ইউজার লগইন
ব্লগ
ইওরোপের কোন এক খানে... (২)
ফ্রান্স নিয়া কিছু প্যাঁচাল পারি। ব্রিটেনের পরে দুনিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্য ছিল ফ্রান্সের, ১৯৬০ পর্যন্ত প্রায় পৃথিবীর ৮% এর বেশী ভূমি তাগো নিয়ন্ত্রণে ছিল। এখনো ফ্রান্স এর মোট এলাকার প্রায় ২০% ইউরোপের বাইরে অবস্থিত - নানা অঞ্চলে সেগুলি ছড়াইয়া আছে।
ফরাসিরা পরিবার ও বন্ধুদের গালে চুমু দিয়া অভিবাদন জানায়, এমনকি পুরুষদের মধ্যেও, তয় এলাকা ভেদে চুমুর সংখ্যা বাড়ে-কমে। ডুরেক্সের সার্ভেতে বছর গড়ে ফরাসিরা সব চেয়ে বেশি মিলিত হয়। আবার ফরাসিরাই দুনিয়াতে মানসিক রোগের ঔষধের বৃহত্তম ভোক্তা, সেইটা তাগো মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ। ফ্রান্সে রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে মরা মানুষের সাথে বিবাহ করাও সম্ভব!
বাংলাদেশ..
কত্ত ত্যাগের প্রাপ্তি তুমি,
স্বাধীন বাংলাদেশ..
রক্তে ভেজা সবুজ মাঝে,
বিজয় সুরের রেশ..
তোমায় নিয়ে স্বপ্ন কত,
রোজ দেখে যাই অবিরত..
দুঃখ ভোলার লগন শত,
সুখ ভরা দিন অনাগত..
তোমার লাগি প্রাণ বিলালো,
যত্ত বীরের দল..
শহীদ ওঁরা;
ওঁদের দোয়া-ই,
তোমার অসীম বল..
তোমার বুকের বাসিন্দা সব,
হাসবে যেদিন বেশ..
মিলবে সেদিন আসল বিজয়,
প্রিয় বাংলাদেশ..
[সব্বাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা..
]
আর কাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ উত্থাপন করা যাবে?
কাল উৎসবের আলো মলিন হবে না, সকালে থেকেই ব্যানারে-ফেস্টুনে-শোভাযাত্রামুখরিত ৪০তম বিজয় দিবসের উদযাপনে বিন্দুমাত্র মলিনতা থাকবে না। উৎসবের রং লাল-সবুজ, আর কাপড়ের সাথে সাথে হৃদয়ে লাল-সবুজ নিয়ে উৎসবের আমেজে বয়ে যাওয়া প্রাণে গতকাল সকালের সংবাদপত্রের বিষন্ন গল্পগুলো কোনো আদ্রতা আনবে না। বিভিন্ন মাপের-ছাটের ক্রোরপত্র, বিভিন্ন প্রবীন নবীন বুদ্ধিজীবীদের ভাবনার বুদ্বুদ আর বুদ্ধিজীবীয় আক্ষেপের ভার বহন করবে বাংলা বর্ণমালার ৫০টি অক্ষর।
আজও হেঁটে যাই সবুজের পথ ধরে, লাল সূর্য্যের দিকে।
পূর্বাচলে আজ উদিত যে-সূর্য, প্রতিদিনের হয়েও সে প্রতিদিনের নয়; তার রক্তিমতায় ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আমাদের মনে পড়বে; আকাশ যে-কোমলতায় আজ উদ্ভাসিত, একাত্তরের সম্ভ্রমহারা ১০ লাখ মা-বোন-জায়ার ক্রন্দন ধোয়া সে-উদ্ভাস; ভোরের যে-রাঙা আলোটি আজ স্পর্শ করেছে ভূমি, স্বদেশের সেই পবিত্র ভূমি ভিজে আছে বঙ্গবন্ধুর রক্তে, আর সেই রক্তস্রোতে মিশে আছে জাতীয় ৪ নেতা তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান ও মনসুর আলীর উষ্ণ শোণিত। দেন দরবার নয়, কারও দয়ার দানে নয়, সাগর-সমান রক্তের দামে বাংলাদেশ অর্জন করেছে স্বাধীনতা, রক্ত-সাগর পেরিয়ে বাঙালি জাতি পৌঁছেছে তার বিজয়ের সোনালি তোরণে।
তবু ওরা বাঁচতে চায়
ক্ষুধা রোগে শোকে যন্ত্রনা বুকে
অনাহারি কেঁদে মরে ধুকে ধুকে ।
দীনতার সাথে লড়ে যায় অসহায় -
তবু ওরা বাঁচতে চায় ।
সারাটা জীবন খেটে মরে তবু
কাটেনা দুঃখদুর্দশা কভু ।
রক্তপিয়াসী তবু খুন শুষে যায় ,
তবু ওরা বাঁচতে চায় ।
সাগরের নির্মম দেও দানা
বেদনার বালুচরে দেয় হানা ,
সব গ্রাস করে অভিশাপ রেখে যায় -
তবু ওরা বাঁচতে চায় ।
হাহাকারময় মনে সংশয় ।
বিধাতারে স্মরে ব্যাথা পরাজয়
সব ভুলে গিয়ে বুক বাঁধে আশায় -
তবু ওরা বাঁচতে চায় ।
আমি হয়তো দেশপ্রেমিক নই!
বছর ঘুরে আবার একটা দিন আসছে । ১৬ ই ডিসেম্বর ।
আমার কাছে এ দিনটা আর দশটা সাধারণ দিনের মতোই। সবাই কেনো জানি এই দিনটাকে বিজয় দিবস বলে। কিন্তু আমি বিজয়ের গন্ধ কোথাও খুঁজে পাইনা।
২৫ শে মার্চের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের পর ২৬ শে মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ২৭ শে মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র হতে জিয়াউর রাহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা । অতঃপর যুদ্ধ এবং ১৬ই ডিসেম্বর আমাদের স্বাধীনতা । আমার কাছে এই হলো স্বাধীনতার ইতিহাস ।
আমি বিজয়ের গুরুত্ব বুঝিনা। বুঝবোই বা কি করে?
১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭১
এদিনে মার্কিন ৭ম নৌবহরকে মোকাবিলা করবার জন্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ভারতীয় নৌবাহিনীর সমর্থনে সোভিয়েত রণতরীর ২০টি জাহাজ ভারত মহাসাগরে অবস্থান গ্রহণ করে। এরপর মার্কিন রণতরী ৭ম নৌবহর যুদ্ধে অংশ নেয়া থেকে নিজেদের গুটিয়ে ফেলে। পাকিস্তানের মনে যুদ্ধে সাহায্য পাবার যেটুকু আশা ছিল সেটাও এর সাথে শেষ হয়ে যায়।এদিকে,দেশের অধিকাংশ রণাঙ্গনে চলছিল মুক্তিকামী জনতার বিজয়োল্লাস। অসংখ্য নদীনালা, খালবিলসহ নানা প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে ইতোমধ্যে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী চারদিক থেকে ঘেরাও করে ফেলায় অবরুদ্ধ ঢাকা কার্যত অচল হয়ে পড়ে। ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ক্রমাগতভাবে ভারতীয় মিগের একের পর এক বোমাবর্ষণ ও স্থল পথে মিত্রবাহিনীর আর্টিলারি আক্রমণে দখলদার বাহিনীতে চরম বিপর্যয় নেমে আসে।
বারিধারা - (ছোট গল্পের অপচেষ্টা)
ভোরের আলো ফুটবার আগে থেকেই বৃষ্টি টা আরম্ভ হয়েছে। জানালা দিয়ে বৃষ্টির ফোঁটা ঢুকতেই অয়নের ঘুম ভাঙ্গে। এর আগে মেঘ ডাকার শব্দে কয়েকবার ঘুম ভেঙ্গেছিল তাঁর । গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির ছিটা বাতাসের সাথে সাথে জানালা দিয়ে ঢুকছে। মাথার কাছের জানালার গ্রীলের ফাঁক গলে সেই বৃষ্টির ফোঁটা এসে ছুঁয়ে যাচ্ছে বিছানার চাদর , বালিশ , অয়নের ঘুম কাতুরে মুখ।
মেঘেদের জ্যামে আটকে গিয়েছিল সূর্যের আলোর পথ। ঝির ঝির করে বৃষ্টি প্রথমে আলপনা আঁকে গাছের ধূলা মাখা পাতায়, আলপনা আঁকে জানালার কাঁচে, কংক্রীটের শুকনো দেয়ালে। বেলা বাড়ে , সাথে সাথে বাড়ে আকাশে মেঘের ব্যস্ততা , বাড়ে বৃষ্টির ঝংকার। এক সময় বৃষ্টির হুংকারে স্তব্ধ হয়ে যায় অন্য সব জাগতিক শব্দ।
অনেকক্ষন বিছানায় গড়াগড়ি দিয়ে উঠে বসে অয়ন, মা'র ডাকে।
এই ঘোর বর্ষায়ও মা'র বিরাম নেই - উঠতে উঠতে ভাবে অয়ন। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে ১০ টা বেজে ৩০।
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ৪
আমরা এখনো কেউ কারো নই
তাই কথা না বলে চুপচাপ সময় কাটাতে পারি না একদমই।
আমার চলে যাওয়ার পরেও যে পাঁচ-ছ’ বছর তুমি একলা থাকবে,
আমি জানি তখন আমরা একে অপরের কিছু একটা হয়ে উঠবো।
---
এ বিজয়ের উৎসবকে আমি ঘৃনা করি
বাংলাদেশে খুব ঘটা করে চল্লিশ বছরের বিজয় দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। টিভিতে, ফেসবুকে, ব্লগে, পত্রিকায় দেশপ্রেমের ঘনঘটার বাহার, মৌসুমী দেশপ্রেম আর বিজয়ের উল্লাসে মাতাল সুশীল সমাজ। কিন্তু আসলে “বিজয়” মানে কি? এক টুকরো ভূমিকে নিজের অধিকারে রেখে তাতে যা খুশি তাই করা? নাকি সেই ভূমিতে বসবাসকারি মানুষদের জীবনধারনের জন্যে সাধারণ নিম্নতম চাহিদাগুলোকে মিটানোর দায়িত্ব কাধে নেয়া? তাই যদি হয় তাহলে কি আমাদের বিজয় অর্জিত হয়েছে আজো? আর যদি আমরা সেই লক্ষ্যমাত্রায় না পৌঁছে থাকি তাহলে কিসের এই আনন্দ উৎসব? চল্লিশ কেন, চারশ বছরেই কেন উৎসব করতে হবে? যেই বিজয় নেই, তার আবার উৎসব কিসের? অনেক সময় গুরুজনেরা আফশোস করে বলেই ফেলেন, এর থেকে পাকিস্তান আমলই অনেক ভালো ছিল। এতো চোর ডাকাত ছিল না, শান্তিতে রাস্তাঘাটে চলতে পারতাম, ইত্যাদি। এই কি শেষ অব্ধি আমাদের বিজয়ের উপলব্ধি? এই নিরাশা, হতাশা, ক্রনিক মনোবেদনা?
নতুন মুখ
অভিশপ্ত রাতের আঁধার ঘুচেছে নিরালায় ।
তুমি এখনো ঘুমিয়ে আছো ?
দেখ , বুকের রক্তে ফুটে উঠেছে নতুন ভোরের সূর্য ।
শোনো , পাখির কন্ঠে বেজে ওঠে দুঃসাহসী গান ।
এত জ্বালা সয়ে যে আশা হৃদয়ে করেছ লালন -
কোনো কালে কি তা হবেনা পূরণ ?
বিভোর রয়েছ দিন বদলের স্বপ্নে ,
অথচ আজো তুমি নিষ্ক্রিয় ! তুমি সুপ্ত !
থেকোনা থেকোনা , ঘুমিয়ে আর থেকোনা ।
জেগে ওঠো আজ চার দেয়ালের বাধন ভেঙে ।
এইতো সময় , কখনো কি আর আসবে ফিরে ?
সময়ের ডাকে দাও নির্ভীক সাড়া ,
খুলে দাও যত বহুরূপীদের মুখোশ ।
নতুন মুখের সৃষ্টির ভার তোমারই ওপর ন্যস্ত ।
NOW
WAR CRIMES and CRIME AGAINST HUMANITY are not same things.
What ALBADAR, AL-SHAMS and their filthy Brother-Concerns did throughout 1971 were not only WAR CRIME but also "CRIMES AGAINST HUMANITY".
WE NEED JUSTICE against those bustards who killed HUMANITY.
We need it ...NOW.
অন্ধকারের বুকের ভেতর
আপনার নাম অবর্ণা কেন?
প্রশ্নটা শুনে অবর্ণা থতমত খায়। রাত বারোটার সময় ফোন করে, ঘুম থেকে জাগিয়ে এমন প্রশ্ন করে কেউ? মেজাজ খিঁচে যায় অবর্ণার। বিড়বিড় করে সে বলে, অপদার্থ।
কী বললেন?
যা বলার বলেছি।
আপনি আমাকে অপদার্থ বলেছেন। এটা কি ঠিক হলো?
শুনেই যখন ফেলেছেন তখন আর বেঠিক বলি কীভাবে?
দুইভাবে বেঠিক। এক-আপনার তিন বছরের সিনিয়র কাউকে আপনি এটা বলতে পারেন না। দুই-বিজ্ঞানের ছাত্রী হিসেবে আপনি নিশ্চয়ই পদার্থ আর অপদার্থের পার্থক্যটুকু বোঝেন?
ও আচ্ছা আচ্ছা। ওভাবে দেখলে আমি দুঃখিত।
আমিও দুঃখিত এত রাতে আপনাকে বিরক্ত করার জন্য।
ঠিক আছে। খোদা হাফেজ।
না না। আগে প্রশ্নটার উত্তর দিন।
ওটা জানতে হলে আপনাকে মরতে হবে।
মানে?
অসমাপ্ত এক কবিতা
আমি আমার মতো করে একটি পৃথিবী সাজাতে চাই
কিন্ত পারি না।
সেখানে অনিয়মের বেড়াজালে আটকে যেতে হয়।
স্বাধীন হয়েছি আজ থেকে চল্লিশ বছর আগে।
তবুও কেন যেন নিজেকে বন্দি লাগে।
কেন জোর করে চিৎকার করতে পারি না।
গলা ছেড়ে গাইতে পারিনা।
অসমাপ্ত এক কবিতা
যাপিত জীবনের গল্প - ১
শীতকাল !!!
শীতকালটা যখনি আসে , তখনি একা বসবাস করার বড় লোভ হয় । শীতের সকালে কম্বলের উষ্ণতার কোমল আদরে জড়িয়ে থাকা ঘুম ছেড়ে কি উঠতে ইচ্ছে করে?
অতুলনীয় সে ঘুম।
আমি বরাবরই Early Riser. কিন্তু শীতকাল আমাকে অলস বানিয়ে ছাড়ে। আর বানাবেই না কেনো!
চারিদিকে ইট পাথরে ঘেরা এই ঢাকা শহরে সকালের সুর্যোদয় দেখার অবকাশ নেই। নেই সকালের মিঠে রোদে রোদ পোহানোর সুযোগ । তারচেয়েও বড় কথা শীতের সকালে চুলার পাশে বসে মায়ের হাতের তৈরী ভাপ উঠা গরম ভাপাপিঠা খাবার তাড়াও নেই এখানে । কিছুই যখন নেই তাহলে আর কিসের লোভে ঘুম থেকে উঠবো?