মনটা কেমন জানি এলোমেলো। ভালো লাগছে না কিছুই। এরকম হবার কথা না কিন্তু হচ্ছে। এরকম হবার কথা না কারন খুব দারুন সময় গেছে আজ। তাও ভালো লাগছে না কিছুই। এশার নামায পড়তে ইচ্ছা করলো না তাই পড়া হয় নাই। আমি সবসময় এরকমই। ইচ্ছা ভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেই। হতে পারে এখন ইচ্ছে করেই মন খারাপ। খুজে টুজে মন খারাপের একটা কারনই পেলাম বন্ধু সোহেলে চলে যাওয়া। সাত আট দিন যে কিভাবে চলে গেলো টেরই পেলাম না। এমনই হয়। বন্ধুরা বারবার আসে থেকে যায়, যাবার সময় অনিবার্য মন খারাপ হয়। অথচ মন খারাপের কোনো কারন নাই। ঢাকাতে আসলে আমার এখানেই আস্তানা গাড়বে। আর নানান ব্যাংকের এক্সাম দিতে ঢাকাতে আসতেই হবে এখন। তাও প্রতিবারই যখন চলে যায় তখন তীব্র মন খারাপ হয়। তখন চিটাগাংয়ে না থাকতে পারার কস্ট মনে আকুপাকু করে। মনে হয় শ্যামলী নন এসি বাসে বন্ধুর সাথে রওনা দেই এক কাপড়েই। কিন্তু তা আর হয় না। হয় না তার কারন আর যেতে ইচ্ছা করে না বেহুদা। আর গেলে তো ফিরতে হবেই। অনন্ত ৩-৪ মাস না থাকলে চিটাগাংয়ের প্রতি বিরক্ত লাগবে না মনে হয়। কিন্তু এই ছয় সাত দিনের জন্যে যেয়ে অযথা মায়া বাড়ানো। এতো মায়া আর ভালো লাগে না। তাই আমার আর যাওয়া হয় না। এমন রোজার দিনে চি
নূতন বউ গো মারিস না গো
ফারলু (বি.এ) করল বিয়ে
পঞ্চাশে।
বউটি পুঁটি বয়েস ঊনিশ
(কাঞ্চা সে)।
বাসর রাতে ধুসর দাঁতে
পান খেয়ে,
বউকে বশের চৌকা রসের
গান গেয়ে;
ফারলু ভাবে যাবেই যাবে
পার পেয়ে।
ফোকলা বরাত! কাটল সে রাত
মার খেয়ে।
থাবড়া খেয়ে ফারলু (বি.এ)
গাল খোটে;
‘নূতন বউ গো মারিস না গো’-
বোল ফোটে।
‘টুনটুনিরে অফ যা ওরে
আজ রাতে;
কাল সকালে যাস গে চলে
বজরাতে’।
মিষ্টি পুঁটি চালায় লাঠি
তার পিঠে;
মারের চোটে ফুটল পিঠে
কালসিটে।
কাঞ্চা পুঁটি বলল উঠি
(চালাক সে),
‘খামোশ বুড়া করব খোঁড়া
তালাক দে’।
হেঁচকি তুলে ফারলু বলে,
‘এক তালাক’।
‘কাবিন নামার ছ’ লাখ টাকার
চেকটা লেখ্’।
পুঁটির মুখে খাতির দেখে,
চেক লেখা!
চোখের ভুলে, নাকের জলে
মুচলেকা।
চ তুমি কত ভাগ্যবান(শেষ পর্ব)
চ তুমি কত ভাগ্যবান(শেষ পর্ব)
চ তুমি কত ভাগ্যবান দ্বিতীয় পর্ব পড়ে একজন আমাকে THANX দিয়েছেন বিনিময়ে আমি উনাকে Thanks দিয়েছি। কারন একমাত্র উনিই আমার মত নির্বোধের নির্বুদ্ধিতার স্বরূপটা উন্মোচন করে চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়েছেন,নির্বোধেরাই কেবল মান্যগণ্য ব্যক্তিদের সমালোচনা করতে পারে। তা পবিত্র মহান সংসদে দাঁড়িয়ে তাঁরা যা খুশি বলবেন যাহা খুশি করবেন তাতে তোমার মত নির্বোধের কি? হউক তা মাননীয় স্পিকারকে লক্ষ্য করিয়া বলা, মাইক দে?
এই সে মহান সংসদ এর অভ্যন্তরে যারা প্রবেশ করবেন তাঁরা প্রত্যেকে প্রত্যেকটি এলাকার এক একজন আদর্শ মানুষ।আদর্শ ব্যক্তিগনকে পছন্দ করে পবিত্র সংসদে পাঠানো হয় যাতে তাদের সংস্পর্শে পবিত্র সংসদ আরও পবিত্র হয়ে উঠে। তারা রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের সন্তানদের জন্য কল্যাণকর আইন করবেন। রাষ্ট্রের সন্তানেরা তাদের কাছ হতে আদর্শ মানুষের মত জীবন যাপন করার দীক্ষা পাবেন।শিশুকালে বাবা মা, স্কুল, কলেজে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে আমরা শিখি। তারপর কার কাছ থেকে শিখব?,