ভাস্কর'এর ব্লগ
চলচ্চিত্র রিভিউ: হাজারো খাওয়াশেই এ্যায়সি (২০০৩)

ক্রিকেট বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে গৃহপরিচারিকারে ধর্ষণের অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত শাইনি আহুজার ভিন্ন কারাগারে স্থানান্তরের খবরটা পত্রিকার এক কোনায় পইড়া থাকলেও আমার নজরে পড়লো। বিষয়টা আকষ্মিক। ভারতীয় সিনেমার খুব বেশি ভক্ত না হওয়ায় শাইনি আহুজা নামের এই অভিনেতার নাম আগে কখনো শোনা হয় নাই। কিন্তু সাত বছরের দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত এই ধর্ষক পুরুষের সাজারে যখন সালমান খান কিম্বা ফারহান আখতারের মতোন তারকারা লঘু পাপে গুরু দণ্ড বইলা পত্রিকাতে বিবৃতি দিলো তখন একেবারেই অভ্যাসবশতঃ তারে নিয়া ইন্টারেনেটে খোঁজাখুঁজি শুরু করলাম।
পুনম পাণ্ডের শরীর আর সোসাইটির পুরুষালী ক্রিকেট চর্চা...
এক.
ভারতে একসময় পুরোহিতগো মনোরঞ্জনের লেইগা সেবাদাসী থাকতো। প্রার্থনালয়গুলিতে এইসব নারীরা বাস্তবিক উৎসর্গীত হইতো ঈশ্বরের উদ্দেশে। পুরুষ শাসিত সমাজ এমনই প্রবঞ্চনার গল্প লিখছে নারীর জন্য। পুরোহিত ব্রাহ্মণরা অবলা নারীগো সামনে ঈশ্বরের প্রতিনিধির মতোন দাঁড়াইতো, ব্রাহ্মণের কাছে সমর্পিত হয় যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর টাইপ কনসেপচ্যূয়াল একটা স্টেইট তৈরী কইরা ম্যানিপ্যুলেশান চলতো দিনের পর দিন। এইসব নারীরা যখন মনোরঞ্জনের সামর্থ্য হারাইতো তখন আর তাদের স্থান হইতো না ঐ মন্দিরে, তারা তীর্থস্থানে গিয়া অনিশ্চিত অপেক্ষা শুরু করতো আসল ঈশ্বরের নিকটবর্তী হওনের।
লেডি গাগা'র চুল পড়ার সংবাদে কার কী আসে যায়!
সেলিব্রিটি হলে জীবন অনেক কঠিন হয়ে পড়ে মনে হয়। আজকে মনে হয় সারা পৃথিবীর প্রায় সব পত্রিকায় একটা কমন খবর ছাপা হইছে। খবরটার গুরুত্ব কতোটুক সেইটা আমি টের পাই নাই অবশ্য, কিন্তু আজকের যূগের খবরের বাণিজ্যধর্মী আচরনে বেচা বিক্রী না থাকলে নিশ্চিত কোনো খবর ছাপে না। কমন খবরটা হইলো লেডি গাগার চুল পইড়া যাইতেছে। সে তার ফ্যাশনের জন্য চুলে মাত্রাতিরিক্ত রঙ ব্যবহার করছে এতোদিন আর তার ইফেক্টে এখন চুল পড়তেছে দেদারসে। সে নাকি রঙ মাখা চুল নিয়াই বিছানায় শুইয়া পড়তো। এই খবরে লেডি গাগার ক্ষতি হইলো না লাভ হইলো এই বিবেচনা করতে গিয়া মনে পড়ে...নিউজ মানেই এখন একজন সেলিব্রিটির জীবনের উন্মোচন। লেডি গাগা চুল রঙ করে রাখেন এইটা সংবাদ হিসাবে বেশ চটকদার...কারণ এই রঙের বাস্তবতা তাকে সাধারণ মানুষ থেকে আলাদা কইরা ফেলে। কিন্তু চুল পড়ার ঘটনাটা কিভাবে তার সেলিব্রিটিসূলভ গ্রহণযোগ্যতায় কতোটা সহযোগিতা করে?
চোর আর প্রহরী অথবা প্রহরী আর চোর...
চোর আর প্রহরীর কাহিনী ইতিহাসের নিয়ম মতোন পাল্টে যায়। কখনো সখনো তারা একে অন্যের পোশাক পরে দেখতে চায় জীবনের অন্যপ্রান্তে কে কতোটা সুখে আছে, কিম্বা দুঃখ এলে কতোটা জলস্রোত ভেসে যায়, ভাসায় পারিপার্শ্বরে। আমার এইবারের চোর আর প্রহরীর গল্পে বা কবিতায় অতএব সেই রূপ বদলের খেলা দেখবার চেষ্টা করলাম।
.
.
.
.
.
চোর কি কেবলি চোর রয়ে যায়!
প্রহরী কি কেবল প্রহরী রবে আজীবন!
আমাদের গ্রামে চোর সবে এলো
প্রহরীর ভূমিকায় অভিনয় শিখে।
চাকুরীহীন প্রহরী এইবার তবে
চোর হয়ে কাটাবে জীবন কিছুকাল...
চোর জানে কিরম কৌশলে সিঁদ কাটা হয়
প্রহরী জেনেছে ঘরের আদ্যপান্ত।
এবার প্রহরী আকা চোর, যিনি ছিলেন আগের জমানায়
চোর, তিনি চোর আকা প্রহরীর সাথে শুরু করলেন
চোর পুলিশ, চোর পুলিশ খেলা...
চোর তাই অযথাই জেগে রয়
আর গোপনে পেরেছে গালি
প্রহরীর মায়রে চুদি তার চোখ বুজে এলে...
আবারো চোর আর প্রহরী বিষয়ক কবিতা...
চোর আর প্রহরীরে দেখতে দেখতে আমার বিরক্তির ফসল নামাই শব্দবন্ধে। ইহারে যদিবা কবিতা বলা যায়, তবে আমার-আপনার আর তাহাদের সকল জৈবনিক প্যাচালই কবিতা হয়। তবে লাইনের পরম্পরা টানা না লিখিয়া যেহেতু মাত্রাবর্তে লিখি...অতএব কবিতার ছদ্মবেশ চড়ে লেখনীর সরলতায়। লেখনী সরল হইলে আর তারা কবিতা থাকেনা এমত বিশ্বাস দেখেছি মানুষের মানসপটে...
চোরের সংশয়হীন ক্ষণ আর
প্রহরীর দিন কাটে অনিশ্চিত
মালিকের কাছে তার ঋণ বাড়ে
যেনো অহেতুক সমাসীন
রয়েছে সে এই অস্ত্রাগারে...
মালিকের কাছে তার বাসাবাড়ি
অস্ত্রাগারসম, মম উত্তেজনা বাড়ে
চোর আর প্রহরীর রণ প্রকৌশলে।
প্রহরীর ঘুম অতিশয়, বেজায় নিখুঁত
কখনো সখনো মনে হয় এই ঘুম
ঘুমায়নি সে বহুকাল...তবু ভাবি
প্রহরীর ঘুম যদি হয় চোরেরে প্রশান্তি দিতে!
যেহেতু চোরের আরাম অতএব প্রহরীরে
ঘুমাতেই হয়!
বাস্তবতঃ প্রায়শই মনে হয়
প্রহরী অথবা চোর পরষ্পরে
চোর আর প্রহরী বিষয়ক আরো একখানা কবিতা
চোর আর প্রহরী বিষয়ক আরো একখানা কবিতা লিখলাম। আমরা বন্ধুতে লেখা আমার স্বল্পায়তনের পোস্টগুলি দেখি পৃথম পাতায়ই পরিপূর্ণ দৃশ্যমান হয়। তারে দেখলেই মনে হয় পাঠকরে প্রতারণা করতেছি। পোস্ট খুলবার দরকার কি যদি প্রথম পাতায়ই পড়া হয়ে যায়!?
চোরের নজর পড়েছে এবার গৃহস্থ সিন্দুকে।
প্রহরীরে দেখি ঘুমে
আর স্বপনে একাকী আত্মহারা;
সদর দরোজা তবে খোলা পড়ে থাক
চোর তবে হেটে যাক উঠান অবধি।
প্রহরী ঘুমায় আর নাক ডাকে
চোর বলো তবে ভয় পাবে কাকে!
নিষ্ঠাবান চোর এইবেলা শিখেছে বুদ্ধিজীবীতা...
পাহাড়ার পরোয়া করার
সময় ফুরোল, নটে গাছটি ওলোটপালোট যথেচ্ছা মুরোল।
ওহে চোর, ওহে বুদ্ধিজীবী
তোমার বুদ্ধির বদৌলতে
তুলে আনো তবে সকল দৌলত...
গৃহস্থের যৌবনবতী কন্যার রূপ কোনোকালে
স্পর্শ করে নাই চোরের পরান।
কেবল সিন্দুক আর তার চাবিগুচ্ছ যখন ঝুলেছে
গৃহকর্তৃর আচলে, তার রূপ আর শব্দের মাধুরী
জিতেগারে জিতেগা পাকিস্তান জিতেগা অথবা একটি অসহায় প্রেমের উপাখ্যান...
১৯৯২ সালে আমি তাজা তরুণ। তখন অবশ্য তারুণ্যের দোলাচল শুরু হইছে সারা পৃথিবীতে। সোভিয়েত বিপর্যয়ের পর এই দেশেও তার প্রভাব ভালোমতোই পড়তে শুরু করছে। তেমন একটা সময়ে দেশের বামপন্থী দলগুলিও অনেক জাতীয়তাবাদী অবস্থান নিয়া ফেলতেছিলো। তারুণ্যের সামনে এই জাতীয়তাবাদ ছিলো অনেকটাই কৌশলী অবস্থান। কারণ স্নায়ূযুদ্ধের কাল শেষে তখন সারা পৃথিবীতে মৌলবাদ আবার মাথাচাড়া দিতেছিলো। আমেরিকা যেনো পরিকল্পিত ভাবেই তাদেরই পৃষ্ঠপোষণায় বেড়ে ওঠা মৌলবাদী শক্তিরে তখন শত্রুর পোশাকে সাজাইতেছিলো। এমনি একটা সময়ে এই দেশেও মৌলবাদের শক্তি প্রোথিত হইয়া যায়। যেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এই দেশের সেক্যুলার ভাবাদর্শ গইড়া উঠতেছিলো তার বিপরীতে এই মৌলবাদের ছায়া পড়লো বেশ শক্তিশালি অবয়ব নিয়াই। মুখোমুখি লড়াইয়ে তখন দেশের সেক্যুলার চেতনার সবচাইতে বড় ধারক শক্তি সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলি জাতীয়তাবাদরেই মূল হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার শুরু করলো। আমরা সেই
চোর আর প্রহরী বিষয়ক কবিতা
প্রহরী দেখেনা কভু চোরেরে সজ্জন
আর তাই চোর থাকে আড়ালে আড়ালে
প্রহরী দূরত্বে গেলে চোরের আরাম
চোর তাই থাকে চুপ নিভৃত আয়েশে
তবু চোর, ঘাঘু চোর নিষ্ঠা সহকারে
অপেক্ষায় ওত পেতে থেকেছে নিয়তঃ
যদি কোনোদিন আসে এমনো অবুঝ
যেদিন প্রহরী তারে খুলে দেবে সব
তুলে দেবে মালসামান তার করপুটে...
প্রহরীও নিষ্ঠা ভাবে, দাঁড়ায় দরজায়
চোর তার বিপরীত হারায় আড়ালে।
আহা সমাপনী
আহা বাতুলতা...
কেহ তারে জানে নাই কখনো শাশ্বতঃ...
একটা টানেলে আটকে রয়েছি...
প্রবেশমুখে তেমন কিছু লেখা ছিলো না যদিও,
তবু টানেল বলেই জানতাম
ভেতরে আঁধার খেলা করে।
আমাদের অসহায় চোখ
অতএব দেখে নাই অন্ধকার আর নৈশব্দের মাঝে
কেমন ঝগড়াঝাটি চলে।
প্রবেশমুখে কেবল লিখে দিলেই চলতো,
আঁধার কখনো পরোয়া করেনি কাহারেও...
সাবধানে আঁধার পেরিয়ে বেরিয়ে যাবেন।
তাহলে আনন্দময় সময়টা কেটে যেতো আঁধারে আঁধারে।
আঁধারের সাথে চোর-পুলিশ খেলতে খেলতে।
নিষেধের তারস্বরে আমরা পুলকিত চিত্তে
আঁধারের চেয়ে বেপরোয়া চলবার অভিনয় করতাম...
টাইগারদের মিউ মিউ আর সমালোচকের গর্জে ওঠার দিন...
স্টেডিয়ামে গিয়া খেলা দেখি নাই বহুদিন, কিন্তু গতোকাল রাত বারটার সময় এক বন্ধু হঠাৎ ফোন কইরা জানতে চাইলো বাংলাদেশ আর সাউথ আফ্রিকার সাথে খেলা দেখতে চাই কীনা, তার কাছে একটা ক্লাব হাউজের টিকেট আছে...এই টিকেট প্রাপ্তির সম্ভাবনায় মনে হইলো যাই একদিন অন্ততঃ দেশের ক্রিকেট সমর্থকগো বাস্তবতাটা বুইঝা আসি। আর তাই সকাল সকাল ঘুম থেইকা উইঠা রওনা দিলাম মিরপুর স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে।
স্টেডিয়ামে ঢুকনের আগে আমার বুটের ভিতরে পাঁচটা সিগারেট লুকাইয়া নিলাম যাতে কোনো ঝামেলা না হয়। ফোন ছাড়া আর কোনো বহনযোগ্য মালামাল রাখলাম না সাথে, যাতে চেকিং বিষয়ক জটিলতা এড়ানো যায়। তারপরেও আমার পকেটে থাকা চ্যাপস্টিকটা বাইর কইরা ছুইড়া ফালাইয়া দিলো গেইটের সতর্ক প্রহরীরা। একা একা খেলা দেখতে যাওনটা একটু বোকামী আজকালকার যূগে। তয় আমার মন কইতেছিলো পরিচিত লোক হয়তো পাওয়াই যাইবো এতো লোকের ভীড়ে।
ডাইরী ১২০
--------------------------------------------------------------------------------------------------------
এক.
পাহাড়টারে খুঁজে পাওয়া যায়নি গতোকাল। ভীত পাহাড় লুকিয়েছিলো এমন কোথাও যার পথ জানা ছিলো না তোমার...লুকোন পাহাড় হাতের মুঠোয় পাওনি বলে কাল রাতে তুমি অনেক কেঁদেছো...অনেক কেঁদেছো?
দুই.
ক্লোক গায়ে দিয়ে পাহাড়টা আসলেই লুকিয়ে ছিলো, ঘুমিয়ে ছিলো। তুমি তারে খুঁজে পেলে ছুঁয়ে দিতেই জেগে উঠতো সে। তারপর তোমাকে ছাপিয়ে ছড়িয়ে যেতো, মিলিয়ে যেতো। পাহাড়টারে মুঠোর ভেতর আটকে রাখার মন্ত্র জানো?
তিন.
এমন প্রতারক পাহাড় এককালে আমার ভীষণ বশ ছিল, বলতেই মাথা উচিয়ে দাঁড়াতো মেঘের পাঁজর ভেদ করে, বলতেই আবার নমিত সমতল, ঠিক যেনো নিরাশার পদাবলী। মেঘদলের সাধ্য কি তারে ধরতে পারে!
চার.
প্রকৃতি তুমি এতো নিষ্ঠুর কেনো!!
আজকে সকালে এক বন্ধুর ফেইসবুক স্টেটাস পইড়া আসলেই কনফিউজ্ড হইলাম। জাপানে প্রলয়ংকরী ভূমিকম্প আর তারই ফলশ্রুতিতে আরো ভয়ঙ্কর জলোচ্ছ্বাস সুনামি ইফেক্টে যখন মানুষের জানমাল অস্তিত্ব আসলেই নিশ্চিহ্ন হইয়া যাওনের আশংকা দেখা দিছে সেইসময় এই পদার্থ বিজ্ঞানী বন্ধু বলতেছে,
জাপানে ব্লাস্টের পর নিউক্লিয়ার পাওয়ার সোর্স নিয়া যেই বিতর্ক তৈরী হইছে, তাতে দেশের বিকল্প জ্বালানীর স্বপ্ন মাঠে মারা যাইবো। কয়লা নিয়া কর্পোরেইট মাল্টি ন্যাশনালগুলি খেয়োখেয়ি শুরু করবো আর সোলার পাওয়ার এই বর্ষা বিধৌত দেশে কখনোই প্রধান জ্বালানীশক্তি হইতে পারে না।
ছাত্রলীগের মাস্তানি কি আপনারা সমর্থন করতেছেন?: বুয়েট ছাত্রদের প্রতি প্রশ্ন...
বুয়েটের একজন ছাত্র বাসের ধাক্কায় মারা গেলো কিছু কাল আগে। সারা বুয়েটের ছাত্ররা প্রতিবাদে মূখর হইয়া উঠলো। তারা বিভিন্ন রুটের গাড়ি ভাঙচূড় করলো। প্রতিবাদের প্রকাশে স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভের রেখাগুলি দৃশ্যমান ছিলো। তাদের এই ক্ষোভে শ্রেণী বিদ্বেষ ছিলো কীনা জানি না, কিন্তু ঐ সময়টাতে বিষয়টা আমার কাছে তেমন মনে হয় নাই। আমি বুয়েটের ছাত্রদের এই বিচ্ছুরিত আগুনের পক্ষে ছিলাম।
ডাইরী ১১৯
এক.
সময় আমাকে জাগায় সকালে, কিন্তু আমি ঠিক ভুলে যাই প্রয়োজন কিংবা প্ল্যান। ঘুম ভাঙতেই বিছানার শরীর ছাড়তে পারি নাই অতএব; আমাকে আকড়ে রেখেছে অ্যামনেশিয়া আর মুহুর্তেরা। অপেক্ষায় থাকি কেউ এসে ডেকে নিয়ে যাবে, চুপিসাড়ে জানাবে আমার অভিনয়ের নিয়মাবলী। শিখে নেয়া বুলি সব আওড়ে যাবো চন্দ্রালেখ্য সুরে।
যেহেতু ভালোবেসেছি অ্যামনেশিয়া, তাই ডুবে ডুবে থাকি মিমিক্রি'র জলাশয়ে। ধরা পড়ে গেলে বোকাচোদা মুখ করে আলাভোলা হই...এমত পাগল মুখোশেরা সব পারে ভেবে, এই বেলা সকলের ক্ষমাটমা জুটে যায়।
দুই.
অ্যামনেশিয়া শুনেছি সব পারে। দুঃখবোধ অথবা নির্জলা রোমান্স সব সাদাখাতা হয়ে যেতে পারে। ভুলে যেতে পারি প্রিয় চলচ্চিত্রকার কিম্বা লেখকের নাম-পরিচয়, চিঙড়ি মাছের বুনো স্বাদ, তেতো জলে কতোটা অ্যালকোহল...এমন অনেক সর্বনাম।
তিন.