ইউজার লগইন
ব্লগ
যেভাবে কবিতা পড়িঃ কবিতা নিয়ে অসামান্য স্মৃতিজাগানিয়া গদ্য
কবিতা নিয়ে গদ্যের কথা আসলেই নাম এসে পড়বে জয় গোস্বামী আর শঙ্খ ঘোষের কথা। বলাবাহুল্য তারা দুজনেই কবি। কবিতার নিবিড় রহস্যময়তা তাঁরা ধরতে চেয়েছেন গদ্যের ছুতোয় সাথে জানিয়ে গেছেন নিজের বিখ্যাত কবিতা গুলোর ভাবনা ইতিহাস আর দুনিয়ার নানান ভাষার বিখ্যাত কবিকে নিয়ে আলোচনা। এ সময়ের প্রখ্যাত গদ্যশিল্পী আহমাদ মোস্তফা কামাল এইসবের ভেতরে যান নি, তিনি নিজেও কবি নন। তবে তিনি কবিতার এক মুগ্ধ পাঠক। কবিতা পাঠে তিনি আনন্দ পান, কবিতার সাথে সন্ধি করেন, কবিতাকে নিংড়ে বের করতে চান সেই কাব্যরস। বিশ্বাস করেন কবিতা না পড়লে ভালো গদ্য লেখা কিছুটা অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তু কবিতার আসলে ব্যাখা হয় না, সেই ব্যাখ্যাতীত বিষয় নিয়েই তিনি লিখেছেন মুক্তগদ্যের বই -- যেভাবে কবিতা পড়ি। লেখক জানিয়েছেন, তার প্রিয় কিছু কবিতার আনন্দ পাঠ ও তার শুলুকসন্ধান বের করার চেষ্টা।
You try to make a title based on what you've wrote, do you?
I live alone, I eat alone, I take myself on dates and I sleep alone. In the midst of this I am supposed to learn about myself, I am supposed to figure out what inspires me. But the only thing I learn everyday is this pain and sufferring, or at least thats what I highlight. I believe it imposes only difficulties on my progress.
Years ago I encountered a minor motorbike accident in a city where nobody follows the traffic rules. Bikes and cars drift like crazy day and night. I was driving one and another biker hit me from behind. None of my bones broke, but the joint of my arm and shoulder was hurt and I have to live with this pain for the rest of my life.
বইমেলার বিকিকিনি
- এই দিদিতা, এই বইটা কিনি? অল্প পয়সায় বেশ ভারিক্কি আছে।
- তুই কি পাগল হলি? মমিন। চিনিস ওই লেখককে?
- তা চিনি না। তবে নতুন লেখকের বই কিনলে লেখক উৎসাহ পাবে।
- ধ্যাৎ। কিসব লেখা!
- না পড়ে তো আর খারাপ ভাল বলা যায় না?
- কত লেজেণ্ট পড়ে আছে পড়া হয় না, তো এদের পড়ব কি না কে জানে? তাই নাম ভারিক্কি বই কিনি চল।
- ঠিক বলেছিস। তা না হলে, বইগুলো সাজিয়ে ফেসবুকে যখন পোষ্ট দেবো সবাই ছ্যা ছ্যা করবে? একটাও লাইক পাব না। প্রেস্টিজ চলে যাবে।
- যা বলেছিস? কবে পড়ব কিংবা আদৌ পড়ব কি ঠিক নেই।
- চল, বইমেলায় যখন এসেছি কিছু বই কিনেই ফেলি। লেটেস্ট।
দুজনে প্রসিদ্ধ প্রকাশনায় ঢুকে বইটই কিনে বেরিয়ে ফিস ফ্রাই খাচ্ছে। আবার দিদিতা - এসব প্রকাশনায় সেই পুরোন লেখক আর পুরোন বই রিপ্রিণ্ট হচ্ছে। নতুন লেখকদের এরা সুযোগ দেয় না। কি রে মমিন, তাহলে নতুন লেখকের বই কিনব কেন?
How I wish it all to be real again
Because installing a lot of messenger slows the phone, I try to keep it less. Mine has only 1 GB of RAM, and already using 4 instant messenger on it.
I don't think it can handle so many instant messengers simultaneously. But cannot delete anymore, already deleted IMO, facebook messenger and instagram.
Recently had to install WE chat for someone living in China. But I seldom contact China.
An Important Discovery
Just found out that all of the meat or fish in not protein. Ever since I knew that men need 56 grams of protein every day, I was saving half of that 100 gram sausage for the next morning. But I was such a fool to do so, since 100 gram of sausage contains only 20 grams of protein. Same story with fish and egg.
This is great news since its a difficult task to stop the temptation to eat the whole piece of sausage or the whole can of fish. I was googling around random things and made this great discovery to save my skinny ass. No wonder why I feel so weak physically. Just finished the rest of the canned sardin fish from morning, now here I come, boosted on protein!
But what the heck is protein? And why do we need it?
বায়ার্ন জোয়াই নামের রেডিও যখন মনের মত গান শোনায়...
বায়ার্ন ২ নামের রেডিও চ্যানেলে মাঝে মাঝে খুব ভালো গান বাজায়। Sat Beneath The Lightning Tree নামের এই গানটা বাজাচ্ছিলো। কোনো এক অচেনা শিল্পী। অথচ হটাৎ করেই গানের কথাগুলো খুব চেনা মনে হলো। ইউটুবে দৌড় দিলাম। এক দৌড়ে খুঁজে বের করলাম গানটা। এখন শুনছি তো শুনছিই।
রাত হয়ে গেছে। রাত ১ টায় লিখতে বসা মানে রাতটার সব্বোনাশ করা। তবু সেই সন্ধ্যা থেকে একটু অবসর করে ব্লগে সময় কাটাবো ভাবছিলাম। সে আর হলো কই? সময় খালি দৌড়ায়। তাই হলো না আজ আমার আর ব্লগ লেখা। এই কষ্ট বুকে নিয়ে ঘুমায় পড়ি, কী আর করবো!
গভীর রাতের ডায়েরী: উচুঁতে চড়ে বসা আলোচনাটা
গভীর রাতে ব্লগ লিখি। আর কোনো করার মতো কাজ না পেয়ে। লাইফটা কি যে হাস্যকর, ভাবি মাঝে মাঝে। কোথায় মানুষজন রাতে সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে প্রিয়জনের মাঝে ফেরা উপভোগ করে শান্তির একটা ঘুম দিবে, তা না জগতের যতো রকমের ঘটনা আছে সেই সব নিয়ে একটার পর একটা পৃষ্ঠা উল্টিয়ে যাচ্ছে। যেন এ পৃথিবীর সবাই হঠাৎ প্রচণ্ড পড়ুয়া একটি জাতি হয়ে উঠেছে। মহাশূন্য থেকে কেউ যদি আমাদের দেখে তাহলে আমাদেরকে ভীষণ অনুসন্ধিৎসু এক প্রকার প্রাণী মনে করবে। যারা সবসময় হাতের তালুতে রাখা একটি ক্ষুদ্রাকায় যন্ত্রের দিকে নিবিষ্ট মনে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে, তাদের চারপাশে কি ঘটছে। পুরানের সেই মায়াবী গোলকের এ যেন এক আধুনিক ভার্সন। ওই গোলক দিয়ে ডাকিনীবিদ্যায় পারদর্শীরা সাধারণত ভুত-বর্তমান-ভবিষ্যত ইত্যাদি দেখে একেকটি বিশেষ ভবিষ্যদ্বানী করতো; আর ইদানীংকালের আমরা মূলত 'মীম' চালাচালি করি।
Physics, Oasis and the Plan to live in a Basement
So now I have to write in English again since I cannot fix my language input on this computer, but I was trying to translate 'Stop crying your heart out' into Bangla and was failing for a few minutes, and thanks to the situation, I could keep it as it is. 'Stop crying your heart out' is a song by Oasis. Oasis were an English rock band formed in Manchester in 1991, the year I was born in southern Bangladesh.
That year also marks the launch of the humble F-91W by Casio, Japan. Which emitted rays of happiness on me for so many years in my suburban juvenile life.
স্মরণের টানে সামান্য এক মুহূর্ত হবে অনন্তকাল!
এখন আর এই শহরে দুইটাকার টোস্ট বিস্কুট পাওয়া যায় না। আগে ঢাকার বেশীর ভাগ চায়ের দোকানে, পলিথিনে ঝুলানো সস্তা টোস্ট পাওয়া যেত। খুব সকালে ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমি আর টাইসন নামের একটা কুকুর ছিল শেলী সাহেবের, দুজনেই সেই টোস্ট ভক্ষণ করতাম। এমনিতে খেতে ভালো না, কিন্তু চায়ের সাথে ডুবালেই সেটা অমৃত। অনেক পরে জেনেছি, জীবন এমনি, সময়ে ডুব দিলেই শেষ সব। এখন আর ঐসব টোস্ট পাওয়া যায় না, প্যাকেট সুদৃশ্য বাহারী টোস্ট। একদিন দেখলাম ২৫ টাকার ঘি টোস্ট। টোস্টে ঘি, আর অবাক হবার বাকী আছেই বা কী? যেমন ৮-২০ টাকার বাটারবনে আপনি ক্রিম আশা করবেনই বা কেন?
বাস্তবের দিনলিপি: সিনেমা, গান আর স্বপ্নের কথা
১.
এই লেখাটা শুরু হবে সিনেমা বিষয়ক আলোচনা দিয়ে। তারপর গানের ব্যপারে নিজস্ব ধারণাগুলোকে একটু ঝালাই করে নেয়া হবে। শেষ দিকে কি থাকবে- তা আগেই ঠিক করে দিচ্ছি না। লেখার গতিপথকে সেই স্বাধীনতা দেয়া থাকলো।
সিনেমা বিষয়ক আলোচনার মূল কারণ অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড। যেটি ২০১৬ থেকে বছরের একটি অন্যতম এক্সাইটিং ইভেন্ট হিসেবে জীবনে সংযুক্ত হয়েছে। অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডে আমার অনুমান কতটুকু মিললো আর কতটুকু মিললো না তার হিসেবের মধ্যেই উত্তেজনার বীজগুলো বুনে রাখা হয়েছে। মার্চের ৪ তারিখে সেগুলো ফলবতী হবে। অনুমান এখনই ঘোষণা করছি না অবশ্য। এই পোস্টে শুধু প্রারম্ভিক আলোচনাই হবে। মার্চের কাছাকাছি সময়ে অনুমান তালিকা আকারে ঘোষণা করা হবে। পুরস্কার বিতরণের আগে অবশ্যই।
প্রচুর শোনা হয় ইদানীং যেসব গানগুলো
কামিলা কাবিলো'র 'হাভানা...উম না না না' গানটার নাকি কোনো মানে নেই। গ্যারি আনহিগোরোর মতামত এটা। আমার মনে হয় ভিন্ন কথা। ওটা যেন কারো কোনো এক সাগরপাড়ের ছোট্ট দ্বীপ থেকে ঘুরে এসে সে জায়গাটার সাথে তার গড়ে ওঠা বন্ধুত্বকে খুব তীব্রভাবে অনুভব করার গান। দি চেইনস্মোকার আর কোল্ডপ্লে'র সামথিং জাস্ট লাইক দিস্ গানটা যেমন। সে কোনো সুপারহিরো কিংবা কোনো ফেইরি-টেল থেকে শান্তি নয়, বরং সে চায় এমন কাউকে যাকে সে চুমু দিতে পারে। ইদানীংকার গানগুলোর মধ্যে, কাউকে উদগ্রীবভাবে চাওয়ার প্রকাশগুলো এতো সুন্দর, আর গতিশীল!
A letter to Miss Sunshine
Sorry for replying late. I just got back to my room after a 360 km ride and had diner. It took three and a half hour to reach Schweinfurt from Muhldorf.
I had the best Christmas so far! We started the trip on 24th Morning. It was the first Deutsche Autobahn experience for me, we went as fast as 165 km/h. It was awesomely thrilling!
ডিসেম্বরের শহরে!
আমার লেখা নিয়ে সেদিন একজন জানালো আমি নাকি লেখায় খালি মন খারাপের চাষাবাদ করি। বিশ্বাস করুন বন্ধুগণ, কোনরূপ চাষাবাদ সমন্ধ্যে আমার কোনো আইডিয়া নাই। সামান্য জমি জিরাতের ব্যাপার স্যাপার নিয়েও আমি পুরোই বকলম। দীর্ঘ স্কুলজীবনে এগ্রিকালচার পারে নি আমাকে সামান্য আগ্রহী করতে। খালি এভারেজ নাম্বার দিয়েছে। সবাই তখন বলতো, কৃষিশিক্ষায় নাম্বার তুলতে হবে। আমি তেমন নম্বর তুলতে পারতাম না, কারন ব্যবহারিক আকাআকিতে দুর্বলতা। আর আমাদের টিচার ছিল সুন্দর আলী স্যার, ধবধবে সাদা, হুজুর মানুষ, শান্ত ভদ্রলোক। কিন্তু আমরা ছিলাম কঠিন বেয়াদব। স্যার পড়া ধরে না, মারে না, তাই আমরা আন্তঃবেঞ্চ আড্ডায় মশগুল হতাম। স্যার আমাকে দেখে ডায়লগ দিতো, 'আরাফাত ক্লাসে আসো কি করতে?
এনাদার ট্রিবিউট টু কামাল ভাই এন্ড লীনা আপু!
এজরা পাউন্ড নাকি বলেছিলেন, শিল্পীরা সমাজের এন্টেনার মত। গড়পড়তা মানুষদের চেয়ে তারা নাকি আগেভাগে বুঝে যান, সমাজের আগামী দিনগুলোতে কি হতে চলছে, কেমন চলছে বর্তমান সমাজ। এটা বোঝার জন্য তাদের কোনো গায়েবী ক্ষমতার দরকার হয় না। তাদের সংবেদনশীলতা ও যুক্তি নির্ভর চিন্তাভাবনাই যথেষ্ট। আজ যাদের নিয়ে পোষ্ট লিখছি তারা আমার কাছে সেরকম মানুষ। তাদের বিভিন্ন বিষয়ে ভাবনা, যুক্তির প্রাসঙ্গিকতা, চিন্তাশীল মতামত, মিডিওকারকে খারাপ বলার সাহস আমাকে মুগ্ধ করে বারবার। এইজন্য এই দুইজন মানুষকে নিয়ে লিখতে আমি ক্লান্ত বোধ করি না। যদি আজ হেক্টিক একটা দিন গেল আমার, মন মেজাজও খুব লেখা উপযোগী নেই, তাও আমি লিখছি। কারন আশা করি এত চমৎকার দুজন মানুষকে নিয়ে লিখলে মন ভালো হবার সম্ভাবনা আছে।
বিবিধ প্রসঙ্গ
ডিসেম্বর মাস আমার জন্য সব সময়ই বিরক্তকর। একটা বছর চলে গেল সিগনিফিকেন্স কিছুই করা হলো না এই জিনিসটা ভাবতে ভাবতে একটা মাস চলে যায় সাথে সাথে চলে যায় আরো একটা বছর। তবে আজ মন ভালো কারন অনেকদিন পর এক প্রিয়বন্ধুর সাথে অনেকক্ষণ কথা হলো। তার প্রায় ধ্বস হওয়া জীবন থেকে সে ঘুরে দাঁড়িয়েছে একা একাই। এতেই শেষ না, সে চাচ্ছে আরো এগিয়ে যেতে। এই যে মানুষের উদ্যম, ঘুরে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা এইসব কথা শুনতে ভালো লাগে। মুটিভেশন স্পিকারদের মত না, নিজের মত নিজের। ফিরে এসে আমার বন্ধুটির যে উচ্ছাস, তা অসাধারণ। আমার দেখা হয় নাই। আমি একা একাই কল্পনা করেছি তার হাসোজ্জল মুখ খানা। আরেকটা মন ভালোর খবর ১০ তারিখ ছিল আমার আদরের ছোট ভাতিজি মৌনিয়া তার জন্মদিন। যদিও সে সেই দূর পরদেশে। তবুও মামনির কথা ভেবে মন ভালো রাখার চেষ্টা করেছি এই দু তিন দিন। আরেক ভালো খবর হলো, আবার ফেসবুক থেকে বিরতি নিয়েছি, এত সময় নষ্ট করে, তাই এই চেষ্টা। আশ