ইউজার লগইন
ব্লগ
হটল্যান্ড থেকে ফ্রিজল্যান্ড ২ : দুবাই
রাতের ফাঁকা রাস্তায় একশ কিমিতে গাড়ি চালিয়ে মাইক্রোর ড্রাইভার বিশ মিনিটেই বিমানবন্দরে পৌছে দিল। এই প্রথম বিদেশ যাত্রা, মনের ভিতর টেনশন। বোর্ডিং এ ফরম পূরণ করে লাইনে দাঁড়াতেই এক যাত্রী অনুরোধ তার ফরম লিখে দেওয়ার। এই লোককে দেখে আমার মনের ভয় সবটাই নাই হয়ে গেল, সম্পূর্ণ নিরক্ষর একজন পাঁচ বছর সৌদিতে কাজ করতে পারে, যাওয়া আশা করতে পারে তবে আমার ভয় কী?
সবক-দ্য লেসন
আমি অনেক অলস একজন মানুষ। আমার সম্পর্কে যারা উচ্চ ধারণা পোষণ করেন, অনেকদিন ধরে তাঁদের আব্দার একটা কিছু সুন্দর করে যেন লিখি। তাই ভাবলাম নাইবা হলাম মুহম্মদ জাফর ইকবালের মত কেউ, অথবা নুশেরা আপু, মীর ভাই বা তাতাপু (আমি সব ব্লগার কে চিনিনা, যারা লেখেন তাঁদের সবার লেখার প্রতি আমার শ্রদ্ধা রইল); তবে মোদ্দা কথা হল এই, এবিতে আমিও পেচ্চাপেচ্চি করে বিমল আনন্দ পেতে চাই। তাই আমার নিজের ও আমার খুব কাছের কিছু ঘটনা দিয়ে শুরু করছি-
নববর্ষের সকালে সবাই বাড়িতে সব্বাইকে শুভেচছা জানাচ্ছি, আমার ছেলে জানতে চাইল শুভ (ওর বাবার নাম)নববর্ষ হল এবার আরভিন বর্ষ কবে হবে?
আমার যাদুমনি (১০)

এই বাবা, খবরদার! আমার ছবি তুলবা না 

এই বয়সেই শুরু। একেই বলে বাপ-কা বেটা

মা এগুলি কি পঁচা কথা বলে, আমি কিন্তু এখনি কান্না কলে দিবো

নিশি-নবনী-ঋহান (ঋহানের ফুপুতো বোনরা)

আনন্দ বাতাসে উড়ে বেরায়, বাবা-ছেলে সেটা ধরতে চায়

হতবাক!

ঋহানের উকিঝুকি

নোরা-ঋহান এর হামাগুড়ি
জীবন যে রকম
১.
এক উঠতি আঁতেল কবিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কেমন আছেন?
ভাব নিয়ে সেই কবি বলেছিল, 'রবীন্দ্রনাথ নেই, নজরুলও মারা গেছে। আমার শরীরটাও ভাল যাচ্ছে না'।
নানা ঝামেলায় অনেকদিন পর ব্লগে ঢুকলাম। কেউ আবার জানতে চাইয়েন না, কেমন আছি।
২.
শচীনদেব বর্মন ত্রিপুরার রাজবংশের ছেলে ছিলেন। সে সময়ের ত্রিপুরা মানেই তো কুমিল্লা। শচীনকর্তা দীর্ঘদিন কুমিল্লায় ছিলেন। তাই সেসময়ের পূর্ব বাংলা নিয়ে শচীনকর্তার বিশেষ ভালবাসা ছিল। আর তাই তিন ইস্ট বেঙ্গলের কঠিন সমর্থক ছিলেন। দলটির খেলার নিয়মিত দর্শক ছিলেন। আর চরম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল মোহনবাগান।
শেষ বয়সটা ভাল যায়নি শচীনকর্তার। অসুস্থ ছিলেন। বলতে গেলে দীর্ঘদিন প্রায় কোমার মধ্যে ছিলেন। কিছু চিনতেন না, কথা বলতে পারতেন না, কোনো ধরণের সাড়াশব্দ ছিল না।
ইদানিং জীবনযাপন
খুব ঘন ঘন মৃত্যু সংবাদ পেতে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার বয়েসে পৌঁছেছি এখন, এতদিন শুধু জন্মদিবস উদযাপন করেছি, এখন সময় এসেছে মৃত্যুদিন উদযাপনের, নতুন জন্মসংবাদ এখনও আহ্লাদিত করে কিন্তু একই সাথে মৃত্যু সংবাদ শুনবার ভীতিও সমান ভাবে প্রবল। গত এক মাসে চারজন পরিচিত মানুষের মৃত্যু সংবাদ শুনলাম, যাদের সাথে গত দুই দশক বেশ আনন্দে, আড্ডায় কেটেছে সেসব বন্ধুদের বাসায় আমাদের নিয়মিত আড্ডা বসতো, সেইসব পরিচিত মানুষের মৃত্যুর সংবাদ হুট করে পেলে খানিকটা বিষন্ন লাগে কিন্তু এ বয়েসে হারানোর শোক ততটা তীব্র নয়, এই ব্যাথ্যা ততটা তীব্র হয়ে অবশ করে ফেলে না, বরং পরবর্তী মৃত্যু সংবাদ শুনবার প্রস্তুতি নিয়ে রাখি, জানি না কখন কার মৃত্যু সংবাদ ভেসে আসবে মুঠোফোনে।
হটল্যান্ড থেকে ফ্রিজল্যান্ড ১ : প্রস্তুতি
প্রায় অর্ধযুগ হয়ে গেল বিদেশ ঘুরে আসার। কতবার ভাবছি এইটা নিয়ে লিখব কিন্তু আজ না কাল করে করে লেখা হয়ে উঠে না। দেড় মাসের জন্য হল্যান্ডের খুব খুবই ছোট এক শহরে থাকার আনন্দের স্মৃতি এতদিন না লেখার অন্যতম কারণ সেই চমৎকার সময়ের ভিজুয়াল স্মৃতি উপকরণ হারিয়ে ফেলা। সেখানে আমি আমার আশেপাশের যত ছবি তুলিছেলিাম একটা সিডিতে কপি করা ছিল। সেই সিডিটা হারিয়ে ফেলার দুঃখে লেখা আর হয়ে উঠেনা। এইবার ঠিক করেছি লিখেই ফেলব, নাহলে আর হয়ত আমার জীবনের প্রথম বিদেশ ভ্রমনের কথা লেখা হবে না।
আমি তখন একটা ডাচ-বাংলাদেশি কোম্পানিতে কাজ করতাম। কয়েকদিন ধরে কথা হচ্ছিল আমার ও আরেকজন সিনিওর কলিগের নেদারল্যান্ড যাওয়ার। তবে যাওয়া যে হবে নিশ্চিত ছিলনা। কিন্তু যখন নিশ্চিত হল তখন হাতে সময় নাই। এক সপ্তাহের মধ্যে যেতে হবে। এবং একা। এদিকে আমার কোনো প্রস্তুতি ছিলনা। এমনকি পাসপোর্টও ছিলনা।
গল্প: পানকৌড়ি বা ঘাসফড়িঙ না দেখেই কেটে গেছে প্রায় ছয়টি বছর
খেলার কাজটি ভালো পারতাম জন্মের পর থেকেই। আব্বু-আম্মু কিংবা আর সবার কোলে কত যে খেলেছি, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। তখন সবাই কোলে নিয়ে আমার খেলা দেখতেও মজা পেতো। আমিও সবার কোলে উঠে অনেক মজা পেতাম। এর কিছুকাল পর যখন একটু দৌড়াতে শিখেছি তখন জীবনের প্রথম সত্যিকারের খেলার সরঞ্জাম উপহার পেলাম। সে সময় স্কুলে যাওয়ার কোনো বালাই ছিলো না বলে দৌড়-ঝাপেরও কোনো সীমা-পরিসীমা ছিলো না। দিনের যখন খুশি, যেখানে খুশি শুরু হয়ে যেতাম। শুধু আম্মুজানের চোখের আড়াল হওয়ার পারমিশনটুকু ছিলো না। তাতে কোনো অসুবিধা হতো না। বাবা’র সরকারী চাকুরীর সুবাদের প্রাপ্ত বিশাল বাড়িটিতে অনেকখানি জায়গা জুড়ে ছিলো হাত-পা দুইদিকে যতদূর যায় ততদূর ছড়িয়ে দৌড়ানোর সুযোগ। আজ-কালকার ঈশ্বরের আশীর্বাদেরা সে সুযোগ কতটুকু পায়, জানি না।
শেয়ার বাজার ধস ! সরকারের উদাসীনতা !! প্রধানমন্ত্রীর নিরাবতা !!!
বেশ কিছুদিন ধরে মনটা অনেক খারাপ । শেয়ার বাজার ধসের পর ধস হচ্ছে । মূলধন প্রায় নাই হয়ে যাচ্ছে । তবে মনটা খারাপ অন্য কারনে । সেটা হল সরকারের উদাসীনতা । সরকারের কোন মহলই মনে হয় না বেপারটা সিরিয়াসলি নিচ্ছে । একটি তদন্ত করে তার রিপোর্ট নিয়ে লুকচুরি করছে । এ যেন মজার একটা বিষয় । অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে কেলেঙ্কারির মহা নায়কদের সরকার শক্তি অর্জন করার সময় দিচ্ছে ।আওয়ামিলিগের আমলে(১৯৭৪) একবার দুর্ভিক্ষ হয়ে ছিল এবং সেই বদনাম তাদেরকে অনেক দিন বয়ে বেরাতে হয়েছে । সবাই বলত আওমীলিগ মানেই দুর্ভিক্ষ । আওমী বিরোধিদের এই কথা থেকে বের হতে তাদের বেশ কস্ট করতে হয়েছিল । অনেক আগের হলেও আবার কথাটি আবার মনে পরল তাদের সমসাময়িক কিছু কার্যকলাপ থেকে । ৯৬ সালের শেয়ার বাজার কেলেংকারীর কথা আশাকরি সবার মনে আছে । কত মানুষ যে নিস্ব হয়েছিল সব কিছু হারিয়ে !
আমাদের কখনো জন্ম হয় না
আমার জন্মদিন কবে সত্যি আমার জানা নেই। আমার মায়েরও নেই। বাবারও ছিল না। ঠাকুরদার তো মনে থাকার কথাই নেই। এসব বালাই তাদের ছিল না। ভাগ্যিস আমারও নেই।
আমার ভাইবোনদের কারোরই জন্মদিন বলে কোনো ব্যাপারে কখনো আগ্রহ দেখা যায়নি। সবার একটা জন্মদিন আছে বটে--সেটা বানানো। স্কুল থেকে দেওয়া। যেদিন ভর্তি হয়েছিলাম স্কুলে ক্লাশ টুতে-- হুজুর স্যার একটা জন্মতারিখ বসিয়েছিলেন--মনে পড়ে। ক্লাশ ফাইভে বৃত্তিপরীক্ষার সময়ে হেড স্যার আরেকটা বানিয়েছিলেন। ফাইনালী ক্লাশ নাইনে রেজিস্ট্রশনের আমার ফাইনাল জন্মতারিখ কেরানী কাকু হিসেব করে ঠিক করে দিয়েছিলেন। বলেছিলেন--আর নো চেঞ্জ।
ফেরানো গেল না কিছুতেই
বহুকালের পরিচিত সেই জটিল মুখটি দেখার জন্যে পাশে মুখ ফেরালাম। সেই একই ভঙ্গী! কোনকিছু মনমতো না হলে দু’ঠোঁট চেপে রাখা ওর সবসময়ের অভ্যাস।ভেবে ভেবে দিশেহারা হওয়া মনে হয় একেই বলে! কিভাবে আমি ওকে আজ বিয়ের কথা বলব! বললে প্রতিক্রিয়াই বা কী হবে!ভ্রু থেকে ঘাম গড়িয়ে পড়লো;আমার পাগলপারা দশাকে ওর কাছে একেবারে উন্মুক্ত করে দেবার জন্য যে এটা যথেষ্ট হবে আমি জানতাম।
ও আমার দিকে মুখ ফেরালো, স্বাভাবিক প্রশ্নটাই ছুড়েঁ দিলো – তুমি এভাবে ঘামছো কেন?
বোকার মতো হেসে বললাম, “এখানে আজকে খুব গরম, না কি বলো? দাঁড়াও গাড়ির জানালার কাঁচ নামিয়ে দেই।”
কাঁচ নামানোর সুইচে হাত দিতে গিয়েই দেখলাম ও সিট বেল্ট বাধেঁনি, নিশ্চয়ই প্র্যাগন্যান্সির এমন অ্যাডভান্স স্টেজে বেচারার সামনের সিটে সিটবেল্ট বেঁধে অনেক সময় ধরে বসতে খুবই কষ্ট হবে!পরক্ষণেই মনে হলো ও সামনের সিটে, সিট বেল্ট ছাড়া বসাটা বিপদজনক তো বটেই, বিশেষ করে হাইওয়েতে।
২০৭১ - এ ব্লগ স্টোরি (২০)
সেদিন পাশের বাড়ীতে একটা বড়সড় ডাকাতি হয়ে গেলো। তিনটা সিকিউরিটি এজেন্সি আগে থেকে বিষয়টা জানতো। টাপুরের মা যে মহিলার সাথে এন্টি-সুইসাইডাল থেরাপি নিতো তার বাসা। সিকিউরিটি এজেন্সি থেকে এলার্ট করা হয়েছিলো। এমনকি ডাকাত গ্যাং প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন লাইভ কভারেজ ট্রান্সমিট করেছিলো তাদের বাসার সবকটি লেজার স্ক্রিন, সেলফোন, এমনকি যেকোন অপটিকাল সারফেসে। অদ্ভুত বিষয় হলো বাসার লোকজন নাকি বলেছে ডাকাতি ঠেকাবার সময় নেই। ছেলেমেয়েদের গেট টুগেদার হচ্ছে বারো বছরে প্রথমবারের মত, রাষ্ট্র যদি চায় তবে যেন ডাকাতদের ধরে। সমস্যা হলো সংবাদটা কোনো বখাটে ওয়েবার একটা ফান টিভিতে জানিয়ে দিয়েছে। যারা মুহূর্তে বিষয়টাকে রাষ্ট্রীয় তাৎপর্যময় সংকট হিসাবে উপস্থাপন করলো। বিশাল ডিবেট শুরু হয়ে গেলো রাষ্ট্র কেনো জনগণের মাইক্রো নিরাপত্তার দায়ভার নেবে – এসব নিয়ে। আমার পাশের বাড়ির ঘটনা আর আমি ডাকাতির সংবাদ পেয়ে হাত-পা গুটিয়ে ডিবেটে অংশ নেবো
মোটা বন্ধুগো ফটুক
আমগো দুই মোটা বন্ধু ,
সুমন পাটোয়ারী ও মাসুদ পারভেজ;।
তাগোরে নিয়া একটা পোস্ট দিছিলাম। শিরোনাম আছিল
মোটা কাহিনী ।
মাগার জনগনের দাবীর কারণে দুই জনের দুইটা ছবি পোস্ট দিলাম।
আরো অনেক ছবি আছিল। খুঁইজা পাইতেছিনা।

এই ছবিটা বন্ধু স্বপনের বিয়ার, এক পোলা আর এক মাইয়ারে সুমন পাটোয়ারী
পেটের মধ্যে ধইরা আদর করতাছে।

আরেকটা মাসুদ পারভেজের। হের দোস্ত হাতির লগে তুলছে...দেখেন মাসুদের সামনে হাতিও কত ছুডো দেখায়..
আশা করি সবতের আগ্রহ মিটবো...
ওড টু মাই ফ্যামিলি-৪
নিজের বাড়ির লোকগুলোই কি শুধু আপন? ভাবছি গত ২-৩ দিন ধরে।
চিত্রগ্রাফী...
বেশ কিছুদিন ধইরা একটা ছবিব্লগ দিবো ভাবতেছিলাম। আজকা দিয়াই ফেল্লাম। ছবি ব্লগে কিছু লিখতে ইচ্ছা করে না। তারপরও, ছবিগুলার টাইটেল তো দিতেই হইবো। সো...
সাথে কোথায় তোলা সেইটাও দিয়া দিলাম...

ফাগুনের আহ্বান
স্থান:- জংগলছড়া চা বাগান, শ্রীমঙ্গল

নীলিমা যাত্রার প্রতীক্ষায়
স্থান:- জাফলং

Togetherness / যুদ্ধ ও ভালোবাসায়
স্থান:- বলধা গার্ডেন, ঢাকা
একাকীকথন ১
হু হু করে বাস চলছে। পাশের সিটে বসে আছে উকিলের মুহুরীসাব। আচঁলের খুটঁটা সতর্কতার সাথে বুকের কাছে ধরে মুমিনা বেগম ভাবছে সামনের দিনগুলোর কথা। চোখ বেয়ে পানি পড়ছে, মুখে কোন শব্দ নাই। এই টাকা ক'টা ঠিক ভাবে কাজে লাগাতে হবে, জানতে পেরেছে বাড়ি গেলে উকিলসাব আরো পন্চাশ হাজার দিবেন। এই দিয়ে শুরু করতে হবে আগামীর পথচলা। চরে এখন বাদাম, সয়াবিনের খন্দ চলছে সেগুলোতে কিছু টাকা লাগাতে হবে, আর সাথে কিছু জমি বন্ধক নিতে পারলে আসছে ধানের মৌসুমটাতে কিছু লাভের মুখ দেখবে, নিজের তো জমি-জিরাত কিছুই নাই। এসব করার পর চেষ্টা করবে বাছুর কেনার। এই করেই গড়তে হবে নাতিটার আসছে ভবিষ্যতের পথ। এখন ও পড়ছে কেলাস থ্রিতে, ইচ্ছা আছে ফাইপ পাস করানোর, তারপর একবেলা গন্জ্ঞের চা-দোকানে কাজে দেয়ার। কত কিসিমের লোকজন আসে ওখানে, দিন-দুনিয়ার চাল শিখবে, অন্যবেলা লেখা পড়া করলে করুক।