ইউজার লগইন
ব্লগ
কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা, মনে মনে.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
কোন একদিন..
রাতভর স্বপ্ন দেখব অনেক,
সত্যি স্বপন..
ঘুম ভেঙে যাবে,
খুব ভোরবেলাতেই..
উঠতেই দেখব
ঝিরিঝিরি রোদ্দুর..
ছোট্ট এক টুকরো
সবুজ মাঠ..
বেড়াল ছানার মত;
তুলতুলে নরম ঘাসে,
হেটে যাব বহুদুর..
দিনভর তুমুল বৃষ্টি হবে,
অঝোর ধারায়..
আমার ছোট্ট ঘরটা;
ভেসে যাবে প্রিয় যত গানে,
আর মাঝে মাঝে চা কফি তো থাকবেই..
বিকেল হতেই ছুটবো পাহাড়ে,
কিছু মেঘ ছুঁয়ে দেখব বলে..
শহুরে বিকেল-ছাদের
চেনা-অচেনা হাওয়া,
না পেয়ে খুঁজে যাবে আমায়..
সময় পেলে হয়ত ঘুরে আসব কিছুক্ষন,
দু'পাশে সবুজ ঘেরা ছিমছাম
পিচঢালা একা রাস্তায়;
স্মৃতির পুরোনো সাইকেলটায়..
ঠিক সন্ধ্যের আগে আগে
যাব বালুকাবেলায়,
সমুদ্দুরের হাওয়ায়
সুর্যাস্তের হাতছানিতে..
সন্ধ্যাঁ পেরুতেই
আকাশ ভরে যাবে লক্ষ কোটি তারায়..
আর নয়তো,
আধাঁর আকাশ ঝলসে যাবে জোছনায়..
মন মাতাল করে দেবে;
রূপার থালার মত,
বিশাল একটা চাঁদ..
একটা মাত্র দিন,
বাঁচার মত করে বাঁচব বলে..
কোন এক দিন,একটা মাত্র দিন..
হয়ত মিলবে,
হয়ত মিলবে না..
তাতে কি,
আশা করতে ক্ষতি নেই তো কোন..
আর এ তো সবার-ই জানা,
কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই
ইস্কুলবেলা
কাল
রাতে ঘুমাতে দেরি হইছিলো,স্বভাবতই
উঠতে দেরি হবার কথা।তা না,ঘুম
ভেঙে গেলো এক্কেবারে ভোরবেলায়!
আজব ব্যাপার!
যাই হোক,আর ঘুমালাম না।সকালের
নাস্তা করে একটু বের হতেই
দেখি,একটা পিচ্চি তার মা'য়ের
সাথে স্কুলে যাচ্ছে।মা টা পিচ্চিটার
একটা আঙ্গুল ধরে রাখছেন,আর
উনি মহানন্দে তিরিং বিরিং করে এগুচ্ছেন!
বাউন্সিং বলের মত!অসাধারন
লাগছিলো দেখতে।
সেই থেকে দৃশ্যটা মাথায় ঘুরছে।আমার
ইস্কুলবেলার নানান
কথা ঘুরেফিরে আসছে মাথায়,একটা কিছু
লিখতে ইচ্ছে করছে খুব তাই এই লেখা।
ছোট্ট শহর ব্রাহ্মণবাড়িয়া,তার
মাঝে সবচেয়ে ভালো স্কুল
'অন্নদা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়'।
সেখানেই ওয়ান টু টেন,আমার দশ
বছরের ইস্কুলজীবন।
স্কুলের প্রথম দিন
ভর্তি হতে গিয়েছিলাম নানার
সাথে,সিক্স পর্যন্ত ভাইয়া'র
সাথে যেতাম।তারপর থেকে,একা একাই।
কখনই আম্মুর সাথে যাওয়া হয়নি।
পিচ্চি নাকি,যে আম্মুর সাথে যাবো!
সেই পিচ্চিবেলাতেই এত্ত
আত্মসম্মানবোধ,মজাই লাগে এখন
ভাবতে।
ছোটবেলা থেকেই আমার সব দুস্টুমি-
বান্দরামি,সবই বাসায়।
স্কুলে গেলেই,শান্তশিষ্ট ভালোমানুষ।
সকাল দশটা থেকে বিকেল
চারটা,কিভাবে যেনো কেটে যেতো রোজ।
কবিতা: যুদ্ধ ধর্ম রক্ষায়
ধর্মের রোষানলে পড়া ধর্মের ধংসের স্তুপে খুঁজি ধর্মরে;
যে সহস্র বছর আগে ফারাও-ট্রয়-ব্যবিলন-বেদুইন
গড়েছিল মহান অন্তরলোক; মহান শাসন কেন সে বিলীন?
ক্রসেড, জিহাদ হীন অজুহাত; তবু সে মহান ধর্মের মন্দিরে।
শান্তির বাণী এনেছিল বুদ্ধ অনন্তের জয় আজিকে ক্ষয়,
যীশুর বুকের ‘পরে বারবার ক্রুশ বিদ্ধ করে; যুদ্ধ বানে
অনুসারী তার রক্তের দাগ মুছিবে কি করে; বাইবেল-কোরানে?
বৌদ্ধ শান্তি-খ্রীষ্ট মানবতা-ইমান-কৃষ্ণে যুদ্ধ ধর্ম রক্ষায়।
শান্তি চাই-শান্তি চাই; এ জন্যও চেয়েছে যুদ্ধ ধর্মের দল,
হউক সে যুদ্ধ শান্তির তরে; তবু সেকি নয় পাপীর ছল।
এইসব ক্লািন্তরা....
আমােদর বাসার পেঁপেঁ গােছ পেঁপেঁ ধরেছে। ইদানীং খুব অল্পতেই স্মৃিত আক্রান্ত হই। সারািদেনর অহেতুক হৈ চৈ, তথাকথিত কাস্টমার সার্ভিস মুখোশ আঁটা কলিগ এসব ক্লািন্ত িবষাদ বিষ সব সরিয়ে দেশের খবর বাসার খবর বিশ্বের খবর কিছুই আমার কাছে পৌঁছায় না।
হঠাৎ তেঁতুল পেঁপেঁ আহ্ মাখােনার কথা মনে পড়লো। তার পাশাপািশ দেখি পত্রিকায় বৌদ্ধ মন্দির পোড়ানোর খবর। আমার মাথা কাজ করে না। সেই নুনু কাটা মুসলমােনর দেশ, েসই গরু খাওয়া মুসলমােনর দেশ রয়েই গেলাম। আগুন দাও, জায়গা খালি েসই ভিটা আসুন দখল করি। তারপর কান্না করি, মানববন্ধন করি। অজুহাত আমার ধর্মে আঘাত, কি আঘাত! না কে জানি মুভি বানিয়েছে, কে জানি ছবি পোস্ট করেছে। আহা মরি মরি...আমার আইন রক্ষা করার বাহিনী ও তো সুসলমান...ওরা তাই দেখেছে রোম পুড়েছে নিরো বাঁশী বাজিয়েছে...মজা মজা...
মুসলমান বাঙ্গালী এরা ছাড়া আর কেউ দেশে থাকেব না বলে দিলেই তো হয়...সবাই দেশ খালি করে চলে যাক...আমরা ডুগডুগি বাজাই...মানববন্ধন করি...
কোন একদিন..
ছোট্ট চায়ের টং-টায় ঢুকেই
এলোমেলো চুলগুলো হাত দিয়ে ঠিক
করতে গিয়ে আরো উস্কুখুশ্কু
করে দিলো ইভান।
ভয়ংকর গরম পড়েছে আজ, বাসায় ফিরেই
লম্বা একটা গোসল দিতে হবে।
টানা তিনটা টিউসন পড়িয়ে আর কিছুই
ভালো লাগছেনা। তাও একটা ভালো খবর
হলো আজ মাসের ৭
তারিখে এসে পকেটটা একটু
ভারী হয়েছে। এই কটা টাকার জন্য
বলতে গেলে গায়ের রক্ত
পানি করে খাটা হচ্ছে। গত মাস
থেকে নাইট সিফটে একটা কল
সেন্টারেও ঢুকেছে। রিটায়ার্ড বাবার
পেনসন আর এই কটা টাকায়
মা যে কিভাবে সংসার চালায় আল্লাহই
জানেন।
ইভান ছাত্র খুব একটা খারাপ ছিলোনা।
ঢাকা ভার্সিটি থেকে এম বি এ করেও
যে ভালো একটা চাকরি পাওয়া যাবেনা সেটা কে-
ই বা জানতো? দেশটার যে কী হচ্ছে,
আজকাল 'লাইনঘাট'
ভালো না থাকলে কিছুতেই কিছু হয়না।
অবশ্য, বাসায় ফিরে তার অপেক্ষায়
বসে থাকা মা আর ক্লাস
নাইনে পড়ুয়া পড়ুয়া ছোটবোন যুথীর
দিকে চাইলেই মন ভালো হয়ে যায়
ইভানের।
যুথীর জন্য এক জোড়া রূপার কানের দুল
কিনতে হবে। অদ্ভূত লক্ষ্মী একটা বোন,
ইভান ভাবে, এত্ত দিনের শখ কিন্তু
কখনোই মুখ ফুটে চায়নি। ঐদিন কথায়
কথায় মা-কে বলে ফেলেছে, মনের ভুলে।
মেঘ জীবন.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
তপ্ত দূর্বিসহ দিন..
যেন;
শুষ্ক মরুভুমি,
তৃষিত প্রান্তর..
তার-ই মাঝে কোন একদিন, কোথা থেকে যেনো আসে..
এক টুকরো;
কাঠ-গোলাপের গন্ধ মাখা,
অচীন দেশের মেঘ..
বড়ো আদরের,
খুব ভালোবাসার..
ঠিক যেন;
রূপকথার গল্পে শোনা,
ছোট্ট রাজপুত্তুর..
ভেসেই চলে,
মনের আকাশ জুড়ে..
স্বপনছোঁয়া,
আদরের নৌকা যেন..
দিন যায়,
বেড়ে উঠে উড়ো মেঘ..
দুরন্ত;
দুর্বার তারুন্যে সুবিশাল,
সে যে ভয়ংকর সুন্দর..
ঝর-ঝর ঝরে যায়..
ছুঁয়ে চোখ, ভরে মন..
প্রতিদিনকার হাসি-কান্নায়;
মিশে যায়,
নিঃশর্ত ভালোবাসায়..
তারপর,
কোন একদিন..
সময়ে..
অথবা;
আর সবার চোখে,
অসময় সময়ে..
বুঝি সে হারিয়েই যায়-
হঠাৎ করেই..নেই..
চলে যায় সে..
তবু রয়ে যায়,
তার স্মৃতি মাখা স্মৃতিতে..
বড় বেশি করে,
তার না থাকার মাঝেই..
বুঝি সে,
জানতে-ও পারেনা..
কত না রাত-জাগা চোখ,
পথ চায়..
শুধু আরো একবার,
তার ভালোবাসায় ভেসে যাবে বলে..।।
[সচলায়তন, ০৯-০৮-১০খ্রীঃ]
কাশফুলের ফটোওয়াকে একদিন
আমাদের এবিবাসীদের হুজুগের অভাব নাই। যাকে বলে উঠল বাইতো কটক যাই। কয়দিন পিকনিকতো কয়দিন টাঙ্গুয়া, এরপর ব্লুমুন ট্যুর। বার মাসে চব্বিশ পার্বন। বর্ষা যেতেই শরৎ এর আগমন। আর শরৎ মানেই স্নিগ্ধ মেঘমুক্ত আকাশ, দুর্গাপূজার কাঁসা আর ঢাকের বাজনার সাথে বোনাস হলো শ্বেত শুভ্র কাশফুল। এবি ভর্তি ফটুরে সেটা আজ আর কে না জানে। দিনরাত তারা স্কেল কম্পাস দিয়ে ফোকাস মেপে মেপে ফিজিক্স পড়ে যাচ্ছে। বর্ষার ছবির উৎসব শেষ এখন শরতের পালা। তাই আঠাশে সেপ্টেম্বর, রোজ শুক্রবার বেলা তিনটায় এই ফটোওয়াকের আয়োজন, স্থান আফতাবনগর। যা হয়, ফটোগ্রাফার প্রচুর কিন্তু মডেলের অভাব। আর যে সে মডেল হলে হবে না, বেঁকা হয়ে, কাঁত হয়ে পোজ দিতে পারে এমনসব মডেল হতে হবে। কয়েকজন একাব্যাকা স্পেশালিষ্টকে অনেক তেল মেখে রাজী করানো হলো মডেলিং এর জন্যে। এর মাঝে আবার রিদওয়ান ঘোষনা দিয়ে দিল, ওর আন্ডার টুয়েন্টি মডেল লাগবে। টুয়েন্টি প্লাস মডেল আর কাশফুল নাকি ব্যাড কম্বিনেশন। মোটেই কেউ রাজি হয় না তার আবার টুয়েন্টি, হুহ।
Naadodigal
মন মেজাজ যে খুব একটা ভালো তা বলা যায় না। তবু দিন কেটে যাচ্ছে এইটাই ভরসা। অন্য অনেকের চেয়ে ভালো আছি তাই সান্তনা। সাতক্ষীরা, ভো্লা, রামু, হাটহাজারী পটিয়া এই বছর জুড়ে যত ঘটনা ঘটলো সব কিছু নিয়েই আমি খুব চিন্তিত। তবে চিন্তা করা ছেড়ে দিলাম। অতো ভেবে কাজ নাই। ভেবে আমরা বেশি হলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিবো। আরও বেশী হলে প্রেসক্লাবে কড়া রোদে ফ্রুটো খেতে খেতে মানব বন্ধন করবো এতটুকুই আমার সাধ্য। আর লোকজন সব আমার মতই সিরিয়াস। কিন্তু এই সিরিয়াসে কিছুই করা যাবে না। যতক্ষণ ফেসবুকের সিরিয়াসনেস আমরা সমাজে প্রভাব না করতে পারবো ততদিন এই দেশে সিরিয়াস হয়ে কোনো কিছুই ছেড়া যাবে না। আর এমনিতে চিন্তা করে দেখেন এই দেশে হিন্দু মুসলমান চাকমা সাওতাল কেউই নিরাপদ না। প্রতিটা শ্বাস নেয়ার সাথে সাথেই মনে হয় বেচে তো আছি। কারন আজকে একটি ইংরেজী পত্রিকা দুটো জাতীয় বাংলা দৈনিক পড়ে হিসাব করে জানলাম মারা গেছে ১৭-১৮ জনের মতো। এর ভেতরে রোড এক্সিডেন্টে ৩-৪ জন। স্কুল টিচারকে ক্লাস রুম থেকে ডেকে নিয়ে খুন। এক জোড়া কানের দুলের জন্য বুড়ো মহিলা খুন। হাউজ ওয়াইফ খুন। আরও কত খুন যার হিসেব থাকে না। ধরি ১০০০ এর মতো খুন হন ৩০ দিনে। ১০ হাজারের
কাঁচুলি
দূর মসজিদ থেকে সুমুধুর কন্ঠে ভোরের আযান প্রকৃতিতে প্রবাহমান বাতাসের মত ছড়িয়ে পড়ল। কি সুমুধুর সে আযান--‘আস্সালাতো খাইরুন মিনান নাউম...।’ পদ্মার বুকে জেগে উঠা দোয়াল্লীর চরের প্রকৃতিতে কেমন জানি নিরবতা ভাঙ্গতে শুরু করল। দূর থেকে আযানের ধ্বনি ধীরে ধীরে এ গাঁয়ে এসে বাতাসের সাথে মিশে যায়। গ্রামটির নাম স্বর্ণগ্রাম। হ্যাঁ স্বর্ণগ্রাম। এ গাঁয়ে এক কালে সোনা ফলত। সোনার ফসলে মুখরিত হত এ গাঁয়ের সহজ সরল জীবন যাত্রার। মাটির মত মায়াশীল মায়েরা মেয়ের নাম তাই হয়তো রাখতো স্বর্ণলতা, সবুজী, সোনাবিবি ইত্যাদি। ফসলের নামে নাম রাখত ছেলেদের--শৈষশ্যা, ধনিয়া, নীলা ইত্যাদি। আজ আর সেই দিন নেই। আউশ ধানের চালের সাথে মিশে গেছে ইরি ধানের চাল । খাঁটি সরিষা আজ আর পাওয়া যায় না। মানুষেরা আজ ছন্নছাড়া, ক্ষুধার্ত, তৃষ্ণার্ত । দু’বেলা জোটে না দু’মুঠো ভাত। দরিদ্র চাষী হাড় ভাঙ্গা খাঁটুনী আর দেহের ঘাম দিয়ে সোনালী ফসল ফলায়। তবুও জীবনের বিড়ম্বনা।
কাব্য কহন-০১
দেখতে দেখতে গতকাল কাব্যর বয়স আট মাস পূর্ণ হলো
। সময় কিভাবে চলে যাচ্ছে কিছুই বুঝতে পারছি না। অফিসে ব্যস্ততা, বাসায় গেলেও ব্যস্ত আসলে যত দিন যাচ্ছে ব্যস্ততা হুহু করে বাড়ছে। আগে সময়-সুযোগ পেলেই ব্যাকপ্যাক নিয়ে বের হয়ে পড়তাম আর এখন ব্যাকপ্যাক সযত্নে তোলা থাকে
। সময়ের সাথে সাথে মনে হয় জীবনের ধারা এবং গতি পরিবর্তিত হয়। ইচ্ছা বদলায়, অভ্যাস বদলায়, চিন্তা-চেতনা-উপলব্ধির পরিবর্তন হয়। যাহ্ কি বকবক শুরু করলাম, কাব্যর কথা বলতে গিয়ে অন্য প্রসংগে চলে যাচ্ছিলাম। কাব্য এখন অনেক কিছু করতে পারে আবার অনেক িকছুই করতে পারে না
। সময়ের অভাবে কাব্যর পারা না পারার গল্প করতে পারছি না যা হোক কাব্যর গত ঈদ এ তোলা কিছু ছবি দিলাম 
কাব্য এবং পৃথা
অনুভূতির প্রকাশ, মা খেলতে দিবে না তাই বিরক্ত। 
রেবেকা আপুর পালিয়ে যাওয়া ও আমাদের গল্প
আমি তখন স্কুল এ পড়ি । আমরা যেই বাসায় থাকতাম তার পাশের রুম টাই ছিল রেবেকা আপুদের ।
আমি ক্লাস ৫ম শ্রেণীতে পড়ি । রেবেকা আপু ৯ম শ্রেণীতে পড়ে। আমাকে বেশ আদর করে প্রায় সবাই smile

খাওয়া দাওয়া ও উনাদের সাথে করেছি অনেক দিন।আমি দাবা খেলতে পারতাম না কিন্তু আমাকে শিখিয়েছে আপু
প্রায় সময় আমি আপুর সাথেই থাকতাম smile
আপু আমাকে পড়াত এবং ভাল কিছু রাঁধলেই আমাকে ডেকে খাওাত...
একদিন পাশের রুম এর এক মামা আমাকে চকলেট কিনে দিয়ে বলল এই চিঠিটা রেবেকা কে দিয়ে আসবি কেউ জাতে না যানে।
আমিও চকলেট পেয়ে খুভ খুশি যেই বেটা কোন দিন একটা চুইংগাম কিনে দেয়না আজ সে আমাকে চকলেট কিনে সিছে তাও আবার মিমি!
আমি সাথে সাথে কাজ টা করে দিলাম এবং বলেছিল আমাকে ৫টাকা দিবে Tongue আমি ত মহা খুশি ।
আপু পড়া শেষে কাগজটা ছিঁড়ে টুকর টুকর করে ফেলল এবং মুখে দিয়ে চিবিয়ে ফেলল আর একটু মুছকি হাসি দিল।
আমি বুজতে ছিলাম না কি করব !!!
আপু কিরে কেউ কি দেখেছে তুইযে চিঠি আনছিস ?
আমি ভেবে বললাম না আপু কেউ দেখেনি সুদু মামা দেখছে ।
আরে সেত দেখবেই সে দিছে না...আমি হুম...
দাঁতবিস্তৃত হাসি
আজকে আমার পাঁচবছরের হোষ্টেল জীবনের অন্যতম একটি দিন।আমি মোটামুটি সু এবং কু ভাবে পরিচিত হোষ্টেলে।সু ভাবে পরিচিত কারন যত আকাজ কুকাজ এর প্ল্যান আমার রুমে সম্পন্ন হয়,নয়তো যারা করে আসে তারা আমার বিপুল সমর্থন পায়।হোষ্টেল মনিটর হওয়ার কারনে পরিস্থিতি সামলানো কোন ব্যাপার হয় না।আর কু ভাবে পরিচিত আমার খামখেয়ালীপনার জন্যে,দিনের বেশিরভাগ সময় অনশন করে,মাঝে মাঝে ই সকলের আত্না উড়িয়ে হস্পিটালে ভর্তি হয়ে,রাতবিরাতে গভীর অন্ধকারে উপশহরের রাস্তায় হেঁটে বেড়িয়ে আর হোষ্টেলের দেয়ালে,জানালায়,মেঝেতে রঙের বন্যা ছড়ায়ে। যাই হোক,এতোকিছুর পরেও হোষ্টেলে টিকে আছি মানুষজনের ভালোবাসার জন্যে।সে রুমে কাজ করা খালাদের হোক,বন্ধুদের হোক আর ক্যান্টিনের কাজ করা ছোট ছোট বাচ্চাগুলার হোক।
আপনারা বৌদ্ধদের উপর হিন্দুদের উপর কেন অত্যাচার করছেন
রামুতে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলির নেতৃত্বে কিছুসংখ্যক মানুষ বৌদ্ধদের উপর অত্যাচার করছে। অত্যাচারের বিবরণ বিস্তারিতভাবে খবরের কাগজে আসে নাই, কিন্তু তবু আমরা সকলেই কিছু কিছু জানতে পেরেছি। অত্যাচারের বা মারধরের বা ক্যাঙ্গ ধ্বংসের মাত্রা নিয়ে আলোচনা করতে চাইনা। মাত্রা যাই হোক, নির্যাতন নির্যাতনই। সকল নির্যাতনই অন্যায়, সকল অত্যাচারই অন্যায়, মানুষের উপর সকল হামলাই অন্যায়। আবার সে অত্যাচার যদি হয় কেবল ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে সংখ্যালঘুর উপর সংখ্যাগুরুর অত্যাচার, সেটা আরো বেশি অন্যায়।
এ লজ্জা রাখি কোথায়?
সকালে সংবাদটি দেখে একটু ভয়ই পেলাম। কেউ ফেসবুকে ভুয়া কোন আইডি দিয়ে বিতর্কিত কোন ছবিতে আমাকে ট্যাগ করবে... এবং সেটা নিয়ে একদল উন্মাদ লোক আমার উপর ঝাপিয়ে পরবে। এ কোন অসভ্য দেশের পথে আমরা হাঠছি। এই অসভ্যতা বর্বরতার জন্য কি দেশটা স্বাধীন করা হয়েছে?
ইদানিং মানুষ জনের ধর্মীয় অনুভূতিইবা এত ঠুনকো হয়ে গেল ক্যান... যা বাতাসে নড়বড় করে? অনুভূতি যদি এত ঠুনকোই হয় তাহলে এমন অনুভূতির থাকার প্রয়োজনীয়তা কি?

ছবি: বিডিনিউজ২৪ ডট কম
কবিতা:ব্যথার সাগরে জীবন চলিছে যে বয়ে।
সারারাত জেগে আছি; যেন রাতজাগা ব্যাথাতুর পাখি আমি;
জোনাকির আলো হয়ে; হয়তোবা প্রেম আলেয়ার হাতছানি;
হয়তো প্রিয়হারা; রাতজাগা পাখির তীক্ষ্ণ চিৎকার শুনি,
কত রাতে মোরে পরিবে মনে; তারাপানে থাকিবে চেয়ে তুমি।
প্রেমে ক্ষয়ে ক্ষয়ে; আজিকে তারাদের সব ব্যাথা মোর হৃদয়ে;
যারা রচেছে নক্ষত্রের ইতিহাস; সে হৃদয়ে দূঃখের বাস;
তোমার দুয়ারে হাত পেতে পাইনি সান্তনা; প্রেমের আশ্বাস।
রাতের অন্ধকারে ব্যথার সাগরে জীবন চলিছে যে বয়ে।
তাই হৃদয়ে চাইনা বাঁধিতে তোমার প্রেম অথবা হৃদয়,
আমি রাতজাগা পাখি; ব্যাথার আঁখি; ভোরের আলোয় বিদায়।
৩০-০৯-১২,ঢাকা।