ইউজার লগইন
ব্লগ
বন্ধুত্বের টানে, বন্ধুদের পানে
প্রায় দু'বছর আগে ব্লগ খুলে আজ প্রথম পোস্ট দিচ্ছি। লেখালেখি থেকে বিচ্ছিন্ন অনেকদিন। সামু দিয়ে ব্লগিং শুরু করলেও পরিচিত, প্রিয় বন্ধুদের টানে এখানে আবার আবির্ভূত হলাম। আশা করি প্রাণময় ব্লগারদের লেখা পড়ে নিজেকে আবারো ঋদ্ধ করবো আর ছাইপাশ লিখে সবাইকে বিরক্ত করে যাবো
পেশাগত কাজের তাগিদে সাম্প্রতিককালে পড়াশোনা করছি শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে। আর নিরন্তর ভেবে যাচ্ছি আমাদের দেশের শিশু-কিশোরসহ পূর্ণবয়স্ক মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার কী সুযোগই বা আছে? দুশ্চিন্তা, হতাশার মত মানসিক সমস্যাগুলো নিয়ে বাচ্চারা স্কুল-কলেজে কারই-বা শরণাপন্ন হতে পারে? পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়-বন্ধুসমাজের কারো, কিংবা নিজের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আমরা ঠিক কতটুকু সচেতন? প্রতিটি স্কুলে 'স্কুল সাইকোলজিস্ট' নিয়োগ দেবার সরকারি পরিকল্পনাটি ঠিক কি অবস্থায় আছে কেউ জানেন?
সবার জন্য শুভকামনা।
সময় গেলে সাধন হবে না
এক গরীব পোলা বড়শি দিয়া একটা বড় কই মাছ ধরসে ।।
মেলাদিন ভাল কিছু খায় নাই বেচারা ।।
ভাবল আজকে মজা করে মাছ দিয়ে ভাত খাবে ।।
ছেলের মা রাইন্ধা দিল আলু-পিয়াজ-মাছের ঝোল।।
আহ !! কি সুঘ্রান !! পোলাটা খুশি তে বাকবাকুম।।
মা কইল বাপ খাইয়া ল গরম গরম ।।
পোলা কইল-
আম্মা আপ্নে আর আমি আইজ ঝোল দিয়া এ ভাত খাই।
কবে আবার মাছ পামু ঠিক নাই।।
মায় কইল তাইলে ঠিক আসে ।।
মা-ছেলে মজা কইরা খাইল।।
আহারে সে কি খাওয়া ্্্
পরের দিন ...
পোলা কইল...
আম্মা মাছ ত একডা ... কেম্নে কি ??
আইজ এক কাম করি আমি আর আপ্নে মাছের ঝোল আলু আর পিয়াজ দিয়ে এ খাইয়া লই।।
মায় কইল-
ঠিক আছে বাপ ... তয় কাইল কিন্ত আমি লবন মরিচ দিয়া ভাত খামু তুমি কিন্তু একলাই মাছ খাইবা । ঠিক আসে আব্বা?? তাইলে আমি আইজ আলু দিয়া খামু ।
আহারে !! আপ্নেরে ছাড়া আমি কেমতে খাই , আম্মা ।
আপ্নে তাইলে একটু খাইয়া বিসমিল্লাহ কইরা দেন । আমি কাইল মজা লইয়া খামুনে ।
মায় এক চিমটি খাইল।
চোখ বুইঝা স্বপ্ন দেখল তার বাজান মাথা নাছাইয়া কেম্নে আরামে খাইতেসে।
রাইতে পোলা ঘুমাইতে গেল
আহা কি শান্তি
কাইল মাছ খাইব
ভাবতেই ধেই ধেই করে নাচতে মন চায়।
অবশেষ
অনেক অনেক হলো চাওয়া,
পাওয়াও কি হয় নি কিছুই?
আর কত!
সমস্ত কৃতার্থ-ব্যর্থ কামনার যুঁই
ছড়িয়ে দিয়েছি প্রিয় পরানের শবে –
মুষল বর্ষণ নামো, এসো খ্যাপা হাওয়া
অবশেষে ভাসাও এ অবশেষ তবে
তার ক্ষত
দাহস্মর, যাপিত কালের ক্লিশে দাগ
মুছে যাক অন্তিম উৎসবে।
অনেক অনেক রাত জেগে আছি নিভৃত একাকী
অর্থহীন, উদাসীন, বৃথা –
সময়ের বৃক্ষ ছেড়ে জীবনের পাখি
অন্ধকারে ঢেউ তুলে শূন্যে কবে উড়ে চলে গেছে
দেখেছি তা।
ভুল? না তো, কেউ কি কোথাও আছ বেঁচে?
কেউ কি আমাকে খোঁজো ঘুমঘোরে
হ্রস্ব-দীর্ঘ নিঃশ্বাসের শব্দের ভেতরে?
নাই, কেউ নাই।
ঘুমের সময় হলো, যাই।
jidajidir jidtai
একদেশে দুই নামিনী,
ঝগড়ে কাটায় যামিনী ।
বাগে পেলে এ উহারে
জবর কষে ঠোকর মারে ।
এক নামিনীর দন্ত-নখর
তীক্ন বেশি অষ্ট প্রহর,
অন্যটার বাসি গু
ঘেটে ছড়ায় অখুশবু ।
দোহাররা তার কোরাস ধরে
হোক্কা হুয়া হুয়া করে ,
ষোল কোটি ভয়ে ডরে
কুত্তার লাহান লেজ নাড়ে ।
অন্যটা একটু কম বাক,
রাখেও কিছু রাখ ঢাক ।
'ডঃ' এর শিং নাইযে
সমান তালে গুতাবে ।
দুইজনেরই উনারা নাই,
খোকা-খুকুরাও বিদেশ থায় ।
দুই নাইয়ার আছে শুধু
জিদাজিদির জিদটাই !
বিচ্ছিন্ন শতদল, বিক্ষিপ্ত জলরাশি
ক্রিং ক্রিং
-ইপি আপু?
কই তুমি?
-গ্যারেজে। গানজা খাই।
ওয়াক! সারাদিন যখনই ফোন করি তখনই কেন তুমি গ্যারেজে গানজা খাও?
-কারণ আপনি ফোন করে এটা শুনলে একটু ধমকান তাই।
কেন? ধমকানোর লোক কই গেছে?
-ওর কি আর ধমকানোর টাইম আছে? উন্নতির ট্রেন ছুটে যাবে তো।
তো তোমার কি উন্নতি করতে ইচ্ছা করে না?
-করে। সেই জন্যই তো ক্ষুধার্ত আর বোকা থাকি।
কিন্তু সেইটা তো শুধু এক্সট্রা অর্ডিনারী মেরিটওলা'দের জন্য। তোর মতো বলদ কি খালি কি ক্ষুধার্ত আর বোকা থাকলে চলে?
-কিন্তু আমার ইনটিউশন যে আমাকে সেরকমই থাকতে বলে।
ইনটিউশন না রে গাধা। অলস মন। ও সবসময়ই মানুষকে আলসেমী করার বুদ্ধি দেয়। ওর কথা শুনলে জীবনে উন্নতি করতে পারবি না।
-আচ্ছা না পারলে অসুবিধা নাই। আপনের কি অবস্থা? এত সকালে ফোন দিলেন যে?
এমনি ফোন করলাম। তোকে ফোন করতে আবার কারণ লাগবে নাকি রে পাগলা?
-তা অবশ্য লাগবে না। চলেন আজকের কড়কড়ে রোদে সারাদিন বেড়াই।
বেদুইন মন যেন ওয়েসিস চায়, কতো দূরে সে দুরের নগর!
আবার লিখতে বসলাম। যদিও লেখার জন্য খুব একটা উপযোগী মন বা পরিবেশ নাই। গরমের দিন গুলোতেই আমার বেশী ভালো লাগে। এই কথা যখনই কাউকে বলে সবাই অট্টহাসি দেয়। গরমের দিন কারো প্রিয় হতে পারে তা কেউ কখনো ভেবে পায় না। কিন্তু মানুষের ভাবাভাবিতে আমার কিচ্ছু আসে যায় না। এই তীব্র গরম দাবদাহ বা কালবৈশাখীর দিন গুলোই আমার কাছে অসাধারন লাগে। ঝকঝকে দিনে রোদ উঠবে আকাশ কাপিয়ে, এমন দিনে আমি হেটে বেড়াবো নগর বন্দর একা একা এমন সব স্বপ্ন দেখতে আমার অনেক ভালো লাগে। কখনো সখনো যদি এরকম দিন পার করি মনে হয় জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় গুলো পার করে আসলাম। তবে গরমের দিন আমার ভালো লাগার আরেকটা বড় কারন হতে পারে ছোটবেলা থেকেই এই লম্বা দিন গুলোতে খুব বাইরে বাইরে থাকতাম। সারাদিন খেলা আর খেলা। আমার বয়সী আমার বন্ধুরা যখন বাসায় যেতো তখনও আমি চলে যেতাম কলোনীর বাইরে। তখন কেউ বাইরে বাস্তোহারা কলোনীর ছেলেদের সাথে খেলতো না একি স্কুলে পড়লেও। কিন্তু দেখা গেলো সারাদিন বাইরে বাইরে থাকার কারনে আমার প্রচুর বন্ধু চারিদিকে। রোদে পুড়ে চেহারা তামাটে কালো, শুকিয়ে কাঠ তার ভেতরেই আমার বাহির অভিযান অব্যাহত। আমার আম্মু আব্বু ভাইয়া মেরেও আমাকে সাইজে আনতে পারে ন
শ্রেষ্ঠত্তের দাবীদার ধর্মে নয় , কর্মে !
সামার শুরু হলেই নিউইয়র্কে শুরু হয় বিভিন্ন দেশের প্যারেড। আর এই প্যারেডগুলি বেশিরভাগ হয় ম্যানহাটানের ফিফথ এভিনিউতে। ফিফথ এভিনিউ হল ম্যানহাটানের সবচেয়ে দামী জায়গা। সবাই পারমিশন পায়না এখানে প্যারেড করার, শুধু প্রভাবশালী দেশগুলির প্যারেড দেখি এই এভিনিউতে।
আগে থেকে জানতাম না, জানলে আর গাড়ি চালিয়ে আজ ম্যানহাটানে না এসে বাসে ট্রেইনে আসতাম। ব্রীজ পার হয়ে শহরে ঢুকতেই অনেক বেশি বিশেষ পুলিশের উপস্থিতি দেখে ভাবলাম আবার কোথাও কোন সন্ত্রাসী হামলা হোলো কিনা !অমন কিছু হলেই পুরো শহর জুড়ে পুলিশি ততপরতা অনেক বেশি দেখা যায়। আমি যেই রুট ধরে সব সময় যাই, সেই সাইড রোডগুলি সব ব্লক করে রাখা, গাড়ি ঘুরিয়ে দিচ্ছে। মহা ঝামেলায় পড়লাম ! ভয়ে ভয়ে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে পুলিশকে জিজ্ঞেস করলাম কেন রাস্তা বন্ধ, আবার কিছু হইসে নাকি? পুলিশটা হেসে উত্তর দিল, না কিছু হয় নাই , কিন্তু আজ "ইস্রায়েল ডে প্যারেড" হবে ফিফথ এভিনিউতে , আর তাই পুরো শহর জুড়ে ওদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা।
বাথরুম না রেস্ট রুম ( গল্পটি আমি প্রথমে গেট টুগেদার নামে আরম্ভ করেছিলাম)
আমাদের সমিতি প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র মোক্তাদির (আদরণীয় পূর্নাইয় পণ্ডিত) কে মেইলে প্রেরন করার ক্ষনিক বাদেই,তিনি আমাকে মহান ব্যক্তি হিসেবে ঊল্লেখ পূর্বক পাল্টা মেইল করিলেন। আমি এবার সেল যন্ত্রটি হাতে লইয়া ডিজিটাল যুগের নির্দেশিত ডিজিট গুলোতে অঙ্গুলি নির্দেশ প্রদান করত প্রেরন বাটনে চাপ প্রদান করিলাম। পণ্ডিত অবশ্যই কর্ম ফুসরতে ছিলেন। পিক করার সাথে সাথেই আক্রমন করিলাম। কিরে ব্যটা পাম দিতে তো ভালই শিখিয়াছ। আমি আবার কবে থেকে মহান ব্যক্তি হইলাম। নারে দোস্ত তুই.........।
নিউইয়র্কের সামার
বলা যায় নয় মাস শীতের শহর নিউইয়র্ক।হাড় কাঁপানো শীতের পর বসন্তের আমেজ একটু খানি দিয়েই অনেক প্রত্যাশিত গরমের দেখা মিলে জুন মাসে। অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকে এই শহরের মানুষেরা অল্প দিনের এই সামারের জন্য।সামার আসলেই ঝকঝকে রোদের তাপ যেমন বাড়তে থাকে এই শহরের মানুষগুলিও হাসি খুশি আর আনন্দে মেতে উঠে।
পুরো শীতকাল জুড়ে সব গাছ গুলি ন্যাড়া হয়ে কঙ্কালের মত সারি সারি দাঁড়িয়ে থাকে। রাস্তা ঘাটে প্রয়োজন না হলে মানুষ খুব কম বের হয় , বরফ জমে পিচ্ছিল হয়ে থাকে সব কিছু। অনেক শীতের কাপড়, টুপি, মাফ্লার, মোটা জুতা, মোজা অনেক কিছুর ভিতর নিজেকে লুকাতে হয়, আকাশ হয়ে থাকে প্রায় সময় গোমড়া মুখে। যখন তখন শুরু হয়ে যায় হীম শীতল বাতাস কিংবা বরফ পড়া।এই সময়ে ঠেকায় না পড়লে ঘর থেকে বের হতেই ইচ্ছা করেনা। যদি জীবিকার প্রয়োজন না হত তাহলে আমি এই সময়ে ঠিক দেশে গিয়ে কাটিয়ে আসতাম, কিন্তু উপায় নাই গোলাম হোসেন।
লং ডিস্টেন্স রিলেশনশীপ
ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে। স্নিগ্ধর মনটা আজ খুবই খারাপ। তার ভালোবাসার মানুষটি তার থেকে অনেক দূরে থাকে। তাদের সময়ের ব্যাবধান ১২ ঘন্টার ; স্নিগ্ধর দেশে যখন রাত নামে তখন মিনির দেশে করকরে রোদ।
মিনি অনেক ভালো একটা মেয়ে। পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতপরিবর্তনশীল দেশে থেকেও যে তৃতীয় বিশ্বের একটি ছেলের জন্য অপেক্ষা করে। তার সকল ভাবনা জুড়েই স্নিগ্ধর বিচরণ। এমনকি স্বপ্নও আসে স্নিগ্ধর স্নিগ্ধতা নিয়ে।
তাদের মাঝে যোগাযোগের একটাই মাধ্যম , সেটা হলো ভার্চুয়াল জিনিস। হয় ফোনে তাদের ভাবনার বিনিময় ঘটে নয়তো চ্যাটিং এর মাধ্যমে আবেগের আদানপ্রদান ঘটে। তবুও হাজার মাইল দূরের দুটি মানুষ কিসের যেনো একটা বাধনে বাধা।
স্নিগ্ধ জানালায় বসে আছে। দেশে এখন চার নম্বর বিপদ সংকেত চলছে। সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারনে সারাদেশে বৃষ্টি নামছে। স্নিগ্ধ স্বাভাবিক একটি ছেলে। আর তাই আজকের আবহাওয়া তার মাঝে রোমান্টিক একটা আবহের সৃষ্টি করেছে; মাঝে মাঝে এটি মিনির শূণ্যতাকে প্রকট করে তুলছে|
জীবন থেকে নেয়া (টুকরা টাকরা গল্প)
আজকাল সাংবাদিকরা সবাই একযোগে এক কাজ করেন। বিশেষ করে কোন একটা কিছু হিট হয়ে গেলেতো কথাই নাই। সবাই তার পিছনেই ছুটবেন। ফেব্রুয়ারীতে বাংলা একাডেমীর বইমেলায় যেয়ে বাচ্চা আর বাচ্চার মায়েদের প্রশ্ন করা কেনো এই বইমেলা, একুশে ফেব্রুয়ারী মানে কি জানেন কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি। বেশির ভাগ সময়ই যেসব মায়েরা বা তাদের বাচ্চারা সঠিক উত্তর দিতে পারে না, তাদের সাক্ষাতকার চ্যানেলে প্রচার করা, সব চ্যানেলেই মোটামুটি এই কাজটা গেলো দু/তিন বছর ধরে যত্নের সাথে করে যাচ্ছে। এই কাজটা করা তাদের নৈতিক সাংবাদিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে গেছে। মেয়ের বাবা বাংলাদেশের মানুষের ইতিহাসের জ্ঞানের এই বহর দেখে, এই পরিনতি নিয়ে যারপর নাই হতাশ। বিদেশে বসে নৈতিক হতাশা জ্ঞাপন করেন আর দেশের কি হবে ভেবে নিয়মিত আফসোসায়িত হন। আমি একদিন বল্লাম, চ্যারিটি বিগিনস এট হোম, তোমার মেয়েকেতো এতো একুশের প্রোগ্রামে নিয়ে গেছো, একুশে নিয়ে জ্ঞান দিয়েছো, কাঠ বিড়ালী কাঠ বিড়ালী আবৃত্তি করিয়েছো সাড়ে তিন বছর বয়েসে, তখনো বাংলা অক্ষর জ্ঞান নেই, কিন্তু ছড়া মুখস্থ করিয়েছি, জিজ্ঞেস করোতো ডেকে একুশে ফেব্রুয়ারী কি ব্যাপার?
বিজ্ঞান তোমাকে ছালাম(প্রথম পর্ব)
আগুন আগুন চিৎকার শুনে বাম দিকে তাকাতেই দেখি সহকর্মী রাজিব অ্যাকাউন্ট্স এর জি, এম, শ্রী শঙ্কর বাবুর রুমের দিকে ছুটে যাচ্ছেন। এ সময় অফিসে আমাদের এ জোনে আর কেউ ছিল না। আমাদের এক প্রাক্তন সাইট ফোরম্যান আমাদের কোম্পানির সাথে এখন ছোট খাট ব্যবসা করেন, ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়াতে এম ডি স্যার, ম্যাডামসহ সবাই তার সুচিকিৎসার জন্য বিদেশ যাবে কিনা এ বিষয়ে ছোট কনফারেন্স রুমে আলোচনায় রত।অ্যাকাউন্ট্স এর জি, এম সাবও কোন এক মিটিংয়ে অফিসের বাইরে ছিলেন। আমি রাজিব সাহেবকে অনুসরন করে রুমে ঢুকেই দেখি স্প্লিট এসির ভিতরের ইউনিট ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ও এক পাশে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে।
দালাল আইন এবং দালালবান্ধব সামরিক শাসক
৫৬ হাজার বর্গমাইলের এই ছোট দেশটি পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান করে নিতে সাগর পরিমান রক্ত দিতে হয়েছে। আর সেই স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী একটি শ্রেণী সেসময় দেশব্যাপী চালিয়েছে গণহত্যা, গণ ধর্ষন, রাহাজানি, মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়িতে আগুন দেয়া, লুট এবং মানবতা বিরোধী আরো অনেক কাজ। তারা ভেবেছিলো এসব করে দেশকে স্বাধীন হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারবে, আর আমরা আজীবন অধিকারবঞ্চিত পরাধীন জাতি হয়েই থাকবো।
এই যে একটি শ্রেণী ধর্মের দোহায় দিয়ে পাকিস্তানীদের দালালীতে লিপ্ত ছিলো গোটা নয়টি মাস, তাদের শাস্তির জন্যই ১৯৭২ সালে ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরেই উদ্যেগ নিয়েছিলেন বলেই মাত্র ১৪দিনের মাথায় ২৪শে জানুয়ারী "দ্যা বাংলাদেশ কোলাবোরেটরস অর্ডার ১৯৭২" বা "দালাল আইন আদেশ" শিরোনামে আইন প্রনোয়ন করা হয়। নতুন দেশ, নতুন সবকিছু, তাই এই আইনটি চুড়ান্ত হতে আরো তিন দফা সংশোধন করা হয় যথাক্রমে ঐ বছরেরই ৬ই ফেব্রুয়ারী, ১লা জুন এবং ২৯শে আগষ্ট।
জানা যাক, এই দালাল আইনের কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলীঃ
১৭ই মার্চ, ১৯৭২ঃ শহীদ পরিবারের সদস্যরা পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে ঢাকায় মিছিল বের করে।
মাগো ভাত খাবো
( এটা আমার লেখা প্রিয় কবিতার একটি তাই পুরান হলেও এ ব্লগে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না। আমার এ ইচ্ছাকৃত অপরাধ কি ক্ষমা করা যায় না!)
লোভাতুর রক্তপিপাসু মাছিগুলো
বারবার কাটাফাটা রক্তাক্ত শরীরে
হানা দেয়।
অবচেতন শরীর ও মন,
নরম ঘুমের বারবার ব্যঘাত ঘটায়।
প্রায় অবশ হাতে মাছিগুলোকে
তাড়াবার ব্যর্থ চেষ্টা?
আর রুক্ষ্ম মরুর দু-স্বপ্নের মাঝে
সু-স্বপ্ন দেখা।
দেশ স্বাধীন হয়েছে, রুদ্ধশ্বাসে সবাই
ছুটে চলেছে গগন বিদারি জয় বাংলা
জয় বাংলা স্লোগানে।
আচমকা নরশ্বাপদের ঊচ্চ চীৎকার,
আর দুপায়ের স্বজোর লাথি,
উঠ শালে, শালে জয় বাংলা ঊঠ।
হরমড়িয়ে তাকিয়ে দেখে-----
কোন কিছু বুজে উঠার আগেই
নাকে মুখে কিল ঘুসি ও থাপর
বাতা শালে বাতা, কৌন কৌন হ্যায়
তোমহারা সাথ..................।
কিন্তু মা যে বলে দিয়েছে
যত নির্যাতনই করুক না কেন বাবা
কারো নাম বলবি না।
তাইতো নিশ্চুপ সব অত্যাচার সহ্য করা।
ধীরে ধীরে ভাঙ্গা জানালা ও ভেন্টিলেটরের
ফাঁক গলিয়ে আসা আলোর রেখাগুলো
ক্ষীন হতে ক্ষীণতর হতে লাগল।
বারবার চোখের পাতা ঘসেও
আলোর রেখাগুলোকে স্বাভাবিক করা গেল না।
জয়া তোমাকে বলছি
তুমি কি সেই জয়া
নাকি পার্বতী যার তপস্যার গুনে
ব্রহ্মার বরে
সোনার রঙ্গে রঞ্জিত হল অঙ্গ
নাম হল পার্বতী থেকে গৌরী।
নাকি তুমি
ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের
নীলোৎপল তুল্য
নীলাভ জ্যোতিময় দৃষ্টিতে সৃষ্ট
ব্রহ্মার ত্রিকালেশ্ররী জগদ্ধাত্রী
বিষ্ণুপ্রিয়ার- জগদ্ধাত্রী লক্ষী
শিব শঙ্করের কৃষ্ণবর্ণী পার্বতী বা গৌরী,
তাই জয়া ও সৌন্দর্য অবিচ্ছেদ্য
যেমন
মেঘ ও বৃষ্টি
জল ও শীতলতা
আগুন ও আগুনের তাপ
চন্দ্র ও তার আলো
সূর্য ও তার দৃপ্তি
পৃথিবী ও তার সব কিছুর রূপ রস গন্ধ
জয়া বা পার্বতী হল সাগর
সোন্দর্য হল নদী
নদীর কি সাধ্য!
সাগর পানে ধেয়ে না যায়।
তাই সৌন্দর্যের কি সাধ্য
জয়া থেকে দুরে থাকে।
তবে কোরআন বলে
লাকাদ খালাকনাল ইনশানা
ফি আহসানী তাকবিম(সুরা- ত্বীন, আয়াত-০৪)
আমি অবশ্যই মানুষকে
সৃষ্টি করেছি
সুন্দর অবয়বে।
তাই
আবশ্যকতা আছে কি?
ফেবুতে ষ্টেটাস
দিয়ে জানতে?
তুমি কত সুন্দর!
কারন
তুমি, আমি সকলেই
সুন্দর!!!!