ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার পংক্তিমালা ১
ফেসবুকে নানান সময়ে নানান মনের কথা স্ট্যাটাসে দিয়েছিলাম। কিছু গানের লাইন, কিংবা কবিতা কিংবা কবিতার ২ লাইন কিংবা নিজের মনের ভিতর থেকে উঠে আসা কিছু পংক্তি ।
মনের ভিতর থেকে আসা সেই পংক্তিগুলোই আজ একসাথে এই পোষ্টে শেয়ার করা ।
১
আমার পাশবিকতা গ্রাস করছে আমাকে ক্রমশঃ ......
২
একটাই জীবন। তবু টেনে নিয়ে যেতে এত কষ্ট !!!!
জীবনের ভার বড্ড বেশী ।
৩
স্বপ্নের খাতায় ধূলো পড়েছে ... পৃষ্ঠা গুলো মলিন , অক্ষর গুলো অস্পষ্ট এখন
৪
জীবন যাপন সহজ করতে গিয়ে আমরা বেঁচে থাকাটাই কঠিন করে তুলছি ।
৫
এ জীবন আমার নয় ......
৬
খন্ডিত ভালোবাসায় পরিপূর্ন আবেগ , সম্পূর্ন মানুষটার আংশিক ছায়া
৭
এই কোলাহলের মাঝেও নিঃশব্দ , সকলের মাঝেও একাকী।
৮
চৌরাস্তার মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছি। চারটি পথই খোলা তবু পালাবার জন্য পঞ্চম রাস্তা খুঁজি ফিরি ।
৯
হায় জীবন ! হায় জীবন !! হায় বেঁচে থাকা !!!
১০
ইওরোপের কোন এক খানে... (৪)
আবেগ-সর্বস্ব এক দেশের মানুষ আবেগ-হীন এক দেশে হাজির।
তয় ফ্রান্স পর্ব শেষ করণের আগে দুই ফরাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাইতে চাই। একজন ফরাসী সেনাপতি সিনফ্রেঁ, যিনি তাঁর সৈন্যবাহিনী নিয়া পলাশীর যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত বাংলার স্বাধীনতা রক্ষায় সিরাজউদ্দৌলার হইয়া যুদ্ধ কইরা গেছেন। আর দ্বিতীয় জন ফরাসী যুবক জাঁ ক্যুয়ে কে, যিনি ’৭১ এ প্যারিসে পিআইএর একটা ফ্লাইট হাইজ্যাক করছিলেন বাংলাদেশের শরণার্থীদের জন্য সাহায্য চাইয়া।
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ৫
আসলে যখন তুমি জানো, লাগাম নামের একটা বস্তু তোমার হাতে আছে
তখন তুমি উড়ে বেড়াতে পারো এবং স্কাই ডাইভ দিতে পারো।
ট্যানডেম মাস্টার হতে পারো।
আর চাইলে পাপুয়া নিউগিনিতে স্কুবা ডাইভার হয়ে
সমুদ্রতলার আকোরিয়ামটা দেখে কাটিয়ে দিতে পারো দিন।
কিন্তু মনে রেখো জীবন তোমাকে কখনো দেবে না ঋণ।
তাই যদি সত্যি তোমার মনে হয়, তুমি এ কাজগুলো করতে পারো;
তাহলে আসলে বসে থেকে সময় নষ্ট করো না।
---
শুধু তুমি চলে যাবে আমি স্বপ্নেও ভাবিনি
আমি বৃষ্টি দেখেছি, বৃষ্টির ছবি এঁকেছি
আমি রোদে পুড়ে ঘুরে ঘুরে অনেক কেঁদেছি,
আমার আকাশ কুসুম স্বপ্ন দেখার খেলা থামেনি
শুধু তুমি চলে যাবে আমি স্বপ্নেও ভাবিনি।
কবিতা : মিথ্যা কবিতা
শীতে কাবু হয়ে আছে চারিদিক। একদম চারিদিক। মাঝে মাঝে মনটা এত খারাপ হয়ে থাকে! কোনো কারণ ছাড়াই। অজস্র চিন্তা ভীড় করে আসে মাথায়। ইচ্ছেই হয় না, সেসবের কোনোটা নিয়ে ভাবতে। খালি পালাই পালাই করতে থাকি। কিন্তু পালিয়ে আসলে যাবো কই? যেখানে যাই, পৃথিবী ধাওয়া করে। সে সবসময় হাতে একটা ইট নিয়ে প্রস্তুত। আমার মাথায় আঘাত করার জন্য। সেটাও কোনো কারণ ছাড়াই।
বন্ধুত্ব একটা দারুণ ব্যপার। ভালো বন্ধুরা আপনাকে কখনো অপ্রস্তুত হতে দেবে না। যদি কোনো কারণে তাদেরকে আপনার জন্য চূড়ান্ত অপ্রস্তুতও হতে হয়, তাও চেষ্টা করবে আপনাকে সেটা কোনোভাবে বুঝতে না দিতে। যদি আপনি কষ্ট পান? তখন যে ওদের আরো কষ্ট হয়। আমার কপালটা খুব ভালো। এমন বন্ধু আমার কোটি কোটি আছে। আছে আসলে দু'একজনই। কিন্তু তারা দু'একজনই কোটি কোটি মানুষের সমান।
প্রেমের কবিতা
আমি ভালোবেসে শিশির নিরব পলিমাঠে
আয়েশে তোমার চুলে ছুঁয়ে ছুঁয়ে এই শীতঋতু
কাটিয়ে দিয়েছি।
চোখ নেই, নেই বুদ্ধিবৃত্তি
কেবল ঘ্রাণেরা রয়েছে অটুট আর
স্মৃতির কোষেরা ভরে যায়
নির্ঘ্রাণ অথবা নির্বেদ সংলাপে।
কখনোই পাশে থাকি নাই
আমি...আমি যেনো তোমাতেই থাকি।
গুম হয়ে যাক যতো ক্ষমতার লেহ্যপেয়ীরা
আমার ঠিকানা লেখা থাকে
নৈঃশব্দের ঘরে ঘরে, শব্দে
আরো শব্দে...চতুর্মাত্রা মেনে।
ধীরে ধীরে আমার পৃথিবী
আকার পেয়েছে।
আয়তক্ষেত্রের অবয়বে, পাঁচ
ফিট বাই সাত ফিট...
চিরায়ত ইংরেজ নিয়ম মেনে মেনে।
আমি স্থিতু হয়ে পড়ে রয়েছি তোমার বিছানায়
একান্তই অর্থনীতি বুঝে...কেবল শিশির হতে
শিখে গেছি বলে।
শিখে গেছি কিভাবে ঘ্রাণ নিতে হয়,
কিভাবে জড়িয়ে থাকা যায় চুলের সকল বাঁকে
বিলি কেটে কেটে;
কিভাবে কাটিয়ে দেয়া যায়
একটা জীবন...
বাকীটা জীবন।
ইওরোপের কোন এক খানে... (৩)
প্রত্যেকের জীবনই একেকটা আস্ত ভ্রমণ-কাহিনী। কিন্তু সেইটা আমরা হয়তো খেয়াল করি না।
'অপরাজেয় বাংলা'- একটি ছোটখাটো অসামান্য তথ্যচিত্র

'অপরাজেয় বাংলা' তিনজন মুক্তিযোদ্ধার এই ভাস্কর্যটি সম্ভবত বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত ভাস্কর্য। ফার্স্টএইড বাক্স হাতে সেবিকা, সময়ের প্রয়োজনে রাইফেল কাঁধে তুলে নেয়া গ্রীবা উঁচু করে ঋজু ভঙ্গিমায় গ্রামের টগবগে তরুন এবং দু'হাতে রাইফেল ধরা আরেক শহুরে মুক্তিযোদ্ধা।
আমরা বন্ধু
তোমরা আমরা
আমরা তোমরা
সবাই আমরা একসাথে
হেথায় সেথায়
সেথায় যেথায়
স্বপ্ন পাড়ি দেয় রাতে ,
যখন তখন
উড়ন পতন
ঘাসের বুকে শীতল প্রাতে
ফুলের ঘ্রাণের
প্রাণের গানের
সুরে মিলাই হাত হাতে ।
ওয়ার্ডপ্রেস.কম দিয়ে তৈরি করুন আপনার নিজের ব্লগ
পর্ব : ১
১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১
একাত্তরে এদিনে খুলনায় যৌথ বাহিনীর কাছে পাকিস্তানি বাহিনী আত্নসমর্পণ করে । প্রায় আট হাজার পাকিস্তানী সৈন্যের এই আত্নসমর্পণ অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন করেন ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) জয়নাল আবেদীন ।[১]
যদিও নিয়াজীর সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী ‘দুর্গ’ যশোরের পতন ঘটে ৭ ডিসেম্বর।ভারতের ৯ম ডিভিশনের প্রথম কলামটি এক রক্তাক্ত যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে যশোর সেনাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়ে দেখতে পায়, বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ ভর্তি সুরক্ষিত বাঙ্কার সম্পূর্ণ জনশূন্য। ২] আগেরদিনই পাক ৯ ডিভিশন (জেনারেল আনসারি) যশো্র ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেয় । [৩]
তোমার দুয়ার আজি খুলে গেছে সোনার মন্দিরে ...
"আজি বাংলাদেশে হৃদয় হতে
কখন আপনি
তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির
হলে জননী
ওগো মা তোমায় দেখে দেখে আখি না ফেরে
তোমার দুয়ার আজি খুলে গেছে সোনার মন্দিরে"
বাংলাদেশের সব বন্ধুদের বিজয়ের শুভেচ্ছা।দেশের বাইরে থাকায় দিনটা কে নিয়ে কিছু করা না হলেও মন থেকে দেশকে অনেক অনুভব করি।মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে খন্ড রাজনীতি বন্ধ হোক বিজয়ের দিনে এই প্রত্যাশা করী।শুভ বিজয়।
গানের লিঙ্ক http://www.youtube.com/watch?v=Ciqsl5GcO54
চল্লিশে ঢাকা
বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের অভিযোগের শেষ নাই। দলবাজি, দুর্নীতি, দখলবাজি, কালো টাকা, জনসংখ্যা, ট্র্যাফিক সমস্যা, চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, গুপ্তহত্যা, সড়ক দুর্ঘটনা, বন্যা, পাহাড়ি ধস, ভুমিকম্প, আরো যা যা মনে করতে পারেন সবই আছে কমপ্লেইনের তালিকায়। গত ১৫ বছর যাবত যুক্ত হইসে রাস্তা-ঘাটে, মাঠে-ময়দানে, রেডিও, টেলিভিশনে জাতির জনক/ স্বাধীনতার ঘোষকদের নিয়া ২৪/৭ গুনকীর্তন, মিলাদ মাহফিল, হামদ ও নাত করে মানুষের জীবনটা ফানাফানা করে দেয়ার এক নতুন সংস্কৃতি। আমার মনে ঘুরছে, তবে আমাদের জীবনের আনন্দের জায়গাটা কোথায়?
ই-বুকঃ মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১, ডিসেম্বরের দিনগুলি / নুরুজ্জামান মানিক

বাঙ্গালীর ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। ডিসেম্বর আমাদের রক্তস্নাত বহু প্রতীক্ষিত বিজয়ের মাস। আর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাঙ্গালীর হাজার বছরের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল দিন। শত সমালোচনা, শত দূর্বলতা, শত নেতিবাচক দিক থাকা স্বত্তেও এটা সূর্যের মতো দেদীপ্যমান যে, লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে এদিনই বাঙ্গালী সর্বপ্রথম যথার্থভাবেই বাংলাদেশের শাসনভার পরিচালনার পর্যায়ে উপণীত হয়েছিলো।
একাত্তরের ডিসেম্বরের সেই দিনগুলো ছিলো অত্যন্ত ঘটনাবহুল ও তাৎপর্যপূর্ন। নুরুজ্জামান মানিক এর লেখা সেইদিনগুলোর ঘটনা এবছর ডিসেম্বর মাসের প্রতিদিন “আমরা বন্ধু” ব্লগে সিরিজ আকারে প্রকাশিত হয়েছে। সেই সিরিজেরই সংকলন এই ই-বুক “মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১, ডিসেম্বরের দিনগুলি”।
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
এদিন সকালে বিমানাক্রমণ বিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার কিছু আগে মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী জাতিসংঘের প্রতিনিধি জন কেলীর মাধ্যমে ভারতীয় সামরিক কর্তৃপক্ষকে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির সময়সীমা আরও ছ’ঘণ্টার জন্য বাড়িয়ে দিয়ে ভারতের একজন স্টাফ অফিসার পাঠানোর অনুরোধ জানান যাতে অস্ত্র সমর্পণের ব্যবস্থাদি স্থির করা সম্ভব হয়। এই বার্তা পাঠানোর কিছু আগে মেজর জেনারেল নাগরার বাহিনী কাদের সিদ্দিকী বাহিনীকে সঙ্গে করে মিরপুর ব্রীজে হাজির হন এবং সেখান থেকে নাগরা নিয়াজীকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। নিয়াজীর আত্মসমর্পণের ইচ্ছা ব্যক্ত হওয়ার পর সকাল ১০:৪০ মিনিটে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে নাগরার বাহিনী ঢাকা শহরে প্রবেশ করে। পাকিস্তানীদের আত্মসমর্পণের দলিল এবং সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাদি চূড়ান্ত করার জন্য ভারতীয় ইস্টার্ন কমান্ডের চীফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল জ্যেকব মধ্যাহ্নে ঢাকা এসে পৌঁছান। বিকেল চারটার আগেই ব