ইউজার লগইন
ব্লগ
এন্ড দেন দেয়ার ইজ
মইরা তো একদিন যাইতেই হইবো।
সো যেকয়দিন বাইচা আছি, পিত্থিবির রূপ-রস-গন্ধ চাইখা লই। আমার্মতো মুখ্যুসুখ্যু মাইনষেগোর এই একটাই সমির্সা। দুইন্যাটারে দুই চৌখ দিয়া দেইখা ফেলতে শখ হয়, দুইকান দিয়া সবকিছু শুইন্যা ফেলতে শখ জাগে, নাকের ছুট্টু দুই ফুটা দিয়া সব সুগন্ধ দুর্গন্ধ মাথার ভিত্রে লইয়া খিচুরী বানাইতে শখ হয়। সারাদিনের বোওওওরিং কাজ কাম শ্যাষ কইরা নেটে মাথা ঢুকাইয়া বিনোদিত হইতে ইচ্ছা হয়। সেই নেটের দুইন্যাও যদি পাইন্সা হইয়া যায়? তাইলে আমাগো আর কি বাকি থাকে। যাও এক দুইখান বিনোদোন আছিলো, তাও হাতছাড়া হইয়া গেলোগা চৌখের পলক ঝাপ্টাইটে না ঝাপ্টাইতেই।
অহন, বিটকাইল্যা দিন পার কইরা আইয়া মনিটরের সামনে বইয়া ঝিমাই। মনের ভিত্রে গিয়ানী গিয়ানী কথাবাত্রা বলক দিয়া ওঠে। ঐযে কইলাম মুখ্যুসুখ্যু মানুষ, তাই সেই বল্কানি উঠা কতাগুলা আর ফিরনী পায়েস হইয়া ওঠে না। হুদাই চাইরদিকে দুধ পোড়া গন্দ ছড়াইয়া যায়।
বন্ধু
বোবা এই বুকে দুখের আগুন জ্বলে ।
যার প্রাণ কাঁদে সেই আগুন নিভাতে ,
দগ্ধ হয় নিজে - বন্ধু বুঝি তারে বলে !
নিঃসঙ্গ স্বপ্নভঙ্গ অন্ধকার রাতে
হাত ধরে সে আলোর পথে নিয়ে চলে ,
সুপ্তি ভেঙে জয়গান শোনায় প্রভাতে ।
তার লাগি রাজি ডুবতে অথই জলে ,
ভয়হীন , অকাতর মরণ আঘাতে ।
হে বন্ধু , জেনো তুমি কখনো একা নও ,
তোমাতে আমাতে কোনো রবেনা বিরহ ;
যত দূরে যাও তবু এ হৃদয়ে রও ,
প্রাণের অটুট বিশ্বাসে নেই সন্দেহ ।
ভুলনা আমায় , যদি চিরসাথী হও
প্রাণে ঠাঁই দিয়ো মোরে নাশ হলে দেহ ।
এখন তো আগের মতই চন্দ্রগ্রহণ লাগে
অসীমায়িত কয়েকটা সময়খন্ডের ভেতর
তোমাকে ঢুকিয়ে টিপে দেবো সুইচ
দেখবো দশ বছর আগের লাল টিপ
আর জর্জেট শাড়িতে ভেজা বেহায়া নাগরিক
তোমার কি কমে গেছে ঐসব
যারজন্য লিফটে জড়োয়া ঘন্টা
আর বাসের সিটে কনুইয়ের গোছায়
পাশাপাশি বসা সামাজিক চুনকালি!
এখন তো আগের মতই চন্দ্রগ্রহণ লাগে
অজুহাত থাকে যখন তখন বানিয়ে নেবার
আগে পড়ে গেলে আসমান থেকে সূর্য পড়ে না ছিটকে
অথবা তোমার শরীর ঘেমে অল্পতেই হয় না বর্ষা!
প্রতিশোধ
- সবাইকে হতবাক করে দিয়ে পরী বিয়েতে রাজী হয়ে গেল । বর বগা চৌধুরির ছেলে কামাল ওরফে গাল কাটা কামাল । বাপ হাড্ডিসার বকের মতো ছিল বলে ‘বগা’ মিঞা বা বগা চৌধুরী । আর ‘কামাল’ ! লোকে বলে বাপ কা বেটা ! বাপ ৭১ এ ছিল রাজাকার, আগুন জ্বেলেছিল গ্রামে । যুদ্ধ শেষ হবার ক’দিন আগে পরাজয় আঁচ করে স্বপরিবারে হিজরত করে ছিল । বছর দুই টিকিটি দেখেনি কেউ । তারপর কেমন করে জানি সব ম্যানেজ হয়ে গেল । চৌধুরি ফিরে এল গাঁয়ে । লোকের ধারণা চৌধুরীর বড় মেয়ে ‘ডল’ এর ক্যারিশ্মা সব । অমন অস্পরার মতো মেয়ে যার, তার সাত খুন মাফ না হয়ে পারে ! হল ও তাই । সাংসদ নিজেই তার দায়িত্ব নিলেন। আপন অনূজের সাথে ‘ডল” এর বিয়ে দিলেন । ভাই অবশ্য প্রথমে একটু গাঁই গুঁই করেছিল । কিন্তু অমন টসটসে ডালিম ! কারই বা সাধ্য জ্বিবের জল সামলে রাখে !
১২ ডিসেম্বর ১৯৭১
আগেরদিন তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র রাশিয়ার প্রতিনিধি ভোরেন্টসভকে হুঁশিয়ার করে বলেন,
পরদিন (১২ ডিসেম্বর) মধ্যাহ্নের আগে ভারতকে অবশ্যই যুদ্ধ বিরতি মেনে নিতে বাধ্য করতে হবে। অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র নিজেই প্রয়োজনীয় সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আনটাইটেলড-১
ধরি,
আগামী রোববার আমাদের হাতে কোনো কাজ থাকবে না।
সেদিন সূর্যের আলো থাকবে গাঢ় কুয়াশায় ঢাকা,
বছরের প্রথম শৈত্য প্রবাহে থরথর কাঁপবে হলদেটে পাতার দল
বুড়িগঙ্গা থেকে ছেড়ে যাওয়া লঞ্চগুলো
হাঁসের মত পালক গুটিয়ে জবুথবু সদরঘাট,
মোটা মাফলার জড়িয়ে অপেক্ষাক্লান্ত হয়ে পড়বে মুদি দোকানীর,
চা'য়ের কাপ ছেড়ে ধোঁয়ারাও উড়বেনা ছাদ কিংবা আকাশের দিকে,
কোনো কাজই হবেনা সেদিন।
কারণ, আমরা প্রথমেই ধরে নিয়েছি আগামী রোববার আমাদের হাতে কোনো কাজ থাকবেনা।
বিজয়ের মাসে ভারতের প্রাণে আমরা ফুল চন্দন ছিটাতে চাই...
সঠিক উত্তরের ঘরে টিক চিহ্ন প্রদান করুন।
প্রশ্ন ১ ।
কোন পণ্যটি জনগণের চাহিদার সাথে সঙ্গতি রেখে প্রয়োজন অনুযায়ী দেশেই উৎপাদিত হয়:
ক) চাল।
খ) ডাল।
গ) রসুন।
ঘ) সিনেমা।
প্রশ্ন ২ ।
কোন শিল্পখাতে কোনো ধরনের উচ্চতর শিক্ষার প্রয়োজন নেই বলে ধরে নেয়া হয়:
ক) টেলিযোগাযোগ।
খ) আইসিটি।
গ) গার্মেন্ট।
ঘ) চলচ্চিত্র।
প্রশ্ন ৩ ।
জনগণের কাছে সবচেয়ে সহজে যেকোনো ধরনের বক্তব্য পৌছে দিতে কোন মাধ্যমটি অধিক কার্যকর:
ক) এসএমএস।
খ) দৈনিক পত্রিকা।
গ) এফ এম রেডিও।
ঘ) চলচ্চিত্র।
প্রশ্ন ৪ ।
অবকাঠামোগত এবং প্রশিক্ষণ খাতে দেশের সবচেয়ে অবহেলিত খাত কোনটি:
ক) মন্ত্রণালয়।
খ) সঙ্গীত।
গ) চিত্রকলা।
ঘ) চলচ্চিত্র।
হুদাই হাবিজাবি
আপনাদের দোয়ায় আমি এখন পুরোপুরি নিশাচর। গত তিন রাত হোল ঘুমাই না । খাদ্যাভ্যাসেও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে গেছে। ইদানিং মায়ের হাতের ঘী-কাঞ্চন শাকের অমৃত খেতে পুরোপুরি দুব্বা ঘাসের মত লাগছে। গত পরশু রাগ করে রুই ভুনার বাটিতেও মৃদু একটা লাথি বসিয়েছি।
কি এক বিচিত্র কারণে গলার পাইপ লাইন মারাত্মক খসখসে হয়ে গেছে। সেখানে গ্রিজ লাগাতে পারলে যারপর নাই আমোদিত হতাম ।
কিছুদিন আগে চশমা পালটিয়েছি। খুব ভালো হতো যদি নতুন চশমাটাকে পেষণ দাঁত দিয়ে উত্তমরূপে পিষতে পারতাম । গেলাস আর ফেরেমের ভেতরকার স্ক্রুগুলো অকারণে ঢিলা হয়ে যাচ্ছে । এই কয়দিনে মোট পাঁচ বার সারভিসিং এ নিয়ে যেতে হয়েছে । হারামজাদা চশমার দোকানদার এখন আমাকে মোটামুটি ভোঁদাই পাবলিক হিসেবে ট্রিট করছে।
নাকের দুই কিনারা কুৎসিত ভাবে চৌচির হয়ে আছে, ময়শ্চারাইজিং ক্রিম সংক্রান্ত সকল প্রচেষ্টা মাঠে মারা যাচ্ছে।
আগমনী...[এলোমেলো কাব্যকথন]
ঠাণ্ডা
হিম হিম বাতাসে,
কি সুখে মন যে হাসে..
ঝিরঝির মৃদু
হাওয়া,
শুকনো পাতার
উড়ে যাওয়া..
গায়ে কাঁটা
শিহরন,
প্রতিক্ষণ অকারন..
গা ভাসানো;
মন ভরানো,
অপার্থিব এক ঘোর..
মিষ্টি রোদের উষ্ণতাতে,
প্রাণ জুড়ানো ভোর..
আহা;
ক্ত্ত দিনের পর..
শীত বুঝি আজ-
ঘুমের শেষে;
আলসেমিতে দুষ্টু হেসে,
খুললো তার-ই দোর..
[সব্বাইকে আগমনী শীতের শুভেচ্ছা..
]
মিষ্টি উপাখ্যান
মিষ্টি খেতে বা উপহার হিসেবে পেতে কার না ভাল লাগে। মিষ্টির দোকানের সামনে দাড়ালে এত বাহারি রকমের মিষ্টি দেখা যায় যে দেখতে দেখতেই দিন পার করে দেয়া যায়। মিষ্টির উৎপত্তি কোথায় বা কারা এ সম্পর্কে আমার কোন আইডিয়াই নাই তবে মোঘলদের আমলে যে এর বৈচিত্রের উৎকর্ষ সাধিত হয়েছে তা ইতিহাসেই পাওয়া যায়। মিষ্টি খেতে চাইলে কেউ খাওয়াবেন না বা সামনে এনে দিলে কেঊ খাবেন না এরকম মানুষ পাওয়াও বেশ দুস্কর। তবে এই মিষ্টি সাধের মিষ্টি আজকের আলোচ্য বিষয় নয়। ঠিকই ধরেছেন। সেইরকম মিষ্টি আদান-প্রদানের কিছু কাহিনী বলি যার অবস্থান সাধারনত টেবিলের তলায়, খামের ভিতরে কিংবা মুঠো থেকে মুঠোতে। নিতান্ত ফান করার জন্য নয়। কর্মক্ষেত্রে এ রকম মিষ্টির আবদার হয়তো অনেকেই পেয়েছেন কিংবা দিয়েছেনও।
আমি বলছি না আমি লিখছি : প্রখম খণ্ড ।
মনে করি , আমি কিছু একটা লিখছি । কি লিখছি তা ঠিক এই মুহূর্তেই বলতে পারছিনা । তাই বলে আপনারা কি একটা চরম উদ্বেগে ধিক্কার দেন - ' রাখো এসব ন্যাকামো ' , কি একটু ধৈর্য ধরে পড়ে বলবেন - ' কি একটা ভাঁড়ামো না ছাই হলো ', তাতে আমি কিছুমাত্র বিচলিত হতে যাবোনা । কারণ , সে কোন মজাদার সাহিত্যকর্মই হোক (অসম্ভব) , আর বস্তাপঁচা পান্ডুলিপিই হোক , আমি লিখছি । যাক, আমি কোন কিছুই বলছিনা । কারন আমি লিখছি । কি লিখছি তা ঠিক এ মুহূর্তেই বলতে পারছিনা (ভবিষ্যত বলতে পারলে তো জ্যোতিষী হতাম )।
১১ ডিসেম্বর ১৯৭১
ইসলামাবাদে ইয়াহিয়া খান বেসামাল। ঢাকায় জেনারেল নিয়াজী ও রাওফরমান আলী দিশেহারা। যুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয় অনিবার্য। অথচ এদিন লে. জেনারেল নিয়াজী ঢাকা বিমান বন্দর পরিদর্শন করতে গিয়ে দম্ভভরে বলেন,
কোনক্রমেই শত্রুকে কাছে ঘেঁষতে দেয়া চলবে না। পাকিস্তানি বাহিনী তাদের ঐতিহ্যকে আরো উজ্জ্বল করবে।
পরে বিমান বন্দরে তিনি বিদেশী সাংবাদিকদের সঙ্গে সর্বশেষ যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ করেন।
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ
লাইকানথ্রপ হবার সুবাদে
আমি প্রতি ফুলমুনে
একবার করে ভাবতাম,
যদি আমি একজন স্বাভাবিক মানুষ হতাম
তাহলে আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মেয়েটির ঠিকানা ছিলো।
---
বন্ধু হতে চলে এলাম
আমার এক বন্ধুর কাছে শুনলাম "আমরা বন্ধু" ব্লগের কথা আর সাথে সাথেই রেজিস্ট্রেশান করে ফেললাম।আশা করি এখানে খুব ভালো কিছু বন্ধু পাবো 
-
-
-
-
-
-
-
-
সবার কাছে আমার একটা প্রশ্ন।আমি কি এখানে ইংলিশ লেখা পোষ্ট করতে পারবো?

টুকটুক গল্প-৭
রায়হান ভাই মাঝে মাঝেই বলে আড্ডাটা আমাদের এডিকশনের পর্যায়ে চলে গেছে। দুই/একদিন পর পর কোন না কোন উছিলায় একটা আড্ডা। কোন উছিলা না থাকলে এমনেই আড্ডা আর অফিস ফাঁকি দেওয়ার পায়তারা। যে অফিস ফাঁকি দিতে পারে না তাকে ফাঁকি দেওয়ার জন্য উস্কানো এবং ফাঁকি দিতে না পারলে ধিক্কার দেওয়া...এই চলছে। আড্ডা শেষে কখনও লীনাপার সাথে রিক্সায় ফিরলে প্রায়ই জোর করে বাসায় যেতে, রাতে থাকতে অথবা রাতে বাসায় পৗঁছে দিবে এমন বলবেই। যাওয়া হয় না, বলি-যাব একদিন। একদিন বললাম, কাল বৃহস্পতিবার, কাল যাবো। সকালেই লীপনাপা ফোন করেছে যে না গেলে আর কথাই বলবে না, উনার বাসার খালাকে ফোনে ধরিয়ে দিলো। খালাও বলে, আসেন, আমি রান্না করব। শুক্রবার জাহাঙ্গীরনগর যাব বলে আর গেলাম না সেদিন, বললাম পরের সপ্তাহে যাব।