খোলা চিঠি--
আমি প্রতিক্ষায় ছিলাম। হাসপাতালের রিসিপশনে বসে ছিলাম। কখন তার যাবার সময় হবে। আমি সেই তখন ভদ্রতা বজায় রেখে আবার আসবার কথা বলে বিদায় দেব। সেই সমটা কতক্ষন পর হবে , আধাঘন্টা একঘন্টা-------------------
জানি সে একজন নারী। তার রয়েছে প্রখর ব্যাক্তিত্ব। সেই ব্যাক্তিত্ব তোমাকে করেছে বিমোহিত। তার উচ্চারন, তার কথা বলবার ভঙ্গি একেবারেই গতানুগতিকের বাইরে। তোমার দিকে তাকিয়ে তোমার মুখ থেকে কথাগুলি শুনছি। তোমার অসুস্থ্য চোখে মুখে তার কথা বলবার সময় এক ধরনের উজ্জ্বলতা খেলা করছে। সেই নারী বিবাহিতা। তুমি বলছো সে তোমার বন্ধু।
বন্ধু তবে এতদিন বলনি কেন? বন্ধুর জন্য আমার সাথে এত লুকোচুরি কেন? বন্ধুর জন্য তুমি এত ব্যাকুল কেন? আমারও তো অনেক বন্ধু আছে কিন্তু সেখানে তো কোন লুকোচুরি নেই।
নিজের সম্পর্কে কে কী ভাবেন
এবি'র ব্লগারদের মধ্যে (যাদেরটা পাওয়া গেছে) নিজের সম্পর্কে কে কী ভাবেন, আসুন একনজরে দেখে নেই :
১. আমার বলার কিছু ছিলনা ... সাঈদ
২. জন্ম বাংলাদেশে । জন্মভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন ছয় বছর যাবৎ ... দুরের পাখি
৩. যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিভে যায় বারেবারে,
আমার জীবনে তোমার আসন গভীর আন্ধকারে।
যে লতাটি আছে শুকায়েছে মূল
কূড়ি ধরে শুধু নাহি ফোটে ফুল
আমার জীবনে তব সেবা তাই বেদনার উপহারে।
চুরিতে আর যদি যাই
আমি তখন খুব সম্ভবত ক্লাশ ওয়ানে পরি অথবা কেজি ক্লাশে। জাস্টিস এন আই চৌধুরীর বাড়িটা আমাদের খুদে বাহিনীর কাছে একটি রহস্যময় বাড়ি সব সময় মনে হত। বাড়ির ভেতরে কে কে আছে তারা কে কি করে কিছুই জানি না। বাড়িটির চারপাশে অনেকগুলি প্লটে কোন বাড়ি ছিল না। মাঠ ছিল আমরা সেখানে খেলতাম আর বাড়িটার দিকে তাকিয়ে অনেক গল্প করতাম যা সেই বয়েসে জন্য ছিল বেশ রমোহর্ষক।
একখানা দাম্পত্য কলহ ( পোলাপানের প্রবেশ নিষেধ)
বেশ ক'বছর আগের ঘটনা হে।
ভ্রমনের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলুম এক বন্ধুর বাড়ীতে। ঢাকার আশে পাশেই হইবে তাহার বাটি খানি। বিদ্যূতের খুটি সর্বস্ব গ্রামখানি দেখিয়া যাহারপর নাই মুগ্ধ হইয়া দর্শন করিতে লাগিলাম। গ্রামের সেঁদো মাটির ঘ্রান , গুল্ম লতাপাতার ঘ্রান বার বার নাসাঃরন্ধ্রে প্রবেশ করিতেছিল আর আমরা তাহাতে ইষৎ পুলকিত বোধ করিতেছিলাম।
ব্লগে প্রথম, সবাইকে শুভেচ্ছা
আজই প্রথম আমার বন্ধু ব্লগে এলাম। এই ব্লগের সকল বন্ধুদের শুভেচ্ছা। এই ব্লগটি সম্পর্কে বেশ ভাল মন্তব্য শুনেছি। আশা করছি নিজস্ব ভাবনা-চিন্তা সকলের সাথে শেয়ার করতে পারব। আমি মনে করি মতামত প্রকাশ এবং মন্তব্য প্রদানের স্বাধীনতা সবার রয়েছে। কিন্তু সেটা যেন যৌক্তিক ও মার্জিত হয়। সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।আশ করছি সময়টা ভাল কাটবে।
ফিরে আসার পর মুসাকে নিয়া যা যা করা যাইতে পারে...
কাল রাতে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে আমরা কয়েকজন মিলে মুসার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করি। আমরা মানে, মুসার কাছের বন্ধুরা। এরমধ্যে ছিলো- অনিক খান, সুমন পাটওয়ারী, নওরোজ ইমতিয়াজ, জিয়া ইসলাম, সীমু নাসের, ফখরুল আবেদীন মিলন এবং আমি। নিরাপদে মুসা এভারেস্ট থেকে নেমে বাংলাদেশে আসার পর তাকে নিয়ে যা যা করা যেতে পারে, সে ব্যাপারে প্রাথমিক আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়। আমরা চাই, মুসার সারা শরীর নিয়ে ব্র্যান্ডিং করবো। ইতোমধ্যে বিভি
পুনশ্চঃ কাজী নজরুল ইসলাম
গতকাল ব্লগার সাঈদ ভাইয়ের পোষ্টে আমি নিচের মন্তব্য করি এবং পোষ্টটি ফেসবুকে শেয়ার করি ।

এ প্রেক্ষিতে অনেকে আমাকে অনুরোধ করেছেন আরেকটু বিস্তারিত জানাতে । এই মুহুর্তে বিস্তারিত লেখার সুযোগ নেই (অফিসে বসে ব্লগিং করলে চাকুরী কি থাকবে ? ) তবে, জরুরি কিছু কথা না বললেই নয় ।
প্রথমেই বলে নেই , সাঈদ ভাইয়ের পোষ্টটি গতকাল দৌড়ের উপর নজর দিয়ে আমি মন্তব্য করি । আজ পুরোটা পড়লাম । মাফ চাইছি সাঈদ ভাই, আপনি এটি কোথায় পেয়েছেন বা কোথা থেকে কপি করেছেন আমার জানা নেই কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে , এটি নজরুলের মূল অভিভাষণ নয় । কারণ আমি আপনার পোষ্টের টেক্সটে একাধিক ভাষণের মিশ্রন দেখছি । যেমন নিচের টেক্সটগুলি (যা দেখে আমি কমেন্ট করেছিলাম ) তা' ১৯২৯ সালে সংবর্ধনায় দেয়া -
গুপী দাদা তোমারে সেলাম

মোরা সেই ভাষাতেই করি গান
রাজা শোনো ভরে মন প্রাণ
এ যে সুরেরই ভাষা
ছন্দেরই ভাষা
তালেরই ভাষা
আনন্দেরই ভাষা
ভাষা এমন কথা বলে
বোঝে রে সকলে
উঁচা নীচা বড় সমান
মোরা এই ভাষাতেই করি গান
মহারাজা তোমারে সেলাম
যারা মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয়ের স্বীকৃতি চাচ্ছেন
যারা মুসা ইব্রাহীমের স্বীকৃতি চাচ্ছিলেন তাদের জন্য এই খবর। আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাওয়া গেছে। খবরটি দেই আগে।
Md. Musa Ibrahim has been successful to scale Mt. Everest
Md. Musa Ibrahim, member of H.G. International Everest Expedition 2010, has been successful to scale 8,848 meter high Mt. Everest on 23rd May, 2010.
বউরঙ্গ (পোলাপাইনের জন্য না)

সকালে ঘুম ভাঙ্গার পর পাশে হাত দিয়া দেখি বউ নাই। আবার দরজাও বন্ধ। বউ কৈ গেলো। চোখ মেলে দেখি পায়ের কাছে শোয়া। আমি তারে বললাম, ‘ও, তুমি সকাল সকাল বেহেস্তে গেছো।’ সে বললো ‘মানে কি?’ আমি বললাম, ‘স্বামীর পায়ের কাছেই তো স্ত্রীর বেহেস্ত।’
আমার মেয়েরা, আমার মায়েরা
অনেকদিন যাবতই ভাবছিলাম আমরা বন্ধুর বন্ধুদের সাথে আমার মেয়েদের পরিচয় করিয়ে দেব। নানা ঝামেলায় সেটা হয়ে ওঠেনি। আজকে অফিসে কাজ কম, দেখি একটা টেরাই মেরে 
খোমাখাতার বদৌলতে অনেকেই হয়তো জানেন যে ওরা যমজ, এষা আর আয়লা। আমার জন্মদিনের ঠিক একদিন আগে ফেব্রুয়ারীর ৫ তারিখে আমাদের ঘর আলো করে ওর পিথিমীতে নাজিল হয়।
যদি আর বাঁশী না বাজে

প্রেমের কবি, বিরহের কবি, বিদ্রোহের কবি, সাম্যবাদের কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিন আজ।
তাঁকে দেয়া এক সম্বর্ধনার জবাবে তিনি যে কথা গুলো বলেছিলেন সেটা দিয়েই আজ তাঁকে স্মরন করছি।
মুভি রিভিউ: দুইটা কোরিয়ান মুভি
সিনেমা দেখার কর্মশালা শুরু হৈতে যাইতাছে। পুরাপুরি শুরু হবার আগে আমার দুইটা অলটাইম ফেভারিট ম্যুভি সম্পর্কে কিছু লেইখা কর্মযগ্ঞে যোগ দিলাম। মানে, ইংরেজী ম্যুভির বাইরে বেশি কোনো সাজেসন তো পাওয়া যায়না, কিন্তু এশিয়ান অনেক ম্যুভি আমার খুব পছন্দ, মানে জাপানীজ-কোরিয়ান। আজকে দুইটা কোরিয়ান ম্যুভি রিভি্উ টাইপ দেয়ার চেষ্টা করলাম, আরেকদিন জাপানীজ দুইটা সম্পর্কে দেয়ার ইচ্ছা রৈলো।

