অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১১ জন অতিথি অনলাইন

কক্সবাজার নারিকেল জিঞ্জিরা ভ্রমন ৪ : বিদায় দারুচিনি দ্বীপ এবং ২০০৯

সকালে জিশান জানায় মাঝ রাতে মাছ ধরার নৌকা দিয়ে সমূদ্রে ঘুরে এসেছে। এখানে তার বন্ধুদের সাথে দেখা হয়েছে, তাদের সাথে। খুব আফসোস লাগে, এমন সুযোগ কি আর পাওয়া যাবে!

স্মৃতির পহেলা বৈশাখ (১)........সীমানা পেরিয়ে / তানবীরা

অনেকদিন থেকেই ব্লগে প্রকাশ হওয়া ইবুকের লেখাগুলি ক্রমান্বয়ে সবার সামনে উপস্থাপনের অনুরোধ ছিলো। আলোচনা সমালোচনার খরগ তলে আনাটা হয়তো লেখকেরো কাম্য। অনেক দেরীতে হলেও আজ থেকে ই বুকের লেখাগুলি ব্লগে প্রকাশ করা শুরু হলো। প্রথমেই ই বুক "স্মৃতির পহেলা বৈশাখ" এর লেখাগুলি দিয়ে শুরু করছি।

সীমানা পেরিয়ে
- তানবীরা

দিল্লীকা লাড্ডু

সে অনেক কাল আগের কথা। আমি তখন পায়ের নীচে সরিষা নিয়ে ঘুরে বেড়াই এই জঙ্গল থেকে সেই পাহাড়ে। ঘুরতে ঘুরতে একবার গিয়ে পড়লাম দিল্লী শহর। তবে স্রেফ ঘুরতে না, জরুরী কাজে, একটা ট্রেড শোতে। একেবারে নতুন না, আগেও এসে ঘুরে ফিরে দেখে গিয়েছি দিল্লী সহ ভারত বর্ষের অনেক শহর। তবে সেই যাত্রায় মজার একটা কাণ্ড হলো। সেটাই বলছি আপনাদের।

ব্রাজিল জিতছিলো তিন R-এর কল্যাণে, শেখ হাসিনাও তিন R-এর কান্ধে চাপলো?

এক.

শিরোনাম কি সেটা ভাবতে গিয়ে ৩০ মিনিট খরচ করলে আমার ঘুমের বারোটা বাজবে।

অনেককাল আগে আমরাবন্ধু ব্লগ আকারে আসার খবরে অনেকখানি খুশি হয়ে ভেবেছিলাম অনেক ব্লগাবো। কিন্তু আলসেমীর রেকর্ডটাকে নিজের করে রাখার চেষ্টায় সেটা আর করা হয় নি। মাঝে মাঝে পড়ে যেতাম এসে। তবে তাও খুব কম। ইদানিং ফেইসবুক ছাড়া অন্য কোথাও যাওয়া আসা হয় না। ফেইসবুকেও সীমিত আনাগোনা। হাতে সময় অফুরন্ত কিন্তু ওই যে রেকর্ডটা আমারই থাকতে হবে তো!

প্রিয় একটি গান : মেঘ থম থম করে

বিমূর্ত এই রাত্রী আমার
মৌনতার সূতোয় বোনা---
একটি রঙিন চাদর।।
.
সেই চাদরের ভাঁজে ভাঁজে
আছে ভালবাসা, আদর
.
অনেক পুরানা একটা গান। বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগ ছিলো সে সময়। অনেক ছোট সময়ে টিভিতে দেখা এই সিনেমাটা। গানগুলো এখনো গুন গুন করি।

বাকিটা নাহয় এই লিংকুতে টিপি দিয়ে দেখুন

আত্মমগ্ন কথামালা- (একমুঠো শহুরে জোনাকের স্মৃতি)

ওরা হাঁটছে করিডোর ধরে... আর এক এক করে জোনাকের লাশ গুনে চলছি আমরা।
.
শহুরে মানুষগুলো কখনো জোনাক দেখেনি
তাই তারা জানে না জোনাক হতে গেলে কাঁধে পাখা থাকতে হয়
নয়তো নিজের আগুনেই নিজের পুড়ে যাওয়ার নিয়ম লেখা গ্রন্থিত ইতিহাসে।
.
.
.
সেদ্ধ অর্ধসেদ্ধ জোনাকের দেহ জমে উঠছিল করিডোর জুড়ে।
.
.
.
ওরা হেঁটে আসছে করিডোর ধরে
.
ওদের হাতের মহামূল্যবান আংটি থেকে ঠিকরে পড়ছে মৃত্যুর রং
.

ব্যাটসম্যানগুলারে কি করা যায়?

গতকাল খুব উৎসাহ নিয়ে খেলা দেখছিলাম। টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪১৯ খুব বেশি না। বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানবহুল টিম। তাই সাকিবের ৫ উইকেট পাওয়ায় খুব খুশি ছিলাম।
তারপর ওপেনিং জুটি তামিম আর কায়েস মিলে করে ফেললো ১২৬ রান। খুশিতে তখন নাচার অবস্থা। এই অবস্থায় ম্যাচ নিয়ে আশাবাদী হওয়াই যায়। প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়াও সম্ভব।

অথচ তারপর কি হলো!

অহনার অজানা যাত্রা (পাঁচ)

বিদেশ মানে সুন্দর সুন্দর ছবির মতো বাড়ি, বাড়ির সামনে বড় লন যাতে নানা রঙের ফুল ফুটে আছে। ফুলের ওপর বর্ণিল প্রজাপতি উড়ছে। দামী গাড়িতে করে হাওয়া খেতে খেতে আজ এদিকে কাল সেদিকে বেড়াতে যাওয়া। ভালো রেস্টুরেন্টে ইকরি মিকরি নামের খাবার দিয়ে মোমবাতির আলোয় ডিনার করা, এই প্রাক রোমান্টিক ধারনাকে সর্বাংশে মিথ্যে করে দিয়ে অহনার জীবনে বিদেশ ধরা দিল কঠিন পার্বত্য জীবনের রূপে। অহনার কাছে বিদেশ মানে বাসে করে ডাচ স্কুলে যাওয়া, ভিন্ন ভাষায় লেখা ও অপরিচিত মোড়কে রাখা জিনিসপত্র থেকে তার প্রয়োজনীয় জিনিস বাজার করা এবং সে বাজার টেনে বাসায় আনা। রান্না করা, কাপড় ধোয়া এবং ইস্ত্রি করা, বাড়িঘর ডাষ্টিং করার রূপ নিয়ে। অতি অল্প দিনেই হাঁপিয়ে উঠলো অহনা। ইউনিভার্সিটির অবাধ ঘোরাঘুরি, ফুচকা, ঝালমুড়ি, মামা হালিম, গাওছিয়া, ইষ্টার্ন প্লাজা, মহিলা সমিতি সবকিছুর জন্য সে অধীর হয়ে উঠলো। পুরনো দিনের জন্য ব্যাকুল সে প্রায়ই কান্নাকাটির এক

মায়ের জন্য লিখা ডায়েরী

মা ----
মা

ফেসবুক উন্মুক্ত

আপাতত খবর দেই. পরে বিশ্লেষণ। ফেইসবুক খুলে দিছে সরকার। কোনো প্রক্সি সার্ভার না, কোনো কিছু না, ফেসবুক এখন আগের মতোই ব্যবহার করা যাবে।

খবরটা পাওয়ামাত্র শেয়ার করলাম। এর আগেপিছে কিছুই এখনো জানি না। এই পোস্ট শুধু খবারটা শেয়ার করার জন্যই। বিশ্লেষণ পরে করবো

ফুলের বাগান

আমাদের এক স্যার আছিলেন রেসিডেন্সিয়াল মডেলে, তার নাম নাহয় নাই বল্লাম, ধরে নেন তার নাম নিব, জীববিদ্যা পড়াইতেন, জীববিদ্যা পড়াইতে পড়াইতে উনি মনে হয় একটু বেশি উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলেন, তাই পড়ানোর পাশাপাশি যাবতীয় জীববিদ্যার ব্যাপার স্যাপার দেখতে শুরু করলেন। সমস্যা হয়ে দাড়ালো যখন সেই সব গোপন কথা ফাঁস হয়ে গেল। আমাদের ক্লাসে আবার ৩ জন বন্ধু ছিল যাদের বাবা আমাদের শিক্ষক, তাই তারাও ক্যাম্পাসে থাকত, একই কারণে ত

বেঁচে আছি ভুল করে

প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে সবচে' সত্য হলো মৃত্যু! সকল জীবে'র জীবন খেয়ে মৃত্যু বাঁচে, আশ্চর্য হলেও মানতে হয় মৃত্যুর মৃত্যু হয় না! মৃত্যুর ক্ষুধা মেটে না! আমরা জানি মরতে হবে আমাদের। সবকিছু অস্বীকার করতে পারি কিন্তু মৃত্যুকে কিভাবে অস্বীকার করি। তবু আমরা বেঁচে থাকার জন্যে কত কি করি, অন্যকে খুন করি নিজে বেঁচে থাকার জন্যে। রঙিন রঙিন স্বপ্ন গাঁথি, অন্যকেও স্বপ্ন দ্যাখাই নিজেও স্বপ্ন দেখি।

পুরানো সেই দিনের কথা-২

চারদিকে খালি খারাপ খবর।আর ভালো লাগতেছে না। আজ সকালে শুনলাম ঢাকা তে অনেক বৃষ্টি হয়ছে। একটা পুরান দিনের কথা মনে পড়ে গেল……।।তাই লিখতে বসলাম।

বিল্ডিংয়ে ফাটল, শান্তিনগরে আতংক ও একটি ফটো স্টোরি

P1 building.jpg

কনকর্ড গ্র্যান্ড (১৬৯/১, শান্তিনগর)

P1 crack in building.jpg

বিল্ডিংয়ের বীমে দেখা দিয়েছে ফাটল। আতংক ছড়িয়ে পড়তে খুব বেশি সময় নেয় নি

P2 fire service man in fire.jpg

ফায়ার সার্ভিসের এই ভদ্রলোক নিজেই হঠাৎ ফায়ার হয়ে গেলেন। কে জানে কেন..

P3 leaving home.jpg

বৃষ্টির মধ্যে গাড়িতে করে বাড়ি ছাড়ছেন মানুষ, দেখে খারাপ লাগলো

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ