ইউজার লগইন
ব্লগ
হরতাল মানুষের অধিকার
বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে দোকানপাট-যানবাহন বন্ধ করে এক অভিনব অসহযোগের কর্মসূচী নিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী। গুজরাটি ভাষার প্রচলিত শব্দ হরতাল নামে অভিহিত এই ধর্মঘট কর্মসূচী প্রতিবাদের ধরণ হিসাবে সেসময় থেকেই উপমহাদেশীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি জনপ্রিয় পদক্ষেপ। বায়ান্নের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম হরতাল কর্মসূচী পালনের নজীর পাওয়া যায়। স্বাধীকারের এই আন্দোলন যাত্রা থেকে স্বাধীন
হরতাল সংবাদ
বিরোধী দলের ডাকে সারাদেশে পূর্ণদিবস হরতাল চলছে।
যথারীতি সারাদেশে হরতাল হলেও পালিত হয় শুধুই মহানগরগুলোতে। বিশেষ করে ঢাকায়।
এবং যথারীতি হরতাল কখনো শান্তিপূর্ণ হয় না।
এবং এখন আর দেশে স্বতস্ফূর্ত হরতাল পালিত হয় না।
গত রাত থেকেই শুরু হয়েছে হরতালের প্রস্তুতি। যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ২ জন আহতও হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীও প্রস্তুতি নিয়েছে পরিপূর্ণভাবেই।
হামলা গ্রেফতারও হয়েছে।
এবি ফ্যান্টাসী টুর্ণামেন্ট (আপডেট)
গতকাল ছিলো ফ্যান্টাসী লীগের সবদলের দারুণ সুখের একটা দিন, কারণ, কারো পয়েন্ট মাইনাস হয়নি। একজনও চিলি বা স্লোভাকিয়াকে গণনায় ধরেননি -- চিলি বা স্লোভাকিয়া দল হয়তো এই খবর শুনলে গতকালের পরাজয়ের চেয়ে বেশী কষ্ট পাবে!
যে মৃত্যু ভালোবাসাহীনতায়
যে প্রেমিক বলে ঈশ্বর আমাকে ঘুম দাও, অনন্ত ঘুম। সে হয়তো বিশ্বাস করে--একমাত্র মৃত্যুই তার সব দুঃখ ঘোচাতে পারে। আসলে কি তাই? মৃত্যু কি আর শেষ করতে পারে একটা সম্পর্ককে? মৃত্যু তো আরেকটা জীবনের শুরু মাত্র। জীবনে যখন ভালোবাসার মৃত্যু ঘটে, তখন ভালোবাসাহীনতার মৃত্যু একটা নরকের সূচনা করেনা কি? ভালোবাসাহীনতা এমনই এক মৃত্যু-- একবার যে মরে, তার সাথে সহমরনে যায় পৃথিবীর তাবৎ সৌন্দর্য। " এক জীবনের সুখস্মৃতি, গল্প-গান, সাজানো বাগান। স্বপ্নেরা ততদিনে হয়ে যায় মৃত পাখি"।
প্রতিদিন এমনি করে কত প্রেমিক যে মরে! যখন সে একটা সম্পর্কের অনুষঙ্গে থাকে, তখন তার একটা নাম থাকে, পরিচয় থাকে-- যে জীবন ভালোবাসাহীন, তার কোন নাম থাকে না। থাকে না কোন বর্ণ- গন্ধ। নিজের মৃতদেহ নিজেকেই বয়ে নিয়ে বেড়াতে হয় দীর্ঘকাল।
শাশ্বত সত্য কে মনে আছে ?
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মরণব্যাধি অ্যানকোলাইজিং স্পন্ডিলাইটিস রোগে আক্রান্ত শাশ্বত সত্যর কথা মনে আছে ?
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবীতে উত্তাল সেই গণআদালত: পলাশ ভাইয়ের তোলা ছবি এবং রায়ের বিস্তারিত
কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজম গংদের বিরুদ্ধে গোটা জাতি ফুঁসে উঠেছিলো শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে। সরকার যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবীকে অগ্রাহ্য করছিলো তখন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ডাকে ২৬ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো গণআদালত। সমস্ত দেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকেরা জড়ো হয়েছিলো ঢাকায়। জামায়াত শিবিরও জড়ো করেছিলো তাদের ক্যাডার বাহিনী। আগের রাতেই সরকার ১৪৪ ধারা জারী করেছিলো। গোলাম আজমকে নিরাপত্তা হেফাজতে নিয়ে রক্ষা করেছিলো তৎকালীন সরকার! আর জাহানারা ইমামসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে গণআদালত গঠনের অপরাধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা করা হয়!
কিন্তু তবু থামেনি জনতা। ৫ লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে সেদিন বিচারে গোলাম আযমের অপরাধকে মৃত্যুদণ্ডাদেশযোগ্য ঘোষণা করে সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয় তা কার্যকরের।
সেই দিনের সেই আন্দোলন আর গণআদালতের ছবি তুলেছিলেন তৎকালীন রাজনৈতিক কর্মী এবং সাংবাদিক মনজুরুল আজিম পলাশ। এখন তিনি আছেন ইউকেতে। কিন্তু এখনো দেশ আর মানুষের জন্য কাজ করে চলছেন নিরলস।
অভিমানী মা আমার
ছোটবেলায় যখন বুঝে-না বুঝে বাজে কোনো অন্যায় করে ফেলতাম, মা এসে দুমদুম করে দুই-চার ঘা লাগিয়ে দিতেন। ব্যস ফুরিয়ে যেত। কিন্তু ভেতরটা ফালাফালা হয়ে যেত যখন মা কোনো কিছু না বলে গম্ভীর মুখে ঘুরে বেড়াতেন, দূরে দূরে থাকতেন, কাছে ঘেঁষতে চাইলেও পাত্তা দিতেন না। বুঝতে পারতাম যে এবারের অপরাধটা মায়ের সহ্যসীমা ছাড়িয়ে গেছে, মাকে হয়তো খুব আঘাত দিয়ে ফেলেছি। মা কষ্ট পাচ্ছেন আমার জন্য এ কথা মনে এলেই বুকের ভেতরটা দুমড়
প্রথম টুর্ণামেন্টের চ্যাম্পিয়ন --- "মাসুম বাহিনী"
"ওস্তাদের মার শেষ রাতে" -- এই কথাটিকে প্রমাণ করে আক্ষরিক অর্থেই গতকাল ২৫শে জুন দিবাগত "শেষরাতে" মাসুম ভাইর দল মাসুম বাহিনী ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তৃতীয় অবস্থান থেকে আবার উঠে এসেছে প্রথমে, এবং লীনাদি ও ইন্ডির যাবতীয় তাবিজ-তুমার নালিশ-অভিযোগকে
বুড়ো আংুল দেখিয়ে জিতে নিয়েছে প্রথম পর্বের শিরোপা!
থ্রি চিয়ার্স ফর মাসুম বাহিনী।
বইয়ের রাজ্যে
অনেকদিন পর পোস্ট লিখতে বসলাম... সিলেট আসছি গতকাল... উদ্দেশ্য আমার পিতাজীরে খানিক দৌড়ের উপরে রাখা... আমি পড়াশোনা শেষ কইরা যেইদিন থিকা টো-টো কোম্পানীর সিইও হিসেবে জয়েন করলাম তারপর থিকাই আব্বাজানে আমারে দেখলেই দৌড়ে উইঠা যায়...
...
কাঁঠালঃ আমাদের জাতীয় ফল।
কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল। কে বা কারা কাঁঠালকে জাতীয় ফল হিসাবে আমাদের জাতির উপর ঘোষনা ও নির্বাচন করেছিলেন, আমি ওনাদের নাম গুলো জানতে চাই। আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা তাদের জানাতে চাই। আমি মনে করি, ওনাদের নির্বাচন ছিল মেধাবী, সঠিক এবং অত্যন্ত তাতপর্য পুর্ন।

এবি ফ্যান্টাসী লীগ: ২য় টুর্ণামেন্ট (এন্ট্রি আজ রাত আটটা (বাংলাদেশ সময়) পর্যন্ত)

এরই মধ্যে সতেরোজন দল জমা দিয়ে দিয়েছেন। তাড়াতাড়ি করে জমা দিয়ে দিন, জিতে নিন শিরোপা, সাথে বিশাল সম্মান। কাজ সামান্য, প্রি কোয়ার্টারে জিতবে এমন আটটা দলের নাম দিয়ে দিন, জেতার সম্ভাবনার সবচেয়ে কম থেকে বেশী ক্রমে। তারপর বসে বসে পয়েন্ট গুনুন। 
পেচ্ছাপেছি-২: আটটি বছর পার........ভাল্লাগে না আর
১.
দিনটার কথা সে ভুলেই গেল। ভোলাটা উচিৎ ছিল না হয়তো, কিন্তু এটাও হতে পারে যে সে ভুলতেই চাইছিল। যাই হোক-আমাদের এই ভুলোমনা লোকটি বাসায় ফিরলো অনেক রাতে। বাড়ি ফিরে সে দেখল স্ত্রী রেগে বোম হয়ে আছে। বাড়িতে ঢুকতে না ঢুকতেই প্রশ্ন " তোমার কেমন লাগবে যদি তুমি আমাকে দু-তিন দিন দেখতে না পাও ?"
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (তৃতীয় কিস্তি)
তবে তরুণ ইঞ্জিনিয়ার একটা বিষয়ে কোনরকম জবরদস্তি ছাড়াই খানিকটা কোমল প্রতিবাদী অবস্থান নিতে পারে বলে আমার মনে হয়: তাদের শোবার ঘরে একটা ভারী মার্বেল পাথরের টেবিলের উপর একটা নগ্ন পুরুষ মূর্তি রাখা ছিলো; মূর্তিটি তার নিটোল নিতম্বের উপর ভর দিয়ে রাখা বাম হাতে একটা বীনা ধরে আছে; আর ডানহাতের ভঙ্গীমাটা এমন যেনো এই মাত্র সে বীনার তারে আঙুল চালিয়েছে; ডান পাটা খানিকটা বাড়িয়ে রাখা, মাথাটা একটু ঝুকে আছে, কিন্তু চ
অনুবাদ: গাছ পাথর মেঘ(শেষার্ধ)
প্রথম পর্ব
‘এক টুকরা কাচ...’—ছেলেটা অস্ফুটে বলে।
