ইউজার লগইন
ব্লগ
বোরিং...
বোরিং। নিজের সমন্ধে এই একটা শব্দই সব চাইতে বেশী যুতসই মনে হয়। বোরিং মানে সব সময় বোরিং ফিল করি তা না। বোরিং মানে বুঝাচ্ছি এন্টারটেইনিং না। বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলে দাঁড়ায় খাপ খাওয়াতে না পারা, কোনো অনুস্টানে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকা, চারিদিকে এত মজা আনন্দ তার দিকে সন্দেহের চোখে তাকানো, অল্প পরিচিত মানুষদের সাথে মিশে গিয়ে হাসি ঠাট্টা না করতে পারা। মোটের উপরে কথা অভ্যস্ত না এমন একটা হাঁসফাঁস আচরন কোথাও গিয়ে করে বেড়ানো। আবার সেই অনুষ্ঠানেই যদি আমার বন্ধু বান্ধবদের এনে দেওয়া যায় তবে আমার চেয়ে লাফালাফি আর কেউ করবে না, আনন্দের অতিসায্যে খেই হারিয়ে ফেলবে। তার মানে কি দাঁড়ালো? তার মানে আমি নিজের জগৎ নিজের বন্ধুময় পরিবেশ ছাড়া যেখানেই যাই ডিসওরিয়েন্টেড বোরিং ফিল করি। এই বিষয়ে ভালো জিনিস বলছিলো আমার বন্ধু অবশ্যই মেয়ে যার সাথে তাম্রযুগে আমার ভাব ভালোবাসা ছিলো। সে বলছিলো "বন্ধুদের সাথে দেখি তোমাকে কথার তুবড়ি ছোটাও, আমার সামনে আসলেই দেখি কোন কথাই খুজে পাও না। আমি যাই বলি শুধু তারই এন্সার দেও।" শুনে আমি খুব চিন্তায় পড়ে গেছিলাম। আসলেই তো আমি এমন কেন?
হেফাজতের উত্থান পতন
লেখাটা ৭ই মে লিখেছিলাম সামান্য কিছু অদল বদল করে ব্লগে টুকলাম আজকে
৫ই মে গভীর রাত থেকে শুরু করে ৬ই মে সারাদিন অব্যহত পুলিশ অভিযান, সহিংসতা , অগ্নিসংযোগ শেষে অবশেষে হেফাজতে ইসলাম পিছু হটেছে। বাংলাদেশের চলমান বাঙালী জাতিয়তাবাদী সাংস্কৃতিক উত্থানের বিপরীতে হেফাজতে ইসলামীর পশ্চাতমুখী বদ্ধ সংস্কৃতির ধারণা সাধারণের ভেতরে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করলেও এর সাম্ভাব্য সমর্থকদের সার্বিক সংখ্যা সাধারণ মানুষদের আতংকিত করেছিলো। মিডিয়ায় তাদের নেতা ও কর্মীদের "গণতওবা", এবং 'কানে ধরা' ছবি তাদের বশ্যতা মেনে নেওয়ার, তাদের পরাজিত হওয়ার এবং মনোবল ভেঙে যাওয়ার প্রতীকি উপস্থাপনে সাধারণ মানুষ স্বস্তি পেয়েছে , আনন্দিত হয়েছে।
বাসস্টপে সেইমেয়েটা কবে নেমে গিয়েছিল
তুমি আনন্দ৷
তুমি বেদনা…. তুমি ধুসর কল্প৷
বাসস্টপে সেই
মেয়েটা কবে নেমে গিয়েছিল
ল্যাপটপে অসুখ জড়িয়ে ছিল সুনন্দ অপার৷
মাউসের একফুট দূরে উবু হয়ে বসে ছিল চাঁদ
পাশে ল্যাপটপ আলোয় ঘুমায় বিবশ
চাকরী আমার৷৷
কেউ বোঝেনি কোনোদিন দূরত্ব কত
যে রঙ্গিন হয়
দূরত্ব আপন করে সে কতবার
অথৈ জলে নেবেছিল৷
কে যেন বলেছিল…এক গ্লাস সকালের
বিশুদ্ধ গঙ্গা জলে
জলছড়া দিয়ে বিশ্বজয় করে এসে নিজেই
অবাক হয়েছিল৷৷
দুটো নাম আসলে আলাদা আলাদা কাজ করে
প্রেমের মাঝখানে একজোড়া লাল হলুদ
সুতো জোড়ে৷
দেহ বাঁধতে গেলে সুঁচের ডগায়
একফোঁটা যে রক্তবিষ
গোলাপী ভ্রমর ওড়ায় সে বিষ, এক
দি্স্তা কাগজের মোড়ে৷৷
বাসস্টপে সেই
মেয়েটা কবে নেমে গিয়েছিল
তুমি আনন্দ …..তুমি অন্তর গল্প।
দূরত্ব আপন করে আমি কতবার জলে নেবেছিল
তুমি বেদনা…. তুমি ধুসর কল্প।।
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-৪)
সুখী মানুষের দেশে
সুখ বায়বীয় একটি বিষয়, আপেক্ষিক ব্যাপার! সে তর্কে না গিয়েও বলা যায়, বাংলাদেশ হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষের দেশ! আন্তর্জাতিকভাবে পরিচালিত বিভিন্ন জরিপেও এটা একাধিকবার প্রমাণিত হয়েছে! দেখা যাক, কীভাবে বাংলাদেশ সুখী মানুষের দেশ_
ষ এ দেশের রাজনীতিকরা প্রতিনিয়ত গণমানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ান। এ দেশে যতটা মানুষ তার চেয়ে অনেক বেশি ভোটার! এ 'ভোটাররা সব দেখে, বোঝে। বুঝে-শুনেই আবার ভোট দেয়। নতুন করে নিপীড়নকারীরা ক্ষমতায় আসে, আবারও পুরনো নিয়মে নিষ্পেষিত হতে শুরু করে মানুষ। অতীতের কথা মনে রাখি না বলেই আমরা সুখী!
ষ অন্যের দুর্ভোগ দেখে অনায়াসে আমরা হাসতে পারি। কেউ হয়তো কলার খোসায় আছাড় খেয়ে পড়ল, সেটা দেখে সাহায্যে না এগিয়ে আমরা হাসি। আবার কারও গায়ে হয়তো কাউয়া পক্ষী ইয়ে করে দিয়েছে_সেটা মুছে দেওয়ার চিন্তা না করেও হাসি। আমরা সুখী হবো না তো, কে হবে!
ষ সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুক এখন জানিয়ে দেয় কার সঙ্গে কার প্রেমের সম্পর্ক, কার সঙ্গে কার বিয়ে হয়েছে বা হবে। কারও সম্পর্ক ভেঙে গেলেও খুব আনন্দের সঙ্গে সেই স্ট্যাটাসে আমরা 'লাইক' দিই! যেন সম্পর্ক ভাঙাটা খুবই সুখের!
যুদ্ধ পর্ব -৩
এই হল আমার বাংলাদেশ, ক্ষমতাবানদের সাথে আপোষ করে থাকতে হবে।, তারা যত অন্যায় আর ভুল ই করুক না কেন? তাদের ভুলের কারনে আমার আপনার জীবন, পরিবার সব ধ্বংস হয়ে যাক, তাও টু শব্দ করা যাবে না। সমযোতা করে চলতে হবে। যা বলে তাই মাথা পেতে নিতে হবে। নইলে মিথ্যা মামলার পর মিথ্যা মামলা হবে। আপনার কিছু করারা থাকবে না।। আদালত এইসব মিথ্যা মামলার চার্জ গঠন করবে, তারা বুঝতে ই পারবে না এই মামলা যে মিথ্যা।। আসলে তারা আসামি পক্ষের কথা না শুনে ই চার্জ গঠন করব.। অসহায় আমরা, আমাদের উকিল রা নিজের মাথার চুল ছিঁড়ব। কিন্তু কিছু করার থাকবে না।
বলিউড হলিউড ভেরী ভেরী জলি গুড!
ইচ্ছা করেই দুই তিন দিন পোস্ট লিখি নাই। কারন টানা পোস্ট লেখার কিছু নাই। আমি তো ওতো মহান লেখক না যে লিখতেই হবে। লিখি সাদামাটা দিনলিপি তা মিস গেলেও কিছু করার নাই। আর যাদের লেখার কথা তারাই যদি না লিখে তবে কারোর কিছু আসলেই করার থাকে না। আর একটা লেখার পরে যখন দেখি মাত্র তিন চারটা কমেন্ট তখন খুব কস্ট লাগে। তবে এতো কস্ট জীবন নস্ট। তাই এখন আর কস্ট পাই না। ধরেই নেই অনেকেই পড়বে লেখাটা, হয়তো ভালোও লাগবে, কিন্তু কেউ কমেন্ট করবে না। তবে কমবেশী পড়ে যে অনেকে লেখা তা আমি মানি। নয়তো কবে কি লিখছি তার রেফারেন্স মাঝে মাঝেই এমন মানুষদের কাছ থেকে শুনি যাদের আমার লেখা পড়ার কথা না। অনেকেই বুকমার্কড করে ফেলছে চেনা জানা শুভাকাংখীরা তারা নিয়মিতই জানায় মন্দলাগা ভালো লাগা। আমি কতো কস্ট করে পোস্ট লিখি তা নতুন করে বলার কিছু নাই। আপনারা যখন এই পোস্টটা পড়ছেন তা লেখার জন্য আমাকে সন্ধ্যায় ঘুম থেকে উঠে ভাবতে হইছে কিন্তু তখনই তো আর লেখা যায় না। লেখার সময় ফিক্সড হয় ভাত খাওয়ার পরে। বুয়া আসে নাই লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে মামা রান্না করলো। আমি মনের সুখে ওয়ান্স আপন টাইম মুম্বাই এগেইনের কাওয়ালী সুফী মিক্সড একটা গান বারবার শুনতে শুনতে
চ তুমি কত ভাগ্যবান(প্রথম পর্ব)
তখন ক্লাস সেভেন/এইটে পড়ি। রাত এগারটার আগে ঘুমুতে যাওয়া হতো খুব কমই। পড়াশুনার জন্য রাত জাগা তা বলা যাবে না, ফিফটি ফিফটি বলা যাবে। তখন বিনোদনের মাধ্যম রেডিও, প্রতিদিন রাত দশটায় কোন না কোন কেন্দ্র থেকে অনুরোধের আসর হতো। আমাদের ঠাকুর গাও থেকে আকাশবানী কলকাতা খুব সুন্দর শোনা যেত। বুধবারে আকাশবাণী থেকে হতো আধুনিক গানের অনুরোধের আসর।
ওগো বৃষ্টি তুমি চোখের পাতায় ছুয়ো না,
অথবা তোমার আকাশ দুটি চোখে আমি হয়ে গেছি তারা
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-৩)
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-১)
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-২)
স্যার উইলিয়াম মার্ক টালি

একাত্তর, উত্তাল সারাদেশ। সর্বত্রই মানুষের মুখে শুধু যুদ্ধের আলোচনা, সচেতন বাঙালি মাত্রই সর্বদা জানতে আগ্রহী ছিল কোথায় কি ঘটেছে আর এর জন্য সবাই উন্মুখ হয়ে থাকতো একাত্তরের বিবিসিতে একটি কন্ঠ শোনার জন্য। একাত্তরের বিবিসি মানেই মার্ক টালি। তখনকার দিনে যুদ্ধের আলোচনা উঠলেই অনেকেরই প্রশ্ন ছিল বিবিসিতে আজ কি বলেছে মার্ক টালি? ধনাঢ্য ইংরেজ পরিবারের সন্তান মার্ক টালির জন্মস্থান কোলকাতা। বাবা বৃটিশ হলেও মা ছিলেন বাংলাদেশের নেত্রকোনার মেয়ে। তাইতো বাংলাদেশের সাথে তার সম্পর্ক নাড়ির।
এমন কি ছিল কথা?
সচরাচর যেমন হয়,
শুধু তাঁর কাছে ভয়,
শুধু সত্যের কাছে ভয়,
শুধু মিথ্যার অভিনয়।
শুধু মিথ্যার জয়।
সচরাচর যেমন হয়,
শুধু অস্তিত্তের আশায়
মিথ্যে ভালবাসায়
মিথ্যে সম্পর্কের সমন্বয়,
শুধু বিচ্ছেদের জয়।
সচরাচর যেমন হয়,
শুধু সম্পদের আশায়
আঘাতের প্রস্রয়।
সুখ শান্তির ভাষায়
দস্যুতার অন্বয়।
সচরাচর যেমন হয়,
যাতে নারীর ভয়
পুরুষের জয়।
যেখানে মিথ্যে দম্ভে
মনুষত্ত্বের পরাজয়।
সচরাচর যেমন হয়,
যেখানে নারীত্বের বেঁচাকেনা
সমাজের অহংকার।
যৌতুকের দেনায়
নারীত্বের সৎকার।
সচরাচর যেমন হয়,
যেখানে ঘুষের আগুনে পোড়া
মনুষত্তের গৌরব।
মানুষেরা অসহায়
নেই ফুলেল সৌরভ।
সচরাচর যেমন হয়,
যখন যুদ্ধের জয়,
শান্তির ক্ষয়
মিথ্যে সেবার ভাষায়,
মুল্যবোধের অবক্ষয়।
সচরাচর যেমন হয়,
ধর্মের ছায়ায়
সন্ত্রাসের জয়।
মানুষের স্বপ্নে, আশায়
বোমা গর্জায়।
সচরাচর যেমন হয়,
ঘরে কোণায়
নারীর আস্রয়।
তাদের কান্নায়
ধর্মীয় স্লোগান বাজায়।
আর কতকাল এমনি কাটবে দিন
আর কতকাল ঘটবে মনুষত্বের বিলীন।
আর কতকাল প্রস্রয় পাবে ঈস্রাফিলের বীণ।
হবে কোন কালে অত্যাচারীর বিষাক্ত হাত অস্রহীন।
চুপি চুপি ঘাড় আজা
তুমিও মিথ্যে বলতে পার বুঝিনি কখনও
এমন মিথ্যে বলায় দুঃখ নেই আরও বল আরও
বিষন্ন বাউন্ডুলে তুমি আবোল তাবোল-১৬ লিখে
সকাল সকাল মনটাই দিলে ভরে।
তোমার লেখার রূপ রস গন্ধে
আমরা বন্ধু আছি সতেজতায় ভরে।
তুমি এত লেখ, এত ভাল লেখ
তবু বল কিছু লেখ নাই
একি ব্লগের প্রতি ভালবাসা
নাকি মনুষ্য স্বভাব চাই-চাই-আরও চাই।
চুপি-চুপি ঘাড় আজা-ঘাড় আজা
এ দো গানা নেহী শুনা কাভি
কুছ বাত নেহী, পড়কে দিল ভর গিয়া আভি।
দুঃখের সারথি বন্ধুদের চেনালে তুমি
নতুন অবয়বে।
হায়েনার দল যতই বড় হউক,
মানুষ মনুষ্যত্ব সর্বদাই রবে।
আমি গ্রীন, আমি নতুন তাই ভেবেছিনু
কেউ কাউকে নাহি চেনে।
আমরা বন্ধুর বন্ধুত্বের গভীরতা অনেক
যদিও টোকাই ননসেন্স হাবীব এল এক্ষনে।
তুমি জানালে কত আপু ভাইয়্যার কথা
কে আছে কোথায় বা কি করে।
সাঈদ ভাইয়ের বিলাসী শেষ, তানবীরা (আপু) সিসিমপুরে।
০১/০৭/২০১৩
আবোল তাবোল - ১৬
# আমি, তুমি ও আমাদের কথকতা #
মাঝেই মাঝেই আমার খুব ইচ্ছা করে নিয়মিত একটা কিছু লিখতে,
শান্ত ভাই এর মত অত ভালো না লিখতে পারি -
নতুন আরও কিছু বন্ধুর মত লিখতে পারলেও একটা কিছু করা হতো।
তাও পারিনা। ভালোই লাগে না।
প্রিয় ব্লগ টাকে এভাবে ঘুমাতে দেখলে কারই বা ভালো লাগে!
মাসুম ভাই তাও মাঝে মাঝে আসেন, লেখেন - কমেন্টের উত্তরও দেন। রাসেল ভাই, নিভৃতদাও উঁকি দিয়ে যান মাঝে মাঝে।
শাপলা আপু সেই কবে একটা লেখা দিয়েই উধাও,
জোনাকি আপুর তো কোন আওয়াজ নাই।
জ্যোতি আপুকে কিছু বলবো না, অভিমান করলাম!
জেবিন আপু ছবি তুলতে তুলতে হারায়া যাইতাছে,
তাও একটা ছবিব্লগ দেয় না। এমনই পোস্টের কথা বাদই দিলাম!
আজ শুরুর মাসটাতেই প্রিয় মায়াবতী আপুর লাইফের খুব স্পেশাল কিছু সময় রয়েছে অপেক্ষায়, এই সময়টায় তার অনুভূতি জানাতে যে একটু আসবে তাও না! একটা বার দেখা পর্যন্ত দিতে আসে না আজকাল।
আর তানবীরা আপু এখন দেশে। কত্ত কত্ত মজা না জানি হচ্ছে সিসিমপুরে, তা যদি আমাদের সাথেও একটু আধটু শেয়ার কর হয় কি এমন ক্ষতি হয় তাতে?!
সাঈদ ভাই এর 'বিলাসী' সেই কবে শেষ,
আর নতুন কিছু দিতে আসে না! কিপ্টা হইয়া গেছে!
কেন মেঘ আসে হৃদয়ও আকাশে( পর্ব-২)
ভাই সাপের খেলা, দেখবেন আসেন, আছে গোখড়া, পদ্মিনী, শঙ্খিনী, দারাজ, আরও অনেক অনেক সাপ। এই সব বিষধর, কাল নাগিনীর সাথে খেলা করবে আমার কাল নাগিনী, আমার সঙ্গিনী, আমার পিয়ারি, কমলা বেগম। তাই আসেন, সময় গেলে আর দেখতে পারবেন না। সুযোগ হেলায় হারাবেন না। সকাল ১০টা কি সাড়ে ১০টা, বাজারের বাঁশের হাট বসার ফাঁকা জায়গায় সাপের খেলা দেখানোর জন্য সাপুড়ে মিয়া/বিবির(বদি ও কমলা) দল সাপ খেলা দেখানোর জন্য হাক ডাক ছাড়ছে। ইতিমধ্যে লোকজনের ভীড় অনেক জমে উঠছে। কাজলের বোন ঢাকা থেকে এসেছে। সব বোন গুলো অপরূপ সুন্দরী এবং ভাল জায়গায় বিয়ে হয়ছে। বংশীয় পরিবার। এক ভাগ্নিকে সাথে করে মাছ, মাংসসহ অনেক বাজার করে মোটর সাইকেলে বাসায় ফিরছিল। কোলাহল ও গোলাকৃতির জটলা দেখে, কাজল ভোঁ ভোঁ করে চলা মোটর সাইকেল খানা গ্যাচ করে ব্রেক করে অকুস্থলে থামাল। যারা অকুস্থলে উপস্থিত তাদের সকলেরই প্রায় পরিচিত , তাই সন্মান বা ভয় যাই বলেন, অনেকে সরে গিয়ে জায়গা করে দিল। মটর সাইকেলে বসেই দেখল,সাপুরে স্বভাব সুলভ বগর বগড় করে যাচ্ছে।
ও সাপের খেলা।
আচ্ছা আইতাছি।
জেবীন আপুর বন্ধুর কবিতার বই" মুড়ি"
আফনের বন্ধু আবু বরকতের জন্মদিন
আফনের মাজেজায় চিনিনু তিনাক যিনি ছিল অচিন।
আফনের বন্ধু তাই মোরও বন্ধু,
কি দিব উপহার বল
সুদুর হিমালয় হতে তুলে আনা নাম জান কিছু ফুল
টেকনাফের ঝর্না হতে এক ঘটি জল।
আর কি দিব বল।
আমরা বন্ধু, আমরা শক্তি আমরাই সবার বল।
তোমার বন্ধুর,
কবিতার বইখানি প্রকাশিত নাম দিয়েছেন মুড়ি
তারুন্যে ভরা অবভব খানি, ঠোটে আঁটা বিড়ি।
তোমার লেখায়,
বন্ধু পরিবারের সকল অনুভুতি তুলেছ মুড়ি মুড়ি
কেমন বন্ধন বল, কেহ কাকেও ছাড়িতে না পারি।
কেহ কাউকে নাহি চিনি ব্লগের পাতার বাহিরে
তবু যেন মনে হয় চিনি তোমায় হাজার বছর ধরে।
যা শিখিনি ক্লাসে, যা শিখিনি মাঠে শিখেছি তা হেথায়।
এমনিই এক পাঠ্য শালা বিনে পয়সায় শিখায়।
বই না কিনেও বই পড়ার সাধ মিটে হেথা।
শান্ত টুটুল, টোকাই তানবীরা বলছি সবার কথা।
যখন তুমি আমি বুড়া বুড়ি হাতে নিব বই “মুড়ি”
নাতি নাতনি বলবে দাদু কবিতা কেন মুড়ি।
আমারও কথা, বক্কর ভাই, নাম কেন দিলে মুড়ি।
প্রথম পরিচয়েই দিলাম একখান ছোট্ট প্রশ্ন ছুড়ি।
৩০/০৬/২০১৩
পড়ানোর মুড়ি, ছড়ানোর মুড়ি ...
আলোর খেলা, কথার খেলা কোনটাতেই পারঙ্গম না, তাই এই নিয়ে আলোচনাতে মেতে উঠার প্রশ্নই আসে না কারুর সাথে, তায় আবার ইন্টারনেটে আড্ডা অচেনা লোকের সাথে! নির্দিষ্ট গন্ডি ছাড়া অচল আমি’র কাছে তখন আন্তর্জালে বন্ধু পাতানো অচিন্তনীয় বিষয়ই! আর সেই “এ,এস, এল প্লিজ” লেখাটা দেখলেই কথা বলার ইচ্ছে উবে যেত, তাই ঘাপটি মেরেই পড়ে থাকা কখন ভাইবোনরা অনলাইন হবে, তবেই আড্ডা হবে – এর অপেক্ষা করা। না চিনতাম ব্লগ, না আর কিছু।
