ইউজার লগইন

ভাস্কর'এর ব্লগ

অহেতুক লিরিকের আনাগোনা

এক.
চৌকাঠ পেরোলে হয়তো পেয়ে যাবো শব্দের খোঁজ
কিন্তু আলসে আমার পা চলে নাই, ডানায় করেছে ভর
ক্লান্তি।

দুই.
শব্দের চে আলোকের গতিবেগ বেশি
কোনোকালে এই জ্ঞান পেয়েছিলো ব্যর্থ বালকেরা
তবু চোখের চে কান বেশি প্রখর হয়েছে দিনে দিনে
শব্দের নিকটে হেরে গেছে আলোর কারসাজি।

তিন.
বিনিদ্রার মন্ত্র পড়ে আমি পড়ে পড়ে ঘুম যাই
যদিওবা স্বপ্ন ছাড়া যেই ঘুম তারে মনে হয় মৃত্যু
অতএব আমি মরে পড়ে থাকি
শূন্যের ক্যান্টিনে...

চার.
শেষ হলে উঠে চলে যাবো
মনস্থির করে গ্যাট মেরে বসে থাকি।
আবার সন্তর্পণে চাই
কোনোদিন শেষ না হোক আমাদের ছেলেখেলা।

পাঁচ.
আমার সোনার ময়না পাখি
তুমি কোনদেশে চলে যাও
পৃথিবীর কোনো দেশে আমার ঘরবাড়ি নাই...

মৃত্যু জানে বন্ধুতা কারে কয়...

এক.
আমাকেও জাপটে ধরেছে মৃত্যু বলিহারী। কোনভাবে বাউলি কেটে সরে যেতে চাইলেও, মৃত্যুর সংখ্যাতত্ত্বরে ছেড়ে যাওয়া হয় না। সম্ভাব্য তালিকাও ধীরে ধীরে বর্তমান হয়। অতএব আমি আর মৃত্যু নিকটবর্তী প্রতিবেশীর মতো বসবাস করতে শুরু করি।

মৃত্যু কখনো স্থিরতা জানে নাই...সে চারপাশ-নাগপাশ জানে। আমি বুঝতে পারি আলোকের মতো চেহারার মৃত্যু আমারেও ঘিরে ফেলে।

দুই.
মৃত্যুর সাথে চুক্তি করে ফেলি, যেইদিন কারখানা চালু হবে সেইদিন তারসাথে দেখা হবে। তারপর সখ্যতা। মৃত্যুর চে কে বেশি বলো আর ভালোবেসেছে আমায়।

তিন.
একলা হলেই মৃত্যু এসে ভর করে কাঁধে। তারে নিয়ে সামাজিক চলাফেরা ঝামেলার মনে হয়। তবু তার নূরানি বদন ভালোবাসি বলে তাড়ানোর ইচ্ছা হয় নাই কোনোকালে। একলা আমি আর একলা মৃত্যু মিলে ভালোবাসাবাসি।

রক্ত দিবো, জীবন দিবো, তেল-গ্যাস দিবো না!!

গ্যাস বিক্রী করতে রাজী হয় নাই বইলাই আওয়ামি লীগ নাকি ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারে নাই। ২০০৮ সালে আওয়ামি লীগের অবিসংবাদিত জয়ের পেছনে কোন বিষয়টা বড়ো ভূমিকা রাখছে শেখ হাসিনা নিজেই সেইটা অনুমানের জন্য ইঙ্গিত দিছেন কয় দিন আগে। কনকোফিলিপসের সাথে চূক্তি পশ্চিমা শাসকগো কাছে দেওয়া তার প্রতিদান। আর তাই ৩ জুলাইয়ের সফল অর্ধ দিবস হরতালে দমন-পীড়ন-নির্যাতন-প্রেফতার চলবো এইটাই স্বাভাবিক। রাজধানী থেইকা এর আগে চারদলীয় জোটের হরতালেও আগে এমন দেদারসে লাঠিচার্জ কিম্বা গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে নাই।

আমি ৩ জুলাইয়ের হরতাল সমর্থন করি...

আমি কস্ট রিকভারী'র অংকটা আদৌ বুঝি না। তামিম সাহেব থেইকা শুরু কইরা দেখি ব্লগ লেখকদের অনেকেও ২+২=৫ এর অনেক হিসাব মিলাইয়া বুঝাইয়া দেয়। এতোদিন শোনা ৮০% আর ২০% ভাগাভাগির অংকটা অনেকরে মিলাইতে দেখি আরো জটিলতায়। তাতে বাংলাদেশের প্রাপ্তি আরো বাড়ে। আমরা আশান্বিত হইতে শুরু করি, অন্ততঃ ২০% তো না! ২৭% পাওনের সম্ভাবনা আছে। আবার ২০% আর ৮০%'এর অংকটা কেউ চোখে আঙ্গুল দিয়া দেখাইয়া দিলে উত্তর শুনি ঐটা কেবল এলএনজি'র বেলায় ঘটবো। আমি এলএনজি বুঝি। দীর্ঘদিন সিটি করপোরেশনের বাইরে থাকনের অভিজ্ঞতায় বুঝি তরল গ্যাসে নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের জীবন চলে। বড়লোকেদের জন্য পাইপ বসাইয়া বায়বীয় গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এই এলএনজি'র লেইগা পাইপ লাগবো না এই সুসংবাদও অনেকে শোনায়। কিন্তু এলএনজি'র দাম কিরম হবে? তারবেলায় দেখি সকল কবিরাই নীরব।

এলোমেলো সত্য কথা...

আমি ঘুরপাক খাইতেছি শুন্যসময়ের চক্করে...এইখানে বহুকাল আগে একবার আইছিলাম, আর তাই বলে পরিচিত লাগে সব দেয়াল, মেঝে আর স্যুইচবোর্ড।

আর এই খানে আমি যা ভাবতে পারি সব আছে
বরফ, বৃষ্টি আর সান্টা ক্লজ।
এইখানে তুমিও আছো আমার সকল অপরাধ মেনে।
অপরাধ মেনে নিতে তোমাকে যতোটা ছোট হতে হয়
তারে আমি ভালোবাসা বলে জানি...

ভালোবাসায় অসহায়ত্ব থাকে কিম্বা নাই
কিন্তু আমারে অসহায়ত্বের শেকল আষ্টেপৃষ্টে বাধে
এইখানে আমার আমি অনেক মূখ্য হতে থাকি
এই আমারে অনেক ছোট মনে হয়...অনেক ছোট
ঠিক যতোটা ছোট হয় পথের ধুলোকনা
আহা ধুলিকনা! তার প্রবেশাধিকার থাকে সকলখানে!

এইবার তবে নদী হই শুন্যতায়
এইখানে নদী বয়ে যাবে তার নিজস্ব গতিময়তায়
কোন এককালে তুমিও এসে মেলে দেবে বেগুনি নৌকার পাল...

অভিমান বিষয়ক কাব্য

রক্তজবায় বিদ্রোহ নাই, লাল মানে সমর্পণের কবিতাও তবে...

অভিমানে অভিযানে যে দূরত্ব লেখা হয়,
তারে কখনো মাপেনি কেউ। আর তাই
ক্রমশঃ তাহার ছায়া সরে গেছে বহুদূর;
যতোদূর গেলে পাল্টে যায় গোলার্ধ, সূর্যের
প্রাত্যহিক অভ্যাসেরা।

অভিমানে দাগ পরে গেলে
তা কতোটা কঠোর হয়েছে? আমি রেখা ভেবে
মুছতে গিয়ে দেখি এ কেবল বিন্দুর সমান্তরাল পথ নয়,
দাগ মানে স্মৃতির চে অধিক সরল,
ইতিহাসের চে' অধিক বাস্তবতা।

অভিমান ভুলে যেতে বলে
জিভ কেটে ফেলি। এমন প্রতারণার খেলা
জীবনের সাথে খেলতে নেই...
অভিমান মানে রূপ আর লাবণ্যের রেখা।
তুমি অভিমান রয়ে গেলে আমি দূর থেকে
তোমার সৌন্দর্য্য দেখি।

অভিমান মানে অস্তিত্বের দিশা
অভিমান মানে সরল গণিত...

হুদাই প্যাচাল... (১)

এক.
(ক)
রুমানা মঞ্জুররে তার জামাই হাসান সাঈদ পিটানোতে বেশ হয়। আমরা আবার নারী নীতি নিয়া সোচ্চার হওয়ার কথা ভাবতে পারি। আওয়ামি আর আমিনীর শঠতার আড়ালে চইলা যাওয়া নারী নীতি নিয়া আবার ভাববার সময় বের করতে পারুম আমরা মধ্যবিত্তরা। রুমানা মঞ্জুরের চোখ নষ্ট হওয়াতে বেশ ভালো হইলো, সাঈদ সাহেব যদি কেবল চর থাপ্পরে ছাইড়া দিতো তাইলে তো আর টেলিভিশন চ্যানেল আর পত্রিকাগুলি নিউজ করতো না। এমন চর থাপ্পরতো সাংসারিকতায় স্বাভাবিক আচরণ। দুইটা মানুষ এতোদিন ধইরা একলগে আছে, এইরম ঝগড়াঝাটি খুবই নিয়মিত প্রত্যাশিত আচরণ।

(খ)

ডাইরী ১১৮

এক.
আরশোলার ঠোটে চুমু খেতে চেয়ে কাল সারা বিকেল এবং রাত ওত পেতে বসেছিলাম তাহার পাশে। আরশোলা কেবল এদিক ওদিক ঘুরে ফেরে আবিষ্কারের নেশায়। কখনো তামাম বছরের গায়ে দিয়াশলাই ঘর্ষণে জ্বলে উঠেছে আগুণ। গুনগুন গান গেয়ে আরশোলা উড়েছে আগুণের শিখায় শিখায়। আরশোলারে পোষা পাখি ভেবে আমি তার প্রেমে পড়ে গেছি, কখনো ভাবি নাই আগুণ পাখি ছাড়া আর কেউ দীপ্তিমান উড়ে...

দুই.
আমি আর আরশোলা এইঘরে থাকি। আর তুমি ও তোমরা ঐ ঘরে ডর ভয়ে কেঁপে কেঁপে ওঠো। আমি হাতের মুঠোয় আরশোলারে নিয়ে নিজেরে গ্রেগর সামসা ভাবতে ভাবতে আর্দ্র হয়ে উঠি। দরজায় তখন মৃত ভারতীয় কেবলি গোঙায়। আর আরশোলার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অধরে কামময়তা খেলেছে জীবন অথবা যৌবনের রসে।

যদিও আমার জানা নাই কোথা হতে এলো সেই মৃত ভারতীয়। তবু তার গোঙানিতে সম্মোহিত আমি আরশোলারে চুমু খেতে চাই...

হেলুসিনেশন কিম্বা ফ্রাস্ট্রেশন।

তিন.

যে গেছে, সেকী আর ফিরে আসবে!!

আজম খানের দরাজ কণ্ঠস্বরের কথা লেখছিলেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। আমি তার সাথে একমত হইতে পারি নাই। দরাজ শব্দটা শুনলে আমার যেই দ্যোতনা তৈরী হয় তার সাথে আজম খানের গায়কীর সামান্যতম মিলও আছে কীনা তা নিয়া আমার সন্দেহ আছে। আজম খান তার রেকর্ডকৃত গানেও বেসুরা হইছেন বহুবার। তার লগে যারা ড্রাম আর ব্যাস গীটার বাজাইতো তারা প্রায়শঃই অস্থির হইয়া উঠতো তাল জ্ঞানের খামতিতে। আজম খানের স্কেইল উঠানামায় কোনো সামঞ্জষ্য ছিলো না কোনো কালে। তিনি গান ধরতেন এক উদ্ভট স্কেইলে।

তবে তিনি কীসের সঙ্গীত শিল্পী যার গানে নিয়মের কোনো বালাই নাই। যা ইচ্ছা তা করার স্বাধীনতা কি শিল্পীর থাকে!? আমাগো এই ভারতীয় উপমহাদেশে তাল-লয়-সুর ছাড়া সঙ্গীতের ধারা বা ঘরানার কোনো স্থান আছে? এমনকি প্রাচ্য-দূরপ্রাচ্য বা পাশ্চাত্যেও কি আছে এমন কোনো সঙ্গীত শিল্পীর স্থান যে নিয়মের ধার ধারে না!?

বামপন্থীদের চক্রান্তে মুজিব ধর্মনিরপেক্ষ হইছিলো!!!???

কিছুদিন আগে আমার এক ফেইসবুক স্টেটাসে এক পরিচিত আওয়ামি সমর্থক কোনো এক যুক্তির প্রেক্ষিতে হঠাৎ একটা অভিযোগ নাজিল করলেন। তিনি দৃঢ়ভাবেই কইতে চাইলেন ৭২ থেইকা ৭৫'এ আওয়ামি লীগের ভেতরে থাকা বামপন্থী নেতারাই শেখ মুজিবের সর্বনাশ করছিলো। তার উত্থাপিত এই অভিযোগ আমি সেইসময়টায় পাত্তা না দিয়া উড়াইয়া দিলাম। মনে খানিকটা খচ খচ করতে থাকলো যদিও...বাংলাদেশের ইতিহাস যতোটুক জানি তাতে এই বাম প্রভাবের ক্ষেত্রে তাজউদ্দিন সাহেবরে দায়ী করতে চাইলো সেই পরিচিত এইটা বুঝতে পারতেছিলাম স্পষ্ট। এছাড়া বামপন্থার অভিযোগের জন্য আর কোনো উপলক্ষ্য পাইলাম না। তবুও এই দেশের মানুষের গড় উপলব্ধি আর চিন্তা কাঠামোর বিবেচনায় বিষয়টারে উপেক্ষা করনটাই শ্রেয় বইলা ভুইলা গেলাম সব ক্ষোভ।

কথিত "বাম দূর্গের পতন" বিষয়ে একটি রাজনৈতিক পর্যালোচনা প্রচেষ্টা...

পশ্চিমবঙ্গে বাম দূর্গে ধস। এই হইলো একটা সংবাদ সংস্থা পরিবেশিত সংবাদের শিরোনাম। দুই বছর আগে একই এলাকার লোকসভা নির্বাচনে একইরকম ফলাফলের পর সামহোয়্যারে আমি এই বিষয়ে একটা স্বল্পায়তন পোস্ট দিলে সেই পোস্টে বেশ কিছু তর্ক-বিতর্কমূলক আলোচনা হইছিলো। সেই পোস্টে আমার সাথে আলোচনায় অংশ নেয়া দুইজন ব্লগার আমরা বন্ধুতেও সক্রিয় আছেন। তাই বাম জাতির এই ক্রান্তিকালীন সময়ে (?) আরেকটা পোস্ট দেয়ার লোভ সামলাইতে পারলাম না।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর আওয়ামি ঘৃণাবাদি সংস্কৃতি বিষয়ে আলোচনা...

মুক্তিযুদ্ধ মানে কী? এই শব্দের মাজেজা কি ব্যক্তি বিশেষে আপেক্ষিক হইতে পারে? আমি একজন মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষ মানুষ হিসাবে মনে করি মুক্তিযুদ্ধ শব্দের সিগনিফিকেন্সে অনেক মাজেজা খুঁইজা পাইলেও তাতে আপেক্ষিকতা থাকতে পারে না। হয়তো আমার কাছে মুক্তিযুদ্ধ মানে বাঙালি জাতির অর্জন মনে হয় আরেকজনের কাছে এই অর্জনের পাশাপাশি পাকিস্তানি নির্যাতনের চিত্র ভাইসা উঠে। তবে আমার কাছে মুক্তিযুদ্ধরে পাকিস্তানি শোষণের বা বৈষম্যমূলকতার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার সংগ্রাম বইলা মনে হয় কিন্তু আরেকজনের কাছে ২৫ মার্চের হামলার প্রতিবাদ মনে হইতে পারে কিনা সেইটা নিয়া আমার প্রশ্ন থাকে। মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির স্বপ্ন প্রচেষ্টাই ছিলো বইলা আমি মনে করি। এর বিপরীত যদি কেউ বলে তবে সেইটা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী একটা বচন।

একটি জানালার গল্প (দুই)

প্রায় একবছর এই চাকরীটা আমি চালিয়ে গিয়েছি। তখন আমার বয়স মাত্র বাইশ বছর।

প্রতিমাসেই আমি দুই হাজার ইয়েনের বিনিময়ে মাসে ত্রিশ বা তার চাইতে বেশি এমন চিঠি লিখে দিতাম লিদাবাশি জেলার ছোট্ট এক অদ্ভুত কোম্পানীর জন্য, যারা নিজেদের কলম সমবায় নামে ডাকতো।

একটি জানালার গল্প

খেলাপী হিসাবে আমার সুখ্যাতি আছে...এই কারনে মুরাকামির ছোট্ট একটা গল্প বেছে নিলাম অনুবাদের জন্য। তার চার ভাগের এক ভাগ হিসাবে শুরুর চিঠিটা গড়গড়িয়ে অনুবাদ করা গেলো...আশা করি আগামি তিনদিনেই এটা শেষ করে ফেলা যাবে...

একটি জানালার গল্প
হারুকি মুরাকামি

শুভেচ্ছা,
ফুরিয়ে যাওয়া এক একটা দিনের সাথে শীত চলে যাচ্ছে ধীরে ধীরে, আর সুর্যের আলোয় ঘ্রাণ পাচ্ছি বসন্ত দিনের। মনে হয় তুমি ভালোই আছো।

তোমার শেষ চিঠি পড়ছিলাম, ভালো লেগেছে। বিশেষ করে হ্যাম বার্গার স্টেক আর নাটমেগ'এর সম্পর্ক নিয়ে লেখা প্যারাগ্রাফটা বেশ হয়েছে। নিত্যদিনকার ঘটনা নিয়ে তোমার অনুভূতির তীব্রতা টের পাওয়া যায়। রান্নাঘরের উষ্ণ ঘ্রাণ কিংবা কাটিং বোর্ডে ছুরির সাথে পেয়াজের রেষারেষিটা একদম ঠিক ভাবে ধরা পড়ে!

নির্যাতন বিরোধী ছবি গেরিলা বিষয়ে আলোচনা...

Garilla1.jpg

নামকরনের স্বার্থকতা:
১.
গেরিলা নামটা প্রথম চোখে পড়ে পত্রিকার সীলমারা মাস্টহেডে। ছবির নামকরনের স্বাথর্কতা তৈরী হয়। কিন্তু সেই দৃশ্য তিনটা ডায়ালগে শেষ হয়। সেই পত্রিকার পরিণতি কি হইলো সেইটা আর আমার জানা হইলো না।

২.
সৈয়দা বিলকিস বানু তার সাংবাদিক স্বামী হাসানের হদিসে এইদিক ঐদিকে যায়, তার সঙ্গী হয় কয়েকজন ছোকড়া। যারা বেশ আরবান। তাদের একজনের একটা গাড়ি আছে। একটা মোটরবাইকও দেখা যায় মাঝে সাঝে। এই ছেলেদের একজনের আবার রিফ্যুজি ডান্ডি কার্ড আছে। যেইটা আবার বিখ্যাত পাকিস্তানি কর্নেল তাজের সার্টিফাই করা। পরে আমরা দেখি তারা গেরিলা বাহিনীর সদস্য।

৩.