ইউজার লগইন
ব্লগ
৯০ দশকের বিটিভি পর্দার বিজ্ঞাপনো-পিডিয়া
যেখানে আছে ফুল , সুগন্ধ সেখানেই
স্কুল থাকলে , হোমওয়ার্ক থাকবেই
ড্রামের তালে আছে ছন্দের খেলা
যেখানে আনন্দ , সেখানে কোকা-কোলা
কোকা-কোলা
আকাশে তারা জ্বলবে পাখিরা গাইবেই
সবার জীবনে তৃষ্ঞা থাকবেই
তৃষ্ঞা মেটাতে এইতো আসল
আনন্দ সবসময়
কোকা কোলা
ঠিকই ধরেছেন । ৯৫ কি ৯৬ সালে বিটিভিতে প্রচারিত কোকাকোলার বহুল জনপ্রিয় জিংগেল।
আরেকটু পেছনে, আমার প্রাইমারী স্কুল তথা শৈশবে জীবনে ফেরা যাক। ৯৪ এর জানুয়ারী ভীষণ শীত , অথচ আমি অস্থির হয়ে আছি কোকা-কোলার তৃষ্ঞায় । কেবল আমার মত শিশুরাই না , সেবার শীতে কোকা-কোলা তৃষ্ঞায় কাতর হয়ে রইল সারা দেশ। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোকা-কোলার সেই মার্কেটিং প্রমোশনকে সম্ভবত আর কেউ কখনও ছাড়িয়ে যেতে পারেনি।
প্রভা তোমাকে অভিনন্দন
পৃথিবীতে সাধারণের বাইরে যেকোন ঘটনা ঘটলেই ব্লগ জগতে ঢেউ উঠে যায়। ঘটনার শাখা-প্রশাখা-বিশাখা-অন্তশাখা সব আদ্যোপান্ত বিশ্লেষনের ঝড় উঠে যায়। প্রত্যেকে তার বিদগ্ধ দৃষ্টি দিয়ে ফালা ফালা করে অন্তর্নিহিত ভাব দিয়ে লেখা লেখেন। কিন্তু প্রভা বিয়ে করেছেন এবং নিজে সেকথা পত্রিকা অফিসে ফোন করে সবাইকে জানিয়েছেন, এটি বেশ একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা কিন্তু এনিয়ে এখনো আমি কোন ফেসবুক নোট বা ব্লগ পড়িনি বলেই মনে হচ্ছে। বাংলাদেশের আর্থিক-সামাজিক পরিবেশে একটি মেয়ের জীবনে যে ঝড় বয়ে গেলো তারপর তার এই ফিরে আসা আমার দৃষ্টিতে সমাজ পরিবর্তনের কিংবা অন্যায়ের বিরুদ্ধে হেরে না যাওয়ার একটি উজ্জল সংকেত। কারো কাছ থেকে সে একটা অভিনন্দন বা অভিবাদন পেলো না, আশ্চর্য।
আমি খুব নগন্য একজন মানুষ প্রভা, কিন্তু তুমি আমার অভিনন্দন জেনো। যে ঝড় ঠেলে, বাস্তবকে স্বীকার করে তুমি সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা ভেবেছো, তার জন্যে অভিনন্দন।
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ৯
১.
আমাদের অফিসের সামনে একটা চা’ওয়ালা কাকা আছে। আমি কাকাই বলি। কাকা এই ৭৫+ বয়সেও প্রোডাক্টিভ। তার সবচেয়ে ছোট ছেলেটা নটরডেম স্কুলে পড়ে। ওয়ান বা টু’য়ে মনে হয়। পিচ্চিটা খুব্বি কিউট। পিচ্চিরা এমনিতে কিউট'ই হয়। এইটা আবার মাঝে মাঝে বাপের দোকানে বসে ক্যাশ সামলায়। আর বাপ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চা বানায়। দেখতেই ভালো লাগে। আমি গেলেই এই পিচ্চির মাথাটায় পাঁচ আঙ্গুলে একটা চাপ দিই। সে মনে হয় বুঝতে পারে না, এটা তাকে ‘আদর’ করা হইসে। খানিকটা বিরক্তি নিয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে থাকে।
কাকা’র অন্যান্য ছেলেগুলোও দোকানে বসে। তার কি দেরীতে বিয়ে হয়েছিলো কিনা, কে জানে! তার একটা ছেলেকেও আমার বয়েসী দেখি না। অথচ আমার বাবার চেয়ে অন্তত ২০ বছরের বড় হবেন বয়সে।
হুদাহুদাই (৩)
সেই যে একটা গান আছে না, “পৃথিবী বদলে গেছে যা দেখি নতুন লাগে”, কিবা “... শহর আইসা আমার আশা ফুরাইছে, লাল-লাল নীল-নীল বাত্তি দেইখা পরান জুড়াইছে!” আমার চারপাশের সব পালটে গেলেও, হরেক চোখ ধাঁধাঁনো সব দেখেও কিছুই নতুন চমকদার লাগে না, মনে স্বস্থি আসে না। এখানে আসার পর থেকেই রাজ্যের বিষন্নতা ভর করেছে, প্রায়শই এই বিষন্ন আমিটাকে বিরক্ত লাগছে। যাই দেখি লাগে, এসব তো আমার না, আমি এখানকার না। কোন ভাগ্যদোষে এসে পড়লাম এখানে!
এলোমেলো রক্তছোপ
ইদানিং এসফল্টের রাস্তায় ছোপছোপ রক্ত দেখতে পাই। কুয়াশা মাখা সোডিয়াম সোনালী আলোয় হাঁটতে হাঁটতে যতবারই এগিয়ে যাই, রক্তের ছোপ গুলো দূরে সরতে থাকে। আর সেখান থেকে জন্ম নেয় ঘিনঘিনে পোকারা।
কি খবর হে? দিনকাল কেমন যায়।
পালাও!
[পুরোপুরি ফিকশন]
১.
আর সবদিনের মতোই বেশ মনোযোগ দিয়ে চ্যানেল আইয়ের ন'টার খবর শুনছিলেন প্রফেসর সেলিম হায়দার। শুনতে শুনতে অজান্তেই একসময় তাঁর হাত নিশপিশ করে ওঠে; পুরু গোঁফ আর মোটা-ফ্রেম-মোটা-কাঁচের চশমার আড়াল ভেদ করে ছড়িয়ে পড়া তৃপ্তির হাসিটুকুও লুকিয়ে রাখতে পারেননা তিনি। অবশ্য এই মুহূর্তে সেটার প্রয়োজনও নেই।
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ৮

হিন্দি সিনেমা অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে এসেছে। যেটা ডন-২ দেখে আমার মনে হলো। শাহরুখ খান একটা ভালো থ্রিলার করতে চাচ্ছিলো অনেকদিন ধরেই। রা-১ মার খেয়ে গেলো। বেচারার বোধহয় মন খারাপ ছিলো এজন্য। ওকে আবার আমি ভালো পাই তো খুবই, তাই আমারো মন খারাপ ছিলো। তো ডন-২ দেখে আমার মন খারাপ কেটে গেছে। এখন ওর কি হয়, সেটাই দেখার বিষয়।
সবচাইতে যেটা মজা পাইলাম, সিনেমায় বর্ণ বা অন্যান্য থ্রিলার থেকে নোট তো নেয়া হয়েছেই; পরিচালক এমনকি ক্যাসল অভ ক্যালিয়োস্ত্রো'র দিকেও হাত বাড়িয়েছেন। ভালো নকল দেখে দেখে লেখা প্রশ্নের উত্তরগুলোও আসলে ভালো মার্কস্ই পায়। আর উল্টা রেসিং মনে হয় বলিউডে এইবারই প্রথম দেখলাম। অবশ্য এই ব্যপারে পুরোপুরি নিশ্চিত না আমি। স্বীকার করে রাখলাম।
অনুভুতির ব্যবচ্ছেদ
অনুভবের সামষ্টিকতা কি আছে? সামষ্টিক অনুভবের বিভিন্ন প্রকাশ দেখি হরহামেশাই, কিন্তু প্রতিবারই একই রকম সংশয় রয়ে যায়, ব্যক্তিগত অনুভবের জায়গা থেকে ব্যক্তি যতটুকু অনুভব করে একই রকম প্রতিক্রিয়াব্যক্ত করা সবাই কি ঠিক একই অনুভবে উদ্দীপ্ত কিংবা আক্রান্ত বোধ করে? সামষ্টিক অনুভব অনেকাংশেই সম্ভবত সামাজিক-রাজনৈতিক অনুভব, সেখানে ব্যক্তির ব্যক্তিসত্ত্বা, ব্যক্তিগত অনুভব সামষ্টিকতায় বিলীন হয়ে যায় এবং গণের স্বর ধারণ করতে উন্মুখ ব্যক্তি নিজের একান্ত অনুভবকে বিন্দুমাত্র পাত্তা না দিয়ে সামাজিক -রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াকে নিজের অনুভব হিসেবে অনুভুত করতে শিখে। এই ব্যক্তিসত্ত্বার বিলীয়মান অবস্থা কিংবা স্বকীয় ভাবনাকে বিসর্জন দেওয়ার অভ্যাসটুকুই রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
আমেরিকায় ক্রিস্মাস (ছবি ব্লগ)
ছবি তুলতে পারি
কিন্তু ভালো হয়না
,তারপর ও কিছু ছবি দিলাম।ডোন্ট মাইন্ড 
ওভাল পার্ক,ব্রংক্স
ম্যারি ক্রিস্মাস 
রকফেলার প্লাজা,ম্যানহাটন
সবচেয়ে বড় ক্রিস্মাস ট্রি

ভুতের মুখে রাম নাম! পাকিস্তানী পত্রিকায় বাংলাদেশের সুনাম!!
লেখক বলেছেনঃ Unlike Pakistan, Bangladesh immediately carried out fundamental reforms in their constitution and system of governance. Like vast majority of the Muslim countries, the prefix of ‘Islamic’ was omitted from the name of Bangladesh.
আমি মনে করিঃ ৭১ এ আপনারা ইসলাম ট্যাগ নিয়ে যা দেখিয়েছেন তারপর আবার ইসলাম! থাক আপনাদের ইসলাম আপনাদের কাছে, আমরা বরং নিরপেক্ষই থাকি। আমাদের ধর্ম আমাদের মতই পালন করতে দিন। নাম দিয়ে কাম কি? প্রতি ঈদে আপনাদের দুই ইসলামী গ্রুপে[ সিয়া সুন্নি] বোমাবাজি হয়ে হতাহত হয় আর আমরা ঈদ পালন করি বিনা বোমাবাজিতেই
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ৭
বিকালের দিকে যখন একটা আবিররঙা আলো কংক্রীটের বীমগুলোর ফাঁক-ফোকর দিয়ে আমার শরীরের কাছাকাছি এসে গড়াগড়ি খেতে চাইতো, তখন আমি একটু পাশে সরে বসতাম। নরম আদুরে আলোটাকে স্পর্শ করতে দিতাম না আমার শরীর, কারণ ওর স্পর্শ পাওয়ার মতো নরম নয় আমার চামড়া। আমার খসখসে সরীসৃপ শরীরটা চাইলে এ আলোর পুরোটাই চুষে নিতে সক্ষম। নিয়ে চারদিকে চাইলে নামিয়ে দিতে পারে নিশ্ছিদ্র অন্ধকার। এমনিতেও প্রতিদিন একটা নির্ধারিত সময়ে এখানে অন্ধকার নেমে আসে। তবে আমি চাইলে সেটা নামিয়ে দিতে পারি বেশ কিছুটা আগেই কিংবা যেকোন অনাকাঙ্খিত সময়ে। চাই না কখনো। কারণ তাহলে হয়তো মার খেয়ে যাবে, প্রতিদিন এখানকার আবির-আলোয় বসে কয়েকটা মানুষের যে কাজগুলো করার পরিকল্পনা থাকে, সেগুলো।
পাঠ প্রতিক্রিয়া : রশীদ করীম
রশীদ করীমের উপন্যাস সমগ্র পড়া শেষ করলাম।
সেই ১৯৬১ এ লেখা প্রথম উপন্যাস “উত্তম পুরুষ” থেকে ১৯৯৩ এ লেখা শেষ উপন্যাস “লাঞ্চবক্স” পর্যন্ত। প্রথমেই বইলা রাখা ভালো, আমি কোনো সমালোচক নই। যার জন্য এই উপন্যাস সমগ্র নিয়া যা যা লিখতেছি তা সবই আমার নিজস্ব ভাবনা।
উপন্যাস সমগ্র পড়বার একটা সুবিধা আছে। বিভিন্ন সময়ে লেখকের বিভিন্ন রকম ভাবনা-চিন্তা গুলারে এক মলাটে পাওয়া যায়। তাতে লেখকের চরিত্র সম্পর্কেও মোটামুটি বেশ পরিষ্কার ধারণা জন্মায়। যাক এইসকল কথাবার্তা, পাঠ প্রতিক্রিয়ায় আসি।
স্মৃতি কথা, স্পর্শ উপাখ্যান-১
তোমার সাথে স্পর্শের কোন স্মৃতি নেই।
তাই চোখ দুটোকে ওরা হিংসা করে বেশ
তোমার কথা শোনে কানদুটো সন্যাসে গ্যাছে
ঝলসে যাওয়া কানে শুনি না কিছুই আর।
তোমার সাথে আমার কোন স্পর্শ নেই।
একটু বেশিই তোমায় দেখার ছিল
আর একটু বেশি শোনার…
একটি কথা তোমায় বলার ছিল
বাকী রইল। থেকেই যাবে।
দালাল আইন
৩রা ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ক্যাবিনেট মিটিং এ দালালদের বিচারের বিষয়টি আলোচিত হয়।
যৌথবাহিনীর অগ্রগতি এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তাঞ্চল গঠিত হওয়ার সময়ে স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি প্রবাসী সরকারের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করে।
"অগ্রসরমান মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা রাজাকার / আলবদরদের নিজেরাই শাস্তি প্রদান শুরু করে। অধিকাংশ সময়ই শাস্তি মানেই মৃত্যুদন্ড। ব্যক্তিগত আক্রোশ এবং প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছিল কেউ কেউ।" এইচ টি ইমাম, বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১, পৃষ্টা ৩২৯।
এর আগেই ৮ই ডিসেম্বর বেসামরিক প্রশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং পাকিস্তানী দালালদের বিচার ও প্রবাসী সরকারের প্রতি অনুগত সরকারী কর্মচারীদের যাচাই বাছাই বিষয়ে সচিব পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।