অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

যাপিত দিনমান: সোভহানাল্লার মর্তবা ও অন্যান্য

প্রায়ই ভাবি দিনযাপনের কথা লিখি। কিন্তু লিখতে গেলেই সেই দুনিয়ার আলসেমিও বিরক্তি ধরে। তাই ভাবাই সার লেখা হয়ে উঠেনা। আজ মীরের চমৎকার লেখাটা পড়ে এবং ওর আগ্রহ জেনে সাথে সাথেই লেখা শুরু করি এই ভয়ে যে পরে আবার যদি লেখা না হয়। এই লেখাটা দিয়ে মীরকে আবারো ধন্যবাদ ও ক্বতজ্ঞতা জানাই।
এক

আমাদের মহল্লার পাশে একটা মসজিদ আছে বেশ পুরানো। তবে এই মসজিদটা বিখ্যাত এর মুয়াজ্জিনের জন্য। বয়স্ক মুয়াজ্জিন বিকট ও অদ্ভুত সুর ও স্বরে আযান দেন। আমি বাজী ধরতে পারি সারা দুনিয়ায় এমন অদ্ভুত আযান কেউ দেয় না। আমরা শুনতে শুনতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। কিন্তু বাইরের লোক এসে অবাক হয়ে যায় আযান শুনে। একজন সবচেয়ে এপ্রোপিয়েট মন্তব্য করেছে এইটা নিয়ে। তিনি বলেন, এই আযান শুনলে বোঝা যায় কেয়ামতের আর বেশি বাকি নাই।

রাতের দুই গল্প

গত শুক্রবারের ঘটনা

পরিচয়

কখনো মানুষ, কখনো পুরুষ,
কখনো প্রশ্ন, কখনো চরম অমানুষ।
দোষে গুণে মানুষ,

বিস্ময় কালো নক্ষত্রের রাতে
শিয়রে কমলা হাতে,
কখনো শিশুর পিতা, কখনো রক্ত বিক্রেতা,
হাঁটুমুড়ে প্রার্থনায়, বর্ষনে ছাতা মাথায়
জোকার, জমিদার অথবা নামহীন মামুলী মানুষ

চর্বিত মানুষ, ভালবাসার রঙে গর্বিত মানুষ,
অন্ধকার ইতিহাসে
ক্রীতদাস, খুন, যুদ্ধের কলঙ্ক মুছে ভবিষ্যত দেখার মানুষ

কোন এক ভোরের অন্ধকারে
দেশের পলিতে মায়ের দেহের সঙ্গে মিশে যাবার
শেষ ইচ্ছার মানুষ

ওদের জানিয়ে দাও

কাল গিয়েছিলাম কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের (সিএজি) অফিসে, একটা প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে। যারা আমারে আদৌ পাত্তা দিতে চান না, তাদের বলি, সেখানে আমি একটা ক্লাশ নিতে গেছিলাম। সিএজি কার্যালয়ে একটা মিডিয়া সেল খোলা হবে, তাই সাংবাদিকতা কী জিনিষ আর সাংবাদিকরা কী বস্তু সেইটা জানানোর উদ্দেশ্যেই যাওয়া। এইটা একটা আমার জন্য লাভজনক প্রকল্প। Smile

সেখান থেকে বের হওয়ার পর মনে হলো পথেই যেহেতু, তাই একবার সাগর পাবলিশার্স ঘুরে যাই। আগে এক সময় উপন্যাস ও গল্পের পাড়ায় খালি ঘুরতাম। এখন সেখানে আর যাইই না। আর নতুন কোনো ভাল উপন্যাস বের হয়েছে বলে অনেকদিন খবর খবর পাই না। তাই বিশেষ কিছু না হলে উপন্যাস থেকে আগ্রহ কমে গেছে।

টুকরো-টাকরা ২

ক.
দেশের বেশিরভাগ মানুষের মতোন সংবিধান বিষয়ে আমার জ্ঞানও বেশ সীমিত। ৭২'এর সংবিধানটা পড়ছিলাম নাদান বাঙালি' র মতোন। পরবর্তী বেশ কিছু সংশোধনি বিষয়েও জানা ছিলো, কিন্তু গতো কয়েকদিন ধইরা ৭২'এর সংবিধান পূণস্থাপিত হওয়া নিয়া আপীল বিভাগের মূল্যায়ণ বা সিদ্ধান্ত দেওনের ধরণ দেইখা খুব একটা জুইত পাইতেছিনা। সংবিধান কি কেবল কিছু আইনের সন্নিবেশন? নাইলে জাতিগতভাবে বাংলাদেশি হইলেও ৭১'এর সংবিধানে আমাগো কোনো সমস্যা হইবো না? ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হওয়ার পর কি সংবিধানে সংশোধিত হইয়া আসা বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বাতিল হইয়া যাইবো? এইটা কি সরকারী অধিবেশনগুলিতে পালিত হইবো? আমি সংশয়ি মানুষ, আদালতের এহেন আচরণে আরো বেশি বিভ্রান্ত হইয়া পড়ি।

সাত মুসাফির - ১ম পর্ব

১.
সেইকালে বাগদাদ নগরীর নিকটবর্তী কিফরি শহরে ইবনে হেরাত নামক এক অতিশয় রোমাঞ্চসন্ধানী যুবক বাস করিত। নতুন নতুন অভিযানে যতটা তাহার উৎসাহ, সংসারে অথবা জীবিকার নিমিত্তে কাজেকর্মে ততটাই তাহার বিতৃষ্ণা। এক সন্ধ্যায় আর দশবারের মতো অকস্মাৎ খেয়ালের বশবর্তী হইয়া যুবক তাহার একমাত্র উষ্ট্রখানার পৃষ্ঠে চড়িয়া বসিলো। অতঃপর পিতামাতা আর বন্ধুবান্ধবদিগের উদ্দেশ্যে "বাঁচিয়া ফিরিয়া আসিতে পারিলে আবার দেখা হইবে" বলিতে বলিতে গোধূলী আর মরুর ধুলার আলো আঁধারীর মধ্যে নিরুদ্দেশ হইয়া গেল।

কতটুকুন আলো বুনে এনেছি রোদেলা সকাল

প্রিয় ঘাস!
পায়ের নীচে পিষ্ঠ হওয়া শেষে
তোমার মাথা তুলে দাঁড়াবার ঔদ্ধত্য ভঙ্গি,
কিংবা আবার সবুজ হয়ে ওঠার পালা,
তোমার মুখর হওয়া শিশিরকণা,
প্রতিবাদী হয়ে ছাপিয়ে ওঠার মহড়া;
আমাকে কুঞ্চিত করে!
আমি কুঞ্চিত হই সকালের সূর্যোদয়ে,
আঁধার রুখে যে প্রলয়োল্লাস করে।
কুঞ্চিত হই শহরতলীর শিউলী ফুলের কাছে,
গেঁয়ো দস্যি বালকের ঘুড়ি বাকাট্টা দিয়ে-
মাঞ্জামারা সুতার কাছে।
বালিকার বুনে রাখা নকশীকাঁথার কারুকার্যের,
রুমালের ভাঁজের কাছে।
আমাকে তৃষ্ণার্ত করে রাখা কবিতার কাছে,
নীলরঙে মোড়া বিক্ষুব্ধ প্রতীক্ষার খামের কাছে.
হলুদ ফুলে ভরা সর্ষেক্ষেতের মানচিত্রের
বা মায়ের যাদুর বাক্সে ভরে রাখা পিঠাপুলির কাছে
আমি কুঞ্চিত হই, হয়ে থাকি।
কুঞ্চিত হতে চাইনা প্রতিবাদী মুখরতায়।

০৬/১০/২০১০: রাত

মাসিক শিশুবার্তা

এমনিতেই একদিন দেরী হয়ে গেছে, আরও একদিন দেরী করলে রাসেল আশরাফ আর জয়িতা আমারে ভেজে খেয়ে ফেলবে। তাই তড়িঘড়ি করে অফিস থেকেই এই ছবি ব্লগের সূত্রপাত। আসলে বেশ একটা ঘটনাবহুল মাস গেলো--ঈদ, ভয়াবহ টাইফুনের নির্দয় হামলা, দেশ-বিদেশ থেকে আত্মীয় পরিজনদের বেড়াতে আসা, কর্মক্ষেত্রে নিদারুণ ব্যস্ততায় খাবি খাওয়া, চন্দ্র মাস উপলক্ষে চন্দ্রোৎসব, আয়লা-এষার আজগুবি ভঙ্গীতে হামাগুড়ি শেখা আরও কত্তো কী! ইচ্ছা ছিল সবিস্তারে একটা জমজমাট ব্লগ লিখবো, কিন্তু কপালের নাম গোপাল। তাই আহা উঁহু বাদ্দিয়ে যা পারি তাই লিখে আপনাদের পাতে তুলে দেই। সময়াভাবে অন্যদের সব ব্লগ পড়তে পারি না, অথচ নিজে হাবিজাবি লিখে পাতা ভরিয়ে ফেলি-- ক্ষমা-ঘেন্না করে দিয়েন গো Smile

বোকা মেয়ের ডায়রী.....

ব্লগিং জিনিসটা আমার জন্যে খুব একটা নতুন না। আগেও টুকটাক করছি.।
তারপরেও দেখি সব এলোমেলো লাগে,কিছুই বুঝি না। Sad( আমার মনে হয় কম্পিউটার নামক বস্তুটাই বুঝ না আমি। বেকুব-সেকুব বালিকা,বোঝেনই তো........ Puzzled
কেউ কি আমাকে একটু সাহায্য করতে পারেন?
নিজের পোস্ট এ কমেন্ট করার পর দেখি আমি লগ ইন-ই করি নাই। কমেন্টগুলি “অতিথি কমেন্ট” হিসাবে চলে আসছে। সব কমেন্ট ডাবল ডাবল হয়ে গেছে।এখন কি করি? এগুলি ডিলিট করবো কিভাবে??? Shock
আমাকে কেউ ব্লগিং বস্তুুটা একটু সহজ করে বুঝায় দিতে পারেন?বড় যন্ত্রণায় আছি..... Sad

৭০ এর ঢাকা ---- মধ্যবিত্তের চোখে (আপডেটেড)

আজকাল মনে হয় পুরো দস্তুর প্রবাসী হয়ে গেছি। সারাক্ষন পুরনো স্মৃতি হাতড়ে বেড়াই ঢাকা গেলে। পরিবর্তন কাঁদায়, নতুন জিনিস বিরক্ত লাগে। বাড়ি গেলে এঘর ওঘর ঘুরে ভাইজি’র স্তুপ করা খেলনার মাঝে নিজের শৈশব খুঁজে ফিরি। চিকন পাড়ের সাদা শাড়ি পরা দাদু বসে থাকতেন সারা বেলা জায়নামাজের ওপর, পাবো না জেনেও তার মমতা খুঁজি, আমার নিজের হাতে লাগানো মানিপ্ল্যান্টের চারাটাকে খুঁজে বেড়াই যেটা কখনো আমার পড়ার টেবিলের ওপর কখনোবা শুধুই জানালার ওপর ঝুলতো। কারন আমার দুমাস পর পর ঘরের আসবাবপত্র টানাটানি না করলে কেমন যেনো বন্দী বন্দী লাগতো। কখনো খুঁজে ফিরি মায়ের কাছে বাতিল হয়ে যাওয়া সেই পুরনো দিনের শোকেসটা। পুরো কাঠ আর কাঁচের সম্বনয়ে চার তাকের জিনিসটি যেটি আমার বই রাখার সম্পত্তি ছিল বহুদিন। বই কিনে আমার নাম লিখে তাতে মালিকানার ছাপ লাগিয়ে তারপর পড়ে কাঁচের মধ্যে সাজিয়ে রাখা। দস্যু বনহুর থেকে সাতকাহন, মেমসাহেব থেকে শেষের কবিতা কি

উচ্ছিস্ট

১)
অবশেষে শাড়িটা না কেনারই সিদ্ধান্ত নেয় সোমা।
আসলে ঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া নয়,দামটা জানা মাত্রই বেড়িয়ে আসে দোকান ছেড়ে। পাঁচ হাজারের শাড়ি তার জন্যে নয়,খুব ভালো করেই জানা আছে।
পাশাপাশি হাটার ছলে স্ত্রীর হাতটা নিজের হাতে নেয় সৈকত।
‘বেশী মন খারাপ হলো?’
‘একদম না।’
‘মিথ্যুক! শাড়িটা তোমার পছন্দ হয়েছিল।’
‘তাতে কি? পছন্দ হলেই কেনা লাগবে?’
‘মন খারাপ কোরো না। একদিন এই শাড়িটা তোমাকে শিওর কিনে দেবো।’
হাসে সোমা,‘তুমি বলেছো,তাতেই হবে।লাগবে না আমার অত দামের শাড়ি।’
‘তাই?’
‘শাড়ি দিয়ে কি হবে?আমার তুমি আছো,আর কিছু চাই না।’
‘বাব্বাহ ম্যাডাম!এত রোমান্টিক ডায়লগ কোথেকে শিখলেন?’
‘যাও!খালি ফাজলামি তোমার।আর কখনও যদি কিছু বলেছি.. ..’
‘কি মুশকিল.. ..আমি আবার কি করলাম.. .. ’

অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম

ক্রিকেট

হুররেএএএ আমরা জিতছি!!!!!
অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে
অভিনন্দন তোমাদের
অনেকদিন পর ম্যাচ জেতার উৎসবে সামিল হলাম। ভাল লাগছে অনেক।

ক্রিকেট

আজ বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডের প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। সকালে টসে জিতে ব্যাট করে স্বাগতিক বাংলাদেশ দল। প্রথম খেলায় জমে উঠে ব্যাট-বলের লড়াই। জেতার জন্য ২১০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামে নিউজিল্যান্ড।

টুকরো ইতিহাস-২: পরের বউ

প্রতি সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। এখানেই গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয, সিদ্ধান্তও হয়। অনেক গোপনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনার একটি জায়গাও এই বৈঠক। এরশাদের সময় ছিল মিনি কেবিনেট। অল্প কয়েকজনকে নিয়ে বসতো এরশাদ।
গতকালও ছিল মন্ত্রিসভার বৈঠক। বৈঠক যখন শেষ তখন প্রধানমন্ত্রী দুজন মন্ত্রীর নাম ধরে বললেন, এই দুজন ছাড়া সবাই চলে যান। তারপর আরও তিনজন মন্ত্রীকেও বলা হল থাকতে। আলোচিত দুজন মন্ত্রীকে নিয়ে এরপর বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী। বাকি তিন মন্ত্রী ছিলেন দর্শক। কী আলোচনা?
-আমি কী করে বলবো? আমি কী ছিলাম নাকি? Tongue

যারা ছিলেন তারা যদি ভবিষ্যতে কিছু লেখেন, তাহলেই জানা যাবে।

কেউ কেউ যে লেখেন না তা নয়। একজন সাবেক সচিব লিখে গেছেন এ ধরণের নানা বৈঠকের কাহিনী। সেটা বরং বলি-

৩ এপ্রিল, রোববার, ১৯৭৭

কার্টুনিস্ট আরিফের মা অসুস্থ। কেউ কি এখন বাড়িয়ে দেবেন হাত--

আরিফের মা অসুস্থ। তাঁর কিডনী কাজ করছে না। কিডনী প্রতিস্থাপন করতে হবে। এজন্য ১৬ লক্ষ টাকা দরকার।

যদি কিডনী প্রতিস্থাপন করা না হয় তাহলে সারা জীবন সপ্তাহে দুবার ডায়ালাইসিস করতে হবে। তার খরচ আরও বেশি। অবস্থা ভয়ংকর।

বিলাতের দিনরাত্রি...২

একে তো চরম মন খারাপ করা দিন কাটে, তার উপরে ক্লাস থেকে ফিরে রোজ দরজা খুলে ঘরে ঢুকতে গিয়ে থমকে দাঁড়াই একটু, শুনি মহিলাটি আবার কাঁদছে। কাছে গিয়ে সান্ত্বনা দেবার লোভ সামলাই কোনরকমে। চোরের মত ত্রস্তপায়ে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা আটকে বসে থাকি। ল্যাপটপটা কোলের উপরে নিয়ে অন্যমনস্কের মত এই সেই ওয়েব পাতায় ঘুরে বেড়াই। পাশের ঘর থেকে খসখসে বয়স্ক আর তীক্ষ্ণ কিশোরী কন্ঠের চিৎকার ভেসে আসে। মহিলাটি সিলেটি ভাষায় কি বলে যাচ্ছেন, তার পুরোটা বুঝতে পারিনা, আধাআধি যা বুঝি তাতে মনে হয় বারো বছরের মেয়েটির ব্রিটিশ উচ্ছৃংখলতা সিলেটের পাড়াগাঁ থেকে লন্ডন চলে আসা মায়ের সহ্যের বাইরে চলে গেছে। মায়ের কথা না বুঝলেও, মেয়ের মুখের ''শাট আপ, ইউ ব্লাডি হোর'' শুনে আপাদমস্তক চমকে উঠি!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ