ইউজার লগইন
ব্লগ
যাপিত জীবন: মিছিল শ্লোগান ও নেতাদের ডিগবাজী
সিগারেটে আয়েশ করে টান দিয়ে ধূয়া ছেড়ে শিবলি মনোযোগ দিয়ে ধূয়ার বাতাসে মিশে যাওয়া দেখছে। মাত্রই আমরা সিগারেট খাওয়া শিখেছি। একটা সিগারেট কমপক্ষে তিনজন ভাগ করে খাই। শিবলির আর দুইটান পরেই আমার টার্ন। এমন সময় চপল সামনের দিকে আঙ্গুল তুলে বলে উঠল, 'এইরে বাবুল ভাই'। সাথে সাথে আমরা দ্দ্রুত উঠে অন্য রাস্তা দিয়ে বাবুল ভাইয়ের নাগালের বাইরে চলে গেলাম
বাবুল ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন এবং ছাত্রমৈত্রীর নেতা। তিনি আমাদের মিছিল মিটিং এ নিয়ে যেতেন। রাজনীতি মিছিল ইত্যাদিতে আমাদের তেমন আগ্রহ না থাকলেও বাবুল ভাইয়ের আগ্রহে প্রথম প্রথম কয়েকটা মিছিলে যেতে হয়েছে। মিছিলের শ্লোগান গুলো ছিল জ্বালাময়ী। এখনও কয়েকটা মনে আছে। যেমন:
কমরেড কমরেড
ভেঙে ফেল ব্যারিকেড।
দিয়েছোতো রক্ত
আরো দিবো রক্ত
রক্তের বন্যায়
ভেসে যাবে অন্যায়।
লড়াই লড়াই লড়াই চাই
লড়াই করে বাঁচতে চাই
এ লড়াই এ জিতবে কারা
কৃষক শ্রমিক সর্বহারা ।
আবার ৩০ এপ্রিল..
১.
বিষয়টি একদিন বিজয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবস পালনের মতো নয়..এ অভ্যাস প্রতিদিনের। যেকোন ভালো সময়ে বা খারাপ সময়ে.. না থাকার অভিযোগ..না পাওয়ার কষ্ট ..অথবা কেনো করতে পারা-এই সুক্ষ্ম বোঝা মাথার উপর..অনেক গুলো বছর ধরে..
২.
যখনই মজার কোন খাবার সামনে আসে, তখন কষ্ট হয়..ভদ্রলোক খেতে ভালোবাসতেন। প্রায় বছর তিনেক তিনি খেতে পারেননি। স্বপ্নের মাঝে একবার বলেছিলেন, পিঁয়াজ দিয়া মরিচ দিয়া ডইল্যা আহ!..সেটা নিয়ে আমরা অনেক মজাই করেছি..তখন.. ঝাল বাপের বেশ পছন্দ ছিল। আজো এই খাবারটা আমার বড্ড ঝাল লাগে..খেতে গেলে চোখে পানি চলে আসে।
৩.
বৃষ্টিকথা
মনস্তত্ত্ব নিয়ে আমার পড়াশোনা খুবই সীমিত। কিন্তু তা বলে আগ্রহ সীমিত এমন ভাবা যাবে না। বরং মনস্তত্ত্ব বুঝতে চেষ্টা করাটা আমার একটা শখ বলা যেতে পারে। মানুষের মধ্যে বিভিন্ন রকম মজার বিষয় আছে। লেখক হুমায়ুন আহমেদ নেত্রকোণার কুতুবপুর গ্রামে তার বাবার বাড়িতে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন। শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ। কি মনে হলো, একদিন তিনি ঘুরে দেখতে গেলেন সেই স্কুল। সঙ্গে নিয়ে গেলেন কিছু চাবি।
সেসব চাবি দিয়ে তাঁর দরজা খুলে দেয়ার ইচ্ছে ছিলো। শিশুদের জন্য সৌভাগ্যের দরজা। তিনি শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাকে সেখানে দেখলাম সবসময় বেশ ব্যস্ত। মাইকে একটা কথাও বলার শুরুতে ‘অ্যাই শোনো আমি কিন্তু আজ কথা বলতে আসি নি’ বলে শুরু করছেন। অ্যাই শব্দ দিয়ে একটি জনগোষ্ঠীকে তিনি সম্বোধন করছেন। তারা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।
ট্যুর দ্যা বার্সেলোনা
গত বছর দেশ থেকে ফিরে এসে অবধি কোথাও যাই নাই। চাকরী বাকরী নাই কই যাবো। পয়সা নাই মানে স্বপ্ন পরিকল্পনা কিছুই নাই। রোজ রাঁধি, খাই, ব্লগাই, ফেসবুকাই। আমার মতো পাড়াবেড়ানি মানুষের জন্যে চরম কষ্টের দিনরাত পার করা। কিছুদিন আগে একটা অনুষ্ঠানে পুরনো বন্ধু শ্যামার সাথে দেখা হলো। প্রবাসী থাকতে সপ্তাহে সপ্তাহে দেখা হতো, প্রবাসী ভেঙ্গে এখন হয়েছে সীমানা পেরিয়ে সাথে বন্ধু বান্ধবের মুখও বদলে গেছে। সপ্তাহে সপ্তাহে এখন অন্য মুখ। গান –বাজনা, খাওয়া – দাওয়া, আড্ডা সব প্রায় একই আছে শুধু মুখগুলো বদলে গেছে। শ্যামা এখন বার্সেলোনা আছে, রয়টার্সে চাকরী নিয়ে, খুব ধরলো একবার যেতে।
অস্ত্র
মগের বেটি কিক বক্সিং শিখছে। এই অসিলায় তার সাথে হেবি ফাইট হল। ফাইটটা কথার( যে ফাইটে প্রেমিকরা সবসময় হারে)। তো, অস্ত্র, আত্নরক্ষা, ইত্যাদি বিষয়ে আমার হেরে যাওয়া আর্গুমেন্টগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্যই এ লেখা।
My father never raised his hand to any one of his children, except in self-defense.
Fred Allen
কুকুরায়ন:
জীবন
জীবন একটি আলংকরিক পাতা
জীবন সেতো হিসেবের খাতা
জীবন একটি সদ্য ফোটা ফুল
জীবন যেন ঘটে যাওয়া ভুল
জীবন সেতো রহসসের জাল
জীবন কতো সৃতির পাল
জীবন যেন আঁকা কোন ছবি
জীবন সেতো জীবনেরই কবি
জীবন তুমি তোমার মত চল
জীবন তুমি কার কথা বল?
জীবন তুমি একি আনুন্দ মহীয়সী
জীবন তুমি রং ধনু্র ঋষি
জীবন ...সেতো আমাদেরই গল্প
জীবন... সেতো সুখের সাথে দুঃখ অল্প
জীবন... কিছু আশার বনবাস
জীবন... সবার সাথে সবার বন্ধুত্তের আভাস......। 
জীবন
জীবন একটি আলংকরিক পাতা
জীবন সেতো হিসেবের খাতা
জীবন একটি সদ্য ফোটা ফুল
জীবন যেন ঘটে যাওয়া ভুল
জীবন সেতো রহসসের জাল
জীবন কতো সৃতির পাল
জীবন যেন আঁকা কোন ছবি
জীবন সেতো জীবনেরই কবি
জীবন তুমি তোমার মত চল
জীবন তুমি কার কথা বল?
জীবন তুমি একি আনুন্দ মহীয়সী
জীবন তুমি রং ধনু্র ঋষি
জীবন ...সেতো আমাদেরই গল্প
জীবন... সেতো সুখের সাথে দুঃখ অল্প
জীবন... কিছু আশার বনবাস
জীবন... সবার সাথে সবার বন্ধুত্তের আভাস......। 
ছাগল জাতির কেচ্ছা
অনেক আগে "ইত্যাদি"র একটা সেগমেন্টে দেখাইছিলো যে পল্টনের ফুটপাথে বইয়ের পসরা সাজায়া বসে আছে দোকানীরা। পথ চলতে চলতে মানুষজন সেই বইয়ের পসরার সামনে দাঁড়ায় পড়তাছে। প্রতিটা বইয়ের ঝাঁপির সামনে ভিড়। ইত্যাদির সেগমেন্টটার সারমর্ম ছিল এই যে, ঢাকার মানুষের খেয়ে দেয়ে কাজ নাই, কোন কারণ ছাড়াই তামশা দেখতে ভিড় জমায়। এই আলসেমির কনটেক্সটে বই ঘেঁটে দেখা কিভাবে আসে তা হানিফ সংকেত ভাল বলতে পারবেন, তবে সারমর্মের কথাটুকু পুরাপুরি মিথ্যাও না। শাহজাহানপুরে যখন দেশের প্রথম ফ্লাইওভার বানানো হচ্ছিল, মানুষ গর্ত দেখতে গোল হয়ে জমা হতো। ফ্লাইওভারের কাজ চালায় যাবার জন্য পরে নির্মাতাদের মানুষ খেদানোর জন্য গার্ড ভাড়া করতে হইছে। একই ঘটনা ঘটতাছে এখন যাত্রবাড়ি-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের বেলায়ও। ওইখানকার স্থানীয় এক বন্ধুর ফেসবুক স্ট্যাটাসঃ
উপলব্ধি
অনেকদিন পর লিখছি।
অনেকদিন পর লিখছি।
কিন্তু ফাঁকে ফাঁকে ব্লগ পড়তে ভুলিনি।
ভুলিনি পছন্দের লেখাগুলোকে বুক মার্ক দিতে।
"আমরা বন্ধু"র ব্লগারদের মিস করেছি খুব। এই পোস্টটা তাই ব্লগার এবং ব্লগ নিয়ে।
-----------------------
"আমরা বন্ধু" ব্লগ দিয়েই আমার ব্লগিং জীবনের সূচনা। কেন এই ব্লগ বেছে নিলাম তা নিয়ে হা-বিতং করে বলার কিছু দেখি না। এখানকার পরিবেশ আমাকে যে স্বাচ্ছন্দ্য দেয় তা দুর্লভ।
আমার পোস্টে আমি এমন কিছু লিখি নাই। এই ব্লগে উপচে পড়ে ভালো লেখার ঢল।
এমন কোন ছবি পোস্ট দেই নাই যা সাধারণের সীমা অতিক্রম করতে পারে। এবি'র ফটুগফুরদের তুলনায় নস্যি।
আত্মকথন.. পর্ব ২
ভেবেছিলাম আমার লেখা কেউ পড়বে না,নিজের লেখা নিজেই লাইকাইতে হবে কিনা ভাবছিলাম
।সকালে ফেসবুক চেক করতে গিয়ে দেখি আমার ভাই এর মেসেজ,'আপু লেখা ভাল হয়েছে,তবে একটু কষ্ট করে বাংলা লেখাটা শিখে ফেল"..তখন ভাবলাম দেখি আজকে নতুন কিছু লেখা যায় কিনা।ব্লগ এসে দেখি সবার উষ্ণ স্বাগতম,আর সাথে বাংলা শেখার উৎসাহ।কউশিক এর করা আমার লেখার অনুবাদ দেখে তো আমি প্রথমে চিন্তেই পারিনি।তাই আহ্লাদে গদগদ হয়ে পর্ব২ লিখতে বসলাম।
ব্যথা ভারাক্রান্ত ঘুঙুরের মতো রাতভর বেজে যাওয়া এক দুঃখবিলাস!
এখন বাহিরে রাত
দূর হতে ভেসে আসে রাতজাগা বিহগের
বিষন্ন আর্তরব।
কেউ কোনোদিন জানবে না
কিসের বিরহে তার নির্ঘুম রাত কাটে;
দু’চোখের পাতায় অস্থির কাপন।
জানো কি তুমি,
কি হারানোর বেদনায়
কতো গভীর দুঃখ যাতনায়
পাথরেরও বুক ভাঙে!
দেখেছো কি তুমি,
পাহাড়ের কোল বেয়ে সে কান্নার
ঝর্ণা হয়ে অবিশ্রান্ত বয়ে যাওয়া!
তুমি শুনতে পাও কি,
ক্লান্ত দুপুরে রাখালীয়া বাঁশীতে
বাদকের বোবা যন্ত্রণার
সুর হয়ে ঝরে পড়া!
কিংবা,
ঝিঁ-ঝিঁ পোকার জমানো অনেক দুঃখের
অবোধ্য স্বরে
ব্যথা ভারাক্রান্ত ঘুঙুরের মতো
রাতভর বেজে যাওয়া!
পাও কি শুনতে তুমি?
আনমনা হয়ে ভাবো কি কোন অপূর্ণতার কথা?
মনে পড়ে কি আবছা হয়ে আসা অতীতের কোন মুখ?
আমি জেগে আছি।
আমার পৃথিবীজুড়ে এখন শুধুই
অসহ্য অন্ধকার;
মনের গল্প

আমার দেহ আমার এ মন
একলা আমি ওরা দুজন !
ঠিক তাই ! প্রকৃতির মত ক্ষণে ক্ষণে বদলে যাওয়া আমার এ অবুঝ মন, কখন যে তার কি হয় বোঝা মুশকিল। কখন যে তার বয়স বাড়ে আর কখন যে কমে তা আমি একদমই বুঝতে পারিনা। তার সাথে তাল মেলাতে যেয়ে আমি মাঝে মাঝে বেতাল হয়ে যাই।
এইতো ধর সেদিন পরিবারের এক গাদা পিচ্চি নিয়ে গেলাম ফ্যান্টাসী কিংডম। টিকেট কেটে চড়ে বসলাম রাইডগুলিতে, পিচ্চিগুলির সাথে মনটাও আমার পিচ্চি হয়ে গেল। আমার এই দেহটা কি আর সব সময় সে ধাক্কা সামলাতে পারে। সারাদিন মাস্তি করে গায়ে হল ভিষণ ব্যাথা, কিন্ত মন ! সে তো ওই পিচ্চিদের মত নির্মল আর সতেজ থাকল!
আমার যাদুমনি (১১)
দেখতে দেখতে দিন গুলো চলে যাচ্ছে। কাল হঠাৎ মনে পড়লো ঋহান এর নিউমনিয়া কালীন সময়ে হসপিটালে পার করা ভয়াবহ দিন গুলোর কথা। ঋহানকে নিয়ে যখন ডাক্তার আই.সি.ইউ তে ঢুকলো, আমার ঋহান ভেতর থেকে সজোড়ে চিৎকার করে কাঁদছে আর এদিকে আমি বাইরে দাঁড়িয়ে অঝরে কাঁদছি। তারপর এক এক করে ৭টা দিন এভাবেই পার করা আমার জন্য মুখের কথা ছিলো না। তাও পার করে আসতে পেরেছি সেই ভয়াবহ ৭দিন। তারপর হাসি-কান্না্, সুখ-দুঃখ মিলে একে একে ৯টা মাস পার হয়ে গেলো। আমার ঋহান এখন বড় হয়ে যাচ্ছে। এখন ও বসতে পারে, একটু একটু দাঁড়ানোরও চেষ্টা করে। সারাদিন ওকে ঘিরে আমার কত শত মূহুর্ত! ও কি জানে, ওর প্রতিটা কাঁন্না আমার মন খারাপ করে দেয়? ও কি জানে ওর প্রতিটা হাসি আমার মন ভালো করে দেয়? ও কি জানে, ও নিজের মুখ থেকে সারাদিন যেসব অর্থহীন শব্দ উচ্চারন করে সেই প্রতিটি শব্দতে আমি এক একটা অর্থ খুঁজে পাই?
attokothon
sobak kache khoma cheye nichi..amrabondhu te registered howar po onekbar chestakorechibanglay likhar..bt avro phonetics er help niye jotokhone akta line likhi..tokhone bodh hoy enrejite..thukkuengilsh e banglar 20ta line lekha hoye jeto..ki kotrbo bhai..prothom prothom to...keu abar bhebe bosben na jeno..ami english medium e porua lass one er pichir mayeder moto bolchi.."janen bhabi amar chele to bangla akkebarei bolte pare na..ma dak to kono motei mukh diye ber kortei parlam na...amake MOm r or abbu k Dad ble..dekhen na bhabi..amra ki otoshoto bujhi.. 