ইউজার লগইন
ব্লগ
তোমাকে পাওয়ার জন্যে
তোমাকে পাওয়ার জন্যে কি প্রবল তৃষ্ণাটাই না আমি পুষে রেখেছিলাম। মরু সাহারায় পানির অভাবে মৃতপ্রায় মানুষ যেমন এক ফোঁটা পানির জন্যে হাহাকার করে, তোমার জন্যে আমি তারচেয়েও বেশি হাহাকার করেছি। ভালবাসা-হীনতায় এই বুক ফেটে গ্রীষ্মের শুষ্ক মাঠের মত শত ফাটা হয়ে চৌচির রূপ ধরেছে- এক আজলা ভালবাসার পরশে তুমি তাকে কখনো সিক্ত করো নি। দু হাতে আচল মেলে তুমি তাকে এক মূহুর্তে জন্যে ছায়া দাও নি। প্রতিটা মূহুর্তে আমি তোমার অপেক্ষায় ছিলাম, তোমার প্রত্যাশায় ছিলাম। কিন্তু দুরের কন্যা তুমি- দুরে ছিলে, দুরেই রয়ে গেলে। দুরের মানুষ এই জীবনে কোনদিন কাছের হলে না।
তারিন, তারিন- অধরা তারিন!
আজ থেকে অনেক বছর পরে হয়তো তুমি আমাকে পরিপূর্ণ ভাবে ভুলে যাবে। আমার কথা তোমার আর একটুও মনে পড়বে না। ছেলে-মেয়ে আত্মীয় স্বজন নিয়ে সুখের সংসার হবে তোমার। অনেক অনেক দুরের কোথাও একা নিঃসঙ্গ কাটবে তখন আমার সময়। আমি জানি তখনো আমি তোমাকে ভুলতে পারবো না। মানুষের মন দীর্ঘ বিরতিতে কষ্টের স্মৃতি ভুলিয়ে দেয়, শুধু আনন্দের কথাগুলোই মনে রাখে।
নারী
বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের ও বেশী নারী। এই বিশাল গোষ্ঠী কর্মক্ষেত্রে পুরুষের সাথে সমান তালে এগিয়ে চলছে। শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান, ধর্ম, দর্শন সবখানেই আজ নারীর উল্লেখযোগ্য পদচারনা। তারা আজ আর ঘরের কোনে, চার দেয়ালে বন্দী থাকতে রাজী নয়। তাদের মেধা, মনন, সৃজনশীলতা দিয়ে উদ্ভাবন করে চলেছে নতুন নতুন সব অজানা রহস্য কে। বিশ্ব কর্মক্ষেত্রের এমন কোন জায়গা নেই , যেখানে আজ নারীদের পদচারনা নেই।পুরুষের পাশাপাশি আজ নারীদের অবস্থান বিশ্বকে আরও উন্নতির দিকে ধাবিত করছে। বিশ্ব জয়ের নেশায় আজ তারা মাতোয়ারা।
আবার স্নেহ, মায়া-মমতায়, সেবায় এরা সিদ্ধ হস্ত। এদের কোমল প্রানের ছোয়ায় মরুতেও উদ্ভিদ জন্মায়। সেই বৃহৎ নরী সমাজকে আমাদের দেশের পুরুষ শাসিত সমাজ ঘরে বন্দী করে রাখতে চায়। এই পুরুষগুলো প্রভুর আসনে থেকে নারীদের দাসী বানিয়ে রাখতে চায়। অবজ্ঞা, অবহেলা আর শাসনের ছড়িটা যেন সবসময়ই নারীদের জন্য প্রযোজ্য। ধর্মের নামে কতগুলো অযৌক্তিক ফতোয়া জারি করে তাদের কে দমিয়ে রাখতে চায়। যেন ধর্মীয় ফতোয়া সব নারীদের জন্য।
এই জীবনের মানে তবুও এক আনন্দময় যাত্রা
আজকে এই মুহূর্তে আমার কোনো পোস্ট লেখার ইচ্ছা ছিলো না। কারন গত রাতেই একটা আস্ত পোস্ট লিখে ছেড়ে দিয়েছি তাই অনেকেই হয়তো পড়ে নাই এখনো। একদিনের ব্যাবধানে দুইটা পোস্ট দেয়া খুব একটা শোভন ব্যাপার না। আর এই ব্লগে পোস্ট দিতে দিতে আর আমার পোস্ট পড়তে পড়তে পাবলিকও টায়ার্ড। দুই তিন দিন আগে বিষণ্ণ ফোন করে বলছিলো এবিতে তো আপনার মতো পোস্ট দেয়ার লোক এসে গেছে। সে বুঝাতে চাইছে যে সেই আগের দিন নাই, নতুন নতুন ব্লগাররা এসে নিয়মিত পোস্ট লেখা শুরু করছে, ব্লগে খালি আমি ঘন ঘন পোষ্ট দেই না!
মাতৃ বন্দনা

মা মাই, মা আর কেউ না
কখনো তুমি দূর্গা, কখনো কালি মা
কখনো জগদম্বা, জগৎধাত্রী মহামায়া
এক অঙ্গে এত রূপ, পড়ে না কালিমা।
মা তুমি মাই আর কেউ না
অবাক দেবতারা ভাবে তুমি দেবী নাকি ঈশ্বর
দিয়ে দেয় সকল শস্ত্র বান তূন শর;
দুই হাত দশ করে বহাও স্নেহের নহর।
মা তোমার হবে না তুলনা
নানা সৃষ্টি সৃজনেও ঈশ্বরের পূর্ণ হলনা লীলা
আপনি সাঁজলেন মাতা রূপে, বর্ষেন কৃপা
কবি-ঋষি করলেন কীর্তন ঈশ্বরের মহিমা।
মা একজনই, নয় বহু
জল হাওয়ার মিশ্রণে মাটির গুণে মা
কোমলে কঠিনে ভালবাসা স্নেহে অনন্য
ভাব দর্শণে সর্বজীবে এক অভিন্ন।
মায়ের তুলনা মা
সব দিকে থেকে যদি কালো হয়ে উঠা বিষাক্ত ফেনা
ফনা তুলে ঘূর্ণীবাত্যার মাতম জাগায়
যদি সারা পৃথিবী বঞ্চনার গ্লানী হতাশার চাঁদ ডুবায়,
একটি মন্দিরের দরোজা খোলা কান্না জানাবার।
মায়ের মহিমা শেষ হবে না
মা না হলে নির্দয় পৃথিবী ধ্বংস হত থাকত না স্রষ্টার মহিমা
মা হয়ে সৃষ্টি করলে, মা হয়ে সৃষ্টি রক্ষা করলে
শেকল খুলে উড়িয়ে দেবো মাকে যদি এনে দাও...

শিশুটির বয়স মাত্র আড়াই বছর। ভালমত হাঁটতে পারেনা এখনও। বেশ ক’দিন ধরেই মায়ের আদর থেকে বঞ্চিত সে। কান্নাভেজা কচি দু'টি চোখ খুঁজে ফেরে শুধু মা’কে। মা আর আসে না, আসতে পারে না। এগিয়ে আসে ফুপু, কখনো খালা কিংবা নানী। কোলে তুলে নেয় ছোট্ট শিশুটিকে, চেষ্টা চলে কান্না থামানোর। কাঁদতে কাঁদতে একসময় ঘুমিয়েও পড়ে।
মফস্বল শহরের একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে চলে এক দুখিনী মা। চেতনে অবচেতনে অস্ফুট স্বরে কেবলই একমাত্র আদরের সন্তানের নাম ধরে ডাকে। দু’চোখ বেয়ে নামে অশ্রুর ধারা, মনে আফসোস- তার কিছু হলে তার সন্তানকে কে দেখবে? ও তো এখনও ভালমত হাটতেই পারেনা! পাশে বসা মা, বোনের হাত ধরে অনুরোধ- আমার ছেলেটাকে তোমরা দেখো। একসময় সবকিছু শেষ হয়ে যায়, চৈত্রের এক দুপুরে হতভাগিনী মা তার একমাত্র শিশু সন্তানটিকে ফেলে রেখে পাড়ি জমায় অন্য ভুবনে, যেখান থেকে কেউ কখনো ফিরে আসে না।
আজ মা দিবস হোক রাসেলের মা'য়ের... হোক ঋক'ঋতএর মায়ের
ঋহান কে যখন তার মা জিজ্ঞেস করে ... "বাবা... কাকে তুমি বেশী ভালোবাসো?" ঋহান উত্তর দেয় "বাবাকে" নাজ হয়তো এমনি রাগ করে বলে "তুই আমার কাছে আর আসবি না"। দশ মাস পেটে ধরে ... এত কষ্টের শেষে ছেলের এই উত্তর? যা ফুট!!! আচ্ছা ঋহানের মায়ের মনে কি একটু চিনচিন করে? হয়তো... হয়তো না। তবে তার পুরাটাই ঘিরে আছে ঋহানের জন্য... ভালোবাসায়... চিন্তায়... চেতনায়... সুখে... দু:খে... সব সময়ে। এ ভালোবাসা... একজন মায়ের ভালোবাসা... সন্তানের জন্য ভালোবাসা...
আজ মা দিবস। সারা বিশ্বের মানুষ (যারা অফিসিয়ালী মা দিবসে মা কে স্মরণ করে) বিভিন্ন ভাবে দিবসটি পালন করছে। বাংলাদেশেও এর ছোঁয়া লাগছে... ফেসবুকে আজ স্টেটাসে হিরিক পরে গেছে। বিষয়টা আমার কাছে নেগেটিভ কিছু লাগে না... আমরা সব দিনই মাকে ভালোবাসি... একদিন না হয় একটু উৎসব কইরা ভালোবাসলাম... তাতে কি আসে যায় 
শূন্য এবং এক
একমেবাদ্বিতীয়ম তুমি
তাহলে আমি কে ?
এই অবধি লিখে
চুপ করে ভেবেছি অনেক
এই সমরেখ চিন্তাগুলো
আমাকে জানালো-
আমি তবে শূন্য হ'তে পারি |
এমন আনাড়ি আমি
তখন বুঝিনি
শূন্য ছাড়া একই বা কোথায় ?
সকালে সন্ধ্যায়
সেই থেকে এক ও শূন্যের
তুমুল তর্কের ঝড়ে আছি
শূন্য বলে - প্রসিদ্ধি আমার
অথচ একের ঘরে আজীবন
সিদ্ধির সংসার |
আসল কথাটি জানে কেউ ?
শূন্যের অনন্ত আছে
এক মানে চেতনার ঢেউ....
সাধারন একজন মায়ের একজন অতি সাধারন সন্তান
আমার মা, বড্ড সেকেলে !!!!
সে ফেসবুক বোঝে না ! মা দিবস সম্পর্কেও জানেনা !! কিন্তু সে আমার মা।
গতরাতে মায়ের সাথে কথা হচ্ছিলো,
- মা , কাল তো মা দিবস। এইদিন সবাই সবার মা'কে অনেক উপহার দেয়।
-- মা, দিবস আবার কি জিনিস ? মায়ের আবার কোন দিবস লাগে নাকি?
- তোমার কি লাগবে বলো?
-- আমার কিছুই লাগবে না। তুমি ভালো আছো?
- হুম, অনেক ভালো; কিন্তু কি লাগবে বলো ?
-- আচ্ছা যা মোবাইলে কিছু টাকা পাঠিয়ে দিও। এত্তো বড় হয়ে গেছে এখনো জ্বালায়।
- হা হা হা, আমি তো ভালো ছেলে !!! পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো ছেলে। আমি আবার কিভাবে জ্বালাই?
-- হ তুমি তো সবার চেয়ে ভালো। ভালোই থেকো। কোন ভেজালে জড়িও না।
- আচ্ছা। মনে থাকবে।
-- রাতে ভাত খেয়েছো ?
- নাহ, একটু পরে খাবো।
-- কি রান্না করেছে আজ ?
- গরুর গোস
-- তোমাকে না বলেছি গরু খাওয়া কমাতে, এত্তো গরু খেলে তো প্রেসার বেড়ে যাবে।
- মা তুমি কোন টেনশন নিও না, আজই লাস্ট। এই সপ্তাহে আর গরু খাবো না।
-- মনে থাকে যেনো?
- আচ্ছা, মনে থাকবে। মা তোমার শরীর ভালো তো?
-- হ্যাঁ। এখন সুস্থ। তোমার অফিস ঠিক মতো চলছে তো ?
- হ্যাঁ, পারফেক্ট।
দৈনিকের রেশমাকথা
আজকের সকল দৈনিক পত্রিকাই সাভার বিপর্যয় নিয়ে সম্পাদকীয় লিখেছে। তাতে ধ্বংসস্তূপের নিচে ১৭ দিন চাপা পড়ে থেকে জীবিত উদ্ধার হওয়া রেশমার কথা ঠাঁই পেয়েছে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে। ঘটনা একই, তবে একেকটি পত্রিকার দৃষ্টিভঙ্গি ও উপস্থাপনা একেক রকম। কেউ বলছে এটা আল্লাহর কুদরত। কেউ অলৌকিক ঘটনা। কেউ আবার অতি সতর্কতার সঙ্গে ‘আল্লাহ’ শব্দটি উচ্চারণের বিপদ এড়িয়ে যেতে সমর্থ হয়েছে!
মা দিবস উপলক্ষ্যে: মায়ের অভিমান
একটা চিঠি। সে অনেকদিন আগের কথা; আমার বয়স পাঁচ কি ছয় হবে। হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির ঐ সময়টা খুব একটা কারো মনে থাকার কথা নয়। পরবর্তীতে মা আবার সেই স্মৃতিটা গল্পের মত বলেছিল এবং কেঁদেছিল, যখন আমি পড়তে পারি। পদ্মা বিধৌত উর্বর মাটির সন্তান আমি এবং আমার পূর্ব পুরুষ। এ নদীকে কেন্দ্র করে এর কাছাকাছি শরীয়তপুর, চাঁদপুর ও বিক্রমপুর-এ হাজার বছর ধরে আমাদের পিতৃগণ ও মাতৃগণের বসবাস। ১৯৪৭এর পরে এবং ১৯৭১ এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে আমাদের মাতৃ ও পিতৃকূলের অধিকাংশ সদস্য ভবিষ্যতের কথা ভেবে ক্রমান্বয়ে ভারতে চলে যায়। আমার মা বাদে দাদু তার পুরো পরিবার নিয়ে নদীয়ায় চলে যায়। চিরতরে মা-বাবা হারানোর মত করে মা টানা পাঁচ-সাত কেঁদেছিল।
হাজারবার মরলে পরেও আসবো ফিরে ফিরে, আমি আসবো ফিরে এখানে - এ শহরেই!
আজ সকাল বেলা আমি হাটতে বের হই নি। অনেকটা ইচ্ছা করেই হয়তো আজ আমার বের হওয়া হই নি। মামা অফিসের কাজে গেছে হবিগঞ্জ ভোরে। সেই ভোর পাচটাতেই আমিও উঠে বসে আছি। কিন্তু কেনো জানি যাওয়ার মুড পেলাম না আজ। যাওয়ার মুড না পেলেই মনে অজস্র যুক্তি দাঁড়িয়ে যায় যে আমার তো ডায়বেটিক বা উচ্চ রক্তচাপ না যে প্রতিদিন নিয়ম করে হাটতে হবে? তাই আজ শুয়েই থাকলাম। শুয়ে শুয়ে এই কাক ডাকা ভোরে নামায পড়া বাদ দিয়ে লোকজনের স্ট্যাটাস পড়া শুরু। যাই হোক এপাশ ওপাশ করেই কাটাচ্ছি তখন মনে হলো যাই বের হই, বসে থেকে লাভ কি?
একটুখানি রবির গানে..
একটা সময় ছিল,
কোথাও রবিবুড়োর গান হবে শুনলেই দৌড়ে চলে যেতাম শুনতে।
বাসার কাছে হলে তো ভালোই, একটু দূরে হলেও সমস্যা নেই।
আজকাল আর তেমনটা হয় না, সময় করে আর যাওয়া হয় না।
সময়টাই খুব অস্থিরতার,
তাই আজকাল বলা চলে এইসব প্রোগ্রামের খবর চোখেই পড়ে না খুব একটা।
যাই হোক, প্রতিবছর রবি বুড়োর জন্মদিনে ৩/৪ দিনের রবীন্দ্র উৎসব আয়োজন করে থাকে বাংলাদেশ জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা বা পরিষদ। এবারও করেছিল।
৮ থেকে শুরু করে ১১ মে। আগে প্রায় প্রতিদিনই, এমনকি দিনে দুইবেলাও যাওয়া হত গান শুনতে। শাহবাগে পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনে।
এবার শুধু একদিনই যাওয়া হয়েছে, পরশু। কাল যাওয়ার ইচ্ছা ছিল ছায়ানটের প্রোগ্রামে। সাভারেরর ভবনধ্বসে ১৭ দিন টিকে থেকে ৩৯১ ঘণ্টা পর উদ্ধার হয়ে আসা মিরাকল রেশমার আনন্দের রেশে আর যাওয়া হয় নি ওখানে।
পাবলিক লাইব্রেরি অথবা ছায়ানট, এইসব জায়গায় গেলে সবচেয়ে ভালো লাগে যে ব্যাপারটা তা হল একসাথে এত্ত মানুষ চুপচাপ মুগ্ধ হয়ে রবি বুড়োর গান শোনা। আর এইসব প্রোগ্রামে গেলে চেনাজানা গানের পাশাপাশি অনেক অচেনা আনকমন গানও শোনা হয়ে যায়, এই ব্যাপারটাও খুব ভালো লাগে আমার।
তবু আশা বেঁধে রাখি.....
দেশে ফিরেছি, মার্চের ১১ তারিখে। তখন দেশ জুড়ে চলছে হরতাল। কোথাও যেতে পারি না। ঘরে বসে বসে মুরগীর মত ঝিমাই। এর মধ্যেই একদিন কথা হল, ব্লগার শান্তর সাথে। অবশ্যই অনলাইনে। এর আগে কোন দিন ওর সাথে কথা বা যোগাযোগ কিচ্ছু হয় নি।
আসলে বাঙ্গালীরদের “ভাগ্য” বলে, একটা বিশেষ কথা আছে। আমার ভাগ্যে শিকা ছিঁড়ল কারণ শান্তর আমার একটা লেখা বেশ পছন্দ হল- তার পর তিনি নিজে থেকে আমার সাথে যোগাযোগ করে সেটা জানালেন।
এক দু কথায় প্রকাশ পেল, তিনি আমার খুব কাছাকাছি থাকেন। আর যায় কোথায়? তারে প্রস্তাব দিলাম- 'আমি তারে দেখতে চাই' সেও রাজী কিন্তু চিনব কি করে? তিনি মধুর কণ্ঠে বললেন, আমার খোমা দেখেন- “তাইলেই আমার চেহারা মোবারক দেখতে পাইবেন”। 
যাক সে এক ব্রাট ইতিহাস, শান্ত এলেন আমাকে দেখা দিতে----- ভীষণ ব্যাস্ত তিনি। দুই পকেটে দুই মোবাইল। সারাক্ষণ টুন টুন করে বাজতেছে। এরে তারে তিনি ফোনে এইটা সেইটা বলতেছেন, সে এক ব্রাট অবস্থা।
তবে ছেলে ব্যাস্ত হলে কি হবে, ছেলে বেজায় ভালো। আমার জন্য খালি হাতে আসে নাই।
মুন্নিময় মুহুর্ত
কেনো যেন সাংবাদিকদের সাথে আমার বেশ রাশির গড়মিল যাচ্ছে। এক "সাংবাদিক" আমাকে বেশ গালাগাল দিল। কারণ সাভার ট্র্যাজেডি নিয়ে সাংবাদিকদের অনুভূতিহীন রিপোর্টিং করা সম্বন্ধে কড়া একখানা মন্তব্য করেছিলাম। উল্রেখ্য তিনি এও বলেন, অসাংবাদিক কেন সাংবাদিকতা নিয়ে কথা বলবে! সাংবাদিকতা নিয়ে শুধু কথা বলবে সাংবাদিক!! যাই হোক, তিনি নিতান্তই বয়সে বড় বলে আচ্ছাসে ধোলাই করিনি। বলিনি যে, তাহলে রাজনীতি নিয়েও আমাদের কারো কথা বলা বাঞ্ছণীয় হবে না, কারণ আমরা কেউ রাজনীতি করি না। কোন কিছু নিয়েই হয়তো বলা ঠিক হবে না নিজের গণ্ডি ছাড়া।
যাই হোক আজকের আলোচনার বিষয় কিন্তু সাংবাদিকতা না। আমি সাংবাদিকতা ভালোবাসি। পারলে আবার ঐ চিরচেনা পরিসরে ফিরে যাবো। আজকের বিষয় বিশিষ্ট সাংবাদিক। আমাদের সবার প্রিয় মুন্নি সাহা। এখন নানা ধরনের বিষয় সোশ্যাল-ক্রিটিক্যাল-ইলেক্ট্রনিক-ডিজিটাল- এনালগ মিডিয়া মাতিয়ে রেখেছে। সেখানে মুন্নি সাহা কি করে একটি লেখার মূল বিষয়- এটা প্রশ্ন হিসেবে আসতেই পারে। কিন্তু বিগত চার-পাঁচ বছরে আপার রিপোর্টিং যেভাবে নানা বিষয়ের সাথে প্যাচ খেয়ে গেছে- আপাকে সেকারণে ধরতেই হয়।