ইউজার লগইন
ব্লগ
ছোট চাচা (শেষ পর্ব) তবু নামটা এখনও ঠিক করতে পারিনি।
বাংলাদেশ সরকারের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারীদের জীবন।
বাংলাদেশে সরকারী চাকুরীর বেতন কাঠামো এমন যে, একজন তৃতীয় বা চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী তাদের বেতনের টাকা দিয়ে মাসের ১৫ দিন চলাই কষ্টকর। একজন চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী যার বেতন স্কেল ৪১০০ টাকা, সে সর্বসাকুল্যে বেতন পায় ৭৫০০ টাকা। এখন যারা ঢাকা শহরে চাকরী করেন তারা একটা ছোট রুম ভাড়া দেন কমকরে হলেও ৫০০০ টাকা (ঢাকায় এখন সর্বনিন্ম রুম ভাড়া ৫০০০ টাকা)। স্বামী-স্ত্রী দুজনের মাসিক খাবার খরচ কম হলেও ৩০০০+৩০০০=৬০০০ টাকা। প্রতিমাসে দুই জনের নাস্তা সহ অন্যান্য (অন্যান্য বলতে প্যান্ট-শার্ট,শাড়ী, ডাক্তার, ওষুধ, যাতায়াত ভাড়া ইত্যাদি) খরচ ২০০০+১৫০০=৩৫০০ টাকা। মাসে দুই একজন মেহমান আসলে আরও বাড়তি খরচ হয় কমকরে হলেও ৫০০ টাকা। এখানে কোন সন্তানের খরচ বাদ দেয়া হল, কেননা একটা সন্তান জন্ম থেকে বড় করতে হলে তার পিছনে অনেক খরচ করতে হয়। তাই তাকে এখানে নিঃসন্তান থাকতে হবে। তাহলে সর্বমোট খরচ দাড়াল--- (৫০০০+৬০০০+৩৫০০+৫০০) ১৫০০০ হাজার টাকা।
আবার একজন তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী সর্বসাকুল্যে বেতন পান ৪৭০০ টাকা স্কেলে ৯০০০ টাকা। খরচের অংকটা এখানে একই রাখলাম।
স্বপ্নটা ভেংগে গেল
(জোনায়েদ মাসুদ হোসাইন)
বিঃ দ্রঃ (কবিতাটা আমার নয়। আমার ৭ম শ্রেনী পড়ুয়া ছেলে জোনায়েদের লেখা)
বিকালে খেলা শেষে
বাসায় ফেরার সময়
গ্রামীন ফোন বলল, চল বহুদূর।
বহুদূর গিয়ে দেখলাম
অন্ধকার হয়ে এসেছে
তারপর পাশ থেকে “রবি” বলল
জ্বলে উঠুন আপন শক্তিতে।
আমি ভাবলাম, এটি আবার কোন দেশে এলাম
“বাংলালিংক” বলল
এটি হচ্ছে বাংলালিংক দেশ।
আমি পিছন ফিরে বাসায় যেতে লাগলাম,
তখন টেলিটক বলল,
এমন কচ্ছপ গতির ইন্টারনেটের মত হাঁটলে
চলবে না।
আমি দৌড়াতে লাগলাম
ফেরার পথে সামনে
একটি বাধ পড়ল,
পাশ থেকে টেলিটক বলল
বাঁধ ভেংগে দাও।
আমি বাঁধ পেরিয়ে ভয়ে
দৌড়াতে লাগলাম,
বাসায় পৌছলে বাবা বলল
এটি কোন সময় হল বাসায় ফেরার
সময় কি বাংলালিংক দামে বিক্রি হচ্ছে।
হঠাৎ একটি জোড়ালো আওয়াজে
আমার স্বপ্নটা ভেংগে গেল।
১৮/০৫/২০১৩ ইং
ইদানীং নিজে নিজেই ভাবি, ঘুমাতে যাবার আগে দুঃচিন্তার মতো জানতে চাই-প্রেম কী ?
ইদানীং নিজে নিজেই ভাবি, ঘুমাতে যাবার আগে দুঃচিন্তার মতো জানতে চাই-প্রেম কী ? মাথায় হাত বুলাতেই চমকে উঠি, তালুটা ইট ভাটার চুল্লীর মতো গরম মনে হয়। তার আমেজেই সিদ্ধ হচ্ছে প্রেমসহ মস্তিষ্কের কিলবিলে পোকাগুলো। রাত দিন ভেবেও ভালোবাসার এস্কুল-ওস্কুল করতে পারি না। ভাবতে ভাবতে আমি দার্শনিকের মতো চুল-দাড়ি-গোঁফ রাখতে শুরু করেছি কবে থেকে তা নিজেই জানি না। 'সবুরে মেওয়া ফলে' জাতীয় কথাবার্তা আর ভালো লাগে না। বন্ধুদের ধমকে উঠে বলি- এই চুপ থাকবি ? ওরা চুপ মেরে যায়। আমার প্রেম গবেষণা শেষ হতে হতে হয় না। বসন্তের দিন শেষে গ্রীষ্মের বাতাসে আমের মুকুল গন্ধ ছড়ায়। বন্ধুদের দু'একজন বলতে চেষ্টা করে, 'অবন্তীকে কথাটা বলে ফেললেই পারিস। ওদের কথা শুনে নিজের ভেতর রাগ দেবতাকে ধরে রাখতে চেষ্টা করি। মিন-মিন করে বলি, ইস্ কেমন বুদ্ধি দিতে শিখেছে। আমি তো কথাটা বলতে গিয়ে কতবার যে বলতে পারিনি তা বন্ধুরা জানতেও পারেনি। ওর সামনে গিয়ে দাঁড়ালে স্যারের সামনে পড়া বলতে দাঁড়ানোর মতো সব ভুলে যাই!! কি মুছিবত! ওকে দেখলেই হাত পা কাঁপে, হৃদস্পন্দন থেমে যায়। মাঝে মাঝে ভাবি, এই অনুভূতির নামই কি প্রেম?
গায়েবি বুক
ফেসবুকে এখন গায়েবি বুকে(নগরীতে) পরিনত হয়েছে। সর্বত্র চলছে গায়েবি ফুউউউউউ।
আজ অমুক সেলিব্রেটির আইডি গায়েব তো কাল তমুক সেলিব্রেটির স্ট্যাটাস। আর পরশু আরেকজনের ফটো।
এভাবেই চলছে আইডি , স্ট্যাটাস আর ফটোর গুম।
এইতো গতকাল গুম হওয়া একটি আইডি পুনরুদ্ধার করা গেছে। এরপর তার কাছথেকে আমরা জানতে পেরেছি যে তাকে নাকি কতিপয় ছাগল খাওয়ার চেষ্টা করেছিলো।
এই কথা শুনে জনৈক মহাপুরুষ বলেছেন, “ আসলেই ছাগলে কি না খায় ?”
ছাগু সর্দার অবশ্য এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, “ এই গায়েবের সাথে ছাগু সম্প্রদায়ের কোনো সম্পৃক্ততা নেই, ইহা শফি সাহেবের ফুউউউউ এর কারসাজি।”
আবেগঘন কন্ঠে তিনি আরও বলেন, “আমরা ছাগু, আমরা কাঁঠাল পাতা খাই; আর মাঝেমাঝে বাঁশের কেল্লায় গিয়ে বাঁশপাতা খাই, কিন্তু আমরা আইডি খাই না। ”
তাদের এই কথা শুনে প্রতিবাদী কন্ঠে সরকার সাহেব বলেন, “ আপনারা জানেন ছাগলে সবই খায়, আর তারই ধারাবাহিকতায় ছাগুরা বিভিন্ন চেতনাধারীদের আইডি খেয়ে দিচ্ছে।”
হারানো সেই দিনের কথা
যেই দিন চলে যায় পরে সেটাই অনেক মধুর মনে হয়। মনে হয় যদি ফিরে পেতাম সেই দিনগুলি।
আজকাল্কার কান্ডকলাপ আমার কাছে মনে হয় যেন বাস্তব কিছু নয়। যেন কোন হীরক রাজার গল্প টাইপ মুভি দেখছি হলে বসে। ভাল লাগেনা। যেহেতু আমিও একজন সচেতন নাগরিক তাই মনে কষ্ট পাই। দূর দেশে বসে অন লাইন আর টি,ভি'র বদৌলতে দেশের সব খবর পেয়ে যাই সাথে সাথেই।
বিশ্বাস হতে চায়না, মন মানেনা, তবুও জানি এটাই সত্যি।
তাই বসে বসে ভাবি, ইস যদি এখনকার দিন গুলি আগের মত হত!
মানুষ মানুষকে কুপিয়ে মারতো না, অনেক মিত্থ্যাচার ছিলনা, পারস্পরিক সন্মানবোধ অনেকটাই বজায় ছিল। ধর্ম নিয়ে কোন বাড়াবাড়ি ছিল না। ধার করা কোন সংস্কৃতি নয় বরং আমাদের নিজেদের যা আছে তাই নিয়ে খুশি থাকা।
দেশ একটাই, জাতিও একটা। কিছুটা মত বিভেদ থাকবেই, কিন্তু তাই বলে স্বপক্ষে আর বিপক্ষে বলে জাতিকে দুই ভাগে ভাগ করে দিয়ে কি আনন্দ, বুঝি না।
আচ্ছা, আমরা আসোলে কবে মানুষ হব, কেউ বলতে পারেন?
নিশ্চয় তাঁর মধ্যে কিছু আছে, আসুন সবাই রেশমার মুরিদ হই
সাভারে ভবন ধসে বহু মানুষ মারা গেলো। ১৭ দিন পর শুধু রেশমা জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হলো। কি আচানক কাহিনী!।
নিশ্চয়ই রেশমার মধ্যে বাতেনী এলেম রয়েছে বিধায় সৃষ্টিকর্তা কেবল তাঁর প্রতিই সহায় হয়েছেন। আসুন আমরা রেশমার মুরিদ হই। তাঁহার পড়া পানি পান করি। এতে অশেষ নেকী হাসেল হওয়ার পাশাপাশি রোগবালাই এবং বালা-মুসিবতও হয়তো দুর হবে। রেশমা যদি একটু ভেগ ধরেন তবে ব্যবসাও হবে বেশ।
রেশমাকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনার পর বহু মানুষ যেন নতুন করে ঈমান ফিরে পেয়েছেন। পথেঘাটে, বাসে, ব্লগে, ফেসবুকে বহু মানুষ ঘটনাটিকে অলৌকিক অ্যাখ্যা দিয়ে এবং ঈশ্বরের কুদরতের কথা ভেবে পাগলপাড়া হয়ে পড়ছেন। বাসে যাতায়াতের সময় উত্তেজিত কোনো কোনো যাত্রীর কণ্ঠ থেকে আক্রোশমূলক বচন ঝড়ে পড়তে দেখেছি। কি? ‘এরপরও যদি কেও অবিশ্বাস করে...সে কি মানুষ? এদের উচিত শিক্ষা দেওয়া উচিত’।
হঠাৎ করে ঈমানের তেজ অনেকের এতোটাই বেড়ে গেছে যে, মনে হয় কোনো অবিশ্বাসীকে কাছে পেলে ওই যাত্রী নগদে হত্যা করবেন।
আব্দুল কালামের আলোকিত মনের পাঠানুভুতি
ভারতীয় রাষ্ট্রপতি APJ ABDUL KALAM IGNITED MINDS লিখেছেন। অনুপ্রেরণাদায়ী বই হিসেবে ভারতের ভবিষ্যত নাগরিকেরা এই বই পড়ে আত্মমর্যাদাবোধে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ভারতকে ভবিষ্যতে বিশ্বে একটি পরাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলবে।
বুয়েটের বাপ(পর্ব-৩)
আমরা যখন রুয়েটে ভর্তি হই তখন ছেলেদের জন্য ১নং (শহীদ শহিদুল ইসলাম) হল, ২নং (শহীদ আব্দুল হামিদ) হল, মেইন হোস্টেল( শহীদ লেঃ সেলিম) নামে তিনটি হল ছিল। মেয়েদের জন্য তখন কোন আলাদা হল ছিল না। মেয়েরা একটি শিক্ষক কোয়ার্টারে থাকত। আমরা যখন রুয়েটে ৮৫ সিরিজে ভর্তি হই তখন এটা ছিল রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ১৯৮৬ সালে তা বি, আই, টি, রাজশাহী ( বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি, রাজশাহী) এবং ২০০৩ সালে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বা রুয়েট নামে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়।
পতিতা এবং আধুনিক আমরা
আগে পতিতারা একচাটিয়া ব্যাবসা করত এখন আধুনিক মেয়েরা পতিতাবৃতকে নিজেদের মধ্য নিয়ে এসেছে”- সঞ্জীব চট্টপাধ্যায়ের এই কথাটা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিজেই সত্যতার প্রমান দিয়ে চলেছে। আজকাল এই কথাটা ধ্রুবতারার মত প্রমান দিয়ে চলেছে সমাজের কাছে ।
অবরুদ্ধ কণ্ঠ-২ (যুদ্ধ পর্ব)
একটা সময় পার করলাম, বলা টা হয়তো ঠিক না। কিছুটা পথ অতিক্রম করলাম। এই পথ নতুন, এই পথে হাটার ধরন নতুন। সামাজিক ভাবে অছ্যুত এই পথ। নিয়তি যখন আমাকে এই পথের ধারে এনে দাড় করিয়ে দিল, আমি জেনে গেলাম এর কোন বিকল্প নেই, এই পথের কারনে পরিচিত অনেক বন্ধু বা আত্মিয় ই গায়েব হয়ে গেল নিমিষে। অনেকে থেকে গেল। অনেকে নতুন যোগ হল।
এই নতুন মুখ বা আধা পরিচিত মুখ যারা এই পঙ্কিল দুর্গম পথে আমার পাশে রাসেল এর জন্য এসে দাঁড়ালেন তাদের মাঝে প্রথম ফোন টা আমি পাই ফিরোজ ভাই এর কাছ থেকে। আমি তখন ও কোর্টে এ পৌছাই নি। কল পেয়ে ও তাকে না দেখা পর্যন্ত আমি বুঝতে পারিনি এটা সংহতির ফিরোজ ভাই।কেম্ন করে যেন সে এই পুরো পথটা ই আগলে রেখেছে আমাদের। সে ই পরিচয় করিয়ে দিল কিছু "মানুষের" সাথে।
বাংলাদেশের সর্বোবৃহৎ পেপার লাইব্রেরী
সংবাদ!
সংবাদ!
সংবাদ!
আমি একটি ওয়েব সাইটের সংবাদ পেয়েছি। এখানে বাংলাদেশের সমস্ত পত্রিকার ওয়েব এড্রেস রয়েছে। আপনি খুব সহজেই এখান থেকে বাংলাদেশের সব দৈনিক পত্রিকার ইন্টারনেট সাইটে যেতে পারবেন। আমার মনে হয়, এটা বাংলাদেশের সর্বোবৃহৎ পেপার লাইব্রেরী। আমি নিচে ওয়েব সাইটটির এড্রেস দিলাম। বন্ধুরা, ইচ্ছা হলে তোমরা দেখে নিতে পারো_
সংবাদ!
সংবাদ!
সংবাদ!
আমি একটি ওয়েব সাইটের সংবাদ পেয়েছি। এখানে বাংলাদেশের সমস্ত পত্রিকার ওয়েব এড্রেস রয়েছে। আপনি খুব সহজেই এখান থেকে বাংলাদেশের সব দৈনিক পত্রিকার ইন্টারনেট সাইটে যেতে পারবেন। আমার মনে হয়, এটা বাংলাদেশের সর্বোবৃহৎ পেপার লাইব্রেরী। আমি নিচে ওয়েব সাইটটির এড্রেস দিলাম। বন্ধুরা, ইচ্ছা হলে তোমরা দেখে নিতে পারো_
ব্লগারদের আন্দোলন - ব্লগারদের কাদা ছুড়াছুড়ি : তবুও শাহবাগ জেগে থাকবে
আজকের যে কাদা ছুড়াছুড়ি চলতেছে তার প্রধান দায় আইজুর(দুই বা ততোধীক ব্যক্তির নিক. সে-ই শাহবাগ নিয়ে কাদা ছুড়াছুড়ি শুরু করেছে প্রথম--
শাহবাগ মাঠা কর্মসূচি, ইমরান ব্লকার না, পাঞ্জাবি পড়ে, হাস্যকর কর্মসূচী দেয়, সাহস থাকলে শিবিরের মিছিল মোকাবেলা করেন, পুলিশ প্রহরায় এইসব মাঠা কর্মসূচি সবাই পারে, আওয়ামী মিডিয়া সেলের নিয়ন্ত্রক, আমি শাহবাগকে দুর্বল নেতৃত্বছাড়া করতে চাইছি, তিন ভাঁড়ে ডিসিশান দেয়, ইমরান আর কন্ডম একই কথা, পাঞ্জাবির হিসাব দেও, সাভার ট্রাজেডিতে প্রজন্ম চত্ত্বর এত মাতামাতি করছে কেন, সব শেষে সাভার ট্রাজেডিতে টাকার হিসাব চাওয়া।
একটা আন্দোলনকে দুর্বল করতে হলে মুখপাত্রকে হেয় করতে হয়। এইটা শাখামৃগের ভাল জানা আছে। বার বার বলা হচ্ছিল ইমরান হল মাইক। সবাই মিলে ডিসিশান নেয়ার পর একটা মাইক দিয়ে প্রচার করতে হয়। একজনকে মাইক হিসেবে মেনে নিতেই হবে। তাই ইমরান ওখানে। যারা শাহবাগ আন্দোলন সংশ্লিষ্ট তারাই এই ডিসিশান নিছে যে ইমরানই মুখপাত্র হবে।
আমি ঝড় আঁকতে পারি না তবুও ঝড় বয়ে যায়/ আমার উঠোনে আমার আঙ্গিনায়!
পোস্ট দেই না কয়েকদিন যাবত। লেখতে পারি অনেক কিছু নিয়েই কিন্তু লেখি না। ভালো লাগে না আর এই অযথা দিনলিপি লিখে বেড়াতে। আবার লিখতেও মন চায় খুব। এক নাগাড়ে বানান ভুল আর যতি চিন্হে গড়বড় লেখাগুলো লিখে ফেলার পর এক ধরনের মানসিক শান্তি খুজে পাওয়া যায়। কেউ কেউ পড়ে তা যখন ভালো মন্দ বলে তা শুনে অনুপ্রেরনা পাই লেখার। কিন্তু ইদানিং আর লেখতে ইচ্ছা করে না। আবার অমুক বই পড়ে তমুক সিনেমা শেষে কিংবা অযথাই গতানুগতিক আলস্যের একটা দিন কাটিয়ে মনে হয় লিখে ফালাই কিছু। কিন্তু লেখা আর হয়ে উঠে না। ব্লগে এখন অনেক নতুন নতুন ব্লগার তাদের নানান লেখা পড়তে ভালোই লাগে। তখনো মনে হয় লিখে ফালাই কিন্তু আর পারি না। লিখছি না এইটা তেমন কোনো সমস্যাও না। তবে তার সাথে সাথে পড়ছিও না। বাসায় এতো বই অপঠিত হয়ে এখনো পড়ে আছে ভাবলেই মেজাজ খারাপ লাগে। তবে পড়ে ফেলবো সামনেই হয়তো এই আশাতেই দিন কাটাই। বই পড়ার চেয়ে উত্তম কিছু নাই। লেখার ইচ্ছা ছিলো সিনেমা নিয়ে। তাও ইচ্ছা করতেছেনা এখন। অনেক সিনেমা দেখে ফেললাম এরই মাঝে। তবে আমার খুব ইচ্ছা হিন্দী ছবি নিয়ে লেখার। তাই অসাধারন মামাকে বলে মামার অফিসের ব্রডব্যান্ড থেকে হিন্দী ছবি নামাচ্ছি নতুন নতুন। হলিউড