ইউজার লগইন
ব্লগ
কলকাতা থেকে প্রকাশিত আদরের নৌকায় লেখা পাঠান
কলকাতা থেকে প্রকাশিত আদরের নৌকায় লেখা পাঠান ।
লেখা পাঠানোর জন্য
১) আদরের নৌকা ওয়েব পত্রিকা প্রতি মাসের ২৯তারিখ বেরোবে।
২) লেখা পাঠান saifullahsaif@adorernauka.in এ।
৩) লেখা প্রতি মাসের ২০তারিখের মধ্যে পাঠান।
৪) ওয়েব পত্রিকার লেখা অপ্রকাশিত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।
৫) লেখা পাঠাবেন ইউনিকোডে(অভ্র) doc ফাইল করে ।
বন্ধুরা, আপনাদের সেরা লেখাটি পাঠিয়ে দিন ।
ওয়েবম্যাগ অথবা প্রিন্টেড আদরের নৌকা সম্পর্কিত কোন রকম যোগাযোগের জন্য +919830994267 এই নম্বরে ফোন করুন ।
সাইফুল্লাহ সাইফ
সহ সম্পাদক
আদরের নৌকা
আদরের নৌকার ওয়েব লিঙ্ক
রোহিঙ্গা সমস্যা এবং রামু সহিংসতা....
কক্সবাজারের রামু, উখিয়া, টেকনাফ চটৃগ্রামের পটিয়া ও পাশ্ববর্তী অন্যান্য এলাকায় সংখ্যালঘু সাম্প্রদায়ের উপর সংঘটিত নাশকতা বিষয়ে কিছু বলবার আগে বার্মা, আরকানের ইতিহাস থেকে সামান্য আলোকপাত করতে চাই।
সভ্যতার শুরু থেকে এ পৃথিবীতে যত যুদ্ধ-বিগ্রহ ঘটেছে, তার অধিকাংশই ছিল ধর্ম যুদ্ধ (অথবা অন্য কোন বিষয় নিয়ে দ্বন্ধ শুরু হলেও, শেষ পর্যন্ত তা ধর্ম যুদ্ধের রূপ নিত)। আদিতে ধর্মীয় যুদ্ধ এমনি নৃসংশ রূপ নিত যা বাঘ-হায়েনা-শকুন এর শিকারকালীন সময়ে কিছুটা বুঝা যায়। সভ্যতার উন্নতির কারণে বর্তমান আগ্রাসনের যুদ্ধ, দেশ দখলের যুদ্ধ ধর্ম যুদ্ধের মত এতটা নৃসংশ হয়তো হয় না, এত মানুষও মারা যায় না, তবে যুদ্ধের উপকরণ (বিশেষ করে গোলাবারুদ) বেড়ে যাওয়ায় সম্পদের ক্ষতি, আহতের সংখ্যা পূর্বতন ধর্মীয় যুদ্ধের চেয়ে বেশী হয়। ধর্ম যুদ্ধ হোক আর আগ্রাসনের অথবা অন্য কোন যুদ্ধ হোক, কোন যুদ্ধই মানুষ চায় না। তবে হিসাব করে দেখা গেছে, সব ধর্মীয় যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা অন্য সব যুদ্ধে নিহতের সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশী এবং প্রায় সব যুদ্ধের সুত্রপাত তুচ্ছ বিষয় নিয়ে।
শেষ প্রশ্ন

আমি এদেশেতেই মরতে চাই।
কেউ ডিভি নিয়ে যায়
কেউ মাইগ্রেশানে দাঁড়ায়
কেউ শিক্ষা নিয়ে চিরতরে যায়।
কেউ বিদেশিনী পানিপ্রার্থী
কেউ বিয়ে করে বাঙালি বিদেশী।
আমি তো তাদের মত নই!
আমার কোন এক বন্ধু বলেছে
'হবেনা কিচ্ছু আর এদেশে'
কোন এক ভাই ভারত ভাগার প্রাক্কালে বলেছে
'মর নরকে'।
আমি কি তাদের চোখে পথ দেখি?
ভাঙা পথের ধুলো মনে জড়িয়ে
বাড়ি ফিরতে পেরেই খুশি আমি।
আমি যে তাদের মত অস্তে যাওয়া গোধুলীর আলপনায় জীবনকে দেখিনি
দেখেছি ক্ষুদার্থ ভিখাড়ির ভাতের থালায় জীবনের আনন্দ।
আমি এদেশেতেই মরতে চাই।
মুনিরের মত গাড়ি দুর্ঘটনায়
অথবা মলম পার্টির মলমে
ছিনতাইকারির ছুড়িতে যদিও না হয়
ডেঙ্গু কিংবা ম্যালেরিয়ার একটা মশার কামড়ে
বার্ড ফ্লু কিংবা সোয়াইন ফ্লুর মাংস খেয়ে
বাজারে পেঁয়াজের দাম শুনে হার্টএটাকে
ক্যান্সারে অথবা রাস্তায় পড়ে থাকা ইলেক্ট্রিকের তারে
অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ে মারামারির কালে ক্রসফায়ারে,
পবিত্র কুরআনের আলোকে নামাযের গুরত্ব ! নামায বর্জনকারীদের বিরূদ্ধে কুরআনের ভয়ংকর সতর্কবাণী !
বর্তমান সময়ে মুসলিম ভাইদের নামায বর্জন করা একটি স্বাভাবিক কর্মনীতি হয়ে দাড়িয়েছে অথচ এই নামায হল দ্বীন ইসলামের একটি মৌলিক স্তম্ভ। মহানবীর পূর্বে অন্যান্য নবী রাসুলদের উম্মতের উপরও স্রষ্টার পক্ষ থেকে নামায ফরজ করা হয়েছিল। এমন কোন রাসুল নেই উম্মতকে ঈমানের পাশাপাশি নামাজের প্রতি তার উম্মতকে আহবান জানায়নি। অতিত ইতিহাসের দিকে দৃষ্টি প্রসারিত করলে দেখা যায় অধিকাংশ উম্মত রাসুলদের আনীত জীবন ব্যবস্থাকে মেনে নেয়নি, ঈমানের পথে রাসুলদের আহবান তাদের অন্তরে যেন তীরের মত বিদ্ধ হত ! নফসকে অনুসরন করতে গিয়ে অতিতে বহু সম্প্রদায় এভাবে স্রষ্টার আদেশ অমান্য করে জাহেলিয়াতের তীমির অন্ধকারে হারিয়ে গিয়েছিল। স্রষ্টার পবিত্র পথ বর্জন করে জাহেলিয়াতের সেই অন্ধকার গলিতে এমনভাবে নির্ভয়ে বাস করছিল যার ফলে তারা কোন দিন ভাবতেই পারেনি এক আকস্মিক হামলা তাদেরকে শেষ করে দিবে। বস্তুত হয়েছেও তাই।
ঢাকার যানজট সমস্যা ও এর সমাধান...
আমরা ঢাকা বাসী। আর আমরা যারা ঢাকা থাকি তারা ঢাকার অসহনীয় ও অমানুষিক যানজট এর সাথে অতি পরিচিত। আমাদের এই যানজট এর কারনে আমাদের যে কত প্রকার কষ্ট এবং ত্যাগ স্বীকার করতে হয় তা আমাদের কারোরই অজানা না। কিন্তু এর কি কোন সমাধান নেই...?? নাকি কেও এর সমাধান করার চেষ্টা করে নি...?? হ্যাঁ এর সমাধান ছিল। কি ছিল...?? আমার উত্তর একটাই BRT.
আপনারা অনেকেই হয়ত জানেন না যে BRT কি। BRT= Bus Rapid Transit. আমাদের দেশে যানজট নিরসনের জন্য ২০০৫ এ সালে ২০ বছর মেয়াদি যানজট নিরসন এর প্রক্রিয়া বিশেষজ্ঞরা পেশ করেন সরকারের কাছে। আর সেই সেই পেশ কৃত রিপোর্ট এ এক নাম্বার সুপারিশ ছিল এই BRT.
বিজয় পথে যাও অনাদিকাল!
চে সাহেবরে ধারনা করি প্রথম দেখছিলাম খুলনায়। তখন আমি বালক। তাই বালক সুলভ ইসলামের চেতনা টনটনে। গেঞ্জীতে মানুষের ছবি দেখে মেজাজ খারাপ হইছিলো। বন্ধুরে জিগেষ করছিলাম এই লোক কে? সে কইলো র্যাম্বোর মতো শক্তিশালী হলিউডের নায়ক। আমি সরল বিশ্বাসে তা মেনে নিয়েই দিন পার করছি। চিটাগাংয়ে থাকতে জানলাম চে র কথা। চে কি করে?
শুধু চোখ দু'টো জেগে থাকে
১.
প্রিয় হুমায়ূন আহমেদকে ভালোবাসি। তার মায়াবী সান্নিধ্যে জীবনের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়টি কেটেছে, যেটি কাটাতে আমি পাড়ি দিয়ে এসেছিলাম ৪.৫৪ বিলিয়ন বছরের পথ।
অনেক ছোট্টবেলার কথা। আম্মু একবার জন্মদিনে আমাকে গল্পের বই কিনে দেয়ার জন্য নিয়ে গেলেন লাকী প্লাজার দোতলায়। একটা বিখ্যাত বইয়ের দোকানে। দোকানের নামটা মনে পড়ছে না, কিন্তু খুবই পরিচিত একটা দোকান ওটা। সেখানে গিয়ে আম্মু আমাকে ভূত ভূতং ভূতৌ নামের একটা 'মাঝারি' গল্পের বই কিনে দিলেন। শৈশবে আব্বু-আম্মু দু'জনেই আমাকে গল্পের বই কিনে দিতেন।
শরতের সরোদ
‘তুমি যাবে ভাই-যাবে মোর সাথে আমাদের ছোট গাঁয়,
গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়...।’
ভরা যৌবনের জলতরঙ্গে শরতের কোন এক পড়ন্ত ভাদ্র বেলায় কবি জসিম উদ্দিনের নিমন্ত্রণের ডাকে সারা দিয়ে আমার হাত ধরে উপমা বলেছিল, শুনেছি তোমার গ্রামকে বড় ভালবাস তুমি; ছবির মত ছায়া সুনিবিড় তোমার গ্রাম; এ দেশের গ্রাম দেখা হয়নি আমার কোনদিন; দেখিনি ধান-পাট-শষ্যে ক্ষেত; দেখিনি ডোবা-নালা-খাল-বিল-বাওর-হাওর-নদী-সাগর; দেখিনি প্রকৃতির পাহাড়-ঝরণা-ছড়া-মেঘ-কুয়াশা-নদী আর রহস্যময় পাহাড় ঘেরা অপার সৌন্দর্যের পাহাড়ি ভুমি। আমায় তুমি নিয়ে চল সখা, তোমার যেখানে খুশী-তোমার চোখে দেখব আমি শরতের শাশ্বত রুপ।
কালো আর ধলো বাহিরে কেবল, ভেতরে সবারি সমান রাঙা
মানুষ হিসেবে আমাদের সীমাবদ্ধতা অসীম। কেউ সেটা স্বীকার করতে ভয় পাই আবার কেউ সজ্ঞানে এড়িয়ে গেলেও অবেচেতনে নানারকম বর্ণবাদ নিজেদের ভেতর পুষে রাখি। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে আমার সৌভাগ্য হয়েছে ভিন্ন পরিবেশ,ভিন্ন চিন্তাধারা এবং ভিন্ন ভৌগলিক পারিপার্শ্বিকতায় মানুষের নানা রূপ অবলোকনের। এ লেখার টুকরো কয়েকটি ঘটনা হয়তো নিজেদেরকে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে আরেকবা্র ভেতরটা দেখে নেয়ার সু্যোগ করে দেবে। নামধাম কাল্পনিক হলেও ঘটনাগুলো আমার বা আমার খুব কাছের মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাপ্রসূত, বলাই বাহুল্য।
১.পুলিশ দেখে করিসনে ভয়, আড়ালে তার ......
দ্বিধা
তাকিয়ে থাকি ওই সূদুর নীলিমায়,
যেথায় থাকে মোর সুন্দরিতমা;
বৃষ্টি হয়ে ঝরে পরে আমার শরীরে
কোন এক সূদুরতমা ।
ভেবনা সুন্দরীতমা,
তোমায় আমি ভাংবো না,
কাঁদাবো না কক্ষনো
দেবোনা হতে টুকরো টুকরো ।
রাখবো যতনে একান্তে আপনে,
হয়তো নদীর মোহনায় অথবা আকাশের সীমানায়,
নয়তো পাহাড়ের গুহায় অথবা সমুদ্রের বালুকাবেলায়,
থাকবে সেথায় দেবী হয়ে ।
লুকিয়ে রেখেছি নীলয়ের ভিতর,
কেউ পাবেনা দেবীর খবর;
কারন যেদিন বলবো ভালবাসি হে সূদুরতমা,
সেদিন সবাই দেখবে আমার বাসর ।
সুখী দেশের সুখী নাগরিক
সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠিয়া কোনরকমে গোসল সারিয়া, ৮টার মধ্যে অফিসে ঢুকি, তারপর আমার আর আমার মস্তিস্কের উপর দিয়ে কি যায় তা আমি বিনে কেউ জানেনা, এরপর বাসায় ফিরি রাত ৮ টায়। তখন মাথা উচু করে রাখার শক্তি থাকেনা, তারপর ফ্রেশ হওয়া, বাজার করা, রাতের খাবারের ব্যাবস্থা করা, কালকের কাজগুলো কিভাবে করা যেতে পারে তা নিয়ে ভাবা, প্রগ্রামিং এর বইনিয়ে বসা, দুই ঘন্টা ঘামে ভিজে যাওয়া, তারপর হঠাত ঘড়িতে দেখি রাত ১২:৩০ বাজে, সাথে সাথে প্রেমিকার ফোন তার সাথে ঘন্টা খানেক কথা বলা, তারপর নিজের মনের শান্তির জন্য পড়া, হঠাত দেখি ভোর ৩:৩০ । আর ঠিক তখনই মনে পরে যায় আমার হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার কথা, যাকে আমি হারিয়েছিলাম আমার টাকা পয়সা নাই, আর গায়ের রং কালো বলে । পুরোনো সুখ স্মৃতি স্মরণ করতে করতেই সকাল ৫:৩০ বাজে । তখন হঠাত ঘড়ি দেখে মনে হয় উফ কাল সকালে আবার অফিস । ঘুমাই আবার উঠেই অফিসে !!! এই হচ্ছে আমার মত একজন নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের দৈনন্দিন জীবন। আমি জানি আমার মত এমন বা এর চেয়েও খারাপ অবস্থা এ দেশের অধিকাংশ মানুষের, তারপরও নাকি আমাদের দেশ বিশ্বের ১১ তম সুখী দেশ?
ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।-অনলাইনে জীবনের প্রথম আয়।
কথায় আছে ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় কথাটা ১০০% সত্য।গত দুটি বছর ধরে অনলাইনে আয়ের উদ্দেশ্যে পথ খুজতে থাকি।বহু পিটিসি সাইটে ক্লিক করেছি কোন লাভ হয়নি।এরপর ও অনলাইনে আয়ের পথ থেকে পিছিয়ে যাইনি।..........। খবর পাই ওডেস্ক এর। তারপর থেকেই আল্লাহর ইচ্ছায় অনলাইনে এখন আয় করছি। জীবনের প্রথম আয় ছিল $১ ডলার ৩০ টি ফেইসবুক লাইক করে।সব চেয়ে মজার কথা হচ্ছে ওডেস্ক এ সাইন আপ করার পরের দিনই আমি $১ ডলার আয় করি। আমার জন্য দোয়া করবেন। আর একটা কথা আপনারা চেষ্টা করে দেখতে পারেন যার আয় করতে ইচ্ছুক................।।।।।
ডুবে ডুবে প্রেম
সাদাসিধা এক ছেলে ভাব লজ্জিত,
মেয়েদের দেখে যেনো অতিশয় ভীত,
সমুখেতে মেয়ে দেখে পিছে হাঁটা দিতো।
বন্ধুরা কতো নামে করে অভিহিত,
দেয়নাকো সেই ছেলে কোন জবাব-ই-তো,
হয়নাকো কোনরূপে কিছু প্রভাবিত!
কেউ বলে গেঁয়ো তাই নয় বিকশিত,
আরো নানা সন্দেহে হয় উপনীত,
সেই ছেলে তাতে যদি ভ্রূক্ষেপ দিতো!
একদিন ম্যাগাজিনে হয় প্রকাশিত,
ছেলেটার একখানা লেখা সচরিত,
কবিতার ভাঁজে ভাঁজে প্রেম বিগলিত।
সাদামাটা ছেলে শেষে হাতেনাতে ধৃত,
ডুবে ডুবে একদম প্রেমে নিবেদিত,
কবিতার ভাষা তার, অগ্নিতে ঘৃত।।
আননোন আর্টিস্ট - আননোন অ্যালবাম - ট্র্যাক টুয়েলভ
অনেকক্ষণ ধরে একটা জোরালো আলোকবর্তিকার নিচে দাঁড়িয়ে আছি। নিজের বারান্দায়। চিরসঙ্গী জ্বলন্ত জ্বলে আছে দু'টো আঙুলের মাঝখানে। আধখানা তীব্র চাঁদ কয়েকটা সঙ্গী রাতের তারা নিয়ে আমাদের সবাইকে দেখছে। অনেক দূর থেকে কিন্তু খুব পরিস্কার সবকিছু দেখতে পাচ্ছে। ভালোবাসার খোঁজে আর কতকাল ভালোবেসে যাবো সেটা নিয়ে ভাবছিলাম। একজন মানুষকে আরেকজন মানুষ কতটা ভালোবাসতে পারে? নির্জ্ঞান মন জানে না পুরো বিষয়টা আসলে কতখানি জটিল। না জেনেই সে একটা রক্ত-মাংসের মানুষ নিয়ে খেলতে বসেছে। জানে না, বাইরের পৃথিবীতে যা কিছু ঘটে তার সবই বাস্তব। আনমনে খেলেই চলেছে। আমরা যারা রক্ত-মাংসের মানুষ, তারা এ খেলার নিরুপায় ক্রীড়ানক মাত্র। আহা, নিজের এ মহার্ঘ্য সম্পদটি নিয়ে নিজে যদি কোনোদিন বুঝে-শুনে খেলার সুযোগ পেতাম!
ধারাবাহিক রম্য নাটিকা--'অকার্যকর গণতন্ত্রঃ পশুদের বিচার'
যখন কমরেটদের হাতে লেখা পোষ্টার, আঁঠা আর হারিকেন নিয়ে অন্ধকারে আলোর খুঁজে বের হতাম, বিশ্ব বেহায়া এরশাদের ভূয়া গণতন্ত্রের পাছায় লাথ্থি মারতাম আর শ্লোগান করতাম, তখন আমার বিদ্যার জোর ৬ষ্ঠ কি ৭ম শ্রেণী হবে। কিন্তু গান, কবিতা, নাটক আর বই নিয়ে শ্রেণী সংগ্রামের আন্দোলনে ছিলাম বয়সের তুলনায় খানিকটা এগিয়ে। সেই সময়ের রাজনীতিবিদদের নিয়ে রচনা করেছিলাম হাসির নাটক ‘পশুদের বিচার’। নাটকের আবেদন মনে হয়, বর্তমানে আরো বাড়ছে। এখনো অপরাধ ধরা পড়ে না, পড়লেও বিচার হয় না।
পড়ুন, ভাবুন--এ দেশের বিচার ব্যবস্থা ছোটদের ধারাবাহিক রম্য নাটিকা 'অকার্যকর গণতন্ত্রঃ পশুদের বিচার' এর মত কিনা।
পূর্ব প্রকাশিতের পর--(শেষ পর্ব)
(পরের দিন-দরবারে হৈচৈ,
হাতির প্রবেশ)
স্টপ্, স্টপ্, স্টপ্
সবাই কর চুপ্
সেনাপতি আজ কোথায়
ময়ূর বলে, আজ ছোট হুজুরের
প্রথম বধূর বিদায়।
জাঁহাপনা, মনুষ্যকূল বড়ই পাজী
ওরা আপনার বিরুদ্ধে
করেছে নির্মম আর্জি।
কলাগাছ কর্তনে
আপনি ঘুরেন বনে বনে
ওদের কথা হল
ওরা হবে আপনার কাজী ।
দেখুন জাঁহাপনা
ওরা কত বড় পাজী।
হাতি বলে, বলে কি?
সেনাপতি নেই, ওরা বিচার করে?
না,না, না...বলে দেন