অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

বইয়ের ঝাপি

আমি তখন ক্যাডেট কলেজে পড়ি, আর আমরা থাকতাম নাখাল পাড়ায়। সে সময়ে একটা সেল্ফ কেনা হল। সেল্ফের তিনটা তাক। উপরেরটায় স্থান পেলে কাপ-পিরিচ-প্লেট-গ্লাস ইত্যাদি। নীচের তাকে আমার ছোট ভাইয়ের নানা ধরণের খেলনা। আর মাঝের তাকটা আমি দখল করলাম, তখন আমার সংগ্রহে ১০/১৫টা বই। এর বেশির ভাগই পুরস্কার পাওয়া। একটা সময় সেই সেল্ফ পুরোটাই আমার দখলে এলো। কিন্তু তাতেও বই ধরে না। তারপর কিনলাম আরেকটা। একসময় এই সেল্ফও বইয়ে ভরে গেল। গত বছর অটবি থেকে কিনলাম আরেকটা। সেটিও এখন ভর্তি।
এর মধ্যে সবচেয়ে পুরানোটা বয়সের ভারে আক্রান্ত। ঈদের ছুটিতে বসেছিলাম পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে। বিশেষ করে সামনে পেছনের সারির বইগুলোর দিকেই মনোযোগ দিতে হল, যেগুলো খানিকটা ছিড়ে গিয়েছিল অতি ব্যবহারের কারণে। কিংবা কিনেছিলামই পুরান বই, ফু্টপাত থেকে।

কা্বজাব - ১

যখন আমার বয়েস ৮/৯ তখন কি যেনো একটা গুরু গম্ভীর বই পড়ছিলাম। নামটা আজ যদিও মনে নেই, তবে একটা লাইন মনে আছে। “মানুষের জীবন দুঃখ ও সুখের সমষ্টি, যেখানে সুখের মুহুর্ত খুব কম। আর আমাদের জীবন কাটে সেই সব মুহুর্ত রোমন্থন করে আর সেই সব মুহুর্তের আশায়।” ভয়াবহ ধরনের সত্য কথা। সত্য যে তার প্রমান প্রায়ই পাই যখন মানুষকে দেখি বিভিন্ন বার্ষিকী করতে। কেউ আবার মৃত্যুবার্ষিকীকে টেনে আনবেন না। উদাহারন হতে পারে বিবাহ বার্ষিকী অথবা প্রেমিক-প্রেমিকাদের বর্ষপূর্তি। একটা কাপলের কি আর কোন ভালো ঘটনাই ঘটে না? তবে কেন একটা তারিখের স্মৃতি রোমন্থন করে চলা সারা জীবন? অনেক চিন্তা করেছি উত্তর পাইনি। এমনকি আমার এক্স – গার্লফ্রেন্ডকেও মনে হয় প্রশ্ন করেছিলাম । উত্তর পাইনি।

একটি অপ্রকাশিত আবিষ্কারের কাহিনী

গ্রহ নক্ষত্রের ফেরে আমার বিজ্ঞানী হওয়াটা ঠেকে গেল। নইলে হাফপ্যান্ট থেকে ফুলপ্যান্টে প্রমোশন পাবার আগ পর্যন্ত কেবলমাত্র বিজ্ঞানী হবারই স্বপ্ন দেখতাম।

যদিও পড়াশোনায় একবিন্দু মন ছিল না কখনোই। সেটার জন্যও আংশিক দায়ী বিজ্ঞানী হবার বাসনা। কারণ পরিচিত যে তিনজন বিজ্ঞানী ছিলেন তাদের কাউকে স্কুলে যেতে দেখিনি বা শুনিনি। একজন আপেল বাগানে গিয়ে গালে হাত দিয়ে বসে থাকতো, আরেকজন চৌবাচ্চায় গোসল করতে গিয়ে পানি উপচে পড়াতে ইউরেকা বলে চেঁচাতে চেঁচাতে রাস্তায় ছুটে যেতো, শেষের জন দুরবীন হাতে দুর আকাশের অগুনতি নক্ষত্রের দিকে তাকিয়ে থাকতো আর কে কার পিছে ঘুরে সেটা আবিষ্কার করতো।

বিড়ম্বনা

আমার এক বন্ধু, নাম মাসুম। না পিআলোর মাসুম মামা না। তার একটা জয়েন্ট ভেনচার সফ্টওয়ার কোম্পানি আছে। অসম্ভব প্রতিভাবান, উদ্দোগী, কাজ পাগল। তার চেয়ে কথা হলো নীতিবান। নীতিবান মানে নীতিবান। জীবনে বেআইনি কাজ করে নাই। বাংলাদেশে এমন লোক মনে হয় হাতে গোনা যাবে। এরকম লোকদের জন্য এই ভ্রস্ট সমাজে বাস করা কঠিন। নানা সমস্যায় পড়তে হয়। বিভিন্ন সরকারী যায়গায় এ নিয়া অনেক দিগদারি হয়। সে কাহিনী আরেক সময় বলব। আজকে অন্য ধরণের একটা কাহিনী বলি। তার মুখেই শুনুন।

.
.

ঢাকা থেকে খুলনা যাচ্ছিলাম
বাস-টা পথে একটা হোটেলে কিছুক্ষনের জন্য থামলে
আমি হোটেলের টয়লেটে ঢুকলাম হাল্কা হতে...

কি মুস্কিল পাশের টয়লেট থেকে বয়স্ক কন্ঠে জিজ্ঞাসাকরে
"কেমন আছো?"
মেজাজ পিলা হয়াগেল... তবুও ভদ্রতা করে কইলাম "জ্বি ভালো"

এ-মা... ফাজিল বুইড়া আবার জিগায়... "কি করছো?"
এইবার মনে হইলো অসুস্হ কোন মানসিক রোগীর পাল্লায় পরছি নিশ্চিত

প্রবাসে ঈদ

এর আগে এক লেখায় আপনাদের জানিয়েছিলাম তাইওয়ানের মতো পাণ্ডববর্জিত দেশে রোজার মাসে কষ্টে বিতিকিচ্ছিরি অবস্থার কথা। তো সমস্ত রোজার মাস যদি হয় ফূটন্ত কড়াই তাহলে খোদ ঈদের দিনটি হলো জ্বলন্ত উনুন। এক হচ্ছে প্রবাসে বাপ-মা, আত্মীয়-স্বজন, পুরানা বন্ধু-বান্ধব কেউ নেই। বাসায় ফোন করলেই মায়ের ফোঁপানো, কান্না সামলে ফ্যাঁসফেঁসে গলায় কী খেয়েছি, কী রেঁধেছি ইত্যাদির ফিরিস্তি চাওয়া। বাবার থমথমে গলায় হাঁটু ফুলে যাবার বয়ান, ভাই-বোনদের অভিযোগ-অনুযোগ ইত্যাদিতে জেরবার করে তোলা। আর দ্বিতীয় হলো নিজেও বানিয়ে বানিয়ে খুব ভালো থাকার-খাবার বর্ণনা ইত্যাদি দিয়ে সবাইকে আপাতত ঠাণ্ডা করে একছুটে সাগর পাড়ে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকা। পরেরটাতেই কষ্ট লাগে বেশি, হিমঘরে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হৃদয় গলে ফোঁটায় ফোঁটায় রক্ত ঝরে।

~ কফি হাউজ ~

আমরা বন্ধু ব্লগে আমার প্রথম পোস্টে আমি সবার জন্য কিছু ছবি নিয়ে এসেছি। বন্ধুত্বের সংজ্ঞা সব জায়গায় যে কোন বর্ণের মানুষের কাছে একই।
আমরা বন্ধু, আরো কিছু বন্ধু কিংবা পৃথিবীর সব বন্ধুর গল্প, আকুতি ফুটে উঠেছে মান্না দে'র কফি হাউজ গানের কথায় .................
সেই কফি হাউজের কিছু ছবি।

কফি হাউজ
কলেজ স্ট্রীট, কলকাতা।

1.JPG

2a.JPG

3.JPG

5.JPG

4.JPG

টুকরো ইতিহাস-১

এইটা আমার নতুন ব্লগ প্রকল্প। ইতিহাসের ছোট ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নিয়ে ছোট ছোট পোস্ট লেখা। সবাই পছন্দ করলে এটা চলতে পারে।

শুরুটা মওদুদ আহমদকে নিয়ে।লেখক মওদুদকে আমার খানিকটা পছন্দ। তাঁর বলা ও লেখার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে। তাঁর একটা বই চলমান ইতিহাস-জীবনের কিছু সময় কিছু কথা ১৯৮৩-১৯৯০। দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড থেকে প্রকাশ, ২০০৯ সালে। সেখানে তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অনেক কিছুই লিখছেন। তবে আমার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে এ বিষয়টি।
তিনি লিখেছেন,
দলের জন্য আমি কোন চাঁদাও তুলিনি, আর তাই অন্যায়ভাবে কোন কাজও আমাকে কারো জন্য করতে হয়নি। ......এই চাঁদা নিয়ে প্রেসিডেন্ট জিয়ার সাথে আমার ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। মাসে তিন লাখ টাকা করে দশজন মন্ত্রীকে দলের জন্য চাঁদা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি এভাবে চাঁদা দেওয়ার পদ্ধতির বিরোধিতা করেছিলাম।

এলিয়েনের ঈদ

প্রতিবার ঈদের নামাজ পড়ার জন্য ঘুম থেকে খুব সকালে উঠতে হতো।কারন জামাত ৯ টায় হলেও আমার বাপজানের চিল্লাচিল্লিতে ৬ টার পর বিছানাতে থাকা অসম্ভব।

তাই এবার ঈদে যখন হাউজমেটের ডাকে ঘুম থেকে উঠলাম তখন ভাবলাম ইউনির বাস মনে হয় মিস করে ফেলেছি কারন ৭ টা ৩৫ শে বাস আর ঈদের জামাত ১০ টায়। মসজিদে যেতে আমার এই জংগল থেকে টানা ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট লাগে বাসে। না ঘুম থেকে উঠে দেখি না সময় আছে বাসা থেকে পাঠানো পাঞ্জাবী পড়ে টুপি মাথায় দিয়ে আগেরদিন রাতের রান্না করা সেমাই খেয়ে (অবশ্য সেটা সেমাই না বলে আটার দলা বললে ভালো হতো কারন সেমাই আর দুধের অনুপাত ঠিক না হওয়ার কারনে দলা পেকে গেছিল।) রওনা দিলাম বাস ধরার জন্য।

বাসে উঠতে যাবো ড্রাইভার হাওমাও করে কি জানি কয় বুঝলাম ব্যাটা ড্রেসের কারনে বুঝতেছে না আমরা ইউনির ছাত্র কিনা?যখন আইডি বের করে দেখালাম তখন পাকসা দেখে বললো ওকে।

রেখেছ বাঙালী করে মানুষ করো নি....

সময় বহিয়া যায়... ঘাট অঘাট হয়... চারদিকে কলিকাল.. ঘোর কলিকাল। মানবিকতা, মূল্যবোধ, ন্যায়, অন্যায় শুধু বাংলা একাডেমির ডিকশনারির পাতার নিচে চাপা পড়ে যায়। চারদিকে শরতের ফুরফুরে হাওয়া শুধুই বদ্‌লে যাওয়ার আহ্বান জানায়। তবে এটা যদি পজেটিভ হতো... দেশের মানুষের কোন দু:খ থাকত না... কষ্টটা এইখানেই বাজে বারবার।

গতকাল সংসদেরর স্পিকার মানিক মিয়া এভিনিউতে স্পিড ব্রেকার দেবার জন্য সিটি কর্পোরেশনকে তাগাদা দিয়েছেন। অবশ্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ। কেন? কারণ ন্যাম ফ্ল্যাট থেকে সংসদ ভবনে যাতায়াতে সাংসদদের প্রচুর সমস্যা হয়।

ভূমিকম্পের প্রস্তুতি

কিছুদিন আগে ঢাকায় একাধিক বিল্ডিংয়ের ধ্বস্, ঈদের আগে পিছে দেশের নানান জায়গায় মোটামুটি শক্তিশালী মাত্রার ভূমিকম্প আর ঢাকা শহরের ক্রমবর্ধমান মানববোঝার কারনে দেশের অনেকেই, বিশেষ করে ঢাকাবাসীরা, হয়তো ভূমিকম্প নিয়ে উদ্বিগ্ন রয়েছেন। এ নিয়ে জনপ্রিয় ব্লগ সচলায়তনে ব্লগার তানভীর আজ চমৎকার একটি লেখা দিয়েছেন, "বাংলাদেশে ভূমিকম্প বিষয়ক ঝুঁকি, প্রস্তুতি ও করণীয়" নামে। আমি মনে করি আমাদের সবারই লেখাটা পড়া উচিত, তাই আমরাবন্ধুর পাঠকদের জন্যও লিংকটি শেয়ার করলাম।
http://www.sachalayatan.com/tanveer/35227

লেখাটিতে মন্তব্য হিসেবে সাধারণ গৃহস্থের অবস্থান থেকে তাৎক্ষণিক প্রস্তুতি হিসেবে কি কি পদক্ষেপ নেয়া যায় তার একটা তালিকা তৈরী করেছিলাম। তৈরী করতে গিয়ে দেখলাম, বেশ লম্বা তালিকা হয়ে গেছে। ভাবলাম অন্যান্য ব্লগের পাঠকদের সাথেও তালিকাটা শেয়ার করলে মন্দ হয়না।

ঈদ আনন্দের ফল্গুধারায়...

আমার কাছে ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে আতঙ্ক। ঈদ করতে যাই লক্ষ্মীপুর শ্বশুরালয়ে, যাওয়ার আগের অংশটুকু আতঙ্কের, ৫/৬ ঘণ্টার বাসজার্নির কথা ভেবে দশদিন আগে থেকে অস্থির থাকি। আমার কর্তা জীবনের অনেকটা সময় কাটিয়েছেন খুলনায়, উনার কাছে ৯/১০ ঘণ্টার জার্নিই হলো স্বাভাবিক ব্যাপার, তাই আমার সমস্যা তিনি বোঝার চেষ্টা করেও বোঝেননা। তার একটাই স্বস্তি আমি বমি করিনা।

২৯ রোজায় রওয়ানা দিলাম, বাসস্ট্যান্ড গিয়ে দেখা গেল তিনটা বাস দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু টিকেট নেই। ৩০০টাকার টিকেট বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকায়, বাসের সুপারভাইজারকেও দেখা গেল মহাআনন্দে টিকিট বিক্রি করছে। তখুনি মালিকপক্ষের লোক চলে আসায় আমরা ন্যায্যমূল্যে টিকেট পেলাম এবং আমার অপার সৌভাগ্য কোনো জ্যাম ছাড়াই পৌঁছে গেলাম।

এলোমেলো ১

রাতের আঁধারে ও হাত ছুঁয়ে টের পেতাম তোমার উষ্ণতা
আজ কেবলি আঁধারে হাতড়িয়ে বেড়াই - আঁধারের তীব্রতা
যতই বাড়ে আমার স্বপ্নের গাঢ়ত্ব যেন খুঁজে পায় আবার
নতুন কোন আধার । নতুন করে ঘর বাঁধার ।

ঘর বেঁধেছিলাম একিসাথে ,একি হাতে রেখে হাত।
সবাই তাই ই করে - আমি জানি ,কত রাত
তুমিও দেখেছ আমায় তোমার স্বপ্নের সাথী করে
দেখেছি আমি তোমায় আমার প্রাণের পরে।

আমার অযোগ্যতা কি এতই বেশি -তবে
আগেই খেয়াল রাখা উচিৎ ছিল তোমার
যে আসে ভাবনার পাশে সে কি দাঁড়াতে পারে
এসে তোমার চলার পথে ?পথের ধারে?

তোমাকে নিয়ে

তোমাকে নিয়ে লিখি নাই কোনো গান
বরং নিজে গান হতে চাইলাম;
তোমার দুখে চাই নি হতে
সমবেদনার সিন্ধু
হতে চেয়েছি চেনা করতলে
একটি অশ্রুবিন্দু।

তুমি কখনো জান নাই আমি আছি
লুকিয়ে থেকেছি তোমার না বলা
বেদনার কাছাকাছি
তোমার পথে- রুক্ষ পাথরে
হয়েছি সবুজ ঘাস
হয়েছি তোমার নীরব প্রাণের
গোপন দীর্ঘশ্বাস।

হতে পারি নি তোমার মুখের হাসি
পাশাপাশি বসে পারি নি বাজাতে
প্রেমের মোহন বাঁশি

তোমার হাতে রাখতে পারি নি হাত
ছিন্ন ভিন্ন হয়ে কাটিয়েছি
নির্ঘুম কত রাত।
তবু জানাতে এই ভালোবাসা
আমি তো গাই না গান
তোমার সুরে ভিজে ভিজে শুধু
গান হতে চাইলাম।

যার প্রতীক্ষায় আছি

কুয়াশাঘন রাস্তা,
সকাল,
ধোঁয়াটে নদী কিংবা
নরোম আলো আলতো কামড়ে
ঝুলে থাকা
রাত্রি ক্লান্ত ডুবন্ত চাঁদ;

খয়েরী ইঁটের ফুটপাতে
ঝরে থাকা পাতাদের শিশিরভেজা মর্মরে
অস্ফুট ছবি দেখে,

পাআআআআআআআআআআআ

বাসায় পৌঁছে কলিংবেল বাজাতেই সবচেয়ে কাংখিত যে শব্দটা ভেতর থেকে ভেসে আসে সেটা হলো “বাবা এসেছেএএএএএএ………..”।

.

বলাই বাহুল্য ওটা কার গলা। সদ্য চতুবর্ষ পেরুনো ওশিন। ছুটে এসে ছোট ছোট দুহাতে জড়িয়ে ধরবে কিংবা এক লাফে গলায় ঝুলে পড়বে। ইদানীং তার পেছন পেছন আরেকজনও আসার চেষ্টা করে। ইনি এখনো হাঁটতে পারেন না, কিন্তু ওয়াকারে করে সারা ঘর দাপিয়ে বেড়ান সাই সাই করে। তিনিও কলিং বেল শোনামাত্র হৈ হৈ শব্দ করা শুরু করবে, দুহাত বাড়িয়ে যদ্দুর সম্ভব ছুটে আসবে। তারপর আলতো করে বলবে, ‘পা…’। কয়েক সেকেন্ড বিরতি দিয়ে আরেকটু জোর দিয়ে “পাআআ…..”। কেউ শেখায়নি, এই শব্দ নিজে নিজে তৈরী করেছে। তার নিজস্ব তিন চারটে শব্দের ভান্ডার তৈরী করেছে ১৩ মাস পেরুনো ড.শিহান রিশাদ।

.

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ