ইউজার লগইন
ব্লগ
অসমাপ্ত বাস্তবতা... ৪
খেয়াল করে দেখেছি, যখন আমি কোনো বিষয়ে সত্য মতামত প্রকাশ করি, হোক না সেটা অতিতুচ্ছ; কেবল তখনই আমি সেটাকে পছন্দ করি। যেমন কেউ যদি জিজ্ঞেস করে 'কেমন আছো?'; আমি উত্তরটা দেয়ার আগে ভাবার চেষ্টা করি, আসলে কেমন আছি। ভাল থাকলেই কেবল 'ভাল' বলে ভাল বোধ করি। ভাল না থাকলে 'ভাল' বলি না। এমনকি যদি জানিও, যে জিজ্ঞেস করেছে, তার কাছে আমার ভাল থাকা না থাকার গুরুত্ব খুব বেশি না; তারপরও নিজের জন্য আমি সৎ থাকি।
অসমাপ্ত বাস্তবতা... ৩
১.
'যদিও হারিয়ে গিয়েছি এইতো জরুরি খবর' লিখার জন্য কয়দিন ধরে সময় বের করার চেষ্টা করছলাম কিন্তু হয়ে উঠছিল না। কেন সেটা বলবো, তবে তার আগে একটা চিন্তা শেয়ার করে নিই। ইদানীং এই সিরিজের শিরোনামটা নিয়ে দ্বিধায় ভুগছি।
শুরুতে ভেবেছিলাম 'হারিয়ে গিয়েছি এই তো জরুরি খবর' কথাটা এই লেখাগুলোর মেজাজের সাথে সবচেয়ে ভাল যায়। তবে শিল্পী অর্ণবের গানের কথা এটা। যতোই যুৎসই হোক, এটাকে নিয়ে বেশি দূর অগ্রসর হওয়া সম্ভব না। কেননা এটা আমার নিজের আবিস্কার না। আরেকজনের আবিস্কারের উপর নিজের চিন্তা-ভাবনা আরোপ করা। শিল্পী অর্ণবের ভক্ত আমি চিরকালই। অসংখ্য ধন্যবাদ তাকে তার সৃষ্টিশীলতা আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য।
কিন্তু এই পর্ব থেকে সিরিজটার নাম পাল্টে "অসমাপ্ত বাস্তবতা" রাখছি। ধার করা নাম নিয়ে চলাফেরা আর না।
২.
ইদানিং জীবনযাপন
শামসুর রাহমান প্রসঙ্গে হুমায়ুন আজাদের বক্তব্য মনে পরে-
ঘরোয়া আড্ডায় তিনি কিভাবে কথা বলতেন জানা নেই কিন্তু তার প্রথানুরক্ত প্রথাবিরোধিতা নিয়ে, বাংলা সাহিত্যে নিজস্ব অবস্থান প্রসঙ্গে তার উচ্চমন্যভ্রান্তি সমেত তিনি তার কষ্টচর্চিত শুদ্ধউচ্চারণশুঁচিবাই নিয়ে জনসমক্ষে উপস্থিত হতেন। তার ব্যক্তিগত এবং সামাজিক জীবনের পার্থক্য সম্পর্কে তিনি সচেতন ছিলেন এবং সামাজিক পরিবেশে নিজের বুদ্ধিজীবী মুখোশ এঁটে গম্ভীর মুখে উপস্থিত হতেন।
অসমাপ্ত বাস্তবতা... ২
-অ্যাই গাধা, আমি তোকে ভালবাসি, বুঝলি?
-উমম, আই লাভ ইউ ঠু।
-আই লাভ ইউ থ্রি।
-আই লাভ ইউ প্লাস ওয়ান। তুই যে সংখ্যাই বসাবি তার সাথে প্লাস ওয়ান।
-আই লাভ ইউ প্লাস ওয়ান টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি।
-যার মানে হলো শুধু আই লাভ ইউ। হাহাহা।
এটা ছিল আমার সবচেয়ে প্রিয় দ্বন্দের বিষয়। কে কাকে বেশি ভালবাসে? বছরের পর বছর ধরে আমরা এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলাম। আজকাল কতো উদ্ভট আজগুবি প্রশ্নের উত্তর খুঁজি। যেমন; কাক না জোঁক- কে বেশি স্টুপিড, শহরের অধিবাসীদের মধ্যে কার চেহারা ভাল আর কার চেহারা আগলি, কেন সবাইকেই সুন্দর বলে ঘোষণা দেয়া হবে না ইত্যাদি। কিন্তু ওই প্রশ্নটার মতো আর কোনো প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয় না।
প্রবৃদ্ধির দেশে উলম্বরৈখিক যৌনসন্ত্রাস
ছবি শুধু ছবি নয়: এক ছবি হাজার কথার শামিল। কবে পড়েছিলাম, কোথায় পড়েছিলাম, আজ আর মনে নেই। শুধু মনে আছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখারও অনেক আগে, কথাগুলি কোথায় যেন পড়েছিলাম। শুধু পড়িনি, পড়াটা সেদিনের কিশোর মনে খুব দাগও কেটেছিল। আর দাগ কেটেছিল বলেই কোনোকোনো ছবির আবেদনে অভিভূত হলে অথবা ছবির অর্থের তাৎপর্য দেখে আজও মনে পড়ে যায়, মনের অজান্তেই উচ্চারণ করি- এক ছবি হাজার কথার শামিল। সব ছবি হয়তো সে রকম নয়; কিন্তু কোনোকোনো ছবি সত্যি- হাজার কথার শামিল হয়ে ওঠে।
বেঞ্জামিন দুলালের মৃত্যু
যারা গল্পটা পাঠ করছেন তাদের জন্য বলে রাখা ভালো, যা লিখছি তা গল্প না বাস্তব, আবার সেরকম বাস্তবও না যা ভালো গল্প হয়ে উঠে। ভালো গল্প খালি ভালো বাস্তব ঘটনার উপরে নির্ভর করে না, নির্ভর করে লেখকের ভাষা দক্ষতা ও নির্মাণ শৈলীর উপর। এই একুশ শতকে এসে আসলে ছোট গল্পের ভুমিকা কতটুকু তাও আলোচনার ব্যাপার। তার ভেতরে আমার মত লেখক যার নাম কেউ শুনে নাই তার লেখা কেন পাঠক পড়বে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তাও গল্পটা লিখি তা গল্প হয়ে উঠবে কিনা জানি না, আগামী দিনের কোনও পাঠক গল্পটা যদি একবারের জন্যেও পড়ে তা হলেও গল্পটা লেখা আজকের জন্য দোষের কিছু হবে না।
অসমাপ্ত বাস্তবতা... ১
কিছু লিখতে পারছি না কেন? এমন কি জীবন যাপন করছি যেটা লিখে রাখতে বাধা আসছে? নাকি উপস্থাপনা কেমন হবে ভেবে ভেবে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়ছি? এ দু'টো সমস্যার কোনোটাই তো আগে ছিল না! এখন কি হলো? ওকে পয়েন্ট ধরে ধরে আগানো যাক। অন্তত বের করা যাবে সমস্যা আসলেই কিছু আছে কিনা। নাকি আলসেমী, নাকি জড়তা, নাকি কিছুই না জাস্ট নিরাশার জালে বন্দি হয়ে পড়া- কোনটা ঘটছে?
প্রথম পয়েন্ট, থিসিস নিবন্ধন করা হয়ে গেছে। দীর্ঘ তিন মাসের ইমেইল চালাচালির পর অবশেষে আমার দ্বারা কাজটা করা সম্ভব হইলো! এবং এর মধ্যে যথারীতি থিসিসের আইডিয়াও বহুবার পরিবর্তিত হয়েছে। শেষতক যে থিম নিয়ে কাজটাকে নিবন্ধন করানো হয়েছে তা হচ্ছে- গতানুগতিক সকল প্রকার শিক্ষা কার্যক্রমে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মতামত।
এইসব হারিয়ে ফেলা গ্রীষ্মদিন!
কথাটা বলার পর কেউ আমাকে পাগল ভাববেন, কেউ মনে করবেন এটেনশন সিকার কিন্তু কথাটা প্রাণ থেকে আসা, আমার প্রিয় ঋতু গ্রীষ্মকাল। ব্লগে এটা অনেকবার বলেছি আজ আবার বললাম। শুরুর জন্য লেখা আর কি, কিছু একটা বলে লেখা শুরু করতে হবে। লিখতে ইচ্ছে করে খুব, কিন্তু সেই একই রকম লেখা বারবার লিখে যেতে যেতে ক্লান্ত। নিজের লেখা ব্লগে দেখতেও ক্লান্ত লাগে। এমনই এখন মৃতপ্রায় এই ব্লগ যে চারমাস আগে লেখা পোষ্ট এখনও ঝুলে আছে বেহায়ার মতো। তবুও তো টিকে আছে। নয়তো ব্লগ জিনিসটাই এখন প্রাচীনপন্থী। অথচ সব সময় শুনি দুনিয়ায় ব্লগের বিপ্লব হয়েছে, ইনবাউন্ড মার্কেটিং টূল হিসাবে ব্লগ নাকি টপ মাধ্যম। কিন্তু কমিউনিটি ব্লগের দিন বোধহয় শেষ, এখন সবাইকে দেখি ব্লগ পোষ্ট অজস্র অনলাইন নিউজ আছে সেগুলাতে দেয়। কিন্তু ব্লগের যে চার্ম সেখানে আর তা নাই। ফেসবুক আপনার দোস্ত বন্ধু বেশী থাকলে আপনার লেখা পড়বে ব্যস এতটুকুই। সেই অচেনা অজানা বাংলাভাষী পাঠক আপ
চায়ের দোকান
ভূমিবিচ্ছিন্ন মানুষ আমি। ঘুলোগুলিতে আশ্রয় নেওয়া চড়াইয়ের ডানায় যতটুকু বুনোগন্ধ লেপ্টে থাকে, আমার শরীতে ততটা মাটির গন্ধ নেই। আমার বাংলাদেশ আদতে আমার পরিচিত মানুষের জীবনযাপন, উল্লাস আর আক্ষেপের ছবি যে ছবিতে আশার চেয়ে আশংকার পরিমাণ বেশী। যে সময়ের বাংলাদেশে আমি বেড়ে উঠেছি, সে সময়ে দেশের ১০ ভাগের ১ ভাগ লোক নগরবাসী ছিলো। গত ৪ দশকে নগরবাসীর পরিমাণ ১০ গুণ বাড়লেও আমার পরিচিতের গন্ডী ছোটো হয়ে গেছে। সময়ের সাথে বৃহত্ত্বর বাংলাদেশের সাথে আমার যোগাযোগ আরও ক্ষীণ হয়েছে।
ন্তমনে নীর
সান্তনু বিশ্বাস ছেলে হিসেবে খুব সাধাসিদা টাইপের। সামাজিকতার মানদন্ডে বিচার করলে সে নিজের পরিমণ্ডলের বাইরে খানিকটা অন্তর্মুখী। কাজের ক্ষেত্রে বিবেচনাপরায়ণ, স্বেচ্ছাশ্রমী। অফিসে সবার আগে যেতে না পারার জন্য সৃষ্ট অন্তর্দহন তাকে প্রতিদিন ছুটির পর আরও দু'ঘন্টা চেয়ারে আটকে রাখে। প্রয়োজন পড়লে সেই দুই ঘন্টা বেড়ে চার ঘন্টায় দাঁড়ায়। তবু সে কখনও অফিসের কাজে গড়িমসি দেখায় না। অনেকে আছে যারা ওর মতো সিরিয়াসলি অফিসটাকে নিতে পারে না কিংবা নেয় না। কিন্তু সেসব লোকদের অন্যত্র উপযোগ আছে। অনেকের আবার বাজারে 'কুল' হিসেবে সুনাম আছে। শুধু কুল হওয়ার কারণে তাদের জীবনের অনেক কাঠিন্য তরল হয়ে গেছে। সান্তনুর ওরকম বিশেষত্বগুলোর কোনোটিই নেই। জীবনের সরল অংকটাকে নিয়ে সেই যে ছোটবেলায় একবার বসেছিল, তারপর শিশু সান্তনু মধ্যজীবনে প্রবেশ করেছে; অথচ অংকটা কি এখনও কোথাও মিলেছে কিনা সে জানে না।
রুচিবোধ এবং সাম্প্রদায়িকতা
রুচিবোধ সাম্প্রদায়িক আচরণ উস্কে দেয়! কাউরে আপনার মনে হইতে পারে ক্ষেত, আবার কাউরে ড্যাম স্মার্ট। ফলে আপনি ক্ষেতরে অবজ্ঞা করলেন। মানে আপনি সাম্প্রদায়িক আচরণ করলেন।
একটা গোপন কথা বলি। আবৃত্তি একাডেমির শুরুর দিন গুলাতে আমি যখন নিজেরে নিয়া ব্যস্ত ছিলাম- মানে অন্যরে গোনার টাইম প্রায় ছিলই না, নিজেকে আমার বিশ্বের সেরা স্মার্ট পুলা মনে হইত। যদিও কেউ কেউ আমারে দ্য ক্ষেতিয়েস্ট পারসন অব দ্য ওয়ার্ল্ড ভাবত। তাতে আমার কিছু যাইত আসত না। আমি আমার মতই ছিলাম। কিন্তু দেখা গেল মানুষের রুচিবোধ বদলাইতাছে। তারা ক্ষেতিয়েস্টরে শুধু গুনতেছে না, মাথায় তুলার ট্রাই করতাছে।
সূর্য নিভে যাবার আগের পৃথিবীতে দারুণ অসহায় আমি
একদিন তো সব খেলা থেমে যাবে। সূর্য আর কিরণ দেবে না অকাতরে। সূর্য নিভে গেলে পৃথিবী তার সমস্ত জ্ঞানভাণ্ডার, সমস্ত নাটক সিনেমা গান গল্প কবিতা সুর আর রাগ নিয়ে কোথায় যাবে সেইদিন?
অথবা তার আগেই যদি নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণে ছাই হয়ে যাই আমরা সবাই?
অত দূর না ভাবলেও হয়ত এটুকু জানা যায় যে আমাদের এই জীবন আর ফিরে আসবে না মরণের ওপারে। জীবন কতো সীমিত সময় নিয়ে এসেছে আমাদের কাছে, আমি ভাবতে পারি না কিছু, আমার খুব অসহায় লাগে সবকিছু ছেড়ে চলে যাব ভাবলে। এইটুকুন জীবন কতোটা অবহেলা করেছি তা ভেবে শুধু খারাপই লাগে।
সার্টিফিকেট ছাড়া
আমি আমার কিছুই খুঁজে পাই না আজকাল। আমি জানি না আমি ডিপ্রেশনে ভুগছি কি না। ভুগে থাকলেও ডাক্তার দ্যাখাতে ইচ্ছে করে না। নিজেই ভালো থাকতে চাই কোনো একটা উপায় বের করে নিয়ে। থেরাপি বা মেডিকেশন ভাল্লাগে না।
কিন্তু কোনো কিছু তো করা দরকার ভালো থাকতে হলে। আমি শুধু খাচ্ছি আর ঘুমাচ্ছি। মাঝে মাঝে মুভি দেখতেছি। সাইকেল চালাতেও ভালো লাগে। আর কোনো কাজে যেতে ইচ্ছে করে না।
লিখতে বসছিলাম এইম ইন লাইফ। কিন্তু সূচনাটা ভালো হয় নাই। আর কথা না বাড়ায়ে আসল পয়েন্টে যাই।
এইম ইন লাইফ রচনা আমি কোনো দিন পড়ছিলাম কিনা বা কোনো পরীক্ষায় লিখছিলাম কি না মনে নাই। অনেক কিছুই মনে নাই। মনে আছে আমি ছোট থাকতে ভাবতাম জাহাজের নাবিক হবো। বন্দরে বন্দরে নেমে পান করবো, ভোগ করবো নারী। কিন্তু সেটা থাকলো না।
ইস্তান্বুলের গল্পের ভূমিকার ভূমিকা
দিনের বেলা ঘুমিয়ে কাদা হয়েছিলাম। এখন উঠে মন খারাপ লাগছে। জানি রাতে ঘুমানোটা কঠিন হয়ে গেল ভীষণ। কিন্তু কি আর করা। ঘুমানোর সময় ভেবেছিলাম খুব বেশি হলে আধা ঘন্টা ঘুমানো যাবে। ওমা পাক্কা আড়াই ঘন্টা পর চোখ খুলেছি। মাঝখানে তো ঘুমের মধ্যেই মনে হচ্ছিল ঘড়ির কাঁটা রাত আর দিন পেরিয়ে চলছে অজানা গন্তব্যের পানে।
সাগরের তীরে যতোবার বেড়াতে গিয়েছি, ততোবারই আমার কি যেন হয়েছে। মনে হয়েছে মাত্রই তো কয়েকদিনের জন্য এখানে আসা। এই আসার কি কোনো অর্থ আছে? এসব ভেবে ভেবে মন খারাপই থাকতো বেশি। বহু চেয়েও কখনও উপভোগ করতে পারি নি। অথচ সাগরপাড়ের বাতাস যদি মুঠোবন্দি করে এনে আমার সামনে কেউ ছেড়ে দেয়, আমি বলে দিতে পারবো সেটা সাগরপাড়ের বাতাস। জানি আর না জানি, সাগরের কাছাকাছি গেলেই আমি টের পেতে শুরু করি।
বাংলাদেশ ডায়েরি ০৩
দুরপাল্লার বাসে প্রচন্ড আতংকে চেপে ড্রাইভারের ঠিক পেছনের সীটে বসে থাকার মতো পেরেশানী দ্বিতীয়টি নেই। পরীক্ষায় প্রথম না হওয়া যত ক্ষিপ্ত- ক্ষুব্ধ মানুষেরা দুরপাল্লার বাসের ড্রাইভার হয়। তাদের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য সবাইকে কাটিয়ে প্রথম হওয়া। যে বাসগুলো গাজীপুর থেকে ঢাকা আসছে, গতির মত্ততায় সেগুলোকে কাটিয়ে রাজশাহী- দিনাজপুরের বাস ঢাকায় ঢুকতে পারবে না কিন্তু গতির মরিয়া লড়াইয়ে রঙ সাইডে আটকে পরা বাসের যাত্রীরা যমুনা ব্রীজের আগে ক্রমাগত ড্রাইভারকে উপদেশ দিচ্ছে।
ঐ মিয়া বাসটা ঐ লাইনে লাগাইলে তো এতক্ষণে ব্রীজের কাছে যাইতাম গা। কি চালাও কিচ্ছু বুঝি না। তোমারে এইখান থামাইতে কইলো কে? অন্য পাশ থেকে দ্রুত বাস ট্রাক আসছে। সেসব বাস-ট্রাকের ড্রাইভারের আসনে বসে আছে আরও সব কখনও প্রথম হতে না পারা ক্ষুব্ধ প্রাক্তন ছাত্রেরা।