ইউজার লগইন
ব্লগ
পৃথিবীর এক দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ।
mossad-seal.jpg
http://www.amrabondhu.com/sites/default/files/mossad-seal.jpg
পৃথিবীর সব বড় ও মাঝারি শক্তিধর দেশেরই নিজস্ব বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা
রয়েছে । যেমন সিআইএ, এমআইসিক্স , কেজিবি, মোসাদ ইত্যাদি ।
কিন্তু ইসরায়েলের ‘মোসাদ'কে ঘিরে যেসব রহস্যজনক ও চাঞ্চল্যকর গল্প চালু আছে, তার কোন তুলনা হয়না ।
মোসাদের নামতো কমবেশি সবাই শুনেছেন মাসুদ রানা পড়লে আরও আগে জানার কথা ।
মোসাদের এমন কিছু অপারেশন রয়েছে যেগুলো গল্পের বই বা সিনেমা কেও হার মানায় । এই গ্রুপটি WORLD MOST EFFICENT KILLING MACHINE নামেও পরিচিত । গুপ্ত হত্যায় মোসাদ এক এবং অদ্বিতীয় । মার্কিন সিআইএ এবং মোসাদের ভিতরে পার্থক্য রয়েছে যে সিআইএ গুপ্ত হত্যার চেয়ে সরাসরি হামলা বেশি চালায় । অন্যদিকে মোসাদ খুব গোপনে তাদের শিকারদের শেষ করে ।
গীত --আপনারে চিনি
নীলফামারী জেলার হারিয়ে যাওয়া কিছু গীত । যা আমাদের ঐতিহ্য। আমাদের পরিচয় আমাদের স্বকীয়তা। এই লেখাটা লিখলাম মনের বেদনা থেকেই।
এই গীতগুলি সংগৃহিত। বেশীরভাগ গীতই মহেশ চন্দ্র রায়ের লেখা। সংগ্রহ করা হয়েছে মর্জিনা চৌধুরীর লেখা থেকে। এই সব গীত গাইবার সময় কোন বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয় না।
নতুন শিশুর জন্মের সময়কে তারা গীতের মাধ্যমে প্রকাশ করে। এই গীত অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় বাচ্চার চুল কাটার আনুষ্ঠানে। যা নবজাতক জন্মের তিন থেকে ছয় দিনের দিন অনুষ্ঠীত হয়।
প্রসব বেদনাকে এই ভাবে প্রকাশ করা হয়---
দিদি শাক তুলিবার গেনু পাটিবাড়ী ও মোর দিদি- ( পাটিবাড়ী= পাট ক্ষেত)
দিদি ওঠে উঠে মোর প্যাটের বিষ ও মোর দিদি
দিদি ঘরের সোয়ামিক হামার ডাক দিয়া যাও----
ডাকি আনুক কবিরাজক রে দিদি
এর পর শুরু হয় পাসটি গীত । পাসটির একটি গীত হল---
পাসটির বাড়ীর গুয়াপান (পাসটি= আতুর ঘরের মা ও শিশু)
সবাই মিলি খাবার যান
কাজীর বাড়ীত পাসটি নাগিছে
বড় সাধের পাসটি রে-
হামরা না যাম মাও পাসটি দেখিবারে
হাটো হাটো ভাবী পাসটির বাড়ী যাও রে।
এরপর নাপিতকে নিয়ে পরে সবাই।
তোর নাউয়ার সোনার ক্ষুর (নাউয়া= নাপিত)
বিবেকের হুলিয়া
জনাব সিরাজী,
সালাম নিবেন। আজ পত্রিকায় আপনার নামে দূর্নীতি দমন কমিশনের ১১টি মামলার কথা জানতে পেরেছি। বেশ হয়েছে। কি দরকার ছিল আপনার? কি দরকার ছিল সরকারের তাবত মাথাওয়ালা রাঘব বোয়ালদের সাথে পাঙ্গা নেবার। বাংলাদেশের ইতিহাসে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ভয়াবহ ইতিহাস না জানলে কারো কিছু ক্ষতি হতো? অর্থমন্ত্রী নিজেই বলেছেন ঐ টাকা ‘কিছুই না’... আপনিও অমন কিছু ভেবে নিয়ে চেপে যেতেন। রোজ গাড়িতে করে বাড়ি ফিরতেন। রুই মাছের মাথা দিয়ে লাঞ্চ সারতেন। সরকারের নেক নজরে পড়লে জোষ্ঠ্যতা মত প্রমোশনও পেতেন। এখন সামলান হ্যাপা। আপনি কি ভেবেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টার জোগসাজোগ খুজে পাবে দুদক? উনিতো ‘এলাকার মেয়ে’ মেহেরুন্নেসা মেরীর সাথে শহীদ বুদ্ধিজীবি ডা. ফজলে রাব্বিকে নিয়ে একটা বই লিখছিলেন। তাই হয়তো ঘন ঘন দেখা করতেন। যদিও ডা. ফজলে রাব্বিকে নিয়ে মেরীর লেখা দুটি বই প্রকাশিত হয়ে গেছে বহু বছর আগেই। তৃতীয় কোন বই হয়তো লিখছিলেন।
আমাকে ক্ষমা করবেন
আমরা বন্ধু ব্লগের সবার প্রতি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আগে।
সোনালী ব্যাংকের জিএম আমার বড় ভাই আ ন ম মাসরুরুল হুদা সিরাজীকে নিয়ে গর্ব করেছি। গর্ব করে এবি-তে লিখেছি ''হলমার্ক কেলেঙ্কারি ও একটি পরিবারের আনন্দ-বেদনার গল্প''। হাজারো পাঠক লেখাটি পড়েছেন। আমাদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্টটি স্টিকি করা হয়েছিল।
কিন্তু এখন সবকিছু মিথ্যে হয়ে গেছে।
জিএম সিরাজী নিজের জীবন ও ক্যারিয়ার বাজি রেখে এই লুটপাট ঠেকাতে চেয়েছেন এবং তাঁর কারণে উদঘাটিত হয়েছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনা। গণমাধ্যম, ব্লগ, ফেসবুকে দারুণ প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। জিএম সিরাজীকে জাতীয় বীর হিসেবে পুরস্কৃত করার দাবিও উঠেছিল ফেসবুকে। হ্যাঁ, অবশেষে তিনি ‘পুরস্কার’ পেয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন ১১টি মামলায় তাঁকে আসামী করেছে। সবকটি মামলাই জামিন-অযোগ্য। ফেসবুকে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘ভেবেছি দুদক তাঁকে সংবর্ধনা দেবে। এখন দেখছি উল্টো মামলা দিল। এমন হলে তো মানুষ সৎ কাজের সাহস হারিয়ে ফেলবে।’
আত্মীয়
মানুষ যে কতটা আগ্রহ নিয়ে কথা বলতে পারে তা এ মুহুর্তে মোসাদ্দেক আলীকে না দেখলে বিশ্বাস হতো না সেতুর।তিনি এত আগ্রহ নিয়ে কথা বলছেন যে তিনি খেয়ালই করছেন না তিনি যাকে কথা গুলো বলছেন সে আদৌ শুনছে কিনা। সেতু মোসাদ্দেক আলীর কথা শুনছে খুবই দায়সারা ভাবে।ব্যাপারটা অনেকটা এরকম যদি এখানে মোসাদ্দেক আলী কথা না বলে ,রান্নাঘরে একটা কাপ ভাংগার শব্দ হলে সে শব্দ যেমন সেতুর কর্ণকুহরে প্রবেশ করত,ঠিক তেমনি মোসাদ্দেক আলীর বকর বকরও তার কানে যাচ্ছে বিচ্ছিন্নভাবে।সে মাঝে মাঝে হা হু শব্দ করছে এবং বরাবরের মতো এবারও খুব বিরক্ত হচ্ছে।কিন্তু সে মুখটা খুব স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।তারপরও তার মনে হচ্ছে যেকোনো মুহূর্তে তার মুখ ফসকে কোনো উল্টাপাল্টা কথা বেরিয়ে যাবে।আর সেজন্যই সে তার শ্বশুরের সামনে বসে থাকতে চাচ্ছে না।কিন্তু মানুষটা এমন আগ্রহ করে কথা বলছে যে তার মুখের উপর উঠে যেতে খুব অস্বস্তি হচ্ছে সেতুর।
মানুষ যখন আগ্রহ নিয়ে কিছু করে তখন সে মানুষটার জন্য একধরনের মায়া হয়।কখনো কখনো সে মায়া তীব্র ভালোবাসায় পরিনত হয়।যেমন-কেউ যদি খুব আগ্রহ নিয়ে কথা বলে,আগ্রহ নিয়ে খাওয়া দাওয়া করে,শুনতে কিংবা দেখতে খুব ভালো লাগে।
দেশের জন্যে ভালোবাসা-২
অনেককিছু বলার ছিলো,কিন্তু আমি বলতে পারতেছি না,আমি বাকরুদ্ধ।গত কয়েকদিন থেকেই আমার কথা বলা বন্ধ।না,আমি বাকস্বাধীনতা চাই না,কারন তা আমার আছে।কিন্তু আমার বলার মুখ নাই,মান নাই,স্মমান নাই,আমি ৫২ নিয়ে গর্ব করি পাকিস্তানের প্রশংসা করে,আমি ৭১ নিয়ে মাথা উঁচু করে যুদ্ধাপরাধীদের হাস্যজ্জল চেহারা দেখি,তাদের কর্মকান্ডের পুনরাবৃত্তি দেখি দেশটার অধঃপতন হিসেবে।আমার বাবা মা আমাকে এদেশ থেকে বের করে দিতে চায়।
ধারাবাহিক রম্য নাটিকা --'অর্কাযকর গণতন্ত্রঃ পশুদের বিচার'
(পরের দিন)
স্টপ্, স্টপ্, স্টপ্
সবাই কর চুপ
আমি হচ্ছি হাতি
সবার দেহের চাইতে বড়
তাইতো বিচার পতি।
সবার বিচার করব আমি
হোক না কেহ আমার নাতি।
বটবৃক্ষ হার মেনে বলে
সে নাকি আমার ছাতি
তাহলে নির্বোধ পশুগণ
নিশ্চয় বুঝতে পেরেছ
আমি কত বড় হাতি।
প্রথমে আমি সেনাপতিকে বলছি,
সেনাপতি, তোমার কি আরজি?
সেনাপতি বলে, পর্বতসম জাঁহাপনা
আপনি জানেন, ছোট বড় সবাই
আমার কাছে একেবারে সমান
তাই এমন কাজ করি আমি
যাতে বিচার পায় সবাই সমপরিমাণ
তাই, আপনার অনুমতি পেলে
শুরু করছি বিচার-
হাতি বলে, হ্যাঁ পেশ কর
তোমার মনের আচার-অনাচার ।
সেনাপতি বলে, ইঁদুর ভাই
তোমার কথা পেশ কর ভাই।
ইঁদুর বলে মহাগুরু
আপনি জানেন, আমি অতি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র
মনুষ্য জীবের উচ্ছিষ্ট খাবার
গ্রহণ করা বড়ই দুরুহ
তাই মনুষ্য জীবের খাবার
মাঝে মাঝে করি চুরি
তবে তেমন কিছু নয়
শুধু খই, চিড়া আর মুড়ী।
কিন্ত এই বিড়াল গোয়ার
বড় হিংসুটে পাজী,
আমাকে সে দেখলে
হয়ে যায় কাজী।
টেঁনে ছিঁড়ে নাড়ি-ভূড়ি
করে সে বাড়াবাড়ি
আমাদের ছানারা
কেঁদে মরে কান্নায়,
বিড়াল গোয়ার ওদেরও মারে
আমরা যে বড় অসহায়!
হাতি বলে, কি!
এত বড় অন্যায়!
আত্মমগ্ন কথামালা ১৫
রিসেন্টলি কক্সবাজারে ভয়াবহ কিছু ঘটনা ঘইটা গেলো। যেইটার কোনো লজিকাল কারণ খুইজা পাইতেছি না। মাথার ভেতর একাধিক হাইপোথিসিস ঘুরতেছে এই ইস্যুতে। কিন্তু সেগুলা নিয়া লেখতে গেলেই কই কই যানি হারায়া যাইতেছে। ভাবনাগুলা থাকতেছে, বাট, লেখায় প্রকাশ করতে পারতেছি না। ওয়ার্ড হারায় যাইতেছে, লাইন হারায়া যাইতেছে।
কবিতা আমার এত প্রিয় একটা বিষয়। কিন্তু সেই জিনিসটারেও ঠিকঠাক মত লিখতে টিখতে পারতেছিনা। শুধু ফেসবুকে একটা দুইটা কইরা লাইন দিতেছি। সেগুলাও আমার নিজের কাছে আপ টু দ্য মার্ক হইতেছে না। সেদিন দেখি এক ফ্রেন্ডও সেইম জিনিস কইলো। সে কইতেছে, "তোর লেখাগুলা শুধু শব্দের ভারে ভারাক্রান্ত হইয়া যাইতেছে। কোনো প্রাণ নাই, ইমোশন নাই। তুই বেটার কিছুদিন ব্রেক নে।" কথাগুলা শুনতে খারাপ লাগছে, কিন্তু বন্ধুটারে থ্যাংক্স জানাইতেই হয়। সে নির্মোহ থাইকা আমার সাম্প্রতিক লেখাগুলারে জাজ করনের চেষ্টা করছে।
অস্থিরতা বাড়ছে গত মাস দু'য়েক ধইরা। যদিও এইটা ক্রনিক ব্যাধি হইয়া গেছে সেই ৭/৮ বছর ধইরা। তবুও ব্যাধিটারে আয়ত্ত্বে আনবার কোনো উপায় বের কইরা আনতে পারি নাই।
মজার এক প্রোজেক্ট হাতে নিছি
কাজেও খাটতেছে বইলাই মনে হয়...
রামু সহিংসতা : সাম্প্রদায়িক না রাজনৈতিক
সম্প্রতি কক্সবাজারের রামু এবং চট্টগ্রামের পটিয়া ও এর পার্শ্ববর্তী অন্যান্য এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সঙ্ঘটিত নাশকতার ঘটনা দেশ জুড়ে দুঃখ ও শঙ্কা ছড়িয়ে দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন এটা ‘পরিকল্পিত’। হতে পারে। প্রশ্ন হলো কার পরিকল্পনা, কী পরিকল্পনা? সেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। বলেছেন, এ তাণ্ডবের লক্ষ্য যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল করা। শুনে আমরা হতভম্ব এবং কেউ কেউ বিনোদিত হয়েছি। মনে হচ্ছে ঘটনা পরিকল্পিত হোক আর না-হোক, মন্ত্রীর এই ‘বাণী’ যে পরিকল্পিত, তাতে সন্দেহ নেই। কেননা এটা মেনে নিলে ধরে নিতে হবে, যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচালের মূল উদ্যোক্তা ফেইসবুকে আপত্তিকর ছবি আপলোডকারী ওই বৌদ্ধ যুবক উত্তম বড়ুয়া। সে কেন যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল করতে চাইবে? তাহলে ধরা যাক সে নয়, চেয়েছে অন্য কেউ। কোনো বিরোধী দল? না। কারণ ফেইসবুকে বাজে ছবি দিয়ে আদালতের বিচার বানচাল করা যায়, এমন ছেলেমানুষি ধারণা কোনো রাজনীতিক পোষণ করবেন বলে মনে হয় না। কে তাহলে এ সাম্প্রদায়িক আক্রমণের পরিকল্পক?
ধারাবাহিক রম্য নাটিকা 'অর্কাযকর গণতন্ত্রঃ পশুদের বিচার'
পড়ুন, ভাবুন--এ দেশের বিচার ব্যবস্থা ছোটদের ধারাবাহিক রম্য নাটিকা 'অর্কাযকর গণতন্ত্রঃ পশুদের বিচার' এর মত কিনা। নাটকের আবেদন দিন দিন বাড়ছে। এ দেশে এখনো অপরাধ ধরা পড়ে না, পড়লেও বিচার হয় না।
স্টপ্, স্টপ্, স্টপ্
সবাই কর চুপ,
আমি হচ্ছি হাতি
সবার দেহের চাইতে বড়
তাইতো বিচার পতি।
সবার বিচার করব আমি
হোক না কেহ আমার নাতি।
বটবৃক্ষ হার মেনে বলে
সে নাকি আমার ছাতি ।
তাহলে নির্বোধ পশুগণ
নিশ্চয় বুঝতে পেরেছ
আমি কত বড় হাতি!
প্রথমে আমি গরুকে বলছি,
গরু, তোমার কি অভিরুচি
হুজুর, আপনি নিজেই জানেন
আমি কত উপকারী
করি নাকো কারো ধারধারী ।
অথচ বাঘ কেন আমাকে খায়
আমি যে বড় অসহায়!
বাঘ বলে, হুজুর, আমি খেতে চাই হরিণ
বান্দর বড় মলিন
আগে থেকেই বলে দেয়,
বাঘ আসছে হরিণ ভাই
বাঘ আসছে হরিণ ভাই।
হরিণ বলে, হুজুরগো
এই বাঘকে আমার সবচেয়ে বড় ভয়,
ওর জ্বালা নাহি সয় ।
ছাগল, ভেড়া, ঘোরা বলে, হুজুর
ও শুধু আমাদের সবাইকে খায়।
হাতি বলে, না, না, না-
এটাতো বেশী ভাল নয়
কিহে পেটুক বাঘ,
মাথা নিচু করে আছ কেন ভাই!
বুকে ঠ্যাং দিয়ে বল-
এতগুলো কথার মধ্যে
একটুও মিথ্যা নাই।
বাঘ বলে, জেঁ হুজুর
আমার দাদী
৯০উর্দ্ধো দাদী আমার তিন দিনের জ্বরে হঠাৎ করে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে বসেছেন।
কাউকে চিনতে পারছেন না ,কারো কোনো কথার জবাব দিচ্ছেন না।শুধু ফ্যাল ফ্যাল দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন।দাদীর ছোটো ছেলে আমার বাবা।বাবা ভীষণ মা ন্যাওটা।বাবার বয়সই এখন ৬০ছূঁই ছূঁই।
দাদী ছিলেন লক্ষীপুরে আমাদের গ্রামের বাড়ীতে আমার জেঠার কাছে।খবর পেয়ে বাবা নিজের অসুস্থতাকে বৃদ্ধাংগুল দেখিয়ে সাত সকালে শাহী গাড়িতে করে দিলেন লক্ষীপুরে ছুট।গিয়ে তো মায়ের অবস্থা দেখে বিমর্ষ।নিজের প্রেশারই হাই হয়ে গেছে।যখনই ফোন দিই কী অবস্থা।বাবার গলাটা জড়িয়ে আসে।আমি বলি বু’র (দা্দীকে আমরা বু ডাকি) তো বয়স কম হয় নাই,সেজন্যই হয়তো শরীরটা বেশি অসুস্থ।দেখবেন ,বু কয়েকদিনের মধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠবে।
বাবা আমাকে বলে আমার মায়ের বয়স হয়েছে আমিও জানি।কিন্তু আমার তো মা।তাই মন বোঝে না।অস্থির লাগে।নিজের চোখের সামনে নিজের মাকে এমন দেখলে কোনো সন্তানই সুস্থ থাকতে পারে না।
বাবার মন খারাপের সিকি ভাগও হয়তো আমি বুঝি না।কিন্তু আমি অনুভব করার চেষ্টা করি।
সিঁদুর রাঙা স্মৃতি
আমি যখন বিয়ে করি তখন আমার বয়স সাত-আট হবে। যার সাথে আমার বিয়ে হয়, সে আমার চেয়ে তিন মাসের ছোট। তার নাম সিঁদুর। তখন বিয়ে জিনিসটা নিয়ে সিরিয়াস কিছু ঝুঝতাম না। বিয়ে সম্পর্কে আমাদের ধারণা ছিল; বিয়ে করলে বউকে ঘোমটা দিতে হবে; স্বামীর পায়ে সালাম করতে হবে; তাকে রান্না-বান্না, কাপড়-চোপড় ধোয়া ইত্যাদি করতে হবে। রাতে একসাথে ঘুমালে সকালে বাচ্চা হবে। আমাদের পাড়ার অনেকেরই সকালে বাচ্চা হয়েছিল। এমন কি আমিও নাকি সকালে জন্মেছিলাম। সিঁদুরও সকালে ভূমিষ্ট হয়েছিল। এর মধ্যে আমাদের একটা বধ্যমূল ধারণা ছিল--স্বামী রৌদ্র থেকে ফিরে এসে স্ত্রীর নাম ধরে ধমক দিয়ে ডাকবে। খেতে বসে খাবার ভাল না লাগলে থালাসহ স্ত্রীর দিকে ছুঁড়ে মারতে হবে। আমাদের পাড়ায় এগুলো খুব বেশী হত। আমার বাবা ও মা প্রায় প্রতিদিনই ঝগড়া করত। সিঁদুরের মা-বাবার মধ্যে অবশ্য এত বেশী ঝগড়া হত না। এ পাড়ার সব স্ত্রীরাই স্বামীদের হাতে মার খেত।
ফণি-মনসা
পুড়ছে উপাসনালয়, পুড়ছে মন্দির। দাউ দাউ আগুন জ্বলছে মঠে মঠে । মধ্য রাতে মন্দির, উপাসনালয়গুলিতে অবস্থিত মানুষগুলি অসহায় চিৎকার ক্রন্দন আর ছূটোছুটি। কদিন ধরে শুধু তাই দেখছি। কি অসভ্য বর্বর আমরা? জাতী হিসাবে কোন সমিকরণেই ফেলা যায় না আমাদের। এই মানুষগুলি কি বোঝে না শুধু উপাসনালয় পুড়ছে না সেই সাথে পুড়ছে শত শত বছরের ইতিহাস ঐতিহ্য। এই ইতিহাসই আমাদের অতীত কে খুঁজে এনে দেয়। আমাদের পরিচয় দেয়।
ধর্ম কী? আগে মানুষ নাকি আগে ধর্ম। মানুষ না থাকলে তো ধর্ম পালন করার কেউ থাকবে না। আগে মানুষ। ধর্মটা মানুষেরই সৃষ্টি। তার আনন্দ বেদনার সাথী, তার আশ্রয়। সে তার সৃষ্টি কর্তাকে স্মরণ করে, এক এক নামে এক এক ভাবে। সবার আগে তাদের পরিচয় তারা মানুষ। আমার চেয়ে আপনারা অনেক অনেক জানেন। তা কয়েকদিন ধরেই ব্লগ ফেসবুক খবরের কাগজ পড়েই জানা যাচ্ছে।
আবোল তাবোল - ১৩
#
অনেক দিন হইছে আবোল তাবোল কিছু লেখি না, লেখা হয়ে উঠে না।
চিন্তা করে দেখলাম আমার এই সিরিজটার একটা প্যাটার্ন দাড় হয়ে গেছে। কিছু হাবিজাবি কথাবার্তা, একটা দুইটা গান আর মুভির কথা। একসাথে দেই ঘুটা, ব্যাস!
এইবারও অবশ্য তার বাইরে যাব না। সাথে এক্সট্রা একটু ঘুরাঘুরি ফ্রি!
#
গত শুক্রবারে এবি'র ফটুওয়াক হইল, সবাই মিলে মজা করে ঘুরে ঘুরে কাশফুলের ছবি তুলে নিয়ে আসছে। জেবিন আপু বলছিল যাইতে, আগেই অন্য প্ল্যান করা ছিল বলে যেতে পারিনাই। পড়ে ফটোওয়াক নিয়ে তানবিরা আপুর ব্লগ পড়ে আফসোস কম হয়নাই। অবশ্য, মজাটাও একটু একটু ফিল করতে পারছি!
নেক্সট টাইম এমন কিছু হলে, মিস করব না। ইন শা আল্লাহ।
#
অনেক দিন ধরেই ভাবতেছিলাম এবি'র কিছু প্রিয় মানুষ কে এফবি তেও এড করে নিব, সাহস পাচ্ছিলাম। এই কয়েকদিন আগে হঠাৎ এড দিয়া দিছি বেশ কয়েকজন কে, একসেপ্ট ও করছে।
এখন মজা বুঝবো!
কয়েকদিন একটু ফাঁকিবাজি করলেই শুরু করুম ঘ্যান ঘ্যান, লেখা দেন লেখা দেন!!
হিঃ হিঃ 
‘আব্বা এই যে আমি!!!
সংসারের বড় মেয়ে বড়াপার ছোট ভাই বোনের জন্য আদরের প্রকাশ ছিল এত বেশি যে ছোটরা তার রাগের জন্য খুব একটা ভয় পেতোনা, এম্নিতেও বড়াপা যত গর্জাতো, তত বর্ষাতো না। মেজাপার রাগ ছিল চন্ডালের রাগ, বুঝিয়ে দেবার পর লেখা পড়ায় ভুল করলে মেরে হালুয়া বানিয়ে দিত, বিশেষ করে ক্লাস সিক্সে ওঠা মেজ এবং সেজ দুরন্ত দুই ভাই এর উপরে তার শাস্তির মাত্রাটা এত বেশি ছিলো যে ভাগ্যিস তখন মানব-অধিকার উকিলদের কথা কেউ শোনেইনি, তাদের হিসেবমত ছোট ভাইদের মেরে তক্তা বানানোর অপরাধে মেজাপার কয়েক বছর সশ্রম কারাদন্ড দেয়া যেত অনায়াসেই।