ইউজার লগইন
ব্লগ
ইভান, উমা আর সৃজিতের জন্য ভালোবাসা..
সেই গ্রীষ্মের সকাল গুলো তেই
পর্দা ঠেলে সরিয়ে
হাওয়া দিলো ভাসিয়ে
হাওয়া দিলো ভাসিয়েতখন আমার এ বিছানা ঘুম
ছাড়েনি চোখের কোন
আর হাওয়াতে লাগালো দোল
হাওয়াতে লাগালো দোলতখন আবার এ মন জাগে
কোন অচেনা সংরাগে
তখন আবার এ মন জাগে
কোন অচেনা সংরাগে
যেন তুলো
সে যে আকাশ পথে দিতে হবে পাড়ি
তুমি আঁচল পেতে রাখো না
আমি আসছি চলে
তুমি চোখ বুজো না, বুজো না
আমি এলাম বলে
এখনো সময় অনেক বাকি.আমার মনের এ গোপন পথে
আজো সে বাউন্ডুলে
চোখ রেখে কাটা ঘুড়িতে
হঠাৎ যায় হারিয়ে
আমার মনের গভীরতা কে
অনুভূতির আঙ্গুলে
স্পর্শ করে দেখনি
স্পর্শ করে দেখনিতখন আবার এ মন জাগে
কোন অচেনা সংরাগে
তখন আবার এ মন জাগে
কোন অচেনা সংরাগে
যেন তুলো
সে যে আকাশ পথে দিতে হবে পাড়ি
তুমি আচল পেতে রাখো না
আমি আসছি চলে
তুমি চোখ বুজো না, বুজো না
আমি এলাম বলে
এখনো সময় অনেক বাকি.
২০১৬-২০১৮ সময়কালের ভাললাগা গান এবং তৎসম্পর্কীয় গল্পগুলো
যে গানগুলোতে ২০১৬ থেকে ২০১৮- এই দুই বছর 'ক্রাশ' খেয়েছি সেগুলোর সময়ভিত্তিক একটা তালিকা আছে আমার কাছে। আজকের লেখার বিষয়বস্তু মূলত সেটাই। তালিকার প্রত্যেকটা গানই সহস্রাধিকবার শোনা হয়েছে। আমার পরিবারের সদস্যরা জানে যে যখন আমি একটা গানের ওপর ভর করি তখন সেটা একটানা শুনতে শুনতে কান-মাথা-নিউরণ সব ঝালাপালা করে না ফেলা পর্যন্ত ছাড়তে পারি না। একই গান এক নাগাড়ে ঘন্টা, দিন, সপ্তাহ এমনকি মাসাধিককাল সময় পর্যন্তও শোনা হয়েছে আমার।
দেশে থাকতে যখন এসব করতাম, তখন কোন গানটা কবে এবং কি কারণে মাথায় ঢুকেছিল বিশেষ মনে নেই। দেশের বাইরে আসার পরই আমি মূলত জীবনের ছোট ছোট বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে শিখেছি। সেজন্য আমি নিজেকে একটা ছোট্ট ধন্যবাদও দিতে চাই। দরকার ছিল শিক্ষাটা।
হুকড্ অন এ ফিলিং - ব্লু সোয়েড
অবশেষে পছন্দের কাজটি খুঁজে পাওয়ার খবর
কালকেই আমার এক সহকর্মী জানতে চাইছিল আমি কি একটি ভারতীয় বান্ধবী খুঁজে পেতে চাই কি না। সহকর্মীর ভুল ভাঙাতে প্রথমে বললাম, আমি ভারতীয় নই। বাংলাদেশি। যদিও আমি খুব চেষ্টা করছিলাম, আমাকে ভারতীয় হিসেবে ধরে নেয়ার জন্য সহকর্মীটিকে যেন আমার মন অপছন্দ করা শুরু না করে, কিন্তু চেষ্টায় সফল হতে পারি নি।
বাদুড় হয়ে উড়ে যাওয়া অনুভূতিগুলোর একটির কথা
ঘুরতে ঘুরতে আরও একটি নভেম্বর চলে এসেছে। আর ক'টা দিন পর ২০১৮ খ্রিস্টাব্দটিও 'কালের গর্ভে' চলে যাবে। পৃথিবীর আহ্নিক আর বার্ষিক গতির বেগ কখনোই এক লাফে বাড়ে না, খুব ধীরগতিতে বাড়ে; কিন্তু যতো আমরা বুড়ো হই ততো আমাদের মনে হতে থাকে, সময় যেন আগের চেয়ে দ্রুতগতিতে ফুরিয়ে যাচ্ছে!
বিশ্ব নিয়ে ভাবনা: টুপির ব্যাপারী এরোপ্লেন এর খবর।
আমি নিতান্তই টুপির ব্যাপারী টাইপ মানুষ। কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারনে মাঝে মাঝে আমার ইচ্ছা হয় এরোপ্লেন বা সাবমেরিনের হালচাল এর খোঁজ নিতে। আমার বাংলাদেশে চলমান নানা ধরনের নোংরা নিম্নমানের রাজনৈতিক চাল দেখে মাঝে মাঝে বিরক্ত হই। বাংলাদেশের রাজনীতিকে কখনও কখনও গ্রাম্য কুটনামী মনে হয়। সেই জন্য সাবমেরিন খোঁজার জন্য বিশ্ব রাজনীতি বা আনুসাঙ্গিক বিষয়ে মনোযোগ দেই। সম্প্রতি দেখলাম আমেরিকার লোকজন আর্মিদের জন্য রোবট তৈরী করছে। যেই রোবট দিয়ে তারা অটো গাড়ী চালাবে। বিভিন্ন জায়গা রেকি করতে পাঠাবে। সাংবাদিক প্রশ্ন করলো আপনাদের কি মনে হচ্ছে না এইসব যুদ্ধক্ষেত্রে টেকনোলজীর ব্যবহার পৃথিবীকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিবে?
ঘুরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা
এই মাসের প্রথম থেকেই একটা অদ্ভত অস্থিরতা কাজ করছিল। অস্থিরতাটা ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে গত সপ্তাহ থেকে। জীবনে কখনও এমন অবস্থা অনুভব করিনি, সময় অনুযায়ী যত ধরনের ডিজাস্টার পার করেছি, প্রতিটাকেই মনে হয়েছে এই বোধহয় জীবনের শেষ। ছোট বেলা থেকেই আমার মধ্যে একটা প্রবনতা ছিল, কোন কিছু না পারলে আস্তে করে কেটে পড়া। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাই করেছি। খেলাতে না পারলে আস্তে করে সরে এসেছি, কারও সাথে ঝগড়া তে পেরে না উঠলে জাস্ট গিভ আপ বলে কেটে পড়েছি। পরীক্ষায় ফেল করেছি বলে পড়াশুনা ছেড়ে দিয়েছি। খুব ভালো করে পড়ব বলে আবার শুরু করেছি, কয়েকদিন পর আবার যেই লাউ সেই কদু টাইপ জীবনে ফিরে গিয়ে, বারবার ষোল টাকা দরের চালের মত নিজের জীবনটা কাটিয়ে দিয়েছি। মোদ্দা কথা সবাই যেটাকে ছোট্ট করে বলে ‘ল্যাক অফ ডিটারমিনেশন’। দেখছেন টার্মটা আমি জানি, এই যে এখন যে হেডলাইনটি লিখেছি, কিন্তু ভেতরে লিখতে বসে শব্দ অন্য দিকে নিয়ে গেছে নিজেকে। স
আমাদের সামান্য জীবনে আছেই বা কি হারানোর?
আপনাকে 'তুমি' বলে ডাকতে পারি আমার লেখায়? সামনাসামনি অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু পারি নি। সম্ভবত আমার অনুভূতিগুলো যেখানে গিয়ে ফিরে আসে, সেখানটার পর থেকে ওৎ পেঁতে বসে থাকে অনিশ্চয়তার চিন্তাগুলো। যেগুলোকে আমি চাইলেও উপেক্ষা করতে পারি না। তাই কখনও আপনাকে আমি তুমি সম্বোধন করতে পারি নি। কখনও পারবো কি না, তাও জানি না।
তবে আমার অনুভূতিগুলো যে খুব দুর্বল- এমনও কিন্তু না। আমি এই ৩৩ বছর বয়সে এসেও মস্তিষ্কের প্রতিটি রন্ধ্রের অনুরণন আলাদা করে চিহ্নিত করতে পারি। প্রতিটি অনুভূতিকে অনুভব করতে পারি, বলতে চাইছি আর কি। অনেক সময় আমরা সময়ের স্বল্পতায় প্রত্যেকটা অনুভূতিকে গ্রহণ করতে পারি না। আপনার ক্ষেত্রে আমার কখনও তা হয় না।
সামাজিক ব্যাধির সূচকগুলোর একটি
আজকে একটা খবর পড়লাম। আমার কাছে যে ধরনের সংবাদগুলো সামাজিক ব্যাধির সূচক হিসেবে ধরা দেয়। ধর্ম, বর্ণ, গায়ের রং ইত্যাদির যে সংস্কৃতিগুলো বিশ্বজুড়ে মানবমনের গহীনে ব্যাধির মতোন পোঁতা আছে, তেমনি আরেকটা ব্যাধি। তবে আজকের খবরটা বাংলাদেশের একটা পত্রিকারই। মিস্ বাংলাদেশ নিয়ে ওঠা আরেকটি বিয়ের তথ্য গোপন করার সংবাদ।
আমার ঘুম তো আসে না
আমার ঘুম তো আসে না দিনে রাতে স্বজনী গো
ব্যস্ত আছি পদ্মা ব্রীজের কাজে।
স্বজনী গো
একদিন দুইদিন করে বিরহ গেল জীবন জুড়ে
মিলনেরই সাধ নাহি মিটে।
আমার বিরহের অবসান হবে গো
বিরহের অবসান হবে
পদ্মা ব্রীজের সাঝে।
মাওয়া জাজিরার মাঝে ঘটক পাঠাই সকাল সাঝে
কত ঘটক আসিল আর গেল
শেখ হাসিনা এসে তাতে হাল ধরিল শক্ত হাতে
পদ্মা ব্রিজে তো করিয়াই ছাড়িবে।
আজি সব বিরহের অবসান হল গো
সব বিরহের অবসান হল
এই পদ্মা ব্রীজের মাঝে।৷l
আবুল হোসেন
তাং ২২/৯/২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ
মধ্য পদ্মায় MBEC বার্জ থাকে (20 নং পিলার)
ভয় দেখালে কামড়ে দেবো
গুরুর একটা জনপ্রিয় গান দিয়ে শুরু হয়েছিল আগের লেখাটা। এবারও মনে পড়ছে একটা গানের কথা।
লিখতে পারি না কোনো গান আজ তুমি ছাড়া...
এই গানটা কি প্রথম ইত্যাদি অনুষ্ঠান থেকে একই সাথে দেখেছিলাম আর শুনেছিলাম আমি? খুব সম্ভবত। তখন আমি বগুড়ার সুত্রাপুরের দোতলা বাসাটায় থাকি। সময়কাল বয়স যখন ১৩ থেকে ১৭। বয়ঃসন্ধির মধ্যকালটা। সেই সময় কোনোকিছু মাথায় কিংবা মনের ভেতর একটা কিছু ঢুকলে সেটাকে আর বের করা সম্ভব হতো না। গানটা একবার শুনেই মাথায় ঢুকে গেল। এবারে একদম অরিজিনাল ভার্সন। অন্য কারো গলায় গাওয়া না। গানটা যতোবার শুনতাম ততোবার একইরকম গভীর একটা হাহাকার বুকে অনুভব করতাম। অনুভূতি ক্ষমতার প্র্যাকটিস্ যেন!
জীবনযুদ্ধ, বাংলা ব্যাকরণ ও ভালবাসার ছোট্ট মানুষটা
আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো তুমি আমার
জেমস্ গুরু সবসময় ছিলেন সাথে। বেড়ে ওঠার দিনগুলোতে। আমি এখনও অনেক সময় গুরুর পুরোনো গানগুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শুনি। জানি না কথাটা ঠিকভাবে বলা হলো কিনা। বাক্যের গঠন সংক্রান্ত ব্যাকরণ কখনোই ভালভাবে পড়া থাকতো না। এখন আর ওসব নিয়ে ভাবি না। বরং বাংলা ব্যাকরণ ক্লাসগুলো যেসব টিচাররা নিতেন তাদের কথা মাঝে মাঝে ভাবি।
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে একটা ট্রল দেখলাম সেদিন। ট্রাম্প কোনো এক ক্লাসে পর পর দুইবার ফেইল করেছে। সেই ক্লাসের টিচার তাকে বলছে, এই নিয়ে দু'বার একই ঘটনা ঘটলো ট্রাম্প। শুনে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছে, এর মানে হচ্ছে এই নিয়ে দু'বার তুমি আমাকে শেখাতে ব্যার্থ হলে টিচার।
ভাষা
ব্যক্তিপরিসরে নির্ভরতা রাখতে পারি এমন কারো সাথে শাব্দিক যোগাযোগে কিঞ্চিৎ সাচ্ছন্দ্যবোধ করলেও সামাজিক পরিসরে, অপরিচিত, স্বল্পপরিচিত মানুষদের সামনে কিংবা যেসব মানুষের প্রতি আমি আস্থা রাখতে পারি না, তাদের সামনে যেকোনো বিষয়ে মৌখিক শাব্দিক যোগাযোগের ব্যক্তিগত অক্ষমতার কারণে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ভাষা ব্যবহার বিষয়ে আমার আগ্রহ বেশী।
নিজ ঘরে পরবাসী
আমি এখন নিজ ঘরে পরবাসী
আর বলবো না বউ-
আমি তোমায় ভালোবাসি।
ভালোবাসা তো বলে হয় না
অনুভব করতে হয়-
হৃদয়ে স্পর্শ করতে হয়।
সারাদিন খাটাখাটুনির পর
বাসায় ফিরে বলবো না
পেটে টান পড়েছে খেতে দাও।
এখন আমি রাঁধতে শিখেছি
উনুনে ভাতের হাঁড়ি বসিয়ে
দিব্যি সব হয়ে যায়।
ছুটির দিনে সন্ধ্যায় চা-নাশতার
তাগিদ আর দেবো না-
এ ছাই না হলে কী হয়।
সিঁড়ি ভেঙে নিচে নামলেই তো
ছাইপাশটার দেখা মেলে
আয়েশ করে খাওয়ার কি?
আমার হাত যে কীভাবে ভাঙলো
বুঝতে পারছি না-
কে যেন ধাক্কা দিয়েছিল।
কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা দিয়েছি
মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলাম
নির্ঘাত মিথ্যা অজুহাত।
তবে তুমি যে ধাক্কা দাওনি
নিরেট সত্য এটি-
হাত ভেঙেছে এটাই বাস্তবতা।
জ্ঞানীদের কথা, সংসার বড় ধর্ম
অনেক কিছুই সইতে হয়-
বলার থাকে কম।
প্রবাদে আছে-
সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে
নেহায়েত খাঁটি কথা।
যদি হজমে সমস্যা না থাকে
২২
আমাদের ভেতরে ভন্ডামি, ভড়ং আর নাটকীয়তার লোভ আছে ষোলো আনা। পুরোনো বাংলা নাটক সিনেমার মতো " এই তো দেখি চোখে জানি কি পরলো" ভঙ্গিতে আবেগ অনুভুতির নাটকীয় প্রকাশ নিজেকে আরও একটু সম্ভ্রান্ত প্রকাশের প্রচেষ্টা- উদলা পাছায় মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে কিস্তি টুপির বিজ্ঞাপন আমাদের দিয়েই সম্ভব।
জনআন্দোলনে রাজপথে বলিষ্ঠ শ্লোগানের মতো সফল অনবদ্য কবিতা রচিত হয়। দুর্ভিক্ষ আর অনাহারের পটভুমিতে নির্মিত হয়েছে সুকান্তের শাণিত শ্লোগানের মতো কবিতা ।৬৯ এর গণ অভ্যুত্থানের গর্ভে জন্মেছে হেলাল হাফিজের এখন যৌবন যার মিছিলে যাওয়ার তার শ্রেষ্ঠ সময়। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের রাজপথে জন্মেছে রুদ্রের কবিতা। কণ্ঠে কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে। এমন শ্লোগান ধর্মী কবিতায় আত্মউন্মোচনের মতো মগ্নতা নেই, শব্দের কারুকার্য নেই। সকল শ্লোগানেই ব্যক্তিগত দৃঢ় উপলব্ধি উচ্চারণের স্পষ্টতা আছে। সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্লাকার্ডে লেখা
এবার সুস্থ হয়ে উঠুক বাংলাদেশ
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে অবশেষে একটা বড় আওয়াজ উঠেছে রাজধানীতে। ধীরে ধীরে সেটা ছড়িয়ে পড়ছে দেশের অন্যান্য বড় শহরগুলোতেও। আওয়াজটা উঠেছে স্কুল-কলেজগামী কিশোর-কিশোরীদের মাঝ থেকে। ছড়িয়ে পড়ছে সচেতন প্রাপ্তঃবয়স্কদের ভেতরেও। মোটাদাগে এটা একটা ভাল ব্যপার ঘটছে বলা যায়। সচেতনতা সবসময়ই জরুরি। তবে পাশাপাশি কিছু বিষয়ভিত্তিক পয়েন্ট আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা সবার চিন্তায় থাকাও জরুরি। কি সেই পয়েন্টগুলো? আসুন দেখে নিই ঝটপট, তাড়াতাড়ি।
২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের মূল দাবিগুলোর অনেকাংশে পূরণ হয়েছিল। ফাঁসি হয়েছিল যার আঙুল দেখানোকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে সেই গণজাগরণ। এবার আমরা তার চেয়েও ভাল ফলাফল দেখতে চাই। গণজাগরণ মঞ্চ দিয়ে যেসব সংকটের আগল খোলা যায় নি, সেসব সংকটকে আলোকবর্তিকার নিচে নিয়ে আসতে চাই ।