অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

প্রসঙ্গঃ বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধের পেছনের কারণ

গতকাল(২৯-৫-২০১০) সন্ধ্যার পর থেকেই যে ফেসবুক বন্ধ আছে সরকারী নির্দেশে, এরইমধ্যে তা সবাই জেনে গেছেন ব্লগ বা অন্যান্য নিউজ মিডিয়ার মাধ্যমে। আমার এই লেখাটি আসলে নিছক ফেসবুক বন্ধের প্রতিবাদ নয়, এই সিদ্ধান্তের পেছনে সরকারের কি ধরণের মানসিকতা কাজ করেছে তা অনুসন্ধান করার একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র।

সম্রাটের মৃত্যু, গাড়ি ভাংচুর এবং সুশীলদের প্রতিক্রিয়ার জবাবে দু'পয়সা

১।
বাসের নীচে পিষ্ট হয়ে সম্রাটের মৃত্যু, বুয়েট ছাত্রদের গাড়ি ভাংচুর এগুলো নিয়ে প্রচুর কথা পড়ছি। গাড়ি ভাংচুরের পক্ষে বিপক্ষে কথা হচ্ছে।
যদিও ভেবেছি আমরা বন্ধুতে আর লিখবো না, তবু এই বিষয়ে আমার মতটা জানিয়ে যেতে চাই। [কেন লিখবো না, সেটা ব্যক্তিগত, এই পোস্টে সেই আলোচনা না তোলার অনুরোধ জানাচ্ছি সবাইকে]

ফেসবুক নাই ....

ফেসবুক নাই ....

সারাদিন পর একটু ফেসবুক এ ঢুকতাম, নোটিফিকেশন চেক করতাম, ছবি তে কমেনট করতাম, যাদের সংগে দেখা হইতোনা, কথা হইতোনা তাদের সংশপরশে থাকতাম। কার জানি আমাদের ভালো সহ্য হইলোনা...ফেসবুক থেইকা আমরাবন্‌ধুর কত নতুন বন্‌ধু হইছে.. Sad ফেসবুকরে তাই একটা ছোট সালাম.

ফেইসবুক বন্ধ কইরা কি আর হৃদয়ের স্পন্দন বন্ধ করা যায়?

রাজপথের আন্দোলন থামাইতে মিছিলের উপর গুলি চালানের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের মধ্য দিয়া যারা ক্ষমতা পরিচালনা শুরু করছিলো, জাতীয় নেতৃবৃন্দের ক্যারিক্যাচার ঠেকাইতে ফেইসবুক বন্ধ করাটা তো তাদের জন্য মৃদূ লাঠিচার্জের মতোন কোমল প্রতিরোধ। ১৯৭৩-এ এই আওয়ামি ফ্যাসিস্ট জান্তাই ভিয়েতনাম দিবসে কমিউনিস্ট পার্টির মিছিলে গুলি চালাইয়া প্রথম রাজনৈতিক খুনের নজীর স্থাপন করছিলো।

বুয়েটিয়ান বলে সহানুভূতি চাই না। কেবল গালি না দেবার প্রতিশ্রুতি চাই।

কারো কাছে কেউ সহানুভূতি চাইতে আসে নাই। বুয়েটের ছেলে বলে তার প্রতি বাইরের কাউকে নাকি কান্নাও করতে বলে নাই। যারা কান্না করতেছে, দিন-রাত সারাবেলা ঐছেলেটার পেছনে দৌড়াইছে, বা তার লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তার মা-বাবার হাতে তুলে দিছে তারাও কিন্তু ঐ ছেলেটার বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছেলে।

অবশেষে আঘাত আসল ফেসবুকের উপরেও । ব্লক করা হয়েছে বাংলাদেশে

অবশেষে আঘাত আসল ফেসবুকের উপরেও

ফেসবুক বাংলাদেশের জন্য আপাতত ব্লক সাইট করা হয়েছে।
অতি সাধের ফেসবুক এ এখন আর ঢোকা যাচ্ছে না।
বিটিআরসি কোন এক বিশেষ কারনে ফেসবুককে বাংলাদেশের ব্যবহার কারীদের জন্য ব্লক করেছেন।
খুবই দুষ্কের সংবাদ।এত এত ছবি আর লিংক ....এখন কি করি?

বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে উদ্বগ্ন হয়ে খোঁজ নিয়ে জানলাম সামিয়কভাবে ফেসবুক ব্লক করা হয়েছে।

সম্রাটের মৃত্যু; তারপরের ভাংচুর; তারপরের আখসানুলের পোস্ট

বুয়েটের ছাত্র সম্রাটের মৃত্যু নিয়ে আখসানুলের পোস্ট পড়ে মনে হলো এব্যাপারে আরেকটু বলা যেতে পারে আমার তরফ থেকে... যদিও বলাটা আমার কাছে মোটেও বুদ্বিমানের কাজ বলে মনে হচ্ছেনা... বাংগালী বেশ আবেগী জাতি ... এই চরম আবেগের সময় উল্টা কথা কওয়া পাগল ছাড়া আর কারো করা উচিত না...

আখসানুলের পোস্ট টা পইড়া বিরক্তি ছাড়া আর কোন ভাবের উদ্রেক য়নি আমার মনে... পুরো পোস্টেই ইনডিরেক্টলি ভাংচুররে সমর্থন করার একটা প্রবণতা দেখলাম... হতে পারে আখসানুলের মাথাটা খানিক গরম আছে এই মুহুর্তে, তাই তার এই সুর...

সম্রাট এক দুর্ঘটনায় মারা গেছে... তার আত্মা শান্তি পাক... কিন্তু ভাংচুরের প্রতি ছাত্রদের উতসাহ দেখে মনে হচ্ছে সম্রাট কে হত্যা করা হয়েছে ইচ্ছাকৃত ভাবে...!!!!

ফুটবল ইবুক: তাগাদা পোস্ট

ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে একটি ইবুক করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। লেখা চেয়ে এখন পর্যন্ত ৫টা লেখা জুটেছে কপালে। আর কেউ লেখা দেয় না কেন? বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা এই ফুটবল, ফুটবল নিয়া মাতেন নাই এরকম লোক কয়টা আছে এই দেশে?
তবু কেন লেখা নাই? এটুকু সামান্য দাবী... লেখা দিও।

দিনগুলো, অতীতের মতো মনে হয়!

দিনগুলো, অতীতের মতো মনে হয়
মনে হয় যেন ঘুম থেকে উঠে
যেতে হবে স্কুলে
কিশোরের বিষন্ন স্বপ্নের মতো
এ যৌবন পুড়ে যায়
নিজের উত্তাপে।

পুড়ে যায় আশা-ভালবাসা
মমতার প্রিয় বন্ধন
চেনা চেনা মুখ
অচেনা হয়ে যায় চলে
চলে যায় বহু দূরে
ধোঁয়াশায় ঢাকা মন
পারে না জানাতে
জমে আছে কত ক্রন্দন।

পুড়ে যায় চেনা বনভূমি
স্বদেশের প্রিয় অঙ্গন
সময়ের মেঘ
কালো হয়ে জমে থাকে
জমে থাকে কালো হয়ে
জীবনের ছেঁড়া ছাতা

আমরা বুয়েটে পড়ি, আসেন একটা গালি, নিদেনপক্ষে একটা একটা মাইনাস দিয়ে যান।

হ! আমরা বাস ভাঙ্গছি। আমাগো ভার্সিটির জুনিয়র পোলা মারা গেছে। এমন ত কত মারা যায়। কিন্তু তা বইলা বাস ভাংমু? মানুষজনরে অসুবিধায় ফেলাইছি। আমাগো বিরাট ভুল হইয়া গেছে। দশটা বিশটা বাস ভেঙ্গে ফেলছি। এমনিই গরীব দেশ সেই দেশের বাস ভেঙ্গে বিরাট আর্থিক ক্ষতি করে ফেলছি। আমাদের মত বিশৃংখলা সৃষ্টিকারীদের মাইনাস দিয়া আর গালি দিয়া নিজেরে ঠান্ডা করেন।

লন্ডন রাজকীয় মোমের যাদুঘরে একদিন

ভাইবা দেখলাম ভালো লেখক হওনের যোগ্যতা আমার নাই, তবে ভালো দেখক হওনের আছে। পায়ের নিচে সরিষা নিয়া জন্মানোর কারণে কয়দিন পর পরেই একেকদিকে ছুটতে মন চায়। কপাল গুণে কায়কারবারও এমন জুটছে আমার ভাগ্যে যে বছরে অন্তত আধা ডজন বিদেশ ভ্রমণ বান্ধা। বিয়ার আগে হাফ চান্সরে ফুল চান্স বানাইয়া একেক সময়ে একেক দিকে উইড়া যাইতাম। ইদানীং ঘর সংসার নিয়া এতই ব্যস্ত যে সহসা কোনোদিকে যাবার সময় পাইনা, যদিও মন পাখি খালি উড়াল দিতে চ

আবজাব ভ্রমণ কাহিনী - নানার বাড়ি মধুর হাঁড়ি

ছুটির দিনে আমি বেশীরভাগ সময় বাসায় থাকতেই পছন্দ করি। নিতান্ত প্রয়োজন নাহলে ছুটির দিনটা বাসায় ঘুমিয়ে, আন্তর্জালিক জগতেই কাটিয়ে দিতে চেষ্টা করি। সপ্তাহের ছয়দিন অফিস করতে হয় বলে শুক্রবার দিনটা এমনিতেই একটু বিশ্রামে কাটাতে ইচ্ছে হয়। গতকাল বৌদ্ধ পূর্ণিমার ছুটির কারণে সপ্তাহে একদিনের বেশী ছুটি পেয়ে গেলাম। তাই চলে গিয়েছিলাম নানাবাড়ী। আমাদের নানাবাড়ী লোহাগাড়া, জায়গাটা কক্সবাজারের কিছুটা আগে। চট্টগ্রাম থে

আসেন দিল খুইলা হাসি, এমন সুযোগ আর পাইবেন না.......।।...

অনেক আগে এক মুভিতে রাজনীতিবিদদের নিয়ে একটা মজার ঘটনা দেখছিলাম। এক অশিক্ষিত সন্ত্রাসী কাম রাজনৈতিক নেতা সংসদ সদস্য হবার পর সংসদে গেছে। কে কি আলাপ করে বুঝে না সে, কিন্তু তার তো কিছু বলতেই হবে। সুযোগ খুজছে সে। এমন সময় যখন মন্ত্রী বললেন "অমুক নদীর পানি কৃষকরা সেচের কাজে ব্যবহার করে, আমাদের প্ল্যান হচ্ছে সেই নদীর পানি বা স্রোতকে ব্যবহার করে প্রথমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবো, তার পর সেই পানি কৃষককে দেবো সেচের

দ্রুত গতি দ্যা-স্পীডে "চলে এলাম"

মডুরা চিঠিতে বলছে "চলে এলাম" টাইপের ১/২ লাইনের পোস্টকে এবিতে নিরুৎসাহিত করা হয়। "১/২" বলতে মডুরা কি "অর্ধেক লাইন" বুঝাইলো নাকি "১ বা দুই লাইন" বুঝাইলো বুঝলাম না । আমি এমনিতেই নিজের নাম লেখতে কয়েকটা চাবি-বোর্ড ভাংগি, সেইখানে আমাকে হাফ লাইনের বেশী লেখতে বলা মানে হলো বাঘের সাথে কোলাকুলি করতে বলা। আফসুস। বাঘের সাথেই যখন কোলাকুলি করতে হবে তখন বাঘের বাচ্ছা বাঘকে চাবি-বোর্ড দিয়ে ১/২ ( এইটার মানে দু

আতকা


সেদিন যখন সুপ্রয় আর রত্নাকে মাতৃমঙ্গল দেখলাম, প্রথমে একটু আবাক হলাম। শেষে নিজে নজে ধরে নিলাম- হয়তো বেড়াতে এসেছে। আবার প্রশ্ন উঁকি মারে! রত্নার পরিবার তো অনেক কঠিন একটি পরিবার, সেখান থেকে সুপ্রয়ের মতো বেকুব কি করে রত্নাকে নিয়ে বের হলো। এইসব কিছু প্রশ্ন সেদিন সর্বক্ষণ আমাকে তাড়িয়ে গেছে তারপরও আমি সুপ্রয় এর কাছে জানতে চাইনি কিভাবে রত্নাকে নিয়ে বের হলো। এতোদূর আসার সাহস জন্মালো কবে?!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ