ইউজার লগইন
ব্লগ
স্টোরিয়া পোলস্কা (শেষ পর্ব)
পরদিন সকাল সকাল বেরিয়ে পড়ব ভাবলেও গড়িমসি করে বিছানা ছেড়ে ফ্রেশ হয়ে বেড়োতে বেড়োতে বারোটা বেজে গেলো। নাস্তার টাইম চলে গেলো তাই ব্রাঞ্চ করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। ব্রাঞ্চ করার জন্যে ট্রাম ধরে সিটি সেন্টারে গেলাম। বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবারের ছবি দেখে কোন রেষ্টুরেন্টে ঢুকবো তাই সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না। খাবার দাবার তুলনামূলকভাবে নেদারল্যান্ডসের থেকে বেশ সস্তা। একটি টার্কিস রেষ্টুরেন্টে শেষমেষ ঢোকা হলো। খেয়ে দেয়ে বের হয়ে আগে থেকেই ঠিক ছিল পুরনো ওয়ার্শাও দেখতে যাবো, কিন্তু ট্রাম খুঁজতে যেয়ে দেখলাম, ফাটাফাটি সামার সেল চলছে সেখানে। আর কি, ঢোকো দোকানে।

তুমি ডাকলেনাতো-----
তুমি ডাকলেনাতো, নিঠুর ওগো ! আসছি তবু আসছি ।
তোমার পথে চিরতরে হারিয়ে যেতে আসছি । তুমি ডাকলেনাতো-------
আকাশ পাড়ে হাজার তারা, জেগে থাকে তন্দ্রা হারা,
আপন হারা সে তারাদের কোনটি তুমি হও !
সারাটি রাত তাইতো জেগে খুঁজছি তোমায় খুঁজছি । তুমি ডাকলেনাতো-------
পথের ধুলায় পায়ের চিহ্ন যাওনি কিছু রাখি,
পথের মাঝে তাইতো থেমে আছি !
বনের ধারে সারাবেলা,
ফুল পরীদের বসে মেলা,
আপনভোলা সেই কলিদের কোনটি তুমি হও !
তাদের ছুঁয়ে তোমার ছোঁয়া তাইতো পেতে চাচ্ছি,
ওগো কাছে যেতে চাচ্ছি । তুমি ডাক্লেনাতো--------
জীবন মরণ
ফুরালোনা সাধ যত , ফুরালো সময় ;
যাতনে শান্তির খোঁজে ছলনার সুরে
ফেলে আসা পথে সুখ রয়ে গেল দূরে ।
সমুখে যে মহাকালে হারাবার ভয় ;
জীবন মানে কি এ সহজ পরাজয় !
এজীবন রণ - মানবের হিততরে
জিনতে তারে দৃঢ় আশা রবে অন্তরে -
অপরে অর্পণ করে প্রীতি ও প্রণয় ।
বিধির চরণে দিয়ে আপনাকে সঁপে
সংশয় কাটে তাঁরে করলে স্মরণ ;
অনন্ত সুখের পথ ব্যাথা অভিশাপে
গড়ে সদা নরভক্তি করেন গ্রহণ ।
তাঁরি ডাকে একদিন লয়ে পূণ্যপাপে
যেতে হবে চিরতরে বরিতে মরণ ।
একদা জাহাঙ্গীর নগরে
আপনি নতুন ক্লিকবাজী করেন? কোটি কোটি ছবি তুলেছেন? হয়তো আপনার ছবি নিয়ম মত হয় নাই। তো কি করবেন? প্রকাশ করবেন না? বড় বড় ফটোগ্রাফারদের ছবি আপলোডের পর আর নিজের ছবি আপলোড শরমের ব্যাপার
... তাই অন্যদের আগেই নিজের গুলা প্রকাশ করা উচিত।
সেই থিউরি মাইনা কিছু ফটুক তুইলা দিলাম আপনাদের আলোচনার জন্য।
আমাদের একটা ফটোগ্রাফী ক্লাব আছে... তো হুট কইরাই আয়োজন... ৩০/৪০ জন যাবে বইলা নিশ্চিত করার পর বাসে উঠে দেখি মাত্র ১০ জন। এই হয়... সব্বাই কইবো আমারে কয় নাই ... কিন্তু যাওয়ার টাইমে হাপিস
যাউকগা... এইসপ ব্যাপার্না ... চলেন এক চক্কর জাহাঙ্গীরনগর দেইখা আসি
ছবি :: ০১ :: জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সদর দর্জা

ছবি :: ০২ :: প্রকৃতি
৮ ডিসেম্বর ১৯৭১
এদিন পাকিস্তানি বাহিনী বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। আকাশ ও স্থলে শাণিত আক্রমণে দিশেহারা পাক সৈন্যরা। ঢাকার দিকে পালাবার কোন পথই তাদের সামনে খোলা ছিল না পাকিদের। একের সঙ্গে অন্যের যোগ দেয়ারও কোন উপায় ছিল না। এই সুযোগে মিত্রবাহিনীর কর্মকর্তারা তিনটি ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুরো পাকিস্তানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। জেনারেল জগজিত্ সিং অরোরাকে তিনটি কলাম নিয়ে ঢাকার দিকে দ্রুত অগ্রসর হওয়ার জন্য বলা হয় এবং একটি ব্রিগেডকে দ্রুত হালুয়াঘাটের দিক থেকে ময়মন-সিংহের দিকে অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণ করতে বলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে এই আশ্বাস দেন যে,
আত্মসমর্পণ করলে পাকবাহিনীর প্রতি জেনেভা কনভেনশনের রীতি অনুযায়ী সম্মানজনক ব্যবহার করা হবে।
জেনারেল মানেকশ’র এই আহ্বান আকাশবাণী ব
বাসা বদল
যখন সব কিছু - সব কিছু মানে সবই
পড়ে থাকে টুলে আর দূরে থাকে বসে
লম্বা ছায়া
দীর্ঘ হাঁটা ক্লান্তি শুয়ে পড়ে কলিং বেলে
সিড়ির ভেতরে শব্দ আগন্তুক
... খুলতে যতটা দেরী
তার চেয়েও কাছাকাছি
নিয়ে ফেলে অবসরের বাসাবাড়ি
তেমন কোনো নিকটস্থ রাতে
উদার অন্ধাকার পকেটে পুরে
খটমট উঠে যাবে জানালায়
বারান্দায় ডাকবে কেউ
পাশের বাড়ির পর্দায়
দোল খাবে মলিন আয়না
তেমন একটা বদল করা বাসায়
কাটবে অনিষ্ট প্রহর!
চিরায়ত ঘুম
এখনো অনেক রাত বাঁকি ,
চারিদিকে নিঝ্ঝুম নিরবতা ।
এরই মধ্যে স্বপ্নরাজ্যে পাড়ি জমিয়েছে অনেকেই ।
এদের কারো চোখে সোনালী স্বপ্ন ,
কারো কাছে তা আবার ধূসর বর্ণ ।
কারো কারো চোখে আবার রঙের বালাই নেই -
আছে আঁধার , কেবলই আঁধার ।
কারো কারো ঘুমহীন চোখ রক্তাক্ত লাল
সোনা বা রূপার কাঠি ছোঁয়ায়না কেউ তাদের পায় ।
ওরা নিঃশব্দে পাশ ফিরে বারবার ,
ঘুমোতে চেষ্টা করে - পারেনা ।
কেউ কেউ জেগে থাকে সারা রাত অভুক্ত পেটে
খোলা আকাশের নিচে জ্বলজ্বলে তারা গুনে গুনে ।
ওদের চোখে কোন ঘুম নেই , নেই কোনো স্বপ্নও ;
শুধু আছে দুমুঠো ভাতের স্বপ্নমাখা নীরব চাহনি ।
ওদের বুকফাটা আর্তনাদে
নিশাচর কুকুরগুলো বারবার ডেকে ওঠে ।
তবু ওপর তলার ঘুমন্ত বাবুবিবিদের কানে
সে আওয়াজ কখনো পৌঁছায়না , কখনো পৌঁছাতে পারে না ।
হয়ত এ রাত কেটে যাবে ,
ভোরের আলোতে মৃয়মান তারাগুলোও মিলিয়ে যাবে অচিরেই ;
নড়বড়ে রবি ঠাকুর আর বিস্মৃত কিছু সময়..
আমার ভাতিঝির বয়স সাড়ে ছয় বছর। সিমেন্টের ফ্লোরে খেলে আর আই ফোন দিয়ে রাগী পাখি তাড়ায়। ভাবতে অবাক লাগে আসলেই কি অদ্ভুদ ত্রৈধ বিন্দু দেখেছে এবং দেখছে আমাদের প্রজন্ম। আজব বাক্সটা ডিম আকার ছেড়ে সমান হলো..এখন আবার টেবিল ছেড়ে দেয়ালে ঝুলছে। ছবি প্রিন্ট করা আর আকাশ থেকে পড়া এখন সমান। সেই ছবি অ্যালবাম ছেড়ে আজ মানুষের ক্লিক নির্ভর। আম্মা প্রায়ই বকা দিত, 'ছবির উপরে হাত দিবানা- আঙুলের ছাপ পরবে'..এখন মানুষ কয়-'ম্যাকের উপরে হাত দিবানা- ছাপ পড়ে..'
এখন মানুষের মনে দাগ কাটার চাইতে যন্ত্রে আচঁড় কাটা সহজ...
সেই যন্ত্রের প্রতি ভালোবাসা এখন এতই কোন একদিন আমার ভাতিঝি হয়তো বলবে, আমরা মানব নই যানব..!!
আমরা যেহেতু একদমই মাটির মানব - তাই মাঝে মাঝে এখনকার সময়ের সাথে নিজেদের সময়টা মিলিয়ে নেই। কি অদ্ভুদ ছিল আমাদের স্কুল জীবন! খুব বেশিদিন আগে তো না।
৭ ডিসেম্বর ১৯৭১
এদিনে ভুটান স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। এসময় যুদ্ধ পরিস্থিতির বিবরণ দিয়ে জেনারেল নিয়াজি গোপন বার্তা পাঠিয়েছিলেন রাওয়ালপিন্ডি হেড- কোয়ার্টার্সে। রিপোর্টে তিনি উলেস্নখ করেন, 'চারটি ট্যাংক রেজিমেন্ট সমর্থিত আট ডিভিশন সৈন্য নিয়ে আক্রমণ শুরু করেছে ভারত। তাদের সাথে আরো আছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৬০ থেকে ৭০ হাজার বিদ্রোহী (মুক্তি-যোদ্ধাদের পাকিস্তানিরা তখন বিদ্রোহী বলে উলেস্নখ করতো)। তিনি আরো লেখেন, স্থানীয় জনগণও আমাদের বিরুদ্ধে। দিনাজপুর, রংপুর, সিলেট, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লাকসাম, চাঁদপুর ও যশোর প্রবল চাপের মুখে রয়েছে। পরিস্থিতি নাজুক হয়ে উঠতে পারে। তিনি লিখেছেন, ' গত নয় মাস ধরে আমাদের সৈন্যরা কার্যকর অপারেশন চালিয়েছে এবং এখন তারা তীব্র যুদ্ধে অবতীর্ণ। গত ১৭ দিনে যেসব খণ্ডযুদ্ধ হয়েছে, তাতে জনবল ও সম্পদের বিচারে আমাদের ক্ষয়ক্ষতি বেড়ে গেছে। রাজাকারদের
কষ্টের এক যুগ
সিগারেটের ধোঁয়া বেশ বিরক্তি লাগে জিতুর। তবু জিতু সিগারেট জ্বালিয়ে বসে আছে বাড়ির পেছনের মাঠে। সিগারেট কখনো পান করে না জিতু । প্রতিবছর এই দিনে একটি সিগারেট কিনে নেয় গ্রামের রহিম মিয়ার মুদি দোকান থেকে । রহিম মিয়া অবাক হয় কিন্তু কিছু বলে না । বছরের এই দিনটি বেশ কষ্টের । সিগারেট জ্বালিয়ে বুকের মাঝে চামড়ায় স্যাকা দেয় জিতু । বুঝতে চেষ্টা করে কতটা কষ্ট হত তার মায়ের ?আজ এক যুগ হল জিতুর মা মারা গেছে । ঠিক মারা গেছে ভুললে হবে , মেরে ফেলা হয়েছিল । আর তারপর আত্নহত্ন্যা বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন জিতুর বয়স আট। আজ জিতুর বয়স কুড়ি।মায়ের চোখ বুঝে অত্যাচারের সে সব কষ্ট সহ্য করা জিতু দেখেছে নিজের চোখে কিন্তু অনুভব করতে পারেনি সেই সময়। তাই সে অনুভব করতে চায় মায়ের কষ্ট আর বেদনা গুলো।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
খেলা দেইখা প্রচন্ড মেজাজ খারাপ।কোথাও গেলাম না বন্ধুরা সবাই মিলে পুরান ঢাকা ট্যুর দিলো মনিরের গাড়ীতে বিকালে আমি বললাম বাংলাদেশ জিতবে আজ,আজ আমি কোথাও যাবো না।এই ভাবেই যে ধরাটা খাবো ভাবি নাই আগে।কি আর করা, ভেবে কি আর হবে!
জীবনের অপর নাম জেনেছি বাশ
লাভ হবে কি ছেড়ে দীর্ঘ শ্বাস!(স্বরচিত)
নেট নিয়া আছি ফ্যাসাদে।জিপির ১ জিবি শেষ হয় ৭ দিনে।কি সোলেমানী বান মারছে আল্লাহই জানে।স্পীড তো অনন্তর সিনেমা খোজ দ্যা সার্চের মতো।সেই ব্যাটার আরো দুইটা সিনেমা আসতেছে।রিদয় ভাঙ্গা ঢেউ আর মোস্ট ওয়েলকাম।সার্চ ২ এরো কাজ শ্যাষ প্রায়।ঐ হালার একখান পি এর জব ভেকেন্সী দেখছিলাম।সেইখানে তার এসিট্যান্টকে অবশ্যই আইবিএর এমবি করা আকর্ষনীয় চেহারার ছেলে/মেয়ে হতে হবে।আমি কই হালার পো আইবি এ তো দূরে থাক আমার মতো বলদ ও তোর চাকরী করবে না যদি না তোর মতোই ছাগল না হয়।
রিটায়ার্ড হার্ট পোস্টটার বদলে
ভারতের একটা ম্যাগাজিন আছে, এফএইচএম। একটু ইয়ে ধরনের ম্যাগাজিন আর কি। তবে দু'চারটা স্টোরি পড়ে মনে হলো ম্যাগাজিনের মূল কন্টেন্ট হচ্ছে- ফ্যাশন টুলস, ফ্যাশন আইডিয়াজ আর ফ্যাশন ইউটিলিটিজ। বিক্রি-বাট্টা বাড়ানোর জন্য তাদের স্ট্র্যাটেজী হচ্ছে বিভিন্ন নায়িকাদের রগরগে ছবি দিয়ে কভার পেজ করা। এছাড়া বিভিন্ন গসিপ বা খবরকে মসলা-টসলা মিশিয়ে ভালো ট্রিটমেন্টও দেয় দেখলাম।
৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
ভারত এদিন স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশকে। সেদিন লোকসভায় দাঁড়িয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন,
বাংলাদেশের সব মানুষের ঐক্যবদ্ধ বিদ্রোহ এবং সেই সংগ্রামের সাফল্য এটা ক্রমান্বয়ে স্পষ্ট করে তুলেছে যে তথাকথিত মাতৃরাষ্ট্র পাকিস্তান বাংলাদেশের মানুষকে স্বীয় নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে সম্পূর্ণ অসমর্থ। বাংলাদেশ সরকারের বৈধতা সম্পর্কে বলা যায়, গোটা বিশ্ব এখন সচেতন যে তারা জনগণের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটায়, জনগণকে প্রতিনিধিত্বকারী অনেক সরকারই যেমনটা দাবি করতে পারবে না। গভর্নর মরিসের প্রতি জেফারসনের বহু খ্যাত উক্তি অনুসারে বাংলাদেশের সরকার সমর্থিত হচ্ছে ‘পরিপূর্ণভাবে প্রকাশিত জাতির আকাঙ্ক্ষা বা উইল অব দ্য নেশন’ দ্বারা। এই বিচারে পাকিস্তানের সামরিক সরকার, যাদের তোষণ করতে অনেক দেশই বিশেষ উদগ্রীব, এমনকি পশ্চিম পাকিস্তানের জনগণেরও
দেখা অদেখার ভোর..[এলোমেলো কাব্যকথন]
রাত্রি জেগে ভোর,
আঁধার ফিকে হয়ে আসে..
পাখির ডাকে,
সকাল এসে যায়..
কত দিন,
কত দিন হয়ে গেল..
ভোরের স্নিগ্ধতা ছুঁয়ে;
পবিত্রতার অনুভবে,
সূর্যোদয় দেখা হয়না..
চাঁদ নিয়ে কাব্যের পালা শেষ,
সূর্যালোকে সকাল হয়ে আসে..
দিনের প্রথম রবি রশ্মিতে,
ডানা ঝাঁপটায় পাখি..
জীবনের জয়গান গেয়ে;
আকাশের গায় ছড়িয়ে পড়ে,
সৃষ্টির সুবাতাস..
কত দিন,
কত দিন হয়ে গেল..
চোখ মেলে থাকি,
পৃথিবীর জেগে উঠা দেখা হয়না..
জীবনের পথচলায়;
হারিয়ে যাবার আগেই,
ফাঁকা রাস্তায়..
খোলা আকাশ ছাদের নিচে;
কুয়াশা চাদর গায়ে ঘুমায়,
তৃপ্ত হাসিমুখ..
নিরাশার হাওয়াতে-ও দোলে,
আশার স্বপন ভেলা..
ভোরের আলোয়,
স্বচ্ছ দু'টি চোখ..
তিরতির কাঁপা ঠোঁটে,
ভালোবাসার আশ্রয়..
ধীরে ধীরে;
এক পা দু'পা করে,
ছড়িয়ে পরে-
সূর্য কিরণ..
কচি সবুজ পাতা,
ঘাসে..
সদ্যস্ফোটা,
যত ফুলের ঝাড়ে..
আলোর পরশে,
নিশিকাব্য..[এলোমেলো কাব্যকথন]
রাত্রি নিঝুম,
চোখে নেই ঘুম..
ঘুমপরী আসেনিকো,
দেয়নিকো চুম..
পিচ ঢালা রাস্তায়,
আঁধারের আবাসন..
রাত্তিরে আলো খুঁজে,
একিতর প্রহসন..
ওই আঁধারে..
আলোর প্রহর;
কড়া নেড়ে যায়,
আমার দ্বারে..
আঁধার আকাশ;
মেঘে ঢেকে,
হায়..
নীরবতা সুর;
প্রানে,
গান গেয়ে যায়..
আমার আকাশ;
আমার থাকুক,
প্রিয় যত দুঃখ,
প্রিয় যত সুখ..