ইউজার লগইন
ব্লগ
এক একটা দিন বড় বেরঙীন
হয়তো একটি মুহূর্তের স্কেচ এসব কিছুই, সে মুহূর্তে সবাই পরবাসী, গৃহের অন্তরালে, পলাতক জীবনযাপনে সবাই কোনো না কোনো পক্ষ বাছাইয়ের লড়াইয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছিলেন, প্রতেকের ভেতরেই বিভিন্ন রকমের সংশয় ছিলো, কিন্তু দেয়ালে ঠেকে যাওয়া পিঠ আর সামনে আগুণ, দেয়াল ভেঙে পালিয়ে যাওয়া কিংবা আগুণে ঝাপিয়ে পড়ার এই ভাবনার দ্বৈরথে অনেকেই আগপাশ বিবেচনা না করেই আগুণে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। আমি সে সময়ের পরের প্রজন্ম, আমার যাবতীয় রসদ আত্মজীবনির পাতা থেকে খুঁজে নেওয়া, এর সাথে ১৪ আনা কল্পনা মিশিয়ে একটি সময়ের ভাবনা লিখছি সে সময় আমার অপরিচিত এবং আমার বেড়ে ওঠা শৈশবের সাথে যে সময়ের কোনো মিলমিশ নেই।
------------------------------------------------------------------------------------------------------
-------------------------------------------------------------------------------------------------------
আগুন লাগানোর বাসনা।
আমাদের উপরতলার মানুষজন আজব আজব কথা বার্তা বলবেন, আমরা এতে হাসতেও পারবো না, ক্ষোভও প্রকাশ করতে পারবো না। মুখে বলা হবে বাকস্বাধীনতার কথা, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার কথা। সেটা পাচ্ছি না, তাও বলার উপায় নেই। তারা উঠতে বসতে মিথ্যে কথা বলে যাবেন, আর সেই খবর ছাপিয়ে দিলেই পত্রিকা হয়ে যায় মিথ্যেবাদী।
ব্লগে লেখালেখি করার অনেক বিষয় থাকে। আমার আগ্রহ আগাগোড়াই "নিজ" জীবন-কেন্দ্রিক। একে ঘিরে যে রাজনৈতিক, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট তাকে আমি এড়াতে তো পারি না। এ নিয়ে লিখতে গেলেই মনে মনে ভয় পাই। ভয় না বলে একে আতঙ্ক বলা বেশি যুক্তিযুক্ত। ব্লগে লিখেন এমন কাছের মানুষদেরকেও একই রকম ভয় বা আতঙ্ক পেতে দেখেছি। লঘু ধরনের ব্লগর ব্লগরের সময়ও মাথায় চিন্তা রাখতে হয়, "দেশদ্রোহিতা" করে ফেললাম না তো!
শিরোনামহীন এলোমেলো
ঘুড়িটা হঠাৎ কাগজের প্লেন হয়ে গেলো
সুতো কেটে। উড়ে যেতে যেতে
চকিত স্বপ্ন দেখে নিলো পর্বত ও বনভুমি পেরুবার।
দেখতে দেখতে কাগজ বদল হলো ইস্পাতে
ঝুপ করে বেড়ে যাওয়া ভর নিয়ে নেমে এলো নদীর বুকে।
একা প্লেনটা।
নৌকা হয়ে তরতর
কেটে গেলো কালো,লাল ও নীল পানি।
মেঘের ছায়া পড়া চোখে হয়ে গেলো অশ্রুকণা।
গাঢ় হলুদ অশ্রু, নেমে এলো মেটে শরীর বেয়ে।
ছড়ানো বীজেরা, নতুন পাতার জীবন নিয়ে
এলোমেলো উড়িয়ে দিলো পতঙ্গের সুখ।
উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (৫)
৫.
আসিফকে আগেই বিদায় দেয়া হয়েছে। তবে এই একটা বন্ধুকে আমার কখনোই ছাড়তে ইচ্ছে করে না। ও নিজেই মিরপুরে বোনের বাসায় হাজিরা দিতে চলে গেলো। আমি জানি রাত হতে হতে সে ফিরে আসবে। আমার ডেরা তার অপরিচিত নয়।
যুথীরা চলে যাবার পর ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে আমি আবারো একা হয়ে গেলাম। একটা বিষয় ভেবে আশ্চর্য লাগলো। কেন আজ কোথাও বেশিক্ষণ বসতে পারছি না?
হুদাহুদাই (৫)
আঙ্গুলের কড়ায় গুনতে গেলে মাত্র আট, সংখ্যায় খুবই নগন্য। কিন্তু এই দু’গন্ডা মাসের সময়টাতেই দুই ঈদ, পুজা আর ক্রীসমাস পার করলাম এখানে। রোজাতে ইফতার-সেহেরির সময় উল্লেখ করা অনেক ক্যলেন্ডার, দাওয়াত পেলেও রোজার সেই আমেজটা স্বাভাবিক ভাবেই একদমই পাইনি। ইফতারে আজান শুনতাম অনলাইনে ইন্সটল করা আজান সফটওয়ার দিয়ে আর সেহেরি ঘড়ি দেখে। দাওয়াতগুলো ইফতারির চেয়ে শো-অফই বেশি লেগেছে, তা সবার সাজগোজ কিবা টেবিলে খাবারের পদের বাহুল্যই বলেন। দাওয়াতে পরিবারের কোন সদস্য যদি না আসে, তার জন্যে খাবার প্যাক করে দেয়ার একটা রীতি চালু আছে এখানে, দেখে বেশ লাগলো, কারন ছোট থেকেই মা-খালাদের দেখতাম এমনি করে দাওয়াত শেষে খাবার প্যাক করতে বসছেন।
জীবনের পথে প্রান্তরে
অনেক দিন পরে এলাম। সবাই ভাল আছেন নিশ্চয়। সময় সুযোগ অনেক বেশী থাকা সত্বেও নেট ঘাটা ঘাটিতে বসতে মন চাইতো না। বই মেলাই প্রায় দিনেই যাওয়া পড়ে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তেমন কোন বই কেনা হয়নি। লিটিল ম্যাগ চত্বরে গিয়ে মুরালটা দেখলাম গত পরশু। ভাবছি আজ অথবা কাল কিনে ফেলবো। কি লিখবো ভেবে পাচ্ছিনা। ও দাড়ান, সবাইকে একটা কবিতা শোনাই-
জীবন উল্লাসে মাতি নবযৌবনে,
অতুষ্ট থাকে মন অচেতন্যে।
যৌবনে জয়গান গেয়ে উঠে চিত্ত্ব,
অজীর্ন অজুহাত দুর হয় নিত্য।
মনের ময়ূর তখন পেখম মেলে,
বর্ষার আগমনের প্রহর গোনে।
অতৃপ্ত হ্রদয়ের বাসনা যত,
হতে চাই অচিরে অঙ্কুরিত।
আবেগের আবডালে উঠে আসে মন,
শোনেনা সদায় সে নিষেধ বারণ।
দূর থেকে বহুদুরে চেনা অবেশে,
পথ যেন খুজে ফেরে পথের শেষে।
প্রজাপতির রঙিন পাঁখায় রংধনুর ছাঁয়া,
যেন সে খুজে ফেরে কোন এক মাঁয়া।
মায়াবী সে মাঁয়ায় জড়াতে জীবন,
আবেগী হয়ে উঠে উতলা যৌবন।
পাগলের দিনলিপি (তেরো)
লিখতে মন না চাইলে দিনটাকে ডাস্টার দিয়ে মুছে ফেলি।
খালি হয়ে যাওয়া স্লেট তখন তাকিয়ে থাকে বুভূক্ষের মতো
তাকে প্রবোধ দেয়ার ভাষা জানা থাকে না বলেই আমি
রাতের ভেতর ডুব দিয়ে আঁধার হয়েছি...
একটা সাইকেল আমাকে ভেদ করে চলে যায় বছিলা সড়কে
আরেকটা ট্রাক চাপা দিয়ে চলে যায় পথের বিড়ালটাকে
মিউ মিউ করে আর অনর্গল সাইরেন বাজবে না এশহরে।
আমি আঁধার হতেই এবাড়ি-ওবাড়ি-সেবাড়িতে আলো জ্বলে
তারা হয়তো আমাকেই খুঁজছিলো ভেবে খানিক্ষণ
পাগলের মতো হেসে চুপ মেরে যাই...আঁধারের হাসতে বারণ।
নিয়মের বাইরে অনেক কিছুই করছি আজকাল
প্লাস্টিক চিবিয়ে নৌকার পাল কিম্বা রোদ্দুরের সোনারঙ
গিলে ফেলে আগুন হয়েছি দমকল গাড়ি আসবে ভেবে।
‘৪৭ থেকে ‘৭১
১৯৪৭ এর ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৭১ এর ২৬শে মার্চ পর্যন্ত আমাদের যে বিশেষ বিশেষ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলি আছে সেই দিন গুলিতে কোন দিন কি হয়েছিল, কোথায় হয়েছিল, সেই দিনগুলি কেন আমাদের জন্য গুরুত্ব বহন করে সেই সব এক জায়গায় লিপিবদ্ধ থাকা দরকার। এই বিষয় নিয়ে আমরা বন্ধু কি একটা eপুস্তক প্রকাশের উদ্যোগ নিতে পারে?
আমাদের যে ইতিহাস জ্ঞান দেখা যাচ্ছে, আমার মনে হয় এইরকম একটা eপুস্তক প্রকাশ করে সব দিকে ছড়িয়ে দেয়া অতি জরুরী হয়ে পড়েছে।
সবার মতামত আশা করছি।
~
বাংলা ব্যকরন - এক কথায় প্রকাশ - ২
বহু বহু দিন আগে এক কথায় প্রকাশ এর ক্লাস নিয়েছিলাম।
আজ আবার হাজির হয়েছি একই বিষয়ে ব্লগর ব্লগর করতে ।
আসুন আজ আরো নতুন কিছু এক কথায় প্রকাশ শিখি ।
যাহার সব কিছু হারাইয়াছে - শেয়ার ব্যবসায়ী
যাহা ক্রমেই নিচে নামে - সুচক
ঘুমাইবার সময় হইয়াছে যখন - টক শো
যা বিভ্রান্ত করে - পত্রিকা
যিনি হাসেন - আবুল
যে চিহ্ন চিনিয়াছে - ড্রাইভার
যা ক্রমেই বাড়িতেছে - মূল্যস্ফীতি
টাল হইয়াছে যা - ডিজিটাল
যা ক্রমেই দূরে সরিয়া যাইতেছে - পদ্মা সেতু
নিয়ন্ত্রন করিবার ইচ্ছা - নতুন আইন
চামচামি করিবার ইচ্ছা - রাজনীতি
যাহার কোন কাজ নাই - ব্লগার
আজকে এ পর্যন্তই । আবার নতুন নতুন এক কথায় প্রকাশ নিয়ে আরেকদিন কথা হবে ।
‘ক্রিসেন্ট টাউন’- টরন্টোর বাংলাপাড়া
ইংরেজী ‘ক্রিসেন্ট’ শব্দটা উচ্চারিত হলেই প্রথম যে প্রতিমূর্তিটা চোখের সামনে ভেসে উঠে সেটি হচ্ছে ‘চাঁদ’। চান সুরুয নিয়ে গবেষনার ‘এস্ট্রনোমি’ থেকে তাই জানা যায়। আর প্রতীক বা চিত্রকলা তথা ‘আর্ট এন্ড সিম্বোলোজিম’ এ ক্রিসেন্ট হচ্ছে - আকৃতি। একটা বৃত্তকে দুটো ভাগ করে এক ভাগ সরিয়ে নিলে যে আকারটা ধারন করে সেটা হচ্ছে ‘ক্রিসেন্ট। বলা হয় ‘এস্ট্রোনোমি’ আসলে এখান থেকেই ক্রিসেন্ট শব্দটা ধার নিয়েছে।
চন্দ্রালোকের ছায়া-৪
পাগলের দিনলিপি (বারো)
আমি সুঁইয়ের গাদায় আমার হারানো সুঁইয়ের খোঁজ করি।
এরমধ্যে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে, জলে ভিজে সুঁই খুঁজতে গিয়ে
আমি জলস্রোতে ভেসে যাই, আহা সুঁই! তোর সাথে আর
বোধহয় কখনো দেখা হবে না একালে...মনে প্রাণে আমি
বাঙালি তখন, পরজন্মে জমে গেছে অগাধ বিশ্বাস যেনো।
জলস্রোতে ভেসে যেতে আমার ভীষণ ভালো লাগে,
এতোকাল শুকনো জামায় থেকেছি অসুখের বাড়ি।
জলস্রোত আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যায় স্মৃতিময়
পুরোন শানদার বন্ধুর নিকটে...সেখানে ঝলসে উঠেছে
কাঁচা লোহা, ধাতব মৃত্যুর মতো।
জলস্রোত নিয়ে গেছে বুড়িগাঙে, সেখানে জল আর ডাঙা
ঢেউয়ে ঢেউয়ে ছোঁয়াছুঁয়ি খেলে যায় সারাবেলা-সারারাত।
আমি ভেসে যেতে দেখি মায়ের অবৈধ সন্তান, হারিয়ে
যাওয়া শাড়ির আঁচল, দুধের ইস্পাত বাটি...
জলে ভেসেই কাটিয়ে দিতে চাই বাকীটা জীবন।
আমরা বন্ধু ব্লগ সংকলন :ম্যুরাল
আমরা বন্ধু ব্লগের ব্লগারদের আগ্রহ, অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই ব্লগের প্রথম সংকলন 'ম্যুরাল' এসেছে এবারের একুশে বইমেলায়। এই ব্লগেরই কয়েকজন মানুষের অক্লান্ত চেষ্টা, অফুরন্ত আবেগ-ভালোবাসা এবং ব্লগারদের ভালোবাসা, উৎসাহে 'ম্যুরাল' আলোর মুখ দেখলো। আমরা বন্ধু ব্লগের ব্লগারদের মুক্তগদ্য, গল্প ও মুক্তিযুক্ত বিষয়ক লেখা থেকে বাছাইকৃত লেখা নিয়ে 'এ বি প্রকাশনীর বই -ম্যুরাল' এর মোড়ক উন্মোচন হলো ১৬ ফ্রেব্রুয়ারী লিটল ম্যাগ চত্বরে। এখনো যারা 'ম্যুরাল' সংগ্রহ করেননি তারা বইটি সংগ্রহ করতে পারবেন একুশে বইমেলার লিটল ম্যাগ চত্বরে 'গল্পপত্র' ও 'কবিতা সংক্রান্তি' স্টল থেকে। বইটির মূল্য ২০০ টাকা।

শরীরে নতুন অফিস খুলেছি
অন্যান্য অঙ্গ প্রতঙ্গের সাথে যোগাযোগের জন্য
শরীরে নতুন অফিস খুলেছি
থাকছে একটা বার্তা বিভাগ আর জরুরী অবতরণ কেন্দ্র
প্রতিদিনের সকল স্পর্শ গুলোকে চুলচেরা বিচারে
রেখে দিচ্ছি নির্দিষ্ট দেরাজে
ফোনলাইন লাগেনি এখনও
ইন্টারনেটও আসবে শীঘ্রই - একটা স্বয়ংসম্পূর্ণ স্যাটেলাইট
আর ক'জন নতুন কর্মীও যোগ দেবে সহসা
যাদের রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং নতুন গ্রাহকযন্ত্র
শব্দ তরঙ্গ থেকে অচিরেই পৃথক করে দেবে
প্রয়োজনীয় ভালোবাসাবাসি
বিভিন্ন মৃত শরীরে শাখা খুলবো বছর ঘুরলেই
একদম টাটকা বাণিজ্য - কবরে কবরে
চারদিকের শাখা প্রশাখায় পৌঁছে যাবে
আকাঙ্খিত সেবা - কেবল চটকদার বিজ্ঞাপনের জন্য
একজন বিনিয়োগ পার্টনার আবশ্যক
বন্ধুত্ব - যখন তখন
বন্ধুত্ব জিনিসটা একেবারেই হিসাব ছাড়া। কে, কখন, কিভাবে, কোন পরিস্থিতিতে নিছক পরিচিত থেকে প্রিয় বন্ধু হয়ে উঠবে তা আগে থেকে জানা অসম্ভব। আবার সময়ের সাথে সাথে একই বন্ধু বা বন্ধুতার ধরণ ও পালটে যায়। কিছু বন্ধু থাকে আত্মার খুব কাছে। যে কোন দুঃসময়ে এদের কথা সামার প্রথমে মনে আসে। কিছু বন্ধুত্ব অবস্থান ভিত্তিক - একসাথে ঘোরাঘুরি, আড্ডাবাজি টাইপ। আবার কিছু বন্ধুত্ব প্রয়োজনের তাগিদে। কিন্তু বন্ধুত্ব যেমনই হোক, নানা জীবন অভিজ্ঞতার সাথে তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পালটে যায়।
সদ্য নারী মহলে ভীষণ জনপ্রিয় এক ব্যাচেলরকে স্বামী বানানো - এক বান্ধবীকে প্রশ্ন করলাম -
আচ্ছা তুমি কী ভাইয়াকে, অন্য ভাবী/ বান্ধবীদের সাথে গল্প করলে বকা দাও?
- অবশ্যই
এটা শুধু ছেলে- মেয়ে বন্ধুত্বের ক্ষেত্রেই নয়, সেইম সেক্স বন্ধুত্বের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
![images[9].jpg](/sites/default/files/users/anamika/images%5B9%5D.jpg)