ইউজার লগইন
ব্লগ
মা দিবস উপলক্ষ্যেঃ অভিমানী মা আমার
একটা চিঠি। সে অনেকদিন আগের কথা; আমার বয়স পাঁচ কি ছয় হবে। হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির ঐ সময়টা খুব একটা কারো মনে থাকার কথা নয়। পরবর্তীতে মা আবার সেই স্মৃতিটা গল্পের মত বলেছিল এবং কেঁদেছিল, যখন আমি পড়তে পারি। পদ্মা বিধৌত উর্বর মাটির সন্তান আমি এবং আমার পূর্ব পুরুষ। এ নদীকে কেন্দ্র করে এর কাছাকাছি শরীয়তপুর, চাঁদপুর ও বিক্রমপুর-এ হাজার বছর ধরে আমাদের পিতৃগণ ও মাতৃগণের বসবাস। ’৪৭ ও ’৭১ এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে আমাদের মাতৃ ও পিতৃকূলের অধিকাংশ সদস্য ভবিষ্যতের কথা ভেবে ক্রমান্বয়ে ভারতে চলে যায়। আমার মা বাদে দাদু তার পুরো পরিবার নিয়ে নদীয়ায় চলে যায়। চিরতরে মা-বাবা হারানোর মত করে মা টানা পাঁচ-সাত দিন কেঁদেছিল।
আইসক্রিম
আমার এক বড় বোন গত কয়েকদিন ধরে ফেসবুকে ক্রমাগত মেসেজ দিয়ে যাচ্ছে,
যে, মা দিবস আসছে একটি লেখা দে। মনে মনে ভাবি, কি লিখবো? যাই
লিখবো মা কি সেই লেখার টানে ফিরে আসবে। শেষ পর্যন্ত লিখতে বসলাম, কি
লিখবো জানি না, শুধু কম্পিউটারে কিছু শব্দ টাইপ করলেই কি মা কে নিয়ে
লেখা যায়? জানি না। আমার মা চলে গেছেন আজ দেড় বছর হলো। ছোট
বেলায় মা যখন মারতো, তখন ভাবতাম, আমি যখন বড় হব, তখন আমিও
আম্মুকে মারতে পারবো, আম্মু আমার চাইতে লম্বা বলেই, তার পাওয়ার দেখায়
আমাকে, আমার ছোট মনে ধারনা ছিল, লম্বা হলেই বোধহয় বড় হওয়া যায়,
এখানে উল্লেখ্য যে, আমার মা লম্বায় খাটো ছিলেন।কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে
এই ভুলটি যখন ভাঙলো, দেখলাম আমি লম্বা হই ঠিকই, বয়স যেন কেমন দুরন্ত
গতীতে আম্মুর বাড়ে। আমি কোন মতেই তার সমকক্ষ হতে পারি না। মা
দিবসে প্রতি বছর আম্মুর জন্য এক বাটি আইসক্রিম নিয়ে যেতাম, ডায়বেটিকস
ছিল বলে মিষ্টি ছিল তার জন্য হারাম, কিন্তু ঐ একদিন আইসক্রিমের উপর তার
সেই হুমড়ি খেয়ে পড়া দেখে খুব মায়া হতো।আমাকে বলতো, একটুও দিব না,
সব আমি একাই খাবো। আমি বলতাম খাও, যতক্ষন তার মন না ভরতো খেতে
বড় হও
খুব ছেলেবেলায় আমি প্রতিধ্বনিকে ভয় পেতাম।
সিড়ি ভাঙ্গার কালে আড়াল হওয়া মায়ের ভরসায়
যখন 'মা' বলে চিৎকার দিয়ে উঠতাম
প্রতিধ্বনি শুনে আমি ভয় পেতাম।
এখন আমি বড় হয়ে গেছি
তুমি যে আজো প্রতিধ্বনি মত খড় কাদার
পুতুল দেখলেই ভয় পাও,
অস্ত্র হাতে আসো ভেঙে দিতে।
তার যত হাতই থাকুক,
হাতে যতই অস্ত্র থাকুক
খড়টুকু সে নাড়াতে পারে না।
প্রতিবাদটুকু সে করতে পারে না।
অথচ যতবার তুমি একটা করে মূর্তি ভাঙ
ততবার তোমার একটা করে ভাবমূর্তি ভাঙে।

ক্ষেতের মাঝে কাকতাড়ুয়া দেখে
পিচ্চি বেলায় ভয়ে বোনকে জড়িয়ে ধরতাম।
দিদি বলত এটা যে তোকে ভয় দেখানোর জন্য না
পাখিকে ভয় দেখানোর তরে রাখা।
এখন আমি বড় হয়ে গেছি আমি বুঝি
মানুষ নেই অথচ মানুষের রেপ্লিকা তাড়িয়ে দিচ্ছে কাক!

ছেলে বেলায় মণ্ডপে যখন যেতাম
দেখতাম মায়ের মতই সুন্দর করে সাঁজ
কোন এক বধু মাথায় সুন্দর তাজ
কত স্নেহ তার চোখে ঝরছে।
নিছক বিষাদ ও শিরোনামহীন [এলোমেলো কাব্যকথন!]
#
#নিছক বিষাদ#
আজি মেঘমেদুর হাওয়া লাগে প্রানে;
নিছক বিষাদে,
জেগে থাকে বিষণ্ণ দুপুর..
উদাসীন আপনমনে আনমনা কথকতা,
কানে বাঁজে;
বৃষ্টি ধ্বনি টাপুর-টুপুর..
অবসন্ন সময় কাটে;
এক দু'চুমুক চা'য়ের কাপে,
রবির সুরে গুন্জরিত প্রানে..
আকাশের যত মেঘ;
ছায়া পড়ে যেনো হৃদয়ের গা'য়, অলীক মায়ায়..
বয়ে চলে অকারন অভিমানে, ভেজা-চোখ;
বৃষ্টিস্নাত অলস দ্বিপ্রহর..
নিছক বিষাদে..।।
সচলায়তন, ৩০-০৬-১০ খ্রীঃ
#
#শিরোনামহীন#
..পথ চলছে,
খেয়াল থাকুক আর নাই থাকুক..
তারপর কোন একদিন..
প্রতিদিনকার চেনা ঘুম,
অচেনা পথের পথিক করে দিবে..
প্রিয় ডায়রী'র লেখা পাতাগুলো হঠাৎ
করেই দিশেহারা,
শুকনো ঝরা পাতা যেন..
এক নিমিশেই
স্তদ্ধ..
ক'ফোটা চোখের জল আর ঠোটের
কোণে আলতো হাসি,
হঠাৎ করেই কোন
একদিন..ফিকে হয়ে আসবে..
অতঃপর..
পথচলার খেরোখাতা আর
এলোমেলো স্মৃতিধূলো,
বয়ে যাবে নিরন্তর..
রয়ে যাবে..অমলিন..
অসীম পথের
সায়াহ্নে..শিরোনামহীন..।।
[সচলায়তন,২৬-০৮-১০খ্রীঃ]
অসুখ
এক.
ডানা ঝাপটাতে ঝাপটাতে এসে জানালার
কার্নিশে বসলো দাঁড়কাকটা, কিছুক্ষণ
এদিক ওদিক চেয়ে দেখলো, তারপর গা-
টা একটু ঝাড়া দিয়ে, ঠোঁট দিয়ে গায়ের
চকচকে পালকগুলো ঠিকঠাক করায় মন
দিলো।
জানালার লালচে খয়েরি শিকগুলোর
ফাঁক দিয়ে এতোক্ষণ কাকটাকেই
দেখছিলো অতীন- কিছুক্ষণ বাসার
সামনের রাস্তাটার ওপাশের কাঁঠাল
গাছটায় বসে ছিলো কাকটা, এখন
একটা চিল এর তাড়া খেয়ে বসেছে এই
জানালার নীচের কার্নিশটায়।
অতীন অবাক হয়ে দেখলো কাকটার
গা একদম ভিজে চুবচুব হয়ে আছে- আজব
ব্যাপার তো! বৃষ্টি হলো নাকি? ইশ!
কতদিন বৃষ্টিতে বাসার
ছাদে দৌড়াদৌড়ি করা হয়না!
হু, আস্তে আস্তে দীর্ঘশ্বাস
ছাড়লো অতীন। শুধু কি বৃষ্টি? ওর
তো বাসার বাইরে যাওয়াই নিষেধ।
অতীন ক্লাশ সেভেনে পড়ে। দুই মাস পর
ফাইনাল এক্সাম অথচ স্কুলেই
যাওয়া হয়না কতদিন হয়ে গেলো। ডক্টর
আঙ্কেল তো খালি বলে রেস্ট নিতে। মা-
কে বন্ধুদের সাথে খেলতে যাওয়ার
কথা বলতেই এমনভাবে তাকায়, মনে হয়
না জানি কী অপরাধ
করে ফেলছে খেলতে চেয়ে! উফফ, এক
কার্টুন দেখে আর পিসি গেমস
খেলে কয়দিনই বা ভালো লাগে।
আয়নায় চোখ পড়তেই একটু
চমকে গেলো অতীন, ওর নিজের কাছেই
সত্য
ওই তুই ভালোবাসার অর্থ বুঝিস ?
একবেলা ওয়েস্টার্ন গ্রিলে খাইলে
আর আই লাভ ইউ পাখি বললেই
ভালোবাসা হয় না ।
ভালবাসতে মন লাগে,
মনেতে তৃতীয় চক্ষু লাগে,
বৃষ্টির রাতে হাতে হাত রেখে হাঁটা লাগে,
ভ্যালেন্টাইনের ভোঁরে একগুচ্ছ গোলাপ দিয়ে অবাক করা লাগে ।
মন যদি থাকে আপন সিদ্ধান্তে দুর্বল,
হৃদয়ে যদি রাখিস অন্যকারো ভালোবাসা প্রবল,
তাহলে তো লোকে বলবেই
ধুরো শালী ভালোবেসেছিলি কোন বাল !
পিতা বড়ই আজব প্রাণী
না হারালে বুঝবি না,
নিজেকে নিজের ঘেন্না হবে
যেদিন তোর কারনে বটগাছটা থাকবে না ।
মায়ের পা'এর নিচে জান্নাত
এ কথা কভু ভুলিস না,
স্বর্গে গিয়েও সুখ পাবিনা
যদি কষ্ট পায় মা ।
সখি আমি দিয়েছলেম তোকে
এক মুহূর্তের সুখের সাথে তিন প্রহরের ভালোবাসা,
হয়তো সেটুকু যথেষ্ট ছিলনা
কাটাতে তোর বাবা-মা'র হতাশা ।
তালগাছ
চক্কুনি মাছ। তাল গাছের পাতার ফাঁকে ফাঁকে ভেসে উঠছে। পানির মৃদু নড়ন। তালগাছটার বয়স খুব একটা হয়নি। এতেই ঝুকে পড়েছে। বয়সের ভারে ঝুকে পড়াটা হয়তো স্বাভাবিক ছিলো। তার জন্মটাই হয়েছিলো ভুল জায়গায়। পুকুরের পাড় ঘেষে বেড়ে উঠেছিলো। পুকুরের পাড়গুলোও কেমন যেনো ভেঙ্গে পড়ে বৃষ্টি-বাদলে। আপ্রান চেষ্টা ছিলো পাড়টাকে আকঁড়ে ধরার। ধরেছেও। নিজের ভারটা তো আর আকড়ে ধরা যায়না। নুয়ে পড়তে পড়তে এখন পুকুরের পানির সাথে বসবাস। তারপরও গাছের আগাটা জিইয়ে রেখেছে। বাচার শখ। উঁকি দিয়ে আছে উপরের দিকে।
এই গাছে কত কাল লাফিয়ে লাফিয়ে পড়েছে কতো রথি মহারথিগণ। যারা কিনা কোন এক কালে এই গাছের উপর ভর করেই পানিতে ডিগবাজি খেতো। বাড়ির নতুন বধু থেকে শুরু করে স্কুলে যাওয়া হাফপ্যান্ট পড়া মেয়েটাও এই গাছটাতে ভর করে পানিতে পা ভিজিয়েছে। আলমের ১নং পঁচা সাবানের যুগে সে মোটামুটি আধ্মরা। কাপড় কাচার যন্ত্রনায়।
আমাদের ঐতিহ্যময় শিক্ষাব্যবস্থা
অ্যান জেরাল্ডাইন স্টক ১৯৪৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগে যোগ দেন। তিনি যে সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন সে সময়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের ভবিষ্যত দার্শণিক সংকটগুলোর চারা জন্মাচ্ছে আমলাতন্ত্রে, সেই চারা পরবর্তীতে শেকড়ে বাকলে বেড়ে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ভাবনার সাথে এতটাই সাংঘর্ষিক হয়ে যায় পরিণতিতে পাকিস্তান রাষ্ট্র মৃত্যুবরণ করে। এ জি স্টকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সময়কালীন স্মৃতিকথা মুলত গোরখননের দিনলিপি। মোবাশ্বেরা খানমের অনুবাদ যথার্থই অনুবাদ কখনও তিনি পাঠককে এ সত্য বিস্মৃত হতে দেন না। মূলানুগ আক্ষরিক অনুবাদ সম্ভবত তার প্রাক্তন শিক্ষিকার প্রতি তার নৈবদ্য কিন্তু তার শিক্ষিকার রচনায় যেটুকু কাব্যময়তা ছিলো তা সুনিপূন হাতে হত্যা করে তিনি সবটুকুই গদ্যায়িত করতে পেরেছেন। ফলে বর্ণনায় এক ধরণের আখের ছোবরা চোষার অনুভুতি পাওয়া যায়। তবে একজন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, একজন পাঠ্যক্রম নির্দেশনার দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক এবং একই সাথে তার অতীত কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার নির্যাস থেকে তিনি বাংলাদেশ কিংবা সার্বজনিন শিক্ষাক্রম, শিক্ষার্থী এবং পরীক্ষা বিষয়ে যে মন্তব্য করেছেন সেটার খোঁচা অস্বীকার করতে পারলাম না। ব
দেশের স্বার্থে আরও একবার আমরা...!!
জাগো বাঙালি জাগো !!
••• একটু লক্ষ্য করুন •••
জামদানি শাড়ি, নকশীকাঁথা এবং ফজলি আম এখন আর আমাদের ঐতিহ্যের অংশ নেই, কারণ ভারত ইতিমধ্যে এই সকল পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বত্ব নিয়ে নিয়েছে। এই পণ্যগুলো বিশ্বে এখন ভারতীয় পণ্য হিসেবে পরিচিতি পাবে। তারা স্বত্ব করে নিলেও আমরা জানি এগুলা আমাদের পণ্য, আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। এখন তারা ইলিশের স্বত্ব নেবার চেষ্টা করতেছে। যেটা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই মুহূর্তে আমাদের কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম কাজ হচ্ছে আমাদের দেশিয় পণ্যগুলো চিহ্নিত করা এবং তা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থার ‘Geographical Indicator (GL)’ আইনের অধীনে নিবন্ধন করা। এ সকল পণ্যের মধ্যে রয়েছে ঢাকার ‘জামদানি শাড়ি’, ফরিদপুরের ‘নকশীকাঁথা’,
চাঁদপুরের ‘ইলিশ’, রাজশাহীর ‘ফজলি আম’, বগুড়ার ‘দধি’, সুন্দরবনের ‘মধু’ সহ আরও অনেক পণ্য।
************************
মনে রাখবেন, আমাদের ঐতিহ্যকে আমাদেরই বাঁচাতে হবে। আমাদের দেশ আমাদেরকেই রক্ষা করতে হবে। বাইরের দেশের কেউ এসে রক্ষা করে দিয়ে যাবে না।
দেশের স্বার্থে একাত্ম হোন...
আত্মমগ্ন কথামালা - ১৬
ঘুরেফিরে বার বার চলে আসি নিজের পাশেই। বসে থাকি চুপচাপ, হাতটা বাড়িয়ে একটা মশা মারি, ঠাস্! করে শব্দ হয়। নিজের তৈরী শব্দের প্রতি নিজেরই মুগ্ধতা তৈরী হয়। মৃত মশার প্রতি সহানুভুতি জাগে। হাতে বা পা'এ লেগে থাকা নিজের রক্তের রঙের দিকে ভালোবাসা নিয়ে তাকিয়ে থাকি। একটু ওপাশ থেকে কখনো ভেসে আসে বাঁশির শব্দ, কখনো ভেসে আসে সেতার বা গীটারের সুর, কখনোবা দ্রুততাল আর লয়ে ড্রামের বিট। এগুলোর সাথে সঙ্গত করে বিভিন্ন স্বর। ভালো লাগে বা লাগেনা...
উড়ে যাবার শখ ছিলো একটা সময়। বয়সের সাথে সাথে পিঠে গজানো ডানার পালকে ধুসর ছোঁয়া লাগে। হয়তো কিছুদিনের ভেতর মরে যাবে পালকের জন্মদাত্রীরা। সেখানে জমে উঠবে মৃত ঘাসের দঙ্গল। পিঙ্গল না আরো ফিকে কোনো রঙের?
একঝাঁক পাখি মরে গিয়েছে পার করতে থাকা সময় জুড়ে। তাদের জন্য একটা ব্যক্তিগত গোরস্থান তৈরী জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। নয়তো তাদের এপিটাফের পদ্যে ভুল পালকের ছন্দ আঁকা হয়ে চলেছে প্রতিটা সেকেন্ড-মিনিট-ঘন্টা-প্রহর-দিন-সপ্তা-মাস-বছর ধরে। স্মৃতি যতই বেদনাদায়ক হোক না কেন, সেটাকে উপভোগ করার চাইতে অন্য কোনো উপায় জানা নেই যে...
কলকাতা থেকে প্রকাশিত আদরের নৌকায় লেখা পাঠান
কলকাতা থেকে প্রকাশিত আদরের নৌকায় লেখা পাঠান ।
লেখা পাঠানোর জন্য
১) আদরের নৌকা ওয়েব পত্রিকা প্রতি মাসের ২৯তারিখ বেরোবে।
২) লেখা পাঠান saifullahsaif@adorernauka.in এ।
৩) লেখা প্রতি মাসের ২০তারিখের মধ্যে পাঠান।
৪) ওয়েব পত্রিকার লেখা অপ্রকাশিত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।
৫) লেখা পাঠাবেন ইউনিকোডে(অভ্র) doc ফাইল করে ।
বন্ধুরা, আপনাদের সেরা লেখাটি পাঠিয়ে দিন ।
ওয়েবম্যাগ অথবা প্রিন্টেড আদরের নৌকা সম্পর্কিত কোন রকম যোগাযোগের জন্য +919830994267 এই নম্বরে ফোন করুন ।
সাইফুল্লাহ সাইফ
সহ সম্পাদক
আদরের নৌকা
আদরের নৌকার ওয়েব লিঙ্ক
রোহিঙ্গা সমস্যা এবং রামু সহিংসতা....
কক্সবাজারের রামু, উখিয়া, টেকনাফ চটৃগ্রামের পটিয়া ও পাশ্ববর্তী অন্যান্য এলাকায় সংখ্যালঘু সাম্প্রদায়ের উপর সংঘটিত নাশকতা বিষয়ে কিছু বলবার আগে বার্মা, আরকানের ইতিহাস থেকে সামান্য আলোকপাত করতে চাই।
সভ্যতার শুরু থেকে এ পৃথিবীতে যত যুদ্ধ-বিগ্রহ ঘটেছে, তার অধিকাংশই ছিল ধর্ম যুদ্ধ (অথবা অন্য কোন বিষয় নিয়ে দ্বন্ধ শুরু হলেও, শেষ পর্যন্ত তা ধর্ম যুদ্ধের রূপ নিত)। আদিতে ধর্মীয় যুদ্ধ এমনি নৃসংশ রূপ নিত যা বাঘ-হায়েনা-শকুন এর শিকারকালীন সময়ে কিছুটা বুঝা যায়। সভ্যতার উন্নতির কারণে বর্তমান আগ্রাসনের যুদ্ধ, দেশ দখলের যুদ্ধ ধর্ম যুদ্ধের মত এতটা নৃসংশ হয়তো হয় না, এত মানুষও মারা যায় না, তবে যুদ্ধের উপকরণ (বিশেষ করে গোলাবারুদ) বেড়ে যাওয়ায় সম্পদের ক্ষতি, আহতের সংখ্যা পূর্বতন ধর্মীয় যুদ্ধের চেয়ে বেশী হয়। ধর্ম যুদ্ধ হোক আর আগ্রাসনের অথবা অন্য কোন যুদ্ধ হোক, কোন যুদ্ধই মানুষ চায় না। তবে হিসাব করে দেখা গেছে, সব ধর্মীয় যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা অন্য সব যুদ্ধে নিহতের সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশী এবং প্রায় সব যুদ্ধের সুত্রপাত তুচ্ছ বিষয় নিয়ে।
শেষ প্রশ্ন

আমি এদেশেতেই মরতে চাই।
কেউ ডিভি নিয়ে যায়
কেউ মাইগ্রেশানে দাঁড়ায়
কেউ শিক্ষা নিয়ে চিরতরে যায়।
কেউ বিদেশিনী পানিপ্রার্থী
কেউ বিয়ে করে বাঙালি বিদেশী।
আমি তো তাদের মত নই!
আমার কোন এক বন্ধু বলেছে
'হবেনা কিচ্ছু আর এদেশে'
কোন এক ভাই ভারত ভাগার প্রাক্কালে বলেছে
'মর নরকে'।
আমি কি তাদের চোখে পথ দেখি?
ভাঙা পথের ধুলো মনে জড়িয়ে
বাড়ি ফিরতে পেরেই খুশি আমি।
আমি যে তাদের মত অস্তে যাওয়া গোধুলীর আলপনায় জীবনকে দেখিনি
দেখেছি ক্ষুদার্থ ভিখাড়ির ভাতের থালায় জীবনের আনন্দ।
আমি এদেশেতেই মরতে চাই।
মুনিরের মত গাড়ি দুর্ঘটনায়
অথবা মলম পার্টির মলমে
ছিনতাইকারির ছুড়িতে যদিও না হয়
ডেঙ্গু কিংবা ম্যালেরিয়ার একটা মশার কামড়ে
বার্ড ফ্লু কিংবা সোয়াইন ফ্লুর মাংস খেয়ে
বাজারে পেঁয়াজের দাম শুনে হার্টএটাকে
ক্যান্সারে অথবা রাস্তায় পড়ে থাকা ইলেক্ট্রিকের তারে
অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ে মারামারির কালে ক্রসফায়ারে,
পবিত্র কুরআনের আলোকে নামাযের গুরত্ব ! নামায বর্জনকারীদের বিরূদ্ধে কুরআনের ভয়ংকর সতর্কবাণী !
বর্তমান সময়ে মুসলিম ভাইদের নামায বর্জন করা একটি স্বাভাবিক কর্মনীতি হয়ে দাড়িয়েছে অথচ এই নামায হল দ্বীন ইসলামের একটি মৌলিক স্তম্ভ। মহানবীর পূর্বে অন্যান্য নবী রাসুলদের উম্মতের উপরও স্রষ্টার পক্ষ থেকে নামায ফরজ করা হয়েছিল। এমন কোন রাসুল নেই উম্মতকে ঈমানের পাশাপাশি নামাজের প্রতি তার উম্মতকে আহবান জানায়নি। অতিত ইতিহাসের দিকে দৃষ্টি প্রসারিত করলে দেখা যায় অধিকাংশ উম্মত রাসুলদের আনীত জীবন ব্যবস্থাকে মেনে নেয়নি, ঈমানের পথে রাসুলদের আহবান তাদের অন্তরে যেন তীরের মত বিদ্ধ হত ! নফসকে অনুসরন করতে গিয়ে অতিতে বহু সম্প্রদায় এভাবে স্রষ্টার আদেশ অমান্য করে জাহেলিয়াতের তীমির অন্ধকারে হারিয়ে গিয়েছিল। স্রষ্টার পবিত্র পথ বর্জন করে জাহেলিয়াতের সেই অন্ধকার গলিতে এমনভাবে নির্ভয়ে বাস করছিল যার ফলে তারা কোন দিন ভাবতেই পারেনি এক আকস্মিক হামলা তাদেরকে শেষ করে দিবে। বস্তুত হয়েছেও তাই।
ঢাকার যানজট সমস্যা ও এর সমাধান...
আমরা ঢাকা বাসী। আর আমরা যারা ঢাকা থাকি তারা ঢাকার অসহনীয় ও অমানুষিক যানজট এর সাথে অতি পরিচিত। আমাদের এই যানজট এর কারনে আমাদের যে কত প্রকার কষ্ট এবং ত্যাগ স্বীকার করতে হয় তা আমাদের কারোরই অজানা না। কিন্তু এর কি কোন সমাধান নেই...?? নাকি কেও এর সমাধান করার চেষ্টা করে নি...?? হ্যাঁ এর সমাধান ছিল। কি ছিল...?? আমার উত্তর একটাই BRT.
আপনারা অনেকেই হয়ত জানেন না যে BRT কি। BRT= Bus Rapid Transit. আমাদের দেশে যানজট নিরসনের জন্য ২০০৫ এ সালে ২০ বছর মেয়াদি যানজট নিরসন এর প্রক্রিয়া বিশেষজ্ঞরা পেশ করেন সরকারের কাছে। আর সেই সেই পেশ কৃত রিপোর্ট এ এক নাম্বার সুপারিশ ছিল এই BRT.