ইউজার লগইন
ব্লগ
বিজয় পথে যাও অনাদিকাল!
চে সাহেবরে ধারনা করি প্রথম দেখছিলাম খুলনায়। তখন আমি বালক। তাই বালক সুলভ ইসলামের চেতনা টনটনে। গেঞ্জীতে মানুষের ছবি দেখে মেজাজ খারাপ হইছিলো। বন্ধুরে জিগেষ করছিলাম এই লোক কে? সে কইলো র্যাম্বোর মতো শক্তিশালী হলিউডের নায়ক। আমি সরল বিশ্বাসে তা মেনে নিয়েই দিন পার করছি। চিটাগাংয়ে থাকতে জানলাম চে র কথা। চে কি করে?
শুধু চোখ দু'টো জেগে থাকে
১.
প্রিয় হুমায়ূন আহমেদকে ভালোবাসি। তার মায়াবী সান্নিধ্যে জীবনের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়টি কেটেছে, যেটি কাটাতে আমি পাড়ি দিয়ে এসেছিলাম ৪.৫৪ বিলিয়ন বছরের পথ।
অনেক ছোট্টবেলার কথা। আম্মু একবার জন্মদিনে আমাকে গল্পের বই কিনে দেয়ার জন্য নিয়ে গেলেন লাকী প্লাজার দোতলায়। একটা বিখ্যাত বইয়ের দোকানে। দোকানের নামটা মনে পড়ছে না, কিন্তু খুবই পরিচিত একটা দোকান ওটা। সেখানে গিয়ে আম্মু আমাকে ভূত ভূতং ভূতৌ নামের একটা 'মাঝারি' গল্পের বই কিনে দিলেন। শৈশবে আব্বু-আম্মু দু'জনেই আমাকে গল্পের বই কিনে দিতেন।
শরতের সরোদ
‘তুমি যাবে ভাই-যাবে মোর সাথে আমাদের ছোট গাঁয়,
গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়...।’
ভরা যৌবনের জলতরঙ্গে শরতের কোন এক পড়ন্ত ভাদ্র বেলায় কবি জসিম উদ্দিনের নিমন্ত্রণের ডাকে সারা দিয়ে আমার হাত ধরে উপমা বলেছিল, শুনেছি তোমার গ্রামকে বড় ভালবাস তুমি; ছবির মত ছায়া সুনিবিড় তোমার গ্রাম; এ দেশের গ্রাম দেখা হয়নি আমার কোনদিন; দেখিনি ধান-পাট-শষ্যে ক্ষেত; দেখিনি ডোবা-নালা-খাল-বিল-বাওর-হাওর-নদী-সাগর; দেখিনি প্রকৃতির পাহাড়-ঝরণা-ছড়া-মেঘ-কুয়াশা-নদী আর রহস্যময় পাহাড় ঘেরা অপার সৌন্দর্যের পাহাড়ি ভুমি। আমায় তুমি নিয়ে চল সখা, তোমার যেখানে খুশী-তোমার চোখে দেখব আমি শরতের শাশ্বত রুপ।
কালো আর ধলো বাহিরে কেবল, ভেতরে সবারি সমান রাঙা
মানুষ হিসেবে আমাদের সীমাবদ্ধতা অসীম। কেউ সেটা স্বীকার করতে ভয় পাই আবার কেউ সজ্ঞানে এড়িয়ে গেলেও অবেচেতনে নানারকম বর্ণবাদ নিজেদের ভেতর পুষে রাখি। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে আমার সৌভাগ্য হয়েছে ভিন্ন পরিবেশ,ভিন্ন চিন্তাধারা এবং ভিন্ন ভৌগলিক পারিপার্শ্বিকতায় মানুষের নানা রূপ অবলোকনের। এ লেখার টুকরো কয়েকটি ঘটনা হয়তো নিজেদেরকে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে আরেকবা্র ভেতরটা দেখে নেয়ার সু্যোগ করে দেবে। নামধাম কাল্পনিক হলেও ঘটনাগুলো আমার বা আমার খুব কাছের মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাপ্রসূত, বলাই বাহুল্য।
১.পুলিশ দেখে করিসনে ভয়, আড়ালে তার ......
দ্বিধা
তাকিয়ে থাকি ওই সূদুর নীলিমায়,
যেথায় থাকে মোর সুন্দরিতমা;
বৃষ্টি হয়ে ঝরে পরে আমার শরীরে
কোন এক সূদুরতমা ।
ভেবনা সুন্দরীতমা,
তোমায় আমি ভাংবো না,
কাঁদাবো না কক্ষনো
দেবোনা হতে টুকরো টুকরো ।
রাখবো যতনে একান্তে আপনে,
হয়তো নদীর মোহনায় অথবা আকাশের সীমানায়,
নয়তো পাহাড়ের গুহায় অথবা সমুদ্রের বালুকাবেলায়,
থাকবে সেথায় দেবী হয়ে ।
লুকিয়ে রেখেছি নীলয়ের ভিতর,
কেউ পাবেনা দেবীর খবর;
কারন যেদিন বলবো ভালবাসি হে সূদুরতমা,
সেদিন সবাই দেখবে আমার বাসর ।
সুখী দেশের সুখী নাগরিক
সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠিয়া কোনরকমে গোসল সারিয়া, ৮টার মধ্যে অফিসে ঢুকি, তারপর আমার আর আমার মস্তিস্কের উপর দিয়ে কি যায় তা আমি বিনে কেউ জানেনা, এরপর বাসায় ফিরি রাত ৮ টায়। তখন মাথা উচু করে রাখার শক্তি থাকেনা, তারপর ফ্রেশ হওয়া, বাজার করা, রাতের খাবারের ব্যাবস্থা করা, কালকের কাজগুলো কিভাবে করা যেতে পারে তা নিয়ে ভাবা, প্রগ্রামিং এর বইনিয়ে বসা, দুই ঘন্টা ঘামে ভিজে যাওয়া, তারপর হঠাত ঘড়িতে দেখি রাত ১২:৩০ বাজে, সাথে সাথে প্রেমিকার ফোন তার সাথে ঘন্টা খানেক কথা বলা, তারপর নিজের মনের শান্তির জন্য পড়া, হঠাত দেখি ভোর ৩:৩০ । আর ঠিক তখনই মনে পরে যায় আমার হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার কথা, যাকে আমি হারিয়েছিলাম আমার টাকা পয়সা নাই, আর গায়ের রং কালো বলে । পুরোনো সুখ স্মৃতি স্মরণ করতে করতেই সকাল ৫:৩০ বাজে । তখন হঠাত ঘড়ি দেখে মনে হয় উফ কাল সকালে আবার অফিস । ঘুমাই আবার উঠেই অফিসে !!! এই হচ্ছে আমার মত একজন নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের দৈনন্দিন জীবন। আমি জানি আমার মত এমন বা এর চেয়েও খারাপ অবস্থা এ দেশের অধিকাংশ মানুষের, তারপরও নাকি আমাদের দেশ বিশ্বের ১১ তম সুখী দেশ?
ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।-অনলাইনে জীবনের প্রথম আয়।
কথায় আছে ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় কথাটা ১০০% সত্য।গত দুটি বছর ধরে অনলাইনে আয়ের উদ্দেশ্যে পথ খুজতে থাকি।বহু পিটিসি সাইটে ক্লিক করেছি কোন লাভ হয়নি।এরপর ও অনলাইনে আয়ের পথ থেকে পিছিয়ে যাইনি।..........। খবর পাই ওডেস্ক এর। তারপর থেকেই আল্লাহর ইচ্ছায় অনলাইনে এখন আয় করছি। জীবনের প্রথম আয় ছিল $১ ডলার ৩০ টি ফেইসবুক লাইক করে।সব চেয়ে মজার কথা হচ্ছে ওডেস্ক এ সাইন আপ করার পরের দিনই আমি $১ ডলার আয় করি। আমার জন্য দোয়া করবেন। আর একটা কথা আপনারা চেষ্টা করে দেখতে পারেন যার আয় করতে ইচ্ছুক................।।।।।
ডুবে ডুবে প্রেম
সাদাসিধা এক ছেলে ভাব লজ্জিত,
মেয়েদের দেখে যেনো অতিশয় ভীত,
সমুখেতে মেয়ে দেখে পিছে হাঁটা দিতো।
বন্ধুরা কতো নামে করে অভিহিত,
দেয়নাকো সেই ছেলে কোন জবাব-ই-তো,
হয়নাকো কোনরূপে কিছু প্রভাবিত!
কেউ বলে গেঁয়ো তাই নয় বিকশিত,
আরো নানা সন্দেহে হয় উপনীত,
সেই ছেলে তাতে যদি ভ্রূক্ষেপ দিতো!
একদিন ম্যাগাজিনে হয় প্রকাশিত,
ছেলেটার একখানা লেখা সচরিত,
কবিতার ভাঁজে ভাঁজে প্রেম বিগলিত।
সাদামাটা ছেলে শেষে হাতেনাতে ধৃত,
ডুবে ডুবে একদম প্রেমে নিবেদিত,
কবিতার ভাষা তার, অগ্নিতে ঘৃত।।
আননোন আর্টিস্ট - আননোন অ্যালবাম - ট্র্যাক টুয়েলভ
অনেকক্ষণ ধরে একটা জোরালো আলোকবর্তিকার নিচে দাঁড়িয়ে আছি। নিজের বারান্দায়। চিরসঙ্গী জ্বলন্ত জ্বলে আছে দু'টো আঙুলের মাঝখানে। আধখানা তীব্র চাঁদ কয়েকটা সঙ্গী রাতের তারা নিয়ে আমাদের সবাইকে দেখছে। অনেক দূর থেকে কিন্তু খুব পরিস্কার সবকিছু দেখতে পাচ্ছে। ভালোবাসার খোঁজে আর কতকাল ভালোবেসে যাবো সেটা নিয়ে ভাবছিলাম। একজন মানুষকে আরেকজন মানুষ কতটা ভালোবাসতে পারে? নির্জ্ঞান মন জানে না পুরো বিষয়টা আসলে কতখানি জটিল। না জেনেই সে একটা রক্ত-মাংসের মানুষ নিয়ে খেলতে বসেছে। জানে না, বাইরের পৃথিবীতে যা কিছু ঘটে তার সবই বাস্তব। আনমনে খেলেই চলেছে। আমরা যারা রক্ত-মাংসের মানুষ, তারা এ খেলার নিরুপায় ক্রীড়ানক মাত্র। আহা, নিজের এ মহার্ঘ্য সম্পদটি নিয়ে নিজে যদি কোনোদিন বুঝে-শুনে খেলার সুযোগ পেতাম!
ধারাবাহিক রম্য নাটিকা--'অকার্যকর গণতন্ত্রঃ পশুদের বিচার'
যখন কমরেটদের হাতে লেখা পোষ্টার, আঁঠা আর হারিকেন নিয়ে অন্ধকারে আলোর খুঁজে বের হতাম, বিশ্ব বেহায়া এরশাদের ভূয়া গণতন্ত্রের পাছায় লাথ্থি মারতাম আর শ্লোগান করতাম, তখন আমার বিদ্যার জোর ৬ষ্ঠ কি ৭ম শ্রেণী হবে। কিন্তু গান, কবিতা, নাটক আর বই নিয়ে শ্রেণী সংগ্রামের আন্দোলনে ছিলাম বয়সের তুলনায় খানিকটা এগিয়ে। সেই সময়ের রাজনীতিবিদদের নিয়ে রচনা করেছিলাম হাসির নাটক ‘পশুদের বিচার’। নাটকের আবেদন মনে হয়, বর্তমানে আরো বাড়ছে। এখনো অপরাধ ধরা পড়ে না, পড়লেও বিচার হয় না।
পড়ুন, ভাবুন--এ দেশের বিচার ব্যবস্থা ছোটদের ধারাবাহিক রম্য নাটিকা 'অকার্যকর গণতন্ত্রঃ পশুদের বিচার' এর মত কিনা।
পূর্ব প্রকাশিতের পর--(শেষ পর্ব)
(পরের দিন-দরবারে হৈচৈ,
হাতির প্রবেশ)
স্টপ্, স্টপ্, স্টপ্
সবাই কর চুপ্
সেনাপতি আজ কোথায়
ময়ূর বলে, আজ ছোট হুজুরের
প্রথম বধূর বিদায়।
জাঁহাপনা, মনুষ্যকূল বড়ই পাজী
ওরা আপনার বিরুদ্ধে
করেছে নির্মম আর্জি।
কলাগাছ কর্তনে
আপনি ঘুরেন বনে বনে
ওদের কথা হল
ওরা হবে আপনার কাজী ।
দেখুন জাঁহাপনা
ওরা কত বড় পাজী।
হাতি বলে, বলে কি?
সেনাপতি নেই, ওরা বিচার করে?
না,না, না...বলে দেন
পৃথিবীর এক দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ।
mossad-seal.jpg
http://www.amrabondhu.com/sites/default/files/mossad-seal.jpg
পৃথিবীর সব বড় ও মাঝারি শক্তিধর দেশেরই নিজস্ব বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা
রয়েছে । যেমন সিআইএ, এমআইসিক্স , কেজিবি, মোসাদ ইত্যাদি ।
কিন্তু ইসরায়েলের ‘মোসাদ'কে ঘিরে যেসব রহস্যজনক ও চাঞ্চল্যকর গল্প চালু আছে, তার কোন তুলনা হয়না ।
মোসাদের নামতো কমবেশি সবাই শুনেছেন মাসুদ রানা পড়লে আরও আগে জানার কথা ।
মোসাদের এমন কিছু অপারেশন রয়েছে যেগুলো গল্পের বই বা সিনেমা কেও হার মানায় । এই গ্রুপটি WORLD MOST EFFICENT KILLING MACHINE নামেও পরিচিত । গুপ্ত হত্যায় মোসাদ এক এবং অদ্বিতীয় । মার্কিন সিআইএ এবং মোসাদের ভিতরে পার্থক্য রয়েছে যে সিআইএ গুপ্ত হত্যার চেয়ে সরাসরি হামলা বেশি চালায় । অন্যদিকে মোসাদ খুব গোপনে তাদের শিকারদের শেষ করে ।
গীত --আপনারে চিনি
নীলফামারী জেলার হারিয়ে যাওয়া কিছু গীত । যা আমাদের ঐতিহ্য। আমাদের পরিচয় আমাদের স্বকীয়তা। এই লেখাটা লিখলাম মনের বেদনা থেকেই।
এই গীতগুলি সংগৃহিত। বেশীরভাগ গীতই মহেশ চন্দ্র রায়ের লেখা। সংগ্রহ করা হয়েছে মর্জিনা চৌধুরীর লেখা থেকে। এই সব গীত গাইবার সময় কোন বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয় না।
নতুন শিশুর জন্মের সময়কে তারা গীতের মাধ্যমে প্রকাশ করে। এই গীত অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় বাচ্চার চুল কাটার আনুষ্ঠানে। যা নবজাতক জন্মের তিন থেকে ছয় দিনের দিন অনুষ্ঠীত হয়।
প্রসব বেদনাকে এই ভাবে প্রকাশ করা হয়---
দিদি শাক তুলিবার গেনু পাটিবাড়ী ও মোর দিদি- ( পাটিবাড়ী= পাট ক্ষেত)
দিদি ওঠে উঠে মোর প্যাটের বিষ ও মোর দিদি
দিদি ঘরের সোয়ামিক হামার ডাক দিয়া যাও----
ডাকি আনুক কবিরাজক রে দিদি
এর পর শুরু হয় পাসটি গীত । পাসটির একটি গীত হল---
পাসটির বাড়ীর গুয়াপান (পাসটি= আতুর ঘরের মা ও শিশু)
সবাই মিলি খাবার যান
কাজীর বাড়ীত পাসটি নাগিছে
বড় সাধের পাসটি রে-
হামরা না যাম মাও পাসটি দেখিবারে
হাটো হাটো ভাবী পাসটির বাড়ী যাও রে।
এরপর নাপিতকে নিয়ে পরে সবাই।
তোর নাউয়ার সোনার ক্ষুর (নাউয়া= নাপিত)
বিবেকের হুলিয়া
জনাব সিরাজী,
সালাম নিবেন। আজ পত্রিকায় আপনার নামে দূর্নীতি দমন কমিশনের ১১টি মামলার কথা জানতে পেরেছি। বেশ হয়েছে। কি দরকার ছিল আপনার? কি দরকার ছিল সরকারের তাবত মাথাওয়ালা রাঘব বোয়ালদের সাথে পাঙ্গা নেবার। বাংলাদেশের ইতিহাসে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ভয়াবহ ইতিহাস না জানলে কারো কিছু ক্ষতি হতো? অর্থমন্ত্রী নিজেই বলেছেন ঐ টাকা ‘কিছুই না’... আপনিও অমন কিছু ভেবে নিয়ে চেপে যেতেন। রোজ গাড়িতে করে বাড়ি ফিরতেন। রুই মাছের মাথা দিয়ে লাঞ্চ সারতেন। সরকারের নেক নজরে পড়লে জোষ্ঠ্যতা মত প্রমোশনও পেতেন। এখন সামলান হ্যাপা। আপনি কি ভেবেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টার জোগসাজোগ খুজে পাবে দুদক? উনিতো ‘এলাকার মেয়ে’ মেহেরুন্নেসা মেরীর সাথে শহীদ বুদ্ধিজীবি ডা. ফজলে রাব্বিকে নিয়ে একটা বই লিখছিলেন। তাই হয়তো ঘন ঘন দেখা করতেন। যদিও ডা. ফজলে রাব্বিকে নিয়ে মেরীর লেখা দুটি বই প্রকাশিত হয়ে গেছে বহু বছর আগেই। তৃতীয় কোন বই হয়তো লিখছিলেন।
আমাকে ক্ষমা করবেন
আমরা বন্ধু ব্লগের সবার প্রতি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আগে।
সোনালী ব্যাংকের জিএম আমার বড় ভাই আ ন ম মাসরুরুল হুদা সিরাজীকে নিয়ে গর্ব করেছি। গর্ব করে এবি-তে লিখেছি ''হলমার্ক কেলেঙ্কারি ও একটি পরিবারের আনন্দ-বেদনার গল্প''। হাজারো পাঠক লেখাটি পড়েছেন। আমাদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্টটি স্টিকি করা হয়েছিল।
কিন্তু এখন সবকিছু মিথ্যে হয়ে গেছে।
জিএম সিরাজী নিজের জীবন ও ক্যারিয়ার বাজি রেখে এই লুটপাট ঠেকাতে চেয়েছেন এবং তাঁর কারণে উদঘাটিত হয়েছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনা। গণমাধ্যম, ব্লগ, ফেসবুকে দারুণ প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। জিএম সিরাজীকে জাতীয় বীর হিসেবে পুরস্কৃত করার দাবিও উঠেছিল ফেসবুকে। হ্যাঁ, অবশেষে তিনি ‘পুরস্কার’ পেয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন ১১টি মামলায় তাঁকে আসামী করেছে। সবকটি মামলাই জামিন-অযোগ্য। ফেসবুকে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘ভেবেছি দুদক তাঁকে সংবর্ধনা দেবে। এখন দেখছি উল্টো মামলা দিল। এমন হলে তো মানুষ সৎ কাজের সাহস হারিয়ে ফেলবে।’
আত্মীয়
মানুষ যে কতটা আগ্রহ নিয়ে কথা বলতে পারে তা এ মুহুর্তে মোসাদ্দেক আলীকে না দেখলে বিশ্বাস হতো না সেতুর।তিনি এত আগ্রহ নিয়ে কথা বলছেন যে তিনি খেয়ালই করছেন না তিনি যাকে কথা গুলো বলছেন সে আদৌ শুনছে কিনা। সেতু মোসাদ্দেক আলীর কথা শুনছে খুবই দায়সারা ভাবে।ব্যাপারটা অনেকটা এরকম যদি এখানে মোসাদ্দেক আলী কথা না বলে ,রান্নাঘরে একটা কাপ ভাংগার শব্দ হলে সে শব্দ যেমন সেতুর কর্ণকুহরে প্রবেশ করত,ঠিক তেমনি মোসাদ্দেক আলীর বকর বকরও তার কানে যাচ্ছে বিচ্ছিন্নভাবে।সে মাঝে মাঝে হা হু শব্দ করছে এবং বরাবরের মতো এবারও খুব বিরক্ত হচ্ছে।কিন্তু সে মুখটা খুব স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।তারপরও তার মনে হচ্ছে যেকোনো মুহূর্তে তার মুখ ফসকে কোনো উল্টাপাল্টা কথা বেরিয়ে যাবে।আর সেজন্যই সে তার শ্বশুরের সামনে বসে থাকতে চাচ্ছে না।কিন্তু মানুষটা এমন আগ্রহ করে কথা বলছে যে তার মুখের উপর উঠে যেতে খুব অস্বস্তি হচ্ছে সেতুর।
মানুষ যখন আগ্রহ নিয়ে কিছু করে তখন সে মানুষটার জন্য একধরনের মায়া হয়।কখনো কখনো সে মায়া তীব্র ভালোবাসায় পরিনত হয়।যেমন-কেউ যদি খুব আগ্রহ নিয়ে কথা বলে,আগ্রহ নিয়ে খাওয়া দাওয়া করে,শুনতে কিংবা দেখতে খুব ভালো লাগে।