বৃষ্টিভেজা এক দিনে
ঘুমের মধ্যেই শীতল একটা অনুভুতি টের পেলো শিলা।একটু চোখ মেলতেই বুঝলো জানালা দিয়ে ঠান্ডা বাতাস আসছে, জানালার পর্দাটা বাতাসে উড়ছে।পর্দার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে দেখলো বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। আর বিছানায় থাকা যায় না। বিছানা ছেড়ে বারান্দায় গ্রিল ধরে দাঁড়ালো সে। বৃষ্টি দেখে মন ভরে গেলো।বৃষ্টির ছাঁট আসছে গায়ে, মুখে। সামনে ফুলে ভরা সোনালো ফুল গাছটার ফুলগুলো বৃষ্টিতে ভিজছে। মনে হলো যেন ঘাসের উপর খালি পায়ে দাঁড়ানো এক ক
অম্লমধুর পেমের গল্প
( আমি পুরাতন কালের মানুষ, বয়সে যতটা না তারচেয়ে বেশি মনে। পুরানা সবকিছুই আমার ভালো লাগে, লেখালেখির ক্ষেত্রেও পুরাতন ধারাকে বেশি ভালো পাই। সাধু ভাষার প্রতি আমার আগ্রহ এবং অনুরাগের ইতিহাস অনেক দিনের। কিন্তু বানান জানি না, ব্যাকরণ জানি না, ভাষা আর গদ্যরীতির কথা আর নাই বা বলি। তবুও গাইতে গাইতেই যেমন গায়েন, তেমনি লিখতে লিখতেই হয়তো একদিন কিছু একটা হয়ে যাওয়া যাবে। তাই বিস্তর কাঠখড় পুড়িয়ে সাধু ভাষায়
দাওয়াতকথণ এবং অতঃপর
লোকজন দাপাইয়া বেড়াইয়া দাওয়াত খায়, খালি আমরা কালেভদ্রে দাওয়াত খাইতে গেলেই নানা মুনি’র নানান মত দেখা যায়। কত কিসিমের দাওয়াতই তো হয়, গিয়েছিলাম এককিসিমের বাড়িতে দাওয়াতে। পিচ্চিকালে একবার গিয়েছিলাম ওইবাড়ি’র একই ধাচেঁর দাওয়াতে। তখন উপলক্ষের পাত্র ছিলো বাপ-জ্যাঠা এবার পুত্রের পালা। সেবারও অনেক হাঙ্গামা-উৎসব হয়েছিলো, সবটা মনে নাই। তব
জ্বরে বিভোর
এবারের মৌসুমটাই কেমন কাঠফাটা রোদ্দুর আর ভ্যাপসা গরমের মৌসুম ছিল। গরমের সাথে তাল মিলিয়ে ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং। ফ্যানের অভাব যতোটা না ভোগায়, তার চাইতে কম্পু-ছাড়া বেকার সময়টা বেশি ভোগায়। যাই হোক, তারপর অনেকদিন বৃষ্টি আসি আসি করলো, কিন্তু আসলো না। মাঝে গিয়েছিলাম কক্সসবাজার। প্রথম দিনের বিকালেই সাগরপাড়ে প্রচণ্ড বাতাস। চাঁদ ঢেকে দেয়া মেঘ,- এই বুঝি বৃষ্টি হবে। রাত বারোটার দিকে যখন এঞ্জেলড্রপ থেকে হোটেলে
ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১০ অ্যানালাইসিস -১ (বিগ ম্যাচে জায়ান্টরা কেমন?)
গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে অনেক কিছুই ঘটে যায় , টগবগিয়ে লালে লাল হয়ে দেশ ছাড়িয়ে বিশ্বকে ছেয়ে যায় দক্ষিণ কোরিয়া , পূর্বের আসরের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি আর রানার আপ আর্জেন্টিনাকে তুমুল বীরত্বে পরাভূত করে বলকানের দেশ বুলগেরিয়া সবার নজর কাড়ে । কখনও বা প্রথমবার বিশ্বকাপে এসেই বিশ্ব কাঁপায় ক্রোয়েশিয়া , বা ন্যাড়া মাথার হাসান সাসের দল তুরস্ক পৌছে যায় ফাইনালের দোড়গোড়ায় । কিন্তু একটা জায়গায় ব্যাতিক্রম হয়ে ওঠেনা
তিনি (এইটা একটা গল্পের বাচ্চা)
তিনি মানুষটিকে মনে রাখিয়াছেন। বিপদের দিনে আশ্রয় দিয়াছিলেন। তখন সামান্য ঐ আশ্রয়টুকুই ছিল জীবনের জন্য মহামূল্যবান। সেই মানুষটি আজ মৃত্যুশয্যায়। তিনি হঠাৎ করিয়া ব্যক্তিগত সচিবকে ডাকিয়া বলিলেন, তিনি মানুষটির বাসায় যাইতে চান।
জীবন অনেক বদলাইয়া গিয়াছে। এখন আর হঠাৎ করিয়া কোথাও যাওয়া হইয়া উঠে না। তবুও আজ তিনি বাহির হইলেন। মানুষটিকে আর কখনো দেখিতে পারিবেন না বলিয়াই মনে হইতাছে।
উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ
ফেইসবুক বন্ধ হওয়াতে সবচেয়ে খুশি হয়েছে কারা? সবচেয়ে খুশি হয়েছে জামায়াতি ইসলাম অর্থাৎ রাজাকার গ্রুপ। এইটুকু বোঝবার ক্ষমতা আমাদের সরকারের যদি না থাকে তবে আর কি বলার আছে।!
চলে গেল “আর্নল্ড” খ্যাত গ্যারি কোলম্যান
আর্নল্ডকে মনে পড়ে? টিভি সিরিজ ডিফ্রেন্ট স্ট্রোক এর ছোট্ট আর্নল্ড । আশির দশকের খুব নামকরা টিভি সিরিজ ছিলো ডিফ্রেন্ট স্ট্রোক, আর তাতে আমার মত সব বাচ্চাদের মাতিয়ে রাখতো ছোট্ট আর্নল্ড । সর্বকালীন নামকরা শিশু-শিল্পীদের তালিকায় তার নাম একদম ওপরের সারিতে । আর্নল্ড (গ্যারি কোলম্যান) আর সিরিজে তার বোন কিম্বারলিকে (ডানা প্লাটো) অনেকেরই মনে থাকার কথা।
ফেসবুক বন্ধ করার উপকার সমূহ।
সরকারী সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে (যদিও লোকজন বাইপাস দিয়া ফেসবুকে যাইতেছে , যা রাস্ট্রদ্রোহিতার শামিল) । এই ফেসবুক ব্যবহার বন্ধের অনেকগুলা সুফল আছে। দেশের জন্য বিশাল অবদান রাখছে এই ফেসবুকের ব্লক করা।
আসুন সুবিধাগুলো আজ আলোচনা করা যাক -
বদনগ্রন্থ ইস্যু - একটি ব্যক্তিগত ক্ষমা প্রার্থনা
পয়লা খুব রাগ হইতেছিল। পাকি'রা যখন বদনগ্রন্থ ব্যান কইরা দিল, খুব এক চোট হাসি দিছিলাম। কিন্তু আমার মুখের হাসি মুখ হইতে মিলাইয়া যাবার আগেই দেখি আমার নিজের দেশের বুদ্ধিমান সরকারও একই কাম করছে। বেজায় অপমান বোধ হইতেছিল। শেখ হাসিনার বাপ শেখ মুজিব না হইলে হয়ত উনার চৌদ্দ গুষ্টি নিয়া গালাগালিও দিতাম, খালি শেখ মুজিবের জন্য পুরা বংশ রক্ষা পাইল। আহা কত রঙীন রঙীন বালিকার কত রাঙানো ফটুক, কত রঞ্জিত বাক্যালাপ সব ব
ফেইসবুক ব্লক কইরা সরকার কীসের নিদর্শন দেখায়?
বাংলাদেশে ফেইসবুক ব্লক করার সিদ্ধান্তরে প্রতিবাদ জানাইয়া সাম্প্রতিক সময়ে যতো প্রতিবাদ হইছে তার প্রতিক্রিয়ায় কেউ না কেউ আইসা একটা বিশেষ মন্তব্য কইরা গেছে। সেই মন্তব্যের ভাষ্য হইলো এ আর নতুন কি! সরকারের কাছে কি এর চাইতে ভিন্ন কিছু প্রত্যাশা করা হইছিলো কি না?
আকুলতা
সময়ের গোপনে
অদৃশ্য আগুনে,
পুড়ে যাচ্ছে তোমার দৃশ্যগুলি।
বাড়ি ফিরে যাচ্ছে নদী
সন্ধ্যা নেমে এলো বুক অবধি,
ঘোড়ার পিঠে বসে চলে গেলো গোধূলি।
আকাশের ঐ নীড়ে
তারাদের ভীড়ে,
ইচ্ছে হলো দু'জনে কথা বলি।
তোমায় দেখি না, তুমি কিসে ঢাকা?
মহাকাশে বিরহের অবয়ব আঁকা,
তুমি নাই-তুমি নাই, নির্জন অলি-গলি!
পড়ে আছে রাত্রির খালি পাতা
সন্ধ্যাভাষায় লিখে রাখি বিগত স্মৃতিকথা।
পুড়ছে দৃশ্য, আমিও জ্বলি!
ইহা আমাদের "হীরক রাজার দেশ"
১.
আহা যদি সত্যজিৎ রায় বেঁচে থাকতেন, তিনি দেখতে পেতেন তার পার্শ্ববর্তী দেশটি এখন তার বানানো ছবির মতোই একটি "হীরক রাজার দেশ"..
লিখবো কি না ভাবছি..! আবার না আমার বাড়িতে পুলিশ হানা দেয়! হায় রে..! ভেবেছিলাম আজ একটি চমৎকার জায়গার ছবিসহ ব্লগ লিখবো..কিন্তু দেশে ফিরেই দেখি, যার মাধ্যমে দেশ বিদেশে আমার বেড়ানোর ছবি আর বর্ণনা ছড়িয়ে যাবে, সেই ফেসবুকই বন্ধ।
২.
প্রসঙ্গঃ বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধের পেছনের কারণ
গতকাল(২৯-৫-২০১০) সন্ধ্যার পর থেকেই যে ফেসবুক বন্ধ আছে সরকারী নির্দেশে, এরইমধ্যে তা সবাই জেনে গেছেন ব্লগ বা অন্যান্য নিউজ মিডিয়ার মাধ্যমে। আমার এই লেখাটি আসলে নিছক ফেসবুক বন্ধের প্রতিবাদ নয়, এই সিদ্ধান্তের পেছনে সরকারের কি ধরণের মানসিকতা কাজ করেছে তা অনুসন্ধান করার একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র।