ইউজার লগইন
ব্লগ
জলের জলসায় এক সানকি বিষণ্ন রোদ
তলিয়ে যাচ্ছি। হারিয়ে যাচ্ছি। পানিতে আলোড়ন তুলে ধীরে ডুবে যাচ্ছি আমি। নিপাট বিস্ময়ে বেদনামথিত আত্মা খুঁজে নিচ্ছে মুক্তির সোপান। দৃষ্টিসীমায় তখনও সূর্যের কড়কড়ে আলোর অবগাহন। অবশ শরীরে মৃদু হাওয়ার গুনগুন নামতা। নাকের ভাঁজে কারো মোহনীয় রূপের ঘ্রাণ।
চোখের কোণে কেঁপে ওঠে একটি চঞ্চল প্রজাপতি। লাল নাকি নীল ? ধুসর অথবা সাদা ? দূরে একটি নিঃসঙ্গ চিল এক মনে চক্কর দিচ্ছে। আমি ওর স্বাধীন একাকী আত্মার কাছে ফরিয়াদ জানাই!
আহ্ আকাশ কত নীলাভ। কী নিসীম নিঃসঙ্গ এই চরাচর। আকাশের ভাঁজে ভাঁজে সাদা মেঘের নিপুণ বিন্যাস। যদি মেঘ হতাম! যদি হতাম আকাশ! আকাশের কোণে গড়ে তুলতাম যদি আমার একাকী জীবনের এক চিলতে উঠোন! আলোর সমীকরণে জেগে ওঠে নতুন ধাঁধাঁ।
অনাথ শিশুটি পানিতে কোমড় ডুবিয়ে এখনো খেলছে। ওর কোন খেদ নেই? না পাওয়ার বেদনা ওকে আহত করেনা? চারদিকের চাকচিক্যের ভীড়ে কী নিদারুণ গ্লানিময় ওর জীবন! এখনো কেন বেঁচে আছে ও?
ভোরের পংক্তিমালা [এলোমেলো কাব্যকথন!]
আজ অনেক দিনের পর-
রাত্রিজাগা প্রহর শেষে,
চক্ষেতে ঘুমঘোর।
আঁধারমাখা আবছা আলোয়
সূয্যিমামার খুনসুটি;
আর এক দুটা কাক,
অলস সুরে গান-
আনন্দেরই ঝর্ণাধারায়,
ভাসুক আজ এই প্রাণ।
আজকে আমার হৃদয় নাহয়
থাকুক আমার মতো;
দুঃখের শেষে উঠুক হেসে
মিলাক ব্যথা যতো,
হৃদমাঝারে উঠুক সুখের
কালবোশেখী ঝড়-
আজকে আমার দুচোখেতে
দেখবেনা কেউ জল,
হঠাত্ উদাস মন অকারণ
করবেনা ছলছল।
অভিমানের আজকে ছুটি;
মনের আঁধার যাক মিলিয়ে,
আলোয় বাঁধুক ঘর।
ব্যস্ত জীবন,
হাজার হাজার মুখোশ মাঝে
এক দুটা মুখ;
চায় যদিবা,
একটু ভালোবেসে-
উঠবে হৃদয়; ঝলমলিয়ে,
চোখের আলোয় হেসে।
দিনের শেষে সূর্য ডোবার সুরে,
যদি ভালোই বাসো মোরে,
বেসো হৃদয় উজার করে-
কাছেই থেকো;
নয়তো আমায়
মিলবে অচিন দূরে।
দিনের আলো যদিও মিলায়
আবার সাঁঝের বেলা;
ঘড়ির কাটার হেলাফেলায়
শেষ হতে চায় খেলা,
মনের আলোয় ঘুচুক আঁধার
ভাসুক জীবন ভেলা।
[সচলায়তন, ১৭-০৪-১০খ্রীঃ ]
নারীদের গল্পঃ ০১- দাগ
মাত্র চিটাগাং ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হইছি। শহর থেকে দল বেঁধে ট্রেনে করে আসা-যাওয়া করি। আমি উঠতাম ঝাউতলা থেকে। দলটা সাইজে দশ-বারো জনের হয়ে গেলো ছেলে আর মেয়ে মিলিয়ে। দলে যারা মুল ষ্টেশন অর্থাৎ বটতলী থেকে উঠতো তারা কাগজ কিংবা ইটের টুকরা কিংবা নিজের ব্যাগ দিয়ে সীট রাখার চেষ্টা করতো। আমি উঠতাম ঝাউতলা থেকে। আমাদের গ্রুপের একমাত্র আমি আর বাকিরা বটতলী আর কেউ কেউ উঠতো ষোলশহর থেকে। মুল ছাত্র-ছাত্রীদের ষ্টপেজ ছিলো বটতলী আর ষোলশহর।আর অন্যান্য ষ্টেশনগুলোতে টুপ টাপ দুই একজন উঠতো কিংবা নামতো। আমি আর তুহীন সব সময় দরজায় বসে যেতাম। সে এক অসাধারন মজা। ফতেয়াবাদ থেকে ট্রেনটা যখন বাঁক ঘুরে ইউনিভার্সিটির ষ্টেশনের দিকে যেতো অদ্ভুত সুন্দর লাগতো।আরেকটা বিরক্তিকর কাজ হলো ট্রেনের জন্য অপেক্ষা! ঝাউতলাতে দাঁড়িয়ে আছি তো আছি! ট্রেনের খবর নেই। ফেরার পথে হেলে দুলে সেই ট্রেন আবার ফিরতো-ঠিক ষোলশহরে আসলেই ট্রেন প্রায় ফাঁকা। আমি ঝাউতলা নেমে পাহাড়ী আঁকা-বাকা পথে চলে যেতাম আমার গন্তব্যে।
নিষিদ্ধ অন্ধকার
প্রতারক শহরে আমরা সবাই বোকা
বেহালা বাদক ফিরে যাচ্ছে,
জ্বলে ওঠো বিশ্বাসের বারুদ
জ্বলে ওঠো নক্ষত্রপুত্র।
ফেরাও তাকে এই দুর্দিনে
ফেরাও তাকে ভালোবাসায়।
পূর্ণিমার প্রছন্ন বিষাদে
অন্তরালে যে নিষিদ্ধ অন্ধকার ঝড় তুলছে
পুড়িয়ে ছাই করে দিচ্ছে সোনালি বাগান
ভেঙে চুরমার করে দিচ্ছে স্বপ্নের প্রতিমা
চোখের জলে ভাসিয়ে দিচ্ছে গোপন ঠিকানা!
রক্ষা করো তাকে, রক্ষা করো হে তরুণ,
সময় তোমাদের, সময় সত্যের।
দোহাই তোমাদের, ফেরাও তাকে, ঘরে ফেরাও
তোমরাও ফিরো পুর্ণ হাতে
বেহালার নিষ্পাপ সুরে, ভালোবাসায়, বিশ্বাসে...
লে হালুয়া! ... সামলা!
বিদেশযাত্রী একবন্ধুকে জিজ্ঞেস করেছিলাম বিদেশ গিয়া করবি কি হে!"
তার সহাস্য উত্তর “ভাতের হোটেল খুলুম! এদ্দিন মেসে নিজে বানায়ে যা খাইছি না খাইছি তাই ঘুটা দিয়া সাজায়ে সার্ভ করলেই কেল্লাফতে!”
তার হোটেল চলবে কি না চলবে তাতে আস্থা না থাকলেও আমাদের নারু’র যে ভাতের হোটেল ব্যাবসায় ভবিষ্যত জ্বলজ্বলে উজ্জ্বল তা নিশ্চিত বলা চলে। তার হোটেল প্রথমে সার্ভ করা হবে তার নিজের করা কড়া পাকের এপিটাইজার! (এইখানে বুঝে নেন ওর লেখা ইংরেজী কবিতা) তার স্বাদ গ্রাহককে কনফিউসড করে দিতে পারবে চোখবুজেঁই! আপনি ধন্দে পড়বেন যে, জিনিসটা আসলে খারাপ নাকি খুবই আনকমন রকমের ভালোকিছু! যেই আপনি অন্ট্রেতে যাবেন আসবে এমন কমন ধাচেঁর কিছু। (প্যানপ্যানানিই বলতে পারেন) কিন্তু সেই অখাদ্য জাতীয় ব্যাপারটা আপনি নিজেই স্বীকার করবেন না, ভাবতে বাধ্য হবেন যেহেতু আমি প্রথমটা নিয়ে কনফিউসড আছি, হয়তো এইটাতে কিছু লুক্কায়িত স্বাদ আছেই যা আমি বুঝে উঠতে পারিনি! এরপরই নারু বাজিমাত করে দিবে! মনকে আনন্দে ভরিয়ে দেয়ার মতোন দিলখুশ ডেসার্ট! এর মজাতে আপনি তাতে এত্তোই চমকিত হবেন যে ভুলেই যাবেন কিছু আগে কিসব আস্বাদন করেছেন
পৌনঃপুনিক
মৃদুল প্রতিদিন তিনতলার সিঁড়ির কোনায় দাঁড়িয়ে থাকে, একটা নীল বেলুন হাতে।
........................
শোভনা প্রতিদিন তিনতলার সিঁড়ি বেয়ে উঠে আসে, কাঁধে থাকে একটা সাদা ব্যাগ।
........................
পুরোনো ধাঁচের তিনতলা এই বাড়ীটায় সিঁড়িগুলো অনেক উঁচু উঁচু আর অন্ধকার। অন্ধকার ঠিক না, আলো কম। তবে ঘন্টা খানেক দাঁড়ালে চোখ সয়ে আসে, সবকিছু দেখা যায়। শুধু রঙ আর আকারের কোনো থই পাওয়া যায় না।
মৃদুল অপেক্ষা করে শোভনার জন্যে।
শোভনা ক্লান্ত পায়ে এক একটা সিঁড়ি ভাঙ্গে, মৃদুল পায়ের শব্দ গোনে। শোভনার সাদা ব্যাগটা ঝলমল ঝলমল করে। মনেহয় এক খন্ড সুর্য নিয়ে সে ঢুকেছে অন্ধকার সিঁড়িঘরে। সেই সুর্যকে নীল মেঘ দিয়ে বরণ করে নিতেই মৃদুল দাঁড়িয়ে থাকে নীল বেলুন হাতে।
শোভনাও অপেক্ষা করে মৃদুলের সাথে দেখা হবার ক্ষণটার।
দু'জনে মুখোমুখি হয় তে'তলার ল্যান্ডিংএ। মৃদুল ঠোঁট আর চোখে হাসি নিয়ে শোভনার দিকে বেলুনটা বাড়িয়ে দেয়, শোভনাও চোখ আর ঠোঁটে মৃদু হাসি নিয়ে দুহাতে বেলুনটা ধরে।
আর বেলুনটা অদৃশ্য হয়ে যায়।
মৃদুল সিঁড়ি বেয়ে নেমে যায় নীচে, শোভনা নিজের বাসার দরজায় কড়া নাড়ে।
..................
সত্য - 2
গিয়েছিলাম আমি জানাতে তাদের মোর হৃদয়ের সত্যকথা,
কেন থাকিসনি পাশে, ধরিসনি হাত, নিয়ে সকল ভালোবাসা ?
গিয়েছিলাম সুস্থ আমি, একলা একা অচেনা কোনও প্রান্তরে,
ফিরেছিলাম রক্তাক্ত হয়ে, নিষ্ঠুর অপমানিত এই সংসারে ।
তখন কেন আসলি না তুই ? বসলি না পাশে হাতটি ধরে ?
এখন আমি ভালো আছি তাই তোর ভালোবাসা উপচায়ে পরে !!
তোর প্রতি কোনও রাগ নাই আমার, করি না কোনও অভিযোগ,
কুকুরের পেটে ঘি মজে না তাই হয়েছে এমন গোলযোগ ;
বামুন হয়ে চাঁদে হাত দিতে চেয়েছি, তাই হয়েছে শিক্ষা,
চাইব না আমি তোর কাছে কভু এ শিক্ষার কোন ব্যাখ্যা ।
তাই বলছি শোনরে পাখি আর করিস নে হাপিত্যেশ,
পৃথিবীটা যে দেখিয়েছে তোকে মেনে নে তার আদেশ,
গর্ভধারনের জ্বালা যে কি তা যদি তুই জানতি,
তাহলে পেটে পাথর বেঁধে সকাল সন্ধ্যা চলতি,
জন্মদানের কষ্ট যে কি তা যদি তুই বুঝতি,
তাহলে প্রতিদিন একবার মরে আবার জীবিত হইতি;
আমি ভালবেসেছি তোকে শুধুই দেখে তোর বর্তমান
তাঁরা ভালোবাসে ওই অতীত থেকে যখন ছিলনা তোর কোনও সম্মান;
তাই যাবার বেলায় দিয়ে যাবো তোকে ছোট্ট একটা উপদেশ,
দিস না কভু কষ্ট তাদের হয়ে কোথাও নিরুদ্দেশ ।
একটা অদ্ভুত পলিসি!!!!
দেশের অবস্হা কেমন? এই কথাটা এখন আর কেউ এক কথায় দিতে পারে না। কারো কাছে এই প্রশ্নের উত্তর নেই এটা ভুল কথা। রাস্তার টোকাইটাও এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে খুব ভালো ভাবে।
একটা সময় রাস্তার টোকাই যারা তারা টিকটিকির লেজ দিয়ে নেশা করতো। রাংতা পুড়িয়ে চামচে গরম করে ভাব নিতো, রাস্তায় উপুড় হয়ে শুয়ে থাকতো। যারা মেয়ে হয়ে জন্মাতো তারা প্রতিরাতে এরকম নেশার ঘোরে কতবার ধর্ষিত হতো তার কোনো হিসেব থাকতো না।
সাভারের অদূরে জায়গার নামটা ভুলে গেছি এক খ্রিষ্টান পাদ্রির দেখা পেয়েছিলাম। গ্রামীন ফোন থেকে আমাদের একটা টিম পাঠিয়েছিলো তার জন্য ফ্রিতে ইন্টারনেট কানেকশন ঠিক করে দিতে।
খুব সুন্দর একটা জায়গা ছিলো। যতদূর চোখ যায় শুধু ধান ক্ষেত, তার এক কোনে দাড়িয়ে ৫ তলা পাকা বিল্ডিং। ওখানে ঢুকতেই দেখি বিশাল একটা কক্ষে অনেকগুলো ছেলে মেয়ে বিভিন্ন বয়সী গ্রুপে গ্রুপে ভাগ করা। সবাই বিশাল একটা থালে রাখা চাল আছে সেগুলো থেকে ময়লা আলাদা করছে।
রতি রাতের বিষণ্ণ বিদীর্ণ বর্ষণ
গভীরতায় পড়েনি মিছেমিছি হাত
শুধু জেগে থাকা রাত
বদ্ধ করুণ চার দেয়াল ভিতে
শাওয়ার জলের স্রোতস্বী প্রপাত।
ক্লান্তিতে মিশে হৃদি সত্ত্বা কাঁপন
আহ্ কী যে অবদমিত আস্ফালন
বোঝে না, বোঝে না সে কিছুই
রতি রাতের বিষণ্ণ বিদীর্ণ বর্ষণ।।
[পঞ্চাশ শব্দ তো হচ্ছে না, তাহলে কিভাবে কবিতাটা ছাপি। সমস্যা বই কি? পঞ্চাশ শব্দের নীচেও তো শিল্প সৃষ্টি হচ্ছে।]
বেরঙ্গীন দিন যাপন!
পোষ্ট দেয়ার মতো তেমন কোনো ইস্যু নাই। গল্প কবিতা গবিতাও আমার দ্বারা হয় না। কখনো চেষ্টাও করি নাই। অথচ বেশীর ভাগ বয়স্ক ব্লগাররাই কত অসাধারন সব গল্প কখনো না কখনো লিখবেই যার সৌভাগ্য আমার কখনো হয় নি। আমার খুব ভালো বন্ধু নুর ফয়জুর রেজা। সে গত চার মাসের সামহ্যোয়ার ব্লগার। তাকে দেখে হিংসা হয়। আসক্তির মতো সে ব্লগিং করে। যা আমরাও করছি। ব্লগের বাইরে দুনিয়ার কথা কিংবা ফেসবুকে সময় নস্টের কথা ভাবতেই পারতাম না। কিন্তু এখন ফেসবুকেই বেশী ভালো লাগে। লাইক ডিস্ট্রিবিউশন ও স্ট্যাটাস শেয়ারের মধ্যেই আনন্দ খূজে পাই। সেই রাত জেগে ব্লগিং করে ঘুম থেকে উঠেই পিসির সামনে দৌড়ানো ভার্চুয়াল কিবোর্ড দিয়ে মন্তব্য করা, ছাগু তাড়ানো কত কিছু করতে হয় এই সামু আসক্তিতে। আমি অবশ্য তেমন যুতের কোনো ব্লগার ছিলাম তাও যারা ভালো লিখতো ভালো ভাবতো তাদের সমমনা বন্ধু ছোটভাই ছিলাম এই টুকুতেই আনন্দ। সেই সময়টাকে খুব মিস করি। এখনো নানান ব্লগে কত অজস্র ব্লগার যাদের কাউরেই আমি চিনি না তখন নিজের কাছেই খুব খারাপ লাগে। সময়ের সাথেই সাথেই কত কিছুই বদলে যায়। এখন এবিতে পোষ্টাই মাঝে মধ্যে কমেন্ট করি এইটাকে ব্লগিং বলা চলে না। স্রেফ সেই সময়ের কিছু কাজের
রোদ জ্বলা দুপুরে.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
#
আরেকটি সকাল..
হারিয়ে গেল,
মরুভুমি উষ্ণতায়..
গাছের একটি পাতা-ও,
নড়ছেনা যেন আজ..
অলস সময় বয়ে যায়,
বালুঘড়ি নিয়মে..
দেয়ালে ঝোলানো,
মরচে ধরা ঘড়ি..
সময় জানাবে কীসে?
সে তো,
কেবলি অতীতের গান গায়..
বন্ধ দরজায়,
মাথা কুটে মরে..
সুখ-রাংতা মোড়ানো;
হতাশায় বাঁধা,
বুনো গাংচিল..
তবু-ও;
জানালা গলে আসে,
এক ফালি রোদ্দুর..
অগোচোরে, পড়ে থাকে..
চোখের আড়াল, ভুলে যাওয়া ক্ষণ..
গাছের ফাঁকে রোদের ঝিলিক; একলা পুকুর, সিমাহীন হাতছানি..
দুরে, অনেক দুরে..
রোদে পুড়ে যায়;
তবু বসে ঠায়,
কোন এক দাড়কাক..
একদিন, শীত আসবে..
প্রতীক্ষায়, বয়ে চলে..
রোদ-জ্বলা বিষণ্ণ দুপুর..।
[সচলায়তন,২৩-১০-১০খ্রীঃ]
লেখা জোখা - হিবি জিবি... ০১
নিজেকে একটু বিজি রাখতে লিখতে চেষ্টা করছি.. কিন্তু কি লিখবো কোন কিছুই মাথায় আসে না। তবুও একটা কিছু লিখবো বলে হাত চলে গেল কম্পিউটার এর ওয়ার্ড ফাইলে…. লিখতে গিয়ে ভাবছি এটা কি হবে?? গল্প না কবিতা না উপন্যাস না কি প্রবন্ধ ??? যাই হোক.. এটা একটা প্রচেষ্টা কিছু একটা করার…আমি এক্সটা অর্ডিনারি কোন ক্রিয়েটিভ না, যে এমন কিছু লিখতে পারবো। তবে শুরুতো করলাম.. শেয়ার ও করে দিব ফেসবুকে অথবা ব্লগে…দুখি:ত বন্ধুরা.. আমার হুদাই লেখা পড়তে হচ্ছে বলে। জীবনের ঘটনাগুলোকে কাগজে তোলার মত সাহস নাই.. পাছে আবার সত্যি বলে দেশ ছাড়া হই… আর এই দেশ আর বাবা কে ছেড়ে যাবই বা কোথায়?? বাবা না থাকলে ভাবছি রিস্ক টা নিয়েই নিব… কি বা হারানোর আছে আমার.. সম্পদ থাকলে বাঁচানোর বা রক্ষা করার প্রশ্ন আসে.. আমার সম্পদ বা সম্পত্তি কিছুই নাই.. আমার এই লেখাকে গাঁজাখুরি যাদের মনে হচ্ছে তাদেরকে আগে থেকেই ধন্যবাদ জানাই.. ( আসলে আমার নিজেরই তাই মনে হচ্ছে.. হি..হি..হি…)
Romantic কোবতে, কবিতা আর গবিতা।
একটা রোমান্টিক কোবতে লিখলাম। বাফড়া সেটার উরাধুরা বাংলা করছে, যেটাকে আমরা গবিতা বলি। আপনারা তার গবিতার রহস্য জানেন, সে কি বিরাট কামেল লোক সেইটাও জানেন। আমি আর না কই, তই তার গবিতা আমার আসল কোবতের চেয়ে অনেক বেশি ফাটাফাটি, এহন আমারটা পইড়া নিরামিশ মনে হচ্ছে। 
আর জেব্রিল সেটার একটা কাব্যিক অনুবাদ করছে, সেটা তো পুরা ফিদা করে দেওয়ার মত! আমি যদি ইরাম কাব্যি বাংলায় করতে পারতাম, তাহলে পুরা দুনিয়ার বাংলাভাষী ললনারা আমার উপর তব্দা খাইত! আহা! কি সুস্বাদু, মনে হয় খালি পড়তেই থাকি। 
প্রথমে আমারটা থাকবে, সেটা হইল গিয়া এপিটাইজার - এপিটাইজার খাইয়া কোবতের জন্য ক্ষিধে লাগলে আসল জিনিসে হাত দিবেন, সেইটা হল অন্ট্রে, জেব্রিলের লেখা। সবশেষে বাফড়ার ঝাকানাকা ডেজার্ট, ডেজার্ট খাইয়া ঢেকুর তুইলা আলহামদুলিল্লাহ কইয়া শান্ত হইয়া যাইবেন।
আমি কোবতের কোন নাম দিইনাই, কারন কবি (শেকসপিয়ার) কয়েছেন,
"What's in a name? That which we call a rose
By any other name would smell as sweet."
তো নেন, এপিটাইজার!
( "/" মানে লাইন শেষ। নতুন লাইন শুরু।)
Had literature been my realm, dear, /
ইংলিশ ভিংলিশ আর ডাচ ভাচ
খুব ছোটবেলা থেকেই আমি হার্ডকোর হিন্দী সিনেমা ভক্ত। একদম কুট্টিকালের সিনেমা জীবনই ধরতে গেলে শুরু হয়েছে ভিসিআর, ভিসিপি তারপর জিটিভি ভিটিভি সনি এলটিভি দিয়ে। এরমধ্যে জিতেন্দ্র মানে জিতুজী আর মিঠুন চক্রবর্তী ছিলেন সেই সময়ের প্রিয় নায়ক। জিতুজী নায়ক মানে নায়িকা হলো শ্রীদেবী কিংবা জয়াপ্রদা। জয়াপ্রদার মধ্যে আবার ভাল মেয়ে ভাল মেয়ে ভাব প্রবল আর শ্রীদেবীর মধ্যে একটা উইটি লুক ছিল যার ছিলাম আমি যাকে বলে ফিদা। মাওয়ালী সিনেমা এতোটাই ভাল লাগল, এতোটাই ভাল লাগল যে চান্স পেলেই রামা রামা রামা রামা রে। চান্স কি করে পাবো? গ্রামের বাড়ি থেকে কেউ এলে কিংবা এমনিতেও কেউ বেড়াতে এলে, ভিসিআর দেখতে চাইতো। দেখতে চাইলেই হলো আমি আর ভাইয়া পটিয়ে পটিয়ে মাওয়ালী আর জাষ্টিজ চৌধুরী আনাতাম। পম পম, ছোটবেলা থেকেই নাচ গানের বিশাল ভক্ত তাও যদি হয় আবার জিতুজীর। একটা সময়ের পর সেই ক্রেজ আবার মধ্যগগনে আনিল কাপুর আর মাধুরী উড়িয়ে নিয়ে গেলেন।