ইউজার লগইন
ব্লগ
পৌনঃপুনিক
মৃদুল প্রতিদিন তিনতলার সিঁড়ির কোনায় দাঁড়িয়ে থাকে, একটা নীল বেলুন হাতে।
........................
শোভনা প্রতিদিন তিনতলার সিঁড়ি বেয়ে উঠে আসে, কাঁধে থাকে একটা সাদা ব্যাগ।
........................
পুরোনো ধাঁচের তিনতলা এই বাড়ীটায় সিঁড়িগুলো অনেক উঁচু উঁচু আর অন্ধকার। অন্ধকার ঠিক না, আলো কম। তবে ঘন্টা খানেক দাঁড়ালে চোখ সয়ে আসে, সবকিছু দেখা যায়। শুধু রঙ আর আকারের কোনো থই পাওয়া যায় না।
মৃদুল অপেক্ষা করে শোভনার জন্যে।
শোভনা ক্লান্ত পায়ে এক একটা সিঁড়ি ভাঙ্গে, মৃদুল পায়ের শব্দ গোনে। শোভনার সাদা ব্যাগটা ঝলমল ঝলমল করে। মনেহয় এক খন্ড সুর্য নিয়ে সে ঢুকেছে অন্ধকার সিঁড়িঘরে। সেই সুর্যকে নীল মেঘ দিয়ে বরণ করে নিতেই মৃদুল দাঁড়িয়ে থাকে নীল বেলুন হাতে।
শোভনাও অপেক্ষা করে মৃদুলের সাথে দেখা হবার ক্ষণটার।
দু'জনে মুখোমুখি হয় তে'তলার ল্যান্ডিংএ। মৃদুল ঠোঁট আর চোখে হাসি নিয়ে শোভনার দিকে বেলুনটা বাড়িয়ে দেয়, শোভনাও চোখ আর ঠোঁটে মৃদু হাসি নিয়ে দুহাতে বেলুনটা ধরে।
আর বেলুনটা অদৃশ্য হয়ে যায়।
মৃদুল সিঁড়ি বেয়ে নেমে যায় নীচে, শোভনা নিজের বাসার দরজায় কড়া নাড়ে।
..................
সত্য - 2
গিয়েছিলাম আমি জানাতে তাদের মোর হৃদয়ের সত্যকথা,
কেন থাকিসনি পাশে, ধরিসনি হাত, নিয়ে সকল ভালোবাসা ?
গিয়েছিলাম সুস্থ আমি, একলা একা অচেনা কোনও প্রান্তরে,
ফিরেছিলাম রক্তাক্ত হয়ে, নিষ্ঠুর অপমানিত এই সংসারে ।
তখন কেন আসলি না তুই ? বসলি না পাশে হাতটি ধরে ?
এখন আমি ভালো আছি তাই তোর ভালোবাসা উপচায়ে পরে !!
তোর প্রতি কোনও রাগ নাই আমার, করি না কোনও অভিযোগ,
কুকুরের পেটে ঘি মজে না তাই হয়েছে এমন গোলযোগ ;
বামুন হয়ে চাঁদে হাত দিতে চেয়েছি, তাই হয়েছে শিক্ষা,
চাইব না আমি তোর কাছে কভু এ শিক্ষার কোন ব্যাখ্যা ।
তাই বলছি শোনরে পাখি আর করিস নে হাপিত্যেশ,
পৃথিবীটা যে দেখিয়েছে তোকে মেনে নে তার আদেশ,
গর্ভধারনের জ্বালা যে কি তা যদি তুই জানতি,
তাহলে পেটে পাথর বেঁধে সকাল সন্ধ্যা চলতি,
জন্মদানের কষ্ট যে কি তা যদি তুই বুঝতি,
তাহলে প্রতিদিন একবার মরে আবার জীবিত হইতি;
আমি ভালবেসেছি তোকে শুধুই দেখে তোর বর্তমান
তাঁরা ভালোবাসে ওই অতীত থেকে যখন ছিলনা তোর কোনও সম্মান;
তাই যাবার বেলায় দিয়ে যাবো তোকে ছোট্ট একটা উপদেশ,
দিস না কভু কষ্ট তাদের হয়ে কোথাও নিরুদ্দেশ ।
একটা অদ্ভুত পলিসি!!!!
দেশের অবস্হা কেমন? এই কথাটা এখন আর কেউ এক কথায় দিতে পারে না। কারো কাছে এই প্রশ্নের উত্তর নেই এটা ভুল কথা। রাস্তার টোকাইটাও এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে খুব ভালো ভাবে।
একটা সময় রাস্তার টোকাই যারা তারা টিকটিকির লেজ দিয়ে নেশা করতো। রাংতা পুড়িয়ে চামচে গরম করে ভাব নিতো, রাস্তায় উপুড় হয়ে শুয়ে থাকতো। যারা মেয়ে হয়ে জন্মাতো তারা প্রতিরাতে এরকম নেশার ঘোরে কতবার ধর্ষিত হতো তার কোনো হিসেব থাকতো না।
সাভারের অদূরে জায়গার নামটা ভুলে গেছি এক খ্রিষ্টান পাদ্রির দেখা পেয়েছিলাম। গ্রামীন ফোন থেকে আমাদের একটা টিম পাঠিয়েছিলো তার জন্য ফ্রিতে ইন্টারনেট কানেকশন ঠিক করে দিতে।
খুব সুন্দর একটা জায়গা ছিলো। যতদূর চোখ যায় শুধু ধান ক্ষেত, তার এক কোনে দাড়িয়ে ৫ তলা পাকা বিল্ডিং। ওখানে ঢুকতেই দেখি বিশাল একটা কক্ষে অনেকগুলো ছেলে মেয়ে বিভিন্ন বয়সী গ্রুপে গ্রুপে ভাগ করা। সবাই বিশাল একটা থালে রাখা চাল আছে সেগুলো থেকে ময়লা আলাদা করছে।
রতি রাতের বিষণ্ণ বিদীর্ণ বর্ষণ
গভীরতায় পড়েনি মিছেমিছি হাত
শুধু জেগে থাকা রাত
বদ্ধ করুণ চার দেয়াল ভিতে
শাওয়ার জলের স্রোতস্বী প্রপাত।
ক্লান্তিতে মিশে হৃদি সত্ত্বা কাঁপন
আহ্ কী যে অবদমিত আস্ফালন
বোঝে না, বোঝে না সে কিছুই
রতি রাতের বিষণ্ণ বিদীর্ণ বর্ষণ।।
[পঞ্চাশ শব্দ তো হচ্ছে না, তাহলে কিভাবে কবিতাটা ছাপি। সমস্যা বই কি? পঞ্চাশ শব্দের নীচেও তো শিল্প সৃষ্টি হচ্ছে।]
বেরঙ্গীন দিন যাপন!
পোষ্ট দেয়ার মতো তেমন কোনো ইস্যু নাই। গল্প কবিতা গবিতাও আমার দ্বারা হয় না। কখনো চেষ্টাও করি নাই। অথচ বেশীর ভাগ বয়স্ক ব্লগাররাই কত অসাধারন সব গল্প কখনো না কখনো লিখবেই যার সৌভাগ্য আমার কখনো হয় নি। আমার খুব ভালো বন্ধু নুর ফয়জুর রেজা। সে গত চার মাসের সামহ্যোয়ার ব্লগার। তাকে দেখে হিংসা হয়। আসক্তির মতো সে ব্লগিং করে। যা আমরাও করছি। ব্লগের বাইরে দুনিয়ার কথা কিংবা ফেসবুকে সময় নস্টের কথা ভাবতেই পারতাম না। কিন্তু এখন ফেসবুকেই বেশী ভালো লাগে। লাইক ডিস্ট্রিবিউশন ও স্ট্যাটাস শেয়ারের মধ্যেই আনন্দ খূজে পাই। সেই রাত জেগে ব্লগিং করে ঘুম থেকে উঠেই পিসির সামনে দৌড়ানো ভার্চুয়াল কিবোর্ড দিয়ে মন্তব্য করা, ছাগু তাড়ানো কত কিছু করতে হয় এই সামু আসক্তিতে। আমি অবশ্য তেমন যুতের কোনো ব্লগার ছিলাম তাও যারা ভালো লিখতো ভালো ভাবতো তাদের সমমনা বন্ধু ছোটভাই ছিলাম এই টুকুতেই আনন্দ। সেই সময়টাকে খুব মিস করি। এখনো নানান ব্লগে কত অজস্র ব্লগার যাদের কাউরেই আমি চিনি না তখন নিজের কাছেই খুব খারাপ লাগে। সময়ের সাথেই সাথেই কত কিছুই বদলে যায়। এখন এবিতে পোষ্টাই মাঝে মধ্যে কমেন্ট করি এইটাকে ব্লগিং বলা চলে না। স্রেফ সেই সময়ের কিছু কাজের
রোদ জ্বলা দুপুরে.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
#
আরেকটি সকাল..
হারিয়ে গেল,
মরুভুমি উষ্ণতায়..
গাছের একটি পাতা-ও,
নড়ছেনা যেন আজ..
অলস সময় বয়ে যায়,
বালুঘড়ি নিয়মে..
দেয়ালে ঝোলানো,
মরচে ধরা ঘড়ি..
সময় জানাবে কীসে?
সে তো,
কেবলি অতীতের গান গায়..
বন্ধ দরজায়,
মাথা কুটে মরে..
সুখ-রাংতা মোড়ানো;
হতাশায় বাঁধা,
বুনো গাংচিল..
তবু-ও;
জানালা গলে আসে,
এক ফালি রোদ্দুর..
অগোচোরে, পড়ে থাকে..
চোখের আড়াল, ভুলে যাওয়া ক্ষণ..
গাছের ফাঁকে রোদের ঝিলিক; একলা পুকুর, সিমাহীন হাতছানি..
দুরে, অনেক দুরে..
রোদে পুড়ে যায়;
তবু বসে ঠায়,
কোন এক দাড়কাক..
একদিন, শীত আসবে..
প্রতীক্ষায়, বয়ে চলে..
রোদ-জ্বলা বিষণ্ণ দুপুর..।
[সচলায়তন,২৩-১০-১০খ্রীঃ]
লেখা জোখা - হিবি জিবি... ০১
নিজেকে একটু বিজি রাখতে লিখতে চেষ্টা করছি.. কিন্তু কি লিখবো কোন কিছুই মাথায় আসে না। তবুও একটা কিছু লিখবো বলে হাত চলে গেল কম্পিউটার এর ওয়ার্ড ফাইলে…. লিখতে গিয়ে ভাবছি এটা কি হবে?? গল্প না কবিতা না উপন্যাস না কি প্রবন্ধ ??? যাই হোক.. এটা একটা প্রচেষ্টা কিছু একটা করার…আমি এক্সটা অর্ডিনারি কোন ক্রিয়েটিভ না, যে এমন কিছু লিখতে পারবো। তবে শুরুতো করলাম.. শেয়ার ও করে দিব ফেসবুকে অথবা ব্লগে…দুখি:ত বন্ধুরা.. আমার হুদাই লেখা পড়তে হচ্ছে বলে। জীবনের ঘটনাগুলোকে কাগজে তোলার মত সাহস নাই.. পাছে আবার সত্যি বলে দেশ ছাড়া হই… আর এই দেশ আর বাবা কে ছেড়ে যাবই বা কোথায়?? বাবা না থাকলে ভাবছি রিস্ক টা নিয়েই নিব… কি বা হারানোর আছে আমার.. সম্পদ থাকলে বাঁচানোর বা রক্ষা করার প্রশ্ন আসে.. আমার সম্পদ বা সম্পত্তি কিছুই নাই.. আমার এই লেখাকে গাঁজাখুরি যাদের মনে হচ্ছে তাদেরকে আগে থেকেই ধন্যবাদ জানাই.. ( আসলে আমার নিজেরই তাই মনে হচ্ছে.. হি..হি..হি…)
Romantic কোবতে, কবিতা আর গবিতা।
একটা রোমান্টিক কোবতে লিখলাম। বাফড়া সেটার উরাধুরা বাংলা করছে, যেটাকে আমরা গবিতা বলি। আপনারা তার গবিতার রহস্য জানেন, সে কি বিরাট কামেল লোক সেইটাও জানেন। আমি আর না কই, তই তার গবিতা আমার আসল কোবতের চেয়ে অনেক বেশি ফাটাফাটি, এহন আমারটা পইড়া নিরামিশ মনে হচ্ছে। 
আর জেব্রিল সেটার একটা কাব্যিক অনুবাদ করছে, সেটা তো পুরা ফিদা করে দেওয়ার মত! আমি যদি ইরাম কাব্যি বাংলায় করতে পারতাম, তাহলে পুরা দুনিয়ার বাংলাভাষী ললনারা আমার উপর তব্দা খাইত! আহা! কি সুস্বাদু, মনে হয় খালি পড়তেই থাকি। 
প্রথমে আমারটা থাকবে, সেটা হইল গিয়া এপিটাইজার - এপিটাইজার খাইয়া কোবতের জন্য ক্ষিধে লাগলে আসল জিনিসে হাত দিবেন, সেইটা হল অন্ট্রে, জেব্রিলের লেখা। সবশেষে বাফড়ার ঝাকানাকা ডেজার্ট, ডেজার্ট খাইয়া ঢেকুর তুইলা আলহামদুলিল্লাহ কইয়া শান্ত হইয়া যাইবেন।
আমি কোবতের কোন নাম দিইনাই, কারন কবি (শেকসপিয়ার) কয়েছেন,
"What's in a name? That which we call a rose
By any other name would smell as sweet."
তো নেন, এপিটাইজার!
( "/" মানে লাইন শেষ। নতুন লাইন শুরু।)
Had literature been my realm, dear, /
ইংলিশ ভিংলিশ আর ডাচ ভাচ
খুব ছোটবেলা থেকেই আমি হার্ডকোর হিন্দী সিনেমা ভক্ত। একদম কুট্টিকালের সিনেমা জীবনই ধরতে গেলে শুরু হয়েছে ভিসিআর, ভিসিপি তারপর জিটিভি ভিটিভি সনি এলটিভি দিয়ে। এরমধ্যে জিতেন্দ্র মানে জিতুজী আর মিঠুন চক্রবর্তী ছিলেন সেই সময়ের প্রিয় নায়ক। জিতুজী নায়ক মানে নায়িকা হলো শ্রীদেবী কিংবা জয়াপ্রদা। জয়াপ্রদার মধ্যে আবার ভাল মেয়ে ভাল মেয়ে ভাব প্রবল আর শ্রীদেবীর মধ্যে একটা উইটি লুক ছিল যার ছিলাম আমি যাকে বলে ফিদা। মাওয়ালী সিনেমা এতোটাই ভাল লাগল, এতোটাই ভাল লাগল যে চান্স পেলেই রামা রামা রামা রামা রে। চান্স কি করে পাবো? গ্রামের বাড়ি থেকে কেউ এলে কিংবা এমনিতেও কেউ বেড়াতে এলে, ভিসিআর দেখতে চাইতো। দেখতে চাইলেই হলো আমি আর ভাইয়া পটিয়ে পটিয়ে মাওয়ালী আর জাষ্টিজ চৌধুরী আনাতাম। পম পম, ছোটবেলা থেকেই নাচ গানের বিশাল ভক্ত তাও যদি হয় আবার জিতুজীর। একটা সময়ের পর সেই ক্রেজ আবার মধ্যগগনে আনিল কাপুর আর মাধুরী উড়িয়ে নিয়ে গেলেন।
দয়াল তোমায় প্রনাম
আকাশপানে খুঁজে বেড়াই
কোথায় তোমার বাস-
দয়াল তুমি দয়ার সাগর
মিটাও মনের আশ ।
গয়া-কাশি-মক্কা শহর
রেশমপথে রেশম নগর
দুনিয়া তার পাগলা নাগর
খেল খেলে যাও পাগলা ডাগর।
তুমি বুদ্ধ-তুমি যীশু
তুমি মালিক-পথের শিশু
উড়াইয়া নাও মেঘপাখি
সকাল বিকাল তোমায় আঁকি-
অনিমেষ কয়-সবি ফাঁকি
হৃদমাঝারে আঁকি-বুকি
দমে দমে দমের খেলা
সময় যে নাই-গেলো বেলা।
আগুন নিভাও-আগুন জ্বালাও
কষ্টেরে দুধ কলা খাওয়াও
তুমি আল্লাহ তুমি খোদা
তুমি কৃষ্ণ-তুমি রাধা।
তোমাতে আমি থাকি
আমাতে থাকো তুমি-
আকাশ ছুঁয়ে ভুমি থাকে
দয়াল তোমায় প্রণমি।
বন্ধুত্বের আকাশের নক্ষত্ররা
প্রতিবছর বন্ধু দিবসে আর কোন মানুষকে এতটা মিস করি কি না জানি না, যতটুকু করি আমার হারিয়ে যাওয়া বন্ধু সেলিম কে, সেলিম আমার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের কলেজ কর্মসুচির প্রথম সমবয়সী ছেলে বন্ধু। বছর কয়েক আগে সবাই এসে বলল, সেলিম চলে গেছে না ফেরার দেশে।যা এখনও আমি বিশ্বাস করি না, প্রায়ই ভাবি, ও হয়তো আবার ফিরে আসবে, এসে বলবে, “রত্না আমরা সবাই এক সাথে উঠবো, আমাদের অনেক বড় হতে হবে”। খুব চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করে, “ সেলিম, শুনতে পাচ্ছিস, আমরা অনেক বড় হয়ে গেছি, একবার ফিরে আয়, দেখে যা আমাদের”। যারা এখনও আছে তাদের সবার নাম নিয়ে তো আর শেষ করা যাবে না আর তাই ধন্যবাদ ও জানাবো না, কারন আমি জানি আমি না বললেও তারা আমার পাশে থাকবে।কারন তারা প্রত্যেকেই জানে আমি তাদেরকে অনেক ভালোবাসি।নাম না হয় নাই বললাম ।তবুও কয়েকজনের কাছে ক্ষমা চাইতে চাই, প্রথমেই বিপ্লব তোর কাছে, সারা জীবন তোকে অনেক জ্বালিয়েছি, গত এক বছর তো শুধুই মিথ্যা ভুল বুঝেছি, ক্ষমা করে দিস আমাকে। তারপর মিনা, তোর কাঁধে মাথা রেখে কান্নার যায়গাটা কখনো আমার কাছ থেকে নিয়ে যাবি না, প্রমিজ কর। তানি গত একবছর তুমি পাশে ছিলে, হতে পারো তুমি অফিস কলিগ,
আরেক খান গবিতা - একসেস দিয়া দেখরে পাগলা...
সাহিত্যিক ধুন্দুর-মুন্দুর যদি করতারতামরে, ময়না,
তাইলে তো ধাচানো ল্যংগুয়েজে, অনেক ক্যাওয়াজের লাইন লিইখ্যা বেড়াইতাম,
পরতে পরতে থাকতো তুমার ক্ল্যাসিক ক্যারিশমার বাখানিয়া...
আহা.. তুমার সেই ইশটাইল, সেই গরিমার প্রকাশ।
আর প্রতি রাইত্রে উছলেজিত চউক্ষে তুমার কানের কাছে আমার সুকুমার কোবতের ফিসফাস।
প্রেম যদি আমার প্রতিগ্যা হইতোরে যাদু,
টাইম-স্পেস কন্টিনামের বারোটা বাজায়া, তুমার রিদয়ে কেল্লা গাড়তাম,
আর কেল্লার নিচে খড়ায়া রোমিওর লাহান বিয়ান থিকা হাইন্জা তুমার প্রশংসার নহর ছুটায়া দিতাম; তুমার প্রাণের প্রয়োজনে আস্ত রিপাবলিকরেই কিবা সিটিএন দেখাইতাম।
সংগীতে পারদর্শী হইলেরে পুতলা,
তানসেন রে ভুমচক্করে ফেলায়া বিশবার জন্ম নিতাম, সুরের বিলাসে ফুটতো তুমার
''ক্লাসি বেইব'' ভাবচক্কেরের উপযুক্ত উপমা, তুমি বেশী পিক আপ নিলে বেটোভেন রেও
হয়তো ছাড়তাম না রে , মোতসার্ট রে নিয়া টান দিতাম যখন তখন।
আমি লাহুরীর মত মিস্ত্রি হইলে,
দেখতা গলিতে গলিতে তাজমহলের খেলা...ইধার তো উধার...
একেকটা যেনবা তুমার স্বর্গীয় হাসির একেক পার্থিব বয়ান।
মধ্যরাতের আয়নায়..[এলোমেলো কাব্যকথন!]
#
সময় -
মধ্যরাত।
একলা আকাশে একলা চাঁদের মসৃন পথচলা,
দূরের তারার হঠাত্ আলো;
জ্বলে জ্বলে নিভে যায়,
ঝরে যায় সহসাই।
নিঝুম আঁধারে অচেনা আলোর ঝলকানি,
ঘুমঘোর পৃথিবীর এক বেমানান জানালায় ফ্লুরোসেন্ট বাতির আনাগোনা।
অগোছালো পড়ার টেবিলে,
মধ্যরাতের আয়নায়;
দিনভর -
ক্লান্ত সময়ের ফাঁকে পাওয়া টুকরো সুখের ছোঁয়া।
একলা রাতের প্রহর -
চায়ের কাপে মিষ্টি সুবাস,
মৃদু চুমুকে স্বস্তির তৃপ্তি।
সময়ে,
বাতি নিভে যায়।
আঁধারের চাদরে,
নিশ্চুপ জেগে থাকা।
দূরে কোথাও,
নিঃশ্বাসে;
বাতাসে বৃষ্টির গন্ধ।
চার দেয়ালের আড়ালে বদ্ধ জানালা,
পথ ভুলে আসা ঝড়ো হাওয়ায় কালবোশেখীর নিমন্ত্রন।
ঘুমাচ্ছন্ন দুচোখে,
স্বপ্নমাখা মৃদু হাসি;
অকারন -
ছুঁয়ে যায় মন।।
[সচলায়তন, ১৯-০৪-১০খ্রীঃ]
'অপেক্ষাতে' ও 'দিনযাপন' [এলোমেলো কাব্যকথন!]
#
*অপেক্ষাতে*
দিন কাটে,
কাটে দিন..
আধেক জেগে আধেক ঘুমে;
একটু দুঃখ আর আধেক সুখে,
মন খারাপ আর খানিক হেসে..
সূয্যিমামার কল্যানে ফের,
দুঃসহ দিন..
আসে রাত,
নির্ঘুম রাত..
স্বপ্নে ভাসা;
চা'য়ের কাপ আর কফি'র সাথে,
মন-আকাশে টর্নেডো ঝড়..
যায় চলে দিন,
রোজ এমনি..
অপেক্ষাতে,
বৃষ্টিবিহীন..।।
[সচলায়তন, ২৪০৮১০খ্রীঃ]
#
*দিনযাপন*
অনেক দেরীর ভোর,
দুপুর রোদের গরমে অলস পথচলা।
বরফ কুঁচি ঠান্ডা চুমুকে স্বস্তির মৃদু উচ্ছ্বাস;
অসময়ের বিকেল ঘুমে ভাঙা স্বপন,
টুকরো জীবনের ছন্দ।
নির্বান্ধব একলা ছাদ,
মন মাতানো এলোচুল হাওয়ায়;
গোধুলি আভার পরশে মনে বাজে বিদায়ের বিষণ্ণ সুর।
[সচলায়তন, ২১-০৪-১০খ্রীঃ]