একটি ফটোওয়াকের গল্প
বছরের এই সময়টা কোন না কোন ভাবে কাশফুল দেখতে বের হওয়া হয়। শরতের এই ফুলকে খুব বেশী সময় ধরে পাওয়া যায়না যদিও। শেতশুভ্র সাদা সাদা ফুলে ছেয়ে যায় ধরনী... সাথে নীল আকাশ... মাঝে মাঝে সাদা মেঘগুলোর উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুড়ে বেড়ানো।
সুযলা সুফলা শষ্য শ্যামলার এই দেশ... দেশের প্রতিটা ঋতুরই আসা যাওয়া টের পাই... সময়ের গন্ধ ছড়িয়ে পরে বাতাসে... এখন যেমন সকালে ঘুম ভাংলে টের পাই শীত আসতেছে... শীতের আগমনী ঘ্রান চারিদিকে...
গত বছর ঠিক এমনি সময়ে ময়মনসিংহ একটা ঘুরন্তিস দিছিলাম। লিনা দিলরুবা আপার বাসায় (মানে দুলাভাইয়ের সেইখানে পোস্টিং)। রাজকীয় আয়োজন... আপ্যায়ন... চর্ব্য... চোষ্য... লেহ্য...
... সে এক বিরাট ইতিহাস
সদ্য ক্যামেরা হাতে পাইছি... অটোমুড ছাড়া আর কোন মুডেই ক্যামেরা চালাতে পারি না। এমনি সময়ে ফটো+ঘুরন্তিস। ব্রহ্মপুত্রের পারে কাশফুলে আড্ডা... প্রথম ছবিটা দেখেন। অটো মুডের বাইরে যাওয়ার আপ্রান চেষ্টা...গুনিজন বলে অটোমুডে নিজের কোন ক্রিয়েটিভিটি থাকে না... আমি কি চাই... তার জন্য অটো মুড না... যাস্ট সার্বজনীন একটা ব্যবস্থা হচ্ছে অটোমুড। তবে কয়েকজন বিখ্যাত ফটোগ্রাফরকে দেখছি ফুল অটোতে ছবি তুলতে। তাদের যুক্তি হইলো অটোমুডটা কোম্পানী হুদাই লাগায় নাই
... ছোট মানুষ... বড়দের বিষয়ে নাক না গলাই

ছবি ১: অটোমুড বাদ দিয়ে আমার প্রথম অপচেষ্ট 
হইলোনা কিছু.... ছবি জইলা গেলা... ব্যাপার্না বৈলা ঝাপাইয়া পরলাম...

ছবি ২: পুরা তব্দা খাইলাম
...
তো কি আর করা... ভাবলাম তাহলে গাছ/ফুল/নদী বাদ্দিয়া মানুষের ছবি তুলি ... হয়তো ঠিক আসতে পারে... কিসের কি। সেই একটি অবস্থা... ছবি লেপ্টাইয়া যায়।

ছবি ৪: ফোকাস হয় নাই 
তয় শানে নযুল... দুই/চারটা ফটুকেই আপনারা হতাশ হইয়েন না... মাটি কামরাইয়া পইরা থাকতে হইবো... আল্লাহ বলছে ... "হতাশ হইয়ো না যদি তুমি মুমিন হও"। তো এরম করতে করতেই একটা ফটুক পাইলাম... মানে এপারচারের সাথে সাটার স্পিডের বনিবনা হইলো... লগে ফোকস মামাও তার ভিলেন গিরি বাদ দিয়া ঠিক মত সাপোর্ট দিল।
পারিবনা এ কথাটি বলিও না আর...
ক্যান পার্বানা সেইটা ভাবো বার বা

সূর্যোদয়ে তুমি...
সূর্যাস্তেও তুমি
ও আমার বাংলাদেশ... প্রিয় জন্মভূমি
বোনাস ছবি 






শেষ ছবি দুইটা এত ভালো, এত ভালো যে বেশি কিছু বলা গেলো না ভাইজান
আর পোস্টের কথাগুলোও মিষ্টি।
মীর আমার বৌয়ের নাম নিয়ে টানাটানি করে কেন?
মীর আমার বৌয়ের নাম নিয়ে টানাটানি করে কেন?
আমি এইটা আগেই ধারণা করছিলাম। আপনের বৌয়ের নাম। জয়িতা'পু যেদিন ডায়বেটিসের কথা বললো, সেদিনই। যাক্ রাসেল ভাই, শতকোটি অভিনন্দন, শুভেচ্ছা, শুভকামনা। নতুন জীবন সুখে কাটুক
এই পোলাডা যেমনে বউ বউ করতেই থাকে......কিছু একটা কইতে গিয়াও থামলাম। মানে গিলে ফেললাম...সেদিন যেমন খাট ভাংগার কথা শুনেও কথা গিলে ফেলছি--- তেমন।
যাক, টুটুল ভাই লেখাপড়া জানা লোক। মাঝে মাঝে জানান দেয় আমাদেরকে
শেষ দুইটা ছবি অনেক কথা বলে গেল !
এতো তাড়াতাড়ি এক বছর হয়ে গেল! সময় এতো দ্রুত গেলে তো মুশকিল! চলেন আবার যাই ময়মনসিংহ!
শেষ দুটি ছবি অস্মভব ভালো লাগলো।
শুভেচ্ছা।
হায় হায়! এক বছর পার হইয়া গেছে???

লাস্টের ছবির মাছটা বিমার ধরা একমাত্র মাছটা নাকি?
শেষ দুইটা ছবি এক কথায় মারাত্মক ভাল!
ঠিক বলছেন ভাইজান,মানুষের অসাধ্য কিছু নাই।
ক্যান পার্বনা সেইটা ভাবাই বেশি দরকার।
শেষ দুইটা ছবি হইছে জটিল সুন্দর।
সেই দুইটার মধ্যে আবার সূর্যোদয়ের কিংবা সূর্যাস্তের ছবিটা হইছে অসাম,অসাম,অসা্ম।
গত বছর দুলাভাইর বাড়ি বেড়ানোর কথা মনে পইড়া উদাস হয়ে গেলাম।
(
শেষ ছবি দুইটা জট্টিল।
আমার তো ক্যামেরা নাই, হুদাই ওয়াক করতে যাইয়া কি লাপ?
ফেসবুকেই পড়ছি। ছবি হন্টনে হন্টন অব্যাহত রাখেন!
এইরম প্যাট্টিস চলতে থাকলে একদিন আমার মত ফটোগ্রাফার হইতে পারবা এই শুভকামনা থাকল
মন্তব্য করুন