ক্কক
উড কমিশন ১৮৫৪ সালের এডুকেশন্যাল ডিসপ্যাচে লিখেছেন . Among many subjects of importance, none can have a stronger claim to our attention than that of education. It is one of our most sacred duties to be the means, as far as in us
lies, of conferring upon the natives of India those vast moral and material blessings which flow from the general diffusion of useful knowledge, and which India may, under Providence, derive from her connexion with England. For although British influence has already in many remarkable instances, been applied with great energy and success to uproot demoralising practices and even crimes of a deeper dye, which for ages had
ধূসর গোধূলিঃ ৩৬ - ফন্দি
মফিজ মিয়া মুখে যতই বলুক মেয়েজামাইকে টাকা দেবে না, মেয়ে শেফালির দিকে তাকিয়ে শেষ পর্যন্ত আর পণ রক্ষা হয়না। একমাত্র মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে টাকার ব্যবস্থা করে দেয়। শেফালি চলে যায় শ্বশুরবাড়ী। যাবার সময় জামাই গদগদ ভাব নিয়ে শ্বশুরের পা ছুঁয়ে সালাম করে।
-আব্বা, আমগো লইগা দোয়া কইরেন।
মফিজ মিয়া সবই বোঝে। মনে মনে ভাবে মেয়েটা তবু সুখে থাক।
সারাদিন পর সাজু বাড়িতে ঢোকে। মফিজ মিয়ার রক্ত ওঠে মাথায়। খেঁকিয়ে ওঠে সে। হারামজাদা! সারাদিন কই থাহস? বাপের হোডেলে খাস আর টো টো কইরা ঘুইরা বেড়াস?
সাজু কোন উত্তর দেয় না। নিরবে ঘরে ঢুকে যায়। মফিজ মিয়ার রাগ আরও চড়ে যায়
-কি রে? কি কই কানে ঢোকে না?
-কাম আছিলো। সোজাসাপ্টা উত্তর দেয় সাজু।
-সারাদিন বাইরে কি কাম তোর? ঘোড়ার ঘাস কাটতে গেছিলি? দুই পয়সা আয়ের তো মুরোদ নাই।
বিষণ্ণতা যে দিন তারা হয়ে জ্বলবে
কি জানি হচ্ছে ইদানিং। জমে থাকা কাজগুলো করাই হয়ে উঠছে না। টেবিলটা খুব অগোছালো হয়ে আছে। অজস্র ধুলো জমেছে কম্পিউটারের মনিটর আর বইগুলোতে। কয়েকটা ফোন কল আর ইমেইল করার কথা সময়মত মনে থাকছে না।
এরই মধ্যে গরম পড়ে গেলো। কয়েকটা টি শার্ট কেনা দরকার। একটা রোদ চশমাও ভীষণ জরুরী। তার চেয়েও জরুরী আগামি মাসে পাহাড়ে বেড়াতে যাবার জন্য অগ্রিম টিকেট কেটে রাখা। কে কে যাবে, কোথায় কোথায় যাবো সেসবও কিচ্ছু জানি না।
অথচ দিনগুলো একটা একটা করে ফুরিয়ে যাচ্ছে। কাল রাতে সবুজ ঘাসের চাদরে বসে অবকাশ যাপনে রত ছিলাম, আকাশে ছিলো বিশাল আকৃতির চাঁদটা। আধ শোয়া হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে শাহিন ভাই বললেন, চাঁদতো দেখা যাচ্ছে। তখনই আমাদের মনে হল যে ফাল্গুন মাসটা চলে গেলো।
কষ্টে মাখা দিনগুলোই
প্রতিদিনই ব্লগে আসি, কিছু লিখতেও ইচ্ছে করে কিন্তু কেন যেন হয়ে ওঠে না। বড্ড বদলে যাচ্ছি আজকাল। আসলেই বদলে গেছি বড় ভয়নকভাবে। ভাবতেই আজব লাগে এই আমি একসময় ঐ আমার মত ছিলাম। তখনো জাকির ছিলাম এখনো আছি মাঝে আপেক্ষিক সময়টাই যা সব করল। বলে লাভ নেই, তাই পুরানো দিনের গান শুনি। আবদুল হাদির "কেউ কোন দিন আমারে ত কথা দিল না।" এক সময় ভোর হত শত ব্যস্ততা আর কলেজ, কোচিং আর র্নিমম শত কাজ নিয়ে আর এখন ভোর একরাশ হতাশা নিয়ে। আরো একটা র্দীঘ অলস দিনের কিভাবে সমাপ্তি করা যায় তার পরিকল্পনা নিয়ে। সত্যি বিরক্তিকর।
টাইগারদের বলছি
"বাংলাদেশ"। ছাপ্পান হাজার বর্গমাইলের ছোট্ট একটি বদ্বীপ। ষোল কোটি মানুষ এখানে মিলেমিশে বসবাস করে আসছে যুগের পর যুগ ধরে। আমাদের দেশ ছোট হতে পারে কিন্তু আমাদের ইতিহাস কম সমৃদ্ধ নয়, কম গৌরোবজ্জ্বল নয়। অগণিত জ্ঞানী-গুণীর জন্ম দিয়েছে রত্নগর্ভা এই দেশ। অগণিত শহীদের রক্তের বিনিময়ে, মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এসেছে আমাদের স্বাধীনতা। এসবই স্বাধীনতার আগের কথা। স্বাধীনতার পরে আমাদের সবচেয়ে গর্বের জিনিস সম্ভবত "ক্রিকেট"।
ভালোলাগার কবিতা
আমার পরিচয়
-- সৈয়দ শামসুল হক
আমি জন্মেছি বাংলায়
আমি বাংলায় কথা বলি।
আমি বাংলার আলপথ দিয়ে, হাজার বছর চলি।
চলি পলিমাটি কোমলে আমার চলার চিহ্ন ফেলে।
তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে ?
আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে
আমি তো এসেছি সওদাগরের ডিঙার বহর থেকে।
আমি তো এসেছি কৈবর্তের বিদ্রোহী গ্রাম থেকে
আমি তো এসেছি পালযুগ নামে চিত্রকলার থেকে।
এসেছি বাঙালি পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার থেকে
এসেছি বাঙালি জোড়বাংলার মন্দির বেদি থেকে।
এসেছি বাঙালি বরেন্দ্রভূমে সোনা মসজিদ থেকে
এসেছি বাঙালি আউল-বাউল মাটির দেউল থেকে।
আমি তো এসেছি সার্বভৌম বারোভূঁইয়ার থেকে
আমি তো এসেছি 'কমলার দীঘি' 'মহুয়ার পালা' থেকে।
আমি তো এসেছি তিতুমীর আর হাজী শরীয়ত থেকে
আমি তো এসেছি গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণার থেকে।
এসেছি বাঙালি ক্ষুদিরাম আর সূর্যসেনের থেকে
না হয় পকেটে খুচরো পাথর রাখলাম
বড্ড পরিশ্রম যায় ইদানীং। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই অফিসের জন্য দৌঁড়ানো লাগে। অফিসে পৌঁছানোর পর কুকুরের মতো কাজ শুরু হয়। সেই কাজ শেষ হতে হতে সন্ধ্যা হয়ে যায়। আর বাসায় ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা শেষে রাত। রাতে বাসায় ফিরে এতো বেশী ক্লান্ত লাগে যে বেশীরভাগ দিনই আমি নয়টা সাড়ে নয়টা থেকে পড়ে পড়ে ঘুমাতে থাকি। আমি অবশ্য এরকম ব্যস্ততাই চাই, এক মিনিটও অবসর চাইনা। অবসর থাকাটাকে আমি প্রচন্ড ভয় পাই। অবসর হলেই মাথায় নানারকম চিন্তা ভর করে আর আমার খুব অস্থির লাগে। আব্বু- আম্মুর সাথে, পিচ্চি বোনদুইটার সাথে সবসময় খুব বাজে ব্যবহার করি। কেন করি জানিনা, কিন্তু করে ফেলি। এবং খুব আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করি যে ওরা আমার উপর কোন রাগ করেনা। ফেসবুকে যাইনা। ঐখানে গেলেই দেখি সব সুখী সুখী মানুষদের সুখী সুখী ছবি, স্ট্যাটাস। দেখলেই রাগ লাগে। এতো আনন্দ কোত্থেকে আসে এদের জীবনে কে জানে?
সময় বয়ে যায় ধু ধু কংক্রিট অঞ্চলে!
এবারের বই মেলায় আমার একটা সিরিজ বই কেনা হয় নাই মাওলা পাবলিকেশন্সের কারনে। তা হলো মুনতাসীর মামুনের ঢাকা স্মৃতি সিরিজ, ১৬ খন্ডের। আমি যখনই তাঁদের স্টলে গিয়েছি তখনি জবাবঃ ভাইয়া এক খন্ড নাই, ৭ আর দুই নাই, আরেকদিন আইসেন, শেষ দিন যখন কিনতে উদ্ধত হলাম তখন দুই নাম্বারটা নাই। রাগে ক্ষোভে তাই আর ১৫০০ টাকা দিয়ে আর কেনাই হলো না সিরিজটা। আমাকে বাংলা বাজারে যেতে বললো সেলসম্যান। যাই হোক এখন মনে হচ্ছে ঢাকা নিয়ে পড়ে লাভ কি?
আপনারা সবাই দোয়া করবেন
কার নামে আজ ঘুমিয়েছিলেম
চোখ খুলে ভাই দেখি,
শত পরীর মেলা বসেছে
রইল না কেউ বাঁকি।।
বউদি ভাবি গিন্নী শালী
আর যারা আছে সব মিলে
গোলাপ রজনী চম্পার সুবাস
নাড়া দিচ্ছে দিলে।।
কোন এক বসন্তের দুপুরে ঘুমিয়েছিলেম, উপরে বর্ণিত ডজন খানের পরীর কলকল ছলছল কলকাকলীতে নিদ্রার হল অকাল মৃত্যু। দরজার পর্দা গলিয়ে চর্ম চক্ষুর দৃষ্টি তাদের উপর নিপতিত হবার সাথে সাথে আমার কবিত্ব জেগে উঠল, লিখে ফেললাম উপরের কটি লাইন।
অতঃপর বের হয়ে লিখিত ক লাইন আবৃতি করাতে কেউ কেউ ভেঙচি কেটে উঠল, যাকে দেয়া হয়েছে তাঁর গন্ধই নেয়া হউক, অন্যদিকে যেন নজর না পড়ে।
বাস্তবের রাক্ষস-খোক্ষস-ডাইনীরা
ইদানীং আমার সব কিছুই এলো মেলো । কিছুই গুচিয়ে করতে পারিনা । ভাবনারা জঠ পাকায় খালি । লেখালেখি হয়না বহুদিন, অথচ লেখার কত টফিক্স । কত কিছু ঘটে গেল গত দেড় দু’বছরে ! গত বছরের শেষ দু’তিন মাস এবং এ’ বছরের প্রথম মাসে কত সন্ত্রাস হল ! কত মানুষের জান গেল রাজপথে ! গুলিতে, বোমায় ! এরই মাঝে অতি আশ্চর্য একটা নির্বাচণও হল । পুরো দুনিয়া গণতন্ত্রের শিক্ষা এবং দীক্ষা পেল পুঅর বাংলদেশ থেকে । অথচ আমার কিছুই করা হলনা ! অবশ্য আমি একা নই, প্রিয় এ ব্লগটির দু’একজন ছাড়া আর কাউকে যেন ছুঁয়নি ঘটনাগুলো ! তা থাক ওসব ! তারচে বরং নিজের যন্ত্রণার কথা বলি ! আমি কিন্তু লিখতে চাই, নিজের অনুভুতিগুলো রেখে যেতে চাই প্রিয় ব্লগে । কিন্তু হয়না, লিখতে বসলে এলোমেলো হয়ে যায় সব ! চোখের সামনে শৈশবে শোনা রূপকথার দৈত্য-দানো, রাক্ষস-খোক্ষস আর ডাইনীদের বিকট বিকট হা গুলো ভসে উঠে ! অনিদ্য সুন্দর রাজকুমার-রাজকনেদের দেখিনা কোথাও !
চৈত্রঃ ঝিঁঝিঁর গুঞ্জনে ডুবে যাওয়া বিষন্ন দুপুর
কাল রাতেও ভেবেছিলাম তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাবো। কিন্তু রাত দশটার দিকে প্রিয় ক্যাম্পাসে পা রাখতেই ফোন বেজে উঠলো- দ্রুত চলে এসো, সোনালি শিশির ফুরিয়ে যাচ্ছে।
শাহবাগ থেকে জোর কদমে হাঁটা দিলাম। গিয়ে দেখি এখানে ওখানে আসর জমেছে। দূর থেকে শুনতে পেলাম রনি ভাইয়ের গলা- আমার ভালবাসা পিরামিড, আমার দুঃখগুলো নীলনদ। লাইনগুলো সেই যে ঢুকেছে মাথায় আর বের হবার নাম নেই।
পাশেই আর এক দল পাহাড়ে স্থায়ী নিবাস করা সংক্রান্ত এক তুমুল আলোচনায় মগ্ন ছিলো। আমি কিছুক্ষণ ওদের পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। আর মনে মনে ঠিক করে ফেললাম, এবারের বিজুতে ওদের সাথে আমিও যাচ্ছি।
হৈ হল্লা করতে করতে কালো রাস্তা ধরে ভাত খেতে গেলাম। রুমে ফিরতে ফিরতে রাত ২ টা। কম্পিউটারটার কি যে হয়েছে। প্ল্যানেট আর্থ এর জঙ্গল পর্বটা দেখতে দেখতে তিন বার বন্ধ হয়ে গেলো কোনও কারন ছাড়াই। ৩ টার সময় ধরা দিলাম বিছানার কাছে।
মন খারাপের দিনগুলো
খুব উৎসাহ নিয়ে ব্লগে এসেছিলাম; ভেবেছিলাম নিয়মিত লিখতে পারব, সাথে অন্যদের লেখাও পড়তে পারব। কিন্তু নানা ঝামেলা ও সমস্যার জন্য
লিখতে পারিনি, পড়া তো অনেক পরের ব্যাপার। ভর্তি পরীক্ষা, ট্যাব চুরি হয়ে যাওয়া এবং দীর্ঘ দুই মাস প্রচণ্ড শারীরিক অসুস্থতার জন্য লিখতে পারিনি।
ভেবেছিলাম ভর্তির ঝামেলা শেষ হলেই লিখতে বসব, কিন্তু কিসের কী! আলসেমির জন্য লিখতেই পারছিলাম না। অবশেষে শরীর ও মনের সাথে
তুমুল যুদ্ধে জয়ী হয়ে আজ দীর্ঘ প্রায় নয় মাস পর লিখছি।
প্রায় দুই মাসের দীর্ঘ ক্লান্তিময় দৌড়াদৌড়ির পর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশাধিকার পেলাম। এত দিন বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মনে মনে অনেক রোমান্টিসিজম,
অনেক পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ভর্তির অদ্ভুত আলস্যে শরীর, মন ভরে গেল; আগের চেয়ে অনেক বেশি হোমসিক হয়ে গেলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি
ভালো থাকবে না মানে কি!
ইচ্ছা করে না লিখতে তাও জোর করেই লিখতে বসা। ইচ্ছে না করার কারন খুজে পাচ্ছি না আপাতত। আসল কথা ভালো লাগে না। আমার মুখে ভালো লাগেনা শুনতে শুনতে সবাই টায়ার্ড, বলে উঠে পরিচিত মানুষেরা 'তোর 'ভালো লাগেটা কবে?' আসলেই আমার ভালো লাগে না। এত ভালো আছি, ভালো বই পড়ছি, ভালো হাসি আড্ডার আনন্দময় দিন যাপন তাও ভালো লাগে না। ভালো থাকলেও ভালো লাগে না, খারাপ থাকলেও ভালো লাগে না, তাহলে কি থাকা যায় আর!
পড়ার ছড়া
সকালে পড়ি বিকালে পড়ি
পড়ি রাতের বেলা
এত পড়ার পরেও মেলে
সবার অবহেলা।
সবার মুখে একই কথা
প্ড় পড় পড়।
লেখাপড়া করলেই তুমি
হবে অনেক বড়।
পড়তে হবে লিখতে হবে
এ কথাটা মানি।
তার পরেতেও সবার শুনি
হাজার উপদেশ বানী।
পড়লেই নাকি প্রকৌশলী
নয়ত হব ডাক্তার,
তা না হলে জীবন বৃথা
সবই ছাড়খার।
নজরুল রবি শরৎ বাবুর
পড়ার দৌড় কত?
তার পড়েতেও কজন আছে
বড়, তাদের মত।।
ফেব্রুয়ারী,২৩,২০০৫ খ্রীঃ
ধূসর গোধূলিঃ ৩৫ - হঠাৎ বৃষ্টি
সন্ধ্যার ঠিক পর পরই খেলার পাট চুকিয়ে ঘরে ফেরে সুবল। পেছনের দরজা দিয়ে ঘরে ঢুকে দেখে কেউ কোথাও নেই। মাঝখানের বড় ঘরের টেবিলের উপর টিমটিম করে জ্বলছে কুপিবাতি। সুবল সামনের বারান্দায় এসে দাঁড়ায়। বাহিরের দিকে চোখ পড়তেই দেখে উঠানের দক্ষিণ প্রান্তে খেজুর গাছটার নিচে তাফালে খেজুরের গুড় জ্বাল হচ্ছে। মা, কাকু, কাকীমা উনুনের কাছে বসে আছে আর গোপালদা খরকুটো এগিয়ে দিচ্ছে। সুবল সোয়েটারটা গাঁয়ে জড়িয়ে উঠানে নেমে আসে। তাফালের আগুনের আলোয় উঠানের অনেকটাই আলোকিত। সুবল পায়ে পায়ে এগিয়ে গিয়ে পেছন থেকে কাকার গলা জড়িয়ে ধরে। তারাপদ ঘাড় ঘুরিয়ে তাকায়, প্রিয় ছোট ভাতিজাকে দেখে দু’হাত ধরে সামনে নিয়ে আসে। কাকুর কোলের মধ্যে ডুবে যেতেই সুবল হারিয়ে যায় ওমের রাজ্যে। তাফালের চারপাশ থেকে উঠে আসা টকটকে লাল আগুনের শিখা থেকে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ছে আশেপাশে।