ইউজার লগইন
ব্লগ
ভাল বই মন্দ বই
অমর একুশে বইমেলা শেষ হয়ে আসছে।বিকেল হলেই এই শহরের ব্যস্ততা উপেক্ষা করে কোথাও যাবার জন্যে মন উদগ্রিব হবে না আর।।এক বছর মেয়াদী একটা অপেক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছি।
পাঠক লেখক ও প্রকাশকের এই মিলন মেলা শুধু আড্ডা বা বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়।জাতির মানসিকতা গঠনেও এর অবদান অনেক।দেশের পাঠ্য বই বহির্ভূত ৯৫শতাংশ বই এই মেলা কেন্দ্র করে প্রকাশিত হয়।ফলে, গত এক বছরে দেশের গুনীদের ভাবনার সম্মিলন হয় মেলায়। বাংলা একাডেমীর হিসাব মতে,এবারে বই আসার কথা প্রায় চার হাজারের মত। অনেকেই বলা শুরু করেছেন এরমধ্যে মানসম্পন্ন বইয়ের সংখ্যা হাতে গোনা। মানে জাতীয় জীবনের নানা তর্কের মত বইমেলা নিয়েও বেশ কিছু বিতর্ক এখন মেলার মৌসুমে আছে।
অবিনাসী
শব্দ থেমে যাবে
চিৎকার থামবে না কোনদিন
ঝড় থেমে যাবে
তবু থামবে না গর্জন
রাস্তার স্লোগান, গলাবাজি, ক্যানভাস
থেমে যাবে, থেমে যাবে
খাদ্যের ভাগাড়, অশ্লীল ঢেকুর
বেহুদা বনবাস, দেখো একদিন ঠিকই থামবে সব।
তবু যে ভালোবাসা আমি লিখেছি কবিতায়
পরতে পারতে পাতার পতঙ্গ পেয়েও পাবে ফুল
সে রুপকথাতো থামবার নয়।
যে পথে এসেছিলো গান
অথবা যে পথে যাওয়া যায় একেবারে চলে
সে পথ ধরে আজীবন রয়ে যাবে আগন্তুক আনাগোনা।
থেমে যাবে, দেখো অন্য সব থেমে যাবে
শুধু তোমার কপালে টিপের লাল
থামবে না কোনদিন....
থামবে না মুগ্ধ মন
আর কলমের কাঙ্খিত কুরুক্ষেত্র
{(c) MNI, F.B 25.02.2012}
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ১৭
হে দুর্ভাগ্যনাশিনী তোমার জন্য সাতটি রক্তিম গোলাপ রেখেছি
কিন্তু এর চাইতে বেশি কিছু রাখা সম্ভব হয় নি।
আমি জানি তুমি আমার উপহার পেতে খুব বেশি ভালোবাসো
তাই আমি তোমায় কোনো উপহার দিই না।
সম্ভবত এটাই তোমার সবচেয়ে বড় উপহার হয়ে উঠবে একদিন,
কেননা কাছে টেনে এনে আঘাত দেয়ার চেয়ে
দূরে ঠেলে রেখে গোলাপ দেয়া উত্তম।
---
নিশ্চিহ্ন
জাহাবাজ জোস্নায় র্নিবৃক্ষ প্রান্তর
এখানে ধু ধু চক্ষুসীমা।
অবশেষে তবে ফিরে চলো কারণিক
চাক্ষুস সমূদ্র আর নেই কোথাও।
ছায়া নেই, রৌদ্র নেই এমন কি বৃষ্টির কণাও
দূর তুর পাহাড়ে ঈশ্বর যে কথা দিয়েছিলেন মুসাকে
তাও ফিরিয়ে নিয়েছেন তিনি।
মেষ পালক, হে বন্ধু আমার- তুমি তবে ফিরেই যাও
এ পথে আমার আর কোন চিহ্ন পড়ে নেই।
পাগলের দিনলিপি (চৌদ্দ)
আজ রাত আমার অসুখ,
অসুখের চাদরে শরীর ঢেকে শুয়ে থাকি
ঘরময় অসুখের ঘ্রাণ বাতাসে ছড়ায়
মেঝেময় অসুখের পদচিহ্ন হাটে।
মাঝরাতে প্রতারিত একজন যুবকের কণ্ঠে
যখন, "কাজল নদীর জলে..." বেজে উঠে
তখন বিভ্রান্ত অসুখের চাদর সরিয়ে রেখে
বারান্দার মলিন ধূসর গ্রীলে চাঁদের আলোর সাথে
রস-কষ-সিঙ্গারা-বুলবুলি খেলবো বলে
আলগোছে তুলেছি ছায়ার শরীর...
যুবক তখন জ্যোছনাময় পথটাকে নদী ভেবে
সোনার বরণ মেয়েটারে খুঁজে ফেরে ইতিউতি...
নগর প্রহরী দল ঘুষ আর মদিরার আহ্বানে
ছুটেছে কোথাও...
তাদের বেসুরো হর্নে ভালোবাসাময় প্রতারিত
যুবকের সম্বিত ফিরেছে; এইবারে নদীটাকে ছুড়ে ফেলে
প্রাণ খুলে হাক দেয় যেনো পৃথিবীর সকল ঘুমন্ত মানুষের
সাথে তার শত্রু-মিত্র সম্পর্কের দায় থাকে।
যদিও যুবক এখনো শহুরে গলি ঘুপচির গোলকধাঁধাঁরে
কোনো সমাধান দিতে পারে নাই...
আর তাই আমি গ্রীল ধরে ঝুলতে ঝুলতে
তারে সমবেদনা জানাই।
এক একটা দিন বড় বেরঙীন
হয়তো একটি মুহূর্তের স্কেচ এসব কিছুই, সে মুহূর্তে সবাই পরবাসী, গৃহের অন্তরালে, পলাতক জীবনযাপনে সবাই কোনো না কোনো পক্ষ বাছাইয়ের লড়াইয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছিলেন, প্রতেকের ভেতরেই বিভিন্ন রকমের সংশয় ছিলো, কিন্তু দেয়ালে ঠেকে যাওয়া পিঠ আর সামনে আগুণ, দেয়াল ভেঙে পালিয়ে যাওয়া কিংবা আগুণে ঝাপিয়ে পড়ার এই ভাবনার দ্বৈরথে অনেকেই আগপাশ বিবেচনা না করেই আগুণে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। আমি সে সময়ের পরের প্রজন্ম, আমার যাবতীয় রসদ আত্মজীবনির পাতা থেকে খুঁজে নেওয়া, এর সাথে ১৪ আনা কল্পনা মিশিয়ে একটি সময়ের ভাবনা লিখছি সে সময় আমার অপরিচিত এবং আমার বেড়ে ওঠা শৈশবের সাথে যে সময়ের কোনো মিলমিশ নেই।
------------------------------------------------------------------------------------------------------
-------------------------------------------------------------------------------------------------------
আগুন লাগানোর বাসনা।
আমাদের উপরতলার মানুষজন আজব আজব কথা বার্তা বলবেন, আমরা এতে হাসতেও পারবো না, ক্ষোভও প্রকাশ করতে পারবো না। মুখে বলা হবে বাকস্বাধীনতার কথা, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার কথা। সেটা পাচ্ছি না, তাও বলার উপায় নেই। তারা উঠতে বসতে মিথ্যে কথা বলে যাবেন, আর সেই খবর ছাপিয়ে দিলেই পত্রিকা হয়ে যায় মিথ্যেবাদী।
ব্লগে লেখালেখি করার অনেক বিষয় থাকে। আমার আগ্রহ আগাগোড়াই "নিজ" জীবন-কেন্দ্রিক। একে ঘিরে যে রাজনৈতিক, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট তাকে আমি এড়াতে তো পারি না। এ নিয়ে লিখতে গেলেই মনে মনে ভয় পাই। ভয় না বলে একে আতঙ্ক বলা বেশি যুক্তিযুক্ত। ব্লগে লিখেন এমন কাছের মানুষদেরকেও একই রকম ভয় বা আতঙ্ক পেতে দেখেছি। লঘু ধরনের ব্লগর ব্লগরের সময়ও মাথায় চিন্তা রাখতে হয়, "দেশদ্রোহিতা" করে ফেললাম না তো!
শিরোনামহীন এলোমেলো
ঘুড়িটা হঠাৎ কাগজের প্লেন হয়ে গেলো
সুতো কেটে। উড়ে যেতে যেতে
চকিত স্বপ্ন দেখে নিলো পর্বত ও বনভুমি পেরুবার।
দেখতে দেখতে কাগজ বদল হলো ইস্পাতে
ঝুপ করে বেড়ে যাওয়া ভর নিয়ে নেমে এলো নদীর বুকে।
একা প্লেনটা।
নৌকা হয়ে তরতর
কেটে গেলো কালো,লাল ও নীল পানি।
মেঘের ছায়া পড়া চোখে হয়ে গেলো অশ্রুকণা।
গাঢ় হলুদ অশ্রু, নেমে এলো মেটে শরীর বেয়ে।
ছড়ানো বীজেরা, নতুন পাতার জীবন নিয়ে
এলোমেলো উড়িয়ে দিলো পতঙ্গের সুখ।
উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (৫)
৫.
আসিফকে আগেই বিদায় দেয়া হয়েছে। তবে এই একটা বন্ধুকে আমার কখনোই ছাড়তে ইচ্ছে করে না। ও নিজেই মিরপুরে বোনের বাসায় হাজিরা দিতে চলে গেলো। আমি জানি রাত হতে হতে সে ফিরে আসবে। আমার ডেরা তার অপরিচিত নয়।
যুথীরা চলে যাবার পর ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে আমি আবারো একা হয়ে গেলাম। একটা বিষয় ভেবে আশ্চর্য লাগলো। কেন আজ কোথাও বেশিক্ষণ বসতে পারছি না?
হুদাহুদাই (৫)
আঙ্গুলের কড়ায় গুনতে গেলে মাত্র আট, সংখ্যায় খুবই নগন্য। কিন্তু এই দু’গন্ডা মাসের সময়টাতেই দুই ঈদ, পুজা আর ক্রীসমাস পার করলাম এখানে। রোজাতে ইফতার-সেহেরির সময় উল্লেখ করা অনেক ক্যলেন্ডার, দাওয়াত পেলেও রোজার সেই আমেজটা স্বাভাবিক ভাবেই একদমই পাইনি। ইফতারে আজান শুনতাম অনলাইনে ইন্সটল করা আজান সফটওয়ার দিয়ে আর সেহেরি ঘড়ি দেখে। দাওয়াতগুলো ইফতারির চেয়ে শো-অফই বেশি লেগেছে, তা সবার সাজগোজ কিবা টেবিলে খাবারের পদের বাহুল্যই বলেন। দাওয়াতে পরিবারের কোন সদস্য যদি না আসে, তার জন্যে খাবার প্যাক করে দেয়ার একটা রীতি চালু আছে এখানে, দেখে বেশ লাগলো, কারন ছোট থেকেই মা-খালাদের দেখতাম এমনি করে দাওয়াত শেষে খাবার প্যাক করতে বসছেন।
জীবনের পথে প্রান্তরে
অনেক দিন পরে এলাম। সবাই ভাল আছেন নিশ্চয়। সময় সুযোগ অনেক বেশী থাকা সত্বেও নেট ঘাটা ঘাটিতে বসতে মন চাইতো না। বই মেলাই প্রায় দিনেই যাওয়া পড়ে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তেমন কোন বই কেনা হয়নি। লিটিল ম্যাগ চত্বরে গিয়ে মুরালটা দেখলাম গত পরশু। ভাবছি আজ অথবা কাল কিনে ফেলবো। কি লিখবো ভেবে পাচ্ছিনা। ও দাড়ান, সবাইকে একটা কবিতা শোনাই-
জীবন উল্লাসে মাতি নবযৌবনে,
অতুষ্ট থাকে মন অচেতন্যে।
যৌবনে জয়গান গেয়ে উঠে চিত্ত্ব,
অজীর্ন অজুহাত দুর হয় নিত্য।
মনের ময়ূর তখন পেখম মেলে,
বর্ষার আগমনের প্রহর গোনে।
অতৃপ্ত হ্রদয়ের বাসনা যত,
হতে চাই অচিরে অঙ্কুরিত।
আবেগের আবডালে উঠে আসে মন,
শোনেনা সদায় সে নিষেধ বারণ।
দূর থেকে বহুদুরে চেনা অবেশে,
পথ যেন খুজে ফেরে পথের শেষে।
প্রজাপতির রঙিন পাঁখায় রংধনুর ছাঁয়া,
যেন সে খুজে ফেরে কোন এক মাঁয়া।
মায়াবী সে মাঁয়ায় জড়াতে জীবন,
আবেগী হয়ে উঠে উতলা যৌবন।
পাগলের দিনলিপি (তেরো)
লিখতে মন না চাইলে দিনটাকে ডাস্টার দিয়ে মুছে ফেলি।
খালি হয়ে যাওয়া স্লেট তখন তাকিয়ে থাকে বুভূক্ষের মতো
তাকে প্রবোধ দেয়ার ভাষা জানা থাকে না বলেই আমি
রাতের ভেতর ডুব দিয়ে আঁধার হয়েছি...
একটা সাইকেল আমাকে ভেদ করে চলে যায় বছিলা সড়কে
আরেকটা ট্রাক চাপা দিয়ে চলে যায় পথের বিড়ালটাকে
মিউ মিউ করে আর অনর্গল সাইরেন বাজবে না এশহরে।
আমি আঁধার হতেই এবাড়ি-ওবাড়ি-সেবাড়িতে আলো জ্বলে
তারা হয়তো আমাকেই খুঁজছিলো ভেবে খানিক্ষণ
পাগলের মতো হেসে চুপ মেরে যাই...আঁধারের হাসতে বারণ।
নিয়মের বাইরে অনেক কিছুই করছি আজকাল
প্লাস্টিক চিবিয়ে নৌকার পাল কিম্বা রোদ্দুরের সোনারঙ
গিলে ফেলে আগুন হয়েছি দমকল গাড়ি আসবে ভেবে।
‘৪৭ থেকে ‘৭১
১৯৪৭ এর ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৭১ এর ২৬শে মার্চ পর্যন্ত আমাদের যে বিশেষ বিশেষ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলি আছে সেই দিন গুলিতে কোন দিন কি হয়েছিল, কোথায় হয়েছিল, সেই দিনগুলি কেন আমাদের জন্য গুরুত্ব বহন করে সেই সব এক জায়গায় লিপিবদ্ধ থাকা দরকার। এই বিষয় নিয়ে আমরা বন্ধু কি একটা eপুস্তক প্রকাশের উদ্যোগ নিতে পারে?
আমাদের যে ইতিহাস জ্ঞান দেখা যাচ্ছে, আমার মনে হয় এইরকম একটা eপুস্তক প্রকাশ করে সব দিকে ছড়িয়ে দেয়া অতি জরুরী হয়ে পড়েছে।
সবার মতামত আশা করছি।
~
বাংলা ব্যকরন - এক কথায় প্রকাশ - ২
বহু বহু দিন আগে এক কথায় প্রকাশ এর ক্লাস নিয়েছিলাম।
আজ আবার হাজির হয়েছি একই বিষয়ে ব্লগর ব্লগর করতে ।
আসুন আজ আরো নতুন কিছু এক কথায় প্রকাশ শিখি ।
যাহার সব কিছু হারাইয়াছে - শেয়ার ব্যবসায়ী
যাহা ক্রমেই নিচে নামে - সুচক
ঘুমাইবার সময় হইয়াছে যখন - টক শো
যা বিভ্রান্ত করে - পত্রিকা
যিনি হাসেন - আবুল
যে চিহ্ন চিনিয়াছে - ড্রাইভার
যা ক্রমেই বাড়িতেছে - মূল্যস্ফীতি
টাল হইয়াছে যা - ডিজিটাল
যা ক্রমেই দূরে সরিয়া যাইতেছে - পদ্মা সেতু
নিয়ন্ত্রন করিবার ইচ্ছা - নতুন আইন
চামচামি করিবার ইচ্ছা - রাজনীতি
যাহার কোন কাজ নাই - ব্লগার
আজকে এ পর্যন্তই । আবার নতুন নতুন এক কথায় প্রকাশ নিয়ে আরেকদিন কথা হবে ।
‘ক্রিসেন্ট টাউন’- টরন্টোর বাংলাপাড়া
ইংরেজী ‘ক্রিসেন্ট’ শব্দটা উচ্চারিত হলেই প্রথম যে প্রতিমূর্তিটা চোখের সামনে ভেসে উঠে সেটি হচ্ছে ‘চাঁদ’। চান সুরুয নিয়ে গবেষনার ‘এস্ট্রনোমি’ থেকে তাই জানা যায়। আর প্রতীক বা চিত্রকলা তথা ‘আর্ট এন্ড সিম্বোলোজিম’ এ ক্রিসেন্ট হচ্ছে - আকৃতি। একটা বৃত্তকে দুটো ভাগ করে এক ভাগ সরিয়ে নিলে যে আকারটা ধারন করে সেটা হচ্ছে ‘ক্রিসেন্ট। বলা হয় ‘এস্ট্রোনোমি’ আসলে এখান থেকেই ক্রিসেন্ট শব্দটা ধার নিয়েছে।