অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

abar shei lekha chai........

je post niye eto chilla-chilli...mono malinno holo............... shei post er karone chomotkar 2a lekha pelam mail a..........apatoto ami chinta mukto......

dekha jacche........

ashole shob kichur piche valo kichu thake........

je jai vaben na keno,amr uddesshota ashol silo.amk ekjon suggest koresilo ekhane muktijuddho bishoyok lekha khujte,jodi valo kichu chai......eai blog er nitimala jana na thakay joto jhamela....... keu jodi na bujhe baparta personally nite chan,tahole r ki bolbo ami........

jai hok........thanx to all...

বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তির ভবিষ্যত নিয়ে কিছু বলতে চাই

তথ্য প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। প্রায় সবক'টি গ্রুপ অব কোম্পানী, এনজিও, সরকারী-বেসরকারী অফিসের এখন ওয়েব সাইট আছে। মানদন্ডের বিচারে না হয় নাই গেলাম সেসকল ওয়েবসাইটের। ঘরে ঘরে এখন ইন্টারনেট। ছেলে মেয়েরা এখন বাহিরে খেলতে না যেয়ে বাসায় বসে সারাদিন চ্যাটিং এবং ওয়েব ব্রাউজিং এ ব্যস্ত। অথচ পাশের দেশ ভারত দিকে তাকালে দেখি চ্যাটিং এ ব্যস্ত না থেকে সেই একই বয়সের ছেলে মেয়েরা চ্যাটিং সফটওয়্যার কিভাবে কাজ করে অথবা কিভাবে এটা ডেভেলপ করা হলো তা জানতে বেশি আগ্রহী।

আমি আমার বউকে ভীষণ ভালোবাসি

রাতের খাবার শেষ করে বারান্দায় বসেছিলাম কয়েকটা 'টু বি অর নট টু বি'র হিসেব মেলাতে, তখুনি অচেনা নাম্বার থেকে একটা ফোন এল। অচেনা নাম্বার থেকে ফোন এলে আশংকিত থাকি একটা বাজে ঘটনার পর থেকে। কিন্তু কন্ঠটি আমার জড়তাকে পাত্তা না দিয়ে বললো, " দোস্ত আমি লাবু। বিয়া করতেছি, তোর আসতে হবে। আগামী ১৭ তারিখ হলুদ। হলুদে তো অবশ্যই আসতে হবে। বিশেষ দরকার আছে।"

লাবু.......লাবু......স্মৃতি হাতড়ে যে মুখটা পেলাম সেটা আমাকে ফোন করার মতো কেউ না। লাবু নামের এক সহপাঠী ছিল স্কুল জীবনে, কিন্তু বন্ধু বলা যায় না তাকে। সেই লাবু কি?

টুকরো-টাকরা ১

১.
তালেবানগো বিরুদ্ধে লড়াই করতে হইবো, এইরম জেহাদি ঘোষণা আমাগো অধিকাংশ প্রগতিশীল বন্ধুগো চেতনায় আসা যাওয়া করে। কিন্তু আমরা জানি না আফঘানিস্তানে তালেবানি শাসন কায়েমের রাজনীতি। আমরা অধিকাংশই জানি না কেমনে মধ্যবিত্ত আফঘানিস্তিয়ান তৈরী কইরা দিছে আমেরিকান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আমরা জানি না বা জানতে চাইনা এই রাজনীতির সাথে বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ রাজনীতির কদ্দূর সম্পর্ক বিরাজমান।

অভ্র ৫.০.৫ পাবলিক বেটা ১। আরো সহজ, আরো সুন্দর, আরো দ্রুত!

অভ্র'র প্রতি আমার ভালবাসা আজীবনের। অভ্র না থাকলে কখনো কম্পিউটার এ বাংলা লিখতে পারতাম না। আমরা বন্ধু সহ নানা ব্লগের সদস্য হয়ে কেটে যাচ্ছিল কাল। এক লাইনও লিখতে পারি নাই কোথায়ও, এমন কি মন্তব্য করতে যেতাম না। অভ্র'র কথা জানলেও বাংলা টাইপের ভয়ে (অভ্রকে তখনো পুরা জানা ছিল না, তার পর 'বিজয় কাগু' ভীতি) ছিলাম ভীত!

এমনি সময় বন্ধু মেজবাহ যায়াদের একটা লেখায় (যতদূর মনে পড়ে নির্মল সেন নিয়ে) বাংলিশ মন্তব্য লিখেছিলাম (হয়ত সইতে না পেরে) এই আমরা বন্ধুতে! রায়হান ভাই কি একটা মন্তব্য করে বসেন। ব্যস, আর যাই কই, মাথায় জিদ চেপে গেল। বাংলা শিখতেই হবে। সারারাত অভ্র নিয়ে কাটিয়ে দিলাম। ইংরেজী টাইপ করলে বাংলা হয় বুঝে গেলাম আর ইংরেজীতো ভাল টাইপ করতে পারি! পরদিন আরো চেষ্টা করলাম। বাহ বেশ তো! বন্ধু মেজবাহকে নিয়ে লিখলাম একটা কবিতা(! কিছু হয় নাই)।

কা্বজাব - ২

শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড এই কথাটার সাথে আমার চরম দ্বিমত আছে। শিক্ষা আমাদের সমাজকে কি দিচ্ছে? কিছু শিক্ষিত দুর্নীতিবাজ আর কিছু শিক্ষিত অমেরুদন্ডী প্রানী এবিং কিছু শিক্ষিত মূর্খ। এই যে শিক্ষিত তাকমা লাগিয়ে কিছু অমানুষ বের হচ্ছে এদের পিছনে সমাজ , পরিবেশ পরিস্থিতি দায়ী অনস্বীকার্য। কিন্তু যাদের মানুষ গড়ার কারিগর বলি তাদের কি কোন দায়বদ্ধতা নেই?

সীমায় রুদ্ধ

সীমায় রুদ্ধ, সীমায় রুদ্ধ - ভুবন আকাশ তল
সীমায় রুদ্ধ মানুষগুলোর নয়ন জাত শীতল জল
সীমায় রুদ্ধ সময় জুড়ে অন্তরীক্ষের নিকোষ আঁধারটাও
সীমায় রুদ্ধ সময় ঘিরে ঘটনার সব বিশদ ঘনঘটাও।

সীমায় রুদ্ধ জীবন বলেই জীবন ভীষণ কষ্ট দেয়
সীমায় রুদ্ধ মন বলেই সে মন কষ্টও চুষে নেয়...
সীমায় রুদ্ধ কর্মকান্ড , সীমায় হায় হুতাশ
সীমায় রুদ্ধ স্বল্প এ ঘরে সীমায় রুদ্ধ বাতাস

সীমায় রুদ্ধ স্বপ্ন সকল , সীমার পর আর নেই
সীমায় রুদ্ধ সুখ খুঁজে তাই দু:খও হারা্য় খেই
সীমায় বদ্ধ মানব প্রাণী সুখ দু:খে মিলেমিশে
সীমায় রুদ্ধ জীবন কাটায় কেঁদে এবং হেসে.........

১/১০/২০১০

হয়তোবা ......

কথা না বলতে বলতে
হয়েছি বাকরুদ্ধ এই আমি;
বন্ধ হয়েছিলো মনের জানালা খানি।

সময় গড়িয়ে ইচ্ছেগুলো হয়েছিলো ফিঁকে মলিন।
কেনো যেন মনে হল...
আছে কথা বহু বাকী;
আছে বহু ইচ্ছে পূরণ।

প্রজাপতি ও বন্ধু আমার..!
একটু শুনে যাবে কি ...
নেবে কি ভর করে
রঙিন ডানায় তোমার..;
মলিন ইচ্ছে গুলো এই আমার।
করে দিতে স্বপ্নময় চির রঙিন....
হতে চাই বাধঁন হারা সৌন্দর্যে বিলীন.....।

জীবন থেকে নেয়া (টুকটাক)

অনেকদিন আগে এই নামে একটিা সিরিজ লিখতাম। মাঝখানে নানা কারনে লেখা হয়ে ওঠেনি, বহুদিন পর আবার জীবন থেকে নেয়া সিরিজটি লিখছি। শেষ কবে লিখেছিলাম তার সঠিক তারিখটি যদিও মনে নেই তবে একবছরতো হবেই। এ পর্বের নাম দিলাম

টুকটাক

এই আমি - এই আমরা

ছোট তিনটি ঘটনা বলি।
১-আমার এক প্রবাসি বন্ধু , যার প্রবাস জীবনের ছবি দেখে আমি হিংসায় জ্বলি আর ভাবি আহা , কি সুখেই না থাকে মানুষ বিদেশে ! -দেশে আসার পর আমায় বলে দোস্ত বিদেশে থাকি , টাকা ও কম কামাই না কিন্তু মাঝে মাঝে কেমন যেন লাগে । যন্ত্র হয়ে গেছি রে ! আমি তখন বিজ্ঞের মত একটা ভাব করতাম আর টেনে টেনে বলতাম - তোরে যাইতে কইছে কে ? এখানে ই চেষ্টা করতি । আর নিজের চেহারায় একটা বুদ্ধিমানের আভা ফুটিয়ে বলতাম - আমরা ভালো ই আছি।
২-দোকানে গিয়ে body spray খুঁজছিলাম , salesman আমাকে কিছু নমুনা দেখাল সাথে বুঝাতে চেষ্টা করল কোন্টার কি ঘ্রাণ। কোনটা lemon, কোনটা cool,আরো আছে নানা ধরনের ।আমি অনেক চুলচেরা বিশ্লেষণ করে পছন্দসই body spray কিনে বাসায় আসলাম।

শুকনো পাতায় শূন্যতা

এর আগে কখনো রাতে বাইরোডে যাতায়াত করিনি।

রাতের ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছি, যেতে হচ্ছে। পরপর পেরিয়ে যাচ্ছি একটি একটি করে শহর, শহরতলী বা গ্রাম। স্নায়ুর চাপে কোনকিছুই ঠিকঠাক চিনতে পারছি না, নইলে এই যাত্রা উপভোগ করা যেত। রাত বাড়ছে কিন্তু গাড়ি চলাচল কমেনি। রাস্তার দুধারে দোকানপাট বেশীর ভাগই খোলা, এমন কি মধ্যরাতেও দোকানির ঝাঁপ তোলা দেখে অবাক লাগল। এরা কি সারা বছর এভাবে রাত্তিরেও বেচাকেনা করে নাকি রোজার রাত বলে এমন বুঝতে পারলাম না।

বিদ্যালয় সখা

বিদ্যালয় সখা, সেরা সময়ের সহচর

ষান্মাসিকে বা ফুটবলের ম্যাচে অন্যদের প্রতিদ্বন্দ্বী করে
সামান্য এগিয়ে গেলেও অসামান্য সুখ
আঙুলে আঙুলে ভাব বা মুহুর্তে কাটাকাটি

একদিন আন্ত:স্কুলে এই কালো পীচে
দলবদ্ধভাবে বিজয় মুকুট নিতে শিকারী হয়েছি
যেন বিদ্যালয় সারাজীবনের, তার স্বার্থে লড়ে যাওয়া
স্কুল কি আর আমাদের মনে রাখে?

শুনেছি সবাই ভাল আছে, সাফল্যে নেতা, পতনে কেউ কবি
যোগভাগ নিয়ে আমারও চলে যায়, কম বেশী
অর্থ কড়ি ঘরে, ব্যস্ততা নিয়েছি চিনে
বাস্তব খেলায় খেলা মুছে গেছে কবে, মাঠ গেছে দখলে

হতে পারে ভাব বা রোমন্থন
নৌকার মতো স্মৃতির গুনটানা কিংবা
যে নামই তাকে ডাকি
কৈশোরের রোদেলা দিনগুলো আমাদের
শ্রেষ্ঠ সময়, চাইলেই তাদের ভোলা যায় না

সবাই কোথায়? বাইরে, দেশে ব্যবসায়, কাজে, কেরানীত্বে
অথচ কী জ্বলজ্বলে স্মৃতি, যেন আগে ভাগে স্কুলে পৌছে
সতীর্থদের জন্য অপেক্ষা করছি

---------------

গল্প লেখার গল্প

সে এক বহুকাল আগের কথা। আমি তখন মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে ক্লাস টেনে পড়ি। ক্লাসমেট, বেঞ্চমেট এবং ফুটবল টিমমেট হিমেল আমার খুবই কাছের বন্ধু। পড়াশোনায় আমি ছিলাম বরাবরই ফাঁকিবাজ আর ও হাড়মাস কালা করা ধরনের সিরিয়াস। কিন্তু মজার বিষয় হলো প্রায় প্রতিবারেই আমার রেজাল্ট ওর চেয়ে ভালো হতো। আমরা ক্লাস এইট থেকেই এক গ্রুপে। খেয়াল করে দেখতাম প্রতিটা পরীক্ষার আগেই ওর চোখেমুখে ভয়াবহ রকমের ভীতি খেলা করতো। রাতদিন জেগে সব মুখস্থ করে এসেও পরীক্ষার হলে গিয়ে টেনশনে সব ভুলে বসতো। আমার পরীক্ষা-ভীতি বলতে গেলে ছিলই না। বরংচ রীতিমতো নিয়ম করে পরীক্ষার দুই দিন আগে থেকেই পড়ালেখা সব বন্ধ করে দিয়ে সেবা-হুমায়ুন-শীর্ষেন্দুতে ডুবে থাকতাম। ঠিক পরীক্ষার দিন সকালে নোটগুলোতে আরেকবার দায়সারা গোছের চোখ বুলিয়ে হেসেখেলে পরীক্ষার হলে ঢুকতাম। হিমেলকে দেখতাম পরীক্ষা শুরুর মিনিট খানেক আগ পর্যন্ত রিভিশন দিতে দিতে গলা শুকিয়ে ফেলতে। ক্লাসের ফার

আর কতদিন আর কতকাল ...

আর কতদিন আর কতকাল ... ...
অবুঝ রইবো মোরা, বুঝবো না হাল!
যতকাল রইবে ঐ বুড়ির জল কালো
যতকাল মুখে রব- ঐ আগুন জ্বালো,
ততকাল কালো জলে মুখ কালো করে
অথবা দৌড়ে পলায়ন আগুনের ডরে-
অবুঝ রইবো মোরা, হব চীর ভীত
মাথা উঁচু খানিকটা তবুও মেরুদন্ড আনিত।
ও উঁচু মাথার বল কিইবা কর্মকাজ?
মেরুর ঐ দন্ড নিচু- সে যে বড় লাজ।
মাথা উঁচু ভাবি তবুও মন যে ভ্রান্তি ময়
পা চাটাচাটি কত, মাথা কি উঁচু রয়!
এমন অপমান আর বল কতদিন-কাল
আস্টে পিষ্টে বন্দী - এ কেমন হাল?
জাল যেন ছেঁয়ে আছে প্রতি পদে পদে
নিচের ছায়ায় নিজে ভীত কালো নদে।
তাবেদারী ভাব ধরি, বুঝিনা গো দূর...
চির সত্যি ভুলে বাজাই শুধু মিছে সুর,
সাময়িক বাতাসটা যদি গো গায়ে লাগে
সে বাতাসের পূজোটাই সব চেয়ে আগে,
ওদিকে যে বহুদূর পথ পড়ে আছে...
ভুল ভাবি - এখনও সময় রয়ে গেছে!

২৪/০৯/২০১০

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিবকে দেশে ফেরত

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব (ডিপিএস) মাহবুবুল হক শাকিলকে নিউইয়র্ক থেকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, মাতাল অবস্থায় মধ্যরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মহিলা কর্মকর্তার কক্ষে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন শাকিল।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদের মন্তব্য জানতে বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী মুখ্য সচিব মো. আবদুল করিম শাকিলের দেশে ফেরার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। খবর নিউইয়র্ক থেকে নিউজ ওয়ার্ল্ডের।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নিউইয়র্ক সিটির গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে শাহনাজ গাজীর কক্ষে মাতাল অবস্থায় প্রবেশের চেষ্টা করেন শাকিল। তবে, তিনি কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন কি না, সে বিষয়ে কেউ মুখ খুলছেন না। শাহনাজ গাজী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে পরিচালক হিসেবে কর্মরত।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ