ইউজার লগইন
ব্লগ
ইতিহাসের স্বপ্নভঙ্গ-১: শুরুতেই একজন পিটার কাসটারের কথা
পিটার কাসটারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেই।
পিটার কাসটার মূলত ডাচ নাগরিক। পড়তেন আমেরিকায়, ছাত্র জীবনে প্রথম এসেছিলেন বাংলাদেশে, সেই ১৯৭৩ সালে। চে গুয়েভারার পথটাই সঠিক বলে মনে করতেন। চে যেমন নিজের দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বের যে কোনো দেশের শোষিতদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলতেন, পিটার কাসটারও সেরকমই মানতেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল গণঅভ্যুত্থান ছাড়া বিপ্লব হবে না।
বিশ্বকাপ ফুটবলের পূর্বাভাষ : চ্যাম্পিয়ান ব্রাজিল
বিশ্বকাপ ফুটবল এখন একেবারে চূড়ান্ত পর্বে রয়েছে। দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলা আজকে শেষ হবে। এই টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের চেয়ে রেফারিই সবচেয়ে বেশি ভুমিকা রেখেছে। এত বাজে জঘন্য রেফারিং মনে হয় আর কোনো বিশ্বকাপে হয় নাই। যতগুলি খেলা দেখেছি প্রায় প্রতিটাতেই ভুল ডিসিশন এর ছড়াছড়ি ছিল। এক একটা সম্ভাব্য জমজমাট ও উপভোগ্য খেলা বিনষ্ট হয়েছে এই সব ভুল সিদ্ধান্তে। সামনের সব খেলাই গুরূত্বপূর্ণ, আশা করি রেফারিদেরর
বিশ্বকাপ শর্টনোট ৭
মাঝখানে বিশ্বকাপ নিয়ে ফ্যান্টাসী লীগ চালাতে গিয়ে শর্টনোটের শর্টসার্কিট হয়ে গিয়েছিলো, সময় পাচ্ছিলামনা। ছোটবেলা থেকে যেহেতু খেলাধুলায় ভালো ছিলামনা, কিন্তু খেলা পছন্দ করতাম, তাই শেষমেষ খেলা দেখাটা আর পরিসংখ্যানের হিসেব রাখাটা একটা নেশা হয়ে গিয়েছিলো একসময়। বিশ্বকাপ এলে মৌসুমী পাখির মতো সেই নেশা আবার ফিরে আসে, পরদিন অফিস থাকলেও রাত জেগে খেলা দেখা হয় প্রায়ই, অফিসে ঝিমুতে হয়, ঘরে ফিরে সোফায় বসে চিপস-পপকর
বনলতা সেনের সাথে কিছুক্ষণ!!
আৎকা কি যে হইলো বুঝলাম্না! ঘরের ভিত্রের থেনে দৌড়ায়া বাইর হইয়া যাইতে মুঞ্চাইতাছিল। ছটফট করতে করতেই বাইর হলাম। উদ্দ্যেশ্য নিরুদ্দেশ হন্টন।
আমার আধুনিক ভাষা শিক্ষা
আজকাল আমার পদ্য লিখতে মঞ্চায়(মন চায়)। অনেক ভেবে চিন্তে কাল একটা পদ্যের দু লাইন লিখে ফেলেছি।
"আমি বুড়ো হচ্ছি এ যুগে, আমার অবস্থা টোয়েন্টি টাইট
আমি বয়স্ক শিক্ষা স্কুলে ভর্তি হইতাম চাই।"
আজকাল বড্ড বেকায়দার মধ্যে আছি। চারিদিকে সব সংক্ষিপ্ত। কিছুই বুঝিনা। বন্ধু 'ক' 'খ' এর সঙ্গে কি সব ভাষায় কথা বলে, প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে তাকালেই,সংক্ষিপ্ত জবাব- WZF. (উই আর যাষ্ট ফ্রেন্ড)। 'গ' আর 'ঘ' রা বলে, ব্যাটা লুল আর ব্র্যাকেটে বসায় (LOL)। আমার এন্টেনার উপর দিয়া যায়।
আষাঢ় মাসের বিশ্বকাপ
কার্লোস বোকানেগ্রা বুঝতেই পারছেন না মাঠে নেমে কেন কষ্ট করতে হবে। এমনিতেই দক্ষিণ আফ্রিকায় এবার হাড়কাঁপানো শীত। এই শীতে মাঠে দৌড়াদৌড়ি করার চেয়ে হোটেল রুমে বিয়ার খেতেই যত মজা। কিন্তু উপায় নেই। মাঠে নামতেই হবে। হোটেল লবিতে দেখা হয়ে গেল লেন্ডন ডোনাভানের সঙ্গে। তাঁরও নাকি মাঠে নামতে ইচ্ছা করছে না। লেন্ডন তো বলেই খালাস, কিছু করতে চাইলে তাঁকেই করতে হবে। কারণ, কার্লোসই দলের ক্যাপ্টেন।
জয়ী হোলো কৌশলি অনুপ্রেরণাদায়ক ফুটবল, হেরে গেছে মিডিয়া ফ্যান্টাসী।
এবারের বিশ্বকাপে অঘটনের ঘটনা এতোবেশি ঘটছে যে প্রেডিকশান নির্ভর কোন লেখা লিখতে সাহস করতে পারিনি গেলো কয়েকটা দিন। তবু বিশ্বকাপের আমেজে না লিখে বসে থাকাটা বেশ কষ্টকর লাগছিলো। বিশেষ করে গতকালের দুটো খেলা দেখার পর মনে হলো এমন অসাধারণ দুটো খেলা নিয়ে কিছু একটা না বললেই নয়। গতোদিনের দুটো খেলা নিয়েই সমর্থকদের তর্ক বিতর্ক নিশ্চিত চলবে আরো চারটা বছর, বাছাই পর্ব পেরিয়ে পরবর্তী বিশ্বকাপে যদি এ দলগুলো খেলতে আসে
শাস্তি
১)
মাছটা কালো রঙের,তার মাঝে কি রকম যেন লালচে একটা আভা ছড়ানো। গোটা এ্যাকুরিয়াম ভরা মাছের মাঝে কেবল একটাই আছে।
জিমরান বাবার কাছে মাছটা কেনার আগ্রহ প্রকাশ করতেই ইতস্তত করে মাথা নাড়ে দোকানী।জিমরানের দিকে চেয়ে হাসার চেষ্টাও করে।
`‘এইটা কেন নিবেন,বাবা?কত্ত রকমের মাছ আছে.. ..এই যে দ্যাখেন,কি সুন্দর অ্যাজ্ঞেল ফিস!আপনি বরং এই গুলি এক জোড়া নিয়ে যান। এক জোড়া গাপ্পি ফিশও নিতে পারেন।'’
অহনার অজানা যাত্রা (সাত)
অহনা হল্যান্ডে আসার পর এক তরফাভাবে সবাই তার দোষ-গুন, জ্ঞান - বুদ্ধি আবিস্কার করে যাচ্ছিলো। নতুন পরিবেশের ধাক্কা সামলে একটু অভ্যস্ত হয়ে এখন সেও অন্যদের জ্ঞান বিজ্ঞান আবিস্কারে মনোনিবেশ করলো। প্রথম ছমাসের মধ্যে তার আবিস্কারের অর্জন হলো ডাচ লাইফ সমন্ধে অর্নের জ্ঞান। দেখা গেলো অর্নের সব জ্ঞানের ভান্ডার হলো তাদের অফিস সেক্রেটারী। শপিং, বেড়াতে যাওয়া, বাইরে কোথাও ডিনার করতে যাওয়া অথবা অফিসিয়াল কোন ব্যাপার মোটকথা নেদারল্যান্ডসের যেকোন সমস্যার সমাধান আসে সেখান থেকে। অর্ন নিজে এসব ব্যাপারে খুব একটা কিছু জানে না, অবশ্য তার উল্লেখযোগ্য কারণ হলো অর্নের আগ্রহ একেবারেই নেই এসব ব্যাপারে। সে আছে তার অফিস, পড়াশোনা, কম্পিউটার, ছুটির দিনে সকালে দেরী করে ওঠা, ব্রেকফাষ্ট আর হয় না তখন হয় ব্রাঞ্চ, ব্রাঞ্চ খেয়ে আবার ঘুম, সন্ধ্যেয় ঘুম থেকে ওঠে টিভিতে ডিসকোভারী, ন্যাশনাল জিওগ্রাফ্রী চ্যানেল কিংবা সিএনএন দেখে আবার ঘু
সালমার পোষা প্রাণীরা
১)
‘এইটা কি রকম বাসায় আনছেন?খালি ইন্দুর আর ইন্দুর!!!’
ইচ্ছা করে স্ত্রীর গালে কষে একটা চড় দিতে,তবু বহু কষ্টে নিজেকে সামলায় মনির।মেয়ে মানুষ,বুদ্ধিকম-এইসব বুঝিয়ে নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করে।সারাদিনে কেবল এই দুপুর বেলাটাই আরাম করে ভাত খায় সে।নির্বোধ মেয়ে মানুষের জন্যে সেই আনন্দ মাটি করার কোনো মানে হয় না।
হালআমলের দ্বিতীয় হরতাল, ভরপুর এ্যাকশন ও একটি ফটো স্টোরি

শাপলা চত্বর
ইন দ্য হার্ট অব সিটি ঢাকা

খুব সুন্দর সার্ক ফোয়ারা

ফার্মগেট সকাল ১১টা

আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল কুড়াতে যাই।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কাউন্সিলর নির্বাচন: পোকায় কাটা গাছের গোড়ায় গণতন্ত্রের জল...
সাফল্যের নিরীখে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ণ প্রকল্পগুলোকে এই কিছুদিন আগে পর্যন্তও এগিয়ে রাখা হতো বেশ খানিক। কিন্তু সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গেছে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার হার আবারো প্রায় পঞ্চাশ ভাগে উন্নীত হয়েছে। বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রবণতাও ৪% হ্রাস পেয়ে ৯৩%'এ নেমে গেছে। এমনি একসময় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে শৈশবেই গনতান্ত্রিক চর্চার প্রতি উৎসাহী, পরমতসহিষ্ণুতা এবং শ
আন্তন চেখভের ছোটগল্পঃ একটি অপবাদ
একটি অপবাদ
মূলঃ A Slander by Anton Chekhov
আজিরা দিনপঞ্জী... ৩
গ্রীষ্মের ইউরোপ একটা কঠিন অভিজ্ঞতা... অফিস ট্রিপে জংগলে গেলাম পরশু বিকালে... পরিচিত একজনের অনুপস্থিতি ভেবেছিলাম একটু অস্থির করবে আমাকে... কিন্তু এইবার দেখলাম আমি দিব্যি নিজের মতো থাকতে শিখে গিয়েছি... বাকি সহকর্মীদের সাথে গল্প করতে করতে বেশ সময় কেটে যাচ্ছিলো। আর এইখানকার জংলী ফুল এতো বেশি অলৌকিক লাগে দেখতে... মনে হয় রূপকথার রাজ্যে ঘোরাঘুরি করছি... এক্ষুণি হাওয়া থেকে এক পক্ষীরাজ নেমে আসবে বুঝি। আমরা তো দেশে মানুষ বাড়াতে বাড়াতে জংগলকে উচ্ছেদ করে দিয়েছি প্রায়... ছোটবেলায় যেমন যেখানে সেখানে অদ্ভুত সব ফুল, ঘাসের চাপড়া, বুনো ফলের ঝোঁপ দেখতাম... আজকাল গ্রামে গেলে কদাচিত চোখে পড়ে সেসব। আমরা সভ্য হচ্ছি কিনা... পাকা বাড়ির উঠানে তাই বাগানবিলাস শোভা পায়! বৈঁচি ঝোপ কিংবা মাধবীলতা এমনকি অনেক গ্রামেও ভীষণ সেকেলে বৈকি... যাই হোক, আমি ছোট মানুষ... এইসব ভাবের কথা আমার সাজেনা...
একজন গোলকিপারের আত্মজীবনী
আমার সারাটা জীবন মোটেমাটে ঘুরতে ঘুরতে কেটেছে।পিতৃদেবের সরকারি চাকুরির সুবিধায় আমাকে ক্লাস টেন পর্যন্ত সাতখানা স্কুল চেন্জ করতে হয়েছে।স্কুল জীবনে খেলা বলতে খেলেছি ফুটবল,কাবাডি আর যৎসামান্য ক্রিকেট।কাবাডি ক্যারিয়ার রীতিমত ঝলমলে ।পরপর দুইবার সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে কাবাডি চ্যাম্প.(একটুও বাড়িয়ে বলিনি।)।ক্রিকেটে ক্যারিয়ার ঝরঝরে।সারাজীবনের সর্বোচ্চ রান - তাও সিলেটে পাড়ার এক সম্মান রক্ষার ম্যাচ