ইউজার লগইন
ব্লগ
হিজিবিজবিজবিজ :::জাম্বাক:::
ছুটু আছিলাম, সেই সুমায়ের কতাবার্তা ইত্যাদি মনে আইলে বেশ দুক্কুদুক্কু এট্টা আনন্দের ভাব আসে মনের ভিত্রে। আহারে কত্তকি যে হারায়া ফেলছি, আবার সেই সুমায়ের হাসিখুশীআনন্দ। আহা আহা কি মজার শৈশব
এক্কেরে শিশুকালে আছিলো একখান মজার অষুদ। নাম তার জাম্বাক। জুতার কালির টিনের সাইজের একটা টিনে পাওয়া যাইতো। সবুজ রঙের আছিলো টিনটা। ভিত্রের অষুদের কালারো ছিলো ঘন সবুজ। আর কি মিস্টি ঝাঁঝালো একটা গন্ধ যে আছিলো। আমার এত ভালোবাসা আছিলো যে একবার পাউরুটির উপ্রে মাখাইয়া নিছিলাম খামু বইলা। মায়ে দেইখা থাব্রা দিয়া পাউরুটি কাইড়া নিছিলো।
সেদিন কি মনে কইরা জানি নেটে সার্চ মার্ছি জাম্বাক কইয়া। খাইছে! এই জিনিস দেখি অখনো রৈয়া গেছে। চেহারা সুরত চেঞ্জ হইছে মাগার অহনো টিক্কা রৈছে দেইখা মনে হাল্কিশ ভরসা পাইছি। যারা জাম্বাকের নাম শুঞ্ছেন মগর দেখেন্নাই তাগো লাইগা ফটুক আমদানী দিলাম।
পুরান জাম্বাক
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ১০
পৃথিবী তুমি আমায় নির্বাণ দাও
অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছে, প্লীজ
আমি পরিত্রাণ চাই।
এর বিনিময়ে তুমি চাইলে কেড়ে নিতে পারো
একটি মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার।
আমি কিংবা আর কেউ তাতে কিছু মনে করবে না।
শুধু দু'একজন সর্বংসহা হয়তো তোমার মতো করেই কাঁদবে,
যেভাবে কেঁদে কেঁদে তুমি নিজের নির্বাণ খুঁজে ফেরো।
---
ম্যাডোনা
হাসিগুলো সামলে রেখো ম্যাডোনা
ঝট করে হেসে ফেলো না ওর মত
আশ্চর্য ভালোবাসার ডালে সে রেখেছিলো মৌচাক
অবশেষে সব খেয়ে গেছে বাতাসের মৌমাছি।
অবশ্য তার মত কখনোই হাসতে পারবে না তুমি
ভেবে দেখো-পূর্ণিমা বা রোদ্দুর
দুটো কি এক হয় কখনো?
তাই টক-ঝাল কামের ট্যাটু যতই আঁক ঠোঁটে
জেনে রেখো, তোমার চেয়ে ওর হাসিই
আমার প্রিয় ডিনার।
(c)MNI, 30.12.11}
চলমান প্যাচাল: হায়রে কলম্বাস........
১। গত সপ্তাহ থেকে জোরে শোরে ক্রিসমাস আর নিউ ইয়ারের ছুটি শুরু হয়েছে। দিনের বেলা রাস্তা-ঘাট ফাকা। বিকাল থেকে শুরু হয় গাড়ির আনোগোনা। এর মধ্যে বক্সিং ডে সেল হয়ে গেলো মার্কেট গুলোতে। পাবলিক, হায়রে পাবলিক... পাগলের মত সকাল থেকে বড় সড় স্টোর গুলির সামনে ভিড় করে দাড়িয়েছিলো, ন'টায় গেট খুলতেই হুড়মুড় করে ঢুকে গেলো, তার ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেলো আনাচে কানাচে।
স্পন্জের মানুষ ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ঘুম কাঁদে বিশ্রামে কাম-ক্লেশে নীরব
ভয় পেয়োনা কাঁদতে,জনারণ্যের কোলাহল
কমলাপুর ষ্টেশানে পান্তার আড়ৎ
দাঁত কটমট জিজ্ঞাসা?
পান্তায় লবন নাই?
কিছু লেখা লিখতে গিয়ে আমি থেমে যাই । লিখতে পারিনা স্পন্জের মানুষেদের দিকে চেয়ে
তার পরেও এরাই সত্যিকারের মানুষ, যাদের কোন চাওয়া পাওয়া নাই
ব্লগরব্লগর
দারিদ্র অবস্থাটারে আমার বেশ রহস্যময় লাগে। এক্কেবারে শীতের কুয়াশার মতোন। ঘন কুয়াশার দেয়াল ভেদ কইরা মাঝে সাঝেই কিছু দেখা যায় না, এরম সময় মনে হয় কুয়াশার ঐপারে যাওনটা অসম্ভব! কিন্তু বাস্তবতাটাও কিন্তু স্মরণে থাকে...কুয়াশার দেয়াল আসলে দেয়ালই না; এইটারে আস্তরণ বলা যাইতে পারে। যার মধ্যে মায়াবী একরম ব্যাপার আছে। একটা নির্দিষ্ট নিয়ম মাইনা সে আসলে ঘিরা রাখে মানুষরে.
কিমিত ক্রমান্বয়
ইব্রাহিমের সামনে ধিরে ধিরে ঘুমের ঘোর পাতলা হতে লাগলো। তার মনে হলো এখনো শরীরে চরম আলস্য লেগে রয়েছে। সে আবার চোখ বন্ধ করে। মনে হয় এই অতলান্তিক অন্ধকারটায় যেন ভাসছে, আর ভাসছে। আবার চোখ খোলে ইব্রাহিম। এই ঘরটার একটা মাত্র জানালা। সেখানে ঝুলছে ভারি কালো রংয়ের পর্দা। বাইরে সবে মাত্র অন্ধকার ধরে এসেছে। আলোর আভাস মিলিয়ে যায় নি এখনো। এখানে ওখানে নানান জিনিষের বিভিন্ন আকারের ছায়া। ইব্রাহিম শুয়ে শুয়ে সেসব ছায়া দেখতে থাকে। ঘরের পাতলা অন্ধকারকে স্পর্শ করে সে। ছায়াগুলো নরম, পাতলা, তুলতুলে কোনটা আবার ককর্শ। ঘরে কোন বাতি নেই। ইব্রাহিম উজ্বল আলো সইতে পারে না। তার কালো কিংবা অন্ধকার ভালো লাগে। সে অন্ধকারে নিজেকে নিরাপদ ভাবে। উজ্বল আলো দৃষ্টিসীমায় আলোর বন্যা আনে। ইব্রাহিমের ভালো লাগে না তা। সে তার বাক্স ভর্তি করে অন্ধকার জমিয়ে রাখে। কত মানুষ কত ধরনের শখের কারবার করে । ইব্রাহিমের শখ অন্ধকার। সে স্বযতনে অন্ধকার
আজ এই দিন
এই শীতটা খুব ভালো, আত্মহত্যার উপযুক্ত সময়
খুব একটা কুয়াশা নেই
অথচ সকালে ঘাসের মাথায় শিশির জমে ঠিকই।
অতিথিরা এখনো আসেনি
জলে ডুব দেয়নি মাছের আশায়
আবেগের মত, প্রেমের মত
স্বেচ্ছাচারী উষ্ণতারা এখনো বিদায় নেয়নি
বুকের বাতাস থেকে।
এখনো পথে আগুন জ্বালায়নি কেউ
বাড়তি ঊমের আশায় হাত সেঁকে নেয়নি
এখনো কোন পুরাতন।
তাই আজ সন্ধ্যায় যদি
ওই পথে পড়ে থাকে বকুলের ফুল
একটা একটা করে কুড়িয়ে নেবো পেেকটে
আর নাতিশীতোষ্ণ চাঁদের দিকে তাকিয়ে বলবো
হাতের কাছে এখনা পড়ে আছে অনুভবের সুর, দেখো
আজ তোমার আত্মঘাতি হবার শ্রেষ্ঠ কাল।
{(c)MNI ২৯.১২.১১}
সংশয়যুক্ত অভিনন্দন!
এ সপ্তাহে দু-দুটো গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হলো। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর পড়ালেখা শেষ করার পর শিক্ষার্থীদেরকে যথাক্রমে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) বা জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। দুটো পরীক্ষাই তুলনামূলকভাবে নতুন হলেও সেগুলো যথেষ্ট সাড়া জাগিয়েছে। বিশেষত এসএসসি কিংবা এইচএসসি পরীক্ষার আদলে অনুষ্ঠিত হওয়া এই নতুন পাবলিক পরীক্ষাগুলো শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের কাছে সমাদৃত হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। এবার প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় পাশের হার ৯৭ শতাংশ (এবতেদায়ীতে ৯১ শতাংশ) এবং জেএসসি/জেডিসিতে ৮৩ শতাংশ ছাড়িয়েছে। শিক্ষার্থীদের এই পাশের হার যথেষ্টই আশাপ্রদ এবং তারা যদি এ ধরনের ফলাফল ভবিষ্যতে ধরে রাখতে পারে, তাহলে তা দেশের জন্যই মঙ্গলজনক হবে। যে সমস্ত শিক্ষার্থী এবারের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এবং জেএসসি/জেডিসিতে উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের
৯০ দশকের বিটিভি পর্দার বিজ্ঞাপনো-পিডিয়া
যেখানে আছে ফুল , সুগন্ধ সেখানেই
স্কুল থাকলে , হোমওয়ার্ক থাকবেই
ড্রামের তালে আছে ছন্দের খেলা
যেখানে আনন্দ , সেখানে কোকা-কোলা
কোকা-কোলা
আকাশে তারা জ্বলবে পাখিরা গাইবেই
সবার জীবনে তৃষ্ঞা থাকবেই
তৃষ্ঞা মেটাতে এইতো আসল
আনন্দ সবসময়
কোকা কোলা
ঠিকই ধরেছেন । ৯৫ কি ৯৬ সালে বিটিভিতে প্রচারিত কোকাকোলার বহুল জনপ্রিয় জিংগেল।
আরেকটু পেছনে, আমার প্রাইমারী স্কুল তথা শৈশবে জীবনে ফেরা যাক। ৯৪ এর জানুয়ারী ভীষণ শীত , অথচ আমি অস্থির হয়ে আছি কোকা-কোলার তৃষ্ঞায় । কেবল আমার মত শিশুরাই না , সেবার শীতে কোকা-কোলা তৃষ্ঞায় কাতর হয়ে রইল সারা দেশ। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোকা-কোলার সেই মার্কেটিং প্রমোশনকে সম্ভবত আর কেউ কখনও ছাড়িয়ে যেতে পারেনি।
প্রভা তোমাকে অভিনন্দন
পৃথিবীতে সাধারণের বাইরে যেকোন ঘটনা ঘটলেই ব্লগ জগতে ঢেউ উঠে যায়। ঘটনার শাখা-প্রশাখা-বিশাখা-অন্তশাখা সব আদ্যোপান্ত বিশ্লেষনের ঝড় উঠে যায়। প্রত্যেকে তার বিদগ্ধ দৃষ্টি দিয়ে ফালা ফালা করে অন্তর্নিহিত ভাব দিয়ে লেখা লেখেন। কিন্তু প্রভা বিয়ে করেছেন এবং নিজে সেকথা পত্রিকা অফিসে ফোন করে সবাইকে জানিয়েছেন, এটি বেশ একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা কিন্তু এনিয়ে এখনো আমি কোন ফেসবুক নোট বা ব্লগ পড়িনি বলেই মনে হচ্ছে। বাংলাদেশের আর্থিক-সামাজিক পরিবেশে একটি মেয়ের জীবনে যে ঝড় বয়ে গেলো তারপর তার এই ফিরে আসা আমার দৃষ্টিতে সমাজ পরিবর্তনের কিংবা অন্যায়ের বিরুদ্ধে হেরে না যাওয়ার একটি উজ্জল সংকেত। কারো কাছ থেকে সে একটা অভিনন্দন বা অভিবাদন পেলো না, আশ্চর্য।
আমি খুব নগন্য একজন মানুষ প্রভা, কিন্তু তুমি আমার অভিনন্দন জেনো। যে ঝড় ঠেলে, বাস্তবকে স্বীকার করে তুমি সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা ভেবেছো, তার জন্যে অভিনন্দন।
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ৯
১.
আমাদের অফিসের সামনে একটা চা’ওয়ালা কাকা আছে। আমি কাকাই বলি। কাকা এই ৭৫+ বয়সেও প্রোডাক্টিভ। তার সবচেয়ে ছোট ছেলেটা নটরডেম স্কুলে পড়ে। ওয়ান বা টু’য়ে মনে হয়। পিচ্চিটা খুব্বি কিউট। পিচ্চিরা এমনিতে কিউট'ই হয়। এইটা আবার মাঝে মাঝে বাপের দোকানে বসে ক্যাশ সামলায়। আর বাপ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চা বানায়। দেখতেই ভালো লাগে। আমি গেলেই এই পিচ্চির মাথাটায় পাঁচ আঙ্গুলে একটা চাপ দিই। সে মনে হয় বুঝতে পারে না, এটা তাকে ‘আদর’ করা হইসে। খানিকটা বিরক্তি নিয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে থাকে।
কাকা’র অন্যান্য ছেলেগুলোও দোকানে বসে। তার কি দেরীতে বিয়ে হয়েছিলো কিনা, কে জানে! তার একটা ছেলেকেও আমার বয়েসী দেখি না। অথচ আমার বাবার চেয়ে অন্তত ২০ বছরের বড় হবেন বয়সে।
হুদাহুদাই (৩)
সেই যে একটা গান আছে না, “পৃথিবী বদলে গেছে যা দেখি নতুন লাগে”, কিবা “... শহর আইসা আমার আশা ফুরাইছে, লাল-লাল নীল-নীল বাত্তি দেইখা পরান জুড়াইছে!” আমার চারপাশের সব পালটে গেলেও, হরেক চোখ ধাঁধাঁনো সব দেখেও কিছুই নতুন চমকদার লাগে না, মনে স্বস্থি আসে না। এখানে আসার পর থেকেই রাজ্যের বিষন্নতা ভর করেছে, প্রায়শই এই বিষন্ন আমিটাকে বিরক্ত লাগছে। যাই দেখি লাগে, এসব তো আমার না, আমি এখানকার না। কোন ভাগ্যদোষে এসে পড়লাম এখানে!
এলোমেলো রক্তছোপ
ইদানিং এসফল্টের রাস্তায় ছোপছোপ রক্ত দেখতে পাই। কুয়াশা মাখা সোডিয়াম সোনালী আলোয় হাঁটতে হাঁটতে যতবারই এগিয়ে যাই, রক্তের ছোপ গুলো দূরে সরতে থাকে। আর সেখান থেকে জন্ম নেয় ঘিনঘিনে পোকারা।
কি খবর হে? দিনকাল কেমন যায়।