ইউজার লগইন
ব্লগ
জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - শেষ পর্ব
জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - ১
জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - ২
জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - ৩
ঠিক তখনই দরজা ঠেলে রেস্টুরেন্টে ঢুকে কাঙ্খিত মেয়েটি। অনুসূয়াকে সুরেশের বিপরীতে বসে থাকতে দেখে এক মূহুর্ত থেমে যায়। তারপর হেঁটে নিজের নিত্যদিনের আসনে বসে। রেস্টুরেন্টটাতে এই সময় কখনো তেমন ভীড় হয় না। বাঁধা-ধরা কিছু লোকই এখানে নিয়মিত আসে। খুব কম দিনই সুরেশ বা মেয়েটা তাদের নির্দিষ্ট আসনটা হারিয়েছে। বেলা একটার পর কিছুটা ব্যস্ত হয়ে উঠে এই রেস্টুরেন্ট। তারপর আড়াইটার পর আবার ঝিমিয়ে পড়ে।
মেয়েটার দিকে অর্ডার নিতে এগিয়ে আসার আগেই সে উঠে ধীরে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে যায়। সুরেশের বুক থেকে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে।
- দেখেছো, কষ্ট পেয়ে বেরিয়ে গেছে।
ক্ষয়ে যাওয়া আছে
ক্ষয়ে যাওয়া আছে
ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাওয়া ইটের বয়ঃজনিত লক্ষণ।
জানা গেল,
সেখানে আঘাত দিলে ভেঙ্গে পড়ে যতো অর্জণ তোমার
সৃষ্টি হয় সখের হাড়ির ভেতর সম্পন্ন ক্ষত।
মধ্যরাতে ভ্রমণসঙ্গী ভাবো
অর্ধাঙ্গী কিংবা পূর্ণ অঙ্গের কোন চাঁদ
আমরা ও মেঘের গতি সমান্তরাল ভ্যানে
হঠাৎ পৃষ্ট হলাম কয়েকটা ফুলে
জানা গেল,
নাগরিক সুরক্ষার মন্ত্র এখনও জানা নেই তোমার।
প্রথমে শব্দ এবং সামান্য শারীরীক চোখ
উভয়ের কর্মপ্রণালী আইলপথ ধরে ঢুকে গেল ত্রিভুজ গহ্বরে
সেখান থেকে বিচিত্র এক ছন্দ তালে আগমন ঘটে যার
সুর ও অসুরের মধ্যেখানে বাঁশরীর ইতিহাস।
জানা গেল,
একের আগেও আছে শুন্য তবে অকার খ কার?
ইট ও ইষ্টের গল্পকথা
জেনে গেছে দেখ গাভীন নহর
কাদামাটি ও পোড়ামাটি তারপর খোয়া ও খোয়াবের টুকরো
দেয়ালে আঘাত দিলে তলের ভেতর থেকে উঠে আসে ক্ষতের নগর।
আমি
কারো কারো নাম খুব দামী
কারো কারো নামের নিচে প’ড়ে থাকে বিধ্বস্ত উড়োজাহাজ।-
স্বর্গ পাতাল। চাতাল পেতে হাওয়া খাওয়া দুপুর। হাজার পৃষ্ঠার
ভেতর বহু নাম কেটে দেয়া খুনি হাত।
কারো কারো নামে আছে তাপ। শুনলেই ঘুম ভেঙ্গে ওঠে ভুমিকাবাতাস।
গুপ্তপর্দা ছিড়ে উঁকি দেয়,খোঁজে গুহামুখ।
ওতেই সুখ। বিনয়ের চাকা ঘোরে অবিরাম।
নামের ভেতর রয়েছে তৃপ্ত করার ক্ষমতা,আরাম আরাম।
কারো কারো নাম খুব দামী
তবুও চামড়া,নেলপলিশ,কালোজিরার গুণ অক্ষত।
তিলের ভেতর তাল বা তিলের ভেতর তিল।-
দেখ,বিখ্যাত বা ধানক্ষেতেরও আছে ডানা।না না
ঝাঁপটার ভেতর ফেলে দেয় আরামের সফর।
কারো কারো নাম খুব দামী!
আশ্বাস পেয়ে তাই হাজির হয়েছি বেনামে। এই আমি!
ভাদ্র বেলার গানঃ এ ভরা বাদর, মাহ ভাদর...
গত বছরের শেষ বাদর বেলা আর ভরা ভাদর এর নৈসর্গিক রূপ দেখে, অনৃভব করে সমকাল পত্রিকায় প্রকাশ করেছিলাম আত্ননুভুতি। শরতের সরোদও এ বছর সমকাল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। তবে বিভাগীয় সম্পাদকের আকস্মিক অনুরোধের কারণে এবং সময়ের অভাবে গত বছরের লেখা থেকে কিছুটা চুরি(?) করে এ বছরের শরতের সরোদ সাজাতে হয়েছিল। পাঠক ও ব্লগারা, নিজের লেখা থেকে চুরিকে চুরি বলবেন কিনা জানি না। গত বছরের শারদীয় অনুভূতি আবার এখানে প্রকাশ করলাম--
বৃষ্টি ভেজা দিঘি ।
অনেকক্ষণ ধরেই বৃষ্টি হচ্ছে আজ । ভার্সিটির ক্লাসের তিনতলার জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে ছেলেটি । তার নাম রানা , যতদুর চোখ যায় বৃষ্টি ভেজা এক বিশাল অরণ্য । সবুজ গাছের সাথে লতাগুল্ম একে অন্যের সাথে জড়াজড়ি করে দাঁড়িয়ে আছে । উপর থেকে দেখে মনে হচ্ছে বৃষ্টি ভেজা এক কার্পেট বিছানো । রানা একটু অভাক হয়ে প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্যের দিকে তাকিয়ে থাকে ।
রানা খুব সাদাসিদে একটা ছেলে।সে কলেজ শেষ করে এখন ভার্সিটিতে পরছে । মানুষের সাথে তার মেলা মেশা তেমন একটা বেশি নয় । আর মেয়েদের সাথেতো প্রায় নেই বললেও চলে ।।রানা দেখতে এমনিতে খারাপ নয় ।ওর চেহারাতে কেমন একটা সাম্য ভাব রয়েছে । দেখে যেকোন মেয়েরই ভাল লাগার কথা ।
ময়নামানব
আবাদি জমিন মেঘের জোয়ারে ভিজে,
আলপথ সিঁথি মিনিটে মিলিয়ে যায়, তামাটে মাটির বুক খরবেগে ভাঙ্গে,
মাছের দু’চোখে নাচে চিকচিকে আলো, ঢেউয়ে দোলায় জলডুবি খেলে সবুজ ফসল মুহুরি বহতানদী।
শাদা শাপলার স্নান জলডুবি খেলা ধূশর বাতাসে বাদল মোতির মালা-মেঘের নাওয়ে জানালাকার্নিশে,
ভিজতে ভিজতে বেঢপ কাকতাড়ুয়া খুঁজে মাঠ ফাটা রোদ।
লাল মরিচের ঠোঁট সবুজ টিয়েটা কোটরে গহনে লুকোয় উষ্ণতা যাঁচে; এক পা ডুবিয়ে এক পা উঠিয়ে
ধ্যানমগ্ন বক ঝিমুতে ঘুমুতে ভিজে।
সড়ক পুলিশ সতর্ক অপেক্ষা হুইশেল, তীব্রচিৎকার- পকেটে পুরোয় পঙ্কিল পুরীষ, ন্যাড়াকাটা পাহাড় শহুরে ফ্ল্যাট ভিজে- পিগমিপরানে পুড়ে ময়নামানব।
একটি ফটোওয়াকের গল্প
বছরের এই সময়টা কোন না কোন ভাবে কাশফুল দেখতে বের হওয়া হয়। শরতের এই ফুলকে খুব বেশী সময় ধরে পাওয়া যায়না যদিও। শেতশুভ্র সাদা সাদা ফুলে ছেয়ে যায় ধরনী... সাথে নীল আকাশ... মাঝে মাঝে সাদা মেঘগুলোর উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুড়ে বেড়ানো।
সুযলা সুফলা শষ্য শ্যামলার এই দেশ... দেশের প্রতিটা ঋতুরই আসা যাওয়া টের পাই... সময়ের গন্ধ ছড়িয়ে পরে বাতাসে... এখন যেমন সকালে ঘুম ভাংলে টের পাই শীত আসতেছে... শীতের আগমনী ঘ্রান চারিদিকে...
গত বছর ঠিক এমনি সময়ে ময়মনসিংহ একটা ঘুরন্তিস দিছিলাম। লিনা দিলরুবা আপার বাসায় (মানে দুলাভাইয়ের সেইখানে পোস্টিং)। রাজকীয় আয়োজন... আপ্যায়ন... চর্ব্য... চোষ্য... লেহ্য...
... সে এক বিরাট ইতিহাস
দেশ-দেশান্তর (সবজি কাহিনী)
বাংগালীদের সন্মন্ধে প্রচলিত আছে তারা ভোজন রসিক, তাই প্রথমেই বলি রসনা আর রসুই ঘরের কথা। সেই ৯৬ সালের শীতে মুশকিল হচ্ছিলো আমাদের প্রযন্মের, ছেলে মেয়েদের নয়। খাবার মানে তো শুধু ক্ষুধা নিবৃতি নয়, আজন্ম লালিত রসনারও পরিতৃপ্তি। দেশি খাবারের প্রতি লোভ হোত, দেশে ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, যা এখনও দেশের গ্রামের বুড়ো বুড়িরা বিলাতি বা চুঁয়া বাইগুন বলে, সীম নুতন আলু এই সব শীত কালিন তরকারি গুলিকে মোটামুটি কুলিন হিসেবেই বিবেচনা করা হোত, আসলে লাউ, কুমড়ো, উচ্ছে, ঝিঙ্গে, পটোল, কত রকমের বেগুন, কচু, লতি, বরবটি, কাকরোল, ঢেরস, সজনে, মুলো, লালশাক, আহা লালশাক!! কত রকমের শাক!!! গরম ধোঁয়া ওঠা ভাতের সাথে এই সব রকমারি বারোয়ারি তরকারির অভাব বিদেশে এসে যেন তীব্র ভাবে অনুভব করতে লাগলাম।
ছোটগল্প : অযৌক্তিক অসহজ
নওরীণের কথা শুনে শুনেই সেদিনের রিকশা ভ্রমণ শেষ হলো।
ভালোবাসা আমাকে বাসেনি ভালো
টিকেট কাটার পর থেকেই আমি আতংকে ছিলাম ট্রেনে না জানি কে বসে আমার পাশের সিটটাতে।মনে মনে চাচ্ছিলাম কোনো না কোনো ভাবে যেন একজন মেয়ে বসে।আজ সকালে,(সকাল না বলে ভোর বলা উচিত)এই কুয়াশার চাদরের ভেতর দিয়ে যখন আমি বটতলী রেল স্টেশনে এসে পৌঁছালাম তখনও মনে মনে একই দোয়া করছিলাম।কিন্তু না,আমার দোয়া যে কোনো কাজের না তা প্রমাণ করার জন্যই দেখি আমার পাশের সিটে বসে আছে উড়নচন্ডী,উসকু-খুসকু টাইপের একটা ছেলে।মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল।কিন্তু মেজাজ দেখানোর তো আর উপায় নেই।তাই বিরক্তি চেপে হতাশ নয়নে জানালার কাঁচ দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকি।
দিনের আলো ফোটার সাথে সাথেই কুয়াশা কেটে যাচ্ছে একটু একটু করে।আমি ভাবছি,কেন যাচ্ছি আমি ঢাকায়?কোনো কিছুতেই মন বসে না।যে ভালোবাসার জন্য আমি সব ছেড়ে দিতে চেয়েছি সে ভালোবাসাই কিনা কত সহজে ছেড়ে দিল আমাকে।মুক্তির স্বাদ যে এত বিস্বাদ হতে পারে এ ঘটনার মুখোমুখি না হলে হয়তো কোনোদিনই জানা হতো না আমার।ভাবনার ছেদ পড়ে পাশে বসা পাবলিকের উপরের লাগেজ স্ট্যান্ড থেকে ব্যাগ নামাতে গিয়ে ফেলে দেয়ার শব্দে।আমার বিরক্তি ভরা চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন,সরি।
না গদ্য না পদ্য
না গদ্য না পদ্য
--শাশ্বত স্বপন
--তিন মাস পর কি যেন বলবে বলেছিলে?
আমি বলেছি, চোখ আর হৃদয়ের ভাষায়
সময়ের কানে কানে
তুমি হয়তো শোননি; হয়তো খেয়াল করনি
নিজের একুশ, সাহিত্যের বার
এই তেত্রিশ বছরে হৃদয়ের মন্দিরে
ধুলোর আস্তরন পড়ে
একেবারে মরুভূমি যেন!
কবিতা, তোমার কখনো মরতে ইচ্ছা করে?
--না!
আমার মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে করে
ইচ্ছে করে এই বিষাক্ত পৃথিবীটাকে
ধ্বংস করে দেই।
--কিন্ত কেন?
কি বলব তোমাকে, জানি না?
না, বলব-
এই পৃথিবী কাছে, এই জীবনের কাছে,
সময়ের কাছে, আমার কোন প্রয়োজন নেই।
আমার জীবনে কোন পদ্য নেই, ছিলও না
আছে বিষাক্ত হৃদয়ে বিষাক্ত গদ্য ।
আমাকে এক মুঠো ‘সুন্দর’ দেবে?
তোমাকে সুন্দর একটি ছায়াপথ দেব।
--দরকার নেই। তুমি কি বলতে চেয়েছিল?
কি বলতে চেয়েছি?
মনে নেই, মনে নেই এই কারণে যে,
পাছে এই আশাহত হৃদয়
পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর অথবা অসুন্দর
সত্য কথা বলে উঠে।
স্বপ্নের ডানায় উড়ে ইতিহাসের পথে
জীবনের চলার পথ বড় আঁকা-বাঁকা, উঁচু-নিচু, কন্টকাবৃত আর যৌবনের উত্তাল সমুদ্রপথে ভাঁঙ্গা ভাঁঙ্গা হাজারো স্বপ্নের ঢেউগুলিতে থাকে না কূল, থাকে না কিনারা। তবুও মাঝে মাঝে উঁকি দেয় অবাস্তব ও অসম্ভব কিছু স্বপ্ন। যৌবনের কোন ধর্ম নেই, ভয় নেই, অসম্ভবপর কোন বিষয় নেই; আর তাই যৌবন কোন বাধাঁই মানতে চায় না।
শুভকামনা.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
#
ভাল থাকুক
প্রিয় যত ক্ষণ
ভাল থাকুক
স্মৃতি শৈশব
সোনালী ইস্কুল
রূপালী কলেজ বেলা
ভাল থাকুক
আলতো হাতে
ভালোবাসার পরশ
ভাল থাকুক
ভুলে যাওয়া দুঃখ
প্রিয় যত সুখ
ভাল থাকুক
অবারিত ভালোবাসা
ভাল থাকার সুখ
ভাল থাকুক।
# #
একটা সকাল
মন খারাপের আজকে ছুটি
নেই বুঝি সে বাড়ি
অভিমানের মেঘের সাথে
আজকে ছাড়াছাড়ি
চোখের কোণে জল
শিশির ভেজার
ছল
রবির কিরণ অঙ্গে মাখি
হোক না সে ঝলমল
ঠোঁটের কোলে গালের টোলে
একটু হাসি
দুষ্টু চাওয়ার ঝাঁক
সে-ই
আমারি থাক
ভাল থাক শান্ত নদীর ঘুম
চায়ের কাপে ভালোবাসার ওম
শীতের রোদের হঠাৎ গালে চুম
ভাল থাক
বৃষ্টি শেষে সবুজ ঘাসের গায়
রোদ্দুর ভেসে যাক
একটা দুপুর টাপুর টুপুর
অবাক বিকেল ছুঁয়ে
ভেজা কাক
ভাল থাক
ভাল থাক তোমার কানের দুল
ঘাসফুল
যত ভুল
ভাল থাক
আজ আড়ির সাথে আড়ি
ভাবের সাথেই ভাব
জগৎজোড়া সুখ
হাসি
ভালবাসাবাসি
ভাল থাক;
ভাল থাক,
ভাল থাক।।
ছোটগল্প : অযৌক্তিক অসহজ
বাজে কথা। খুব বাজে কথা। একটা মেয়ে তোকে ভালোবাসবে আর তুই তাকে প্রতিদিন ঘুরাবি, এটা খুবই বাজে কথা।
-না দোস্ত। নওরীণ আসলে আমাকে ওইভাবে ভালোবাসে তা বলা যাবে না। কিন্তু নওরীণকে আমি দেখসি, ওর মধ্যে একটা ব্যপার আছে। ধর অনেকদিন না দেখা হলে নওরীণ নিজেই দেখা করার একটা সুযোগ বের করে। আসে এবং আমাকে গভীরভাবে খেয়াল করতে থাকে। যেন আমি কেমন আছি, কি করছি, কি ভাবছি সব সে অনুমানেই বের করে ফেলবে। ওর চোখে আমি এক ধরনের গবেষণা চালানোর লক্ষণ খুঁজে পাই। সে আমাকে নিয়ে কি যেন একটা গবেষণা করছে। আমি জাস্ট এই জন্য ট্রাই করি ওকে সময় কম দেবার। কিন্তু ওর আছে বিপুল পরিমাণ এনার্জি। যতই ঘুরাই ততই ঘুরে-ফিরে ঠিক সামনে এসে হাজির হয়। আর কথা বলতে থাকে ক্রমাগত। বিষয়টাকে তুই কি বলবি দোস্ত?
বিষয়টা ভয়ংকর। সূপর্ণখা টাইপ মেয়ে। চুপচাপ কেটে পড়। এ ধরনের মেয়ের আশপাশে যাওয়াও বিপজ্জনক। প্রেমিকা হিসেবে অজেয় কিন্তু আঁচড়ানোর সময় আঁচড়ে কলিজায় দাগ ফেলে দিয়ে আসবে। সময় থাকতে পালা।
একটি ছেলের কথা
শিরোনাম দেখে চমকে উঠার কিছু নাই। এইটা কোনো রোমান্টিক ছেলের গল্প না বা কোনো ধনীর দুলালের হারিয়ে যাওয়ার গল্প না। বা এইটা ওয়ারফেইজের গানের একটি ছেলেও না আবার সুমনের ব্যান্ড অর্থহীনের অদ্ভুত সেই ছেলেটিও না কিংবা এলআরবির সেই ঘুম ভাঙ্গা শহরের কিশোর ছেলেও না। এই ছেলেটি এমন এক ছেলে যে বাক প্রতিবন্ধী বয়স ১৩-১৪। জামালপুরের ভাষায় এদের বলে থেতলা। কথা জড়িয়ে যায়। ভালো ভাবে কথা না শুনলে বুঝাই দুস্কর এমন এক ছেলের কথা বলছি। যেই ছেলেটি সুদুর রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দী থেকে বাবার এক্সিডেন্টের খবর শুনে আগত। তার মামার ফোন করছিলো তা শুনে সে নানা বাড়ী থেকে রওনা দিছে। ২৫ তারিখ তার ডাচ বাংলা ব্যাংকের কি জানি একটা স্কলারশীপের এক্সাম। সে ক্লাস ফাইভে প্রতিবন্ধী হিসেবে বৃত্তি পাইছে। ঢাকাতে নেমেই সে দেখে তার মামার ফোন অফ। কে জানি তারে বুদ্ধি দিছিলো তাকে সদর ঘাটে যাবার জন্যে। সে যায় সদর ঘাট কোথাও তার মামা নাই। এদিকে পকেটে টাকাও নাই তার। সারাদিন কিছুই খায় না। সে অবস্থাতেই সে বাড়ীর দিকে চলে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। এক ট্রাফিক পুলিশ তাকে ভুল রাস্তা দেখিয়ে দেয়। সেই সুত্র ধরেই সে আসে আমাদের চায়ের দোকানে। হাটতে হাটতে এতো ক্লান্ত