ইউজার লগইন
ব্লগ
এ ট্রিবিউট টু এডাম
গতসপ্তাহে কক্সবাজার গিয়েছিলাম অফিসের এক কনফারেন্সে। এই বছরে এই নিয়ে চারবার আসা হলো কক্সবাজার। ঢাকা থেকে ৪৫ মিনিটেই উড়োজাহাজে কক্সবাজার। এয়ারপোর্টের গেইটে গাড়ি দাড়িয়ে আছে ড্রাইভারের হাতে আমার নাম। গাড়ি নিয়ে এলো পাঁচতারা হোটেলে , যা চাচ্ছি তাই পাচ্ছি, শুধু সমুদ্রটা দেখার সময় পাচ্ছি না।
রাতে প্রেজেন্টেশনে শেষবারের মত চোখ বুলিয়ে বারান্দায় দাড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালাম। হোটেলের বারান্দা থেকে দুরে সমুদ্র দেখা যাচ্ছে সমুদ্রের ডাক শোনা যাচ্ছে। মন মাতাল করা সে শব্দ। রাত বেশি হয়ে গেছে এখন সাগরে যাওয়াটা কি খুব বেশি ঝুঁকি হবে?
এই সন্ধ্যারাতে আমি ঝুঁকির কথা ভাবছি, এখনো রাত এগারোটাও বাজেনি। বুড়ো হয়ে যাচ্ছি হয়তো !
কক্সবাজার যতবার আসি ততবার আমার প্রথম সমুদ্র দেখার স্মৃতিটা ঘুরেফিরে মাথায় আসে। সেই স্মৃতি অনেকগুলো বন্ধুর, সেই স্মৃতি 'এডাম' এর।
আমাদের ছোট ছোট সুখগুলি
জীবন প্রায়ই ছোট ছোট সারপ্রাইজ দিয়ে আমাদেরকে মুগ্ধ করার চেষ্টা চালায়। আমরা সবসময় সেগুলো ধরতে পারি না। বিশেষত অনভ্যাসের কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছোট বিষয়কে ছোট হিসেবে অগ্রাহ্য করে নিজেদেরকে বঞ্চিত করি। যদিও কাজটা আসলে ঠিক না।
ব্লগ আর ফেসবুকের মাধ্যমে চেনাজানা হয়েছিল এক বড়ভাইয়ের সাথে। তিনি সবসময় কি যেন একটা কষ্টের মধ্যে থাকতেন। তাকে যদি বলি ভাই দুশ্চিন্তা পাশে সরিয়ে রেখে কিছুক্ষণের জন্য একটু হাসেন তো। উনি গোমড়া মুখে উত্তর দিতেন, আমার সাথে ভাল কিছু কখনও ঘটে না। উনার সিরিয়াসনেস দেখে আমারই মাঝে মাঝে হাসি পেয়ে যেতো।
ভ্যাট দেব না,গুলি কর
৬ টাকা নিয়ে বের হয়েছিলাম। ক্লাস ৯:৩০ এ। বাস ভাড়া ৭
টাকা, রিক্সা ভাড়া ৩০। সকালের কড়া রোদে ৪৫ মিনিট
হেটে মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে গিয়েছিলো। ঢাকায় সাধারনত
কেউ সাপ্লাই পানি খায়না। সেদিন টেপের পানিই
খেয়েছিলাম। বাকি দিনের কথা বলা বাহুল্য। গায়ে দিতাম
এডিডাসের টি শার্ট, প্রবাসী বোনের কল্যানে।
বাবার প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা প্রায় অর্ধেক শেষ।
প্রতিদিন হিসাব করতাম আর কত সেমিস্টার লাগবে, কত
টাকা লাগবে। স্ট্যাটিস্টিকসে পেলাম "ডি+"। মাথায় হাত।
রিটেক করতে গেলে আরো ১২ হাজার টাকার মামলা। এক
সাবজেক্টেই সি জি পি এ নেমে গেল। উপায় নেই। করা
যাবেনা রিটেক।
অনেক রাত কেটেছে সস্তা মেসের বুয়ার রান্না খেতে না
পেরে উপোস থাকা।
২০১০ হঠাৎ ৪% ভ্যাটের নোটিস, নেমে গেলাম বড় ভাইদের
সাথে, বড় ভাইরা মার খেলেন, জেল খাটলেন, সাসপেন্ড
হলেন। আমরা মিছিলের পিছনে থেকে কোনমতে লাঠিচার্জ
সুখ বেচি
মধ্যবিত্ত মানসিকতা বা মিডলক্লাস সেন্টিমেন্ট
বিষয়টা আমার ভালো লাগে।
খুব সাজানো গোছানো, পরিপাটি সংসারে একটু
একটু করে অর্জিত আনন্দগুলো কমই থাকে
সাধারণত;
রোজ ৫০-৬০ টাকা জমিয়ে ফেরিওয়ালার কাছ
থেকে কেনা সস্তা চায়ের কাপে যে জুটি সন্ধ্যার
চা পর্বে নিজেদের ছোট্ট ছোট্ট সুখ খুঁজে নেয়,
প্রায় মধ্যরাত পেরোনো একাকী ডিনারে দামি
রেস্তোরাঁর চেক-ইন ছাড়া আপনি সে সুখের
কাছাকাছিও কখনও যেতে পারবেন না।
কাঁচঘেরা শো-রুমের ফার্নিচার দেখে দীর্ঘশ্বাস
লুকোনো বেকার ছেলেটা যখন ছোট্ট চাকরির
সামান্য বেতনে আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের
মতো বাসায় নতুন একটা আলমারি নিয়ে আসে,
চোখের কোণে চিকচিক করা জলে তার প্রিয়তমার
সুখটুকু একান্তই মধ্যবিত্তের!
হাইক্লাস এপার্টমেন্টের এলুমিনিয়াম কোটেড
গ্লাসের জানালায় সে সুখ ধাক্কা খেয়ে ফিরে
যায়!
যে বাচ্চাটা মোমবাতি নেভানো, কেক-কাটা
কোরবানী ইদ ও আমাদের সচেতনতা
‘কোরবানী’ কিংবা ‘বলি প্রথা’ পৃথিবীর প্রাচীন ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কৃতি হিসেবে এখনো টিকে আছে। পৃথিবীর বিভিন্ন উৎসবে এখনো বলি প্রথার প্রচলন রয়েছে। তবে অনেক রাষ্ট্র কিংবা সমাজ ধর্মের নামে এই প্রথার বিরুদ্ধে কথা বলছে, অনেক জায়গায় এই প্রথার বিলুপ্তি ঘটিয়েছে। উদাহারণ স্বরূপ বলা যায়;- নেপালে প্রতি পাঁচ বছর পর পর একটি পুরাতন মন্দিরে কয়েক হাজার পশুকে বলি দেওয়া হতো। এই বছর সেই নিয়মটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়া ভারতের অনেক মন্দিরে কালী পূজায় অতীত ঐতিহ্য হিসেবে বলি প্রথার প্রচলন থাকলেও বিভিন্ন মন্দিরে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে বলি প্রথা সম্পূর্ণ যে বিলুপ করতে পেরেছে তা কিন্তু নয়। ভারতের অনেক প্রদেশে দূর্গা পূজায় মহিষ বলি দেওয়ার নিয়ম এখনো আছে। সনাতনীরা গীতাকে ঈশ্বরের বাণী হিসেবে ধরে নেয়। সেই গীতাতে ভগবান বলছেন- "পত্র পুষ্প ফল মূল ভক্তিসহকারে নিবেদন করলে তিনি তা গ্রহণ করেন।' সেই সূত্র ধরে অনেকেই বলে থাকেন
ক্যাসপার তোমার জন্য
১.
আমার এখানে যখন সকাল হয়, তখন দেশে হয়ে যায় দুপুর। দুপুর হতে হতে দেশের সূর্য পশ্চিমের পথে পাড়ি দেয় বিকেলের পথ। সময়ের হিসেব রাখাটা সবসময় সহজ হয় না তাই। মাঝে মাঝে গভীর রাতে দেশের কোনো বন্ধুকে হুটহাট টেক্সট পাঠিয়ে বিব্রত হয়ে বসে থাকি। হয়তো বেচারী গভীর ঘুমে। আমি তো টেক্সট পাঠিয়েছি আমার সময় বুঝে।
এলেমেলো ভাবনা
বিজ্ঞানচর্চার জন্যে বিজ্ঞানের দার্শণিক ভিত্তি জানার প্রয়োজন সামান্যই। " বিজ্ঞান কি?" প্রশ্নের উত্তর না জেনেও বিজ্ঞানচর্চা করা সম্ভব। সবাই মেনেই নিয়েছে সকল জ্ঞানচর্চা প্রক্রিয়ার ভেতরে বিজ্ঞান শ্রেষ্ঠ। কিন্তু কেনো বিজ্ঞান জ্ঞান উৎপাদনী প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে সেরা এ প্রশ্নের কোনো মীমাংসা হয় নি।
প্রসঙ্গঃ অলিখিত ৫৭ ধারাটি
লেখার শুরুতেই জেনে নেই ৫৭ ধারাটিতে আসলে কী আছে? ৫৭ (১) ধারায় বলা আছে:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি প্রদান করা হয়, তাহা ইহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ৷
আইজকা হের জন্মদিন
আমগো সবতের প্রিয় চৌধুরী সাহেবের (টুটুল চৌধুরী) জন্মদিনে একটা লেখা লেখনের ইচ্ছা ছিলো। সময় পাই নাই। তার জন্য আমি লজ্জিত। আইজকা হাতে কিছু সময় আছে। আইজকা আমগো এই ব্লগের একজন বিখ্যাত লেখকের জন্মদিন।
আমরা যারা একসময় এই ব্লগের বাসিন্দারা আড্ডা দিতাম, সবাই মিল্যা তারে লইয়া বিস্তর গবেষনা করছি। সে কে ? আসলে এই নামে কেউ আছে কি না ? এত্ত সোন্দর কৈরা কেমনে লেখে ? তার বয়স কিরাম... ইত্যাদি।
তারপর ঢাকার রাস্তায় যানজট বাড়ছে। সরকার পরিবর্তন হৈছে। আমগো আড্ডা কমছে। বুড়িগঙ্গায় মেলা ময়লা পানি বাড়ছে। তিনিও নিয়মিত লেখে গেছেন ব্লগে।
আমরা আবিষ্কার করলাম, তিনি একজন সংবাদকর্মী। আমাদের কারো কারো সাথে তার দেখাও হৈছে। একসাথে চা-বিড়িও খাইছি।
সাগরের গভীর থেকে মাঝে মাঝে কান্না উঠে আসে
১.
আচ্ছা, আপনাদের কারও কি কখনো কারণ ছাড়া কান্না পায়? উথাল-পাতাল কান্না। অনুভবের গভীর থেকে আর্তনাদের মতো উঠে আসা কান্না। কাঁদতে কাঁদতে চোখ ফুলে রক্তজবা হয়ে গেলেও, গলায় আটকে থাকা কিসের যেন ওই দলাটা ঠিক একই জায়গায় রয়ে যায়। নিচে বা উপরে ওঠে না। এমন কি কখনো হয়?
অর্থনীতি, অর্থমন্ত্রী ও আমরা
১.
আমাদের অর্থমন্ত্রী লোকটা একটু অন্যরকম। উদাহরণ দিই, গত ১৮ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রণালয়ে বৈঠক হলো। বিষয় ছিল পাঁচ টাকাকে সরকারি মুদ্রায় রূপান্তর করা। আগে তা ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক নোট। আলোচনা হল আইন সংশোধন করা হবে। ফলে এর পর থেকে পাঁচ টাকার নোট ছাপাবে অর্থ বিভাগ।
অর্থমন্ত্রীর জন্য সব পত্রিকা বা টেলিভিশনেই নির্ধারিত রিপোর্টার থাকেন। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী কথা বলেন। সেদিন অর্থমন্ত্রী কি বলেছিলেন জানেন তো? বলেছিলেন দেশে আর এক টাকা বা দুই টাকার নোট থাকবে না। সর্বনিম্ন নোট হবে পাঁচ টাকার। সরকার এক টাকা ও দুই টাকার নোট তুলে নেবে।
অর্থমন্ত্রী সেদিন যা বলেছিলেন হুবহু পত্রিকা থেকে তুলে দেই–
‘পুরোনো এক ও দুই টাকার নোটগুলো বাজার থেকে তুলে নিয়ে ধ্বংস করা হবে। এগুলো ধ্বংস করতে ৩০০ কোটি টাকার মতো ব্যয় হবে।
যেসব দিনে সাগরের তলদেশ থেকে উঠে আসার পথে জ্ঞান হারাই
১.
সেসব দিনের ঘোর ভাঙানোর জন্য চারপাশ থেকে ম্যাকলুহানের মিডিয়াম থিওরী, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচন, লার্নিং এনভায়রনমেন্টে ফেসবুক ব্যাবহার, সাইবার বুলিং এবং কোয়ানটিটেটিভ রিসার্চ মেথডেরা আমায় ফিসফিস করে ডাকতে থাকে, আর অবচেতনে আমি শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে সাঁতরে তীরে ওঠার যুদ্ধ চালাই। হুট করে এক সময় বাস্তবে ফিরে আসি। রবার্টের আমাকে বলা একটা কথা মনে পড়ে যায়, You have the loudest whisper of the world!
রোদ ঝলমলে একটা সবুজ দুপুরকে মাঝে মাঝে গ্রাস করে নেয় কালো মেঘেরা। সে সময় আমার বুকে দামামা বাজে, চোখে প্লাবন ডাকে আর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় অনির্দিষ্টকালের জন্য। অনেক হাতড়ে একটা সিগারেট বানাই। ওটাকে জ্বালিয়ে বাইরে এমনভাবে তাকিয়ে থাকি যেন আমার কোনো অস্তিত্ব এই মহাবিশ্বের কোথাও কখনো ছিল না।
তারপর এক সময় নিজেই হেসে ফেলি। এত আবোল-তাবোল ভাবনা মানুষ কিভাবে ভাবে?
রাতজাগা পাখি
আজ সকালে হিম কুয়াশার প্রাচীর ভেঙে
এক চিলতে রোদ্দুর হেসেছিলো আমাদের বারান্দায়;
আজ সকালে আকাশটা ভেসেছিলো আবার- আলোর বন্যায়,
আর আমি সেই ভোরের নৈসর্গিক আলোয় স্নান শেষে দেখি-
তোমার মুখে ছায়া ফেলেছে লোভী সূর্য, ওর বুকের নিরেট
আলোর রেখা কপাল-গাল ছুঁয়ে নেমে এসেছিলো তোমার ঠোঁটে,
অকস্মাৎ এক অচেনা পোর্টেট হয়ে উঠেছিলে তুমি।
আজ সকালে একমুঠো সোনালি রোদ্দুর উঁকি দিয়েছিলো
আমাদের জানালায়, কাঁচের শার্শিতে জমে থাকা শিশিরগুলো
সব উবে গিয়েছিলো তখন, আমাদের বুকের মাঝে জমাট বাঁধা
অভিমানগুলো মুছে দিতে সে হেসেছিলো আরেকবার,
সে কি জানতো অভিমানী তোমাকে ছুঁয়ে দিয়েছিলো বিরহী রাত?
তোমাকে নিমেষেই মানবী করে তুলেছিলো আরেকবার।
কাল রাতে একমুঠো স্বপ্ন ভিড়েছিলো আমাদের উঠোনে,
কাল রাতে অপার্থিব এক আলোয় ভরে গিয়েছিলো আমাদের ঘর,
রিনিঝিনি কাঁকনের সুরে স্বপ্নেরা পাখা মেলেছিলো নীল চাঁদোয়ায়,
এমনও দিনে তারে বলা যায়...
শেষ বিকেলে বসেছিলাম বারান্দায়। শিল্পী অজয় চক্রবর্তীর গানের কিছু কথা মনে গুনগুন করে বাজছিলো, সেইসাথে ভাবছিলাম আজ কোথাও বেড়াতে যাব। এই চমৎকার মেঘ-আদুরে বিকেলে আমার একমাত্র কন্যাটিকে নিয়ে ঘুরে আসবো তার কোন অচীনলোক থেকে। কিন্তু তুমি তা হতে দিলে না। একেবারে বিনা নোটিশে তুমি এসে সবকিছু ভণ্ডুল করে দিলে। এটা কি ঠিক হল?
চারিদিক থেকে যখন অন্ধকার ঘনিয়ে আসলো, তখুনি ঝড়ের বেগে তুমি এলে। ঘন কাল কেশরগুচ্ছ ছড়িয়ে, প্রবল ঘুর্ণিতে আমায় ভাসিয়ে নিলে। আমার এই ছোট্ট করিডোরটুকু, যেখানে বসে আমি বর্ণিল মেঘেদের আনাগোনা দেখছিলাম, সবকিছু এলোমেলো করে দিয়ে বলেছিলে,
-চল আমার সাথে।
আমি তোমায় শুধালাম- হে দুরন্ত যৌবনা আমাকে তুমি কোথায় নিয়ে যাবে?
-কোথায় আবার! এমন দিনে কি ঘরে থাকা যায়! চল আমার সাথে- দূরে, অন্য ভূবনে; তোমার অতি চেনা জগতে।
ভন্ড ভালবাসা ২
ভন্ড ভালবাসা ২য় খন্ড
কযেকদিন আগে এটার প্রথম পর্ব লিখেছিলাম শেষ কি সেটা বাকি ছিল।আজ সেটা লিখছি ।মানুষের মন যদি ভাল থাকে দুনিয়া রঙ্গীন মনে হয় সব ভাল লাগে আর যদি কেউ তার মন ভাঙ্গে তাহলে সে জীবিত লাশ ছাড়া আর কিছুই না।