একজন কম্প্যুকানা লোকের অসাধ্যসাধন (উৎসর্গ: কাজী সাব)
আমি একজন কম্প্যুকানা। যদিও বাংলাদেশে চাকরী করার সময় ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র কলিগদের কাছে আমি বিশাল টেকি-এক্সপার্ট ছিলাম, কারন কম্প্যুর ব্যাপারে তাদের জ্ঞান মাইনাসের দিকে ১০০। তারা আমারে বলতো, "তুমি ফ্রি আছো আজ?
মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা আসলে কতো ??
খুব সম্ভবত বদরুদ্দিন উমরের একটা লেখা পড়েছিলাম। উনি আক্ষেপ করে
বলেছিলেন " দেশে সৈনিকের সংখ্যা বেরে যাচ্ছে "। হয়তো এ জন্যই পত্রিকার পাতায় আজ কাল হড়েক রকমের সৈনিকের নাম চোখে পরে। ৫২য় ফিডার খাওয়া শিশুও অনেক সময় ভাষা সৈনিক হয়ে যায়, একাত্তরে ঘরের নিরাপদ পরিবেশ আকাশবাণী বা স্বাধীন বাঙলা বেতার কেন্দ্র শোনা যুবাও হয়ে যায় বীর মুক্তিযোদ্ধা। আসলে মুক্তিযোদ্ধা সংখ্যা কতো ?
জাগরনের গান
হবে, হতেই হবে
দাবী একটাই, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই--- এই বাংলায়।
হবে, হতেই হবে।
নিশি কথন
বিকেলের আলোটা খোলা হাওয়ায় রাখা কর্পুরের মতই উবে গিয়ে ধেয়ে আসে তরল আধাঁর। এই মহেন্দ্র ক্ষনে কিছুটা ব্যাকুলতা নিয়েই শুরু হয় আমার নিত্যনৈমিত্যিক দিন, আজো তার ব্যাতিক্রম কিছু নয়। টাইগারের চায়ের দোকানে কখন যে ল্যাম্পপোষ্টগুলো সূর্য্যকে প্রতিস্থাপন করে একদমই বুঝা যায়না যতক্ষন না সন্ধ্যাবাতির ঝাঁজালো ঘ্রান নাকে না আসে। আলসেতে পাওয়া কুকুরের মত আমিও গা ঝাড়া দিয়ে হাত-পা টেনেটুনে চায়ের বিল মিটিয়ে বেড়িয়ে পড়ি।
গরমপত্র ১
হুনছেন নিহি? নিজামী ছাবে কী কইছে? কইছে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় নাকি জামাতিস্লমীরই পরোক্ষ ভূমিকা আছিলো আসলে। বাকী সব ঝুট হ্যায়।
বাচ্চালোগ তালিয়া বাজাও, মুরোদ মাইনসে কহো মারহাবা মারহাবা।
#
আবার কইছে তাগো এই অবদানের কথা নিহি কেউ অস্বীকার করবার পারবো না। হুশিয়ার কইলাম খবর্দার। অস্বীকার কইরেন না। তাইলে কইলাম খবর আছে। রগ কাইট্টালাইবো। হাড্ডিগুড্ডি খবর্দার।
#
প্যারিসে আমি (পর্ব-১)
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মন্ত্রী পর্যায়ের ৭ম সম্মেলন জেনেভায় হবে শুনে মনটা একটু খারাপই হয়েছিল। কারণ এর আগে আমি সুইজারল্যান্ড গেছি, এবং জেনেভা, জুরিখ ও দাভোসের অনেকখানি আমার দেখা হয়েছে। নিজের পয়শায় দেশ-বিদেশ ঘোরার সামর্থ্য আমার নাই, আমন্ত্রণে অথবা অফিসের অর্থে যেতে হয়। ভেবেছিলাম এবার সম্মেলন হবে নতুন কোনো দেশে, কাজের ছলে নতুন একটা দেশও দেখা হবে।
আমিও ব্লগে আইসা পরছি.........
ওরেরে আমি ব্লগে ঢুইক্কা গেছি ......অহন খালি ব্লগিং.........
বর্ণচোরা - ২
বাইরে আসার পর থেকে সব মিলিয়ে খারাপ ঘটনার শেষ নেই। কাজে প্রায়ই শুনতে হয় বাংলাদেশীদের বদনাম। মুখ বুঝে সহ্য করি। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু ব্যাতিক্রমী ঘটনা চোখে পড়ে যায়। নিজের মনে হাসি আর চিন্তা করি “কৃষ্ণ করলে লীলা খেলা আমি করলে পাপ” । আমার বাসায় বাঙ্গালী আমরা তিন ভাই আর সবাই বিদেশী। এদের সাথে আছি অনেক দিন হয়। এর মাঝে ১ জন ঘানা, ১ জন নাইজেরিয়া, ৩ জন বুলগেরিয়া ও ২ জন রুমানিয়া। মহাদেশ ভিত্তিতে ওরা সংখ্যা
একজন সুবিধাবাদিনীর পক্ষ থেকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা
অফিসে অসম্ভব ব্যস্ত আর বিভিন্ন কারনে মানসিকভাবে পর্যুদস্ত। বেশি ব্যস্ত থাকলে যা হয় কাজ হয় না বেশি কিন্তু ব্যস্ত ব্যস্ত ভাব নিয়ে সারাক্ষন একটা অকারণ টেনশান হতে থাকে। বিভিন্ন কারনে অকারনে বিভিন্ন ওয়েবগুলোতে বেশি ক্লিক করা হয়। মন বসাতে পারি না, কি করলে ভালো লাগতো তাও জানি না। জীবন সব সময় এক রকম থাকে না জানি, কিন্তু যা যা জানি তাও সব সময় মন থেকে মেনে নিতে পারি না। মেনে নেয়ার ক্ষমতা নিয়ে আমি পৃথিবীতে আ
আজ বিজয় দিবস!
আজ আমাদের বিজয় দিবস...অনেকেই দেখলাম শুভেচ্ছা দেয়া নেয়া করতেসেন...কি লাভ এই বিজয়ের? জেইখানে রাজাকাররা ঘুরে বেরাচ্ছে সাধীন ভাবে আর আমরা চলি মাথা নিচু করে ! যতদিন ঐ রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না হচ্ছে ততদিন শুভেচ্ছা দেয়া নেয়া থেকে বিরত থাকব। বিজয়ের হাসি হাসব না! যাদের রক্তের বিনিময়ে আজ বাংলাদেশ আমার পরিচয় তাদের প্রতি সম্মান দেখানো তা জরুরি, আনন্দ পরে করা যাবে!
কিওয়ার্ডের কেচ্ছা
অন্তর্জালে নামে স্বনামে - বেনামে লেখালেখি করার চেস্টা করি। নিজের নামে একটা সাইটও (www.mahbub-sumon.com) আছে। যেখানেই যা কিছু লিখি তার একটা ব্যাকআপ রেখে দেই। একান্তই ব্যক্তিগত ও সংবেদশীল তথ্য ছাড়া এ সাইটে মুলত সব কিছুই লিখি। নিয়মিত Google Analytics থেকে সার্চ ট্রেন্ড লক্ষ্য করে মজা লাগে, বেশ অবাকও হই। অন্তর্জালে যারা ঘোরাঘুরি করে তারাকি শুধু সেক্সেই আসক্ত !!!
নীল থাবায় রক্তাক্ত লজ্জা
বিজয়ের মাস এলে একটা অব্যক্ত ব্যাথা জানিনা কেন জানি খামচে ধরে। আমি ভালো বক্তা নই, আবার তথাকথিত কোন রাজনৈতিক দলের অনুসারীও নই। সেজন্যই হয়তো হাত পা ছুড়ে গলা কাঁপিয়ে মাঠ গরম করা কথাবার্তা আমার গলা কিংবা আঙ্গুল দিয়ে প্রসব হয়না।
কি আছে দুনিয়ায়, কি যন্ত্রনা, আরে ধুরু
কি আছে দুনিয়ায়...
ধুরু জ্বালা!!!
ভাবলাম পিচকি একটা পোস্ট মারমু , কি কি আমার পুস্টের শৈল নাকি ছুটু :( কি আর করা :|
কি হবে "বিজয় দিবস" দিয়ে?
বছর ঘুরে আবার এলো বিজয় দিবস। ছোট বেলায় দেখতাম, পাড়ার মোড়ে দোকানে ছোট ছোট পতাকা ঝুলছে। মাইকে বাজছে বিজয়ের গান। বড় ভাইয়েরা দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছে আর আমরা এক কোনায় দাড়িয়ে শুনছি তারা কি বলে। সিঙ্গারা সমুচা পাওয়া যাবে-দাড়িয়ে থাকার সেটাও একটি উদ্দেশ্য ছিলো।