ইউজার লগইন
ব্লগ
মেঘ কাব্য - ২
শ্বেত শঙ্খের মত নীল চোখের মেঘ এল
পয়োধর অঙ্গে সোনারাঙ্গা সকালের স্বর্গছাপ
মেঘ ছিড়ে মেঘ ভেসে যায় অজানায়
ঘাসের শরীর বেয়ে শিশিরের টুপটাপ।
এলো চুল দুলে দুলে, বকের পাখনা উর্দ্ধে তুলে
বেঁধে ফেলে সোনালী আঁশের মেঘকেশদাম-
সহসা উত্থিত হল বক্ষের সূর্য মধ্যগগনে
সে কী তেজ- কোন শিল্পীর তুলি দিতে পারে নাই তার দাম।
মেঘ আছে ধিয়ানে দাঁড়িয়ে যেন রূপকথার
গ্রীসের ক্যারিয়াটিড সকল দায় নিয়ে নির্ভার।
কী আছে মেঘের মনে, যাবে সে কোন পথে
কি দিয়ে তাকে রাখা যাবে- পায়রার শীতল বাতাসে।
বেশ তো ছিল মেঘ সকালের সোনা রোদে সোনালি ঝিলিক
কেন তারে ছুঁয়ে দিলি রূপালী ইলিশ
ঝর ঝর কালো মেঘে নীল সাদা বৃষ্টি
নাগর কালিয়ার ভালবাসায় মেঘ করবে শুভদৃষ্টি।

আমি কেন তাদের দলে নাই?
মাথার উপর চাঁদ, পায়ের নিচে অকূল।
নিজেকে দেখি আয়নায়, করোটিতে ভীড় করে দৃশ্যমান ভুল।
ভাবি, আমি কেন তাদের দলে নাই?
যারা লুটিয়ে দিতে পারে সবই,
প্রিয়ার কালো চুলে, কিম্বা মানবতায়!
আর আমি ?
আমি শুধু ভেবে অবাক হতেই জানি।
বিধাতার সাথে মেঘের আলাপ আমার কানে পৌঁছে..
বোধগম্য বানী একটাই, বিধাতা বলেন...
-যাকে আমি পৃথিবীতে মানুষ হিসেবে পাঠাই, তার একটা না একটা গুণ থাকবেই-
যারা সেই গুণ টাকেই আপন করে নিয়ে, নিজেকে সফল করতে পাড়ি দেয় অতল গহীনে।
আমি কেন তাদের দলে নাই?
নিজের কাছে জমে থাকা ইতিহাসে মুখ লুকাই,
ডুবুরির মত খুজে ফিরি সাফল্যের নিদর্শন,
দীর্ঘশ্বাস শেষে-
আমি অবাক চোখে দেখি,
চরম দারিদ্রতা আর হতাশায় মানুষ কত খুশি..
আমি কেন তাদের দলে নাই?
নির্জনতায় বসবাস
১৬X১৪ ফুটের একটি কামরা
দুদিকের দেয়ালে
পিলার টু পিলার জানালা
পর্দা সহ খুলে দিলে
বাগানের পুরোটাই নজরে আসে।
অবাধ্য বাতাস
বিনে বাধায় এপাশ খেলা করে
এই রুমটি বাদে পুরো বাড়ীটাই
ভাড়া দেয়া। আজ ভাড়াটিয়ারাও নেই।
আমার পছন্দের এ ঘরটিতে
আমি একা, আমার একাকীত্বের
আমার নির্জনতা উপভোগের
এর চেয়ে উত্তম জায়গা আর নেই।
অমাবষ্যার নিকষ অন্ধকার,
পূর্ণিমায় চাঁদের আলো,
রাত জাগানিয়া পাখির মত
জেগে জেগে নির্জনতা
ঊপভোগ করি।
আজ ভর দুপুর...
বাইরে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি,
মৃদু মন্দ হিমেল হাওয়া।
খোলা জানালায়
এপাশ ওপাশ খেলা করতে
আপন মনে আমাকে ছুয়ে যাচ্ছে।
বাগানের গাছগুলো কৈশোর পেরিয়ে
যৌবনে পদার্পন করেছে।
পরিবেশের সাথে তারাও
প্রকৃতির আপন খেলায় মত্ত
কে কার উপর পড়ছে।
কে কাকে আদর করছে
বলা মুশকিল!
তবে অনেক কিছুই ঘটছে।
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি, হিমেল হাওয়া,
বৃক্ষ রাজির প্রাকৃতিক খেলা,
একটি পরগাছা
কি যে মমতায় আশ্রিতকে জড়িয়ে।।
আমার মন প্রাণ নির্জন সত্তা
শিশ্ন সহসাই—
তারই কি দোষ দেব বল
বাগান বাড়ীর পিছনের অর্ধ উচু
প্রাচীরের উপর দিয়ে
সদ্য প্রস্ফুটিত কলার থোর,
কিম কি-দুকের সিনেমা এবং আমার সাময়িক মনোবৈকল্য
সেদিন বন্ধুমহলে কিম কি-দুকের সিনেমা নিয়ে আলাপ হচ্ছিলো। চুপচাপ বসে ছিলাম। দেখি নাই একটাও সিনেমা কি-দুকের। আলাপে আর কিভাবে অংশ নিই।

পর পর ৪টা দেখা হলো বেশ ঘটা করেই। শুরুও আবার স্প্রিং, সামার, ফল, উইন্টার... অ্যান্ড স্প্রিং দিয়ে। দেখার সময় বারবার মনে হচ্ছিলো এত সাইকেডেলিক সিনেমা আমার মতো দুর্বল চিত্তের লোকের জন্য না। ভয় পাচ্ছিলাম সিনেমাটা শেষ করে নিশ্চিত একটা ২-৩ দিনের সাইকোলজিক্যাল লুপে পড়ে যাবো।
ওই সুন্দর কোরিয়ান কিশোরীকে যখন তার মা বৌদ্ধ মন্দিরে নিয়ে যায় এবং মেয়েটির রোগমুক্তির প্রাথর্না করে, তখনই আমার কেন যেন মনে হচ্ছিলো শিক্ষানবিশ ভিক্ষুর বডি ফ্লুইডই হতে পারে মেয়েটির যথাযথ ঔষধ। যখন সেটাই দেখানো হলো, তখন চমকে উঠেছিলাম বেশ।
হলুদ বসন্ত
আজ কোন সুদূরে ভাসাও খেয়া আলোর পারে,
কোন অচিন দেশের অচিনপুরের পথের ধারে?
সবুজ বনের আঁকাবাকা আলটি ধরে
দুচোখ ছাওয়া সর্ষে হলুদ থরে থরে
যাচ্ছো হেটে সঙ্গী তোমার ছোট্ট প্রিয়া
হাতটি ধরে নির্ভরতায় তোমার ছায়া।
ঝলমলে ঐ রোদ ছড়ানো প্রান্ত ছুঁয়ে
নীল নীল দিগন্তরেখা পড়ছে নুয়ে
প্রিয়ার চোখে ঝরছে অথই সুপ্ত মায়া।
উড়ছে হাওয়ায় হাওয়াইমিঠা তোমার প্রিয়া!
শিশিরকনাও ছুলো বুঝি পায়ের আঙুল
জলমোতিরা গড়লো বুঝি জলের নুপুর।
শিরশির ঐ বিন্দু ভেজা শাড়ীর পাড়ে
লাজুক মুখে তেসরা দিঠি চাউনি আড়ে
চুলগুলো তার উতল হাওয়ায় উড়ু উড়ু!
কাপছে পাতা বেতসলতা দুরুদুরু।
যাচ্ছো হেটে সঙ্গী তোমার একটা ছায়া
সেই তুমি আর একটি বিকেল তোমার প্রিয়া।
জানতে ভীষন ইচ্ছে করে
বসন্তে কি আজও ফোটে সর্ষেকলি?
হলদে সবুজ দিক থইথই ঝিলিমিলি?
ফাগুন হাওয়ায় ঘ্রান কি ছড়ায় আমের মুকুল?
মৌ মৌ তার মাতাল পরাগ গন্ধবিধুর?
আসে ভেসে অতীত কোনো স্বর্ণালী সূর?
ঠিক যেন এক পশলা বিকেল নামছে দূরে
বাজছে বাঁশী কোমল মধুর মগ্ন সূরে।
অপেক্ষায়
সবকিছুতে খুব বেশি বাড়াবাড়ি দেখতে দেখতে বড় বেশি ক্লান্ত, বিরক্ত, আশাহীন।
কবে এসব খেলা শেষ হবে আমাদের দেশে। সবাই এখন অনেক বড় মাতবর।
শুধু সরকার আর বিরোধীদল নয়। এই মাতবরিতে এখন অংশগ্রহন করছে সুশীল সমাজ নামের ভন্ডরা, অবসরপ্রাপ্ত রা, সাংবাদিক রা, কে নয়?
তাই আজকাল আর কারো কোন কথাই বিশ্বাস হয়না, সবাইকে মনে হয় ভন্ড আর মিথ্যাবাদী।
নেতাদের কথা, সুধীজনের কথা , স্বপক্ষের , বিপক্ষের সবার কথা শোনা হয়ে গেছে। সব ভেল্কিবাজি। আমি এসব বুঝি। নির্লজ্জ আর চরম বেহায়া হয়ে গেছে সবাই। ক্ষমতায় টিকে থাকতে আর ক্ষমতায় যাবার আকাঙ্খায় দল্ গুলি বেপরোয়া। আর আমাদের দেশের বোকা সোকা নাকি অতি চালাক মানুষগুলি এদের পিছনেই ঘুর ঘুর করছে, অন্য কথা ভাবছে না, কিংবা বিগড়ে যাচ্ছেনা সব কিছু বুঝেও।
কবিতার ঋণ
প্রিয়তমা
তোমায় নিয়ে অনেকদিন
হয় নাকো
কবিতার গান শোনা
তবে আজ
থমথমে বৃষ্টির কথামত
কাব্যদেবীর পেটমোটা ব্যাংক থেকে
রাত জাগানিয়া চড়া সুদে
ধার করে এনেছি
রবিবাবুর শব্দভান্ডার
জীবনকবির মায়াবী ভাষা
আর আবুল হাসানের
বালিকাকে
প্রথমজন বাজাবে গিটার
দ্বিতীয়জন থাকবে কী-বোর্ডে
আর পরেরজন ড্রামসে
আর এতেও যদি কাজ না হয়
তবে
ভালোবাসার অমিত্রাক্ষর ছন্দে
শুধবো কবিতার ঋণ।
চলবে?
***
অনেকদিন পর ব্লগে কিছু লিখলাম। কেমন আছেন সবাই? আবার কবে গেট-টুগেদার? আমার হিসেবে তো ৫০ শব্দ হয়ে গেছে, তবু হয় নাই বলে কেন? 
যে সিনেমা দেখতেই হয়
ভাল একটা সিনিমা দেখার মতো আনন্দ এই জীবনে খুব কমই আছে। জ্বর হওয়ায় কয়েকদিন বাসায় ছিলাম। বাসায় থাকলে সিনেমা দেখা হয়েই যায়। ভাল যে বিষয় সেটি হচ্ছে, সিনেমা দেখা হয় বেছে বেছে। ফলে ভাল ভাল সিনেমায়ই আজকাল বেশি দেখি। পাঁচ দেশের পাঁচ সিনেমা।
১. দি লেডি: অং সান সুচিকে নিয়ে সিনেমা। মায়ের অসুস্থতার কথা শুনে ১৯৮৮ সালে দেশে (বার্মা) ফিরে এসেছিলেন তিনি। লন্ডনে থাকতে আগে। দুই ছেলে আলেকজান্ডার অ্যারিস ও কিম অ্যারিস। সুচির স্বামী একজন ব্রিটিশ ছিলেন, মাইকেল অ্যারিস।

অং সান সুচির সেই জীবন নিয়ে সিনেমা দি লেডি। শুরু তাঁর বাবার হত্যার মধ্য দিয়ে, ১৯৪৭ সালে। তবে এরপরই সিনেমার কাহিনী শুরু ১৯৮৮ থেকে। ছবিটিকে সুচির জীবনী বলা যায়। আবার বার্মার রাজনৈতিক ঘটনার অন্তরালে এক অসাধারণ প্রেম কাহিনীও বলা যায় দি লেডিকে। এই প্রেম সুচি ও মাইকেল অ্যারিসের।
অনুরোধ...
আপনারা যারা আজ আমার এই লিখাটি দেখবেন তাদের কাছে আমার একটি অনুরোধ রইল, আপনারা দয়া করে www.soncharon.com এই লিংকে প্রবেশ করবেন। আপনারা সকলেই লিখালিখি করেন। তাই আপনাদের জন্য এই ওয়েবসাইট এ লিখালিখি করা সহজ হবে। এটি একটি শেয়ারিং ওয়েবসাইট, যেখানে আপনারা খেলাধুলা, তথ্য ও প্রযুক্তি, বিনোদন ও সংস্কৃতি, ভুতের গল্প, সাধারণ জ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্য, ইতিহাস, পড়াশুনা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আপনার জানা যেকোনো তথ্য শেয়ার করতে পারবেন। আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।
জল্লাদের চোখে একজন তাহের
আপনার জীবনের স্মরণীয়
ঘটনা কি?
কর্ণেল তাহেরের ফাঁসি
কেন?
মৃত্যুর কালো মুখোশ
ছুড়ে ফেলে নিঃশঙ্ক চিত্তে এগিয়ে গিয়ে
কেউ নিজে
ফাঁসির দড়ি গলায় পড়তে পারে
আমি কখনও দেখিনি , শুনিও নি
আমার জল্লাদি জীবনে,
তাহের
কর্ণেল তাহের,
দেশ প্রেমিক তাহের
বীর যোদ্ধা তাহের,
বীর মুক্তি যোদ্ধা তাহের
একজন ভাই তাহের,
যে বোনের ডাকে
১০২ ডিগ্রী জ্বর নিয়ে ছুঁটে যায়
বোনাইকে বাঁচাতে
সে বোনাই-ই ফাঁসি দেবার জন্য
আমার কাছে পাঠিয়ে ছিল।
আমি যে দেশ সেরা জল্লাদ।
তাঁকে ফাঁসি দেব
সে সাধ্য আমার কোথায়!
আমি পারিনি,আমি পারিনি
আমি কেন সাড়া পৃথিবীর
কার সাধ্য তাঁকে ফাঁসি দেয়।
সে যে যোদ্ধা, যোদ্ধার প্রতীক
১৯৬৫ র যুদ্ধ বিজয়ী বীর
মেরুন প্যারাসুট উইং খেতাব অর্জন কারী।
১৭৭১ এ ১১ নম্বর সেক্টরে পা হারিয়েও
মৃত্যুকে জয় করে হন বীর উত্তম।
১৯৭৬ সালের ২১জুলাই নিজেই
নিঃশঙ্ক চিত্তে মৃত্যুকে জয় করে হন
মৃতুঞ্জয়।
সাড়া দেশ,সাড়া পৃথিবী
তোমাকে জানে মৃত্যুহীন
ভয়হীন
একটি প্রাণের নাম
তাহের
কর্ণেল তাহের।।
তোমাকে নিয়ে লিখি
সে সাধ্য কি আমার
তাই তোমার বানী দিয়েই
ভণ্ড ভণ্ড ভণ্ড (পর্ব-১)
বাংলাদেশে আসলে কোনো ধার্মিক নেই। আমাদের সমাজটাই ভণ্ডামিতে পরিপূর্ণ।
আমরা সাধারনত ধার্মিক বলে আমরা চিনে থাকি মাদ্রাসা থেকে পাশ করা মাওলানাদের। কিন্তু আমাদের সমাজে মাওলানাদের পেট চলে সমাজে দুই নম্বর লোকের টাকায়। এটাই সমাজ বাস্তবতা। স্থানীয় সাংসদ বা কোনো ধনী ব্যক্তি যত দুই নম্বরই হোক, এলাকার মসজিদে যখন তিনি বড় অংকের টাকা দান করেন, হুজুরেরা তার নামে দোয়া পড়তে থাকেন। কাজেই হুজুরের কি ধার্মিক হওয়ার সুযোগ আছে??
আমাদের সমাজে দেখা যায় বাপ-মা নিয়মিত নামাজ পড়েন। কিন্তু ছেলে কিভাবে টাকা আয় করছেন তা তারা জেনেও না জানার ভান করেন। কিন্তু ছেলে নামাজে গেলে তারা গর্বে বুক ফোলান। ছেলে আমার অমুক পীরের মুরিদ!!! আহা রে!!
ছাগুকাব্য
যদি থাকে এই নাস্তিক সরকার
থাকবে না ঈমান, থাকবে না মান
করো সবে জামায়াতের জয়গান
ধর্ম থাক বা না থাক, মাথায় থাকবে টুপি
সাঈদীর মতো কামনা মেটাব চুপি চুপি
সামনে থাকবে ধর্মের লেবাস
লুকিয়ে লুকিয়ে চলবে ভোগ বিলাস
ইহকালে নারী, পরোকালে হুর
ভোগের বস্তু থাকবে ভরপুর
ইহকাল ও পরোকাল নিশ্চিত করতে চাইলে
চলে এসো সাইদীর মেশিনের ছায়াতলে
করো সবে জামায়াতের জয়গান
যদি থাকে তিল পরিমাণ ঈমান
এলোমেলো কথা
ছোটবেলায় নামায পড়া, আরবী পড়া এসব বাধ্যতামুলক ছিল আমাদের বাড়িতে।
ছোটদের জন্য রোযা রাখা বাধ্যতামুলক না হলেও আমি রাখতাম কারণ বাড়িতে যারা রোযা রাখতো তাদের জন্য অনেক মজা'র খাবার তৈরি হত, আর যারা রোযা রাখতো না তাদের খেতে হত আগের দিনের বাসি খাবার, তাই ভাল খাবারের লোভেই সব সময় রোযা রাখতাম।
যুদ্ধের সময় আমরা ঢাকা ছেড়ে গ্রামে চলে গেলাম সবাই। তখন নতুন নতুন এক অভিজ্ঞতা হল। মসজিদে ইফতার করলে অনেক রকমের ইফতার, সরবত, মিষ্টী, বিরিয়ানি এসব খাওয়া যেতো।
তাই আমি কখনোই মাগরেবের নামাযের সময় মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও থাকতাম না,যদি ইফতার মিস হয়ে যায় এই চিন্তায়।
সেই থেকে রোযা রাখার অভ্যাস আর নষ্ট করি নাই, যদিও নামায পড়ার বেলায় আমি অনেক অলস। আমার দুই ছেলে আমার স্ত্রী'র বদৌলতে ভিন দেশে জন্ম নিয়েও নামায রোযা আর হালাল খাবারের প্রতি যত্নবান। তবে আমি খুব খেয়াল করি আর সব সময় ছেলেদের বলি যেন ওরা স্কুলে কিংবা অন্য কোথাও কোন ধর্মিয় আলোচনায় অংশ না নেয়। কারণ অনেক কিছু হতে পারে।
শ্লীলতা আর অশ্লীলতার মাঝে
শ্লীলতা আর অশ্লীলতার মাঝে ঝুলে আছে পৃথিবী। সব চাইতে বেশি এই শব্দটির ব্যবহার নারীদের পেছনেই হয়। নারীরাই সব অশ্লীলতার প্রতীক। যৌন আবেদন এর জন্য নারী, ভোগ্য পন্যের বিজ্ঞাপনে নারী, বোনের প্রতি ভালোবাসায় নারী, মমতাময়ী মা এর ভূমিকায় নারী। হয়তো অবাক হচ্ছেন অনেকেই, মা এর কথাটা এত পরে আনলাম কেন ? কারন মা আজ বিক্রি হচ্ছে পদে পদে। মা তার সংসার চালায়, মেয়ে তার বাবার সংসার চালায়। বউ তার নিজের সংসার চালায়। এই এত চালানোর মাঝে জীবন এগিয়ে গেছে। সমাজ এগিয়ে গেছে। বোরকা পরা নারীদের পাশে আজ চলছে বিশ্বব্যাপী নতুন ফ্যাশন । প্রতিদিন নতুন নতুন ড্রেস আসছে বিশ্ব বাজারে। যেগুলোর ফ্যাশন শো হয় আবার সেগুলো আমরা গনমাধ্যমে প্রকাশ করি। এর মাঝে প্রশ্ন আসে শ্লীলতার.. কোনটাকে শ্লীলতা বলে, কাপড়ের ধরন কে ? নাকি চোখের বা কামনার সংযম কে ? কথাগুলো খুব খারাপ ভাবে লেখা হচ্ছে । সেই জন্য অনেকেই আমাকে ভাবতে পারেন আমি তসলিমা নাসরিন এর উত্তরসূরী হতে যাচ্ছি কিনা ? না। আমি ফ্যাক্ট বলছি। একটা নারী কি পরবে ? বোরকা ?
বাজাইরা হিন্দী সিনেমা লইয়া আজাইরা আলাপ~
কালকে থেকে আমার মন ভালো। কেনো ভালো জানি না। অকারনেই মন ভালো। সবাই আমার এতো বিষণ্ণতার গল্প শুনতে শুনতে নিশ্চই টায়ার্ড। কিন্তু সত্যি গত দেড় দিন ধরে আমার মন ভালো। সেই খুশিতে চার দিন ধরে হাটি না। এতো হেটে ঘেটে ওজন কমলো মাত্র তিন কেজি। সাইফ বললো ভাইয়া জিমে চলেন আজ থেকে। এডমিশন ফি ১৫০০ মাস প্রতি ১০০০। যদিও ওতো ভালো কোনো জিম না তাও টাকাটা আমার কাছে বেশি লাগলো। মাসে সাড়ে তিন হাজারটাকা হাত খরচ পাওয়া ছেলের জন্য জিম আসলেই একটু বেশী খরচা। তাও যদি বাবা মার সাথে থাকতাম তাহলে একটা ব্যাবস্থা হতো। এই মেসে বুয়ার আসাআসির ঠিক নাই, রান্নার অবস্থাও খুব ভালো না সেখানে জিম করে ফায়দা কি?