ইউজার লগইন
ব্লগ
বাঙ্গালীর জাতীয় প্রার্থণা
- ' আমাগো শেখ মজিব আইলে বেবাক ঠিক হ’য়া যাইব’ ! ফুটপাত ধরে হাঁটছিলাম, কচি কন্ঠের কথা ক’টি কানে এলো । দাঁড়ালাম । অপর্ণা চরণ গার্ল স্কুলের (নন্দন কানন) অপজিটে যেখানে এখন ইলেক্ট্রিক মার্কেটটি গড়ে উঠেছে, সেখানটা তখনো খালি । প্রকান্ড কড়াই গাছ ক’টি চার দিকে ডাল পালা মেলে দাঁড়িয়ে । ১ জানুয়ারী ’৭২ এর সকাল । হাড় কাঁপানো শীত । নব বর্ষের সোনা রোদ তখনো কোর্ট হিলের ওপারে আটকে আছে, এপাশে তার উষ্ণ সোনালী ছোঁয়া পৌঁছায়নি । ৮ / ১০ বছরের দু’টি বালক তখনো যাদের নাম পথকলি বা টোকাই হয়নি, কুড়িয়ে পাওয়া কাগজ, ঝড়া পাতা আর ছোট ছোট শুকনো ডালপালা দিয়ে আগুন জ্বেলে শীত তাড়াবার প্রাণান্ত চেষ্টা করছে । কাছে গেলাম । আগুনের দিকে হাত মেলে দিতে দিতে বল্লাম, ‘খুব শীত ! তাইনা’ ? ওরা এ ওর প্রতি তাকাল । তারপর আলতো মাথা দোলালো, যেন এ আপদ আবার কোত্থেকে !
দেখলাম ২০১২ নামলেন আমাদের শ্যামলীতে
শ্যামলী এলাকার যেই প্রান্তে থাকতেছি সেইখানে হৈ-হল্লা চলতেছে। মহল্লার ছেলেরা রাস্তায় মরিচ বাতিতে আগুন দিয়া ছোটাছুটি করতেছে, বেশ শবেবরাত-শবেবরাত আমেজ। তাদের সাথে এলাকার রিকসাওয়ালা-দিনমজুর শ্রেণীর সমবয়সী কিছু তরুণও হাততালি ফাইফরমাসে ব্যস্ত। অ্যালকোহলের শ্লথ ভাবটা টের পাওয়া যায় ছেলেদের দৌড়াদৌড়িতে। বেশ ট্রান্সকালচারাল ব্যাপার-স্যাপার। বারান্দায় দাঁড়াইয়া মানুষের ভেতরকার প্রাণের ছটা দেখি। দূরে অন্য কোনো উৎসবে বাজী ফুটলো বেশ কয়েকটা। পথের জমায়েত বাড়তেছে ধীরে ধীরে। যদিও কোনো নারীর উপস্থিতি নাই সেইখানে। তারা আছে জানালায় আর বারান্দার গ্রীলে। মানুষের উত্তেজনায় ঈর্ষান্বিত হইয়া ঘরে ঢুকি। ধারাবিবরণী লিখতে লিখতে খেয়াল হয় শব্দহীন হইছে চারপাশ। বুঝতে পারি সবার চোখ আর মনযোগ ঘড়ির কাঁটার সাথে টিক টিক। ডিজিটাল ঘড়িতে যেনো বোধি আছে। শব্দহীনতার শব্দ টের পাওয়া যায়।
এসব দেখি কবির হাট-বাজার
কখনো কখনো কবিতা লেখার চেষ্টা আমার বদঅভ্যাসগুলোর মধ্যে একটি। আবার কখনো বা গল্পও লিখতে চেষ্টা করি। তবে নিজেকে কখনো কবি বা গল্পকার হিসেবে দাবি করার মত কলিজা যে আমার নেই তা আমি অকপটেই সবসময় সবার কাছে স্বীকার করি। কখনো কখনো কেউ কেউ আমাকে বারবার প্ররোচিত করেছে, কেন একটা বই বের করছি না। তাদেরকে কিভাবে বলি আমি আসলে দুর্বল মনের মানুষ। ওটার কথা ভাবতে আমার সাহস হয় না। হাজার হাজার লেখকের মূল্যবান বইয়ের ফাঁকে আমার কায়া সাদৃশ্য একটি বই পাঠক বিনা অথর্ব অপেক্ষা করে রয়েছে যুগের পর যুগ। কিংবা কোন এক নিভৃত কোণে তা চমৎকার ব্যাবস্থা করেছে উই-ইঁদুরের অন্নসংস্থানের, এ কথা মনে হলেই আমার কলজে শুকিয়ে আসে। ল্যাংড়া, বোবা, কালা যাই হোক সমাজের সবার কাছে তা বোঝার মত হলেও সন্তানটি কিন্তু জন্মদাতার প্রিয়ই থাকে। তার সামাণ্য অবহেলা জন্মদাতার বুকের মধ্যে শেলের মত বিঁধে। এছাড়া প্রমথ চৌধুরী বলেছিলেন “মুদ্রণ যন্ত্র সহজ লভ্য হওয়
গল্প: অ্যাম্ফিটামাইন এবং ঝাকড়া চুলের মেয়েটি
১.
ইয়াবা একটা থাই শব্দ। যার অর্থ হচ্ছে পাগলা ওষুধ। হৃদয় কবে এই পাগলা ওষুধ প্রথম নিয়েছিলো, সেটা ওর স্পষ্ট মনে আছে। যদিও মুহসীন হলের অনেক রুমেই ইয়াবা নেয়া হয়। তবে হৃদয়রা জিনিসটা একটু এড়িয়েই চলতো প্রথম প্রথম।
বর্ষশেষের হাবিজাবি
লেখকের গল্প আর পরিচালকের ছবি:
নৌকাডুবি সিনেমাটা দেখতে দেখতে মনে হল এই নৌকাডুবি টা আসলে রবীন্দ্রনাথের নৌকাডুবি না এটা ঋতুপর্নের নৌকাডুবি, রাবিন্দ্রিক আবহে রবীন্দ্রনাথের চরিত্রগুলো দিয়ে রবীন্দ্রনাথের গল্প দিয়েই ঋতুপর্ণ তার গল্প বলেছেন অন্য একটা ছবি একেছেন।। রবীন্দ্রনাথের কমলার মতন ঋতুপর্নের কমলা শুধু দ্বিধাহীন ভাবে স্বামি নামক টেমপ্লেট কে ভালোবাসতে পারলো না বরং যে রমেশ কে নলীনাক্ষ ভেবে ভালোবেসেছিলো আসল নলীনাক্ষকে পেয়েও রমেশের জন্য দূর্বলতা নিয়ে আসল নকলের দ্বিধায় আমার আরো বেশি আপন হল মনে হলো এমনি তো হওয়া উচিৎ। মন তো শুধু সাদা কালো নয় মনের হিসেবে বরং ধুসর জায়াগাটাই বেশি থাকে। তবে গল্পের রমেশের দ্বিধা, রমেশের মনে একবার হেমনলিনী একবার কমলার আসা যাওয়াটা ঋতুপর্ন মুছে দিলো বরং কমলার প্রতি সবটুকুনি আবেগহীন কর্তব্য কেন দেখাল বুঝলাম না (স্বজন থুক্কু স্বজাতিপ্রীতি নাকি?)।
হিজিবিজবিজবিজ :::জাম্বাক:::
ছুটু আছিলাম, সেই সুমায়ের কতাবার্তা ইত্যাদি মনে আইলে বেশ দুক্কুদুক্কু এট্টা আনন্দের ভাব আসে মনের ভিত্রে। আহারে কত্তকি যে হারায়া ফেলছি, আবার সেই সুমায়ের হাসিখুশীআনন্দ। আহা আহা কি মজার শৈশব
এক্কেরে শিশুকালে আছিলো একখান মজার অষুদ। নাম তার জাম্বাক। জুতার কালির টিনের সাইজের একটা টিনে পাওয়া যাইতো। সবুজ রঙের আছিলো টিনটা। ভিত্রের অষুদের কালারো ছিলো ঘন সবুজ। আর কি মিস্টি ঝাঁঝালো একটা গন্ধ যে আছিলো। আমার এত ভালোবাসা আছিলো যে একবার পাউরুটির উপ্রে মাখাইয়া নিছিলাম খামু বইলা। মায়ে দেইখা থাব্রা দিয়া পাউরুটি কাইড়া নিছিলো।
সেদিন কি মনে কইরা জানি নেটে সার্চ মার্ছি জাম্বাক কইয়া। খাইছে! এই জিনিস দেখি অখনো রৈয়া গেছে। চেহারা সুরত চেঞ্জ হইছে মাগার অহনো টিক্কা রৈছে দেইখা মনে হাল্কিশ ভরসা পাইছি। যারা জাম্বাকের নাম শুঞ্ছেন মগর দেখেন্নাই তাগো লাইগা ফটুক আমদানী দিলাম।
পুরান জাম্বাক
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ১০
পৃথিবী তুমি আমায় নির্বাণ দাও
অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছে, প্লীজ
আমি পরিত্রাণ চাই।
এর বিনিময়ে তুমি চাইলে কেড়ে নিতে পারো
একটি মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার।
আমি কিংবা আর কেউ তাতে কিছু মনে করবে না।
শুধু দু'একজন সর্বংসহা হয়তো তোমার মতো করেই কাঁদবে,
যেভাবে কেঁদে কেঁদে তুমি নিজের নির্বাণ খুঁজে ফেরো।
---
ম্যাডোনা
হাসিগুলো সামলে রেখো ম্যাডোনা
ঝট করে হেসে ফেলো না ওর মত
আশ্চর্য ভালোবাসার ডালে সে রেখেছিলো মৌচাক
অবশেষে সব খেয়ে গেছে বাতাসের মৌমাছি।
অবশ্য তার মত কখনোই হাসতে পারবে না তুমি
ভেবে দেখো-পূর্ণিমা বা রোদ্দুর
দুটো কি এক হয় কখনো?
তাই টক-ঝাল কামের ট্যাটু যতই আঁক ঠোঁটে
জেনে রেখো, তোমার চেয়ে ওর হাসিই
আমার প্রিয় ডিনার।
(c)MNI, 30.12.11}
চলমান প্যাচাল: হায়রে কলম্বাস........
১। গত সপ্তাহ থেকে জোরে শোরে ক্রিসমাস আর নিউ ইয়ারের ছুটি শুরু হয়েছে। দিনের বেলা রাস্তা-ঘাট ফাকা। বিকাল থেকে শুরু হয় গাড়ির আনোগোনা। এর মধ্যে বক্সিং ডে সেল হয়ে গেলো মার্কেট গুলোতে। পাবলিক, হায়রে পাবলিক... পাগলের মত সকাল থেকে বড় সড় স্টোর গুলির সামনে ভিড় করে দাড়িয়েছিলো, ন'টায় গেট খুলতেই হুড়মুড় করে ঢুকে গেলো, তার ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেলো আনাচে কানাচে।
স্পন্জের মানুষ ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ঘুম কাঁদে বিশ্রামে কাম-ক্লেশে নীরব
ভয় পেয়োনা কাঁদতে,জনারণ্যের কোলাহল
কমলাপুর ষ্টেশানে পান্তার আড়ৎ
দাঁত কটমট জিজ্ঞাসা?
পান্তায় লবন নাই?
কিছু লেখা লিখতে গিয়ে আমি থেমে যাই । লিখতে পারিনা স্পন্জের মানুষেদের দিকে চেয়ে
তার পরেও এরাই সত্যিকারের মানুষ, যাদের কোন চাওয়া পাওয়া নাই
ব্লগরব্লগর
দারিদ্র অবস্থাটারে আমার বেশ রহস্যময় লাগে। এক্কেবারে শীতের কুয়াশার মতোন। ঘন কুয়াশার দেয়াল ভেদ কইরা মাঝে সাঝেই কিছু দেখা যায় না, এরম সময় মনে হয় কুয়াশার ঐপারে যাওনটা অসম্ভব! কিন্তু বাস্তবতাটাও কিন্তু স্মরণে থাকে...কুয়াশার দেয়াল আসলে দেয়ালই না; এইটারে আস্তরণ বলা যাইতে পারে। যার মধ্যে মায়াবী একরম ব্যাপার আছে। একটা নির্দিষ্ট নিয়ম মাইনা সে আসলে ঘিরা রাখে মানুষরে.
কিমিত ক্রমান্বয়
ইব্রাহিমের সামনে ধিরে ধিরে ঘুমের ঘোর পাতলা হতে লাগলো। তার মনে হলো এখনো শরীরে চরম আলস্য লেগে রয়েছে। সে আবার চোখ বন্ধ করে। মনে হয় এই অতলান্তিক অন্ধকারটায় যেন ভাসছে, আর ভাসছে। আবার চোখ খোলে ইব্রাহিম। এই ঘরটার একটা মাত্র জানালা। সেখানে ঝুলছে ভারি কালো রংয়ের পর্দা। বাইরে সবে মাত্র অন্ধকার ধরে এসেছে। আলোর আভাস মিলিয়ে যায় নি এখনো। এখানে ওখানে নানান জিনিষের বিভিন্ন আকারের ছায়া। ইব্রাহিম শুয়ে শুয়ে সেসব ছায়া দেখতে থাকে। ঘরের পাতলা অন্ধকারকে স্পর্শ করে সে। ছায়াগুলো নরম, পাতলা, তুলতুলে কোনটা আবার ককর্শ। ঘরে কোন বাতি নেই। ইব্রাহিম উজ্বল আলো সইতে পারে না। তার কালো কিংবা অন্ধকার ভালো লাগে। সে অন্ধকারে নিজেকে নিরাপদ ভাবে। উজ্বল আলো দৃষ্টিসীমায় আলোর বন্যা আনে। ইব্রাহিমের ভালো লাগে না তা। সে তার বাক্স ভর্তি করে অন্ধকার জমিয়ে রাখে। কত মানুষ কত ধরনের শখের কারবার করে । ইব্রাহিমের শখ অন্ধকার। সে স্বযতনে অন্ধকার
আজ এই দিন
এই শীতটা খুব ভালো, আত্মহত্যার উপযুক্ত সময়
খুব একটা কুয়াশা নেই
অথচ সকালে ঘাসের মাথায় শিশির জমে ঠিকই।
অতিথিরা এখনো আসেনি
জলে ডুব দেয়নি মাছের আশায়
আবেগের মত, প্রেমের মত
স্বেচ্ছাচারী উষ্ণতারা এখনো বিদায় নেয়নি
বুকের বাতাস থেকে।
এখনো পথে আগুন জ্বালায়নি কেউ
বাড়তি ঊমের আশায় হাত সেঁকে নেয়নি
এখনো কোন পুরাতন।
তাই আজ সন্ধ্যায় যদি
ওই পথে পড়ে থাকে বকুলের ফুল
একটা একটা করে কুড়িয়ে নেবো পেেকটে
আর নাতিশীতোষ্ণ চাঁদের দিকে তাকিয়ে বলবো
হাতের কাছে এখনা পড়ে আছে অনুভবের সুর, দেখো
আজ তোমার আত্মঘাতি হবার শ্রেষ্ঠ কাল।
{(c)MNI ২৯.১২.১১}
সংশয়যুক্ত অভিনন্দন!
এ সপ্তাহে দু-দুটো গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হলো। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর পড়ালেখা শেষ করার পর শিক্ষার্থীদেরকে যথাক্রমে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) বা জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। দুটো পরীক্ষাই তুলনামূলকভাবে নতুন হলেও সেগুলো যথেষ্ট সাড়া জাগিয়েছে। বিশেষত এসএসসি কিংবা এইচএসসি পরীক্ষার আদলে অনুষ্ঠিত হওয়া এই নতুন পাবলিক পরীক্ষাগুলো শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের কাছে সমাদৃত হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। এবার প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় পাশের হার ৯৭ শতাংশ (এবতেদায়ীতে ৯১ শতাংশ) এবং জেএসসি/জেডিসিতে ৮৩ শতাংশ ছাড়িয়েছে। শিক্ষার্থীদের এই পাশের হার যথেষ্টই আশাপ্রদ এবং তারা যদি এ ধরনের ফলাফল ভবিষ্যতে ধরে রাখতে পারে, তাহলে তা দেশের জন্যই মঙ্গলজনক হবে। যে সমস্ত শিক্ষার্থী এবারের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এবং জেএসসি/জেডিসিতে উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের